রাণা আলম RSS feed

রাণা আলম এর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...
  • চন্দ্রযান-উন্মত্ততা এবং আমাদের বিজ্ঞান গবেষণা
    চন্দ্রযান-২ চাঁদের মাটিতে ঠিকঠাক নামতে পারেনি, তার ঠিক কী যে সমস্যা হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে তর্কাতর্কি, সরকারের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে । প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে ইসরো-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীরা ...
  • দেশত্যাগ...
    আমার এক বন্ধু ওর একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিল। আমি হাতে নেওয়ার সময় কার্ডটা দেখে বুঝতে পারলাম কার্ডটা গতানুগতিক কোন কার্ড না, বেশ দামি বলা চলে। আমি বাহ! বলে কাজ শেষ করে দিলাম। আমি আমার বন্ধুকে চিনি, ওর কার্ডের প্রতি এরচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে ও আমার মাথা ...
  • পাঠকের সঙ্গে তাদের হয় না কো দেখা
    মানস চক্রবর্তীকবিতা কি বিনােদনসামগ্রী? তর্ক এ নিয়ে আপাতত নয়। কবিতা কি আদৌ কোনাে সামগ্রী? কোনাে কিছুকে পণ্য হয়ে উঠতে হলেও তার একটা যােগ্যতা দরকার হয়। আজকের দিনে কবিতা সে-অবস্থায় আদৌ আছে কি না সবার আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কবিতা নামে একটা ব্যাপার আছে, ...
  • হে মোর দেবতা
    তোমারি তুলনা তুমি....আজ তাঁর জন্মদিন। আমার জংলা ডায়রির কয়েকটা ছেঁড়া পাতা উড়িয়ে দিলুম তাঁর ফেলে যাওয়া পথে।দাঁড়াও পথিকবর....জন্ম যদি তব অরণ্যে," সবুজ কাগজেসবুজেরা লেখে কবিতাপৃথিবী এখন তাদের হাতের মুঠোয়"(বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)মহাভারত...
  • বেকার ও সমীকরণ
    'বেকার'-এই শব্দটি আমাকে আজন্ম বিস্মিত করেছে। বাংলায় লেখাপড়া শিখে, এমনকী একাদশ শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে, সে কী বাংলায় পদার্থবিদ্যার বিদ্যা বালানীয় চর্চা! যেমন, 'ও বিন্দুর সাপেক্ষে ভ্রামক লইয়া পাই।' ভ্রামক কি রে? ভ্রম না ভ্রমণের কাছাকাছি? না, ভ্রামকের ...
  • ধানবাদের রায়বাবু
    অরূপ বসুবেশ কয়েকমাস আগে লিখেছিলাম, ভাল নেই ধানবাদের রায়বাবু। অরুণকুমার রায়ের স্মিত হাসিমুখ ছবির সঙ্গে সেই খবর পড়ে অনেকেই বিচলিত হয়েছিলেন। এখন লিখতে হচ্ছে, ধানবাদের রায়বাবু আর নেই! যে খবর ইতিমধ্যেই অনেকের হৃদয়, মন বিবশ করেছে। রায়বাবু নেই, কিন্তু ...
  • চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর
    চন্দ্রযান-৩ যখন ফাইনালি টুক করে চাঁদে নেমেই পড়ল তখন 'বিশ্বে সে কী কলরব, সে কী মা ভক্তি, সে কী মা হর্ষ'-র মধ্যে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল একটা ছবি বানাবে। চন্দ্রযান-১ যখন চাঁদে গেছিল, তখন একটুও ফুটেজ পায়নি। কিন্তু তারপর মঙ্গলযান নিয়ে একটা আস্ত ছবি হয়ে ...
  • পাখিদের পাঠশালা
    'আচ্ছা, সারা দেশে মোট কতজন ক্যান্ডিডেট এই পরীক্ষাটা দেয়?', লোকটা সিগারেটে একটা টান দিয়ে প্রশ্ন করলো।-'জানা নেই। তবে লাখ দশেক তো হবেই।', আমি বললাম।- 'বাব্বা! এতজন! সিট কতো ?'-'বলতে পারব না। ভাল কলেজ পেতে গেলে মেরিট লিস্টে যথেষ্ট ওপরে নাম থাকতে হবে।'-' তার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ফারহা জারীনের কথা

রাণা আলম

আপনি ফারহা জারীন কে চিনবেন না।চেনার কথাও নয়।তিনি একডাকে চিনে ফেলার মতন কোনো কেউকেটাও নন। এবার যদি আপনি এন্টালি’র বাসিন্দা হয়ে থাকেন বা ওই চত্বর দিয়ে যাতায়াত থাকে তাহলে দেখে থাকতেও পারেন।মেরেকেটে পাঁচফুট উচ্চতা, ক্ষয়াটে চেহারা,কাঠির মতন হাত পা, মাথায় ওড়না। আর কাঁধে একটা পুরোনো ব্যাগ।তালতলা থানা থেকে ডানদিকে যে রাস্তাটা ঢুকে গেছে,তার কিছু অলিগলি পেরিয়ে একটা গলির ভিতরে তিনতলায় একটা দুকামরার ফ্ল্যাটে উনি থাকেন।

দাঁড়ান। এই ‘থাকেন’ শব্দটা সর্বার্থে সত্য নয়। উনি ওই ফ্ল্যাটে থাকেন রাত আটটা থেকে সকাল আটটা অব্দি। তাহলে কি উনি নটা-সাতটার চাকরি করেন? না সার, তা নয়। ওনার ফ্ল্যাটে থাকার মেয়াদ ওই রাত আটটা থেকে সকাল আটটা অব্দি। রাত আটটায় ফ্ল্যাটের চাবি তার জন্যে খুলে দেওয়া হয় আর সকাল আটটায় তাকে ফ্ল্যাট থেকে বের করে দেওয়া হয়। সারাটা দিন ফারহা জারীন কাঁধে একটা পুরোনো ব্যাগ নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরেন। পার্কে বসে থাকেন।বন্ধ বাড়ির দরজার সামনে বসে থাকেন। রাস্তায় বেওয়ারিশ কুকুর বেড়াল যেভাবে বসে থাকে, উনিও সেভাবেই বসে থাকেন।

এতটা পড়ে আপনার মনে হতেই পারে, কলকাতা শহরটায় অগুন্তি গরিব,তাদের অনেকের মাথায় ছাদটুকুও নেই। এনার জন্যে তো একটা আস্ত ফ্ল্যাট রয়েছে। দিনের বাকি সময়টুকু তো কাজ করলেই পেট চলে যায়। তাই না?
এখানে একটু ব্যখ্যান দেওয়া দরকার। তিনতলার ঘুপচি খাড়া সিঁড়ি বেয়ে যে ফ্ল্যাটে ফারহা জারীন রাত কাটান, তাতে ইলেকট্রিক কানেকশন নেই। জলের লাইন নেই।নিচের কল থেকে জল তুলতে হয়।ফারহা জারীন শারীরিকভাবে খুব দুর্বল।ঠান্ডার ধাত। আর পেটে সেরম বিদ্যে নেই যাতে আপিসের চাকরি জুটবে।ফলে কাজের লোক হিসেবে বিভিন্ন বাড়িতে কাজের চেষ্টা করেন নি তা নয়, কিন্তু কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বারংবার।

যদি অ্যাদ্দূর আপনি ক্ষমাঘেন্না করে পড়ে থাকেন, তাহলে প্রশ্নটা আসে এরম, যে থাকার জন্য যেরমই হোক একটা ফ্ল্যাট রয়েছে, অথচ এত খারাপ অবস্থা। কি করে?

উত্তরটা দিই।বছর বত্রিশের ফারহা জারীন একটি আপাত স্বচ্ছল বাড়ির সন্তান। ক্লাস সেভেন এইটে পড়ার সময় বাড়ি থেকে তার বিয়ে দেওয়া হয় উত্তরবঙ্গের এক চাষী বাড়িতে। ছেলেটি কলকাতায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করতো। বিয়ের শর্ত ছিল ফারহার বাড়ির লোক একটা মোটা টাকা পাত্রকে পণ হিসেবে দেবেন যাতে সে ব্যবসা করে দাঁড়াতে পারে।দয়া করে চোখ কপালে তুলবেন না সার, খুব শিক্ষিত বাড়িগুলোও আজ অব্দি টাকা পয়সা না হোক,টিভি, ফ্রিজ, আলমারি ইত্যাদি পণের ধারণা থেকে বেরোতে পারেনি।কিন্তু সে পণ দেওয়া হয়নি পরবর্তীকালে। আর পণের দাবীতে ফারহার উপর অত্যাচার চলতে থাকে। ইতিমধ্যেই জন্ম হয় একটি কন্যা সন্তানের। অভাবের সংসারে ঝামেলা বাড়তেই থাকে। ফারহাকে একদিন পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়।বাবা-কাকার হাত ধরে ফারহা ফিরে বাপের বাড়িতে। তার কন্যাসন্তানটি থেকে যায় শ্বশুর বাড়িতেই। তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে।এবং ফারহাকে বাড়িতে ফেরাতে অস্বীকার করে।

কিছুকাল পর ফারহাকে তার বাপের বাড়ি থেকে জানানো হয় যেন সে শ্বশুরবাড়ি ফিরে যায় কারণ এখানে সে অন্যের সংসারে ভিড় বাড়াচ্ছে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি তো আগেই ফারহাকে ফেরাতে অস্বীকার করেছে। এক রাত্তিরে ফারহাকে রাস্তায় বের করে দেওয়া হয়।স্থানীয় লোকজন আর তালতলা পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের তালতলার ফ্ল্যাটে ফারহা রাতটুকু কাটানোর অনুমতি পায়।তার বাড়ির লোকজন দক্ষিণের দিকে নতুন বাড়ি করে চলে যান।
সেদিন থেকে ইলেকট্রিক কানেকশন আর জলের লাইন বিহীন ফ্ল্যাটে নিঃস্ব ফারহা জারীন দিন কাটাচ্ছেন। প্রথমে ব্যাগের কারখানায় দৈনিক ভিত্তিতে সেলাই-এর কাজ করতেন।ছোটো থেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন।সঠিক খাবারের অভাব আর মানসিক চাপে শরীর ভাঙ্গতে থাকে। উনি কাজটা হারান।লোকের বাড়িতে কাজ করার চেষ্টা করেন।সেটাও কন্টিনিউ করতে পারেন না। প্রায় না খেয়ে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে দিন কাটছিল তার।এরমধ্যে বারবার গিয়েছেন নিজের বাবা-মা’র কাছে। ঘরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মারধোর জুটেছে।উচ্চবিত্ত স্বচ্ছল মামাদের কাছে গিয়েছেন। সেখানেও গলাধাক্কা জুটেছে।দক্ষিণের শহরতলিতে নিজের বাড়ির দরজার সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকেছেন। কেঁদেছেন। চিৎকার করে বাবা-মাকে ডেকেছেন, ভাই কে ডেকেছেন। দরজা খোলেনি কেউ।

এভাবেই একদিন তার পাশে দাঁড়ান কিছু শুভানুধ্যায়ী। ফারহা জারীনের এক দূর সম্পর্কের প্রবাসী আত্মীয় তার অবস্থার কথা জানতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। খাবারের অভাবটা দূর হয়।তাকে বাড়িতে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়। তার বাবা-মা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তারা ফারহা কে বাড়িতে রাখতে চান না।সে যেন তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যায়।শ্বশুরবাড়িতে যোগাযোগ করা হলে সেদিক থেকেও কোনো পজিটিভ রেস্পন্স আসেনি।জোর করে পাঠানো যেতে পারে সেক্ষেত্রে আবার অত্যাচারের সম্ভবনা থেকে যাচ্ছে। খোরপোষের কথা ভাবা হয়েছিল, ফারহা জানাচ্ছেন যে শ্বশুরবাড়ি খুব গরিব,তারা খোরপোষ দিতে পারবেনা।

এমতাবস্থায়, যোধপুর পার্কের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যোগাযোগ করা হয়।তাদের সাহায্যে ফারহা জারীনের জন্যে হোমের ব্যবস্থা হয়।

এবার আপনার মনে হতেই পারে যে একটা সুরাহা তো হয়েই গেছে,তাহলে এতকথা লিখছি ক্যানো?

লিখছি তার কারণ ফারহা জারীন খুব অসুস্থ। তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ডক্টর জয়ন্ত দাস যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে।তারপর অধ্যাপিকা জয়ন্তী সেনের সুবাদে যাওয়া হয় নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে হেমাটলজি’র ডক্টর শর্মিষ্ঠা দে যথেষ্ট সাহায্য করেন। ফারহা জারীন সিভিয়ার অ্যানিমিক।ফুসফুসে জল জমেছে।খেতে পারছেন না।বমি হয়ে যাচ্ছে।কিছু টেস্ট করা হয়েছে আর কয়েকটা টেস্ট বাকি রয়েছে।

চিকিৎসা না হয় কোনোভাবে হয়ে যাবে। সুস্থ হলেই তাকে হোমেও পাঠানো হবে।যদিও যেপরিমাণ যত্ন তার দরকার সেটা এখনও হয়ে উঠছেনা। কিন্তু তাতেই কি সব ঠিক হবে?

প্রায় হাফ-দশকের বেশি সময় ধরে ফারহা জারীন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। এই প্রবল একাকীত্বের ট্রমা, একমাত্র কন্যাকে ছেড়ে থাকার ট্রমা, সব সেরে যাবে কি?

ফারহা জারীন এখনও আশায় আছেন যে একদিন তারা বাবা-মা তাকে ফিরিয়ে নেবেন। নিজের মেয়েকে নিজের কাছে রাখতে পারবেন।তাকে আবার দেখতে পাবেন।সেই আশায় তিনি মেয়েকে দেখবেন বলে উত্তরবঙ্গের বাস ধরতে যান। পাগলের মতন বাবা-মা’র কাছে ছুটে যান। নিষ্ঠুর প্রত্যাখান জোটে কপালে।আত্মীয়রা মুখ ফিরিয়ে নেয়।জন্মদাতা বাবা-মা প্রকাশ্যেই বলেন যে এত কষ্ট করে বাঁচার কি দরকার? মরে গেলেই তো পারে।

সত্যিই তো। ফারহা জারীন রা মরে গেলেই পারেন।কি দরকার ছিল মেয়ে হয়ে জন্মে সংসারের বোঝা বাড়াবার?

একটা দিনের কথা বলি। ফারহা জারীন চুপ করে বসে আছেন।গিয়ে দেখি,সামনে কটা পুরোনো ছবি রাখা। তার ছোটোবেলার ছবি। পাঁচ বছরের ফারহা জারীন।সঙ্গে বাবা-মা। সুখী পরিবারের ছবি। আরেকটা ফারহার মেয়ের ছবি।বছর সাতেকের একটা মিষ্টি মেয়ের ছবি। ফারহা জারীনের দুচোখ দিয়ে জলের ধারা নামছে। কোনো শব্দ নেই। আমাকে দেখে বললেন,
‘ভাইয়া, মেয়েটাকে নবছর দেখিনি। কতবড় হয়ে গেছে এখন।তাই না?ও কি জানে ওর মা এখনও বেঁচে আছে। ওর মা এখনও ওকে দেখতে চায়’।

সব প্রশ্নের উত্তর থাকেনা।আমার কাছেও ছিলনা।

এন্টালির রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন ফারহা জারীন।মেরেকেটে পাঁচফুট উচ্চতা, ক্ষয়াটে চেহারা, ফ্যাকাশে চোখ,কাঠির মতন হাত পা, মাথায় ওড়না। আর কাঁধে একটা পুরোনো ব্যাগ।অপেক্ষা করছেন কখন ফ্ল্যাটের দরজাটা খুলবে।অন্ধকার ফ্ল্যাটে মোমবাতি জ্বালিয়ে বসবেন তিনি।সেটাও তাকে হিসেব করে জ্বালাতে হবে।যাতে অন্তত দুদিন সেটা চালানো যায়।তারপর কিছু খাওয়ার চেষ্টা করবেন।রুটি আর তরকারি।মুখে দিলেই বমি আসবে তার।অগত্যা জল খেয়ে শুয়ে পড়বেন।অন্ধকার ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দেবে রাতের আকাশ।অসহায় বিপন্ন চোখে ফারহা জারীন নিভে যাওয়া তারাদের মধ্যে খুঁজবেন তার মেয়ের মুখ।কালকের দিনটা বাঁচার কারণ।

আমার শহর কলকাতা, আমরা কি কিছুই করতে পারিনা?


311 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: pi

Re: ফারহা জারীনের কথা

কী করা সম্ভব, রাণা?
Avatar: কালকেতু

Re: ফারহা জারীনের কথা

দেশে আইন-আদালত সব বোধহয় অন্ধ হয়ে গেছে। এইভাবে যারা অত্যাচার করে, সেই শয়তানগুলোকে ধরে জেলে পুরতে পারে না?
Avatar: দ

Re: ফারহা জারীনের কথা

কী করতে পারি জানাবেন রাণা।
Avatar: T

Re: ফারহা জারীনের কথা

কী করা যায় জানাবেন।
Avatar: রাণা আলম

Re: ফারহা জারীনের কথা

আগামীকাল নীলরতন সরকার মেডিক্যালে ফারহা জারীন কে দেখানো হবে। রিপোর্ট দেখে লোকাল ডাক্তার বললেন পালমোনারি টিবি হয়েছে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন