Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • দক্ষিণের কড়চা
    গরু বাগদির মর্মরহস্য➡️মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই ...
  • বাংলায় এনআরসি ?
    বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন ...
  • যান্ত্রিক বিপিন
    (১)বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। ...
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনঃ আদার ব্যাপারির জাহাজের খবর নেওয়া...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

ভারতের নির্বাচনে কে জিতল তা নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা খুব একটা মাথা না ঘামালেও পারি। আমাদের তেমন কিসছু আসে যায় না আসলে। মোদি সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ, অন্য দিকে কংগ্রেস বহু পুরানা বন্ধু আমাদের। কাজেই আমাদের অত চিন্তা না করলেও সমস্যা নেই খুব একটা। তবে যেহেতু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নির্বাচন, তিন দিক দিয়ে পরিবেষ্টিত আমরা যে দেশ দিয়ে তার নির্বাচন নিয়ে কেউ যদি একটু মাথা ঘামায়ও খুব একটা দোষ দেওয়া যাবে না মনে হয়।

এবার আমি একটু মাথা ঘামাই। বিজেপিকে সমর্থন দেওয়া কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে সম্ভব কী? এমন কী উন্নয়নের পাহাড় করে ফেললেও? উন্নয়ন দিয়ে উপকৃত হবে হয়ত ভারতের জনগণ কিন্তু আমরা যারা একটু দূর থেকে দেখছি তারা উন্নয়নের সাথে বিজেপির অন্য যে চেহারা দেখছি তা নিঃসন্দেহে ভীতিকর। ধর্মীয় উন্মাদনা গত পাঁচ বছরে ভারতের অবস্থা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে তা অকল্পনীয়। মানুষকে গরুর মাংস খাওয়ার জন্য মেরে ফেলা হয়েছে এই বিংশশতাব্দীতে, ভাবা যায় কোথায় দাঁড়িয়ে সমাজ? ধর্মীয় উন্মাদনা জিয়ায়ে রাখা, অল্প আঁচে গরম করে রাখা পরিস্থিতি, এই সব অবস্থা কোনদিনই ভাল কিছু, শুভ কিছু বয়ে আনবে না। আজকে পশ্চিমবঙ্গবাসী যে বিজেপিকে জায়গা করে দিল, এর মূল্য কী দিয়ে চুকাতে হয় তাই দেখার বিষয়। নির্বাচনের সময় শুধু বিদ্যাসাগর মাটিতে গড়াগড়ি খেয়েছে, তৈরি থাকা দরকার পশ্চিমবঙ্গবাসীর আর কে কে গড়াগড়ি খায় সামনে তা দেখার জন্য। বিজেপি এমন একটা দল, পুরো মেয়াদ সুস্থ স্বাভাবিক থাকলেও মানুষকে ‘কখন জানি কী হয়’ এই চাপ নিয়ে চলতে হবে! মোটামুটি ডিনামাইটের ওপরে ঘর সংসার করার মত পরিস্থিতি। উগ্রবাদীদের কারনে যারা প্রাণ হারিয়েছে তারা যে কবরের মাঝেও শিউড়ে উঠবে না তা কে বলতে পারছে? এই মেয়াদের আরও কতজনের রক্ত ঝরবে শুধু মাত্র ধর্মীয় উন্মাদনায় তার কোন হিসেব থাকবে কী? রক্তের গঙ্গা বইয়ে দেওয়াওর ইতিহাস তো এই দলের আছেই। ম্যাজিক মোদীর হাতই কতটুকু পরিষ্কার? ইতিহাস তো কথা কয়!

আপাত বাংলাদেশের মূল আশঙ্কার জায়গা হচ্ছে আসামের জনগণনা। মোদি সরকার এবার কোন পথে হাঁটে তা গভীর ভাবে দেখার আছে আমাদের। ৪০ লাখ মানুষকে হুট করে ঠিকানা বিহীন করে দেওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ আমাদের জন্য শঙ্কট তৈরি করতে পারে। খুব ভাল সম্পর্ক দিয়ে পানি খাব না আমরা যদি পুশ ব্যাক করতে চায় বিজেপির উগ্রবাদীরা। বাংলাদেশের জন্য মহা দুশ্চিন্তার কারন হতে পারে সামনের বিজেপির মেয়াদ শুধু মাত্র এই ইস্যুতে।

লাভের লাভ হতে পারে তিস্তা পানি চুক্তির বিষয়ে আমরা এবার হয়ত ভাল কিছু আশা করতে পারব।মোদি সরকার গত মেয়াদে যে ভাবে ছিটমহল সমস্যার সমাধানে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল তাতে আমরা আশা করতেই পারি এবারও ভাল কিছু থাকবে আমাদের জন্য। তিস্তা পানি চুক্তি, সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করা, অন্যান্য যে পানি চুক্তি গুলো আছে তার সঠিক বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গা সমস্যায় আমাদের পাসে থাকাসহ অন্য সব নানা বিষয়ে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে মোদি সরকার আমাদের পাসে থাকবে।

ভারতবাসীদের জন্য শুভ কামনা। ভোট দিয়ে এমন দলকে ক্ষমতায় এনেছেন আপনারা যে এবার আর যাই হোক বিজ্ঞানের অগ্র যাত্রা আর কেউ রুখতে পারবে না। ভারতের বিজ্ঞান চর্চা আর বিজ্ঞানের শৈন শৈন উন্নতি দেখতে পাচ্ছি দিব্য দৃষ্টিতে। গোমাতার জয় জয়কার অবশ্যম্ভাবী হলেও মাতার সন্তানের বেলায় কিছুই পাকা বলা যাচ্ছে না…

241 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন