Saikat Bandyopadhyay RSS feed

Saikat Bandyopadhyayএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...
  • হাসিমারার হাটে
    অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির ...
  • দ্বিষো জহি
    বোধন হয়ে গেছে গতকাল। আজ ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ, সন্ধ্যাবেলায় আমন্ত্রণ ও অধিবাস। তবে আমবাঙালির মতো, আমারও এসব স্পেশিয়ালাইজড শিডিউল নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তেমন - ছেলেবেলা থেকে আমি বুঝি দুগ্গা এসে গেছে, খুব আনন্দ হবে - এটুকুই।তা এখানে সেই আকাশ আজ। গভীর নীল - ...
  • গান্ধিজির স্বরাজ
    আমার চোখে আধুনিক ভারতের যত সমস্যা তার সবকটির মূলেই দায়ী আছে ব্রিটিশ শাসন। উদাহরণ, হাতে গরম এন আর সি নিন, প্রাক ব্রিটিশ ভারতে এরকম কোনও ইস্যুই ভাবা যেতো না। কিম্বা হিন্দু-মুসলমান, জাতিভেদ, আর্থিক বৈষম্য, জনস্ফীতি, গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাব, শিক্ষার অভাব ...
  • সার্ধশতবর্ষে গান্ধী : একটি পুনর্মূল্যায়নের (অপ?) প্রয়াস
    [কথামুখ — প্রথমেই স্বীকার করে নেওয়া ভালো, আমার ইতিহাসের প্রথাগত পাঠ মাধ্যমিক অবধি। তবুও অ্যাকাডেমিক পরিসরের বাইরে নিছকই কৌতূহল থেকে গান্ধী বিষয়ক লেখাপত্তর পড়তে গিয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই অবিসংবাদী নেতাটি সম্পর্কে যে ধারণা লাভ করেছি আমি, তা আর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

Saikat Bandyopadhyay

মোদীজির সাফল্যের কাছে এভারেস্টও বেঁটে মতো, মারিয়ানা খাতও নেহাৎই ডোবা। মঙ্গলে উপগ্রহ পাঠানোও মাছি-মারার মতই সহজ, হালের চন্দ্রযান তো এমনকি গণেশের প্লাস্টিক সার্জারির চেয়েও সোজা। নিত্যনতুন কর্মকান্ডে তিনি আমাদের আশ্চর্য করেই চলেছেন। এর আগে এইভাবেই মোদীজি নতুন নোটে জিপিএস চিপ লাগিয়ে সন্ত্রাসবাদের সাড়ে-সব্বোনাশ করে দিয়েছিলেন। সে এতই কার্যকরী হয়েছিল, যে, সন্ত্রাসবাদীরা জিপিএস ট্র্যাকিং এর জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে আক্রমণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তাতে প্রচুর সৈনিক, অনেক অসামরিক মানুষ, কয়েকটি প্লেন, ইত্যাদি নানা জৈব ও অজৈব পদার্থ মারা গেছে ঠিকই, কিন্তু জবাবে মোদীজির নেতৃত্বে পাকিস্তানের মাটিতে অনেক পাইনগাছে এবং একটি কাক মারা হয়েছে, এ কথাও মনে রাখা জরুরি। একেই আপনারা মোদীজির নৈতিক জয় বলতে পারেন।

মোদীজির কোনো ক্লান্তি নেই, তাই এই বিরাট সাফল্যের পরের ধাপ ৩৭০ বিলোপও কয়েক মাসের মধ্যেই এসে গেছে। হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির ফরোয়ার্ড দেখলেই আপনারা সেসব সম্পর্কে বিশদে জানতে পারবেন। চাদ্দিকে নানা বার্তা দৌড়চ্ছে, যার মূল কথা হল, এতদিন কাশ্মীর পাকিস্তানে ছিল, মোদীজি তাকে ধরে-বেঁধে ভারতবর্ষে এনে ফেলেছেন। এখন থেকে কাশ্মীরে ভারতের পতাকা উড়বে (নিশ্চয়ই আগে উড়তনা)। এখন সুপ্রিম কোর্টের আওতায় চলে এল কাশ্মীর (আগে গিলানির ফাঁসির আদেশ দিতে ঘেমে-নেয়ে একশা হয়েছে, আফজল কে কোনোমতে দিতে পেরেছিল)। জিহাদিদের শাসন থেকে আজ চিরমুক্তি, আজ কাশ্মীর দিবস। যেভাবে নোটে চিপ লাগিয়ে সন্ত্রাসমুক্তি হয়েছে, সেভাবেই ৩৭০ তুলে দিয়ে কাশ্মীরের ভারতভুক্তি হল। মেসেজের নিচে জ্বলজ্বলে হ্যাশট্যাগ দিয়ে আবার লেখা থাকছে #সশক্তভারত। এ কোনো বাংলা শব্দ নয় (আইটি সেলের করবার, সবাই কপিপেস্ট মারছে), তবু পড়লেই বুঝতে পারবেন, যে, এতদিন, এমনকি মোদীবাবুর ৫ বছরেও ভারত অশক্ত ছিল, এবার "সশক্ত" হয়ে গেছে।

সশক্ত হয়ে আপনি এবার কী করবেন? সাধারণ জ্ঞান না থাকলে চারদিকে অন্তত কান পাতুন। শুনবেন নাগাড়ে ৩৭০ আর ৩৫এর চাষ হচ্ছে। পাড়ার বড়দা-বড়দিরা, অবিরত জ্ঞান ঝাড়ছেন, আপনার কটি হাত, কটি নতুন পা, আর কটি ব্র্যান্ড-নিউ ন্যাজ গজালো সেই নিয়ে। মোদ্দা কথা হল, এবার আপনার জীবনে অপার সুখ-শান্তি নেমে এল, তার জন্য আর স্বপনে কিংবা শ্মশানে যেতে হবেনা। এবার থেকে বাঙালি ছোঁড়ারা যতখুশি কাশ্মীরি কন্যা বিয়ে করতে পারবে (যেন এতদিন কাশ্মীরি কন্যারা বাঙালি বিয়ে করতে না পেরে মূহ্যমান হয়ে পড়েছিল)। বাঙালি মেয়েদেরও কোনো ভয় নেই, শালওয়ালা পেলেই টপ করে পাকড়ে নিতে পারবেন, বিয়ে-থা হলে আপনাকে আর কাশ্মীরি হয়ে যেতে হবেনা। আরও গুরুত্বপূর্ণ যেটা, সেটা হল, বাঙালি মধ্যবিত্তরা স্রেফ ৩৭০ এর অভাবে এতদিন শ্রীনগর উপত্যকায় রিটায়ারমেন্ট হোম বানাতে পারছিলেননা, এখন সেই সমস্যা মিটল। এবার ডাল লেকের পাড়ে-পাড়ে দেখবেন, ঘোষ-বোস-মিত্তিরদের বাগানবাড়ি। রাস্তা দিয়ে হাঁটলেই আলুপোস্তর সুবাস আসবে নাকে। মোড়ে-মোড়ে হবে রসগোল্লার দোকান (সে অবশ্য হলদিরাম দেবে)। চালাও পানসি বেলঘরিয়ার বদলে এখন নতুন প্রবাদ হবে, ঘোরাও হাউসবোট ডাল লেকে। এইসব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে বাঙালি মরে যাচ্ছিল, আজ এল তার আকাশে ওড়ার দিন। এখন স্রেফ এক দেশ, এক আইন।

এই শুনে আবার মিনমিন করে সিকুলার লিবারালদের মতো প্রশ্ন করতে যাবেননা কিন্তু, যে, উত্তর-পূর্বের রাজ্যে-টাজ্যে তো নানারকম বিধিনিষেধ এখনও আছে, বা, আসামে একটি বিদঘুটে পদ্ধতিতে নাগরিকত্ব যাচাই হচ্ছে, যা ভারতের আর কোথাও হয়না, তাহলে এক-দেশ, এক-আইন টা হল কীকরে? তাহলেই দেশপ্রমিকরা আপনাকে ধুইয়ে দেবেন। "হোয়াট্যাবাউটারি করবেন না তো"। এ অবশ্য আপনারই শিক্ষা। আপনি লিবারাল হয়ে জন্মেছেন, প্রশ্ন উঠলেই নাক-কুঁচকে চতুর্দিকে এইসব লব্জ ঝেড়েছেন নির্বিচারে, এখন সেসব ফেরত পাবেন না বললে হবে? আজ কাশ্মীর দিবস, পে-ব্যাক ডে। কাশ্মীর ভারত ফেরত পেয়েছে, আপনিও তাই ফ্রিতে ফেরত পাচ্ছেন আপনার লব্জ। এ হল মুক্তির দিন। জয় ভারত, সশক্ত ভারত।

1394 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 41 -- 60
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

আলোচনা টা চালানো যাক, যদিও দেবু বাবুর ধমকের পর একটু ঘাবড়ে আছি। :) :) মাইরি বলছি আমি সকালে উঠে গণশক্তি পড়িনি।

আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারি না একটা ইডিয়াল ডেমোক্রেটিক দেশের জেনারেল মডেল বা আইন ঠিক কি কি রকম হওয়া উচিত ? এটা ঠিক যে কাশ্মীর এর লোকেদের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই ৩৭০ তুলে দেওয়া হয়েছে। উল্টোদিকে এটাও ঠিক যে গত ৭০ বছরে কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যান পাওয়া যায়নি। জাস্ট মোদী ভজনা বা মোদী ব্যাশিং এ না গিয়ে একটু টো টি পয়েন্ট আলোচনা এগোলে কেমন হয় ?

গণতন্ত্রে আলোচনা সব সময়েই ওয়েলকাম। কিন্তু এরকম একটা বিষয়ে আলোচনা টা ঠিক কোন পথে চালানো যেত বা এগোতে পারতো -?

একটা এনালজি দি বরং - ? আমার কনফুসিওন টা বোঝাতে। গুরুজনেরা হেল্প করলে বড়ো উপকার হয়। আমি তো আর রাস্তায় নেমে বিপ্লব করার লোক নয়, নিতান্ত স্বার্থপর লোক, নেট দুনিয়াতে এসব হাবি জাবি লিখে জাস্ট টাইম পাস করছি। আর বেশ লোভী, নিজের ভালো টা সবার আগে দেখি। তাই আপনারা গালাগাল দিলে নিশ্চয় দিতে পারেন। :) :)

১। একেক রাজ্যের জন্য কি এক এক আইন থাকবে বেসরকারি কোম্পানি র বা কন্ট্রাক্ট যাবার এর মতো ? যে যেমন স্যালারি নেগোটিয়াতে করলো জয়েনও করার সময় ? অন্য কারোর সেটা জানার বা দোড়াদোড়ির দরকার ই নেই ? জাস্ট কয়েকটা বেসিক জিনিস, যেমন হেলথ ইন্সুরেন্স, ডেথ ইন্সুরেন্স এগুলো জেনেরিক করা হলো সবার জন্যে , বাকি সব যে যেমন তার মতো বুঝে নাও। অন্য কেও সেটা নিয়ে কোনো কথা বলবে না। ব্যাস।

এর সাথে ৩৭০ বা ৩৭১ ধারা এর মিল পাচ্ছি। এই রাজ্য গুলো ইন্ডিয়া তে জয়েনও করার সময় যেমন নেগোটিয়াতে করেছে, সেটা ই থাকবে। কারোর কিচ্ছু বলার নেই। আড়ালে হিংসে করে যাও, কিন্তু সামনে সামনি কিছু বলা যাবে না। এটা টিপিকাল ক্যাপিটালিস্ট মডেল বা বাজার অর্থনীতি।

২। নাকি হওয়া উচিত সরকারি কোম্পানি র মতো ? এক গ্রেড এ যারাই জয়েনও করছে সবার এক মাইনে- ? সব বেনিফিট থেকে শুরু করে সব কিছু এক। কেও যদি স্পেশাল কোনো এক্ট এ জয়েনও করে , তাকে একটা দুটো প্রমোশন এর সময় বাকি দের সাথে একুয়াল করে দেওয়া হবে। আলাদা বেনিফিট চিরকালের জন্যে রাখা হবে না। এই নয় যে দু একটা ছোট খাটো পারফরমেন্স বোনাস দেওয়া যাবে না দু একজন কে , কিন্তু সেটা বাকিদের থেকে আকাশপাতাল কিছু তফাৎ হবে না। হলেও সেটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়।

এইটা টিপিকাল সমাজতান্ত্রিক মডেল। যেটা হয়তো ইন্ডিয়া এডপ্ট করেছে। মানে মুখে বলে করেছে।

এবার প্রশ্ন হলো দুটো মডেল এর কনফ্লিক্ট। ধরেন প্রথম মডেল এ যারা কম মাইনে পাচ্ছে, তারা খেপে গিয়ে আন্দোলন এ নামলো। এর মধ্যে আলোচনা কি ভাবে, কোন রাস্তায় করা সম্ভব ? যারা বেশি মাইনে পাচ্ছেন , তারা নিশ্চয় চাইবেন না তাদেরকে কম দেওয়া হোক । অন্য দিকে যারা কম পাচ্ছেন , তারা কখনোই চাইবেন না যারা বেশি পাচ্ছেন , তারা চিরকাল বেশি পান। তাহলে দু পক্ষই নিজের গো ধরে বসে রইলেন রাস্তা অবরোধ করে। ধরে নেয়া যাক কেও কারোর কথা শুনতে রাজি নন।

এদিকে যারা বেশি মাইনে পাচ্ছেন , তারা অন্য রিভাল কোম্পানি থেকে কিছু গুন্ডা এনে মারামারি করতে শুরু করে দিলেন। এখানে চাকরি গেলে ও ওখানে নিশ্চিত অফার আসবেই হাতে। সেটা ঠেকাতে এই কোম্পানি থেকে কিছু পুলিশ এনে তাদের ঠেকানো হলো, সেই ঠেকাতে গিয়ে দু একজন নিরীহ লোক ও মার্ খেলেন। হবেই , কল্যাটারাল ড্যামেজ আটকানোর কোনো রাস্তা আছে বলে জানা নেই।

উল্টোদিকে যারা কম মাইনে পাচ্ছেন, তারা ও পোস্টার নিয়ে ছয়লাপ করে দিলেন, তার মধ্যে অশ্লীল ইঙ্গিত ও আছে। এটাও কি ভাবে ১০০ % ঠেকানো যাবে জানা নেই, কিছু ছোটোলোক চিরকালই ছিল , থাকবে।

এবার আমার বোকা প্রশ্ন গুলো হলো : এ রকম হলে কি করা উচিত ? সেই অবরোধ কোন পথে তোলা হবে , বা তোলা কি আদৌ দরকার -? রাস্তা বন্ধ থাকলে কি ক্ষতি ?

আমার স্বল্প বুদ্ধিতে দু একটা রাস্তা যা খুঁজে পাচ্ছি সেগুলো হলো :

১। আস্তে আস্তে মাইনে এডজাস্ট করা হবে ? কিন্তু তার একটা নির্দিষ্ট পাথ ফরওয়ার্ড থাকবে বা থাকা দরকার - ? এটাও কি আলোচনায় থাকা দরকার যে যারা বেশি মাইনে পাচ্ছেন , তাদেরকে জানানো যে তারা এই কোম্পানি তেই আছেন, ইচ্ছে করলেই চাকরি ছেড়ে চেয়ারগুলো তুলে অন্য কোম্পানি তে যেতে পারেন না ?

২। জোর করে অবরোধ তোলা হবে ? পুলিশ দিয়ে খেদিয়ে ? যদি তাই হয়, কোন দলকে আগে সরানো উচিত - ?

৩। নাকি আলোচনা চালানো হবে অনন্তকাল ? কোনো ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াই ? টাইম পাস চলুক , মিটিং চলুক। ওদিকে গুন্ডারা সামান্য কয়েকটা লাস ফেললে ফেলুক ? পুলিশ ও দু একটা গুঙ্গা কে মারলে মারুক - ? এটা চলবে নেক্সট ১০০-২০০-৫০০ বছর ?

টাইম লাইন টা এমনি জাস্ট বলা। আমরা তো ৩০-৫০ বছরেই ফোট হয়ে যাবো। :) :)

৪। নাকি অবরোধ চলছে , চলুক? গুন্ডাবাজি চলছে চলুক। কোনো আলোচনার দরকারি নেই। কারণ আলোচনার কোনো ফ্রেমওয়ার্ক নেই। চালিয়ে কোনো লাভ নেই টাইমপাস ছাড়া।

এবার গুরুজনেরা বলুন কোন পথে এগুনো ভালো, আরো ভালো হয় যদি তারা বলেন এটা তাদের নিজের কোম্পানি তে হলে তারা নিজেরা কোনটা প্রেফার করবেন ? বা কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন ?

ওয়ান সাইজে ফিটস অল নিশ্চয় নয়, কিন্তু আরো রাস্তা থাকলে সেগুলো কি ? বা এগুলোর মধ্যে কোন রাস্তা কাশ্মীরে র মডেল এ ফিট করা যেত - ?

অন্য দেশের উদা থাকলে সেগুলো ও দেয়া হোক। অন্য কোথায় এসব এর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। ছিট্ মহল হয়ে গেছে কিন্তু। PM -দা লিখে দিয়েছেন।


Avatar: Ekak

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

অমিত জে কর্পোরেট্প্রতিম মডেল টি পেশ করেচেন উটির গোড়ায় এট্টু গোল আচে ঃ)

বাস্তবে তদ্রুপ খেত্রে এই অপশন ওপেন যেখানে, বেশি মাইনে পাওআ কর্মীকে বলা জায়, যে বাপু তুমি সেম গ্রেডে সেম মাইনে না নিলে , রেজিগনেশন দিয়ে অন্যত্র কাজ খুন্জে নাও। একই কথা বাকী কর্মীদের খেত্রেও প্রজজ্য।


এই লিবার্টি টাই কর্পোরেট মডেল কে ইউনিকনেস দেয়, স্লেভ হিসেবে কাওকে ধরে রেখে তার্পর পুরো খেলার নিওম লিখলে সেটা আর জাই হোক কর্পোরেট থাকে না ।

স্টেট অকুপেশন কে যস্টিফাই কত অতো সহজ নয় , ন্যান , আবার চেষ্টা করেন 😊
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

একক কে,

হ্যা, ওই মডেল এ একটু গোল তো আছেই। ওতো ডিটেল এ লিখিনি, হাফিয়ে যাই বাপু। জাস্ট অপশন গুলো শর্ট লিস্টি করতে চাইছি এক জায়গায়। আমরা তো আর কাশ্মীর প্রোবলেম এই মায়াপাতায় সল্ভ করবো না, জাস্ট মতামত নেওয়া। টাইম পাস আর কি আমার কাছে।

বেশি মাইনে পাওয়া এমপ্লয়ী কে বলা যেতেই পারে অন্যত্র কাজ খুঁজে নিতে, তবে গোল টা বাধে সেখানে যদি সেই এমপ্লয়ী বলে বসে সে যেখানে চাকরি করছিলো, সেই বাড়ি শুদ্ধ অন্য কোম্পানিতে চলে যাবে বা ওই বাড়ি তেই নিজের অন্য কোম্পানি খুলবে।

আরো গোল বাধবে যদি এবার সেই বাড়িতেই অতীতে সেই এমপ্লয়ী অন্য কাজ করছিলেন নতুন কোম্পানি ফর্ম হওয়ার আগেই।

যেমন ধরেন ইন্ডিয়া পোস্ট এ নিজের বাড়ি পোস্ট অফিস হিসেবে লিজে দেওয়াও যায় আবার একই সাথে সেখানে পোস্ট মাস্টার এর চাকরি ও করাও যায় ইন্ডিয়া পোস্ট এর কাছে মাস মাইতে তে।

এবার হটাৎ কোনো এক সকালে তিনি চাকরি ছাড়তে চাইলে সেই বাড়ির মালিকানা র হিসেবে কি দাঁড়ায় -?

Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

"এটা ঠিক যে কাশ্মীর এর লোকেদের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই ৩৭০ তুলে দেওয়া হয়েছে। উল্টোদিকে এটাও ঠিক যে গত ৭০ বছরে কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যান পাওয়া যায়নি। জাস্ট মোদী ভজনা বা মোদী ব্যাশিং এ না গিয়ে একটু টো টি পয়েন্ট আলোচনা এগোলে কেমন হয় ?"

অমিত যদি কিছু না মনে করেন তো বলি এই আলোচনার প্রেমাইসে ভুল আছে, বা ভুল অ্যাসাম্পসান নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। ৩৭০ ভুল না ঠিক সেটা কিন্তু গতো কয়েকদিনের ঘটনার বেসিস না। বেসিস হচ্ছে বিজেপির ম্যানিফেস্টোতে ৩৭০ তুলে দেওয়ার কথা ছিল, বিজেপি তুলে দিয়েছে। অন্য পার্টিরা ৩৭০ তোলার কথা বলেনি, তাই তারা তোলার চেষ্টাও করেনি। এটা যদি মেনে নেন তাহলে দেখবেন যে ৩৭০ তোলা হয়েছে আরেসেস/বিজেপির স্বার্থে, অন্যরা এটা চায়নি (কাশ্মীরীরাও না, অন্যরাও না)। এই যে দেবু বাবু বললেন ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট, তো এটুকু বলা যায় যে বিজেপির ইন্টারেস্ট আর ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট এক না। এই টই না অন্য কোথায় একটা লিখেছিলাম, এই ডিসিশানের ফলে বিজেপির ভোটে লাভ হবে, আর আরেসেসের হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রোজেক্ট আরেক ধাপ এগোবে।

অন্য একটা ব্যপার হলো, ৩৭০ তুলে দেওয়ার প্রসেসটা। এটা করা হলো কনস্টিটিউশান রিইন্টারপ্রেট করে - বলা হলো কাশ্মীরের কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি আর স্টেট অ্যাসেম্বলি এক। একটা স্টেবল ডেমোক্রেসি কি এভাবে কনস্টিটিউশান রিইন্টারপ্রেট করতে পারে? মানে এই যে প্রেসিডেন্স তৈরি হলো, এর পর তো যে কোন কিছুই নিজের মতো করে ইন্টারপ্রেট করা যাবে! এছাড়া একটা রাজ্যকে ইউনিয়ন টেরিটোরি বানিয়ে দেওয়া হলো, এটাও একটা অসাধারন প্রেসিডেন্স তৈরি করা হলো। ধরুন তামিল নাড়ুতে জল্লিকাট্টু নিয়ে খুব প্রতিবাদ হৈচৈ চলছে, তো সেখানে প্রেসিডেন্টস রুল ডিক্লেয়ার করে বলা হলো তামিল নাড়ুকে দুটো ইউনিয়ন টেরিটোরিতে ভাগ করে দেওয়া হবে। আমার মনে হয় এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

উহু ডিসি, হলো না। আর একবার পড়েন।

আমি কাশ্মীর কে লেখাতে আদৌ তুলিনি, ওটা আমার প্রশ্নই নয়। সবাই জানে মোদী শাহ এটা একটা মেজর পলিটিকাল চাল চেলেছে। ওদের ইলেকশন এজেন্ডা তে এটা ছিল, সেটা ইমপ্লিমেন্ট করে ব্রাউনি পয়েন্ট স্কোর করেছে। আর এটা এমন সাবজেক্ট , অপসিশন পুরো ছত্রখান হয়ে গেছে।

আর এটাও স্বীকার করা যাক , পুরো দুনিয়াতে যারাই জোর করে কোনো জায়গা দখল করে , তারা করার কাছে কোনো রকম জাস্টিফিকেশন দেয়না,বা পিছিয়ে আসে না যতক্ষণ একটা বড়ো সড়ো ইন্টারন্যাশনাল চাপের মুখে পড়ছে।

চীন তিব্বত দখল করে রেখেছে , কাউকে জুস্টটিফিকেশন দিয়েছে বা দিচ্ছে ? পাকিস্তান বেলুচিস্তান দখল করে রেখেছে, কাউকে দিচ্ছে ? রাশিয়া চেচনিয়া দখলে রেখেছে , কাওকে দিচ্ছে ? US জাপানে ওকিনাওয়া আইল্যান্ড এ বসে আছে , কাওকে দিচ্ছে ? UK ফকল্যান্ড এ বসে আছে, কাওকে দিচ্ছে ? স্পেন ক্যাটালোনিয়া কে দখলে রেখেছে , কাওকে দিচ্ছে ? চীনের পুলিশ হংকং প্রোটেস্টটার দের রোজ পেটাচ্ছে , রোজ মিডিয়াতে আসছে, চীনের কিছু কেশাগ্র উৎপাটন হয়েছে তাতে ?

এই যে ইন্ডিয়া নিজের মিলিটারি ইন্টারেস্ট না থাকলে কি আদৌ ১৯৭১ এ বাংলাদেশ এ নাক গলাত- ? কাশ্মীর আর বাংলাদেশ এর কেস স্টাডি র মধ্যে কতটা ডিফারেন্স বার্ডস eye ভিউ থেকে ?

US আফগানিস্তান এ বসে আছে , কার বাবার ক্ষমতা ওদের থেকে কৈফিয়ত চাইবে ? কুয়েত এ তেলের বদলে আপেল বা কলা বাগান থাকলে এখনো ইরাক ওখানে দিব্যি আরামসে বসে থাকতো, নেহাত তেলের জন্যে কেস গড়বড় হয়ে গেলো। ওসব জাস্টিফিকেশন টোন নিয়ে আমি আদৌ প্রশ্নই তুলিনি।

আমি জাস্ট কয়েকটা বেসিক প্রশ্ন তুলেছি, একটা ইডিয়াল ডেমোক্রাটিক মডেল এ রকম ডিভার্সিফায়েড কেস র পাথ ফরওয়ার্ড কি কি ভাবে হওয়া উচিত ?

বাস্তব দুনিয়াতে কি কি হচ্ছে, সেটা সবাই জানে , সেটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।
Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

কি হওয়া উচিত সে নিয়ে আমারও কোন উত্তর নেই, বা দিতে পারবো না। বেসিকালি কাশ্মীরে তিনটে পার্টি স্টেলমেট নিয়ে বসে আছে। চীন, ভারত, পাকিস্তান কেউই এগোতেও পারবে না, পেছোতেও পারবে না। আইডিয়ালি স্ট্যাটাস কুও বজায় রাখা উচিত ছিলো বলেই মনে হয়, আর ইন্ডিয়া যেটা করতে পারতো সেটা হলো চীনের সাথে লং টার্ম ট্রেড রিলেশান তৈরি করা যাতে সেটা দিয়ে কাশ্মীরে কিছুটা বার্গেন করা যেতো। এখ্ন তো সেই অপশানটাও গেলো।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

অরে ডিসি , আপনি দাদা সেই কাশ্মীরেই ফিরে এলেন।

আপনি তো ভালোই জানেন ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স বড়ো বিচিত্র জিনিস, কালকে কি হবে নস্ট্রাদামুস এর বাবা ও বলতে পারবে না। চীন ভারত এর রিলেসন কালকে কি দাঁড়াবে, চীন পাকিস্তান এর রিলেসন কি দাঁড়াবে , আমেরিকা রাশিয়া কোথায় কাঠি করবে, কে বলতে পারে ?

রাজনীতি যেমন চেঞ্জ হতে থাকবে, কাশ্মীর নিয়ে ওদের প্রায়োরিটি ও চেঞ্জ হতে থাকবে সময়ের সাথে সাথে। আপনি যা যা বলছেন, সবই তো প্রেডিকশন , হতেও পারে , নাও পারে। সবই ৫০ % ৫০-% প্রোবাবিলিটি।

আমার বেসিক প্রশ্নটা সেই রয়েই গেলো । কি করা উচিত এসব কেস এ ?

:( :(
Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

ওহো, এক্কেবারে আইডিয়ালি কি করা উচিত? এ তো সিম্পুল ব্যপার ঃ-) চীন আর পাকিস্তানের উচিত কাশ্মীরে নাক গলানো বন্ধ করা। আর তারপর তিনটে দেশ মিলে পুরো কাশ্মীরে একসাথে গণভোট করা উচিত। মানে ইন্ডিয়ার পোর্শানে, পাকিস্তানের পোর্শানে, আর চীনের পোর্শানে তিনটে জায়গাতেই একসাথে গণভোট। আর সেই ভোটের রায় যা হবে সেইমতো এগনো উচিত।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

ও হ্যা, লাস্ট এ যে বললেন স্টেটাস কুও রাখাই উচিত ছিল, তাহলে সেটা কত বছরের জন্যে- ?
Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

অন্তত আগামী বছর দশ কুড়ি। যদ্দিন না গ্লোবাল পলিটিক্সে বড়ো রকম কোন পরিবর্তন হয়।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

কি কান্ড দ্যাখেন, এতো সোজা , সিম্পুল সলুশন হাতের কাছেই, আর আমরা এদিকে ছড়িয়ে লাট করছি। শেম। :) :)

আমি কোনোদিন প্রধান মন্ত্রী হলে আপনাকে বিদেশমন্ত্রী করবোই , প্রমিস। :) :) (গুরুদেব বলে গ্যাছেন স্বপ্নে হালুয়া খেলে ঘি বেশি করে দিতে )

যাক গে, আজকের মতো প্রশ্ন ঢের হয়েছে। আবার সুযোগ পেলে প্রশ্ন তোলা যাবে খন। মায়াপাতা বড় ভালো জিনিস। ভারী ভারী সাবজেক্ট নিয়ে প্রশ্ন করা যায়, উত্তর না পেলেও খেতি নেই। ইন ফ্যাক্ট উত্তর পেলেও বা আমার কি আসবে যাবে আর ?

:) :)
Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

বিদেশমন্ত্রী করলে তো আর কথাই নেই, গোটা পাঁচেক বড়ো দেখে আইল্যান্ড আর গোটা দুয়েক ছোট দেখে দেশ কিনে ফেলবো।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

ভেবেছিলুম dc কে আর কাঠি করবো না, কিন্তু আমার ছ্যাঁচোড় স্বভাব যাবে কোথায় ? না করলে একটু পরে কেমন মনটা খাঁ খাঁ করে। তবে ওনার সাথে অন্য কেও সেচ্ছায় কাঠি খেতে চাইলে আমার কোন আপত্তি নাই। :) :)

তো ডিসি যে ইডিয়াল সলুশন দিলেন, কালকে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন আবার চেগে উঠলে সেখানেও গণভোট নেওয়া উচিত তো- ? নাকি জোর করে ওদের পব র সাথে ধরে রাখা উচিত -? নাকি "আমার সোনার বাংলা ভেঙে গেলো" বলে নাকি সুরে কান্না জোড়া হবে এখানে -? নাকি আবার সব কিছুর আলাদা আলাদা প্রেক্ষিত দেখানো হবে ?

আমাকে দুষবেন না আবার, সেই পার্ক সার্কাস এর ঘটনার পর থেকে দিদির আমলে কিন্তু প্রেক্ষিত একটা খুব দরকারি জিনিস।

নাকি ওখানেও স্টেটাস কুও চলুক। যদ্দিন না আশে পাশে রেজিম চেঞ্জ হচ্ছে বা ন্যাশনালি বা ইন্টারন্যাশনালি অনুকূল পরিস্থিতি হচ্ছে - ?

(এই অনুকূল কিন্তু সেই ছবিতে লুঙ্গি পড়া খালি গায়ে থাকা মাল টা নয় )।
Avatar: dc

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

এখানে দুইটা কথা আছে। একটা আইডিয়াল সলিউশান, আরেকটা প্র্যাক্টিকালি কি হচ্ছে। যদি প্র্যাক্টিকাল জানতে চান, তাহলে কোন কথা নাই। আর যদি আইডিয়াল জানতে চান তো আমি সবসময়েই গণভোটের পক্ষে। একটা জায়গায় যারা থাকে তাদের মতামত তো জানতে চাওয়াই যায়, তার জন্য গণভোট কেন নেওয়া হবে না? আর নানান ইস্যুতে অনেক সময়ে গণভোট তো নেওয়া হয়ও, যেমন ধরুন ব্রেক্সিট, বা তার কদিন আগে স্কটল্যান্ড (নাকি অন্য কোন ল্যান্ড) ব্রিটেনে থাকবে কিনা সেই ইস্যুতে গণভোট হয়ে গেল।
Avatar: S

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

বিজেপি যেভাবে বিহেভ করছে তাতে মনে হচ্ছে যে এটাই শেষ ইলেকশন বা বিজেপি ছাড়া আর কেউ কখনই ক্ষমতায় আসবেনা। কালকে কং ক্ষমতায় এসে উত্তর প্রদেশ ভাগ করে কতগুলো ইউটি বানালে বিজেপির কি প্রতিক্রিয়া হবে দেখবো। উত্তর প্রদেশে ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন সবসময়ই খারাপ, তাছাড়া গোবাহিনীরা রয়েইছে। ওখানে কং কোনওদিনই ভালো ফল করবেনা, উল্টে ইউটি বানালে বিজেপির অনেকগুলো সীট কমে যাবে। কিন্তু বিজেপি জানে যে বদমায়েশিটা ওরা করতে পারছে, সেটা কঙ করবেনা।

প্ল্যানটা খুবই স্পষ্ট।
১) ৩৭০(৩) অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের অর্ডারে ৩৭০ রদ করা হলো। নইলে ৩৫(এ) সড়ানো যেতো না।
২) লাদাখকে আলাদা করে সেখানে প্রচুর হিন্দুদের ঢোকানো হবে।
৩) জম্মুতে অলরেডি ৬৩% হিন্দু। সেখানে আরো হিন্দু বাড়বে।
৪) কাশ্মীরের মুসলিমদের কোনঠাসা করে হয় বর্ডারের ওপাশে চলে যেতে বলা হবে নইলে স্বাধীন কাশ্মীরের স্বপ্ন ভুলে জোড় করে অ্যাসিমিলেট করানো হবে। এর ফলে হিংসা আরো বাড়বে বই কমবে না।
৫) পুরো আইওকে হিন্দু প্রধান হয়ে গেলেই আবার পুরো রাজ্য এক করা হবে (অমিত শাহ অলরেডি হিন্ট দিয়েই রেখেছে)।
৬) প্লেবিসাইট করা হবে। সেখানে অবশ্যই ভারতের দিকেই ভোট পরবে।
৭) কাশ্মীরের ভারতভুক্তির কাজ সম্পন্ন হবে। মোদি-শাহ ক্রেডিট পাবে। বিজেপির ভোট বাড়বে বহুগুন।
৮) ভারতের আর কোনও রাজ্যই মুসলিম প্রধান থাকলো না। এইবারে সংবিধান থেকে ঐ সেকুলার কথাটা তুলে দিলেই চলে। অলরেডি বিজেপি নেতারা বলেই দিয়েছে যে কোনও দেশই নাকি সেকুলার থাকতেই পারেনা কখনও।
৯) এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের মাইনরিটিদেরকে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনে পরিণত করা হবে। অনেকেই ভয়ে এবং হতাশ হয়ে পাকিস্তানে/বাংলাদেশে/অন্য দেশে মুভ করে যাবে। বিজেপির কার্য সম্পন্ন হবে। এর পরের আরেসেসের প্রেসিডেন্টকে আমরা দেশের প্রেসিডেন্ট হিসাবে জানবো।

ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের নাম নিয়ে আরেসেস-বিজেপির ইন্টারেস্ট সার্ভড হচ্ছে।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

S যেটা লিখলেন, প্রতিটা পয়েন্ট এ সহমত। সমস্যা হলো ধরেন, এই প্রতিটা ইস্যু নিয়ে আজকে যদি গণভোট হয়, প্রতিটাতে বিজেপি থামপিং মেজরিটি তে জিতবে। ডেমোক্রেটিক মডেল এ আটকানো যাবে কি করে? যেখানে অপসিশন কে দূরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
Avatar: S

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

একদম। হিটলারের আমলেও জার্মানীতে নিস্চই আমাদের মতন কিছু লোকজন ছিলো যাঁরা জানতেন যে দেশের সব্বনাশ হচ্ছে, কিন্তু কিছুটি করতে পারেননি কারণ মেজরিটি তখন বিশ্বজয়ের স্বপ্নে বিভোর।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

সেটাই।
Avatar: Amit

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

আজকাল স্কুল কলেজের গ্রুপ এ যখন কথা হয়, রোজ ফ্রুস্ট্রেশন এসে যায় পুরো।

দেশটা পাল্টে গেছে ।
Avatar: S

Re: কাশ্মীর এবং সশক্ত-ভারত

গুচ ছাড়া আমার কোনও সোশাল মিডিয়া কেন সোশাল লাইফও নেই। অতেব।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 41 -- 60


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন