কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...
  • ‘দাদাগিরি’-র ভূত এবং ভূতের দাদাগিরি
    রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, শ্যাওড়া গাছের মাথায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে, ছাপাখানায় এবং সুখী গৃহকোণে প্রায়শই ভূত দেখা যায়, সে নিয়ে কোনও পাষণ্ড কোনওদিনই সন্দেহ প্রকাশ করেনি । কিন্তু তাই বলে দুরদর্শনে, প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও ? আজ্ঞে হ্যাঁ, দাদা ভরসা ...
  • আর কিছু নয়
    প্রতিদিন পণ করি, তোমার দুয়ারে আর পণ্য হয়ে থাকা নয় ।তারপর দক্ষিণা মলয়ের প্রভাবে, পণ ভঙ্গ করে, ঠিক ঠিকখুলে দেই নিজের জানা-লা। তুমি ভাব, মূল্য পড়ে গেছে।আমি ভাবি, মূল্য বেড়ে গেছে।কখন যে কার মূল্য বাড়ে আর কার কমে , এই কথা ক'জনাই বা জানে?এই না-জানাদের দলে আমিই ...
  • একা আমলকী
    বাইরে কে একটা চিৎকার করছে। বাইরে মানে এই ছোট্টো নোংরা কফির দোকানটা, যার বৈশিষ্ট্যহীন টেবিলগুলোর ওপর ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের গুঁড়ো আর দেয়ালে ঝোলানো ফ্যাকাশে ছবিটা কোনো জলপ্রপাত নাকি মেয়ের মুখ বোঝা যাচ্ছে না — এই দোকানটার দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কেউ চিৎকার করছে। ...
  • গল্পঃ রেড বুকের লোকেরা
    রবিবার। সকাল দশটার মত বাজে।শহরের মিরপুর ডিওএইচেসে চাঞ্চল্যকর খুন। স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পলাতক।টিভি স্ক্রিণে এই খবর ভাসছে। একজন কমবয়েসী রিপোর্টার চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা বলছে। কথা আর কিছুই নয়, চিরাচরিত খুনের ভাষ্য। বলার ভঙ্গিতে সাসপেন্স রাখার চেষ্টা ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২
    মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২চিত্রগুপ্ত: হে দ্রুপদকন্যা, যজ্ঞাগ্নিসম্ভূতা পাঞ্চালী, বলো তোমার কি অভিযোগ। আজ এ সভায় দুর্যোধন, দু:শাসন, কর্ণ সবার বিচার হবে। দ্রৌপদী: ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই রাজন। ওরা ওদের ইচ্ছা কখনো অপ্রকাশ রাখেন নি। আমার অভিযোগ ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান
    কুন্তী: প্রণাম কুরুজ্যেষ্ঠ্য গঙ্গাপুত্র। ভীষ্ম: আহ্ কুন্তী, সুখী হও। কিন্তু এত রাত্রে? কোনও বিশেষ প্রয়োজন? কুন্তী: কাল প্রভাতেই খান্ডবপ্রস্থের উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। তার আগে মনে একটি প্রশ্ন বড়ই বিব্রত করছিল। তাই ভাবলাম, একবার আপনার দর্শন করে যাই। ভীষ্ম: সে ...
  • অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত
    বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা ...
  • ফয়সালা বৃক্ষের কাহিনি
    অতিদূর পল্লীপ্রান্তে এক ফয়সালা বৃক্ষশাখায় পিন্টু মাষ্টার ও বলহরি বসবাস করিত । তরুবর শাখাবহুল হইলেও নাতিদীর্ঘ , এই লইয়া , সার্কাস পালানো বানর পিন্টু মাষ্টারের আক্ষেপের অন্ত ছিলনা । এদিকে বলহরি বয়সে অনুজ তায় শিবস্থ প্রকৃতির । শীতের প্রহর হইতে প্রহর ...
  • গেরিলা নেতা এমএন লারমা
    [মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে লেখকের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তার প্রায় এক দশকের গেরিলা জীবন। কারণ এম এন লারমাই প্রথম সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাহাড়িদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখান। আর তাঁর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমি যামিনী, তুমি শশী হে

কুশান গুপ্ত

জেনিফার যেরূপ বলিয়াছিল শশী সেইরূপ সাজিয়া আসিয়াছেন। বিশুদ্ধ বাঙালির বেশ। গিলে করা সাদা পাঞ্জাবি ও সঙ্গে ধুতি। বাড়তি, একটি ওড়নাসম রঙিন উত্তরীয় রহিয়াছে।

জেনিফারের অদম্য বায়না শশীকে শুনিতেই হয়। চলো শশী, কতকাল ক্যালকাটা যাই নাই। মনে পড়ে শশী, ওখানেই প্রথম দেখা, সেই স্টেজ, সেই গ্রিনরুম, যেখানে দোঁহে প্রথম দৃষ্টিপাত। কী করে জানিলে ডিয়ার, আমার প্রিয় ফুল, প্রিয় রঙ, প্রিয় চকোলেট ও কেক। বড় মিস করি শশী সেসব দিন। চলো, এইবেলা ক্যালকাটা যাই।

জেনিফারের কথা ফেলিতে পারা যায় না। তথাপি, জেনির হাজার একটা বায়নাক্কা। যেখানে যাইবে সেখানকার এথনিক ভ্যালু ও সিস্টেম মানিয়া চলো, সেখানকার সংস্কৃতি আদব কায়দা মায় খাদ্যাভ্যাসকে আপন করো। কিন্তু, শশী এমনিতেই নির্বিরোধী মানুষ। তাছাড়া অতিরিক্ত স্ত্রী-অনুরাগী। অগত্যা এখন একটি রঙিন আসনে বাবু হইয়া উপবিষ্ট হইয়া আছেন। বামে ও ডাইনে দুই বাঘা প্রবীণ বাঙালি সাহিত্যিক ও শিল্পী। বামে বিষ্ণু দে। ডাইনে যামিনী রায়। আগে হইতে জানিলে শশী বঙ্গীয় চিত্রকলা সংক্রান্ত একটু হোমওয়ার্ক করিয়া আসিতেন। জেনিফার কোথায় ফাঁসাইয়া পলাইল কে জানে।

পাত পাড়িয়া খাওয়া হইবে। উপলক্ষ্য কোনো এক তরুণ শিল্পীর প্রদর্শনী। এক সুবেশী মহিলা আসিয়া এখানেই ইঙ্গিত করিল, ধুতি সামলাইয়া, চাকামালি খাইয়া, শশী বসিয়াছেন। বামে বিষ্ণুবাবুকে ঘাড় ঘুরাইয়া শশী হাত জড়ো করিয়া সৌজন্যমূলক হাসিলেন। কিন্তু বিষ্ণুবাবু বিশেষ পাত্তা দিলেন না। বিষ্ণুবাবুর, ছোকরাকে, সুবিধার ঠেকিল না। কেমন একটা নববাবু ফুলটুস মার্কা চকচকে ভাব। তিনি না লিখিয়াছেন: 'নববাবু মন ছাড় ভাষা' ! তাছাড়া তাঁর যামিনীবাবুর পাশে বসার বিশেষ ইচ্ছা ছিল। কিন্তু যামিনী এই ছোকরার ডান দিকে বসিলেন। আসলে যামিনীবাবু মুডি, প্ৰকৃত শিল্পী যেমন হয়। তিনি কী সাধে যামিনীকে পিকাসো বলেন! যদিও অমায়িক যামিনীবাবু স্বীকার করিলে তো! নিজেকে দেশীয় পটুয়া ছাড়া আর কিছু ভাবিতেই চান না !

কলাপাতা আসিল। শশী পরম বিস্ময়ে বাম ও দক্ষিণে দেখিলেন রাশি রাশি ভারা ভারা কলাপাতা। কেহ কেহ তাতে মাটির গেলাসের জল হালকা ছড়াইয়া পাতা ধুইতেছে। কিন্তু, বিষ্ণু ও যামিনী নিরুদ্বিগ্ন বসিয়া আছেন। অগত্যা শশীও চুপ করিয়া থাকিলেন।

অতঃপর আসিল ভাত, নুন, লেবু, শাকভাজা, বোঁটা সহ বেগুন ভাজা। আসিবা মাত্র বিষ্ণুবাবু, শাক, ভাতে মাখিয়া সম্পুর্ন লেবু নিংড়াইয়া দিলেন। যামিনী শাক আলগোছে ভাতে মাখিলেন। শশী অপ্রতিভ হাতে মাখিয়া কোনমতে খাইতে লাগিলেন। বিষ্ণুবাবু কটাক্ষ হানিলেন। কোথাকার নববাবু সব, খাইতেও জানে না! পশ্চিমী অক্ষম অনুকরণ আসিয়া বঙ্গদেশকে কোথায় লইয়া গেল? ধিক!

বিষ্ণুবাবু বড় গরাসে ভাতে ডাল মাখিয়া খাইতেছেন। যামিনীর, তুলনায়, ক্ষুদ্র গরাস। শশী আলগোছে মাখিয়া অল্প অল্প মুখে দিতেছেন। শুটিংয়ে এখানে ওখানে গেলে স্যান্ডউইচ বা চাপাটি খান। খালি হাতে ভাত লইয়া ভাল নাকাল হইতেছেন। বাড়িতে নিখুঁত কাঁটা চামচের এটিকেট, জেনিফারের না জানি কত রকমারি ডিশ। হায় হতোস্মী! জেনিফার এখন কোথায়?

ইহার পরে আসিল ট্যাংরা মাছ। শশী 'নো ফিশ প্লিজ' বলিয়া নেতিবাচক ভঙ্গিতে থালা ঢাকিয়া বসিলেন। বিষ্ণু অবাক হইলেন। কোথাকার সং আসিল, ট্যাংরা খায় না? এমন ইংরিজি শুনিয়া একটু সন্দেহও হইল। আরে পশ্চিমের তোরা কী বুঝিবি? আমি ঊর্বশীর সঙ্গে আর্টেমিসকে মিলাইয়াছি। ভারতে পাশ্চাত্যের এমত আত্তীকরণ ঘটাইলাম। দেশজ প্রথায় মার্কসীয় বীক্ষণ আনিলাম। তবেই না আমি বিষ্ণু দে। তোরা এসকলের কী বুঝিবি রে?

একটু ঘাড় এগাইয়া বিষ্ণু হাঁক পাড়িলেন, 'পিকাসো, ট্যাংরাগুলো তাজা। ভালো ডিম আছে। খান ভালো করে।'

এখন যামিনী মুখ ফিরাইলেন। শশীর দিকে চোখ পড়িল। মনে হয় কোথায় যেন দেখিয়াছেন। শশী লাজুক হাসিলেন। বাঙালি-ভ্রমে যামিনী শুধাইলেন, 'নাম কী আপনার?'

শশী এক এঁটো হাত অপর না-এঁটো হাতের কাছে নমস্কার করার ভঙ্গিতে বলিলেন, ' হ্যালো, আইয়াম শশী কাপুর, স্যার। আই এম ফ্রম বম্বে। মাই ফাদার্স নেম ইজ পৃথ্বীরাজ কাপুর।'

বিষ্ণুবাবুর কানে আসিল। ও, এই ব্যাপার। ময়ূরপুচ্ছধারী, পৃথ্বীরাজের হুজুগে পুত্র, এখানে বাঙালি সাজিয়া আসিয়াছে! এসকলই হুজুগ। আইপিটিএ সূত্রে পৃথ্বীরাজের সঙ্গে সামান্য আলাপ পরিচয় অবশ্য ছিল যাই হোক।

তথাপি তাঁর বিরূপ ভাব রহিয়া গেল।

ইহার পরে আসিল তেল-কই। আহা, আজ দেশজ মৎস্যের ছড়াছড়ি। বিষ্ণুবাবু সাগ্রহে লইলেন। অকস্মাৎ, কী খেয়াল চাপিল, শশীর দিকে ঢলিয়া বলিলেন, 'ইউ মাস্ট ইট দিস ওয়ান। রিয়াল বেঙ্গলী ডেলিকেসি।'

তৎক্ষণাৎ, শশীর, জেনিফার স্মরণে আসিল। মনে হইল সমূহ বাংলা ওই শায়িত তৈল নিমজ্জিত কই-তেই সমাসীন। শশী বামদিকের আংকেলের দিকে 'থ্যাঙ্ক ইউ'-স্মাইল ছুঁড়িয়া কই মাছ আহ্বান করিলেন।

বিষ্ণুবাবু মনে মনে হাসিলেন। ছোকরা এবার বুঝিবে কত ধানে কত চাল। তিনি নিজে নিপুণ হাতে কাঁটা বাছিয়া খাইতে লাগিলেন।

শশী কই লইয়া কাঁটায় নাকাল হইতে লাগিলেন। বাছিতে গিয়া কতক হাতে ফুটিল। দেখিলেন সাগ্রহে বিষ্ণুবাবু তাকাইয়া আছেন। বাঁদিকে বিষ্ণুবাবুর অনুকরণে শশী কিছুটা খাইতে লাগিলেন। অকস্মাৎ গলায় কাঁটা বিঁধিল। শশী কাশিতে লাগিলেন। কাশিতে কাশিতে তাঁর গাল বেদানার মতন লাল হইয়া গেল। দু চোখ দিয়া জল ঝরিতে লাগিল।

'থর্ন ! ওহ মাই গড! ফিশ বোন! ইটস প্রিকিং!'

যামিনী, 'এহ কাঁটা ফুটল। আপনি কই মাছ নিলেন কেন?', বলে শশীর দিকে তাকালেন। কোথায় দেখেছেন একে?

তারপর তাঁকে দেখালেন। একমুঠো সাদা ভাত গোল করে পাকালেন। শশীকে বললেন, 'ডোন্ট চিউ, সোয়ালো দ্য হোল থিং।'

এই সময়েই ভিতরের হলঘরে বাজিয়া উঠিল: 'আমি যামিনী, তুমি শশী হে, ভাতিছ গগন মাঝে।'

গগন! চমকিত, পুলকিত যামিনী দেখিলেন, সত্যই, গগন ঠাকুরের সহিত এই শশীর মুখের ভাল মিল। উন্নত বঙ্কিম নাসা। সেই বাংলার কিউবিস্ট গগনেন্দ্রনাথ, যিনি তরুণ যামিনীর প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেন। পরম স্নেহে তিনি যামিনীর ছবি একজিবিশন হইতে ক্রয় করেন। আহা, তাঁর কাছে ঋণ শেষ হবার নয়।

বাঁয়ে বিষ্ণু, ডাহিনে যামিনী। মাঝে গগন (শশী) ভাতিছেন, যামিনীর হাত হইতে ভাত খাইতেছেন।

কাঁটা গলা হইতে নামিয়া গেল। শশী জল খাইয়া বলিলেন, 'থ্যাঙ্ক ইউ, স্যার।'

যামিনী দেখিলেন, গগন হাসিতেছেন, অমলিন।

456 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: I

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

আহ! বেশ লাগল।
Avatar: ওঃ

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

কোনো সূত্র রেফারেন্স কিছুই দেওয়া নেই। একেবারেই রিলেট করতে পারলাম না। একটু আধটু ধরিয়ে দেবেন তো কোথাও। অন্তত ফুটনোটে?

এবার পুরোটাই ডেডিকেটেড ফাজলামি হতেই পারে। সেক্ষেত্রে স্বভাবতই কিছুই বলার নেই, না পড়লেও চলত।
Avatar: শিবাংশু

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

বাহ, উত্তম ননসেন্স। ভালো লাগলো...
Avatar: Jennifer Kendal

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

"Long Long ago...Long long ago..."
Avatar: ঝর্না

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

হেবি...খুব ভালোলাগল পড়ে...
Avatar: কুশান

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

ধন্যবাদ আপনাদের। পড়ার ও মন্তব্যের জন্য। @জেনিফার, আপনার লং লং এগো বলতে 'ঘরে বাইরে' মনে এলো, অবধারিত।

@ও: ভুল করেও এই লেখাকে সিরিয়াসলি নেবেন না। ফুটনোট বা রেফারেন্স সিরিয়াস নিবন্ধের হয়। বিশুদ্ধ ঠাট্টা ছাড়া আর কোনো কিছুই উদ্দেশ্য নয় এ লেখার।
Avatar: Jennifer Kendal

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

Yeah that's why I sang that line itself, good old memories with Mr. Ray. And it's apt in this context also, ain't it?
Avatar: অনিরুদ্ধ

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

একবারেই একটি মৌলিক লেখা।
মনে পড়ে গেল শশী কাপুরের অসাধারণ সৌম্য সুন্দর ব্যক্তিত্ব। ফেলুদার চরিত্রে তাঁর অসামান্য বাঙালিয়ানা।
ধন্যবাদ বন্ধু এই অসাধারণ সুপুরুষটিকে নিয়ে লেখার জন্য
Avatar: Kaju

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

আবার ফেলুদা টানা কেন? ওরকম ভুঁড়িওলা বয়সে ফেলুদা না করলেই পারতেন। চরম ভুল।
Avatar: রনুদা

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

এ যেন গদ্যে লেখা লিমেরিক! কি অসাধারণ মুন্সিয়ানায় কুশান লিখে ফেলেন এরকম একটি কাল্পনিক দৃশ্যকল্প যার চরিত্ররা স্বমহিমায় চলমান থেকে চিত্রনাট্যটিকে আরো জীবন্ত করে তোলে......... সত্যি তো এমন হলে কেমন হতো?










Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: আমি যামিনী, তুমি শশী হে

উরি বাপ্রে!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন