ন্যাড়া RSS feed
বাচালের স্বগতোক্তি

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা
    আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে কী বীভৎস মজা চলছে, কাল তিস্তা শেতলবাদের লেখা ( https://www.telegrap...
  • সেলিব্রিটির প্রতি ভালোবাসা
    নিউজফিড ঘাঁটতে ঘাঁটতে বর্তমানের ফেমাস সিঙ্গার, মেয়েদের ক্রাশ মাঈনুল আহসান নোবেলের একটা ছবি হঠাৎ সামনে চলে এলো। ছবিটা দেখামাত্র আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটা শিহরণ বয়ে গেল। ইউরেকা! পেয়েছি! আমার জীবনসঙ্গী,আমার বাচ্চার বাপ, আমার নাতি-পুতির দাদা। সেই ...
  • ভ্যান গগ ও একটি কুৎসিত তৈলচিত্র
    রঙ! শব্দটা শুনলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি জাগে মনে। হঠাৎ যেন মনে হয় কেউ এক মুঠো লাল - হলুদ আবির ছড়িয়ে দিল হাওয়ায়। রঙ শুনলে আমার কেন জানি মনে হয়, একটা ক্যানভাসে খুব পাৎলা করে কেউ ক্রিমসন রেডের একটা শেডের উপরে ক্রোম ইয়োলোর এক পোঁচ ভেজা রঙ লাগিয়েছে। আপনাদের কি ...
  • সম্রাট ও সারমেয়
    একটি খুব স্নেহের মেয়ে, বিদেশে পড়াশুনো করছে, সূর্যের নীচে সবকিছু ভালোর জন্যই ওর গভীর ভালবাসা। মাঝে মাঝে পাগলামি করে বটে,আবার শুধরে নেওয়ায় কোন অনীহা নেই।আমার খুব পছন্দের মানুষ !সে একদিন লিখলো ইসলামে কুকুর নাপাক জীব। এইটাতে সে ভয়ানক খাপ্পা, কারণ কুকুর তার ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৬
    চিংড়ির হলুদ গালা ঝোলকোলাপোতা গ্রামটার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ। এছাড়া চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খাল বিল পুকুর। সবুজ জংলা ঝোপের পাশে সন্ধ্যামণি ফুল। হেলেঞ্চার লতা। উঠোনের কোন ঘেঁষে কাঠ চাঁপা। পঞ্চমুখী জবা। সদরের মুখটায় শিউলি। সাদা আঁচলের মতো পড়ে থাকে ...
  • যৌন শিক্ষা মহাপাপ...
    কিছুদিন ধরে হুট করেই যেন ধর্ষণের খবর খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে। যেন হুট করে কোন বিষাক্ত পোকার কামড়ে পাগলা কুকুরের মত হয়ে গেছে কিছু মানুষ। নিজের খিদে মিটাতে শিশু বৃদ্ধ বাছ বিচার করারও সময় নাই, হামলে পড়ছে শুধু। যদি বিষাক্ত পোকার কামড়ে হত তাহলে এই সমস্যার সমাধান ...
  • ইতিহাসবিদ সব্যসাচী ভট্টাচার্য
    আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চায় সব্যসাচী ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। গবেষক লেখক শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসক হিসেবে তাঁর অবদান বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সবসাচীবাবুর বিদ্যালয় শিক্ষা বালিগঞ্জ গভর্মেন্ট হাই স্কুলে। তারপর পড়তে আসেন প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিহাস বিভাগে। ...
  • পাগল
    বিয়ের আগে শুনেছিলাম আজহারের রাজপ্রাসাদের মতো বিশাল বড় বাড়ি! তার ফুপু বিয়ে ঠিকঠাক ‌হবার পর আমাকে গর্বের সাথে বলেছিলেন, "কয়েক একর জায়গা নিয়ে আমাদের বিশাল বড় জমিদার বাড়ি আছে। অমুক জমিদারের খাস বাড়ি ছিল সেইটা। আজহারের চাচা কিনে নিয়েছিলেন।"সেইসব ...
  • অশোক দাশগুপ্ত
    তোষক আশগুপ্ত নাম দিয়ে গুরুতেই বছর দশেক আগে একটা ব্যঙ্গাত্মক লেখা লিখেছিলাম। এটা তার দোষস্খালন বলে ধরা যেতে পারে, কিন্তু দোষ কিছু করিনি ধর্মাবতার।ব্যাপারটা এই ২০১৭ সালে বসে বোঝা খুব শক্ত, কিন্ত ১৯৯২ সালে সুমন এসে বাঙলা গানের যে ওলটপালট করেছিলেন, ঠিক সেইরকম ...
  • অধিকার এবং প্রতিহিংসা
    সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না। এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ন্যাড়া প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

<< লেখকের আরও নতুন লেখা      লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

তুষারঝড়

নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে যখন নেবেছি তখন বেলা প্রায় দেড়টা। নাবার কথা ছিল সকাল নটায়। স্যান ফ্র্যান্সিসকো থেকে সোজা নিউ ইয়র্ক। বাজে আবহাওয়ার জন্যে প্লেন ঘুরে এল ডেনভার দিয়ে। ব্যস সাড়ে চার ঘন্টা মায়া। আমরা যাব নায়াগ্রা ফলস। এয়ারপোর্ট থেকে সময় লাগবে সাত ঘন্টা। নটায় নাবলে পথে থেমে-টেমেও ছটার মধ্যে হোটেলে ঢুকে যাবার কথা। হতচ্ছাড়া শীতকাল।

অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল শীতের মাঝে একবার নায়াগ্রা ফলস দেখতে যাব। চতুর্দিক সাদা, নায়াগ্রারও অনেক অংশ জমে গেছে, তারই মাঝে সে ঝিরঝিরি বয়ে আচমকা দেড়শো ফুট ঝাঁপ দ

অনেক দেবব্রত

একটা লোক মোটা গলায় গাইছে "সুদূর, বিপুল সুদূর"। আর আমি দেখছি আদিগন্ত মাঠ, চোত মাসের ঠাঠা রোদ্দুরে দগ্ধ হচ্ছে। সেই লোকটাই আবার যেই বলেছে, "সেদিন এমনি মেঘের ঘটা রেবা নদীর তীরে", অমনি গায়ে ভিজে হাওয়ার ঝাপটা এসে লেগেছে। হাট করে খোলা ঘরদোর, হুহু করে ছাট এসে বিছানা-টিছানা সব ভিজিয়ে দিল। বেয়াক্কেলে লোক!

গলা শুনলে মনে হত একটা লোক থ্রি-পিস স্যুট-টাই পরে গান গাইছে, পায়ে চকচকে জুতো। পরিচ্ছন্ন করে দাড়ি-গোঁফ কাটা। ধারালো, চকচকে কিন্তু সমাহিত চেহারা। গানে সাহেবি পরিশীলন। আমার তখন কতই বা বয়েস হবে? বছর

ব্যবসার রকমফের

ভদ্রলোকের সঙ্গে ট্রেনে আলাপ হয়েছিল। সেটা নব্বই দশকের প্রথমদিক। আমাদের তখন কলেজে ফাইনাল ইয়ার। ষোলজনের দল গেছিলাম বম্বে-পুনা-গোয়া। ফেরার সময়ে বম্বে থেকে ট্রেন ধরেছি। একসঙ্গে সব জায়গা পাওয়া যায়নি। আমি, অসীম আর শেখর আলাদা হয়ে গেছি বাকি তেরজনের থেকে। টু-টিয়ার কামরায় আমাদের সঙ্গে ওই ভদ্রলোক । মিস্টার সেনগুপ্ত। মাঝবয়েসী, বছর পঁয়তিরিশ বয়েস। ব্যবসার কাজে বম্বে গেছিলেন, ফিরছেন। খুব মাইডিয়ার লোক। তখন আমাদের যা বয়েস তাতে কেউ বড়দের মতন ব্যবহার করলে কি সিগারেট অফার করলেই দারুণ ভাল লেগে যায়। সেনগুপ্তবাবু সেসব

গন্ডোলার গান

সে অনেককাল আগের কথা। আমার তখন ছাত্রাবস্থা। রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের টাকার ভরসায় ইটালি বেড়াতে গেছি। যেতে চেয়েছিলাম অস্ট্রিয়া, সুইৎজারল্যান্ড, স্ট্রাসবুর্গ। কারণ তখন সবে ওয়েস্টার্ন ক্লাসিকাল শুনতে শুরু করেছি। মোৎজার্টে বুঁদ হয়ে আছি। কিন্তু রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের টাকায় সুইৎজারল্যান্ড বেড়ান হয়না। অনেক হিসেব-টিসেব কষে দেখলাম ইটালি কোনরকমে হয়ে যাবে। এসেছি ভেনিসে। পকেট তো একেবারে গড়ের মাঠ। তাই ব্যাকপ্যাকিং করছি। থাকছি ইউথ হস্টেলে। খাচ্ছি স্যান্ডউইচ আর ক্যালজোন। একদিন পিজ্জা খেয়ে দেখেছি। ইটালি

খানাকুল

খাওয়া-দাওয়া ছিল বটে স্বাধীনতার আগে। ভারতীয় খানার স্বর্ণযুগ বলতে মুঘল যুগ। শ্রীযুক্ত বাবর যখন ভারতের অধিপতি হয়েই পড়লেন, যে জিনিসটি তিনি সবথেকে বেশি আকাঙ্খা করতেন তা হল তার জন্মস্থানের খানা, বিশেষতঃ ফলমূল। মধ্য এশিয়ার খোবানি থেকে পারস্যের তরমুজের জন্যে তার প্রাণ কাঁদত। তাছাড়াও ভারতের মশলাদার খাবারও তাঁর বিশেষ পছন্দের ছিলনা। বাবর পছন্দ করতে মধ্য এশিয়ার ঝলসান মাংসর পদ। বাবরপুত্র হুমায়ুন কিন্তু ভক্ত ছিলে পারসিক পোলাও থেকে হালকা মশলাদার রান্নার। আকবরের সময়ে ভারতীয় রান্না, পারসিক রন্ধনপ্রণালী আর মধ্য এ

স্পিরিট

আমার বাড়ির কাছেই ছোট একটা বার আছে। আমরা বলি স্টিভের ভাঁটিখানা - স্টিভস ব্রিউয়ারি। যদিও স্টিভ মদ বানায় না, কিন্তু ওটাই আদরের নাম হয়ে গেছে। আমরা কজন আধবুড়ো লোক প্রতি শনিবার সকালে গলফ খেলে স্টিভের দোকানে ঢুকে দুয়েক পাত্র বিয়ার সেবন করে বাড়ির পথ ধরি। এ আমাদের অনেকদিনের অভ্যেস। স্টিভ ভিয়েতনামের যুদ্ধে লড়াই করেছে। এখানে যুদ্ধফেরতদের ভেটারেন বলে। স্টিভ হল ভিয়েতনাম ভেটারেন। যুদ্ধের পরে বীতশ্রদ্ধ হয়ে প্রায় পিসনিক হয়ে যায়। নিজে ওহায়োর ছেলে, কিন্তু ওর বেস ছিল স্যান্টা বারবারা। সেখানে থাকার সময়েই বারবারা বল

বেতাল পঞ্চবিংশতি

বেতাল পঞ্চবিংশতি বর্ষে পড়ল। বেতালের তবলচী বাবা তার মাথায় চাঁটি মেরে বললেন, "পঁচিশ বছরের দামড়া। এখনও ষষ্ঠী আর নবতালের ফারাক শিখলি না। তোর নাম আজ থেকে বে-তাল। দূর হয়ে যা আমার চোখের সামনে থেকে। তোকে ত্যজ্যপুত্র করলাম।" বেতাল তখন ক্ষোভে-দুঃখে তার যে বেগুনি ফুলহাতা-গেঞ্জি আর প্যান্ট ছিল, সেই পরে এক বস্ত্রে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল। খালি ক্ষোভের প্রকাশ হিসেবে প্যান্টের ওপর একটা কালো জাঙিয়া পরে নিল। লজ্জায় মুখ ঢাকতে বোনের হিজাবটা নিল আর বাবার শখের সানগ্লাসটা।

বেতাল মনের দুঃখে এক জাহাজে চেপে বসল। জা

কুড়োন টিভি

আমি মার্কিন দেশে আসি পিএইচডি করার নাম করে। প্রথম দু বছর থাকতাম একটা দু বেডরুম অ্যাপার্টমেন্টে চারজন। পরেশ, ভাবিন, জয়েশ আর আমি। পরেশ বম্বের ছেলে, আমাদের এক বছর আগে এসেছে। ভাবিনও বম্বের। তবে গুজরাটি। আর জয়েশ আহমেদাবাদের গুজরাটি। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে আসবাব বলে কিছু ছিলনা। এদেশে একটা রীতি আছে। পুরনো জিনিস - সে আসবাবই হোক কি টিভি হোক কি মাইক্রোওয়েভ হোক - ব্যবহারযোগ্য থাকলে লোকে "ফ্রি" বলে একটা কাগজ সেঁটে বাড়ির সামনে রেখে দেয়। যদ্দিন না গারবেজের ট্রাক এসে ওগুলো নিয়ে যাচ্ছে, অন্য কেউ প্রয়োজন থাকলে স্

যম-দুয়ারে পড়ল কাঁটা

অন্য লোকের স্বপ্নে আসে ভগবান, সিনেমা স্টার, ছেলেবেলার বন্ধু নিদেন ইশকুল-কলেজের কড়া মাস্টারমশাই। কবি হলে প্রেমিকা-টেমিকা, একেবারে কবিতাশুদ্ধু। " বাসস্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ ..." ইত্যাদি। আর আমার স্বপ্নে আসেন যমরাজ। যমরাজ মানে শমন, কৃতান্ত। ভাল্লাগে না মাইরি।

আর আসবেন তো আসুন, মোষের পিঠে চেপে স্টেজ লেফট দিয়ে ঢুকে ভয়-টয় দেখিয়ে স্টেজ রাইট দিয়ে বেরিয়ে গেলেন - সে একরকম। কিংবা যাত্রাদলের যমরাজের মতন বালা-হাতে আখাম্বা হাত কোমরে দিয়ে চোখ পাকিয়ে বুহাহাহা করে অট্টহাস

ভগবতী

একদিন কিঞ্চিৎ সকাল-সকাল আপিস হইতে বাড়ি ফিরিতেছি, দেখিলাম রাস্তার মোড়ের মিষ্টান্নর দোকানের সম্মুখে একটি জটলা। পাড়ার মাতব্বর দু-চারজনকে দেখিয়া আগাইয়া যাইলাম। বাইশ-চব্বিশের একটি যুবক মিষ্টির দোকানের সামনের চাতালে বসিয়া মা-মা বলিয়া হাপুস নয়নে কাঁদিতেছে আর তাহাকে ঘিরিয়া বারো-তেরো জনের একটি জটলা গোল হইয়া সান্ত্বনা দিতেছে। কেহ বলিতেছে, "মা কী আর কারুর চিরদিন থাকে?" কেহ বলিতেছে, "ভাবছিস কেন, আমরা তো আছি।" কেহ বলিতেছে, "চল, চল, বাড়ি চল।" ইহার মধ্যে আবার একজনের রসিকতা পাইয়া গেল, "ভাবছিস কেন, আরেকটা মা আসব
<< লেখকের আরও নতুন লেখা <<     >> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

24 Jul 2019 -- 10:37 AM:ভাটে বলেছেন
"বাঙালী ও গুজরাতি পুরুষরা মহিলাদের ওপর খুব নির্ভর করে এবং তাদের দ্বারা ডমিনেটেড হতে পছন্দ করে।" ...
24 Jul 2019 -- 10:18 AM:ভাটে বলেছেন
সসিওজলি-কে আমি অনেককে সোশিওলজি-ও বলতে শুনেছি। দুটো কি একই জিনিস?
24 Jul 2019 -- 04:56 AM:ভাটে বলেছেন
এই তো খনু এয়েচে। কদিন ধরে গোরু-খোঁজা, থুড়ি গোমাতা-সন্ধান, করছিলাম। হাওয়ার্ড জিন সম্বন্ধে তোমার মতামত ...
24 Jul 2019 -- 01:33 AM:ভাটে বলেছেন
ইন্টালেকচুয়ালি ডিজঅনেস্টের চালু বাংলা কী হবে জানা আছে? নইলে একটা কয়েন করতে হবে। "কত ওষুধ আবিষ্কার" থ ...
22 Jul 2019 -- 09:43 AM:ভাটে বলেছেন
উত্তর এলনা। জনৈক ও চ্যালাকুল কি তাহলে বুজিই হয়ে গিয়ে 'যে-আসুক' তত্বে সাবস্ক্রাইব করলেন?
22 Jul 2019 -- 09:03 AM:ভাটে বলেছেন
জনৈক-সহ সকল ইয়ের প্রতি প্রশ্ন - পিসিকে গদি থেকে নাবিয়ে কে বাংলার তখতে বসে আপনাদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হব ...
20 Jul 2019 -- 09:11 AM:ভাটে বলেছেন
খনুর সঙ্গে একই লিস্টে আমার নাম উঠেছে। আমি আজ মাংস খাব।
18 Jul 2019 -- 12:39 PM:ভাটে বলেছেন
তারপরে কম্বল ধোলাই।
18 Jul 2019 -- 12:39 PM:টইয়ে লিখেছেন
আমি এখনও অ্যামট্র্যাকে চড়িনি। একবার চড়ব। গেল শীতে নিউ ইয়র্ক থেকে বস্টন যাব ভাবলাম, কিন্তু টিকিটের কী ...
18 Jul 2019 -- 11:44 AM:টইয়ে লিখেছেন
পুপেরা কি অ্যামট্র্যাকে গেলে? কত খরচা পড়ল?
17 Jul 2019 -- 09:50 AM:মন্তব্য করেছেন
লাইব্রেরিটা খাসা। কিন্তু যে লাইব্রেরি আমার বই রাখেনা, তাকে আমি ভাল লাইব্রেরি বলতে পারিনা। দুঃখের বিষ ...
16 Jul 2019 -- 09:37 AM:ভাটে বলেছেন
একটা কথা জিগেস করেই ফেলি। দেখুন আমি ও খনুবাবু প্রায় একই বয়সী। আগেকার কথা ছেড়ে দিলাম, জনাব খনু যখন ছে ...
15 Jul 2019 -- 03:40 AM:মন্তব্য করেছেন
হ্যাঁ, ওই কাহিনীই।
13 Jul 2019 -- 12:43 PM:ভাটে বলেছেন
তবে এ ব্যাপারে খনু ভাল বলতে পারবে মরক্কোর বামপন্থী ঐতিহাসিক দিলে শা আহমদ বটসোয়ানার একটা লিটল ম্যাগাজ ...
13 Jul 2019 -- 12:37 PM:মন্তব্য করেছেন
পুরনো কপি একটা অর্ডার দিয়ে দিলাম b-সাহেবের কথা শুনে। কদিন আগে অডিবলে রানীমা এলিজাবেথের একটা ...
13 Jul 2019 -- 12:30 PM:টইয়ে লিখেছেন
আচ্ছা, কেউ আছে যিনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন কিন্তু ভূতে বিশ্বাস করেন না? উল্টো লোক আমি অনেক চিনি যাদের ভ ...
13 Jul 2019 -- 12:14 PM:ভাটে বলেছেন
বিহারের অনেক বাঙালি ঝরঝরে বাংলা বলেন, কিন্তু বাক্যর শেষে একটা 'হচ্ছে' লাগিয়ে দেন। যেমন এখানে একজন ভদ ...
12 Jul 2019 -- 09:56 AM:ভাটে বলেছেন
টিনটিন বড় হয়ে শরদিন্দু হবে আর গুরুর প্রগতিশীলদের গালাগাল খেয়ে উদ্ধার হয়ে যাবে। হিহি। ------ ...
12 Jul 2019 -- 08:10 AM:ভাটে বলেছেন
অর্জুন ভবিষ্যতের খনু নাকি খনু ভবিষ্যতের অর্জুন? দা নেশান ওয়ান্টস টু নো।
11 Jul 2019 -- 11:54 AM:ভাটে বলেছেন
Rice at only Rs. 2/- per Kg. · The State Government has been supplying rice at the rate of ...