সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...
  • চন্দ্রযান-উন্মত্ততা এবং আমাদের বিজ্ঞান গবেষণা
    চন্দ্রযান-২ চাঁদের মাটিতে ঠিকঠাক নামতে পারেনি, তার ঠিক কী যে সমস্যা হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে তর্কাতর্কি, সরকারের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে । প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে ইসরো-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীরা ...
  • দেশত্যাগ...
    আমার এক বন্ধু ওর একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিল। আমি হাতে নেওয়ার সময় কার্ডটা দেখে বুঝতে পারলাম কার্ডটা গতানুগতিক কোন কার্ড না, বেশ দামি বলা চলে। আমি বাহ! বলে কাজ শেষ করে দিলাম। আমি আমার বন্ধুকে চিনি, ওর কার্ডের প্রতি এরচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে ও আমার মাথা ...
  • পাঠকের সঙ্গে তাদের হয় না কো দেখা
    মানস চক্রবর্তীকবিতা কি বিনােদনসামগ্রী? তর্ক এ নিয়ে আপাতত নয়। কবিতা কি আদৌ কোনাে সামগ্রী? কোনাে কিছুকে পণ্য হয়ে উঠতে হলেও তার একটা যােগ্যতা দরকার হয়। আজকের দিনে কবিতা সে-অবস্থায় আদৌ আছে কি না সবার আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কবিতা নামে একটা ব্যাপার আছে, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমার ভাই মানব~

বিপ্লব রহমান

আমার বড় ভাই মানব নকশাল আমলের বিপ্লবী ছিলেন। সদ্য প্রয়াত বাবা আজিজ মেহেরের (৮৬) সাবেক দল পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (মতিন-আলাউদ্দীন) সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। হাইস্কুলে পড়ার সময় ভাষানীর সন্তোষের সম্মেলন করেছিলেন। এইসব করতে গিয়ে সে সময় শত্রু পক্ষের গুলি লেগেছিল তার পায়ে। এখনো তার পায়ে সেই চিহ্ন রয়েছে।

সাতের দশকে আমার ভাই সব ছেড়ে দিয়ে পপ সম্রাট আজম খানের গানের দলে যোগ দেন। তিনি ছিলেন তার অন্যতম গিটারিস্ট। সে সময় গুলিস্তানে চো চিংচো চাইনিজ রেস্তোরাঁয় আজম খানের সংগে অনেক কনসার্ট করেছিলেন।
আরও পড়ুন...

মৎস্য পুরান

Binary

মৎস্য পুরান (১)
----------------------
সেদিন ভোররাতে একটা পুরোনো সপ্ন দেখলো মিতুল। স্বপ্ন না বলে বহুযুগ আগের স্মৃতি ভেসে ওঠার মতো ব্যাপার মনে হলো। একটা আড়েবহরে তিনফুট বাই চারফুটের একুরিয়ামের কাঁচের ওই পাশে একটা গোল্ডফিস। প্রায় স্থির চোখে তাকিয়ে আছে। সাইজে প্রায় মিতুলের মাথার সমান বড়ো।
***
একুরিয়ামটা যেরকম মিতুলদের পুরোনো বনেদি বাড়ির টানা বারান্দার পশ্চিম কোনে থাকতো। ইস্কুল থেকে বিকেল তিনটের দিকে ফিরে কাঁধের ব্যাগ (যার ওজন প্রায় মন খানেক মনে হতো তখন) হেঁইও বলে ঘরে ছুঁড়ে ফেলে , একু

আরও পড়ুন...

বন্ধু...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আজ আমার বন্ধুর গার্ল ফ্রেন্ডের গায়ে হলুদ। আগামি কাল বিয়ে। যদি হিসেব নিকেশ ঠিক থাকত তাহলে এই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমরা। বিশেষ করে আমি। আমি তাদের সম্পর্কের মাঝে এত উতপ্রত ভাবে জরিয়ে ছিলাম যে এখন ভাবতে অবাক লাগে। প্রেমে ঝগড়া থাকবেই আর আমি এই জীবনে প্রেমের ফাঁদে না পরেও দারুন ভাবে জানতাম এই দুইজনের কল্যাণে। যে কোন এক তরফ থেকে নোটিস পেতাম অন্য জন কি কি জঘন্য কাজ তার সাথে করেছে, কত বড় অন্যায় তার সাথে হয়েছে। আমার দায়িত্ব ছিল অপর পক্ষ কে বুঝিয়ে নতি স্বীকার করানো যে সে আসলেই মারাত্মক অন্যায় করে ফেলেছে, এ

আরও পড়ুন...

কলকাতায় কানহাইয়া।

Prativa Sarker

আমার একান্ত অনুরোধে কারা এই পোস্ট এড়িয়ে যাবেন ?
যারা কমরেড কানহাইয়া কি বলেছেন সেটা নিয়ে কোন আলোচনা করেননি,অথচ যা বলেননি তা কেন বলেননি, তার উদ্দেশ্য কি, তা নিয়ে বেজায় ভাবিত, যারা বিশ্বাস করেন কর্তৃত্ববাদী বামপন্থা ভারী কাজের কথা। আর যারা জানেন না বা জেনেও মানেন না যে গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ রক্ষক হিসেবে একটা বামপন্থী সরকারের কাছে মানুষের সঙ্গত বা অসঙ্গত কি বিপুল প্রত্যাশা থাকে, আর কি গভীর সহনশীলতার সঙ্গে বামেরা সেইসব প্রত্যাশার যত্ন নেয় !

অনুগ্রহ করে তারা এই লেখা ইগ্নোর করুন।
আরও পড়ুন...

নীলতিমি

Zarifah Zahan

সিলেবাসডোবায় বেশ একখানা কাঁটাসর্বস্ব পদ্ম ফুটত পরীক্ষার নামে, ফি বছর। সুখ অবশ্যি বেশি গিজগিজ করলে, গুপ্ত বিষফোঁড়ার মত 'মিনি'পরীক্ষা কখনো সখনো কপালে টোকা মেরে যেত, বছরের বাকি সময়েও। কোয়ার্টারলি, হাফ ইয়ার্লি। কখনো বা 'সারপ্রাইজ' অ্যাবস্ট্র‍্যাক্ট নাউন, পায়চারি-টাইমে চটি ছিঁড়ে সেফটিপিন খুঁজতে খুঁজতে টেস্ট এর ঘাড়ে লেজুড়। হাতে হ্যালোজেন, মনে অ্যাডজেক্টিভবোধের বান।
স্রেফ আঁতলামি প্রয়াস। 'দেখ বাপু, তোর কত ভাল চাই' এর মুখোশ পরে মাথায় গাঁট্টা মারা সুপিরিয়রবিন্যাস আর আমার মত গামবাটদের মুখ গোমড়া-চোখ লা

আরও পড়ুন...

পারফিউম

সুকান্ত ঘোষ

এত প্রশ্ন আমাকে আগে কেউ করেছে কিনা আমার ঠিক মনে পড়ল না। সেই প্রশ্ন কর্তাদের লিষ্টে অন্তর্ভুক্ত আছেঃ

১। অ্যালাপ্যাথি ডাক্তার।

হোমিওপ্যাথি ডাক্তার নয় কিন্তু – তাদের আবার বিরাট রেঞ্জের প্রশ্ন ক্ষেপণের স্বভাব আছে। আমাদের নিমো বাস স্ট্যান্ডের নারাণ ডাক্তার আমার লাইফ প্রশ্নবাণে যাকে বলে জর্জরিত করে দিয়েছিল একবার। সেবার ডান হাতের তর্জনীর তালুর দিকে একটা কি ফোঁড়ার মতন হল – মাল আর ফাটছে না, এদিকে উইকেট কিপিং করতে গিয়ে দেদার লাগছে। বেশ ভজকট অবস্থা। বাপকে বলতেও পারছি না যে কিপিং করতে অসুব

আরও পড়ুন...

বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#2

Ashoke Mukhopadhyay

[৩] যাদুবিদ্যা ও ধর্ম

পৃথিবীর সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই প্রথম যুগে এই ম্যাজিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু কেন? আসুন, এবার আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি।

সমাজ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে দেখা যাবে, ধর্মের উদ্ভবের সময়কালের সাথে এই যাদুবিদ্যার আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের পার্থক্য দিয়েই সেই উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে। মনে রাখতে হবে, ম্যাজিক সংস্কৃতির বিকাশ ও বিস্তারের সময় হচ্ছে প্রস্তর যুগের সংগ্রহ ও শিকার ভিত্তিক যাযাবর আদিম সাম্যবাদী জ্ঞাতিগোষ্ঠীভিত্তিক সমাজ সংগঠন। আর ধর্মের উদ্ভব

আরও পড়ুন...

আমার বাবার বাড়ি

Shakti kar bhowmik

আমাদের যাদের বয়েস স্বাধীনতার বয়েসের পাশাপাশি তারা ছোটবেলায় প্রায়ই একটা অদ্ভুত প্রশ্নের মুখোমুখি হতাম, দেশ কই? উত্তরে যে দেশের নাম বলার রীতি ছিলো যেমন ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, নোয়াখালী সব ছিলো ভারতের ম্যাপের বাইরে সবুজ এলাকায়। আবার সদ্যস্বাধীন দেশে আমরা খুব আবেগবিহ্বল গান শুনি -ভারত আমার ভারতবর্ষ স্বদেশ আমার স্বর্গ গো ..., স্বদেশের বাইরে দেশ? বন্ধুরা কেউ কেউ ছুটি ছাটায় পাসপোর্ট করে দেশে যায় - আমরা যাইনা কারণ বাবা জ্যেঠারা দেশভাগের আগেই দেশ ছেড়েছেন। দাদু ঠাকুমাও নেই। পাসপোর্টের ব্যাপার ঠিক বুঝি না ত

আরও পড়ুন...

পরীবালার দিনকাল


--
এ: যত তাড়াতাড়িই কর না কেন, সেই সন্ধ্যে হয়ে এলো ----- খুব বিরক্ত হয়ে ছবির মা আকাশের দিকে একবার তাকাল, যদি মেঘ করে বেলা ছোট লেগে থাকে৷ কিন্তু না: আকাশ তকতকে নীল, সন্ধ্যেই হয়ে আসছে৷ এখনও লালবাড়ির বাসনমাজা আর মুনি দের বাড়ি বাসন মাজা, বারান্দামোছা বাকী৷ তারপর বাড়ি গিয়ে কাপড় ছেড়ে এসে মুনিদের বাড়ির পুজোর বাসন মাজতে হবে৷ মুনির দিদা পাঁচবাড়ির বাসনমাজা কাপড়ে পুজোর বাসন মাজতে দেয় না৷ আর বুড়ীর চোখও বলিহারি, ঠিক বুঝে যায় কাচা কাপড় না ছেড়ে রাখা কাপড় পরে এসেছে৷ তবে বুড়ী বকাবকি

আরও পড়ুন...

বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#1

Ashoke Mukhopadhyay

আধুনিক বিজ্ঞানে বস্তুর গতির রহস্য বুঝতে গেলেই বলের প্রসঙ্গ এসে পড়ে। আর দু এক ধাপ এগোলে আবার শক্তির কথাও উঠে যায়। সেই আলোচনা আজকালকার ছাত্ররা স্কুল পর্যায়েই এত সহজে শিখে ফেলে যে তাদের কখনও একবারও মনেই হয় না, এর মধ্যে কোনো রকম জটিলতা আছে বা এক কালে ছিল। কিন্তু আজ থেকে মাত্র দু চার হাজার বছর আগেকার কথা স্মরণ করুন। সেই ইতিহাসের গুহায় ঢুকলে দেখতে পাবেন, তখন অবধি মানুষ জানতই না, বস্তু যে চলে তা কিসের জোরে। তার নিয়ম কী, তার ভিত্তি কী। বল ও শক্তি--এই দুটো ধারণাই যে আদিম মানুষের ম্যাজিক সংস্কৃতির আঁতুরঘর

আরও পড়ুন...

আমার বাবা আজিজ মেহের

বিপ্লব রহমান

আমার বাবা আজিজ মেহের (৮৬) সেদিন সকালে ঘুমের ভেতর হৃদরোগে মারা গেলেন।

সকাল সাড়ে আটটার দিকে (১০ আগস্ট) যখন টেলিফোনে খবরটি পাই, তখন আমি পাতলা আটার রুটি দিয়ে আলু-বরবটি ভাজির নাস্তা খাচ্ছিলাম। মানে রুটি-ভাজি খাওয়া শেষ, রং চায়ে আয়েশ করে চুমুক দিয়ে বাবার কথাই ভাবছিলাম।

আজ তাকে কাছেই সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। দুদিন আগে তিনি পর পর তিনবার বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন। ৮৬ বছর বয়সে এই প্রথম তার পা ফস্কে গেল। নইলে এতো বছর ধরে সব কাজ তিনি একাই করেছেন। অস্বাভাবিক প

আরও পড়ুন...

উপনিষদ মহারাজ

ঋক আর কিছুনা

একটা সিরিজ বানাবার ইচ্ছে হয়েছিলো মাঝে। কেউ পড়েন ভালোমন্দ দুটো সদুপদেশ দিলে ভালো লাগবে । আর হ্যা খুব খুব বেশী বাজে লেখা হয়ে যাচ্ছে মনে হলে জানাবেন কেমন :)
*****************************
"আরে দেখে চলতে পারেন না নাকি, অদ্ভুত লোকজন সব, না মেয়ে দেখলেই ধাক্কা মারতে ইচ্ছে করে"।
ঝাঁ ঝাঁ করে বাক্যবান উড়ে এলো। তাকিয়ে দেখলাম, অল্পবয়সী না, তবে তরুণী, সুন্দরী না তবে মিষ্টি, তন্বী না বরং ঈষৎ পৃথুলা। আমার বয়স এখন ত্রিশ, কিছু না হোক খান দুই জোরালো আর খান পাঁচেক খুচরো প্রেম করেছি। এ বয়েসে এসে খামো

আরও পড়ুন...

চুনো-পুঁটি বনাম রাঘব-বোয়াল

Sushovan Patra

চুনো-পুঁটি’দের দিন গুলো দুরকম। একদিন, যেদিন আপনি বাজারে গিয়ে দেখেন, পটল ৪০ টাকা/কেজি, শসা ৬০ টাকা, আর টোম্যাটো ৮০ টাকা, যেদিন আপনি পাঁচ-দশ টাকার জন্যও দর কষাকষি করেন; সেদিনটা, ‘খারাপ দিন’। আরেক দিন, যেদিন আপনি দেখেন, পটল ৫০ টাকা/কেজি, শসা ৭০ টাকা, আর টোম্যাটো ১০০ টাকা, যেদিন আপনি দাম শুনেই আঁতকে ওঠেন; সেদিনটা ‘আরও খারাপ দিন’। দাম বেড়ে যাবে আন্দাজ করে কেজি খানেক শসা যদি আপনি আগের দিনই বেশী কিনে রাখতেন, তাহলে সেটা হতে পারতো আপনার ‘মাস্টার স্ট্রোক।’ বিজনেসের ভাষায় ‘রিস্কলেস ইনভেস্টমেন্ট’। ঐ যে রিজা

আরও পড়ুন...

আগরতলা নাকি বানভাসি

Shakti kar bhowmik

আগরতলা বানভাসি। দামী ক্যামেরায় তোলা দক্ষ হাতের ফটোগ্রাফ বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে ফেসবুকের ওয়াল। দেখছি অসহায়ের মতো সকাল, দুপুর বিকেল, রাত হোল এখন। চিন্তা হচ্ছে যাঁরা নীচু এলাকায় থাকেন তাঁদের জন্য। আমাদের ছোটবেলায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হোত হাওড়া নদীর বুক ভরে উঠতো লালমাটিগোলা জলের প্রাচুর্যে। মাইকিং হোত, আতঙ্ক হোত, ফাজিল কোন লোক বা লোকেরা চেঁচিয়ে ভয় দেখাতো আইয়ে রে, আইয়ে। শেষ পর্য্যন্ত আমাদের ভয়ে মাখামাখি প্রতীক্ষা উপেক্ষা করে বন্যা আসতো না। ড্রেন উপচে জল ঢোকেনি কখনো। হরিগঙ্গা বসাক রোডে আমার মাতামহের পৈতৃক বাড়

আরও পড়ুন...

ভূতের_গল্প

Abhijit Majumder

পর্ব এক

"মদন, বাবা আমার ঘরে আয়। আর গাছে গাছে খেলে না বাবা। এক্ষুনি ভোর হয়ে যাবে। সুয্যি ঠাকুর উঠল বলে।"

মায়ের গলার আওয়াজ পেয়ে মদনভূত একটু থমকাল। তারপর নারকেলগাছটার মাথা থেকে সুড়ুৎ করে নেমে এল নীচে। মায়ের দিকে তাকিয়ে মুলোর মত বিরাট বিরাট দাঁত বার করে একটা ফিচকে হাসি হেসেই আবার উড়ান দিল পরের গাছটার উদ্দেশ্যে। মায়ের কথা শুনতে আজ ওর ভারি বয়েই গেছে। কতদিন বাদে এসেছে এমন শান্তির রাত। সব্বাই যে যার ঘরে খিল দিয়ে ঘুমোচ্ছে। নয়তো আজকাল রাত হলেও ছেলে-ছোকরারা ঘুমায় না। হাতে কি

আরও পড়ুন...

এমাজনের পেঁপে

একক


একটি তেপায়া কেদারা, একটি জরাগ্রস্ত চৌপাই ও বেপথু তোষক সম্বল করিয়া দুইজনের সংসারখানি যেদিন সাড়ে ১২১ নম্বর অক্রুর দত্ত লেনে আসিয়া দাঁড়াইল, কৌতূহলী প্রতিবেশী বলিতে জুটিয়াছিল কেবল পাড়ার বিড়াল কুতকুতি ও ন্যাজকাটা কুকুর ভোদাই। মধ্য কলিকাতার তস্য গলিতে অতটা আধুনিকতা এখনো প্রবেশ করে নাই যে নূতন ভাড়াটে আসিলেও পড়শীদের কৌতূহল যৎপর্নাস্তি সংবৃত থাকিবে । এই ক্ষেত্রে, মালবাহী টেম্পোর সঙ্গে একটি মধ্যবয়স্ক পুরুষ ও প্রায় চলচ্ছক্তিহীন সত্তরোর্ধ বৃদ্ধা ও সেই তেপায়া কেদারা, জীর্ণ চৌপাই ইত্যাদির বা সবকিছ

আরও পড়ুন...

ব্যক্তিগত হিরোশিমা ডে অথবা ফ্রেন্ডশিপ ডে

ঋক আর কিছুনা

ঘুম থেকে উঠেই দেখি পিতাশ্রী ও মাতাশ্রী হিরোশিমা ডে পালন করছে। পার্ল হারবারে কে বোমা ফেলেছিলো জানিনা কিন্তু মাতারাণী আলমারি খুলে শাড়ি টাড়ি পরে তৈরী। পিতাশ্রী হতাশ ও ভীত গলায় আমায় অনুযোগ করলেন, দেখ না আমি কিচ্ছু বলিনি খালি বলেছি এ বর্ষায় কেউ দই খায় তাতেই কোথায় চলে যাবে বলছে। আমি কোনো রকমে চশমাটা হাতড়ে মশারি টশারি জড়িয়ে বেরিয়ে দেখি, সার সার লুচির লেচি নীরবে চোখের জল ফেলছে, গরম জিলিপি অবহেলায় শুয়ে আছে টেবিলে আর মা কোনো কথার জবাব না দিয়ে ভ্যানিটি ব্যাগেটাকা ঢোকাচ্ছে। অবস্থা কেরোসিন বল্লেও কম আর কি, ত

আরও পড়ুন...

মেয়েদের চোরাগোপ্তা স্ল্যাং-2

Tripti Santra

আমাদের এক্কাদোক্কা বেলায় সে অর্থে কোনো স্ল্যাং নেই। জাতীয় পতাকা উড়লে যেমন কোন সমস্যা নেই, দারিদ্র নেই। ডগডগে সিঁদুরের ক্যামোফ্লেজে যেমন সম্পর্কের শীতলতা নেই। বিজ্ঞাপনের ঢেউয়ে যেমন ভেসে নেই নিয়োগের লাশ।
পাঁচমিশেলি কলোনির খোলা কন্ঠ থাকে। ভাষা থাকে। আর বাবু কলোনির তক্তপোশের খাবলা-খাবলা তোষক ঢাকা রঙিন তাঁতের চাদরে, আর ওপরে ফুলতোলা জয়পুরী বেডশীট। কালেক্ট্রেট-ট্রেজারি-সাড়েদশ পাঁচ, ঝোলভাত-খড়কে কাঠি বিড়ি হুঁকো, ধুতি-পাঞ্জাবী, পাটপাট সফেদ পিতৃতান্ত্রিকতায় আদর্শ মানুষের পাঠক্রম। সেখানে যৌনতা দূরবস্থান

আরও পড়ুন...

মেয়েদের চোরাগোপ্তা স্ল্যাং-2

Tripti Santra

আমাদের এক্কাদোক্কা বেলায় সে অর্থে কোনো স্ল্যাং নেই। জাতীয় পতাকা উড়লে যেমন কোন সমস্যা নেই, দারিদ্র নেই। ডগডগে সিঁদুরের ক্যামোফ্লেজে যেমন সম্পর্কের শীতলতা নেই। বিজ্ঞাপনের ঢেউয়ে যেমন ভেসে নেই নিয়োগের লাশ।
পাঁচমিশেলি কলোনির খোলা কন্ঠ থাকে। ভাষা থাকে। আর বাবু কলোনির তক্তপোশের খাবলা-খাবলা তোষক ঢাকা রঙিন তাঁতের চাদরে, আর ওপরে ফুলতোলা জয়পুরী বেডশীট। কালেক্ট্রেট-ট্রেজারি-সাড়েদশ পাঁচ, ঝোলভাত-খড়কে কাঠি বিড়ি হুঁকো, ধুতি-পাঞ্জাবী, পাটপাট সফেদ পিতৃতান্ত্রিকতায় আদর্শ মানুষের পাঠক্রম। সেখানে যৌনতা দূরবস্থান

আরও পড়ুন...

জাতীয়তাবাদীদের দেশপ্রেম

Arkady Gaider



বিগত কয়েকদিন ধরে ভারতে সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে দেশপ্রেমের দায়ভার যেনো একা হিন্দুত্ববাদীরা নিজেদের ওপর স্বেচ্ছায় নিয়েছে। টিভি, খবরের কাগজ, ফেসবুক, টুইটার,ওয়াটস্যাপ জুড়ে দেশপ্রেমিক হিন্দুত্ববাদীরা বুক বাজিয়ে তাদের দেশপ্রেমের বিজ্ঞাপনের প্রচার করছে সবসময় । আপনি যদি তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন, তাহলেই আপনি হয়ে যাবেন দেশদ্রোহী। দেশের সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলেন, তাহলেই আপনি দেশদ্রোহী। হিন্দুত্ববাদীদের অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক, অগনতান্ত্রিক, অমানবিক ডিসকোর্সের বিরুদ্ধে কিছু বলেন, তাহলেই আপনি দেশদ্রোহ

আরও পড়ুন...

জ্বর আচ্ছা হ্যায়

ঋক আর কিছুনা

জ্বর বন্দী ঘর বন্দী....এমন দিনে লোকে কিই বা করতে পারে জানলা দিয়ে বৃষ্টি দেখা ছাড়া। তাও মা চান করতে গেছে বলেই, নইলে জোলো হাওয়া লাগাচ্ছি দেখলেই চেঁচিয়েমেচিয়ে এক করতো। সকালে উঠে ফের ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘামে বালিশ চাদর তোশক সব নাকি ভিজে গেছে, কি আশ্চর্য ব্যাপার আমি জানবো কি করে! আমি তো শূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছিলাম। জ্বর হলে কষ্টের মাঝেও এই যে ঝিমঝিম ভাব এটাই ভাল্লাগে খালি, স্বপ্ন আর বাস্তব বড় গোলমাল হয়ে যায়। ছোটবেলায় একবার প্যারাটাইফয়েড হয়েছিলাম সেবার প্রথম এই শূন্যমার্গ ভ্রমন হয়েছিলো, সাঁইসাঁই করে কন্ট্রোল

আরও পড়ুন...

উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

souvik ghoshal

প্রথম পর্ব -

উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তালিকা
-------------------------------------
পূর্ব ও মধ্য ভারতীয় ভাষাগুলির মধ্যে
বাংলা – প্যারীচাঁদ মিত্র, বঙ্কিমচন্দ্র, রমেশচন্দ্র সেন,
ওড়িয়া – উমেশচন্দ্র সরকার (পদ্মমালী -১৮৮৮), রামশঙ্কর রায় (বিবাসিনী-১৮৯১/৯২), গোপাল বল্লভ দাস (ভীমা ভুইনা- ১৮৯৮), ফকীরমোহণ সেণাপতি (দু মাণ আঠ গুণ্ঠ-১৮৯৭, মামু-১৯১৩, লাছামা-১৯১৪, প্রায়শ্চিত- ১৯১৫)
অসমীয়া – এ কে গার্ণি (কামিনীকান্তর চরিত্র – ১৮৭৭), পদ্মাবতী দেবী ফুকোনোনি (সুধর্মার উপাখ্যান-

আরও পড়ুন...

আচ্ছে দিন - ১

রৌহিন

স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া সেভিংস ব্যাঙ্কের সুদের হার ৪% থেকে কমিয়ে ৩.৫% করল সম্প্রতি। এবং যা শোনা গেল, স্টেট ব্যাঙ্ক একা নয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশে একে একে সব ব্যাঙ্কেই এটা হবে – অর্থাৎ এখন থেকে আমরা প্রায় সবাই আমাদের গচ্ছিত ধনে প্রাপ্য সুদ কম পাব। তবে ওই – “প্রায়” কথাটা ব্যবহার করতেই হল – সকলের কষ্ট তো সমান হয় না। কিছু দুঃস্থ মানুষ, যাদের সেভিংস ব্যাঙ্কে এক কোটি টাকার বেশী ব্যালান্স আছে, তাদের সুদ কমবে না – আহা, সুদ কমিয়ে নিলে সে বেচারারা খাবে কি? লন্ডনে পালাবার প্লেন ভাড়া দেবে কী করে? যাক গ

আরও পড়ুন...

।।হেড-আপিসের গপ্পো।।

Abhinaba Ghosh

[গোড়ার কথা ]

এই যে আপনি ভাবছেন এই লেখাটা পড়বো, এই হাতটা এগোল মাউসের দিকে, এই ঠিক জায়গায় চেপে ধরে ক্লিক, ব্যাস! চোখ অমনি পড়তে শুরু করল লেখা আর আপনি মজে গেলেন লেখার মধ্যে - জানেন আপনার ব্রেনের কতগুলো অফিস, তার কত কত বড় -মেজ -সেজ -ছোট সাহেব – ফিনান্স অফিসার- লাইব্রেরিয়ান- পিওন -দারোয়ান- ক্যান্টিনের ম্যানেজার একদম ঠিক ঠিক সময়ে ঠিক ঠিক কাজটা করেছে বলে আপনি ঠিক ঠিক লেখাটা পড়তে পারছেন !একটু এদিক ওদিক হলেই হাত লন্ডন যেতে গিয়ে লিলুয়ার টিকিট কেটে বসতো, কিংবা আপনি পড়তেন এক জিনিস, আর মানে বুঝতেন অ

আরও পড়ুন...

টেস্টনি দাদাবাবু

Zarifah Zahan


দিব্যি নাইটির ডানদিকের খুঁটটা চিবিয়ে চিবিয়ে সন্ধ্যে সাতটায় কুসুম আজ দুলবে কি দুলবেনা টেনশনটা সবে জমে উঠেছে ওমনি পাঁচফোড়নে পেয়াঁজ ঢাললে পাক্কা সাড়ে ছয় মিনিটের ব্রেক! এটা সবে ট্রেলার। এরপর দোলনার দ' টুকুর মাথায় তেল ঘষতে না ঘষতেই আবার ট্রেলার বাবাজীবনের জড়ুয়া ভাইটি চলে আসবেন ঠিক। এক্কেরে ছাদে জামাকাপড় মেলা দেখলেই যেমন বৃষ্টি দিদিমণির কান ভরে ওঠে, বুকের ভেতর আনচান করে জেলুসিল জ্বালা, ঠিক সেরকম পিরীত আর কী। তা দিদিমণিকে দেখলেই জনগণের যে হারে পোয়েটিক প্রেম উঠলে ওঠে, বারো পুরুষের খেরোর খাতা মায় সে

আরও পড়ুন...