সম্বিৎ RSS feed
বাচালের স্বগতোক্তি

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • লে. জে. হু. মু. এরশাদ
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা অধ্যায় শেষ হল। এমন একটা চরিত্রও যে দেশের রাজনীতিতে এত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল ছিল, এ এক বিরল ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধ না করে কোন সামরিক অফিসার বাড়িতে ঘাপটি মেরে বসে ছিলেন ...
  • বেড়ানো দেশের গল্প
    তোমার নাম, আমার নামঃ ভিয়েতনাম, ভিয়েতনাম --------------------...
  • সুভাষ মুখোপাধ্যায় : সৌন্দর্যের নতুন নন্দন ও বামপন্থার দর্শন
    ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পদাতিক’। এর এক বিখ্যাত কবিতার প্রথম পংক্তিটি ছিল – “কমরেড আজ নবযুগ আনবে না ?” তার আগেই গোটা পৃথিবীতে কবিতার এক বাঁকবদল হয়েছে, বদলে গেছে বাংলা কবিতাও।মূলত বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে সভ্যতার ...
  • মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র ভুবন
    মৃণাল সেনের জন্ম ১৯২৩ সালের ১৪ মে, পূর্ববঙ্গে। কৈশোর কাটিয়ে চলে আসেন কোলকাতায়। স্কটিশ চার্চ কলেজ ও কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশুনো করেন। বামপন্থী রাজনীতির সাথে বরাবর জড়িয়ে থেকেছেন, অবশ্য কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ...
  • অলোক রায় এবং আমাদের নবজাগরণ চর্চা
    সম্প্রতি চলে গেলেন বাংলার সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক অলোক রায়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শেষ দিক থেকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ছয় দশক জুড়ে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিভিন্ন দিক নিয়ে লেখালেখি করেছেন। এর মধ্যে বাংলা ...
  • দুই ক্রিকেটার
    ক্রিকেট মানেই যুদ্ধু। আর যুদ্ধু বলতে মনে পড়ে ষাটের দশক। এদিকে চীন, ওদিকে পাকিস্তান। কিন্তু মন পড়ে ক্রিকেট মাঠে।১৯৬৬ সাল হবে। পাকিস্তানের গোটা দুয়েক ব্যাটেলিয়ন একা কচুকাটা করে একই সঙ্গে দুটো পরমবীর চক্র পেয়ে কলকাতায় ফিরেছি। সে চক্রদুটো অবশ্য আর নেই। পাড়ার ...
  • চিন্তা
    :আচ্ছা লাবণ্য তুমি কি করো?আমি গম্ভীর গলায় জবাব দিলাম, আমি চিন্তা করি।:কি চিন্তা করো?-অনেক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা করি। দেশের সব লেটেস্ট নিউজগুলো তো আমাকেই সবার আগে আগে ফেসবুকে আপডেট দিতে হয়! সেখান থেকে শেয়ার হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।সদ্য বিসিএস ক্যাডার হ‌ওয়া ...
  • নিশুতিরাতে পাহাড়ে প্রলয়
    ২০১৭ সালের ১২-১৩ জুন রাতে শুরু হয় একের পর এক পাহাড় ধসের যজ্ঞ। এক সঙ্গে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ব্যপক হতাহতের খবর চমকে ওঠে দেশ। এরমধ্যে রাঙামাটিই সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতি বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বিপন্ন, লণ্ডভণ্ড ...
  • জানতো যদি হাছন রাজায়: একটি স্থির চিত্র
    বারো-তেরো বছর বয়স হবে তখন। বাবার সঙ্গে শরৎকালে যাচ্ছিলুম আমাদের দ্যাশের বাড়ি। থার্টি আপ নামক ট্রেনটি, এখন যার নাম কুর্লা এক্সপ্রেস, টাটানগর থেকে হাওড়া যেতে সব স্টেশনে দাঁড়াতো।প্যাসেঞ্জারে...
  • বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ
    পোস্ট মডার্ণ বা উত্তর আধুনিককে বিদ্বজ্জনেরা সংক্ষেপে পোমো বলে থাকেন। অর্থাৎ পোমো কবিতা হল উত্তর আধুনিক কবিতা। সাহিত্যে, বিশেষতঃ বাংলা সাহিত্যে এই কবিতার এক অসামান্য অবদান রয়েছে – সেই নিয়েই আমাদের আজকের বিদগ্ধ আলোচনা। যারা বুদ্ধিজীবি নন বা এখনো সম্পূর্ণ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

করবেটের ইন্ডিয়া

ন্যাড়া

ছেলেবেলার কোন ইচ্ছে বড়বেলায় পূর্ণ হলে অনেক সময়েই তার স্বাদ খুব মুখরোচক হয়না। ছেলেবেলা থেকে ক্যাভিয়ারের নাম শুনে বড়বেলায় বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ে যখন খেতে পেলাম, তখন মনে হল, "এ বাবা, এই ক্যাভিয়ার!" সবারই বোধহয় এরকম কোন-না-কোন অভিজ্ঞতা আছে। আকাঙ্খা আর পরিপূর্ণতার তফাত যোজনখানেক। এর উল্টো অভিজ্ঞতা বরং কম হয়। মানে যেখানে অভিজ্ঞতা আকাঙ্খাকে শুধু মিটিয়েছে তাইই নয়, তার ওপরে কিছু ফাউও দিয়েছে। এরকম একটা উল্টো অভিজ্ঞতা আমার জিম করবেট পড়া।


ছেলেবেলায় বাড়িতে সত্যজিতের বহু-আলোচিত প্রচ্ছদওলা 'কুমায়নের মানুষখেকো বাঘ" ছিল। মহাশ্বেতা দেবীর অনুবাদ। কিন্তু যখন পড়ার মতন মন হল, সে বই বাড়ি থেকে উধাও হয়েছে। পরের দীর্ঘ সময়ে মনে হয়েছে জিম করবেট পড়তে হবে, কিন্তু জোগাড় আর করে ওঠা হয়নি। হায়ার সেকেন্ডারিতে পাঠ্যে অবশ্য "কুঁয়ার সিং" নামের একটা মাঝারি পিস ছিল। ব্যস, আমার করবেট ফিরিস্তি কমপ্লিট। তিন বছরের জন্যে দেশে ফিরেছিলাম যখন, তখন আমার চল্লিশ পেরিয়েছে, ফ্লিপকার্টে দেখলাম দু-খন্ডে জিম করবেট অমনিবাস পাওয়া যাচ্ছে। অক্সফোর্ডের পাবলিকেশন। কিনে ফেললাম। কী যে আনন্দ করে পড়েছিলাম সে আর কী বলব। কৈশোরে রাতজেগে ব্যোমকেশ বা অরিজিনাল হোমস পড়ার মতন উত্তেজনায়। গেল ন বছরে এ দুই বইয়ের এ' মাথা ও' মাথা পড়েছি তিনবার। আর খামচে খামচে অসংখ্যবার। কী অসম্ভব ভাল লেখা, যারা মূল ইংরিজি না পড়েছেন তারা বুঝবেন না।


করবেটের শিকার কাহিনী তো শিকার কাহিনী নয়, জঙ্গলের ভালবাসার গল্প। কুমায়ুনের ল্যান্ডস্কেপ, শুঁড়িপথ, গাছগাছালি, পশুপাখী যেন চোখে দেখা যায়, ঝোরার শব্দ কানে শোনা যায়। প্রকৃতির প্রতি কী পরম মমতা, ছত্রে ছত্রে তার অনুভব। অথচ কোথাও সোচ্চারে বলা নেই, "এই দেখ, আমি কীরকম প্রকৃতিপ্রেমী!"


দু' খন্ডের খানছয়েক বইয়ের মধ্যে যদি একটা বই বাছতে হয়, তাহলে খুবই সমস্যায় পড়তে হবে। অনেক ভেবেচিন্তে, নোখ-টোখ খুঁটে শেষ পর্যন্ত আমি হয়ত বাছব ওনার "মাই ইন্ডিয়া" বইটা। শিকারের গল্প নয়, মানুষের গল্প। দুখিনী ভারতের গরীব মানুষের গল্প। তার মধ্যে বিশেষ করে আমার প্রিয় 'লয়্যালটি' নামের গল্প।


একুশ বছরের ছোকরা করবেট গেলেন পাটনার কাছে মোকামা ঘাটে রেলের কুলি চরনোর কাজ নিয়ে। চাকরি নয়। ফুরনের কাজ, মানে কনট্র্যাক্ট। অল্পদিনের মধ্যে বারোজন সর্দারের অধীনে প্রায় পৌনে দুশোজনের কর্মীদল তৈরিও করে ফেললেন। কাজ শুরু করে অচিরেই প্রচুর সাফল্য। কিন্তু গোলমাল বাঁধল অন্যত্র। তিনমাস হতে চলল, অথচ রেলওয়ের ব্যুরোক্রেসির চক্করে হেডঅফিস থেকে টাকা আর আসে না। করবেটের সামান্য সঞ্চয় ফুরিয়ে গেছে। টাকা না পেয়েও কুলিরা উদয়াস্ত কাজ করে যাচ্ছে। কুলিদের থেকেও বেশি কাজ করছেন করবেট। দিনে চার ঘন্টার বেশি ঘুমোতে পারেন না। এমনই এক সময়ে, এক দিন, এপ্রিলের গরমে, আঁধিতে সারাদিনের অমানুষিক পরিশ্রমের পরে সন্ধ্যেবেলা দিনের প্রথম খাওয়া খেতে বসেছেন করবেট। ভৃত্য খাবার সাজাচ্ছে, এমন সময়ে মিছিল করে করবেটের ঘরে ঢুকে এল বারোজন সর্দার। সাহেব খেতে বসেছে দেখে ভারতীয় সৌজন্যে (আমার নয়, করবেটের কথা) তারা ঘর থেকে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে বাইরে অপেক্ষা করতে লাগল, সাহেবের খাওয়া কখন শেষ হয়। করবেট খেতে খেতে শুনছেন বাইরে সর্দারদের সঙ্গে তাঁর ভৃত্যর কথোপকথন -


সর্দার । সাহেবের সামনে থালায় কী খাবার দিলে?
ভৃত্য । একটা চাপাটি আর অল্প ডাল।
সর্দার । শুধু একটা চাপাটি আর অল্প ডাল কেন?
ভৃত্য । আর খাবার কেনার পয়সা নেই।
সর্দার । সাহেব আর কী খায়?
ভৃত্য । আর কিছু নয়।


তারপরে নৈঃশব্দ। কিছুক্ষণ পরে বয়োজ্যেষ্ঠ সর্দারের গলা পাওয়া গেল। অন্য সর্দারদের বলছে, "তোমরা ঘরে যাও। আমি সাহেবের সঙ্গে কথা বলছি।" করবেটের খাওয়া শেষ হলে সর্দার ঘরে ঢোকে। বলে, "সাহেব, আমরা বলতে এসেছিলাম এই ভুখা শরীরে আর কাজ করা যাচ্ছে না। কাল থেকে কাজ বন্ধ। কিন্তু এসে দেখলাম তোমার অবস্থাও আমাদেরই মতন। তাই কাজ আমরা থামাব না। শরীর যতক্ষণ দেবে, কাজ করে যাব। তুমি খালি দেখ মজুরির ব্যবস্থা করতে পার কিনা।"


সেই রাতেই করবেট গেলেন টেলিগ্রাফ অফিসে। গোরখপুরের হেড অফিসে তার করলেন যে পয়সা না পেলে আগামীকাল দুপুর থেকে কাজ বন্ধ। পরেরদিনই খবর এল, টাকা আসছে। আর তারও পরেরদিন পুলিশ পাহারায় এসে পৌঁছল বারো হাজার টাকা - কুলিদের মজুরী আর সাড়ে চারশো টাকা, করবেটের দক্ষিণা। করবেট এই বলে লেখা শেষ করছেন -


কাজেই আসুক বা আনন্দ করতে, ভারতে আগমনকারীদের কেউই কখ্নও সত্যিকারের ভারতবাসীর সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায়না - যে ভারতবাসীর বিশ্বস্ততা আর একনিষ্ঠতার ওপর ভর করে মাত্র গুটিকয়েক মানুষের পক্ষে এই লাখ-লাখ মানুষের উপমহাদেশ শাসন করা সম্ভব হয়েছিল। সেটা প্রশাসনের পক্ষে হিতকর হয়েছিল না যে ভারতীয়দের সঙ্গে আমি পাঠকদের পরিচয় করালাম, তাদের পক্ষে, তা' নির্ণয় করার ভার আমি পক্ষপাতশূন্য ঐতিহাসিকদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।


(Those who visit India for pleasure or profit never come in contact with the real Indian - the Indian whose loyalty and devotion alone made it possible for a handful of men to administer, for close on two hundred years, a vast subcontinent with its teeming millions. To impartial historians I will leave the task of recording whether or not that administration was beneficial to those to whom I have introduced you, the poor of my India.)

1121 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 1 -- 20
Avatar: দ

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

আহা করবেট সাহেব যেকি ভীষণ প্রিয় সে আর কি বলব! আমি ছোটবেলায় লাইব্রেরি থেকে আনা কুমায়ুনের মানুষখেকো, রুদ্রপ্রয়াগের চিতা, করবেট অমনিবাস সবই বাংলায় পড়েছি। বড় হয়ে পড়েছি ইঙরিজিতে। আপনার সাথে এখানে পছন্দ মিলে গেল। 'মাই ইন্দিয়া' অসম্ভব প্রিয় বই। পাতলা একটা বই কি অসম্ভব শক্তিশালী লেখা!

Avatar: pi

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

ভাল লাগল। আমিও ছোটবেলায় করবেট গোগ্রসে গিলতাম!
Avatar: b

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

আমার একটা ছবি মনে আসে বারবার। কেনিয়ার দারুণ গ্রীষ্মে ট্রি টপস হোটেলে বসে করবেট লিখে চলেছেন এই সব কথা, এই সব কুমায়ুন,রুদ্রপ্রয়াগ, মোকামা ঘাট, নৈনিতাল, কালাধুঙ্গির কথা, চামারি, কুঁয়ার সিঙ আর ইবটসনের কথা। যে ভারতে কোনদিন তাঁর ফেরা হবে না।
এও কি উদ্বাস্তু সাহিত্য নয়?

Avatar: aranya

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

ন্যাড়ার এই লেখাটাও খুবই আনন্দ করে পড়লাম।

করবেট সবই বাংলা অনুবাদে, মূল লেখা পড়তে হবেক
Avatar: সিংগল k

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

জানেন তো, ঠাকুর কয়ে গিয়েছিলেন যে অবতারত্বের একটা লক্ষণ হল অবতার জড়বত্ হবেন। কি, না গায়ে মাথায় পাখি নির্ভয়ে বসবে।
করবেট সায়েবের এই লক্ষণটি বিলক্ষণ ছিল। এমনকি কেনিয়ার পাখিরাও কি করে যেন জেনে গিয়েছিল সেকথা, ভারত থেকে নির্বাসন নিয়ে সেদেশে যাবার পরে সেখানকার পাখিরাও নির্ভয়ে তাঁর গায়ে মাথায় চরে বেড়াত। না না, খাবার টাবার দিয়ে সেধে আনতে হত না। এম্নি এম্নি বসত।
মোকামাঘাটে কাজের সময় সাদা সাধু হিসেবে তাঁর কিঞ্চিত্ খ্যাতিও ছড়িয়েছিল।
তবে যাই বলুন করবেট সায়েবের মত অত খাঁটি ভারতীয় আর আমি দুটি খুঁজে পাই নি। মানুষকে এতটা ভালবাসতে পারা লোক খুব একটা বেশী নেই। করবেট (কি ইংরাজী, কি বাংলা) পড়তে গেলে আমার তো চোখে জল চলে আসে। আপনাদেরও আসে কিনা জানিনা। শুধু মানুষকে ভালবাসার কথাই বা বলব কেন! বাঘেদের হয়ে সাফাই আর কটা শিকারীকেই বা গাইতে শুনেছেন? আর নিজের কুকুর রবিনের কথা তো ছেড়েই দিলাম।
দুটি লোক ভারতের হিউম্যানিটির অ্যাম্বাসেডর হবার ক্ষমতা রাখেন। এক- জিম করবেট ও দুই - বিমল মুখার্জ্জী (গ্লোবট্রটার)।
Avatar: AD

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

পরবর্তী কালে বুদ্ধদেব গুহ রোড লেখায় ওই অনুভূতি খানিকটা এসেছে
Avatar: AD

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

রোড=র
Avatar: b

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

.005* করবেট+.5 অকারণ জ্ঞান দান+.25*ঝরণায় স্নানের রেফারেন্স=১ বু গু

এরে কয় প্রিন্সিপাল কম্পোনেন্ট অ্যানালিসিস।
Avatar: দ

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

হাহাহাহাহাহা
আর নিজের ঢাক নিজে পেটান পার্টটাও বাদ দেওয়া ঠিক হবে না।
Avatar: সৈকত

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

নৈনিতালের লেকটা থেকে একটু দূরে, ওপর দিকে উঠে, জিম করবেটের বাড়ীটা এখনও আছে। ক'বছর আগে যখন নৈনিতাল গেলাম, ট্যাক্সিড্রাইভারকে নির্দেশ দিয়ে আমিই নিয়ে গেছিলাম মনে আছে। সে করবেটের নাম শোনেনি, স্থানীয় লোক হলে, হয়ত শুনেও থাকতে পারত। 'গার্নী হাউস' নামে বাড়ীটাতে করবেট থাকতেন ১৯৪৭ অবধি, তারপর হাত বদল হয়। এখন প্রাইভেট প্রপার্টি, তবে ভেতরে ঢোকা যায় আগে থেকে ফোন করে গেলে, হয়ত জিনিসপত্র কিছু আছে সেখানে, মিউজিয়মমাফিক। নিশ্চিত নয় যে এই বাড়ীটাতেই করবেট ছোটবেলা থেকে থাকতেন কিনা কিংবা তার পরিবারও এখানেও থাকত কিনা, লেখাগুলো আবার পড়লে বোঝা যাবে। মনে হয় থাকতেন ছোট থেকে, গরমের সময়টা অন্তত। শীত পড়লে আরো নীচের দিকে 'কালা পাত্থার' নামে জায়্গায় আর একটা বাড়ীতে পরিবারসুদ্ধ চলে যেতেন, করবেটের লেখায় এরকম উল্লেখ আছে মনে হয়।

বলা হয়, করবেট যখন এই বাড়ীটায় থাকতেন, প্রতিদিনই একটু হেঁটে লেকের ধারে বইয়ের দোকানটায় - 'নারায়ণ`স বুকশপ' - সেখানে গল্প করতে আসতেন, সন্ধ্যে হলে ফিরে যেতেন। এই বইয়ের দোকানটারও একটা ভালমত অতীত আছে, এখন যে দোকানটা সেটা নৈনিতালের সবচেয়ে পুরোনো বইয়ের দোকান, তৈরী হয়েছিল ১৯২৯-এ। কিন্তু তারও আগে থেকে ঐখানেই একটি দোকান ছিল, দৈনন্দিন প্রয়োজনের জিনিসের সাথে কাগজপত্রও পাওয়া যেত, পরে বইয়ের দোকানে পরিণত হয়, এরকমই আমি পড়েছিলাম। তো এই দোকানটি থেকেই আমি জিম করবেটের কিছু বই কিনি, শিকার কাহিনি আর অমনিবাসের খন্ডটা যেটায় 'মাই ইন্ডিয়া' বইটা আছে। করবেটের সব লেখাগুলো পড়লে এটাই মনে হয়, যে লেখাগুলো শুধুই শিকার কাহিনি যা নিছকই স্পোর্ট সেরকম অবশ্যই নয়। ন্যাড়াবাবু যেমন লিখেছেন, আদ্যন্ত মানুষের গল্প এইসব লেখাগুলো। ছোট থেকে ঐ জায়্গায় বড় হওয়ার সুবাদেই, ঐ বয়স থেকেই জঙ্গলে ঘোরাঘুরির জন্য বন্যপ্রাণের খুব কাছাকাছি ঐসব লেখাগুলো আর স্থানীয় মানুষজন টায়েটোয়ে ফুটে উঠেছে তাদের বিশ্বাস, মতামত সবসুদ্ধ নিয়ে। এঁদের সাথে জিম করবেট খুব ভালভাবেই জড়িয়ে ছিলেন বলেই, 'কার্পিট সাহেব' বলতে ঐসব লোকজন আপ্লুত হয়ে পড়তেন, অনেক পরে,যখন বিবিসি (?) থেকে তথ্যচিত্র করতে গেছে যখন অন্য লোকের, তখনও। এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ঘটনাগুলো, বইয়ের শেষের ম্যাপগুলো দেখলে দেখা যায়, মোটামুটি আজকের দিনের কুমায়ুন-গাড়োয়াল অঞ্চলের টুরিস্ট স্পটগুলোতে জিম করবেট কমবেশী হেঁটে বেড়িয়েছেন।

লোকজনের মধ্যে এই যাওয়ার ব্যাপারটা এলে, মোটামুটি ঐ সময়ের আর একজনের কথাও মনে হয়, তিনিও সাহেব। ভেরিয়ার এলুইন, নৃতাত্ত্বিক, মধ্য ভারত আর পুর্ব ভারতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন আদিবাসী আর উপজাতিদের মধ্যে। নৃতাত্ত্বিক বলেই অন্য আনেক বিষয় এসেছে এলুইনের লেইখাগুলিতে। (এটা হয়ত আপতিক নয় যে মহাশ্বেতা দেবী এই দুজনের লেখাই অনুবাদ করেছিলেন আর লিখেওছিলেন যে জঙ্গল চিনেছিলেন করবেটের লেখা পড়েই !!)

মনে আছে, আরও একটা বই পেয়েছিলাম নারায়ণ`স থেকে - ম্যান ইটার্স অফ ত্সাভো। বইটা পড়ে বুঝেছিলাম, বিভূতিবাবুর চাঁদের পাহাড়ে যার যে ঘটনার কাল্পনিক বিবরণ, শঙ্করের ঘরের দরজায় সিংহের হুঙ্কার, সেই ঘটনার বাস্তব বিবরণ বইটি। আফ্রিকায় রেল লাইন পাতার কাজে শঙ্কর যখন যূক্ত হয়েছিল, সেই কাজের সময়ে দুটি সিংহের কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছিল কাজের সাথে যুক্ত লোকেরা, কাজ বন্ধ হয় এবং বেশ কিছু শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। শেষ পর্যন্ত সিংহদুটি মারা পড়ে এই বইটির লেখক, জন হেনরী প্যাটারসনের বন্দুকের গুলিতে। এই বইটি তারই বিবরণ, লেখকের আফ্রিকায় আগমনের সময় থেকে। ঐ দোকানটিতে না ঢুকলে হয় এই বইটির কথা আমার অজানাই থাকত। বইটি আকর্ষণীয়।


Avatar: i

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

ম্যান ইটার্স অফ ত্সাভো র কথা একটা সিনেমা দেখে জেনেছিলাম-গোস্ট অ্যান্ড দ্য ডার্কনেস।
Avatar: b

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

কালাপাথ্থর নয়, কালাঢুঙ্গি। গার্নি হাউসেই করবেটদের আদি নিবাস।
ম্যান ইটার্স অফ ৎসোভো থেকেই সেই বিখ্যাত সিনেমাঃ দ্য ঘোস্ট অ্যান্ড দ্য ডার্কনেস। বইটা অনলাইনেও আছে। পড়লে বোঝা যায়, কোথায় করবেটের সাথে অন্য শিকারীর তফাৎ। অন্যদের কাছে শিকার শুধুই একটা ট্রফি, তার চেয়ে বেশি কিছু নয়, অথবা একটা কঠিন টেকনলজিক্যাল সমস্যার সমাধান। করবেট, যাঁর দেখা বাঘেদের মতো তিনিও এক large hearted gentleman with boundless courage, লিখবেন
"The shooting of a man eater gives one a feeling of satisfaction. Satisfaction at having a job done that badly needed doing. Satisfaction at having outmanouvered, on his own ground, a very worthy antagonist. And, the greatest satisfaction of all, at having made a small portion of earth safe for a brave little girl to walk on."
(The Muktesar Man Eater)
Avatar: খ

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

আমার কাছে একেবারে ছোটোবেলায় কয়েকটা বই য়ের মধ্যে ঐ বর্ন ফ্রি, দেব সাহিত্য কুটির এর কি একটা যেন রোমাঞ্চ কর শিকার কাহিনী ইত্যাদি, জেরাল্ড ডারেল এর কি একটা যেন এসব ছিল। আর জেন গুডল এর ছবি লেখা সহ ন্যাশনাল জিওগ্রাফি পড়া র অভ্যেস ছিল লাইব্রেরী তে গিয়ে। তো একদিন হঠাৎঅ বাবার মাথায় ঢোকে , ছেলের শিক্ষায় অসংগতি থাকছে। কোন একটা নববর্ষে আমি মহাশ্বেতার মাই ইন্ডিয়া অনুবাদ আর আর্জান সর্দার বোধ হয় উপহার পাই। সেই সব কথা মনে পড়ে গেল। বাবা এখন বছর কয়েক হল,প্র্যাক্টিকালি জীবিত মাত্র, বছর চল্লিশেক আগেকার কথা, এটা যে আমার মনে ছিল সেটাই আমার মনে ছিল না ঃ-))) থ্যাংক্স ন্যাড়া/সৈকত/সিংগল কে/বি। বুদ্ধ দেব গুহ ঃ-)))))))))))))
Avatar: সৈকত

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

b আর i -কে,

হ্যাঁ, ওটা কালাঢুঙ্গী। আর সিনেমাটা, মনে পড়ল, হ্ঠাৎ করে ক'মাস আগে টিভিতে কোন চ্যানেলে দেখেছিলাম, পুরোটা নয়। ওম পুরি ছিলেন একটা চরিত্রে, রেল শ্রমিকদের নেতা মনে হয়।

করবেটকে নিয়ে লিখতে গিয়ে মনে হচ্ছিল, কিপলিঙ-এর কথাও। দুজনের দেখা হয়নি, হলে হয়ত দুজনেই ভারত দেশটাকে নিয়ে কথা বলে কাটিয়ে দিতেন কারণ দুজনেই অনেকটাই কাছ থেকে ভারতবর্ষকে দেখেছিলেন, সাধারণ মানুষের দেশটা। যদিও কিপলিঙের একটা সিমলা পর্ব ছিল, সমালোচিতও হয়েছেন 'হোয়াইট'স ম্যানস বার্ডেন ' লেখার পরে কলোনিয়ালিস্ট বলে, যদিও পরে এলিয়ট সাহেব কিপলিঙের কবিতা সম্পাদনা করার সময়ে সেরকম কিছু পাননি, 'জাঙ্গল বুক'-এর একটা ক্রিটিসিজম আছে যে মোগলি(মানুষ)/জঙ্গলের পশু, এই দ্বৈতটা মূলতঃ সাদা মানুষ/নেটিভদের সম্পর্ক যেখানে মোগলি জঙ্গলেই থাকে কিন্তু সে সেখানকার অধিবাসীদের থেকে ওপরে - তো এসব মিলিয়ে কিপলিঙ হয়ত করবেটের ঢের কম 'ভারতীয়' যদিও জন্ম এখানেই, মাঝে লন্ডন হয়ে আবার কৈশোরে বোম্বে ফিরে আসা, পুরোনো বম্বেকে পেয়ে আনন্দিত হওয়া, পরবর্তী বেশ কয়েক বছর ভারতেই থাকা, মূলতঃ উত্তর ভারতেই।

তো, এসব কথা এইজন্যই লেখা কারণ কিপলিঙ বললেই আমার কিম উপন্যাসটির কথা মনে হয়। ইংরেজ আর রাশিয়ানদের মধ্যে উনিশ শতকের শেষের দিক থেকে তৈরী হওয়া 'গ্রেট গেম' - আফগানিস্তান অঞ্চলের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে- যার মধ্যে গরীব ইংরেজ দম্পতির সন্তান, অনাথ, রাস্তায় বেড়ে ওঠা কিমের জড়িয়ে পড়া, এইসব কিছু নিয়ে উপন্যাসটি ছড়িয়ে আছে তখনকার উত্তর ভারতেই, লাহোর-আম্বালা-সাহারাণপুর-নাকলো(লক্ষ্ণৌ)-বেনারস-সিমলা-মুসৌরি পেরিয়ে আরও উত্তরে চলে যাওয়া, ছড়িয়ে আছে এই সব অঞ্চলের রাস্তা আর ট্রেনযাত্রা আর বিবিধ মানুষের মধ্যে। কারণ কিমকে এইসব পরিবেশ মুক্তির স্বাদ এনে দেয়, যদিও তাকে লক্ষ্ণৌর ইংরেজী স্কুলে ভরতি হতে হয়, মনে মনে বলে যে তাকে ইংরেজ হয়ে উঠতে হবে কিন্তু মন পড়ে থাকে ঐ সব রাস্তা আর অনর্থক হাঁটাহাঁটিতে। হ্যাঁ, এই সব নিয়ে যে লেখাটা লেখা হচ্ছে সেটা ছাপা হচ্ছে ইংলণ্ডের পত্রিকাতেই, পাঠক মূলতঃ সাহেবরাই, ফলে সব মিলিয়ে একটা এক্সোটিক কিছু দাঁড়াচ্ছে হয়ত, কিন্তু ছড়িয়ে থাকা ভারতের প্রতি খুব একরকমের টান বোধ না করলে মনে হয় না ঐরকম পরিবেশের মধ্যে চরিত্রটিকে হাজির করা যায়, সঙ্গী হিসেবে দেওয়া যায় এক তিব্বতি লামাকে যে একটা নদী খুঁজে বেড়াচ্ছে যেটা পেয়ে গেলে সে সংসারচক্র থেকে মুক্তি পাবে ! কিপলিঙের নিজের দ্বন্দটাও হয়ত ফুটে উঠছে কিমের মধ্যে, একই সাথে ইংরেজ হয়ে উঠতে হবে, সেই সমাজ যেরকম চায় সেরকম, আবার ভারতবর্ষের মানুষজনের মধ্যেও মিশে থাকার ইচ্ছে, যে ইচ্ছেটা জিম করবেটের ক্ষেত্রে কমবেশী চরিতার্থ হয়ে উঠবে, কিপলিঙের প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে যেটা হয়ত হয়ে ওঠেনি।

(এই উপন্যাসটিতে, হরি চন্দর মুখার্জী নামের বাঙালী স্পাই চরিত্রটির মধ্যে - ইংরেজী জানা বাবুশ্রেণীর কিঞ্চিৎ ক্যারিকেচার যে অথচ সাহসী আর অনেক কিছু জানাশোনা যার এবং গ্রেট গেম-এ যে যুক্ত - হয়ত শরৎচন্দ্র দাসের আদল, দুজনের চেনাজানা না থাকলেও কিপলিঙ জানতেন শরৎচন্দ্র দাসের অভিযানগুলির কথা ?)


Avatar: r2h

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

আমি এক বাক্যে, মাই ইন্ডিয়া, তবে আমি সব বাংলা অনুবাদ - আমার ভারত।

সিংগলকেদা লিখেছেন 'মানুষকে এতটা ভালবাসতে পারা লোক খুব একটা বেশী নেই। করবেট (কি ইংরাজী, কি বাংলা) পড়তে গেলে আমার তো চোখে জল চলে আসে।' - হ্যাঁ।

এই লেখাটার জন্যে ন্যাড়াদাকে থ্যাংকিউ, আবার জিম করবেট পড়বো।

গোস্ট অ্যান্ড দা ডার্কনেস দেখতে গিয়ে টেনশন সামলাতে না পেরে আমাদের রাজাদা বলেছিল, দুর্দুর, এর থেকে অমিতাভ বচ্চনকে হিরো করলে এতক্ষনে আরো পাঁচটা সিংহ মেরে দিত।
Avatar: b

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

থ্যাংকু সৈকত। কিপলিঙের মধ্যে একটা দ্বিধা ছিলো এটা আমারো মনে হয়েছে। তর কারণ এইটা কি নয় যে, কিপলিঙ খাঁটি ইঙরেজ পরিবারে জন্ম, বাবা মা দুজনেরই ওখানে জন্ম। বাবা বম্বের বিখ্যাত আর্ট স্কুলের প্রফেসর। সে যুগের অন্য পরিবারের ঐতিহ্য মেনেই কিপলিং ইংল্যান্ডের স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।
আর করবেট একে আইরিশ, তার ওপর তিন পুরুষ ধরে ভারতে। এতটাই হত দরিদ্র যে, আঠারো বছরের পরে প্র্যাক্টিকালি রেল-এ যেকোনো কাজ করেছেন। প্রিভিলেজের পর্দাটা ছিলো না।

Avatar: de

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

আমি সব করবেট বাংলা অনুবাদে পড়েছি - গত বছর বইমেলায় অক্সফোর্ড থেকে একটা করবেট অমনিবাস কিনেছিলাম, ইংরাজীতে। সেটাকে ধুলো ঝেড়ে বুকর‌্যাক থেকে নামিয়ে পড়তে শুরু করেছি। কিন্তু তাতে এই "মাই ইন্ডিয়া" টা নেই। এটা কি আসল করবেট অমনিবাস নয়?
Avatar: :)

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

করবেটের লেখায় প্রথম 'হ্যাপি হান্টিং গ্রাউন্ড' শব্দটা পাই। :)

৯২-৯৩ সালে যখন পড়েছি ঠিক সেসময়তেই একদিন ক্রিকেট খেলার ধারাবিবরনীতে শুনছিলাম ওনার নামটা ভুলে গেছি টেকো এক অস্ট্রেলিয়ান শারজাহর মাঠের ওয়াসিম আকরামের বোলিং সম্বন্ধে বলছিলেন 'ইটস অলওয়েজ হ্যাজবিন হিজ হ্যাপি হান্টিং গ্রাউন্ড' আর আমি ভাবলাম করবেটের বই পড়েই বলছে বুঝি!

অনেক পড়ে জেনেছি হ্যাপি হান্টিং গ্রাউন্ড আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের আফটারলাইফ কনসেপ্ট। Lakota people believe that after death, the spirit of the deceased person goes to the happy hunting ground. This belief corresponds with the general Sioux belief that everything has a spirit; including trees, rocks, rivers and almost every natural entity. This therefore leads to the existence of an afterlife. The Indian tribes had many spiritual dances such as the sun dance and the ghost dance, which directly refers to the spirits of the dead returning to life.

এনিওয়েল কেনেথ এন্ডারসনের লেখাও ভালো (১৯১০-১৯৭৫) লাস্ট অভ দোজ গ্রেট হান্টারস। অনলাইনে চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন।



Avatar: দ

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

দে মনে হয় সেকেন্ড পার্ট কেনো নি। সেকেন্ড পার্টে মাই ইন্ডিয়া, জাঙ্গল লোর এইগুলো আছে

https://www.amazon.in/Second-Jim-Corbett-Omnibus-Jungle/dp/019562968X/
ref=sr_1_2?keywords=Jim+corbett+omnibus&qid=1555570946&s=gatew
ay&sr=8-2


Avatar: b

Re: করবেটের ইন্ডিয়া

অ্যান্ডরসন পড়েছি। পড়ে মনে হয়েছে, উনি শুধুই হান্টার। কিন্তু করবেট, শিকারি নন, তার ওপরে আরো এক ফোর্থ ডাইমেনশন আছে।
(বলতে পারেন আপনি মশায় করবেটের ওপরে বেশি বায়াসড। তা এক রকম বটি)।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 1 -- 20


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন