Saikat Bandyopadhyay RSS feed

Saikat Bandyopadhyayএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...
  • হাসিমারার হাটে
    অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির ...
  • দ্বিষো জহি
    বোধন হয়ে গেছে গতকাল। আজ ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ, সন্ধ্যাবেলায় আমন্ত্রণ ও অধিবাস। তবে আমবাঙালির মতো, আমারও এসব স্পেশিয়ালাইজড শিডিউল নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তেমন - ছেলেবেলা থেকে আমি বুঝি দুগ্গা এসে গেছে, খুব আনন্দ হবে - এটুকুই।তা এখানে সেই আকাশ আজ। গভীর নীল - ...
  • গান্ধিজির স্বরাজ
    আমার চোখে আধুনিক ভারতের যত সমস্যা তার সবকটির মূলেই দায়ী আছে ব্রিটিশ শাসন। উদাহরণ, হাতে গরম এন আর সি নিন, প্রাক ব্রিটিশ ভারতে এরকম কোনও ইস্যুই ভাবা যেতো না। কিম্বা হিন্দু-মুসলমান, জাতিভেদ, আর্থিক বৈষম্য, জনস্ফীতি, গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাব, শিক্ষার অভাব ...
  • সার্ধশতবর্ষে গান্ধী : একটি পুনর্মূল্যায়নের (অপ?) প্রয়াস
    [কথামুখ — প্রথমেই স্বীকার করে নেওয়া ভালো, আমার ইতিহাসের প্রথাগত পাঠ মাধ্যমিক অবধি। তবুও অ্যাকাডেমিক পরিসরের বাইরে নিছকই কৌতূহল থেকে গান্ধী বিষয়ক লেখাপত্তর পড়তে গিয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই অবিসংবাদী নেতাটি সম্পর্কে যে ধারণা লাভ করেছি আমি, তা আর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

Saikat Bandyopadhyay

আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে কী বীভৎস মজা চলছে, কাল তিস্তা শেতলবাদের লেখা ( https://www.telegraphindia.com/opinion/nrc-how-a-government-and-bureau
cracy-betrayed-its-people/cid/1694949
) পড়ে আরেকবার বোঝা গেল। তিস্তা লিখেছেন, এন-আর-সির কারণে ৫৮ জন শ্রমজীবি মানুষ মারা গেছেন আসামে। তার মধ্যে ২৮ জন হিন্দু, ২৭ জন মুসলমান, একজন বোড়ো, একজন গোর্খা, এবং একজন চা-উপজাতি।

সংখ্যার ঠিক-ভুল নয়, বীভৎস মজাটা এই বর্ণনাতেই। ধরুন ভারতের ফুটবল টিমে ১১র মধ্যে ৮ জনই বাঙালি। একজন রিপোর্টার দলের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, দলের ১ জন গোর্খা, ১ জন পাঞ্জাবি, একজন মনিপুরি, ৫ জন মুসলমান, ৬ জন হিন্দু। পড়ে আপনি নির্ঘাত বলবেন, এই রিপোর্টারটির মাথায় গোবর, অথবা কোনো গূঢ় উদ্দেশ্যে বাঙালিদের নাম চেপে যাচ্ছে।

তিস্তা অবিকল সেই একই কাজ করেছেন। এন-আর-সিতে ক্ষতিগ্রস্ত, আত্মহত্যাকারী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই হল বাঙালি। সেই শব্দটি তিনি উচ্চারণ করেননি। গোর্খা, বোড়ো হল দুটি জাতির নাম, এগুলি লিখলে বাঙালিও লিখতে হত। কিন্তু তিস্তা কিছু চেপে গেছেন, কেউ বলবেনা, কারণ, দুনিয়ার সবাই জানে 'প্রগতিশীল' ইঁদুর-বেড়াল খেলায় বাঙালি শব্দটি অস্পৃশ্য। সবাই জানে, যে, এন-আর-সি মূলত সরকারি উদ্যোগে বাঙালি-খেদাও হলেও, সেকথা বলা মহাপাপ। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শ্রমজীবি মানুষের দুর্গতি, জনজাতির কী খারাপ অবস্থা, এইসব বলে খুব রাজনৈতিক সঠিকত্বের সঙ্গে বলতে হবে নানা বর্গের মানুষ এতে আক্রান্ত। তার মধ্যে কিছু বঙ্গভাষীও আছেন। তিস্তাও তেমনই লিখেছেন। লাভ কী হল? এতে করে 'উদার' হওয়া গেল। এবং বাস্তবের দিকে পশ্চাদ্দেশ উঁচিয়ে বালিতে মুখ গুঁজে সুন্দরী উটপাখিটি হওয়া গেল।

এখানেই মজার শেষ নয়, আরও বড় মজা হচ্ছে, অসমীয়া জাতিসত্ত্বা নিয়ে কিন্তু এরকম কিছু অঘোষিত সেন্সরশিপ নেই। পুরো আসাম চুক্তিটাই অসমীয়া জাতিসত্ত্বাকে স্বীকৃতি দিতে বানানো। এবং অসমীয়া জাতিসত্ত্বা বিগত সত্তর বছর ধরে নাকি অস্তিত্বের সংকটে ভুগেই চলেছে, ভুগেই চলছে, মরমর অবস্থা প্রায় -- এও মোটামুটি প্রচন্ড রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃত ব্যাপার। অতি- উগ্র-জাতিয়তাবাদীরা সর্বত্রই একই রকম হিংস্র, আসামেও আলাদা কিছু হবার কথা নয়। কিন্তু আসামীত্ব সত্তর বছর ধরেই বিপন্ন এবং সেই কারণে উগ্র জাতিয়তাবাদীরা বাঙালি ঠেঙিয়েই চলেছেন, বঙাল-খেদা করেই চলেছেন, এবং সেই কারণেই বাঙালিত্ব শব্দটি বলতে জাত গেলেও উগ্র আসামীত্বকে আহারে তোমরা কী দুঃখী বলে চলতে হবে, সর্বভারতীয় স্তরে এই অঘোষিত বোঝাপড়া এন-আর-সির থেকেও বেশি অশ্লীল।

এখানেও মজার শেষ নয়। নেলি হত্যাকান্ড আসামের শুধু নয় গোটা ভারতবর্ষের ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড। সম্ভবত হাজার তিনেক লোক মারা যান। দিল্লির শিখ হত্যাকান্ডের সঙ্গে যা তুলনীয়। সেখানে কাদের মারা হয়েছিল? এতদিন জানতাম বাঙালি। এখন সেটাও ঘেঁটে দেওয়া হচ্ছে, দুশো মজার মধ্যে এই নিয়েও মজার শেষ নেই। কী কী মজা? একটি নয় অনেক। এবং গপ্পোটি একটু লম্বা। সবটা নতুনও নয়।

পুরোনো মজাটি এই, যে, নেলি হত্যাকান্ড ঘটিয়ে উগ্র অসমীয়া জাতিয়তাবাদ পুরষ্কার স্বরূপ পেয়েছিল আসাম চুক্তি। শিখ হত্যাকান্ডে দু-চাট্টি লোকের শাস্তি হয়েছিল, এখানে সব কেস তুলে নেওয়া হয়। সরকারি ভাবেই। তা যা হয়েছিল, হয়েছিল, নতুন যেটা, তা হল ইদানিং নেলি হত্যাকান্ডের বর্ণনা করে, প্রতিবাদ করে, বেদনাহত হয়ে কবিতা-টবিতা লেখাও আসামে কার্যত নিষিদ্ধ। মিঞা কবিতা নাম দিয়ে এই ধরণের কিছু কবিতা ইন্টারনেটে ছড়াচ্ছিল। এর ঐতিহ্যও কিছু আছে। সেসব লেখার জন্য কবিদের উপর এফ-আই-আর হয়েছে। ওসব আর চলবেনা। দাবী পরিষ্কার। মার-খাও-হজম-কর, লাথি-খাও-ডিটেনশন ক্যাম্পে যাও, বাঙালি হত্যা নিয়ে টুঁ শব্দটি কোরোনা। এই হল দর্শন।

এখানেই শেষ ভাববেননা। এরও পরের ধাপ আছে। নতুন মামার বাড়ির আব্দার এসে গেছে বাজারে, যে, মিঞারা বাঙালি নন, এঁদের লেখাকে বাংলা বলা যাবেনা। ইন্টারনেটেই এই মর্মে জ্বালাময়ী লেখা পড়লাম। রীতিমতো বাংলা ভাষায়, অথরিটি নিয়ে লেখা। গম্ভীর ভাবে বলা হচ্ছে 'মিঞা' একটি আলাদা ভাষা, একে বাংলা বললে খুব সংকীর্ণতা হয়ে যাবে, তদুপরি অসমীয়ারা রেগে গিয়ে আবার ঠ্যাঙাতে পারে।

এ কথা সত্য, অসমীয়ারা ঠ্যাঙাতে পারে বলেই সূর্য পশ্চিম দিকে ওঠে বলতে হবে কেন, সে আমি ঠিক বুঝিনি। তদুপরি আমি কদিন আগেও মিঞা কবিতা পড়িনি, প্রথমে ভেবেচিলাম, হবেও বা। কিন্তু 'প্রগতিশীল'দের এমনিই বিশ্বাস করা কঠিন বলে কয়েকটি জোগাড় করেও পড়লাম। পড়ে দেখি, যা সন্দেহ করেছি তাই। এ বস্তু পরিষ্কার বাংলা। প্রমিত বাংলা নয় ঠিকই, উপভাষা বললেও বলতে পারেন, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি বুঝতে পারছে, এবং তার পড়ে মনে হচ্ছে, এ পরিষ্কার বাংলা, বাংলা হতে গেলে এর চেয়ে বড় শংসাপত্র বোধহয় লাগেনা। এবং রাজনৈতিক সঠিকত্ব এখন এমন জায়গাতেই পৌঁছেছে যে বাংলাকে বাংলা বললেও সংকীর্ণতা হয়ে যাচ্ছে। এবং 'টিটকিরিকে টিটকিরি বোলোনা, এবার কিন্তু গায়ে হাত দেবে' ভঙ্গীতে সেটাকে জাস্টিফাইও করা হচ্ছে।

এখানেও, এমনকি এখানেও শেষ নয়। বললে বিশ্বাস করবেন না, স্রেফ কবিতা লেখাই যে বারণ তাইই নয়, এমনকি জনগণনায় বাঙালিকে বাংলাভাষী হিসেবে নথিভুক্ত করার ডাক দেওয়ায় কয়েকজন বাঙালির নামে সত্যি সত্যি এফ-আই-আর করা হয়েছে। অর্থাৎ দাবী খুব পরিষ্কার। আসামে বাঙালি খেদাও হবে দশকের পর দশক ধরে। হত্যাকান্ড হবে। কিন্তু সে নিয়ে কিছু বলা যাবেনা। বললে সংকীর্ণতা হয়ে যাবে। বরং আরও বাঙালি খেদানোর জন্য এন-আর-সি হবে, সোনা মুখ করে মেনে নিতে হবে। যেকটি বাঙালি আসামে এর পরেও টিকে যাবে, তাদের কাঁইমাই করা চলবেনা, বরং অসমীয়া হিসেবে নিজেদের নথিভুক্ত করতে হবে। নইলে আবার রামঠ্যাঙানি। হিসেব একদম পরিষ্কার। এবং বিগত সত্তর বছরের মতো এই নিয়েও সর্বভারতীয় নেতা ও দলরা চুপচাপ থাকবে। কারণ, বাঙালি শব্দটি উচ্চারণ করলে সংকীর্ণতা হয়ে যাবে।

বীভৎস রস ছাড়া এ আর অন্য কী?

285 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: dd

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

যুক্তিগুলো ভালো লাগলো।

মুসলমান কথাটা নিয়েও হিন্দু লেফট লিবেরেলেদের অমনই স্পর্শ কাতরতা আছে। এর আগে আরেক টইতে, অসমের সেন্সাসে আচমকা অহমিয়াভাষীদের সংখ্যা অলৌকিক ভাবে বেড়ে যাওয়ার কথায় প্রবন্ধকার ক্রমাগত "কারচুপি" কথাটা ব্যবহার করেন।

আমি বোধহয় পাঁচবার একই প্রশ্ন করি। অগত্যা উনি কবুল করে en masse মুসলিম বাঙালীরা নিজেদের মাতৃ ভাষা অহমিয়া ডিক্লেয়ার করায় এই ঘটনা ঘটেছিলো। ভয়ে অথবা লোভে বা এই দুটো কারনেই - বাঙালী মুসলমানেরা এই কীর্ত্তি করেছিলেন। কিন্তু সেটা পরিষ্কার করে লেখা যাবে না। যদিও সকলেই এই কান্ডটি জানেন।

আসলে কারচুপিটা ভাবের ঘরে।
Avatar: দ

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

এইখানে হয়ত স্লাইট অপ্রাসঙ্গিক, ২১শে জুলাইয়ের মমব্যান দেখলাম হিন্দিতে বক্তিমে দিচ্ছেন। কিন্তু ২১শে জুলাইয়ের শহীদেরা তো কেউ হিন্দিভাষী ছিলেন বলে জানি না, তাহলে হঠাৎ হিন্দিতে কেন? আর তিনোমুলের টিভি প্রতিনিধি গর্গেরই বা এই বিষয়ে কী বক্তব্য কে জানে! গর্গিয় বীরত্ব অবশ্য এমনিতে গরীব আর মধ্যবিত্ত শ্রমিক, ব্যবসায়ী আর চাকুরিজীবির উপরই দেখা যায়।

Avatar: রঞ্জন

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

কল্লোলের বন্ধু লুরুবাসী লেখক ও নাট্যপরিচালক নীলাঞ্জন চৌধুরির ইংরেজি ভাষায় লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস ( হার্পার কলিন্স প্রকাশন) শিলং ডেজ এ এই বাঙালী বিদ্বেষ এবং মব লিঞ্চিং এর বিশ্বস্ত ছবি ফুটেছে।
উনি ছোটবেলায় শিলঙয়েই বড় হয়েছেন।
Avatar: Du

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

আলি, কুলি, বঙ্গালি, নাক চেপেটা নেপালি। মারোয়ারি কুকুরর পোয়ালি, অসমর পরা উলাই যা। কাউকেই বাদ দেয়না। তবে বাঙ্গালিরা নিজভুমে পরবাসী করে দিতে পারে এই ভয়টা আছে, সংখ্যার জন্যই।
Avatar: রঞ্জন

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

কী অবস্থা! এই সঞ্চিত ঘৃণার উৎস? বা পটভূমি?
দূ লিখুন না বড় করে । মামাবাড়ি শিলচরে, কিন্তু এসব কিছুই জানতাম না ।
Avatar: Ekak

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা

মিঞা কবিতার ফেবু পেজে কবিতাগুলি পড়েছি আগে । কাব্যভাষা আলাদা কিন্তু লেখ্যভাষাটি বাংলা বলেই মনে হলো ।
Avatar: খ

Re: মিঞা কবিতা এবং আসামের বীভৎস মজা



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন