Can not see Bangla
|
শমীক মুখোপাধ্যায়
ইশকুল-টিশকুলের হাল হকিকত্ কেমন? আঁখো-দেখি-হাল নিয়ে লিখলেন শমীক মুখোপাধ্যায়।
এ বিষয়ে আমরা আরও লেখা প্রকাশ করতে চাই। আপনি নিজেও লিখে ফেলুন না, আপনার অভিজ্ঞতা?
Read more...
সিদ্ধার্থ মিত্র
আমি মোড়লকে জিজ্ঞেস করলাম, ঠিক কী ঘটেছিল এখানে। "এক দিন জুডুম এল। গ্রামের কিছু লোককে মেরে দিল। আমরা ওদের পুঁতে দিয়ে পালিয়ে গেলাম'। একদম এই রকম। জ্যান্ত, শ্বাস নেওয়া মানুষ মিনিটের মধ্যে মাংসের টুকরোতে পরিণত। "কত জন মারা গে¢ছল? কারা ছিল তারা?'
Read more...
ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক
পরিবারমনস্ক, আধুনিকমনা, বর্ধিষ্ঞু বাঙালি পরিবারের জন্য বইমেলা গাইড লিখলেন ঈপ্সিতা পালভৌমিক। পুরোনো বিজ্ঞাপনের পাতা ঘেঁটে। বই, প্রকাশনী ও স্টলগুলি একেবারে অথেন্টিক। তবে স্টলনম্বর মিলবেনা। কারণ, বইমেলাটি পুরোনো। এ সেবারের কথা যখন বইমেলা ছিল পার্কসার্কাসে।
আজ শেষ পর্ব
Read more...
সিদ্ধার্থ মিত্র
রাত্রে পড়ব বলে যখন বইটা হিমাংশুজী'র থেকে ধার নিই, উনি হাসতে হাসতে বলেছিলেন "দেখবেন, কাল যেন আবার কেউ আপনার হাতে এই বই না দেখে'। "আরে না না', আমি ওনাকে আশ্বাস দিলাম। আজকাল রাজনীতির যা বাজার, নকশালপন্থা নিয়ে আলোচনা করলেই আপনাকে দাগী নকশাল বলে লোকে সন্দেহ করবে। এই বইটা অবশ্য শুধু নকশাল আন্দোলনের বিবর্তন কেমন করে হলো সেই নিয়ে লেখা। দিল্লীর একজন সাংবাদিক, সুদীপ চক্রবর্তী লিখেছেন।
Read more...
অরিজিত মুখার্জি
Stephen Levy.Hackers:Heroes of the Computer Revolution (New York:Penguin Non Classics,1984); Pp 464, $11.00, ISBN 978-0-141-00051-0
এই বইয়ের আলোচনা শুরু করার সময় হ্যাকার ম্যানিফেস্টোর এই অংশটুকু ছাড়া আর কিছুর কথা মনে আসে না। বেশির ভাগ লোকের কাছে আজ হ্যাকার শব্দটা একটা গালি - একদল ধ্বংসাত্মক পাগল যারা বিভিন্ন কোম্পানির ডেটা চুরি করে, যারা সরকারি ওয়েবসাইটে পর্ণোগ্রাফি বসিয়ে দেয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গোলমাল পাকায়।
Read more...
ঈপ্সিতা পালভৌমিক
পরিবারমনস্ক, আধুনিকমনা, বর্ধিষ্ঞু বাঙালি পরিবারের জন্য বইমেলা গাইড লিখলেন ঈপ্সিতা
পালভৌমিক। পুরোনো বিজ্ঞাপনের পাতা ঘেঁটে। বই, প্রকাশনী ও স্টলগুলি একেবারে অথেন্টিক। তবে স্টলনম্বর মিলবেনা। কারণ, বইমেলাটি
পুরোনো। এ সেবারের কথা যখন বইমেলা ছিল পার্কসার্কাসে।
Read more...
নস্টালজিয়া শব্দে বড় কাঁকর৷ সফটওয়ারের কিচাইনে অবিরত বদলে চলেছে আমাদের ইউ আর এল আর নতুন বাসার ঠিকানা৷ বদলে যাচ্ছে আমাদের হ্যালাফেলার আবহাওয়াবিদের আট পকেটের প্যান্টের র ংও আবহাওয়ার সরভাজা৷ যদিও কোথাও কোথাও ঘিয়ে ভাজা কুত্তার ন্যাজের মত কাশফুল দুলছে,পাঁচতারার কেতাবি পন্ডে পদ্ম ফুটছে, পুজো আসছে৷
আমরা এখন আর দুকুর রোদে নতুন ডিয়ার ক্লাব-ডেনিমে ক্যাপ পিস্তল হাতে দৌড়া-দৌড়ি করি না বর ংকেউ কেউ ইরাক বোম্বে ইজরাইলে বরাত মাফিক গাড়ি বাড়ি মানুষ উড়িয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে থাকি, বাকিরা শশীকান্ত হয়ে রাজা উজির বস ল ও উকুন মারি৷ এখন আর দুকুর বেলা চিত্- উবুড় হয়ে শুয়ে শারদ সাহিত্য সম্ভার পড়ি না, বরাত পেলে আখাম্বা উপন্যাস বা টাইট গল্প ছাড়ি আর না পেলে চুয়া ঢেঁকুর তুলি৷ সন্ত্রাস ঘনাইছে দিকে দিকে/ আমাদের কবি প্রতিভা ঢাকিছে বল্মিকে৷
তবু এর মধ্যেই আমরা বিন্দাস আছি৷ ফুকোয়, ফোকে,ফুঁকে এব ংফাঁকে কেটে যাচ্ছে আমাদের সময়৷ এখন আর আমাদের আধুনিকতার তকমায় বেঁচে থাকতে ভালো লাগে না৷ সভ্যতার ভাঙা চিরুনী আর দুর্গতিনাশিনীর পমেটম মাঝে সাঁঝে খুলে বসি৷ পুজোর সময় নানাবিধ চব্ব পড়ে কারুর মন ভার হয়, কান্না-টান্নাও পায় শুনেছি৷ আমাদের ওসবের বালাই নেই৷ এবার পুজোয় আমরা দিলাম হাতের তালু, দেখুন চিনতে পারেন কি ন!
এবার তাঁর এপিটাফ লেখা হবে। এবার তিনিও আইকন হবেন।
জীবদ্দশায় তাঁকে প্রায়ই সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হত। বিদগ্ধ ভদ্রোমহোদয় ও লেডিসগণ তাঁর নামোচ্চারণেই উঠতি লেখকদের পাকামো করতে নিষেধ করতেন। বাঁধা ছকের বাইরে পা দিলেই চোখ পাকিয়ে বলা হত , সন্দীপনী কোরোনা, সন্দীপনী কোরোনা। কতো, কতো বড়ো লেখক এই সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, যাঁর নামে সন্দীপনী বলে আস্ত একটা কথাই চালু হয়ে গেল? অজিত চৌধুরী লিখেছিলেন। সে যুগ শেষ। তাঁর নামে এবার অর্ডার দিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ বানানো হবে। হইহই করে বিক্রি হবে উপন্যাস সমগ্র। সভাসমিতিতে বিস্তর অশ্রুবিসর্জন হবে। ফটোয় মালা দিয়ে সভাপতি অধোবদন হবেন। ধরা গলায় বলবেন, আহা কি লিখতেন। মানুষটা প্রাপ্য সম্মান পেলেন না গো। প্রেমাশ্রুবন্যায় ডুবে যাবে ডিহি কলকাতা। সেই জোয়ারে সন্দীপনের লেখালিখি ভেসে যাবে। শুধু জেগে থাকবে ফটো। চৌকো মুখ আর দড়িবাঁধা চশমা। ভদ্দরলোকের মুখ যেমন হয়। অবিকল।
এই পাতায় কিছু বইপত্রের ই-সংস্করণ রাখা হয়েছে৷ বই পত্রের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলবে এরকমটাই আশা৷ ইতিমধ্যেই সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারত, কিন্তু কিছুটা কুঁড়েমি আর কিছুটা যোগাযোগের অভাবের জন্য করা হয়ে ওঠেনি৷ এ ব্যাপারে বেড়ে কাজ করছেন বইপাড়া ডট কম তাঁদের জানাই লালে লাল লাল সেলাম!!!
বাংলা লেখার জন্য স্ট্যান্ডার্ড কোনো ফন্ট আমাদের নেই৷ ফলে এই পাতায় যে ফন্টটা দেওয়া হচ্ছে, সেটিও কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফন্ট নয়, যদিও এর কি-ম্যাপ কয়েকটি পপুলার বাংলা ফন্টের সঙ্গে মেলে৷ সঙ্গের বাংলা এডিটর টা আপনাকে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করতে হবে, তার ইন্সট্রাকশনও নিচে দেওয়া আছে৷ উইন্ডোজের জন্য একটি অতি উত্তম স্ট্যান্ডার্ড অটোমেটেড ইন্সটলার লেখা হয়েছিল, সেটা এখানে এই মূহুর্তে দেওয়া যাচ্ছেনা
|
শুনে ঘাবড়ে যাবেন না, শুধু এই সাইটেই রক্ষে নেই, আমাদের একটি ছাপা পত্রিকাও আছে। তারও পোশাকি নাম গুরুচন্ডালি। আদর করে কাগুজে গুরু বলে ডাকা হয়। মাসে একবার প্রকাশিত হয়। কোথায় পাবেন, কি বৃত্তান্ত বিশদে জানার জন্য এই বিভাগটি মন দিয়ে পড়ুন। পাইলেও পাইতে পারেন অমূল্য রতন।
হ্যা,ঁ একবার স্টল থেকে খুঁজে একবার কিনে নিতেও ভুলবেন না। স্টলওয়ালারা দুচ্ছাই করতে পারে, কিন্তু তাতে কি? না পড়লে আমাদের ঘন্টা, কিছু যাবে আসবেনা, সমস্যা আপনারই। কি হারালেন, সে আর সারা জানা হবেনা। এ আফশোষ সারা জীবনেও যাবেনা।
উলোটপুরাণ থাকলে উলোটপুজো থাকতে বাধ্য, রোনাল্ড উইস্লির ধারণা, পুজো-ফুজো হরির আমলেই শুরু হয়ে ছিল, হ্যারির কালে নয়। চাল পুরানো হলে ভাতে বাড়ে, বোলচালও। আমাদের পুজো আছে কি নেই তা ব্রহ্মা জানতে পারেন,কিন্তু কিবোর্ড জানে হাত আছে, অজুহাতও। বিকাশ ভসচাজ্জি বিধুর, জলের পরে দুগ্গোর মুখখনি ফেডাউট হচ্ছে নিজস্ব ভঙ্গিতে, জলবত্ তরলং হয়ে যাওয়া জীবনে কারুর সম্বল পনিপথের ইতিহাস কারুর বা ভরসা বাংলা গ্রিটিংস কার্ডে, আমরা নাম রেখেছি উল্টোডাঙ্গা, মানে ঐ ইংলিশ চ্যানেল পার হয়ে দেবী যেখানে গিয়ে উঠিয়াছেন।
আমরা কেবল উল্টোচ্ছি, ভোটে জোটে ও হাইওয়েতে। এপিঠ থেকে ওপিঠ, বক্রেশ্বর থেকে তারাপীঠ । বক্রেশ্বরে এখন আপত্তি নেই কিন্তু পীঠের ভেতর যেহেতু আছে রিলিজিয়াস সুড়সুড়ি , রামদেব বাবা পিঠ টানটান রাখতে বলেছেন । আর এটা তো ঠিকই এফিশিয়েন্টদের যজ্ঞে সতীর বডি পার্টস কিছু কম পড়িয়াছিল, যাই হোক বাঙালি থেমে থাকেনি, ঘুরে ও দিস্তেলিখে বহুত নাম কিনেছে , দাদাগিরি আনলিমিটেড। নাক কুচকানো আর সবকিছু উল্টো দেখা যাদের স্বভাব তাদের জন্যে রইল উল্টোপীঠ।
বেচাবেচির সিন যখন নেই মনরথ মানে স্কাইরেল, স্লো কলার অয়োজন। ভীড় এড়িয়ে, মন খারাপ করে, সিদ্ধির ঝিমে বা ফুল্টুস মস্তিতে কি করছেন, কি দেখছেন, কি পড়ছেন জনি না। আমাদের সাইবারমন্থনে জমা থাক আরেক প্রকার উল্টোরথ। আর মনে রাখুন উল্টোরথ কিন্তু মামা বাড়ির আব্দার শেষে ঘরে ফেরার দিন।
রাজার পরে রাজা আসে, বসন্তের পর ভোট। গরম পড়েছে বলে বৃষ্টি
নামে কোন কোন দিন। আমাদের ছোট নদী চলে আঁকেবাঁকে। হাঁটুজলে এক্কাদোক্কা খেলে
ট্রাম-বাস টেম্পো। দোকানে ঝুলে থাকে রঙচঙে ক্যালেন্ডার আর রোব্বারের পাঁঠা। আয়নার
কাঁচে জমে টিপ, হুহু ঝড়ে উড়ে যায় উইন্ডস্ক্রিনের ধুলো আর কে জানে কার আঁচলখানি। পরের
সংখ্যা কবে হবে বলে লোকে তাড়া দেয়, আর স্বভাবসুলভ ঢিমে তেতালায় বচ্ছরখানেক পরে
অনবধানে আমাদের প্যাকিং বাক্স খুলে দেখি, সারি সারি পান্ডুলিপি চুপচাপ জমে আছে।
বারোর পর তেরো আসে, বিলম্বিত একতালে। হাতে-হাতে কাজ ভাগ
করে নিতে জড়ো হয় নতুন-নতুন ছেলেমেয়েরা। এই ভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আর চলছে না, বলে
হাঁক পাড়ে তারা। নতুন নতুন মাথাগুলি ঝুঁকে পড়ে মনিটরে। মেল চালাচালি, হই হট্টগোল,
ছ্যাবলামি আর গম্ভীর আলোচনায় আবারও সরগরম হয়ে ওঠে আমাদের পুঁচকে খেলাঘর। নতুন নতুন
প্ল্যান হয় চড়ুইভাতি আর নতুন সংখ্যার। বারোর পর তেরো আসে। আনলাকি হোক আর ছাতার
মাথা, কেউ পাত্তা দিক চাই না দিক, গুরুচন্ডা৯ চলছে চলবে।
এপ্রিল ২০, ২০০৯
দিনকাল পাল্টে গেছে৷ এতদিন আমরা শুধু শিল্প-সমালোচনা পাঠ করেছি৷ সুসংস্কৃত অধ্যাপকেরা আপনাকে-আমাকে জানিয়েছেন ভালো বই কারে কয়, মন্দ সিনেমাই বা কি৷ আমরা পদতলে বসে পাঠ নিয়েছি ভাষার, প্রকরণের৷ সাজিয়ে নিয়েছি নিজেদের বাক্যবিধি৷ জেনেছি সাঁঝের ঝোঁকে অলাবু ভক্ষণ ও না জানিয়া ফর্ম ভাঙা নিষিদ্ধ
দিনকাল পাল্টে গেছে৷ এতদিন আমরা শুধু শিল্প-সমালোচনা পাঠ করেছি৷ সুসংস্কৃত অধ্যাপকেরা আপনাকে-আমাকে জানিয়েছেন ভালো বই কারে কয়, মন্দ সিনেমাই বা কি৷ আমরা পদতলে বসে পাঠ নিয়েছি ভাষার, প্রকরণের৷ সাজিয়ে নিয়েছি নিজেদের বাক্যবিধি৷ জেনেছি সাঁঝের ঝোঁকে অলাবু ভক্ষণ ও না জানিয়া ফর্ম ভাঙা নিষিদ্ধ
দিনকাল পাল্টে গেছে৷ এতদিন আমরা শুধু শিল্প-সমালোচনা পাঠ করেছি৷ সুসংস্কৃত অধ্যাপকেরা আপনাকে-আমাকে জানিয়েছেন ভালো বই কারে কয়, মন্দ সিনেমাই বা কি৷ আমরা পদতলে বসে পাঠ নিয়েছি ভাষার, প্রকরণের৷ সাজিয়ে নিয়েছি নিজেদের বাক্যবিধি৷ জেনেছি সাঁঝের ঝোঁকে অলাবু ভক্ষণ ও না জানিয়া ফর্ম ভাঙা নিষিদ্ধ
এই সাইট বানানোর সময়, আমাদের ইচ্ছা ছিল যে যা লেখা দেবেন, সবই তুলে দেওয়া হবে৷ ভালো লেখা বা মন্দ লেখার সকল পূর্বনির্ধারিত ধারণাকে বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দিয়ে ন্যালাক্ষ্যাপার মতো শুরু হবে আমাদের জার্নি, এই ছিল ভাবনা৷ কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তা হয়না৷ প্রথমত: লেখালিখিকে এডিট করে এইচ টি এম এল বানাতে হয়, তারপর একটা নির্দিষ্ট খোপে ভরে ফেলতে হয়, সে অনেক ঝামেলা, এব ংতাতে সমস্ত লেখাকে স্থান দেওয়া অসম্ভব৷ ফলত: এই বিভাগটা খুলতেই হল৷
এখানে যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এব ংপোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটি ংএর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি,এখানে৷
যোগাযোগ করুন, মেল লিখুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়:
guruchandali@gmail.com
|