এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯৩১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১২:১২697208
  • bb আবারও বলছি - সরকার সব করে দেবে, আমরা সুফল ভোগ করবো - এরকম না বলে বরং নির্দিষ্ট করে বলুন না।
    যেমন আমরা আশা করি :
    ১) সরকার ভালো রাস্তা বানিয়ে দেবে।
    ২) সরকার পরিস্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করবে।
    ৩) সরকার হাসপাতাল ঠিকমত চালাবে। গ্রামে গ্রামে হাসপাতাল তৈরী করবে।
    ৪) সরকার স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকমত চালাবে। প্রয়োজন মত আরও স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় বানাবে।
    ৫) সরকার আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখবে : ক) পুলিশ ঠিকমত কাজ করবে, খ) আদলতে মামলার সময়মত নিষ্পত্তি হবে
    ৬) সরকার প্রশাসন ঠিকমত চালাবে : ক) সরকারী কাজ সময়মত বিনা ঘুসে হবে, খ) মানুষের অভাব অভিযোগ কতৃপক্ষের কাছে বিনা আয়াসে পৌঁছালো যাবে, গ) সে অভিযোগ সম্পর্কে ব্যবস্থা নেওয়া হবে সময়মতো।
    এই রকম যদি একটু বলেন আমরা সরকারের কাছে আর কি কি আশা করি যা আমাদের করা উচিৎ নয়।
  • sarathi | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৩২697209
  • সিঙ্গুর গ্রামাঞ্চলে, বিশেষত: রতনপুর, দলুইগাছাতে গতকাল রাত থেকে "রক্ষা কমিটি" বাড়ি বাড়ি এসে হুমকি দিতে শুরু করেছে
    দাবী একটাই বাড়ির অন্তত: একজনকে নেত্রীর ঘেরাও অবস্থানে টানা শামিল হতে হবে'
    না বললেই জুটছে অশ্রাব্য খেউড় আর দেখে নেওয়ার হিসেব

    রক্ষা কমিটির সঙ্গে তো "গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা", "মানবতাবাদী" সংগঠনগুলি সরাসরি যুক্ত, তারা কি বুঝিয়ে সুজিয়ে এ পথ থেকে নিরস্ত করতে পারে না, নাকি যেকোন রাস্তাই এখন গ্রহণযোগ্য
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৫১697210
  • যেকোন রকম জোর জবরদস্তিই নিন্দনীয়। এমনকি যদি অন্য কেউ উল্টোটা করে (হুমকি দিয়ে আসা - মমতার সভায় গেলে ফল ভালো হবে না-গোছের) তাহলেও।
  • sarathi | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৫:০৮697211
  • কল্লোলদা আপনার সঙ্গে একমত

    "উল্টোটা" হলে ঐ সংগঠনগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে, আনন্দ চ্যানেলে শ্রী ভদ্রের দর্শন মেলে এবং তা হওয়া উচিত বলেই মনে করি

    কিন্তু রক্ষা কমিটি-টিএমসি-মাওবাদী সন্ত্রাসের সময় একদম নিশ্চুপ, "গণতান্ত্রিক" নেতাদের বলতে শুনেছি " ওরা শাসক, ওরাই আত্মরক্ষা করুক, আমরা কি করব?"
  • bb | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৫:১০697212
  • কল্লোল আমরা যা যা আশা করি তা আপনি ঠিক লিখেছেন। কিন্তু এটা নিশ্চই জানেন যে সরকারি অফিসে যারা ঘুষ নেয় বা কাজে ফাঁকি দেয়, তারা আমাদেরই বাবা, কাকা। আমরা আশা করবো সরকার গ্রামে হাসপাতাল বানাবে, কিন্তু আমি ডাক্তার হয়ে গ্রামে যাব না।
    আমার নিজেরই এক আত্মীয় মফস্‌সলে সরকারি ডাক্তার কিন্তু বাড়ীর পশার নিয়েই সময় কেটে যায়। আবার ইনি কিন্তু বাড়ীতে বর্তমান পড়েন আর সরকার কে গালি না দিয়ে জল খাননা।
    এটা হয়ত ইস্যু থেকে সরে যাওয়া।কিন্তু এটাই বাস্তব।
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৫:২৫697213
  • bb - প্রত্যেকেই কারুর না কারুর বাবা কাকা। তাতে কি সরকারের দায়িত্ব খতম হয়ে যায়? মাওবাদীরা, তৃণমূলিরাও তো আমাদেরই বাবা কাকা ভাই বোন। তো?
    আর অন্যভাবে দেখলে কারুর বাবা-কাকা ঘুস নেয় না। কারন বাবা-কাকা হিসাবে একমাত্র ছেলের বিয়েতে পণ নেওয়া ছাড়া আর কোন ঘুস তারা নিতে পারেন না। যিনি ঘুস নেন তিনি সরকারী কর্মচারী। দায়িত্ব সরকারের।

    ডাক্তার গ্রামে যায় না কেন? সেটা জানেন?
    এই প্রশ্নটায় আপনার উত্তরের আশায় থাকলাম।

    কিন্তু আমার প্রথম জিজ্ঞাসার উত্তর পাই নি -
    কি কি আমরা সরকারের কাছে আশা করি, যা আমাদের করা উচিৎ নয়?
  • umesh | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৬:২৭697214
  • সরকার হলো জনগণের প্রতিফলন। জনগণ অসৎ হলে সরকার সৎ হবে কি করে?
    আমরা নিজেরাই তো অসৎ, এদিকে চাই আমাদের ভালো সরকার।
    আমার নিজের experience পশ্চিমী দেশ এর মানুষ জন আমাদের থেকে ঢের গুণ সৎ আর দেশের প্রতি দায়িত্ববান। তাই তাদের সরকার তেমন-ই।
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৪২697215
  • অসাধারন।
    জনসাধারন মানে কি ? গুটিকতক সরকারী কর্মচারী? যে হতদরিদ্র মানুষগুলো এই দেশটার বেশীরভাগ - তারা অসৎ কি প্রকারে জানতে পারি?

    সরকারের অপদার্থতাকে মান্যতা দেওয়ার এর চেয়ে ভলো আর কোন যুক্তি পাওয়া গেলো না!!!!

    তার মানে অমেরিকার (USA)র জনসাধারন সবসময় অন্যদের সাথে মারপিট করে তাই USA ভিয়েৎনাম-আফগানিস্থান-ইরাক ঘটায়। তার মানে বৃটেনের সাধারন মানুষ সব নিজের চাইতে বড়দের চামচা তাই ব্রিটেনের সরকার USAএর।
  • bb | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৭:০৯697216
  • কল্লোল উমেশ যেটা বলতে চেয়েছেন যে বিদেশে লোকের মধ্যে নিয়ম ভাঙ্গার প্রবৃত্তিটা কম। তাই সেখানে লোকে সরকারের থেকে ভালো শাসনের আশা করে।
    আমরা শাসিত হতে অভস্ত: হয়ে গেছি এবং সুযোগ পেলেই নিয়ম ভাঙ্গার চেস্টা করি। তাই আমাদের সরকারকে নিয়ম এর অনুশাসনকে লাগু করতে অনেক এনার্জি খরচ করতে হয়।
    ঊমেশ আশা করি আমার বোঝাটা সঠিক?
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৩০697218
  • আমাদের মানে কি ? গুটিকয়েক মধ্যবিত্ত? তারাই নিয়ম ভাঙ্গে। আর যে কোটি কোটি মানুষ খেতে-মাঠে কাজ করে, তারা কি করে নিয়ম ভাঙ্গে জানতে পারি?
    তার সাথে রাস্তা, হাসপাতাল, স্কুল/কলেজ বানানোর সম্পর্ক কি? তার সাথে পুলিশের বাড়বাড়ি-ঘুস খাওয়া, আদালতে মামলা ঝুলে থাকার সম্পর্ক কি? তার সাথে আজও ভারতের ৮০% মানুষের পরিস্রুত পানীয় জল না পাবার সম্পর্ক কি ?
  • umesh | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৩৯697219
  • কল্লোলদা, ভারতের ৮০% মানুষ গরীব, কিন্তু তাদের কেউ decide করার সুযোগ পাই না কারা দেশ টা শাসন করবে। তাদের মধ্যে থেকে কেউ সুযোগ পাই না দেশ টা শাসন করার। আমরা মধ্যবিত্তরা decide করি, আর মধ্যবিত্তরা-ই শাসন করি। তাই আমাদের কাছে ভালো সরকার আশা করবো কি করে?
  • bb | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৪৩697220
  • কল্লোল এই গুটি কয়েক মধ্যবিত্তরাই এই ব্যবস্থাগুলি চালায়। এটাতো সেই পেরেটো থিওরেম, ২০ শতাংশ চালায় ৮০ শতাংশ এর জন্য ব্যবস্থা। এরাই সুবিধাবাদী
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৫৫697221
  • তাহলে সরকার যা যা করবে - সোনা মুখ করে তাই মেনে নিয়ে চলতে হবে তাই তো ? তাহলে আর পরমানু চুক্তি নিয়ে এতো ঝামেলা করার কি ছিলো? সরকারই তো করছে। তাই না? লালু বা মায়াবতী বা মুলায়ম দুর্নীতি করলে বা মোদি দাঙ্গা করলে সবই ঠিক আছে। করন মানুষই তো চেয়েছে- তাদেরই তো সরকার।
  • Du | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ০১:২৬697222
  • সরকার চাকরী সৃষ্টি করুক, সরকারী বা বেসরকারী - এইটাও মনে হয় চাওয়ার লিস্টে থাকে।
  • kallol | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১০:৩৭697223
  • সরকারী বা বেসরকারী চাকরীর ব্যাপারে লোকের চাওয়ার থেকেও সরকারের আগ্রহটা বেশী। প্রত্যেকবারই নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিতে ""বেকার সমস্যা""র সমাধানের কথা থাকে। কারা যেন বলেছিলো ক্ষমতায় এলে বছরে ১ কোটি চাকরী দেবে!! সাধারন মানুষ ওসব চাওয়া ছেড়ে দিয়েছে।

    হ্যাঁ - কি কি আমরা চাই সরকারের কাছে, কিন্তু চাওয়া উচিৎ নয় - তার লিস্টিটা পেলাম না কিন্তু।
    আর - ডাক্তার কেন গ্রামে যায় না - তার উত্তরটাও পেলুম না।
  • d | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৮697224
  • ইনফিকেও তো জলের দরেই জমি দেওয়া হল। কিন্তু কত দরে, সেটা কেউ জানেন?
    আর আগের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বুদ্ধবাবুকে নিয়ে "সত্যম' ভিৎপুজো টাইপের কি একটা যেন করল। তারপর সত্যমের ডেভ সেন্টার আর এক ইঞ্চিও এগিয়েছে কি? যদি না এগিয়ে থাকে, তাহলে কেন? সেখানে কেউ আন্দোলন করছে বলে তো জানিনা।
  • kallol | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১২:৫৩697225
  • ঠিক, এটা নিয়েও তো বলা উচিত। এই যে মুখে বাজার কর্ম বাজার ধর্ম বলে যাবে আর বাজারের চাইতে কম দরে জমি শিল্পপতিরা পেয়ে যাবে - কেন?
    bb- সরকার কেন মাঝখানে আসে বোঝা গেলো কি? ""স্বচ্ছ আর ব্যবহারিক ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা করা"" নয়।

    sarathi- তোমার সাথে ২০০% একমত। এই দ্বিচারিতার জন্যই মানবাধিকার আন্দোলনকে বিরূপ কথা শুনতে হয়।
  • Suvajit | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১৮:১৫697226
  • আজকের আবাপতে দেখলাম নিরুপম সেন বলেছেন - 'সবচেয়ে বড় কথা হল, সিঙ্গুরের জমির মালিকানা এখন আর কোনও ভাবেই রাজ্য সরকারের হাতে নেই। গাড়ি কারখানার জন্য ৬৪৫ একর জমি টাটাদের দেওয়ার পাশাপাশি ২৯০ একর জমি অনুসারী যন্ত্রাংশ নির্মান শিল্প সংস্থাগুলিকে দীর্ঘমোয়াদি লিজের ভিত্তিতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে জমির মালিকানা এখন ঐ সব সংস্থার। রাজ্য সরকার কী ভাবে অন্যদের সম্পত্তি ফেরত দেবে?"
    তাহলে দাঁড়াল এই যে চাষীদের থেকে জমি নেবার সময় অন্যের সম্পত্তি সরকার কিনে নিতে পারে, কিন্তু ব্যবসায়ীদের থেকে তা কিনে নেবার অধিকার সরকারের নেই!
    অন্যদিকে লিজ সংক্রান্ত নিয়মকানুন আমার বিষদ জানা নেই কিন্তু ধারনা এই যে জমির মালিকানা যিনি লিজ দিচ্ছেন তার নামেই থাকে, যে লিজ নিয়েছে সে পাওয়ার ওব অ্যাটর্নি নিয়ে ঐ জমি ব্যবহার করে থাকে। এবং যে কোনো ক¾ট্রাক্টের মতো লিজ এগ্রিমেন্টও ভাঙ্গা যায়।
  • kallol | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১৮:৩০697227
  • সত্যি, নিরুপম যে কতটা ঢ্যামনা। জমি নেবার সময় যেন ওগুলো রাজ্য সরকারের জমি ছিলো!!!!
  • Suvajit | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ১৯:৫৮697229
  • ঠিক বলেছেন কল্লোলদা। রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীর মুখ থেকে এরকম বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা শুনলে জনগনের ভরসা কমতেই থাকে।
    তাছাড়া আরও প্রশ্ন আছে। টাটাদের ৬৪৫ একর জমি দেওয়া নাহয় বোঝা গেল, ভুল হোক ঠিক হোক, টাটারা ঐ জায়গা পছন্দ করেছিল আর রাজ্য সরকার কমিটমেন্ট করেছিলো তাই এখন পিছিয়ে আসা মুস্কিল। কিন্তু এই অনুসারী শিল্পের জন্য ওখানেই জমি দিতে হবে কেন? আর এই অনুসারী শিল্পপতিরাই বা কারা? এই সমস্যায় তাদের আওয়াজ তো শোনা যাচ্ছে না। এই শিল্পগুলো কি কি? টাটার কারখানা ৭৫% সম্পূর্ণ বলা হচ্ছে, তাহলে এই অনুসারী শিল্পগুলোরও কাজ শুরু হয়ে যাওয়া উচিৎ, হয়েছে কি? না কি মমতার দাবীমত এই সব জমি কারখানা পরবর্তী প্রোমোটারীর জন্য ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে মমতার আপত্তির ব্যখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। এক, (জমির মালিকদের অনিচ্ছাসঙ্কÄও) উর্বর কৃষিজমি নিয়ে যদি রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিং, শপিং মল হয় সেটা নীতিগত প্রশ্নের ব্যপার। দুই, যদি প্রোমোটারিই হয় তাহলে মমতা নিজের পার্টির লোকজনের জন্যও তার ভাগ চাইবেন, বিশেষত যখন পঞ্চায়েত এখন তাদের দখলে।
    আবার মমতা টাটাদের সংগে কথা বলবেন, এই অনিচ্ছুক চাষীরা কি তাঁকে প্রতিনিধি হিসাবে মেনে নিয়েছে? তিনি তাদের জন্য আন্দোলন করছেন ঠিকই কিন্তু নেগোসিয়েশন টেবিলে কি তিনি যথার্থ প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম (তার রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার উর্ধে গিয়ে)? ধরা যাক টাটারা প্রস্তাব দিলো যে জমি তো ফেরত দেওয়া যাবে না, কিন্তু এই ৪০০ একর জমির মালিকদের এই কারখানার উৎপাদনের ১০% শেয়ার দেওয়া হবে। মমতা কি এই প্রস্তাবে হ্যাঁ না কিছু বলতে পারবেন?
  • d | ০৯ আগস্ট ২০০৮ ২১:১৮697230
  • শুভজিতের এই শেষ প্যারার সাথে ভীষণভাবে একমত। একেবারে ঠিক কথা। আরও দেখার হল যে এই ইনফিকে জলের দরে জমি দেওয়া নিয়ে আন্দোলনকারী বিরোধীদলেদের কোন আপত্তি নেই বলেই মনে হচ্ছে। আর পুরানো কাজগুলো নিক্যে ফলোআপ করার কথাও কেউ ভাবেও না, প্রয়োজনও মনে করে না।
  • kallol | ১০ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৫৭697231
  • শুভজিত একদম ঠিক। মমতা যে ঐ অনিচ্ছুক চাষীদের ঠিকঠাক প্রতিনিধি নন, তা জানতে ফেলু মিত্তির হতে হয় না। অবশ্য, আমার যা দেখা তাতে ওরকমই হয়। খালধারের উচ্ছেদ নিয়েও মমতা লাফিয়েছিলো খুব, শেষ পর্যন্ত চেপে গেলো। যাদের সমস্যা, তাদের সাথে তো কেউই কথা বলেনা - কোনদিনই। সরকার কেন যে জমির মালিকদের সাথে, জমিতে যারা কাজ করতো তাদের সাথে কথা বলছে না কে জানে!
    হয়তো অসুবিধাও আছে, কারন ওদের ভাষা সরকার বোঝে না সরকারের ভাষা ওরা বোঝে না। তাই মমতাদের মত/বুদ্ধদের মত ফড়েরা জায়গা পায়।

    ভাষা প্রসঙ্গে অন্য একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। খুব অপ্রাসঙ্গীক হয়তো নয়।
    সেটা ৭৮ সাল। প্রশান্ত শুর তখন পৌর মন্ত্রী। তখন CMDA-এর, বস্তিতে বস্তিতে পাকা পায়খানার একটা প্রকল্প ছিলো। ওরা নিজেদের খরচে বস্তিতে পাকা পায়খানা বানিয়ে দিতেন। আমরা তখন রাসবীহারী-কালিঘাট-মুদিয়ালি-টালিগঞ্জ রোড অঞ্চলে রাজনীতি করি। আমাদের সংগঠনের নাম ছিলো ""প্রগতিশীল গণ ফোরাম""। আমাদের এলাকার মধ্যে পড়তো দুটো বড় বড় বস্তি - ৫৪ নম্বর আর ঝালদা মাঠ। ৫৪ নম্বরে সিপিএমের প্রভাব বেশী। তাই ওখানে পাকা পায়খানা হয়ে গেলেও, ঝালদা মাঠে কিছুতেই হয় না। ঝালদা মাঠে আমাদের সহযোদ্ধা ছিলেন গোপাল মন্ডল। গোপালদা তখন প্রায় ৫৫। বহুকাল থেকে কমিউনিষ্ট পার্টি করছেন। সেই সুবাদে প্রশান্ত শুরকে - প্রশান্ত বলেই ডাকেন। আমরা গোপালদাকে নিয়ে প্রশান্তবাবুর সাথে দেখা করলাম। উনিও হচ্ছে হবে বলে কাটিয়ে দিলেন। মাসখানেক পর যখন কিছুই হল না, তখন ঝালদা মাঠের প্রতিনিধিদের নিয়ে গোপালদা সহ আমরা গেলাম। প্রতিনিধি বেছেছিলেন গোপালদা নিজে। সকলেই ঝালদা মাঠের বাসিন্দা এবং সকলেই মহিলা। এবারও প্রশান্তবাবু হ্যাঁ দেখছি দেখবো গোছের শুরু করতেই গোপালদা মহিলাদের দেখিয়ে প্রশান্তবাবুকে বললেন - তুমি এদের বুঝিয়ে বলো। সমস্যা তো এদেরই। প্রশান্তবাবু সীমিত ক্ষমতা, অগ্রাধিকার ইত্যাদি বলতেই, মহিলাদের একজন বললেন ওসব বুঝি না, ৫৪ নম্বরের বেলায় সব ঠিক হয়ে গেলো আর আমাদের বেলায় যত ন্যাকড়াবাজী ! (হ্যাঁ, ঠিক এই শব্দটাই) তারপর হঠাৎ তেড়ে ঝালদা মাঠ স্পেশাল খিস্তি। ৫ মিনিটেই CMDA এর Chief Engineerকে ফোন হয়ে গেলো। ১০ দিনের মধ্যে ৮খানা পাকা পায়খানা চালু হয়ে গেলো।
    তাই বলছিলাম - ভাষাটা একটা ব্যাপার।
  • d | ১১ আগস্ট ২০০৮ ০৭:২৮697232
  • এইটা অজ্জিতকে বিশেষ করে::
    একটু খবর নেবার চেষ্টা কোরো তো সত্যমের কেসটা।
    ১। ওদের কাজ কেন বন্ধ? ইন ফ্যাক্ট শুরুই হয় নি বলা যায়। কেন?
    ২। ওরা যদি ঐ জমিতে কিছু নাই করে, তাহলে সেটা সরকার ফিরিয়ে নেবে কিনা? মানে সরকারের তরফে কোন টাইমলাইন আছে কিনা ? না থাকলে কেন নেই?

    আমার আসলে কিরকম সন্দেহ হচ্ছে যে এই ইনফি বা সত্যম বড় বড় জমি নিয়ে এখন চুপচাপ ঘাপটি মেরে থেকে, শেষে তাতে ফ্ল্যাটবাড়ী বানিয়ে ফেলবে।
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৩১697233
  • সত্যম Software sez এর জন্য দাবী জানিয়েছে। ওদের এই এখনকার যে জমি সেখানে নাকি ট্রেনিং হাউস টাইপ কিছু করবে, আর নতুন জায়গায় ওরা IT সেন্টার করবে।
    ওদের কাজ আটকেছিল দু দফায়। ওরা প্রথমে পরিবেশ দপ্তরের পারমিশান পাচ্ছিল না, পরে ওরা আবার বাড়ির প্ল্যান ও বদলায়। আপাতত ওদের নতুন দাবী এটা।
  • h | ১১ আগস্ট ২০০৮ ০৯:১৪697234
  • সুদীপ্ত আর দময়ন্তীর রিসেন্ট একদুটো পোস্ট পড়ে আমার মনে হল :

    ক - মমতার লেজিটিমেসি নিয়ে বাংলা মানুষ চিন্তিত কিম্বা আরো বলতে গেলে বিরোধী পলিটিকাল পার্টিগুলোর রিপ্রেজেন্টেশনের ভিত্তি নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন আছে। আমার কথা হল প্রশ্ন থাকলেও সেটা গুরুঙ্কÄপূর্ণ নয়, তার একমাত্র কারণ সরকার জমির সংগে জড়িত অনেক লোকের সামাজিক সুরক্ষা নিয়ে কিস্যু ভাবে নি, যতটুকু ভেবেছে, মমতা চেঁচামেচি করেছেন বলেই ভেবেছে। আর কৃষক আর শিল্পপতি নিজেদের মধ্যেকার সমস্যা নিজেরাই মিটিয়ে নেবে, মধ্যেখান থেকে রাজনৈতিক দল আর সরকার এসে বিপদ করছে এটা আমার কাছে দুটি কারণে আপত্তিকর অবস্থান, তার কারণ, প্রথমত: সরকারের ইন্টারভেনশন টা শিল্পস্থাপকের স্বার্থ মূলত: দেখছে এবং শিল্পস্থাপকের স্বার্থ দেখার জন্য নানা ধরণের আইনী আর প্রোসিডিওরাল রক্ষাকবচ দরকার, সেটা একমাত্র সরকার ই এনশিয়োর করতে পারে, দ্বিতীয়ত: বিরোধী দল জমিহারার সঠিক প্রতিনিধি কিনা এটা একটা ভুল প্রশ্ন, তার কারণ রিহ্যাবিলিটেশনের গ্যারান্টি যারা পান নি তারা কখন কেন কার সংগে জোট বাঁধবেন, সেটা সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যাপার, তাতে 'নিরপেক্ষ' মধ্যবিঙ্কেÄর দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই!

    খ। একটা ভালো প্রোজেকট ম্যানেজমেন্ট টিম থাকলেই গোটা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন প্রসেস টা অনেক স্মুদ হয়ে যাবে, চারিদিকে লোকে পজিটিভ পজিটিভ কথা বলবে, ইংরেজি কাগজের হেল্‌থ বা অর্গানিক লিভিং সাপ্লিমেন্টের ভাষায় এটা আশা না করাই ভালো। তবে এটা আশা করা যেতেই পারে, গরীব ডিস অ্যাফেকটেড মানুষ কিছুদিন পরেই হেরে গুরে গিয়ে এটা ওটা পেশাতে চলে যাবেন, এবং তাঁদের মধ্যে যারা করে খাবেন, তাঁদের একটা অংশের ছেলেপুলেরা এই 'উন্নয়ন' কে বিনা প্রশ্নে মেনে নেবেন, কারণ ইহাই হেজেমনি। আমাদের সময়টা ঠিক বিপ্রতীপের সময় নয়। গুরুচন্ডালিতে আর কিছু নয়, এই মৃত বিপ্রতীপের একটু স্মৃতিচারণা আশা টাশা করি, এই আর কি।

    গ। শিল্পের জন্য নেওয়া সমস্ত জমিতে যদি শুধু ফ্ল্যাট বাড়িও হয়, তার রাস্তা সরকারি দেখিয়েছেন, যদি নাও দেখাতেন, তাও যদি হত, তাহলেও সেটাকেই রিয়েল এস্টেট শিল্প বলে চালিয়ে দেওয়ার লোক ও অপ-এড লেখার লোক কম পড়ত না, আনলাইক ভেরিয়াস কাইন্ডস অফ রাজাকন্যেজ।
  • h | ১১ আগস্ট ২০০৮ ০৯:১৮697235
  • খ টা আমি বলেছি দময়ন্তীর পোস্টে, 'ফলো আপ' এ গুরুঙ্কÄ থাকায়। সরকারি কাজে প্রসেস জরুরী। কিন্তু সরকারী কাজে সবচেয়ে বেশি জরুরী পাবলিক অ্যাকাউন্টেবিলিটি, এবং আজকাল কার বাজারে একটি বিশেষ ধরণের অ্যাকাউন্টেবিলিটি জনপ্রিয়। সেটা হল সরকারের আকুন্টেবিলিটি থাকবে কর্পোর প্রতি আর কর্পোর কোন পাবলিক আকাউন্টেবিলিটি থাকবে না, থাকলেও সেটা শুধু থাকবে, শেয়ার হোল্ডারের প্রতি, তাদের কেই 'পাবলিক' বলে চালানো হবে। ইত্যাদি। তো এই গুলা প্রশ্নের ঊর্ধে নয়।
  • h | ১১ আগস্ট ২০০৮ ১১:০৫697236
  • এস ই জেড আইন সমূহ বা লেবার রিফর্ম আইনসমূহ কে কর্পোর প্রয়োজনে তৈরী সরকারী রক্ষাকবচের উদাহরণ হিসেবেই ধরছি। এটার স্পেসিফিকস নিয়ে আলোচনা করা যায়?
  • d | ১১ আগস্ট ২০০৮ ২২:১০697237
  • অজ্জিত,
    তোমাকে Date:09 Aug 2008 -- 09:18 PM এ যেটা জিগ্যেস করেছি, কিছু জানতে পারলে আমাকে মেল করে জানিয়ে দিও।

    এবারে বোধিসঙ্কÄ,
    ১। "নিরপেক্ষ' মধ্যবিত্ত কি করবে বা কি ভাববে সেটাও কোন পার্টির অনুমোদন নিয়ে করতে হবে বুঝি?
    ব্রেশ ব্রেশ।

    ২। এই খ পয়েন্টটা কি মাইন্ড রিডিং করে জানা গেল? "একটা ভালো প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিম থাকলেই' সর্বকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে আর এই "সরকারী উন্নয়ন'এর আমি দারুণ সমর্থক, এইটা আমি কবে কখন কোথায় বলেছি জানতে পারলে ভাল লাগত। তবে আর দরকার নেই। এনাফ ইস এনাফ।

    আবারও বলছি -- ফলো-আপ এর দরকার আছে। আছেই। বিরোধীদের দায়িত্নই হওয়া উচিৎ সরকারকে এইসব বিষয় নিয়ে রেগুলার ফলো-আপ করে যাওয়া। সরকার যে নিজে থেকে কিছু জানায় না সে তো চিরকালীন সত্য।

    এবারে এই বক্তব্যটুকুর ভিত্তিতে যা খুশী ভেবে নিয়ে লিখে যেতে পার এবং এই "নিরপেক্ষ মধ্যবিত্ত প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কচকচানো' আমাকে যা খুশী গালিগালাজ করতে পার -----
    ভাড় মেঁ যায়।

    # গালাগালি না দেবার সারমন দিয়ে বেড়ানো লোকের মুখে অন্যের পেশা নিয়ে প্রতিপদে কটাক্ষ করা আর রেগে গেলেই ফাকাফাকি করা -- দেখে সত্যিই ভাল লাগে।
  • Arijit | ১২ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৩৯697238
  • আমি আর কোত্থেকে খোঁজ নেবো? তবে ইনফির জমির কথা আবাপ-তে যদ্দুর মনে পড়ছে লিখেছিলো যে দাম বেশি নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছিলো। তারপরে কি হয়েছে সে মনে নেই।
  • Arijit | ১২ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৪৪697241
  • দ্যাখো - মমতা কেন আন্দোলন করছেন তার সোজা ব্যাখ্যা হল শি হ্যাজ গট নাথিং টু লুজ। যদি টাটারা চলে যায়, তাতে মমতা শিল্পবিরোধী বলে আবাপ এবং প:ব:এর মধ্যবিত্ত হাজার চিল্লালেও মমতার কিস্যু এসে যাবে না। দক্ষিণ কলকাতায় মমতা জিতবেনই। প:ব:-তে সরকারও মমতার কোনদিনও হবে না। আর যদি এক একর জমিও ফেরত হয়, বা ক্ষতিপূরণ বাড়ানো হয়, সেটাকে দেখানো হবে মমতাময়ীর জয় হিসেবে। শি হ্যাজ গট নাথিং টু লুজ, বাট এভরিথিং টু গেইন। বরং বামফ্রন্ট হ্যাজ গট এভরিথিং টু লুজ।

    এটা একটা পেনাল্টি শট - আটকাতে পারলে গোলকীপার হিরো, না পারলে কেউ কিস্যু বলবে না। কিন্তু মিস করলে শুটার জিরো, গোল করলেও হিরো নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন