souvik ghoshal RSS feed

souvik ghoshalএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - মিল কতটুকু?একটি দেশ যদি বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী অর্থনীতি হয়, আরেকটির হাল বেশ নড়বড়ে - মানুষের হাতে কাজ নেই, আদ্ধেক মানুষের পেটে খাবার নেই, মাথার ওপরে ছাদ নেই, অসুস্থ হলে চিকিৎসার বন্দোবস্ত নেই। অবশ্য দুর্জনেরা বলেন, প্রথম ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    গরু বাগদির মর্মরহস্য➡️মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই ...
  • বাংলায় এনআরসি ?
    বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন ...
  • যান্ত্রিক বিপিন
    (১)বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। ...
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

souvik ghoshal

সাহিত্যের পাঠক কম বেশি সকলেই। কিন্তু তার মধ্যেই কেউ কেউ জহুরী। তাঁরাও পড়েন সাহিত্য, কিন্তু কেবল গল্পের টান বা ছন্দের তানের আকর্ষণে নয়। তাদের নজর চলে যায় সৃজনের অন্দরমহলের দিকে। পুঁথির পাতায়, অক্ষর বিন্যাসে। প্রাচীন বা মধ্যযুগের সাহিত্যের প্রামাণিকতা নিয়ে আলাপ আলোচনায় এগুলি অত্যন্ত জরুরী হয়ে ওঠে সে আমরা জানি। আর এও জানি সাহিত্যের জহুরীদের এইসব পণ্ডিতি আলোচনা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম পেরিয়ে খুব কমই সাধারণ পাঠকের দোরগোড়ায় কড়া নাড়ে। কিন্তু কখনো কখনো একটা ব্যতিক্রম তৈরি হয়ে যায়। প্রীতম বসুর মতো প্রবাসী বাঙালি যখন ডুবুরীর মতো ভাষা সাহিত্যের সেই পণ্ডিতি গবেষণার উপাদানকে ব্যবহার করে রোমহর্ষক এক থ্রিলার তৈরি করে দিতে পারেন পাঁচমুড়ার পঞ্চাননমঙ্গলের মতো উপন্যাসে।
আকর্ষনীয় কাহিনী বিন্যাস নিঃসন্দেহে পঞ্চাননমঙ্গল এর আবিস্কার ঘিরে এখানে দানা বেঁধে উঠেছে, কিন্তু সেটাই এই বইয়ের প্রধানতম আকর্ষণ নয়। আমাদের হারানো অতীতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, যা ইউরোপের চোখে জগৎ দেখার বাইরের এক নিজস্বতাকে খুলে দিতে চায়, তাকে আমরা এই আখ্যানে পেয়ে যাই। কীভাবে লেখা হত পুঁথি, কেন কাগজ ব্যবহারে আমাদের এখানে অনেক লিপিকরের দীর্ঘদিনের আপত্তি ছিল, তুলোট পাতা আর তালপাতার পুঁথির পার্থক্য কোথায়, কাহিনীর অন্তর্গত উপাদান হিসেবেই প্রীতম আমাদের তা জানিয়ে দেন। তুলে আনেন বাংলা বর্ণমালার বিবর্তন সূত্রটি। এই আখ্যানের অন্যতম প্রধান দুটি চরিত্রই সারা জীবন ধরে পুরনো সাহিত্য নিয়ে দুভাবে কাজ করেন – সদানন্দ ভট্টাচার্য ও হরু ঠাকুর। প্রথমজনের যদি পারিবারিক ব্যবসা ও নেশা আগ্রহের সূত্রে জহুরীর চোখ তৈরি হয়ে থাকে তো দ্বিতীয় জনের রয়েছে পুঁথি নকলের ও পুঁথি দেখার প্রাতিষ্ঠানিক তালিম। সেইসঙ্গে স্বাভাবিক কবিত্ব যা সহজেই ধরে নিতে পারে পুরনো সাহিত্যের ভাষা ও প্রকাশভঙ্গীটিকে।
বস্তুতপক্ষে হরু ঠাকুরের আড়াল থেকে লেখক প্রীতম বসু নিজেই এখানে একটি পরীক্ষায় নেমেছেন। চর্যাপদের ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মাঝের সময়ের বাংলা ভাষাটি, যার কোনও প্রামাণ্য উপাদান আমাদের হাতে এসে পৌছয় নি অন্ধকার যুগের আড়াল ভেদ করে, সেই ১৪০০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ বাংলাভাষার রূপটি কেমন ছিল। গদ্য আখ্যানের পরতে পরতে মধ্যযুগের পুননির্মিত সেই ভাষায় দীর্ঘ দীর্ঘ পদ্য অংশ মিশিয়ে দেন প্রীতম, বিশেষত কাহিনীর মধ্যভাগ থেকে। আমরা আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি দক্ষ আখ্যানকার প্রীতমের মধ্যেই কীভাবে মিশে আছে এক ভাষা গবেষক, ছন্দ বিশ্লেষক নিপুণ কবি।
কুসুম কোঁঅলী তার ছিন্ডিআঁছে অলঙ্কার
ছিন্ডিআঁছে যত মানভএ।
গোরা তার দেহকান্ত আনুপাম বীর শান্ত
দীঠি কৈল তারি মন জয়।
ছিন্ন নিচোল ছিন্ন কেশ দেয়ি আপনা বেশ
ঢাকিলেঁ তিরির লাজ
পুরুষের বসনে জেন বনদেবী বনে
অপরুব তার দেহসাজ।।
বস্তুতপক্ষে ছিরিছাঁদ এর লেখক প্রীতম বাংলা ও সংস্কৃত ছন্দ নিয়ে কতখানি দক্ষ তার প্রমাণ এই আখ্যানের কয়েকটি চকিত মুহূর্তেও আছে। চর্যাপদের চৌপদীর থেকে বাংলা পয়ারের আদি পর্বের নির্মাণটিই শুধু নয়, সংস্কৃত কয়েকটি ছন্দের নিপুণ বিশ্লেষণ তিনি এখানে তুলে আনেন। এখানে আছে তোটক, তূণক, ভুজঙ্গপ্রয়াত প্রভৃতি ছন্দের দৃষ্টান্ত ও আলোচনা। প্রীতম একটি প্রশ্ন তুলেছেন, কিন্তু উত্তর দেন নি। সংস্কৃতে অন্তমিল নেই, বাঙালি তা পেল কোথা থেকে ? হয়ত মুণ্ডা ভাষার আলোচনা ও বাংলার ওপর তার প্রভাব থেকে এই প্রশ্নের উত্তরের দিকে এগনো যায়। তবে সে অন্য প্রসঙ্গ।
পাঁচমুড়োর পঞ্চাননমঙ্গলের কাহিনীটি আকর্ষনীয়। গুডরিডস থেকে তা হয়ত অনেকেই পড়ে নিয়েছেন।
“সদানন্দ ভট্টাচার্য পাঁচমুড়ো গ্রামের সঙ্গতিহীন জমিদার। কিন্তু বাংলার প্রাচীন সাহিত্য এবং পুঁথিপাটা নিয়ে ভদ্রলোকের বেশ নাড়াঘাঁটা আছে। বিদেশ থেকে এক ভদ্রলোক আসেন ওঁর কাছে,যাঁর নাম মিঃ ধাড়া। এঁর নাকি লন্ডনে একটা মিউজিয়াম আছে, সেখানে তিনি বাংলা সাহিত্যের পুরোনো সব পুঁথি সংগ্রহ করে রাখেন। এই পুঁথির কাজেই তাঁর এদেশে আগমন এবং সদানন্দ ভটচায্ এর কাছে নাড়া বাঁধা। কালাচাঁদ নামে এক পুঁথি চোর ধাড়াকে চন্ডীদাসের এক নকল পুঁথি বিক্রী করতে এসে সদানন্দের হাতে ধরা পড়ে। সদানন্দ যখন পুঁথির নকলনবীশীর ব্যাপারে জ্ঞান দিতে ব্যস্ত, সেইসময় খবর পাওয়া যায়, পাঁচমুড়ো গ্রামের প্রায় মজে যাওয়া পুকুর চয়নবিলের নীচে থেকে নাকি কিছু পাথর পাওয়া গেছে, যাতে পুরোনো কিসব অক্ষর খোদাই করা আছে। পাথরের ওপর খোদাই করা লেখা পাঠ করে সদানন্দ উত্তেজিত হয়ে উঠলেন – পঞ্চদশ শতাব্দীর বাংলা ভাষায় এক অনন্য রচনার অংশবিশেষ। এই পঞ্চাননমঙ্গলের অস্তিত্ব নাকি অনেকটা নেক্রোনমিকনের মত। আরব মুসলমানদের কাছে এই বই নাকি,‘শয়তানের পুঁথি’? মানে পঞ্চানন মঙ্গল? কিন্তু সেরকম তো কিছুর সন্ধান পাওয়া যায় না বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে....পঞ্চাননমঙ্গল আদৌ ছিল কিনা কে জানে?? কিন্তু এই কাব্য মোটেই অন্যান্য মঙ্গল কাব্যের মত গূঢ় জীবনদর্শন বা দেবস্তুতি নয়। এরমধ্যে লুকানো আছে ছন্দের মধ্যে অঙ্ক। গল্প এগিয়েছে এদিক ওদিক করে। কখনো ইতিহাস, কখনো বর্তমানকে ঘিরে। জালালুদ্দিনের সময়ের পঞ্চমুন্ডি গ্রামের ইতিহাসের ওপর ভর করে চলেছে পঞ্চানন মঙ্গল। তাতে যেমন এক বিয়োগান্তক মঙ্গলকাব্য আছে, তেমনি আছে এক অসম্ভব প্রতিভাবান বাঙালী কবিরাজের রচনায় গনিতের সাথে কাব্যের মেলবন্ধন। পড়লে চমৎকৃত হতে হয়। লুপ্ত এক মঙ্গলকাব্য ঘিরে এক অসাধারণ থ্রিলার”।
পঞ্চাননমঙ্গল এর কাহিনীর অন্যতম আকর্ষণের দিক প্রাচীন ভারতের গণিত চর্চার মণিমুক্তোগুলিকে তুলে আনতে পারা। যে কৃতিত্ত্ব আমাদের বিজ্ঞানীদের পাওয়া উচিত ছিল, অনেক সময়েই তাঁরা তা পান নি। আর্যভট্ট বা ব্রহ্মগুপ্তদের আবিস্কারগুলি আরবীয় অনুবাদের হাত ধরে পশ্চিমী জগতে পৌঁছেছে। কিন্তু সে ইতিহাসের অনেকটাই আড়ালে ঢাকা। প্রীতম বসু আমাদের সেই ইতিহাস এখানে আখ্যানের ফাঁকে ফাঁকে জানিয়ে দিতে চান। আটশো শতাব্দীর শেষভাগে ভারতীয় পণ্ডিতের হাত ধরে ভারতের সুপ্রাচীন গণিতবিদ্যা পৌঁছোয় বাগদাদের রাজসভায়,আরবিতে অনুবাদ করা হয় সেই পুঁথিগুলির। সেই সূত্রেই পরবর্তীকালে অল-খোয়ারিজমি ‘ভারতের সংখ্যা দিয়ে গণনাপদ্ধতি’ ব্যবহার করে “অ্যালগরিদম”এর জনক হিসাবে পশ্চিমী দুনিয়ার কাছে পরিচিত হন। (অল-খোয়ারিজম এর অপভ্রংশই আজকের অ্যালগরিদম)। আর তারপর নানা আফগানী তুর্কি আরবী শাসক, যাদের অন্যতম বক্তিয়ার খিলজি - ভারতের গর্ব নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে আক্রমণ করেন এবং সুপরিকল্পিতভাবে তিন মাস ধরে পোড়ান হয় ভারতের মহামূল্যবান পুঁথিসমূহকে, যাতে কিনা ভারতের একান্ত নিজস্ব গণিতবিদ্যা আবিষ্কারের উজ্জ্বল ইতিহাস কালের গর্ভে চিরকালের মতো নিমজ্জিত হয়। আমরা জানতে পারি না অনেক আগেই ভারতে জানা হয়ে গিয়েছিল আলোর গতিবেগের পরিমাপ, 'পাই'-এর মান, অ্যালজেব্রা, ত্রিকোণমিতি, দশমিকের ব্যবহার, তথাকথিত ‘পিথাগোরাসের থিওরেম’ – পিথাগোরাসের জন্মের দুশো বছর আগেই।
এই গণিত চর্চার ইতিহাস যেমন আমরা জানি না, ঠিক তেমনি আজকের বাঙালি সেভাবে জানেন ই না আমাদের এই বাংলা নৌ নির্মাণ থেকে কামানের ব্যবহারে কত দক্ষ ছিল। চিনের নৌ নির্মাতারা যেমন আসতেন এই দেশে, তেমনি এদেশের যুদ্ধে প্রথম কামান ব্যবহারের গৌরব যিনি পেয়ে থাকেন সেই বাবর স্বয়ং কীভাবে তাঁর আত্মজীবনীতে বাঙালির কামান চালানোর দক্ষতার প্রশংসা করে গেছেন।
এই লেখা শুধু আমাদের অতীতের জন্য গর্বকেই জাগিয়ে তুলতে চায় না। সেই অতীত কীভাবে আরবীয় তুর্কী মুসলমান শক্তির হাতে ধ্বংস হল সেই মনস্তাপও তৈরি করে। এই জন্যেই এই লেখা নিয়ে সতর্ক হবার অবকাশ আছে। যাতে ইতিহাসের বদলার রাজনীতি, যা আমরা রাম মন্দির আন্দোলনে বাবরি ভাঙার ঘটনার মধ্যে দিয়ে প্রত্যক্ষ করেছি, তা এ থেকে জন্ম নিতে না পারে। সম্ভবত লেখকও এই বিপদটি সম্বন্ধে সতর্ক। তাই আমরা দেখি পঞ্চানন এর মন্দিরটি একদিনের মধ্যে অনেক সহকারী জুটিয়ে তৈরি করে দেন যে কুশলী কারিগর, তিনিও এক মুসলমান। এবং তার পূর্বপুরুষদের মন্দির ভাঙার প্রায়শ্চিত্ত যেন তিনি এই কাজের মধ্যে দিয়ে করে যান। পারিশ্রমিক গ্রহণ করেও তা ফিরিয়ে দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের নজির রাখেন।
বাঙালির অতীত মনন চর্চার ইতিহাস এখানে আছে, আছে বিদেশী শক্তির হাতে পর্যদুস্ত হয়ে সেই ইতিহাসকে হারিয়ে ফেলার মনস্তাপও। আর রয়েছে নিজের শিকড়ে ফেরার টান। মন্দিরের চাতালে কবিগান, ঝুমুর গান, আখড়ার সংস্কৃতি ফিরে পাওয়ার আগ্রহ। বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এমন নান্দনিক উপস্থাপণা বাংলা কথাসাহিত্যের অঙ্গনে কমই হয়েছে।


1303 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 14 -- 33
Avatar: দ

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

ঈশান কি থারুরের ইনগ্লোরিয়াস এম্পায়ার পড়েছ?
Avatar: Ishan

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

না। তবে ওই লাইনে আরও কেউ কেউ লিখেছেন তো।
Avatar: pi

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

এটা পড়া ?
http://www.tifr.res.in/~vahia/dani-vmsm.pdf

এসব কচকচি আবার উঠবে জানলে তখনই ডঃ দানি আর ডঃ ওয়াহিয়ার থেকে এসব নানা বিষয়ে কাউন্টার লিখিয়ে নেওয়া যেত !
Avatar: sswarnendu

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

এই " আলাদা ডকুমেন্টেশনের পদ্ধতি " দুর্বলতা নয় কেন?
প্রবল হায়ার্কিয়াল সমাজ ও তার অনুসারী গুরুবাদী শিক্ষা বলেই জনগণের জন্য হায়ার লার্নিং এর অ্যাক্সেস কখনোই ছিল না। হায়ার লার্নিং স্যাক্রেড, প্রিস্টীন ও কেবলমাত্র ' অধিকারীর' জন্য, এসব শাক দিয়ে যে মাছটা ঢাকা হয়েছে সেইটা হল প্রি-কলোনিয়াল যুগের পাবলিক এডুকেশন ব্যবস্থা যতই ভাল থাক, সেই ব্যবস্থাটাও একটা কলোনিয়াল ব্যবস্থার মতই, যাতে প্রশ্ন করতে কম আর মেনে নিতে বেশী শেখানোটাই টার্গেট।
Avatar: sswarnendu

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

এইজন্যেই এই বিশ্বেন্দু নন্দ ক্যাম্পের লেখা পড়লে হাঁসব না কাঁদব বুঝে উঠতে পারি না। ইউরোপিয়ানদের কলোনি হওয়ার আগে বাংলায় কত টোল-পাঠশালা ছিল, তাই নিয়ে কি সুন্দর পাবলিক এডুকেশন ব্যবস্থা ছিল, যা ইউরোপীয়রা ধ্বংস করে ইংরেজি-নির্ভর কেরানী তৈরির শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করে-- এইই সেসব লেখার প্রতিপাদ্য। সেসব লেখায় সন্তর্পণে এড়িয়ে যাওয়া হয় এই প্রসঙ্গটা যে সেগুলোও যা প্রোমোট করত তা ইংরেজি নির্ভর নয় বলেই আলাদা কিছু এমন নয়। বামুনদের অং-বং-চং এর মান্যি করতে যতটুক লাগে আর রোজকার হিসেব করতে যেটুকু লাগে তার বাইরে কিছু শেখানো হত এমন নয়। কলোনী জন শুধু বিদেশেরই হওয়া যায়, সমাজের বড় অংশ একটা ছোট্ট অংশের কলোনী হতে পারে না যেন!
Avatar: পিনাকী

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

স্বর্ণেন্দুর বক্তব্যটা খানিকটা আমারও। গুরুমুখী শিক্ষা কি জ্ঞানকে উন্মুক্ত করে? হায়ারার্কি এবং শাসকের মতাদর্শকে চ্যালেঞ্জ করে? তাহলে আজকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকাঠামো নিয়ে যে সমস্যা সেগুলো থেকে গুরুমুখী শিক্ষা কোথায় উন্নত? কিছুটা নন-এসেন্সিয়ালিস্ট - এটুকু বলা যায় হয়তো। সেটা হওয়ার যে সুবিধে সেগুলো থাকবে। তার বেশি কী? এটা নিয়ে আলোচনা হলে জানতে ইন্টারেস্টেড।
Avatar: pinaki

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

ম্যান্ডেটরি ট্যাগ #সোমনাথরায় :-D
Avatar: দ্রি

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

"तरणिर्विश्वदर्शतो ज्योतिष्कृदसि सूर्य । विश्वमाभासि रोचनम् ।
तथा च स्मर्यत योजनानां सहस्रम् द्वे द्वे शते द्वे च योजने । एकेन निमिषार्धेन क्रममाण नमोऽस्तु ते ॥

taraNirvishvadarshato jyotiShkRRidasi sUrya | vishvamAbhAsi rochanam |
tathA cha smaryata yojanAnAM sahasram dve dve shate dve cha yojane | ekena nimiShArdhena kramamANa namo.astu te ||

Oh Sun! (You) overwhelm all in speed, visible to all, source of light. (You) shine pervading the Universe.
It is remembered, [O Sun] bow to you, you who traverse 2,202 yojanas in half a nimesha."

@স্বর্ণেন্দু, এই কোটটা এবং তার তর্জমা কোত্থেকে পেলেন? আমার সোর্সটা চাই। সুভাষ কাকের পেপার? সংস্কৃতের তর্জমাটা কে করেছেন?

"মজার কথা হল নিমেষের মান সেকেন্ডের হিসেবে আর যোজনের মান কিলোমিটার বা মাইলে কত এর কোন একটা নির্দিষ্ট মান কোথাও পাওয়া যায় না। বেদ, বেদের ভাষ্য, পুরাণ ইত্যাদি সব মিলিয়ে নিমেষের একাধিক হিসেব আছে, যেগুলো বেশ আলাদা আলাদা। সেcurely documented value ( literary evidence এর হিসেবে secure ) গুলো হচ্ছে
0.213s
0.457s
0.48s
0.533s"

এইসব বিভিন্ন ভাষ্যের বিভিন্ন হিসেব এর সোর্সও চাই।
Avatar: দ্রি

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

এছাড়া কিছু প্রশ্ন লেখককেও আছে।

বক্তিয়ার খিলজির ভারতের আক্রমণের এবং নালন্দা ধ্বংসের বর্ণনার মূল সোর্স জানতে চাই। লাইব্রেরী ধ্বংস ব্যাপারটা আমার খুব ইন্টারেস্টিং লাগে। আলেক্সান্দ্রিয়ার লাইব্রেরী ধ্বংসেরও নানারকম গালগল্প আছে।

"'পাই'-এর মান, অ্যালজেব্রা, ত্রিকোণমিতি, দশমিকের ব্যবহার, তথাকথিত ‘পিথাগোরাসের থিওরেম’"

এই প্রত্যেকটার মূল সোর্স চাই।
Avatar: sswarnendu

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

দ্রি,

নিমেষের মাপগুলোর প্রত্যেকটার মূল সোর্স খুঁজে দিতে একটু সময় লাগবে, দিয়ে যাব। আপনি উইকিরই হিস্টরি অফ মেজারমেন্ট অফ স্পীড অফ লাইট এ একটা ডিসকাশন ( মূল আর্টিকল এ নয়, এডিট ডিসকাশন থ্রেডে ) পাবেন। সেখানেই আছে অনেকগুলো, তাও খুঁজে দেব। খানিক সময় দিন।

আর অনুবাদটা প্রসঙ্গে, সায়নভাষ্যের গোটাটার কোন ইংলিশ ট্রান্সলেশন আছে বলে আমি জানি না, সম্ভবত নেই। মূল স্তোত্রটা ম্যাক্স মুলারের ভার্শন বা পরের তিলক ইন্সটিউটের ভার্শন দুটোতেই আছে। ইংরেজি অনুবাদটা নেট এ পাওয়া, এক্স্যাক্টলি কথা থেকে কপি পেস্ট করেছি এখন মনে নেই। কিন্তু বহু বহু জায়গায় আছে একই অনুবাদ... ঠিক না ভুল আমি জানি না বলেই মূল স্তোত্র সমেত তুলে দিয়েছি। মূল স্তোত্রটা এইটাই... সেইটা তিলক ইন্সটিটিউটের ভার্শন ইন্টারনেট আর্কাইভে আছে, তার সাথে মিলিয়েছি ( ছবি মেলানোর মত করে, আমি সংস্কৃত ক্যারেক্টার একদম চিনি না তা নয়, কিন্তু গড়গড় করে পড়তে পারি না )।
Avatar: দ

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

দ্রি,
নালন্দা ধ্বংসের কথা তবকাৎ-ই-নাসিরি তে আছে। এবার সেটার প্রথম অনুবাদ র‍্যাফাটি সায়েবের সম্ভবত। বক্তিয়ার খিলজি একটা মস্ত বিহার পুড়িয়েছিল, সেটা নালন্দাই কিনা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে কিনা জানি না। আপনার ফাইন্ডিংস শেয়ার করবেন।
Avatar: দ্রি

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

অবশেষে ঋগবেদ সংহিতার সায়নের টীকার প্রথম ভাগ পেলাম, ভেদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের। তারই ৩৪৭ পাতায় আছে প্রথমে মন্ডলের, ৫০ নং সূক্তের ৪নং শ্লোক। এবং তার সাথে সায়নের টীকা। পেলাম ঐ লাইনটা। শুধু 'স্মর‌্যতে' এবং 'সহস্রে' ইনস্টেড অফ 'স্মর‌্যত' এবং 'সহস্রম্‌"। 'স্মর‌্যতে'র পর বাকি অংশটুকু উইদিন সিঙ্গল কোট। সহস্রে দ্বে দ্বে শতে দ্বে অর্থাৎ ২২০২।

তার মানে এটা যে কোন কারণেই হোক সায়ন লিখেছিলেন। কিন্তু বেদের মূল শ্লোকে তো এর কাছাকাছিও কিছু ছিল না। সায়ন এটা কোত্থেকে এনে হাজির করলেন কে জানে। ২২০২ যোজনের ব্যাপারটা মনে হয় বেদ পরবর্তী কালেরই অভিজ্ঞান। ঠিক হোক ভুল হোক, জেনারাল সূর্য্যের প্রশস্তির মাঝে ফট করে একটা সংখ্যা এনে ফেলাটা একটু কেমন যেন।

[অফ টপিকঃ এই শ্লোকের টীকারই কন্টিনিউয়েশানে আরেকটা ইন্টারেস্টিং কমেন্ট আছে সায়নের।

আদিত্যদর্শনস্য চন্ডালাদিদর্শনজনিতপাপনিহৈরণহেতুত্বাতূ

চন্ডাল ফন্ডাল দেখে ফেলল যে পাপ হয় সূর্য্যের দিকে তাকালে সেইসব পাপ ধুয়ে মুছে যাবে।]

বেশ। এইবার চাই নিমেষের রকমারি মীনিংএর রেফারেন্স।
Avatar: b

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

নালন্দা অথবা বিক্রমশীলা। এবং বক্তিয়ারের ধারণা ছিলো, এগুলো দুর্গ। সেজন্যে বলেচিলেন "হিসার-ই-বিহার", অর্থাৎ বিহারের দুর্গ। সেখান থেকেই প্রভিন্সের নাম বিহার।
Avatar: দ

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

হুঁ।
ব্যাটা এক মহা অশিক্ষিত শয়তান ছিল। গৌড়েও যথেচ্ছ অত্যাচার করেছে। আলমর্দন খাঁ টপকে দেবার আগে গৌড়ের বিধবা নারীরা রোজ চীৎকার করে অভিশাপ দিত নাকি।
Avatar: দ্রি

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

He used to carry his depredations into thse parts and that country until he organized an attack upon the fortified city of Bihar. Trustworthy persons have related on this wise, that he advanced to the gateway of the fortress of Bihar with two hundred horsemen in defensive armour, and suddenly attacked the place. There were two brothers of Farghanah, men of learning, one Nizam-ud-din, the other Samsam-ud-din [by name], in the service of Muhammad-i-Bakht-yar; and the author of this book met with Samsam-ud-din at Lakhanawati in the year 641 H. and this account is from him. These two brothers were soldiers among that band of holy warriors when they reached the gateway of the fortress and began the attack, at which time Muhammad-i-Bakht-yar, by the force of his intrepidity, threw himself at the postern of the gateway of the place, and they captured the fortress, and acquired great booty. The greater number of inhabitants of that place were Brahmans, and the whole of those Brahmans had their heads shaven; and they were all slain. There were a great number of books there; and, when all these books came under the observation of the Musalmans, they summoned a number of Hindus that they might give them information respecting the import of those books; but the whole of the Hindus had been killed. On becoming acquainted [with the contents of those books], it was found that the whole of that fortress and city was a college, and in Hindui tongue, they called a college Bihar.

[তবাকৎ-ই-নাসিরি, অনুবাদ মেজর এইচ. জি. র‌্যাভার্টি, পেজ ৫৫১-৫৫২]

পয়েন্টস টু বি নোটেডঃ

- যেকোন আক্রমণই 'হোলি ওয়ার'।
- নেড়ামুন্ডু বুদ্ধিস্ট মংক এবং ব্রাহ্মণ সম্ভবত গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। একটা ফুটনোটে সেকথা লেখাও আছে।
- প্রচুর খুনখারাপির কথা পরিষ্কার অ্যাডমিট করাই আছে। মোটামুটি ধরে নেওয়া যেতেই পারে প্রচুর স্কলার খুন হয়েছিলেন।
- বইয়ের কন্টেন্ট নিয়ে বক্তিয়ার জানতে চাইলেও ইন্ডিস্ক্রিমিনেট বই পোড়ানোর কথা এইখানে অন্তত বলা নেই
- এই 'কলেজ'টি দখল করে বক্তিয়ার ' 'গ্রেট বুটি' পেয়েছিলেন। সেগুলো সম্ভব্ত পুঁথিপত্র নয়, ধনসম্পদ। তো এই বিহারে বইপত্র তো ছিলই, কিন্তু মোস্ট লাইকলি অনেক ধনরত্নও ছিল। সেসব দিল্লি নিয়ে যেতে বক্তিয়ার কুতবুদ্দিনের স্নেহধন্য হয়েছিলেন, এবং অন্যান্য মিলিটারী জেনারালের ঈর্ষার কারণ হয়েছিলেন।

সুপরিকল্পিতভাবে বই নষ্ট করার কথা তবাকৎ-ই-নাসিরিতে অন্তত নেই। কিন্ত এটা ইস্লামিক অ্যাকাউন্ট। কিন্তু এই একই ঘটনার কোন বুদ্ধিস্ট অ্যাকাউন্ট কি আছে?
Avatar: souvik ghoshal

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

সবই তো বুঝলাম। কিন্তু একটা বিষয়ই মনে খচখচায়। বাংলা সাহিত্যে বা বাংলার লেখাপড়ার পরিসরে এখনো পর্যন্ত মল্লবর্মন ছাড়া আর কেউকি নোটেবল আছেন তার দলিত, মুসলমান, অহিন্দু এবং অবর্ণহিন্দু পরিচয় নিয়ে। খুচরো পাবলিকেশন নয়, ব্যাপ্তিতে হিন্দু ও বামুন বাঙালি লেখক এবং লেখাপড়া-জানার পরিসরে বেশ সবল এরম সবার মতো? নেই
Avatar: র২হ

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

এই বইটা পড়তে শুরু করলাম, কিন্তু পোষাচ্ছেনা। সব কালেক্টার প্রত্নব্যাবসায়ী অনুসন্ধানী এরা লিপি ও ভাষার পরিবর্তন আর্যভট্ট কিছু জানেনা - এ কেমন কথা?
Avatar: aranya

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

দেশ থেকে একজন-কে দিয়ে আনালাম, কিন্তু অনেকটা পড়েও শেষ করতে পারলাম না। বোরিং আর রিপিটিটিভ লাগছে।
পাঠক হিসাবে গেঁজিয়ে গেছি কিনা ভাবছিলাম, প্রসিদ্ধ কবি ও শিল্পী হুতো-রও বইটা পোষাচ্ছে না শুনে একটু ভরসা হল :-)
Avatar: aranya

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

উপস, মেজর মাখিয়েচি, সরি চাই। আমি বলছিলেম - 'নাস্তিক পন্ডিতের ভিটা' বইটার কথা
Avatar: pi

Re: প্রীতম বসুর পঞ্চাননমঙ্গল

হুতো, এ বইয়ে যুক্তির আশা করলে ঠকতে হবে।


না প ভি নিয়ে মতামত শুনতে চাই। পড়ব কিনা ভাবছি এখনো। এই পাঁচ্মুড়ো পড়ে বেশ বিরক্ত লেগেছে শেষদিকে। না প ভি র লেখকের পুলওয়ামা কাণ্ডের পরে ফেবু পোস্টগুলো পড়ে আরৈ চিন্তায় পড়ে গেছি।



মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 14 -- 33


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন