এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বিবেকি কন্ঠ ও মার্কিন সরকারের বদমাইশি

    shyamal
    অন্যান্য | ২৯ জুন ২০০৮ | ৩৫৯৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • shyamal | ২৯ জুন ২০০৮ ২৩:৫২400257
  • রঞ্জন দার বিবেকি কন্ঠ বেরিয়েছে বুলবুলভাজায়। এ এমন এক টপিক দেখলাম আলাদা থ্রেড খুলতে হবে। কমেন্ট তিনশো পেরোলে আশ্চর্য্য হবনা।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ০০:৩৮400368
  • এ ব্যাপারে কিছু কিছু জানা আছে। এদেশে আসার পর রেগ্যানের মন্ডেলকে হারিয়ে দ্বিতীয় টার্ম জেতা দেখলাম। তারপরেই শুরু হল ইরান-ক¾ট্রা সমস্যা। নিকারাগুয়ার স্যান্ডিনিস্টা, বিশেষ করে ড্যানিয়েল ওরটেগার ওপরে রিপাবলিকান সরকারের বিশেষ রাগ ছিল। তখন টিভি খুললেই এই খবর। টেড কপেল রাত্রে নাইটলাইন বলে একটা ইন্টারভিউ প্রোগ্রাম করতেন এ বি সিতে। প্রতিদিন তাতে দেশ বা বিদেশের কোন নামকরা লোক আসতেন। রাজীব গান্ধীও এসেছেন। তাতে প্রায় প্রতি মাসেই আসতেন স্যান্ডিনিস্টার মুখপাত্র আলেহান্দ্রো বেনদানিয়া। অতিশয় আর্টিকুলেট ভদ্রলোক।

    স্যান্ডিনিস্টার ওপরে রাগ থাকার ফলে কিন্তু সরকার টেড কপেলের ইন্টারভিউ নেওয়া বন্ধ করতে পারেনি। এটা আমেরিকার একটা গ্রেটনেস। তবে এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে ৯/১১ একটা মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে খারাপের দিকে। টেড কপেল, পিটার জেনিংস, ড্যান র‌্যাদারের আমলে আমেরিকার নেটওয়ার্ক নিউজ আজকের মত সরকারের চামচেবাজি করতনা। এঁরা ছিলেন স্টলওয়ার্ট।

    নিকারাগুয়ার ব্যাপারটা বুঝতে গেলে বুঝতে হবে যে সোভিয়েতের প্রতি আমেরিকার একটা জাতীয় আতংক ছিল। ভিয়েতনাম হয়েছিল ডমিনো থিওরির ফলে। সেখানে তো নাক মাটিতে ঘষে দিয়েছে। কিউবা গেছে। এবারে নিজের ব্যাকইয়ার্ডে যদি নিকারাগুয়া যায় সোভিয়েত খপ্পরে তবে বাকি গুলো -- এল স্যালভাডর, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা সব যাবে। সোভিয়েতরা এসব দেশে বসে রেডার দিয়ে আমেরিকার ভেতরে মনিটার করবে। আরো কি করবে কে জানে। আমেরিকানদের এটুকু বললেই এরা ভয়ে কাঁপতে থাকে। কাজেই রেগ্যানের বোঝাতে অসুবিধা হয়নি।

    আজ দেখুন। সোভিয়েত হাওয়া হয়ে গেছে। সেই স্যান্ডিনিস্টা, সেই ওরটেগা আবার গদিতে। আমেরিকার তাতে কোন প্রব্লেম নেই। আসল শত্রু রাশিয়া তো এখন মিত্র।

    মনে রাখতে হবে আমেরিকার বিদেশ নীতির মূল হল The US does not have any permanent friend or foe. It only has permamnent national interest
    আমি মনে করি, ভারত সহ সবদেশের এটা মূল নীতি হওয়া উচিৎ। যাকে বলে realpolitik। ( আরো পরে)
  • nyara | ৩০ জুন ২০০৮ ০০:৫৫400479
  • কিসের গ্রেটনেস? বুশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ম করে তাঁবেদার মিডিয়া আউটলেটকে প্রেফারেনশিয়াল ট্রিটমেন্ট ও অন্যসুরে গাওয়া মিডিয়াকে ব্ল্যাকলিস্ট করে গেছে। যাকগে, এই 'অ্যামেরিকা কি মহান' ধরণের বালখিল্য জিঙ্গোইজমের ব্যাপারে কিছু না লেখাই বাঞ্ছনীয়।

    আজকের নিউ ইয়র্কারে সাইমুর হার্শের লেখা পড়ুন ও গোপনে হয় হৃদকম্প নয় হৃদয়-দুন্দুভির হর্ষ অনুভব করুন -

    http://www.newyorker.com/reporting/2008/07/07/080707fa_fact_hersh
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ০১:১১400590
  • রঞ্জন কে আভূমি সেলাম।
    সত্যিই আর বলার কিই বা থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই গ্রহে যুদ্ধ বিগ্রহ যা ঘটেছে তার মস্ত বড় অংশটাই আমেরিকার দৌলতে।
    আর গণতন্ত্র? বার্মায় কি হচ্ছে সবাই জানে শুধু আমেরিকা জানে না। তাও ওখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আমেরিকা নেবে না। পাকিস্তানের সরকার সেই সব গোষ্ঠীগুলোকেই মদদ দিচ্ছে যাদের নিয়ে আমেরিকার এত কাঁইকিচির। তাতেও পাকিস্তান আমেরিকার দোস্ত হয়েই থাকছে। বার্মা বা পাকিস্তানে ইরাকের মত কিছু হচ্ছে না।
    তবে আমেরিকা চিরকালই শক্তের ভক্ত। রাশিয়া-চীনে তো কবে থেকেই গণতন্ত্র নেই। কিন্তু রাশিয়া-চীনের গায়ে হাত তোলার সাহস নেই। ভিয়েৎনাম-কম্বোডিয়া-লাওস-কোরীয়ায় যা করা যায় রাশিয়া-চীনে তা যায় না। একমাত্র কিউবার কাছেই যা ঢিট ছিলো এতকাল।
    এরপরে যে যুক্তিটা আসে - নিজের ভালো পাগলেও বোঝে। তাই রাশিয়া-চীন নয়, তাই ভিয়েৎনাম-কম্বোডিয়া-লাওস-কোরীয়া-চিলি-নিকারাগুয়া-আফগানিস্তান-ইরাক।
    তবে এ যুক্তি লা জবাব নয়।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ০২:২২400701
  • ন্যাড়া কি ভাল করে আমার লেখা পড়েছেন? আমেরিকায় বসে আমেরিকান ও বিদেশী সাংবাদিকরা আমেরিকার বিদেশ নীতি সম্বন্ধে যা সমালোচনা করেন, ভারতে বসে ভারতীয় সাংবাদিক ভারতের বিরুদ্ধে তা করলে জেল হত। বিশেষত: investigative journalism। এদেশের মিডিয়া মোটেই পারফেক্ট নয়। কিন্তু ভারত সহ বহু দেশের চেয়ে অনেক স্বাধীন। কিন্তু আমি এও বলেছি যে ৯/১১ এর পরে ব্যাপারটা কিছুটা চেঞ্জ হয়েছে।

    আর ফক্স নেটওয়ার্ককে দোষ দিয়ে কি হবে? সিপিএমের আকাশ বাংলাও তো মিথ্যে প্রোপাগান্ডা করে রোজ। তা বলে আমি কখনই আকাশ বাংলাকে সেন্সর করার পক্ষপাতী নই।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ০২:২৮400730
  • আমেরিকায় বেশ কিছু লোক মনে করে ইরাক আক্রমণ করার কারণ সাদ্দাম WTC ভেঙেছিল। সেরকম আবার বিভিন্ন দেশের কিছু লোক বিশ্বাস করে যে সি আই এ WTC ভাঙার ব্যাপারটা পুরো অর্গ্যানাইজ করেছিল। দুই দলই এ ব্যাপারে মুর্খ আর অবাস্তব conspiracy theory ভালবাসে।
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ০২:৫৭400741
  • এই যে কেমন সহজে বলে দেওয়া যায় - ""ভিয়েৎনাম হয়েছিলো ডমিনো থিয়োরির ফলে""। যেন ব্যাপারটা কিছুই নয়, ঐ সালফিউরিক অ্যাসিডের জায়গায় নাইট্রিক অ্যাসিড পড়ে গেছে কিংবা একটা বাক্য লিখতে গিয়ে ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে।
    তার জন্য ভিয়েৎনামে লক্ষ লক্ষ লোক মরল, আমেরিকার হাজার হাজার যুবক মরল। ও কিছু নয়, থিয়োরীর দোষ।
    নিকারাগুয়া তো হল সোভিয়েতের ভয়ে। দোষটা তো সোভিয়েতেরই - ভয়ের বাতাবরণ তৈরী করল কেন?
    এগুলো একটু নিজের জীবনে প্রয়োগ করে দেখবেন!! কিংবা যারা প্রয়োগ করেন - গাল কাটা হেবো, পেটো কালু - এদেরও তো ঐ একই নীতি - does not have any permanent friend or foe. It (they) only has/have permamnent national/personal/group interest- তাদের আদর্শ করে সন্তানকে শেখাতে পারেন তো।
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ০৩:০২400752
  • কিন্তু যারা ঐ মূর্খ আর অবাস্তব তাদের কেউ (যেমন বুশ - কারন সেও বিশ্বাস করতো যে সাদ্দাম ৯/১১র পেছনে ছিলো) তাদের মূর্খতার জন্য একটা গোটা দেশের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, যাতে আবার মানুষের প্রাণ যায়, তখন কি হয়? কিছুই নয়। ও একটু ভুল হয়েছিলো।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ০৫:১০400763
  • কল্লোল,

    দুটো দার্শনিক প্রবাদ আছে।
    might is right আর shit happens
    দুটোই ঠিক, দুটোই বাজে এবং আমাদের মেনে নিতে হবে। সবই যে মেনে নিতে হবে তা নয়। রামমোহন মেনে নেননি বলেই সতীদাহ উঠে গেছে।

    ভারত নিজের চরকায় তেল না দিয়ে চিরদিন নন-অ্যালাইনড মুভমেন্ট করে গেছে আর মেজর দেশ গুলো পাত্তাও দেয়নি। বেশিদিন নয়, আশির দশকেই দেখেছি মার্কিন টিভিতে বিদেশ নীতি নিয়ে আলোচনা হলে যদি কোনদিন ভারতের নাম আসত, সবাই বলত, আরে ভারত এলেবেলে। বড় শক্তির মধ্যে আসেওনা, আসার সম্ভাবনাও নেই। শুধু বড় দেশগুলোকে জ্ঞান দেয়। কেউ শোনেনা।

    ভারত ১৯৯১ এর পরে শুধু নিজের উন্নতির কথা, স্বার্থের কথা ভেবেছে তাই নয়, নন-অ্যালাইনড মুভমেন্ট থেকে ভার্চুয়ালি বেরিয়ে এসেছে। ভারত আর জ্ঞান দেয়না। যখনই ভারত স্বার্থপর হয়ে আফ্রিকার কথা চিন্তা না করে নিজের উন্নতি করেছে, ভারত সফল হয়েছে। আজ টিভি খুললে রোজ শুনি ভারত আর চীন বিরাট উন্নতি করছে। জান, আমাদের যা মোট জনসংখ্যা ভারতের মধ্যবিত্ত তার চেয়ে বেশি। ওরা টাটা ন্যানো বানাচ্ছে যাতে মিলিয়নস অফ ভারতীয় গাড়ি কিনতে পারে। তখন বলবে চার ডলারে গ্যাস কি সস্তা ছিল!
    এরা হিসেব করে বলেছে, বাঁচার কোন উপায় নেই। ২০১০ সালের শেষে গ্যাস হবে সাত ডলার।
    আয়রনিটা এই যে ভারত যখন বুলশিট করত, তখন আফ্রিকার বিশেষ উন্নতি করেনি। আজ আফ্রিকার উন্নতির পেছনে দুটো রাষ্ট্র প্রধান : ভারত আর চীন।

    ব্যাপারটা হল, আমেরিকা সবচেয়ে শক্তিধর দেশ। অর্থনীতিতেও এখনও। যদিও সেটা আর বেশিদিন নেই। realpolitik বলে, ভারত আমেরিকার সঙ্গে align করে নিজের ভাল করবে, সিপিএম যতই আপত্তি করুক না কেন। আমেরিকা পারফেক্ট কেউ বলেনি। তারা অনেক অন্যায় করেছে আগে। এখনও কিছু কিছু করছে। so? আমেরিকা নিজের স্বার্থ দেখছে, ভারতও দেখুক। যদি স্বার্থে না বনে তো সেই ব্যাপারে একমত না হলেই চলবে। তা বলে আমেরিকা পাজি, ওর সাথে খেলব না -- এটা যুক্তিসঙ্গত নয়।

    চীনের সঙ্গে চুক্তি করা ভাল? আগের কথা ছেড়েই দিলাম, আজও চীনের ফ্যাক্টরিতে মানবাধিকার প্রায় শুন্য। বহু লোক মরে যায় কাজের চাপে। যদি অত দেখ তো ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।

    আমার সোজা প্রশ্ন। ভারত কি ইরানের সঙ্গে পাইপ লাইন করবে আমেরিকাকে চটিয়ে? এর মধ্যে কোন ন্যায় অন্যায়, মরালিটি নেই। শুধু আছে পারস্পরিক স্বার্থ। ভারত মেপে দেখবে কোনটাতে লংটার্ম লাভ। সেইমত ব্যবস্থা নেবে। এর সঙ্গে ইরান ইজরায়েলে বোমা ফেলবে না আমেরিকা ইরানে বোমা ফেলবে তার কোন সম্পর্ক নেই। বোমা ফেললে ভারত বলবে, ভেরি ব্যাড। আমরা কিন্তু মোটেই খুশী হচ্ছিনা। বলে নিজের কাজে মন দেবে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি আর অর্থনীতি মিশে একটা দাবাখেলা হয়ে গেছে।

    ভারতের একমাত্র লাভ নিজের আর্থিক উন্নতি করা যাতে সব ভারতীয় ভাল করে খেয়ে পরে বাঁচতে পারে। সেই জায়গায় পৌঁছালে চেষ্টা করতে হবেনা। আমেরিকা, রাশিয়া, চীন সবাই সেলাম ঠুকবে জিনিষ বেচার জন্য।
  • pi | ৩০ জুন ২০০৮ ০৮:২৪400258
  • কেউ পাশের বাড়ির শিশুটিকে খুন করেছে জানা থাকলেও আমি তার কাছে সাহায্য দরকার হলে চাইতে যাবো। আমার সন্তানকে তো আর খুন করেনি।
  • pi | ৩০ জুন ২০০৮ ০৯:৫০400269
  • "ভারত যখন স্বার্থপর হয়ে আফ্রিকার চিন্তা না করে নিজের উন্নতি করেছে, ভারত সফল হয়েছে।..

    আয়রনিটা এই যে ভারত যখন বুলশিট করতো, তখন আফ্রিকার বিশেষ উন্নতি করেনি। আজ আফ্রিকার উন্নতি করার পিছনে দুটো রাষ্ট্র: ভারত আর ..."

    মানেটা কি দাঁড়াচ্ছে ? যখন আফ্রিকার চিন্তা করা ছেড়ে দিলো, তখন ভারত নিজের সাথে সাথে আফ্রিকার উন্নতির কারণ হয়ে দাঁড়ালো ?
  • Blank | ৩০ জুন ২০০৮ ১০:১৮400280
  • ইহারে কয় লজিক, হুঁ হুঁ বাওয়া
  • Arijit | ৩০ জুন ২০০৮ ১০:২৪400291
  • "তারা অনেক অন্যায় করেছে আগে, এখনও কিছু কিছু করছে'

    কিছু কিছু? লেখাটা সত্যি পড়লাম না স্বপ্নে?

    মোদ্দা কথাটা যা বুঝলাম সেটা হল অন্য কোথায় কি হল সেসব গুলি মারো, আখের গোছাও, বাস্‌ সুখে থাকবে। কে কাকে কি বাঁশ দিলো তাতে আমার কি? কিন্তু দাদা ওই একই বাঁশ একদিন নিজের পিছনে কেউ যখন দেবে, তখন?

    শ্যামলের পোস্ট পড়ে পড়ে এগুলো গা সওয়া হয়ে যাওয়া উচিত ছিলো, কিন্তু হয় না। ভাবছি একটা গণ্ডার মেরে তার চামড়াটা ধার নেবো।
  • sarathi | ৩০ জুন ২০০৮ ১১:১৯400302
  • না না, শুধু শুধু বিপন্ন প্রজাতির গন্ডার মারবেন কেন?

    বরং চামড়াটা সইয়ে নিন :) , কারণ এটাই অতিসরলীকৃত নিও-কন সমাধানসুত্র
  • nyara | ৩০ জুন ২০০৮ ১১:৫০400313
  • শ্যমলবাবু, কি হলে কি হত এমন কনজেকচরের ওপর আলোচনা চলে না। আর তা ছড়া ভারতবর্ষে প্রচুর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং হয়, স্টিং অপারেশন হয়।

    কিন্তু, অ্যামেরিকার তুলনা ভারতের সঙ্গে করছেন কেন? আপনার ক্লাসের ফার্স্ট বয়কে লাস্ট বেঞ্চারের সঙ্গে তুলনা করে জিততে হলে বুঝতে হবে ঘাপলা অতি গভীর। যেমন পশ্চিমবঙ্গের কিছু খারাপ দেখালেই মাননীয় সিপিএম তুলনা করেন বিহারের সঙ্গে।

    ফ্রীডম অফ প্রেসের একটা সর্বজনগ্রাহ্য ইনডেক্সে আপনার ফার্স্ট বয় ২২ নম্বর স্থান অধিকার করেছে। এহ বাহ্য। কেননা, আপনিও জানেন আমিও জানি আজকের দিনের সেন্সরশিপ ডান্ডা মেরে হয়না। এখন সব নেটওয়ার্ক কাঁচুমাচু মুখে যে এসে বলছে ইরাক যুদ্ধের আগে আমরা ঠিকমতন স্ক্রুটিনি করিনি, সে কিন্তু ডান্ডার জন্যে নয়। সেল্ফ-সেন্সরশিপ হয়েছিল। কেন, কি বৃত্তান্ত সে দীর্ঘ আলোচনা। সময় পেলে করা যেতে পারে। তবে এ ব্যাপারে চমস্কির 'ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট' বইটা অনেকটাই হদিশ দিতে পারবে। মনে হয় আপনার পড়া আছে।

    সেন্সরশিপের আর একটা ফর্ম হল করোপোরেশন অফ পাবলিক ব্রডকাস্টিং-এ পলিটিকাল আপোয়েন্টমেন্ট। এ নিয়ে বছর খানেক আগে প্রবল সোরগোল আপনার কান এড়ায়নি নিশ্চয়ই। তার সঙ্গে চলে ক্রমাগত ফান্ডিং কাট করা এবং করব বলে ভয় দেখানো। এই ভয় কর্পোরেশন অফ পাবলিক ব্রডকাস্টিং-কে দেখাতে হয়, কমার্শিয়াল চ্যানেলগুলোকে নয় তার কারণ কমার্শিয়াল চ্যানেলকে বন্ধু কর্পোরেশনের অ্যাড মানি ক®¾ট্রাল করিয়ে তাঁবে রাখা যায়। অ্যাডের ওপর নির্ভর না করা CPB-কে ক®¾ট্রাল করার আর কোন পন্থা নেই।

    মোদ্দা কথা যেটা বলছি, তা হল আপনার ক্লাসের ফার্স্ট বয় এখন ফেল্টু পাব্লিক হতে চলেছে, তাই বড়সড় বুলি হয়ে কার্যসিদ্ধি করতে চাইছে। তবে মনে হয়, বা বলা ভাল আশা রখি, যে এখনও সময় আছে।
  • h | ৩০ জুন ২০০৮ ১১:৫১400324
  • অরিজিৎ যদি গন্ডার মেরেই ফ্যালে তাহলে আমরা অরিজিৎ কে শিকারী বলবো না, গন্ডার কেও মৃত বলবো না। আমরা শুধু বলবো কারো না কারো কাপড়ে চোপড়ে হয়ে গেছে। কার হয়ে গেছে সেটা এই মুহুর্তে আন নোন আন নোন। সে সম্পর্কে কংগ্রেসনাল কমিটি তদন্ত চালাচ্ছে। এদিকে দেশ প্রগতির পথে।
  • lcm | ৩০ জুন ২০০৮ ১২:৩০400335
  • আফ্রিকার উন্নতির পেছনে ভারত, আর, ভারতের উন্নতির পেছনে ডিএলএফ :-) বেশ ইন্টারেস্টিং।
  • h | ৩০ জুন ২০০৮ ১৩:০২400346
  • কিছু কিছু উন্নতি নিজেই অন্য কারো কারো পেছনে একটু অন্য ভাবে এসে থাকে, তার বেলা ?
  • nyara | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:০২400369
  • তুমি আঠারো পাতা পড়েছ? একটা সামারি লিখে দাও না।
  • Arijit | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:২৭400380
  • যা: এন্থু হারিয়ে গেলো - বেশ পাঁচ পাতা নেমে গেসলো। আম্মো সামারির জন্যে বসে রইলুম।
  • quark | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:৩০400391
  • এইজন্যেই, ঠিক এইজন্যেই ভারতের আর অ্যাম্রিকা হওয়া হ'ল না .......যাও সব্বাই নিজ নিজ কাজে যাও .... কাজের সময় ১৮ পাতা পড়ে সময় নষ্ট!
  • Arijit | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:৩৫400402
  • "যাও সবে নিজ নিজ কাজে'
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:৪৫400413
  • আহা, শ্যামল, তুমিও পারো!
    আমি তো বললামই, এই মহান আদর্শগুলো, বাচ্চাদের ছোট থেকেই শেখালে কত ভালো হতো। তা না কোত্থেকে যতো সব বিদ্যাসাগর, রামমোহন জাতীয় ক্যালানে মার্কা লোকজনের কথা শেখানো।
    আপনার সন্তানদের নিশ্চই শিখিয়েছেন, মা-বাবা পাশের ঘরে রোগ যন্ত্রনায় কাৎরালেও, কুছ পরোটা নেই। তুমি আরামসে বর/বউএর সাথে কেলি করে যাও। শুধু মাথায় রেখো বাবা/মার মাল্লু আছে কি না। না থাকলে চুকে গেলো। থাকলে নমিনি-টা করানো আছে কি না। দেখে নাও। করানো থাকলে চুকে গেলো - যত তাড়াতাড়ি মরে ততই ভালো। আর না করানো থাকলে - সোনা মুখ করে যাও, গায়ে হাত বুলিয়ে ঘুম পারাও। পরদিন সকালে নমিনেশন পেপারটা ভুজুং দিয়ে সই করিয়ে নিও।
    After all ন্যায় অন্যায় মরালিটি, ভ্যালুজ বলে তো কিছুই হয় না। হয় শুধু স্বার্থ।
    আর হ্যাঁ, might is right। তাই তো।
    কেন যে আমরা বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখাই!! শ্রীধর বা কেলোর কাছে পেটো বানানো বা ওয়ান শটার কি এ কে ৪৭ চালানো শেখানো উচিৎ ছিলো। তার সাথে কি করে মানুষের পেটে পা দিয়ে পয়সা কামাতে হয় সেটাও।
    আমর ভুল করেছি। শ্যামল আপনি?
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:৫০400424
  • ও হ্যাঁ, জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেছিলাম। মেয়েদের উপর বলাৎকার, শ্লীলতাহানি ইত্যাদিও might is rightএর আওতায় পরে। সেগুলো-ও শিখিয়েছেন তো।
    নিজে প্র্যাকটিস করতে পারেন না, কারন might নেই। তাতে কি ! ভবিষ্যত কে জানে। কে কবে কোথায় মহান দাউদ বা গাউলি হয়ে উঠতে পারে। তার শিক্ষা তো ছোটবেলা থেকেই শুরু করতে হয়। কি শ্যামল ? তাই না?
  • quark | ৩০ জুন ২০০৮ ১৪:৫৪400435
  • কল্লোলদা,

    আহা দাউদ, গাউলি তে থামলে চলবে? বুশসাহেব সামনে রয়েছেন ....
  • Arijit | ৩০ জুন ২০০৮ ১৫:০০400446
  • ইয়ে - এবার একটু বলতে বাধ্য হলুম - এবার ব্যাপারটা তর্ক ছেড়ে অন্যদিকে গড়াচ্ছে। সরি কল্লোলদা - লাস্ট পোস্টটা চোখে লাগলো।
  • r | ৩০ জুন ২০০৮ ১৫:০২400457
  • এত উষ্মা কেন? প্রতিদিনের খবরের কাগজে এই একই কথাবার্তা নিয়ে অজস্র কলাম লেখা হয়। শ্যামলবাবুর লেখা সেগুলোরই সম্মিলিত চোঁয়া ঢেকুর- পুন:পুনরাবৃত্তিদোষে বোরিং মাত্র।
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৬:২৬400468
  • র- তোমার কাছে ভেতর থেকে ক্ষমা চাইছি।
    যারা খবরের কাগজে লেখে তাদের বন্ধু বলে মনে করতে পারি না। তাদের মধ্যে যারা বন্ধু তারা এই কাজটা করলে - সামনা সামনি হলে - উদাহরণগুলোয় শালীনতা রাখি না।
    তোমার খারাপ লেগেছে জেনে খুব কষ্ট হচ্ছে। শ্যামলকে বন্ধু মনে করি তাই একটা অক্ষরও প্রত্যাহার করছি না।
    আমি জানি শ্যামল এটা করে না। সেও তার সন্তানদের আমাদের মতই শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু এই দ্বিচারিতা দেখলে, বিশেষ করে বন্ধুদের মধ্যে দেখলে, খুব যন্ত্রনা হয়। তাই যন্ত্রনার প্রকাশভঙ্গীর পাশেই থাকলাম।
  • h | ৩০ জুন ২০০৮ ১৬:৪৭400480
  • কল্লোলদা মাইরি এইটা হেবি দিলেন। কঠিন সিকোয়েন্স।

    শ্যামল দা ভাট বকলেন - কল্লোল দা পড়লেন- অত:পর কল্লোলদা শ্যামল দাকে খচে মচে গাল দিলেন- বৈজয়ন্ত নৈর্ব্যক্তিক পর্যবেক্ষন ব্যক্ত করলো - কল্লোলদা পরে রেগে যাওয়া নিয়ে লজ্জা পেলেন - তারপরে সেই উপলক্ষে বৈজয়ন্তর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন, কিন্তু শ্যামলদা নেহাৎ বন্ধু লোক বলে তার কাছে ক্ষমা চাইলেন না।

    পুরো লে: প:। আমরা ছোটরা কি শিখছি সেদিকে মোটে নজর নেই ;-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন