এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • tatin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৮:৫৭459703
  • কঠিন বিষয়, তবে এই মুহূর্তে আফস্পা বাতিল করাটা ভীষণ জরুরী
  • kallol | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:৩০459814
  • এই মুহুর্তে কেন, যেকোন মুহুর্তে যেকোন জায়গায় আর্মস ফোর্স স্পেশাল অ্যাক্ট তুলে দেওয়া উচিৎ।
    কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুর সব জায়্‌গায়।
    কাশ্মীর নিয়ে ঝামেলা পাকানোর মূলে হরি সিং (১৯৪৭-এ কাশ্মীরের রাজা), ১৯৪৭ এর ভারত ও পাকিস্তান সরকার।
    কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ 'আজাদী' চান। ওঁরা ভারত ও পাকিস্তানের থেকে আলাদা একটা রাষ্ট্র চান। তো, দিয়ে দিলেই হয়।
    যেমন নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুরও আলাদা হয়ে যেতে চায়।
    এই সব জায়গার মানুষদের অশ্বাস দেওয়া হয়েছিলো, তাদের দাবী নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হবে। দরকার হলে ভারতের মধ্যেই তাদের স্বায়ত্বশাসন দেওয়া হবে। কিছু তো করা হয়ই নি, উল্টে নারকীয় ব্যবহার করা হয়েছে এঁদের সবার সাথে।
    যারা ভারতের 'অখন্ডতা' নিয়ে বড় বড় কথা বলে তারাই তো দেশ ভাগের হোতা (কংগ্রেস ও হিন্দু মহাসভা - পরে জনসংঘ হয়ে বিজেপি)। তখন তো ক্ষমতার লোভে দিব্যি সায় দিয়েছিলেন তাতে।
    আমার মত - এই মুহুর্তে স্বাধীন করে দেওয়া উচিৎ কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুর।
    আর ভারতের সংবিধান বদলে ভারত থেকে ভারতের সংযুক্ত রাষ্ট্রসমূহ হয়ে যাওয়া উচিৎ।
  • Arya | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:৪১459925
  • আর তারপর চীন সবগুলোর একে একে দখল নেবে, যেমন তিব্বতের নিয়েছে, কেউ কিচ্ছু বলতে পারেনি।
  • kallol | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:৪৮460036
  • তো সেটা সেখানকার লোকজনেদেরই বুঝতে দেওয়া হোক। চীন দখল করুক, পাকিস্তান কেড়ে নিক, যা খুশী তাই হোক, সেটা তাদের ব্যাপার, তারা বুঝবে। কেন? শ্রীলংকা কে দখল করে রেখেছে? বা নেপাল? ভুটান? বরং ভারতই সিকিম দখল করে নিয়েছিলো, চীন বা পাকিস্তান নয়। সিকিমকেও স্বাধীন করে দেওয়া উচিৎ।
  • Partha | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪৩460147
  • কল্লোলবাবু রাজনীতিটা মনে হয় এতটা, সহজ সমীকরন নয়। আমার এক বন্ধু ছিলো, বম্বে থেকে পুনে, ট্রেনে যেতে যেতে পরিচয় হয়েছিলো ৯৬-৯৭ নাগাদ, কাশ্মীরি পন্ডিত ছিল ওরা, এক রাতের মধ্যে সব ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিলো। আমাদের পরিবারও একদম নি:স্ব হয়ে পূর্ব বাংলা ছেড়ে এসেছিলো, তাই তার কষ্টটা কিছুটা বুঝতে পারি। আমার এক পাড়ার বন্ধু আছে BSFlast ১৫ বছর কাশ্মীরে posted। তার personal experience আর realization শুনলে, মনেহয় আপনাকে একটু অন্য ভাবে ভাবতে হতে পারে। আর নয়তো, গোর্খাল্যন্ড, মাওল্যন্ড বা চাপা পড়া খালিস্থান ই বা বাদ যায় কেনো। ভালো থাকুন।
  • bb | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:৪৫460258
  • কল্লোলকে ক।
    আমাদের নিজস্ব জঘন্য রাজনীতির জন্য আমরা আজ কাশ্মীরে এই অবস্থায় পৌঁছেছি। কাশ্মীরি জনগণ যদি চায় স্বাধীনতা, আমরা জবরদস্তি কেন আটকে রাখছি?
    মণিপুর আর নাগাল্যান্ডেও একই অবস্থা। স্বায়ত্বশাসনের দ্বারা আমরা এইগুলি সমাধানের চেষ্টা করিনি, খালি সেনা পাঠিয়েছি।
  • kallol | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৩২460321
  • আমিও জন্মসূত্রে বাঙ্গাল। ফলে ভিটে-মাটি ছেড়ে আসার কষ্ট বুঝি।
    আপনার কাশ্মীরী পন্ডিত বন্ধু আপনাকে কি বলেছে জানি না। ওর বাবা বা মার সাথে কথা বললে কিছুটা বুঝতে পারতেন।
    কাশ্মীরে যখন কাশ্মীরীয়ৎ আন্দোলন তুঙ্গে (আজকের ওমর আবদুল্লার ঠাকুর্দা শেখ আবদুল্লার নেতৃত্বে) তখন কিন্তু ওরা কাশ্মীরী বলতে কাশ্মীরের সমস্ত অধিবাসীকেই বোঝাতেন। তখন সেই আন্দোলনে ফাটল ধরাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমান্ত্রী বল্লভভাই পটেল কাশ্মীরী পন্ডিতদের বুঝিয়েছিলেন ওটা আসলে মুসলমানদের আন্দোলন। কাশ্মীর আজাদী পেলে আপনারা সংখ্যালঘু হয়ে যাবেন। তাই আপনার জম্মুতে চলে আসুন। সেখানে আপনারা নিরাপদ ও শান্তিতে থাকবেন। জম্মুকে আমরা স্বর্গ বানিয়ে দেবো (এই কথাটা একদম কথার কথা নয়। বল্লভভাই একদম এই বাক্যবন্ধটাই ব্যবহার করেছিলেন)। তারপর একটা দাঙ্গা দাঙ্গা রব তুলে, এদিক ওদিক কিছু কাশ্মীরী পন্ডিতদের পিটিয়ে হাওয়া তুলে দেওয়া হলো। এবং পন্ডিতেরা পালিয়ে এলেন। আজও ওঁরা শরণার্থী হিসাবেই আছেন। কোন কোন অবস্থাপন্ন পন্ডিত দিল্লী চলে এসেছেন।
    আপনার বিএসএফ বন্ধুর অভিজ্ঞতা শুনতে আমি উৎসুক। সরকারী আর কাশ্মীরী জঙ্গী গোষ্ঠীর হাতেই কাশ্মীর নিয়ে ঝাল খাই আমরা। মাঝে মাঝে কিছু মানবাধিকার গোষ্ঠীর কিছু প্রতিবেদন বের হয়। একজন সৈনিকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শুনতে ভীষনই আগ্রহী। আপনি লিখুন না। দরকার হলে আপনার বন্ধুর পরিচয় গোপন করেই লিখুন না।
    গোর্খাল্যান্ড - এটা খুবই সত্যি যে ঐ অঞ্চল কোনদিনও বাংলার অংশ ছিলো না। ব্রিটিশরা, সিকিমের রাজার থেকে দার্জিলিং কিনে নেয়। তারপর চা বাগানের কাজের জন্য নেপাল থেকে গোর্খারা আসেন এবং ওখানকার আদিবাসী লেপচা ও ভুটিয়াদের হঠিয়ে নিজেরা সংখ্যাগুরু হয়ে বসে পড়েন। ওখানে সমস্যাটা অন্য। দীর্ঘদিনের অপমানের ইতিহাস। বাঙ্গালীরা চিরকাল দার্জিলিংকে, বেড়ানো, চা আর দারোয়ান সরবরাহকারী হিসাবে দেখে এসেছে। ফলে ওখানকার শিক্ষা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল খুবই করুন। যদিও উচ্চবিত্ত বাঙ্গালীরা ওখানকার 'কনভেন্ট'এ পুত্রদের পড়িয়েছেন (কন্যাদের নয়), এবং নিজেদের স্বাস্থ্য উদ্ধারে স্যানেটোরিয়ামে গেছেন। স্থানীয়রা সেসব থেকে বহু বহুদিন বঞ্চিত ছিলেন। পরে যখন নকশালবাড়ী ঘটে তখন বাঙ্গালীদের ওপর স্থানীয় নেপালীদের জমে থাকা ক্ষোভকে কাজে লাগাতে কিছু শিক্ষা-স্বাস্থ্যর কাজ হয়। পরে এই আলোকপ্রাপ্ত নেপালীরাই গোর্খাল্যান্ডের দাবী তোলেন।
    আমর মত - ওরা যদি আলাদা রাজ্য চান - তো দিয়ে দিলেই হয়। যেমন ঝাড়খন্ড, উত্তরাখন্ড, হরিয়ানা, গুজরাট, অন্ধ্র আলাদা রাজ্য হয়ে গেছে। ভারত থেকে আলাদা হতে চাইছেন না ওঁরা। তাই ওদের দাবী, কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরামের চেয়ে আলাদা।
    মাওল্যান্ড আমি শুনিনি। যতদূর জানি ওরা ভারত রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল করতে চায়, সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে ঘাঁটি এলাকা মুক্তাঞ্চল গড়ে তুলে। কোনও একটা অঞ্চল নয়।
  • kallol | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৪১460332
  • খালিস্তান - এটা চরিত্রে একেবারে আলাদা।
    ৭০এর দশকে আকালী দলের রমরমা রুখতে ইন্দিরা নিজে এই আন্দোলনে মদত দেন। ভিন্দ্রনওয়ালা তো ইন্দিরার বানানো ফ্র্যাঙ্কেস্টাইন। শিখেরা কখনই একটা জাতি নন। একটা ধর্মীয় গোষ্ঠী মাত্র। পাঞ্জাবী বলতে তো হিন্দু পাঞ্জাবীও বোঝায়। কাজেই এটা নিয়ে আমার মত অন্য।
    আমি সমস্ত জাতিকেই স্বায়ত্বশাসন দেবার পক্ষে। ভারত একটা কনফেডারেশন হলেই ঠিক হয়।
  • kb | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:০৬460343
  • কল্লোলদার প্রতি কথাই ঠিক। কাউ কে জোর করে ধরে রাখার মানেই হয় না। চিন বা পাক এর অধিকারে যদি কোনো অন্‌চলের মানুষ ভালো থাকে তাহোলে তো ভালো ই।
  • PM | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৮:২০459704
  • কল্লোল-দার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।তার আগে আলোচনা হওয়া দরকার যে ব্রিটিশ-দের আমলে ভারতের যে কেন্দ্রিকরন হয় তার সুফল আর কুফল নিয়ে। মধ্য বা প্রাক মধ্য যুগে যে খন্ড বিখন্ড "ভারত" ছিল সেটাই কি ভালো? ঐতিহাসিক ভাবে আমার ধারনা যখন ভারত এক হয়েছে গুপ্ত, মৌর্য্য, আকবর এর সময়...ভারতের উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বিতর্কের অবকাশ আছে। বিতর্ক চলুক।
  • kallol | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৭:০০459715
  • ভারত বলতে আজকে যা বোঝায় সেটা নিশ্চিত ভাবে ১৯৪৭-এর দেশ ভাগের পরের ভারত।
    এটাও সম্পূর্ণ নয়। কাশ্মীর বলতে আমরা (ভারতে বসবাসকারী মানুষ) ভারতের মাথায় যে ছেলেদের টেরিকাটা চুলের মতো (বুঝতে অসুবিধা হলে ইউটিউবে কালা বাজার ফিল্মে দেবানন্দের চুলের কায়দা দেখুন) দেখতে যে অবয়বটা দেখি, সেটাও সত্যি নয়। কাশ্মীরের পশ্চিমে এক তৃতীয়াংশ আজাদ বা পাক অধিকৃত কাশ্মীর। আর পূবে লেহ-এর অর্ধেক চীনের দখলে।
    ব্রিটিশ ভারতও সময় সময় পাল্টেছে। একসময় আফগানিস্তান থেকে বার্মা, শ্রীলঙ্কা শুদ্ধু ভারত ছিলো। ভারতমাতার ছবিতে মাথা কাশ্মীর, চুল এলিয়ে গেছে আফগানিস্তানে, পাদানী শ্রীলঙ্কা ও শাড়ির আঁচল বার্মা দ্রষ্টব্য। তার পর আফগানিস্তান ও বার্মা বাদ গেছে। পরে শ্রীলঙ্কাও।
    মুঘলেরা কোনদিনই দাক্ষিণাত্যে সুবিধা করতে পারেনি। পাঠানরা তো পূবেও খুব কমজোরী ছিলো। মগধ, সে অশোক, বিম্বিসার বা চন্দ্রগুপ্তের আমলেও আজ ভারত বলতে যা বোঝায় তা ছিলো না।
    তো দেখা যাচ্ছে একমাত্র ব্রিটিশরাই সবচেয়ে বেশী ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তুলেছিলো। ফলে ধরে নিতে হয় ব্রিটিশ আমলেই ভারতের সবচেয়ে বেশী উন্নতি হয়েছে।
    এক হিসাবে তাই। শিল্পায়ন, পাকা রাস্তা, রেলগাড়ি, উড়োজাহাজ, মোটর গাড়ি, স্টিম লঞ্চ, পাইকারী হারে শিক্ষা (লেখা-পড়া-আঁক কষা) সব ব্রিটিশ আমলেই।

    কিন্তু প্রশ্ন - এভাবে কি উন্নতি মাপা যায়?
  • kallol | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৭:২৫459726
  • মেগাস্থিনিস, ইবন বতুতা, টড অর্থাৎ প্রাক ঔপনিবেশিক ভারতের বিবরণে, দারিদ্র আছে, কিন্তু দরিদ্র নেই। ভাত-কাপড়ের অভাববোধ তেমন ভাবে ছিলো না। খেয়াল রাখবেন অভাব নয় অভাববোধ ছিলো না। স্বয়ংসম্পূর্ন গ্রাম সমাজ বলে একধরনের নিস্তরঙ্গ জীবন ছিলো। যেটা ইওরোপীয় মূল্যবোধে নিতান্তই 'পিছিয়ে পড়া'। আর হ্যাঁ, জাতি সত্তা বলে কিছু ছিলো না (মানে বাঙ্গালী, রাজপুত, মালায়ালী বা গুজরাতি বলে কিছু হতো না)। যেটা ছিলো, তাকে জাত-পাতের ভাগ বলাই শ্রেয়। সেই সত্তা ষোল আনার জায়গায় আঠেরো আনা ছিলো। মানুষে মানুষে সম্পর্কের ভিত্তি ছিলো একজনের সাথে অন্যজন জলচল কিনা। এটাও সবসময়ের জন্য একরকম থাকতো না - পাল্টাতো।
    তবু, এইসবের মধ্যেই শূণ্য, বীজগণিত, মসলিন, মেঘদূতম, উত্তর ও দক্ষিণ ভারতীয় মার্গ সঙ্গীত, তাজমহল বহির্বিশ্বে বাণিজ্য সবই হয়েছে।

    তাহলে..............
  • kb | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২০:৫৬459737
  • ইয়ে ঐ গুপ্ত, মুঘল যুগে বাংলার কি খুব কিছু হোয়ে ছিল নকি পাল যুগ বাংলার কাছে ভালো ছিলো?
  • PM | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:২৪459748
  • kb কে.... দেখুন মৌর্য্য বা গুপ্ত যুগে বাংলার অবস্থা নিয়ে খুব detail পাই নি। নিহাররনজন এর বাঙালীর ইতিহাস একটা খুব ভালো বই..অনেক তথ্য পবেন... পড়ে দেখতে পারেন। হিউ-এন-সাং এর লেখায় বাংলার যে অল্প বর্ননা আছে তাতে "বাংলী" কে সচ্ছল আর ব্যব্‌সা প্রবন, আর উদ্যোগী বলা হয়েছে :)। তাম্রলিপ্তর ভালো বর্ননা আছে ব্যব্‌সা কেন্দ্র হিসাবে।

    আর একটু add করব। আমি কয়েক বছর পুর্ব এশিয়ায় থেকে এই সব দেশে বঙ্গ সভ্যতার extension দেখেছি। মধ্য থাইল্যান্ড-এ ৩ য় শতকে Mons সাম্রাজ্য স্থাপন করে। অনেক থাই প্রাচীন লোককথায় বাংলার ছোয়া আছে যেমন একটা চরিত্রের নাম "সিংহ বানরা", আরেকটা "অসুরপক্ষী" etc

    কম্বডিয়ায়(কম্বোজ) বাংলা থেকে বর্মন রাজারা গিয়ে উপনিবেশ স্থাপন করে। Ankorvaat-এর বিখ্যাত বিষ্‌নু মন্দির এদের-ই কির্তি।
  • kallol | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:৫২459759
  • আমরা আলোচনাটায় ফিরে আসি।
    ১)ঐক্যবদ্ধ ভারত হলেই ভালো, না হলে চীন,পাকিস্তান লুটে পুটে খাবে। এটা কতদূর ঠিক।
    ২) অনিচ্ছুক জাতিসত্তাকে স্তোকবাক্য দিয়ে বা জোর করে বা তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে ভারতের মধ্যে ধরে রেখে কি লাভ?
  • PM | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৫:৫৪459770
  • কল্লোলদা, প্রশ্ন টা শুনতে যতোটা সহজ আসলে ততোটাই কঠিন। ধরে নেওয়া যাক প্রস্তাবটা খুব ভালো। এবার বলুন--এই খন্ডি করন এর শেষ কোথায়? প্রথমে গোর্খাল্যন্ড, তারপর কাম্‌তাপুরি তরপর উত্তর কলকতা আর দক্ষিন কলকতা.... মায় আমার পাড়াটাও আলাদা হোয়ে যেতে চাইতে পারে। কোথায় থামা হবে? কেন হবে?

    যুক্তি হতে পারে ecomocially sustainable হতে হবে। মানে জাতিসত্তা র প্রশ্ন নয়। market economy র প্রশ্ন।মার্কেট যতটা allow করবে।

    তারপরের প্রশ্ন.... যদি আলাদা হোতে হয় তাহলে আলাদা state কেন, আলাদা দেশ নয় কেন?
  • X | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৬:৩৩459781
  • অ্যানার্কি প্রসঙ্গে Linus Torvalds - Eventually the revolutionaries become the established culture, and then what will they do?
  • kallol | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৭:১৫459792
  • কতোটা আলাদা হবে এর জবাব নির্ভর করে কেন আলাদা হবে তার উপর।
    ধরা যাক বাংলাদেশ। পশ্চিম পাকিস্তানের দাদাগিরি, ভাষা সব ছাড়িয়ে বাঙ্গালী ও অন্যান্য জাতিসত্তার প্রশ্ন। আলাদা তো হয়ে গেলো। এবার বলুন ১৯৭১ থেকে ২০১০ - এই প্রায় ৪০ বছরে কটা জেলা, কটা শহর কটা পাড়া কটা বড়ি আলাদা হয়েছে?
    তাই বলে আলাদা হতে চাইছে না কি ? চাইছে। চাকমারা আলাদা হতে চাইছে। ওরাও আলাদা জাতিসত্তা। যারা বাঙ্গালীদের সাথে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়েছিলো। বাংলাদেশ হবার পর ওরাও আশা করেছিলো যে বাঙ্গালীদের সমমর্যাদা পাবে। কিন্তু পায় নি। এমনকি সরকারীভাবে স্বীকারই করা হয় না যে বাংলাদেশে বাঙ্গালী ছাড়া অন্য কোন জাতি আছে। ফলে ওদের এমনকি সংখ্যালঘু জাতি বলেও মানা হয় না। কিছুদিন আগে বিপ্লব বুবুভায় কল্পনা চাকমার কথা লিখেছেন, নিশ্চই পড়েছেন।
    তাই কতটা আলাদা হবে তা নির্ভর করবে আলাদা হবার কারনের উপর।
    আবার নাগাল্যান্ড ধরুন। ওখানেও জাতিসত্তার লড়াই। কিন্তু জটিলতা অনেক বেশী। নাগা বলে কোন একটা জাতি নেই। আও, আঙ্গামী, রঙ্গমেই, কুকি, সুমি এরকম অসংখ্য উপজাতিতে বিভক্ত নাগারা। এদের মধ্যে বিয়েও হয় না। অনেকেই একে অন্যের শত্রু মনোভাবাপন্ন। তাই নাগাল্যান্ডকে যদি স্বাধীন করে দেওয়া হয়, তবে তা অনেক উপজাতির একটা সমন্বয় হবে বা প্রত্যেকেই আলাদা হয়ে যাবে, যেমন তারা ব্রিটিশরা আসার আগে ছিলো।
  • PM | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:০২459803
  • বাংলাদেশ আলাদা হবার পরেও আর ভাগ হয় নি তার কারন বোধ হয় এই যে দেশটা তার Territorial integrity টা ধরে রাখতে চেয়েছে। যদি হাসিনা আজ বলে যে ভাই তোমরা যে যেমন চাও স্বাধীন হও তাহলে কি হবে কেউ যানে না।
  • kallol | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:১১459815
  • কথাটা বোঝা গেলো না। ভারত কি তার Territorial integrity নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না? কোন দেশে কোন সরকার কবে এরকম বলেছে যে যাও ভাই আলাদা হয়ে। যদি সংবিধান ধরেন তবে ইউএসএ সংবিধনে এটা আছে আর সোভিয়েৎ রাশিয়ার সংবিধানে ছিলো। তহলে শোভিয়েৎ টুকরো হয়ে গেলো, কিন্তু ইউএসএ তো হয় নি।
    আর বললাম যে বাংলাদেশেও চাকমারা আলাদা হতে চাইছে। কই তাদের দেখাদেখি ঢাকা, বরিশাল, সিলেট তো আলাদা হতে চাইছে না।
  • PM | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২০:৪৫459826
  • কল্লোল্‌দা দক্ষিন USA আলাদা হতে চেয়েছিলো...ক্রিতদাস issueতে। এ যাত্রা লিনকন-এর দউলতে হতে পারে নি। হলে USAর ইতিহাস অন্য হতো মানবেন নিশ্চই।

    আপনার theory-র একটা experiment হয়েছে সাবেক যুগোস্লাভিয়ায়। দেশটা ভারতের সাথে কিছুটা তুলনীয় ভাষা/জাতি বৈচিত্রের দিক থেকে। দেশটা ভাঙার পরে কত লক্ষ্য মানুষ জাতি দাঙ্গায় প্রান হারিয়েছে এবং এখনো হারিয়ে চলেছে ভাবলে হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়। আর এই সমস্যা-কে আমেরিকা কিভাবে utilise করছে তাও অজানা নয়। পেছনে ফিরে দেখলে কি মনে হয় না যে দেশটা মার্শাল টিটো-র আমলে অনেক ভালো ছিলো।সমস্যা ছিলো.. কিন্তু এ তো চাটু থেকে উনুন-এ পড়া।

    প্রশ্ন হচ্ছে আমরা দেখে শিখব না ঠেকে শিখব।
  • kallol | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:১৬459837
  • অথচ রাশিয়ান কনফেডারেশনে তো সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মতো এরকম ঝামেলা নেই। টিটো বা ব্রেজনেভের আমল ভালো ছিলো কিনা, সেটা অন্য তর্কের বিষয়।
    আজও আমেরিকা যুক্তরাষ্টের সংবিধানে 'আলাদা হয়ে যাবার অধিকার' আছে। কেউ তো আলাদা হতে চাইছে না।
    কোথাও আলাদা করে দিলে ঝামেলা হয় কোথাও আলাদা করে দিলে ঝামেলা থামে। দেখে বা ঠেকে শেখার ব্যাপার নয় এটা।
    কাশ্মীর আলাদা করে দিলে পরদিনই কেরালা আলাদা হতে চাইবে এটা ভাবার কোন বাস্তব যুক্তি আছে কি? হ্যাঁ, নিশ্চই উ:পূ:-এ সকলেই আলাদা আলাদা ভাবে আলাদা হতে চাইবে। সে চাওয়ার ঐতিহাসিক ও বাস্তব যুক্তিও আছে।
    ভারতও খাতা কলমে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু সংবিধানে গ্রেট ব্রিটেনের মতো এককেন্দ্রীকতার ঝোঁক প্রবল। আমি চাই ভারতের সংবিধানও আমেরিকা যুক্তরাষ্টের মতো হোক, যেখানে আলাদা হওয়ার অধিকার থাকবে। আমরা কি আলাদা হয়েও শান্তিতে একসাথে থাকতে পারি না?
    দেশভাগের সময় শরৎ বসুর প্রস্তাব ছিলো ভারত তিনভাগ করার। ভারত, পাকিস্তান, বাংলা। নেহেরু 'বলকনাইজেশন' বলে উড়িয়ে দেন। আর শ্যামাপ্রসাদ মুসলমান সংখ্যাগুরু হয়ে যাবে সেই ভয়ে বিরোধীতা করেন ও ভারত পাকিস্তানের ভাগকে সমর্থন করেন। শরৎবাবুর প্রস্তাব কার্যকরী হলে, আমার ধারনা, ভালো হতো। ৪৭ বা ৭১-এ এতো প্রাণহানি, এতো উচ্ছেদ হতো না। আমার আরও ধারনা, নিজেদের স্বার্থেই উ:পূ: এবং নেপাল ও ভূটান ঐ বাংলার সাথে একটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে চলে আসতো।
  • kallol | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:১৯459848
  • শ্যামাপ্রসাদের ভয় - মুসলমান সংখ্যাগুরু হয়ে যাবে - ওটা শরৎ বসুর প্রস্তাবিত বাংলা-র পরিপ্রেক্ষিতে।
  • diganta | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:৫১459859
  • http://coffeehouseradda.com/blog/diganta/603
    কাশ্মীর নিয়ে আগে লিখেছি, শেয়ার করলাম।

    তবে, ধরা যাক, দুদিন পরে মণিপুরের জনগণ বুঝল যে তাদের আলাদা দেশ হয়ে লাভ হয়নি, তখন কি তারা জোড়া লাগার চেষ্টা করবে? আলাদা দেশ হয়ে যে ঠিকঠাক কি কি লাভ হয় তা সঠিক বুঝি না।
  • kallol | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৭:৩৫459881
  • আলাদা দেশ হয়ে কি লাভ হয় তা বাংলাদেশের মানুষদের জিজ্ঞাসা করলেই হয়।
    সকলেই যদি মনে করে আলাদা হওয়াটা ভুল তবে আবার চলে আসবে। তখন প্রশ্ন হবে নেবো কি নেবো না।
    লাভ সবসময় ট্যাঞ্জেবল নয়। যেমন বাংলাদেশ। পাকিস্তান আমল থেকে অর্থনৈতিক ভাবে খুব একটা ভালো নেই। কিন্তু সেটাই সব নয়। কেউ বাঙ্গালী বলে হেয় করছে না - এটাও অনেক।
    আবার একই সাথে এখনও সংখ্যালঘুর ওপর অত্যাচার চলছে বাংলাদেশেও।
    কোনকিছুই সাদা বা কালো....... যাগ্গে। এসব কথা সবাই জানে।
  • kallol | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৭:৪৬459892
  • আমি যা করতে পারি সেটাই করব। যা আমার হাতে নেই, যা আমি করতে পারিনা, তার কথা ভেবে আমার কাজ থামিয়ে রাখতে পারিনা।
    কাশ্মীরের ভারতের অংশকে এক্ষুনি স্বাধীন করে দেওয়া উচিৎ। পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান কি করবে, বা স্বাধীন কাশ্মীর কি করবে সেটা তাদের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
    আমার মত পাকিস্তানেরও কাশ্মীরকে স্বাধীন করে দেওয়া উচিৎ।
  • d | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:০১459903
  • "যেমন বাংলাদেশ' পাকিস্তান আমল থেকে অর্থনৈতিকভাবে খুব একটা ভাল নেই' --- এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাই। কোন কোন প্যারামিটার অনুজায়ী ভাল নেই? আর তথ্যের উৎস কী?
  • kallol | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:৫১459914
  • খুব অর্থনৈতিক ডেটা দেখেটেখে বলিনি। একটু সময় পেলে সেটাও করা যায়।
    তবে ছাপা/বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যা দেখি। যারা দুপার থেকে আসেন তাদের আলাপচারীতায় যা বুঝি। তাতে মনে হয় না যে পাকিস্তান বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে একে অন্যের থেকে খুব ফারাকে আছে।
    আসমা জাহাঙ্গীর যখন ভারতে আসেন, তার সাথে আড্ডা দেবার একটা সুযোগ এসেছিলো। আর বাংলাদেশে তো অজস্র বন্ধুর সাথে প্রায়ই চিঠিচাপাটি হয়। তাতে ধারনাটা আরও পাকা হয়েছে।
  • pi | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:৩১459926
  • এটা থাক এখানে। ইন্টারন্যাশানাল ট্রিবিউনালের রিপোর্ট। আমাদের কাগজপত্তরগুলোতে এগুলোর কিচ্ছুটি আসেনা ক্যানো ?
    http://www.kashmirprocess.org/reports/graves/toc.html
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন