Binary RSS feed

Binary এর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমার টিম, তোমার টিম

Binary

সত্তরের শেষে বা আশির দশকের প্রথম দিকে , যখন-ও পর্যন্ত আনন্দবাজারের কভার পেজে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের ময়দানি গুঁতোগুঁতি আর ব্যাকপেজে আর্জেন্টিনা বা ইতালির বিশ্বকাপ জয় ছাপা হতো , প্রণয় রায়ের 'ওয়ার্ল্ড দিস উইক' চায়ের দোকানের মাতব্বর খোকন-দা কে পেরেস্ত্রৈকার বোদ্ধা করে তোলে নি তখন-ও পর্যন্ত, সেই সময় আমার মতো একনিষ্ঠ খুদে বাঙালের ইস্টবেঙ্গলের উয়াড়ির কাছে এক গোলে হেরে যাওয়া কে শ্মশানে-র হাহাকার মনে হতো। সেটাকেই বলে সমর্থন।

১৯৮২ -র বিশ্বকাপে খুব উঠেছিল পাওলো রোসির নাম। একদম সুযোগ সন্ধানী ফান্টুস প্লেয়ার একটা। গোলের কাছে গ্যাজামেজি জটলা থেকে সুযোগ বুঝে ধাঁ করে গোল দিতো । তার আবার এলবোট চুলের বাহার ছিল। তখন সাদা কালো টিভিতে খালি নক আউট পৰ্য্যায়ের ম্যাচগুলো দেখাত মনে আছে । পাওলো রোসি-র নাম শুনে শুনে আমিও ইতালির সমর্থক হয়ে গেলাম।

তারপর তো সেই বেঁটেখাটো গাঁট্টাগোট্টা ১৪ স্টোনের ১৯৮৬-র বিশ্বকাপ। ততদিনে বিদেশ বোস, মনোরঞ্জন, কৃশানু দে ইত্যাদিদের সাথে ইউরিপিয়ান আর ল্যাটিন ফুটবল বাঙালির টিভিতে উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করেছে। তো ১৯৮৬ থেকে আমি আর্জেন্টিনা হয়ে গেলাম। শুধু একটা ১৪ স্টোনের ম্যাজিকাল মাঝমাঠের দৌড়ের জন্য। এদিক ওদিক ডিফেন্সের প্লেয়াররা কেটে যাচ্ছে , বল ১৪ স্টোনের পায়ে আঠার মতো সেঁটে আছে। ১৯৯৪ পর্যন্ত আমি প্রবল আর্জেন্টিনা ছিলাম যার একটাই চরিত্র , দিয়াগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা। অবশ্য আরো কিছু কারণ আছে। ১৯৮৪ সালে নেহেরু গোল্ড কাপে কলকাতায় খেলতে এসেছিল আর্জেন্টিনা। সেই টিমের প্রায় পাঁচ ছয় জন ১৯৮৬-র বিশ্বকাপের টিমে ছিল। ১৯৮৬-র ফাইনালে উনিংগোল করা বুরুচাগা পর্যন্ত। তো এইসব নিয়ে আর্জেন্টিনা হয়ে গেল কলকাতার ঘরের টিম। আমারো।

১৯৯৪ এর পর থেকে আমি ব্রাজিল। এটাও একটা পরম্পরা-র মতো। পেলে গ্যারিঞ্চা ভাভা পরবর্তীকালে জিকো, সক্রেটিস, অস্কার, জলমা স্যান্টোস বা আরো পরবর্তী কালের রোনাল্ডও , রোনালদিনহো সব সারিবদ্ধ শিল্পী ফুটবলার। যেকারণে কলকাতা চুনী বলরাম , সুরজিৎ সেনগুপ্ত কৃশানু দে কে ভালবাসতো , যে কারণে গোল করে উল্লসিত ম্যারাডোনার হাঁ করা মুখের মধ্যে পুরো কলকাতা ঢুকে পরে , যে কারণে হুগো চাভেজ-এর পাশে বসা ম্যারাডোনা-কে কলকাতার লোক 'লাল সেলাম কমরেড' বলতে পারে , ঠিক সেই কারণে অর্ধেক কলকাতা ব্রাজিলের সমর্থক। আমরা যারা ব্রাজিল-এর ফুটবলকে ভালোবাসি তাদের কাছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল আর সাম্বানাচ-এর একই মানে। অনেকটা এরকম ভাবসাব। ব্রাজিল ফুবল খেলে না , এগারোটা ব্যালেডান্সারকে মাঠে নামিয়ে দেয়। যেদিন তাল লয় ঠিক থাকবে সেদিন বিপক্ষকে গুনে গুনে গোল। আর যেদিন সুর কেটে যাবে সেদিন উল্টো।

২০০২ সালে আমি ছিলাম ডেনমার্ক। আসলে তখন ডেনমার্ক-এ আমার বাসাবাড়ি ছিল। ডেনিস বন্ধু দের পাল্লায় পরে ডেনিস ফুটবলের অআকখ শিখলাম। ডেনিস ক্লাবফুটবল , ব্রুনবী আর কোবেনহ্যাভেন এফসি শিখলাম। ডেনিস তারকা ফুটবলার মাইকেল লাদ্রপ আর জন টোমাসেন -এর ফুটবল দেখলাম টিভি জুড়ে। কোপেনহেগেন সিটিহল স্কোয়ারে জায়ান্ট স্ক্রিনে ওয়ার্ল্ড কাপ দেখানো হতো , আর সুঠাম চেহারার হুল্লোড়ে ডেনিশ ছেলেমেয়েরা বিয়ার খেতে খেতে হৈচৈ গান বাজনা করত। চারিদিকে একটা মহোৎসবের ভাইব। আমিও সেই গরম আঁচে হাত পা সেঁকে নিয়ে ডেনমার্ক হয়ে গেলাম।

আমি আবার আফ্রিকান দেশ খেললে , সে যেকোনো দেশ হোক, তাদের-ও সমর্থক। রজার মিল্লা কে মনে থাকার কথা অনেকের-ই। ক্যামেরুন-এর হয়ে ৩৮ বছর বয়সে ১৯৯০ এর ইতালি বিশ্বকাপে নেমে চারচারটে গোল করে হিরো হয়ে যাওয়া রজার মিল্লা । ক্যামেরুন পৌঁছে যায় কোয়াটার ফাইনালে। প্রতিটা গোলের পরে কর্নার ফ্ল্যাগের সামনে সেই ট্যাংগো নাচ। ১৯৯০ এ আর্জেন্টিনার ব্যাপক সমর্থক হয়েও চেয়েছিলাম ক্যামেরুন আরো এগোক। চাই কি কাপ টাও জিতে নিক। "হিংস্র প্রলাপের মধ্যে , সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী"।

আমার সহকর্মী , যে জন্মসূত্রে নাইজেরিয়ান , তার সাথে ফুটবল নিয়ে আড্ডা হয় মাঝে মাঝে । ওর নাম ইয়াইয়া। আমি বলেছি তোমার দেশের অনেক ফুটবলার আমার শহর কলকাতায় খেলে গ্যাছে। কিছু কিছু নাম বললাম এমেকা এজুকো , চিমা ওকোরি ইত্যাদি। শুনে খুব খুশি হলো। তবে ভারতবর্ষ আদৌ ফুটবল খেলে কিনা তা নিয়ে মনে মনে "যা: হতেই পারে না" এরকম একটা ভাব রয়ে গেল মনে হয়। ইয়াইয়া আবার খুব ধর্মভীরু খ্রিস্টান মানুষ। সেদিন আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের আগে দেখি ডেস্কে একটা ক্রস রেখেছে , গুডলাক চিহ্ন হিসেবে। ভাবটা , আর্জেন্টিনা-র সাথে টক্কর দিতে ভাগ্যের ওপরেও ভরসা করতে হয়।

অন্যদিন মেসি'র জয় চাইলেও , সেদিন খুব চেয়েছিলাম নাইজেরিয়া জিতুক। বন্ধু ইয়াইয়া-র জন্য।

সমর্থনে-র মাপকাঠিটা বড়োই অদ্বুত ।

490 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21
Avatar: aranya

Re: আমার টিম, তোমার টিম

সুন্দর।

'শুধু একটা ১৪ স্টোনের ম্যাজিকাল মাঝমাঠের দৌড়ের জন্য। এদিক ওদিক ডিফেন্সের প্লেয়াররা কেটে যাচ্ছে , বল ১৪ স্টোনের পায়ে আঠার মতো সেঁটে আছে'

- মারাদোনা। দ্রুত গতি ড্রিবল - একের পর এক ডিফেন্ডার কেটে যাচ্ছে - শিয়ার ম্যাজিক


Avatar: aranya

Re: আমার টিম, তোমার টিম

ইংলন্ডের বিরুদ্ধে ঐ একটা দৌড় - মনে হয় এ পৃথিবী দেখেনিকো আর - পেলে, গ্যারিঞ্চা বা জর্জ বেস্ট-এর সময় ড্রিবলার-দের গতি যেন একটু কম ছিল
Avatar: sm

Re: আমার টিম, তোমার টিম

binary, কসমসের সঙ্গে খেলার কথা লিখলো না!পেলের আসল নাম কি, কতো টাকায় পা এর ইন্সুরেন্স, বেকেনবাও়ার কতো বড় ডিফেন্ডার,এসব নিয়ে তো পাড়া মশগুল থাকতো।
লোকের বাড়ির জানলা দিয়েও ,পাড়ার লোকজন টিভি দেখতো। যার বাড়িতে টিভি ছিলো তার আলাদা সম্মান।
এরপর বিশ্বকাপ দেখা শুরু। মারিও কেম্পেস এর ঝাঁকরা চুল, দ্রুত গতিতে কোমরের ভাঁজে ডিফেন্ডার দের কাটিয়ে জাল ছিঁড়ে দেওয়ার মতন শট!
ওগুলো ভুলবো না। পুরো নস্টালজিয়া। তবে পাড়ার প্রত্যেকের মুখেই বেশ আমোদ এর রেশ থাকত। এটা এখন ও আছে। তবে লক্ষ্যনীয় ভাবে কম।
এর পর স্মৃতিতে আছে, শ্যাম থাপার ব্যকভলি, ইস্টবেঙ্গলের কোরিয়ান টিম পিয়ং ইয়ং কে হারানো, সোভিয়েত টিম আরারাত এর সামনে মোহামেডানের চার গোল খাওয়া ও পরে ম্যাচে মোহনবাগানের ২-২ ড্র।
চিন্ময়ের ব্যাক পাস,ইডেনে তেরো জনের মৃত্যু!
স্কুলে পড়ার সময় লাইন দিয়ে ইস্ট -মোহন ম্যাচের টিকিট কাটা।
লাইন চলে যেতো স্টেডিয়াম থেকে তেরো নম্বর ট্যাংক অবধি।দাম মাত্র তিন টাকা!
ওই স্টেডিয়ামেই সাক্ষাৎ করা, বুরুচাগা, স্মলারেক, লাজলো কিস দের।
এখন বিশ্বকাপ টিভি তে দেখি। ভালো লাগে। তবে ওই আর কি!আমেজ টা হারিয়ে গেছে।

Avatar: Binary

Re: আমার টিম, তোমার টিম

এডসন আরান্তেস দু নাসিমেন্তো :)
Avatar: সৈকত

Re: আমার টিম, তোমার টিম

মাইকেল লড্রাপ কি ২০০২ নাকি ? সে তার ভাই ব্রায়ান লড্রাপের সাথে ১৯৮৬-তে বিশ্বকাপ খেলল না ? সেবার তো ডেনমার্ক ডার্ক হর্স, সমর্থকদের শ্লোগান ছিল "উই আর রেড, উই আর হোয়াইট, উই আর ডেনিশ ডায়ানামাইট", গ্রুপে উরুগুয়েকে ৬-০, তারপরের রাউণ্ডে স্পেনের কাছে ৫-১ -এ হারল। এমিলিও বুত্রাগুয়েনোর চার গোল !!

মনে আ্ছে এসব।


Avatar: sm

Re: আমার টিম, তোমার টিম

ঠিক ঠিক, বুত্রাগুয়েনো। স্পেন এ পাহাড়ি শকুন নামে নাকি পরিচিত। সবই এবিপি কৃপা।অথেনটিক তথ্য সূত্র! তখন তো ইন্টারনেট নামে ফালতু জিনিস ছিল না।
তবে, পুস্পেন সরকার আর অজয় বোসের কমেন্ট্রি কিন্তু ভোলার জিনিস নয়।
বাদ গেছে বিশ্বকাপ নিয়ে পি কের এনালাইসিস!
ভাস্কর, শিবাজী এদের গোল কিপিং দারুন লাগতো।
সমরেশ,সুরজিৎ আর গৌতম ছিল বেশ পছন্দের প্লেয়ার।
Avatar: Binary

Re: আমার টিম, তোমার টিম

না না লাদ্রপ ০২ না । তার আগে । কিন্তু ০২ তেও ন্যাশনাল হিরো । ০২ তারকা ছিল টোমাসেন
Avatar: h

Re: আমার টিম, তোমার টিম

জ্জিও
Avatar: SM

Re: আমার টিম, তোমার টিম

৮৬ ডেনমার্কে এ ছিলো এলকেজার ।।হ্যাটট্রিক করেছিলে উরুগুয়ে এর এগেইনস্ট এ
Avatar: T

Re: আমার টিম, তোমার টিম

উই আর রেড, উই আর হোয়াইট, উই আর ডেনিশ ডায়ানামাইট" এই শ্লোগানটা ডেনমার্কের ইউরো কাপ জেতার সময় চালু হয়েছিলো না?
Avatar: h

Re: আমার টিম, তোমার টিম

ডেনমার্ক একবার ফস করে ইউরো জিতে গেলো সেটা কত সাল।
Avatar: Netai

Re: আমার টিম, তোমার টিম

৯২ বোধয়।
কোয়ালিফাই করেনি। একরকম ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি। আর শেষে চ্যাম্পিয়ান। জার্মানিকে হারিয়ে। সৌয্ন্যে লাউড্রপ ব্রাদার্স।
Avatar: N

Re: আমার টিম, তোমার টিম

যুগোস্লোভিয়ার বদলি হয়ে ঢুকেছিল।
Avatar: সৈকত

Re: আমার টিম, তোমার টিম

উই আর রেড ইত্যাদি, ৮৬র বিশ্বকাপের সময়ে প্রথম মোটামুটি -

https://footballpink.net/2015/11/12/we-are-red-we-are-white-we-are-dan
ish-dynamite/


লেখাটা পড়তে গিয়ে মনে পড়ল, স্পেনের সাথে ডেনমার্ক ছারেখারে হয়ে গেছিল counter attack-এর ধাক্কায়।


Avatar: Ishan

Re: আমার টিম, তোমার টিম

আমি সেদিন আপিসের ক্যাফেতে গিয়ে দেখি নাইজেরিয়া খেলছে আর্জেন্টিনার সঙ্গে। ড্র চলছে। আশি মিনিট না কত একটা চলছিল। আমার চিমা-এমেকার কথা মনে পড়ল। খুব উৎসাহ নিয়ে ভাবলাম আর দশ মিনিট দেখেই নিই। হাজার হোক চিমা-এমেকার টিম। ও মা কোথায় কী। সঙ্গে সঙ্গে গোল দিয়ে দিল আর্জেন্টিনা। ফিরে এসে দেখি ফেবু জুড়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস। আমাদের চিমা আমাদের এমেকার কথা কেউ মনে রাখেনি। সবই গ্ল্যামারের কারবার। একটু দুঃখই হল। তবে শকার-ভক্তদের কাছ থেক আর কীইইবা আশা করা যায়।
Avatar: paps

Re: আমার টিম, তোমার টিম

এলবোট চুল কী জিনিস? এটা কি অ্য়ালবার্ট কাটের অপভ্রংশ?

Avatar: Ishan

Re: আমার টিম, তোমার টিম

ডেনমার্কের কথা মনে আছে। ওই একটা বিশ্বকাপই আমি দেখেছি। এম্লিও বুত্রাগুয়েনোর স্পেন বোধহয় ৫ গোল দিয়েছিল। আর মারাদোনাকেও মনে আছে। সবাই ইংল্যান্ড আর বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গোলের কথা বলে। কিন্তু ইংল্যান্ডের সঙ্গে একটা গোল মিস করেছিলেন মারাদোনা, সে এখনও মনে আছে।
Avatar: Binary

Re: আমার টিম, তোমার টিম

সবাই ১৯৮৬ -র ডেনমার্ক বলছে । ২০০২ বলছে না । ২০০২ তেওঁ ডেনমার্ক গ্রূপ লিগে ফাটাফাটি খেলেছিল । ফ্রান্স উরুগুয়ে কে হারিয়েছিল । তবে ওই যা হয় আর কি , বরাবরের চোকার্স , রাউন্ড ১৬ -এ ইংল্যান্ডের কাছে তিন গোল খেয়ে গ্যালো ।
Avatar: দেব দেবাশীষ

Re: আমার টিম, তোমার টিম

সুন্দর লিখেছেন
Avatar: দ্রি

Re: আমার টিম, তোমার টিম

আমাদের জেনারেশানের কালেক্টিভ মেমোরি বলতেই ১৯৮৬র ওয়ার্ল্ড কাপ। স্পেন, ডেনমার্ক, বুত্রাজেনো, মারাদোনা। এবং ফাইনালে ভয় ধরিয়ে দেওয়া দুই গোলদাতা রুমেনিগে ও ক্লিন্সম্যান। ঐ প্রথম ভারতে ওয়ার্ল্ড কাপ প্রপারলি টেলিকাস্ট হয়েছিল।

মারিও কেম্পেস অনেক আগের কথা। ওগুলো কি লাইভ টেলিকাস্ট হয়েছিল? হাইলাইটস দেখাতো হয়ত। তখন আমাদের টিভি ছিলো না।

কলকাতা ক্লাব ফুটবলে যেমন নাইজিরিয়ান কানেকশান আছে, ইরানী কানেকশানও আছে। মজিদ বাসকার ও জামশেদ নাসিরি। এদের কথা ভাবলে ইরানেরো একটু সাপোর্ট প্রাপ্য।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন