Debabrata Chakrabarty RSS feed

Debabrata Chakrabartyএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

Debabrata Chakrabarty

মানুষ তাঁর এতাবৎকালের সভ্যতা তৈরি করেছে বস্তুত পায়ে হেঁটে হেঁটেই। হিউ এন সাং তাঁর ১০০০০কিমির ভারত ভ্রমণ ,আলেক্সাসান্দারের বিশ্ব জয় ,স্পানিয়ারড দের আন্দিজ এর আনাচে কানাচে স্বর্ণ সন্ধান ,আদি শঙ্করাচার্জের ভারত জুড়ে হিন্দুত্ব জাগরণ এমনকি আমাদের চৈতন্য মহাপ্রভু আসাম মনিপুরে ভক্তি আন্দোলনের প্রসার প্রায় পায়ে হেঁটেই সমাপ্ত করেছিলেন। যাত্রীরা পায়ে হেঁটেই কেদারনাথ দর্শন এমনকি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় পায়ে হেঁটেই কলকাতায় পৌঁছেছিলেন বিদ্যার্জনের হেতু । আমরা যখন নিজেদের পায়ের ওপর নির্ভরশীল তখন থারমডাইনামিকালি যে কোন মোটর গাড়ি বা অধিকাংশ পশু বাহিত শকটের তুলনাতে অনেক বেশি এফিসিএন্ট। মাত্র ১ ক্যালোরি ব্যয় করে মানুষ তাঁর ১কেজি বডি ওয়েট ১০মিনিটে ১কিমি বহন করতে পারে (একটি সাধারণ মোটরগাড়ি ব্যয় করে ১১২৫ ক্যালোরি প্রতি মিনিট @80km/HR)। এই গতি এবং এই এফিসিএন্সি রেটেই মানুষ পৃথিবী কে তার বাসযোগ্য করেছে ,ইতিহাস গড়েছে !

প্রকৃত বিচারে আমাদের ঘুরে ফিরে বেড়ানোর এই আদিম উপায় টি মানে হাঁটা যে বেশ কার্যকর তা আরও ভালো উপলব্ধি হয় যখন আমরা আমাদের বর্তমান ঘুরে ফিরে বেড়ানোর মানে গাড়ি ঘোড়া বাস ট্রেন এর সাথে তুলনা করি, বর্তমানে এক জন শহর বাসী আমাদের পূর্বপুরুষরা তাঁদের প্রাত্যহিক কাজকম্ম মেটানর জন্য প্রতিদিন যতটা হাঁটতেন, প্রায় ততটাই হাঁটেন -কিন্তু সেই হাঁটাটা পারকিং লট ,অফিসের করিডরে ,মেট্রোর টানেলএ বা শপিং মলের ফ্লোরে সীমাবদ্ধ্ব অথচ একই সময় ব্যয় করে আমাদের পূর্বপুরুষরা তাঁদের বাজার হাট, চাষের ক্ষেত ,মেয়ের শ্বশুর বাড়ি, স্কুলের পড়া হেঁটেই সমাপ্ত করতেন ~ একজন গ্রামের মানুষ তাঁর সারাদিনের মাত্র ৩- ৮ % সামাজিক সময়ের বাজেট ব্যয় করেন ঘুরে ফিরে বেড়ানোর পেছনে , হাতে থাকে বা থাকত অঢেল leasure Time ।

আমরা যখন আমাদের পায়ের ওপর নির্ভরশীল তখন আমরা প্রায় শ্রেণিহীন, আপনার পাশে যিনি হাঁটছেন তাঁর সাথে আপনার প্রকৃত অর্থে কোন শ্রেণী বিভেদ নেই, হয়ত তিনি একটু জোরে আর আপনি একটু হাওয়া খেতে খেতে হাঁটছেন এই মাত্র। মোটামুটি এক জন সুস্থ মানুষ ঘণ্টাতে পায়ে হেঁটে আরামে ৪-৫ কিমি অতিক্রম করতে পারে ,ইন্ডাস্ট্রির বেঁধে দেওয়া রাস্তার পরিমাপে হয়ত ১০-১২ কিমি কারণ এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্ট যেতে আপনি এই বাড়ির উঠোন ,আলের ধার, পাহাড়ের শুঁড়ি পথ বা মাঠের মধ্যে দিয়ে কম হেঁটে সর্টকার্ট মেরে তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন ~ আমাদের আশা দেওয়া হয়েছিল ট্রান্সপোর্ট টেকনলজি আমাদের হেঁটে চলে বেড়াবার এই স্বাধীনতা বজায় রেখে সাথে টাইম ইকনমি , কম্ফরট ,গ্রেটার রেঞ্জ এবং disable দের জন্য নূতন সুযোগ নিয়ে আসবে। কিন্তু যতই ট্রান্সপোর্ট টেকনলজির প্রসার ঘটছে ততই আমরা দেখছি তাঁর উলট ফল (আদতে সব টেকনোলজিই তাই) । যেই মুহূর্ত থেকে মেশিন একজন যাত্রীর জন্য এক নির্দিষ্ট পরিমাণ হর্স পাওয়ার প্রয়োগ করতে শুরু করে সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয় শ্রেণী বিভাজন -আমি পায়দল তো আপনি মোটরবাইকএ উনি মোটরগাড়িতে - আমাদের এই আল ওই মাঠ ভেঙ্গে পথচলা বা বাজারে যাওয়ার স্বাধীনতা এক কথায় মবিলিটি সীমাবদ্ধ্ব হয়ে যায় ইন্ডাস্ট্রির বেঁধে দেওয়া রাস্তায় /রুটে, বেড়ে যায় যাতায়াতের সময় অবশেষে ভেহিক্যাল যখন এক নির্দিষ্ট গতিসীমা অতিক্রম করে নাগরিক হয়ে পড়ে transportation consumers..

যত বেশি এনার্জি ,ফসিল ফুয়েল, ইলেকট্রিক, জেট ফুয়েল ইত্যাদি আমরা ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম এর পেছনে ব্যয় করতে থাকি তত বেড়ে যায় নাগরিকের আপাত গতি ,বেড়ে চলে প্রাত্যহিক কাজের রেডিয়াস, ডাক্তার আর বাড়িতে আসেন না কারন ভেহিকেল এর কারণে ১০ মাইল দূরের হাঁসপাতালই আমাদের অসুস্থ হওয়ার বর্তমানে উপযুক্ত স্থান ,হাইস্কুল আর বাসস্থানের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে নয় তাঁরা এখন হাইওয়ের ধারে,দশ টার প্রথম ক্লাস ধরতে ৮টা থেকে নাকে মুখে গুঁজে শিশু ঘর্মাক্ত মায়ের হাত ধরে স্কুল বাসের প্রতীক্ষায়,হাট উঠে চলে গেছে পাকা রাস্তার ধারে সেখানে মান্ডি থেকে গাড়ি করে সবজি আসা নেওয়ার সুবিধা ,ছেলেরা আস্তে আস্তে চলে গেছে শহরে ,কেউ বা ভিন দেশে ,মাত্র ৪ঘন্টার ট্রেন সফর বা কয়েক ঘণ্টার প্লেন যাত্রা তাঁদের বড় শহর বা বিদেশে উপস্থিত করে ,কথা হয়, টাকাও আসে , কিন্তু বছর বছর আর দেখা হয়না । ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ভেঙ্গে চুরমার করে সামাজিক স্থিতি ,প্রিভিলেজ তৈরি হয় দাসত্বের বিনিময়ে ।

গতির মরীচিকা ঃ-

অথচ যখন আমরা দেখি যে একজন গড়পড়তা আমেরিকান নাগরিক বছরে ১৬০০ ঘণ্টা তাঁর সযত্ন লালিত গাড়িটির পেছনে ব্যয় করেন , গাড়ি টি যখন চলে বা সিগন্যালে দাঁড়ায় তিনি বসে থাকেন গাড়িতে, সময় ব্যয় করে গাড়ি পার্ক করেন আবার পারকিং লট থেকে খুঁজে বার করেন । পাম্পে তেল ভরা ,টোল ট্যাক্স কাউন্টারে ,গ্যারেজে,সময় এবংপয়সা দুইই ব্যয় করেন( আমরা এর মধ্যে অ্যাকসিডেন্ট হোলে হাঁসপাতালে ,থানাতে ,নূতন গাড়ি কি কেনা যায় তাঁর বিজ্ঞাপনে সময় ব্যয় করা কে হিসাবে আনছিনা) অথচ ফেডেরাল হাইওয়ে অ্যাডমিনস্ত্রেশান এর ফেব্রুয়ারি ২০১৫র হিসাব অনুযায়ী ১৬০০ ঘণ্টা ব্যয় করে একজন আমেরিকান বছরে মাত্র ১৩৪৭৬ মাইলের দূরত্ব অতিক্রম করেন অর্থাৎ ঘণ্টা পিছু মাত্র 8.42 মাইল গতিবেগ ,যে সমস্ত দেশে ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা তুলনামূলক ভাবে পিছিয়ে তাঁরাও প্রায় একই গতি পান আর হাঁটলে ৩-৪মাইল প্রতিঘন্টা অনায়াসে - এই মাত্র 8.42 মাইল/প্রতি ঘণ্টা গতিবেগ পেতে আমাদের ব্যয় করতে হয় সামাজিক সময়ের ২৮% অথচ আমাদের পূর্বপুরুষ ব্যয় করতেন তাঁদের সামাজিক সময়ের বাজেট এর মাত্র ৩-৮%। আমাদের হাতে না থাকল সামাজিক সময় ,না এল গতি ~ বরং পেলাম অসহ্য কঞ্জেসান ,বাতাসে নাইট্রোজেন অক্সাইড ,মাসের শেষে ইন্সটলমেন্টের বোঝা ,তেলের বিল বেড়ে যাওয়ার উদ্বেগ এবং সেসব মেটাতে ছক্কি নক্কি । আমাদের সময় নাই কারণ গতি বাড়েনি, গতির মরীচিকায় কাজের দূরত্ব বেড়েছে ~ মুম্বাইয়ের শহরতলী থেকে চার্চ গেট এবং ট্রেন এ শুয়োর গাদা হয়ে বাড়ি এই করতেই দিনের ৪ ঘণ্টা কাবার ,সামাজিক সময়ের বাজেট সঙ্কুচিত।

ট্রেন বাস গাড়ি, সাবওয়ে ,করিডরে ,এলিভেটরে আমরা বাধ্য কমপক্ষে প্রত্যহ ৩০/৪০ কিমি কভার করতে , একই রাস্তাতে ক্রিস ক্রস ,আমাদের পা আর মাটির সাথে কথা বলেনা ,যতোই আমরা জেট প্লেন বা বুলেট ট্রেন সফর করিনা কেন সর্বদা কেমন যেন গতিহীন ,সদা বঞ্চিত ,অন্যদের ঈর্ষা করি ,ট্রেন এর গাদাগাদি এড়াতে স্বাছন্দের আশায় গাড়ির স্বপ্ন দেখি , গাড়ি হোলে অফিস টাইমের জ্যামে ফেঁসে থেকে সিস্টেম কে গালি দি আরও কেন হাইওয়ে , বাইপাস বা ,ফ্লাইওভার হচ্ছেনা? সরকার এতো কিলোমিটার নূতন রাস্তা উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখান ,রাস্তা হয় গাড়ির ভিড় বারে ,কঞ্জেসান বাড়ে ,আমরা আরও গতিহীন হই, PM 2.5 মাত্রা ছাড়ায় ,হাঁপানি কমেনা সাথে লাঙ্গ ক্যান্সার । আমরা ক্রমে ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমএর আরও দাস ,আমাদের সামাজিক সময়ের বাজেট সঙ্কুচিত ,গতায়তের স্বাধীনতা industrially deformed। আমাদের পায়ে হেঁটে বিশ্বজয়ের রাজনৈতিক ইতিহাস বিস্মৃত, ভূগোল দর্শন উইন্ডস্ক্রিন এর সীমানাতে সিমাবদ্ধ্ব ,আমরা আর নাগরিক হিসাবে স্বাধীনতা চাইনা ,কাস্টমার হিসাবে স্বাছন্দ চাই ,আর দুটো ফ্লাইওভার হোলে একটু তাড়াতাড়ি সেক্টর ৫ পৌঁছাতেম অথচ আমাদের গতির দাবী যে self-defeating, মরীচিকা , তা যারা বছর চারেক পূর্বের ইস্ট্রান মেট্রোপলিটান বাইপাস এবং সম্প্রতি ভ্রমণ করেছেন তাঁরা ভালো ব্যাখ্যা কোর্টে পারবেন।আরও রাস্তা ,আরও গতিশীল গাড়ী , আরও ফ্লাই ওভার must result in a further decline of equity, leisure, and autonomy.

আমাদের গতিহীনতা সম্পূর্ণ ,যাতায়াতের স্বাধীনতার বলিদান সমাপ্ত , ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম বাকি টেকনলজির ন্যায় "কাউন্টার প্রোডাক্টিভ” গতির মরীচিকা বস্তুত গতিহীন বাস্তব !



(ঈলিচ কে মনে রেখে )

270 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: কল্লোল

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

উফ। এক্কেরে শুইয়ে দেছে। অপূর্ব।
জন হেনরী মনে পড়ে গেলো।

Avatar: paulpott

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর :-)
Avatar: Arpan

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

টেকনলজির ওপর ভরসা রাখুন। ঘরে বসে সুম্দরবন ভ্রমণ আর ডাক্তারের সাথে কন্সাল্টেশন সবই হয়ে যাবে।
Avatar: b

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

ইয়ে, স্পানিয়ার্ডরা আটলান্টিক মহাসাগর কি ভাবে পেরোলো? সাঁতরে না হেঁটে?
Avatar: Ekak

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

লেখক সামহাউ ঝাঁকামুটে দেখেননি বা ভুলে গ্যাছেন । পরিবহনের শ্রেণীবিভাজন চিরকাল ছিল এবং অবস্থাপন্নরা আক্ষরিক অর্থে অন্যের ঘাড়ে -মাথায় চেপে ঘুরত । সব দেশেই দাস দের ব্যবহার করা হত পরিবহনে । ট্র্যাফিক অপ্তিমায়সেষণ একটা প্রচন্ড সিরিয়াস ইস্যু যেটা নিয়ে এই লেখাতেও কিছু তথ্য আছে সন্দেহ নেই কিন্তু ওই আগে কী ছিল , শ্রেণীবিভাগ ইত্যাদি নিয়ে মনগড়া মন্তব্য করে লেখক নিজেই নিজের লেখার সিরিয়াসনেস মাঠে মেরে দিয়েছেন ।
Avatar: avi

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

ফিরে চলো চাকা।
Avatar: Debabrata Chakrabarty

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

টেকনলজির ওপর ভরসা চিরকাল ,তবে শ চারেক বৎসর ধরে কিঞ্চিৎ অধিক ,আজকে স্টিম ইঞ্জিন, কালকে ইলেক্ট্রিসিটি ভরসা বাড়বেইনা বা কেন ,তবে গত ৪০-৪৫ বছর ধরে কেমন যেন এক উলটো বাতাস ,সমুদ্রে জলস্তর বাড়ছে - হিমবাহে বরফ গলছে -ঘন ঘন সাইক্লোন ,খরা বা অতিবৃষ্টি, বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড আজকে ৩৯৭,৩৭ -ওই যবে থেকে টেকনলজির ওপর ভরসা বাড়তে শুরু করলো সেই সময়ে ছিল ২৯০, ৬০০০ বছর পূর্বে পৃথিবীর উষ্ণতা যখন আজকের থেকে মাত্র ১ ডিগ্রী বেশী ছিল তখন বর্তমান আমেরিকার খাদ্যভান্ডার নেভ্রাদা -মরুভূমি ছিল - সুতরাং মাত্র ১ডিগ্রি উত্তাপব্রিধি কি ফল হতে পারে তাঁর জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার দরকার নেই , আজ থেকে যদি আমরা সমস্ত কল কারখানা , গাড়ি বিদ্যুৎ উৎপাদন কারখানা বন্ধ্ ও করে দি তবুও ১ডিগ্রি উত্তাপ ব্রিধ্বি স্বয়ং মহাদেবও প্রতিরোধ করতে পারবেনা । তাও টেকনলজির ওপর ভরসা অটুট - অ্যাডিক্ট গন কেউ অ্যালকোহল, কেউ হেরোইন ছাড়ার কথা যেমন ভাবতেই পারেন না । টেকনলজির ওপর ভরসা নয় এ হোল অ্যাডিকসান অফ টেকনলজি
Avatar: .

Re: ট্র্যাফিকের ইন্ডাস্ট্রিলাইজেসান :- দাসত্বের ইতিহাস এবং গতির মরীচিকা

কতোরকমের ছিটেল যে হয়, তা এই ইন্টারনেট না থাকলে জানতেও পারতাম না


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন