Debabrata Chakrabarty RSS feed

Debabrata Chakrabartyএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

Debabrata Chakrabarty

আমি তৈরি হয়ে আছি
ফের যদি বলে “চল পাগলাগারদে ‘
তবে আমি বলব আমার আবিষ্কৃত জ্যামিতির
উপপাদ্য আরও আছে । সেগুলি লিখে
দেখাচ্ছি ।
সে সব উপপাদ্যে পাই আছে অর্থাৎ
সারকাল,ইলিপ্স সেইসব উপপাদ্য
আমি আবিষ্কার করে গোপন রেখেছি।

Sigrid Hjertenর ঘাতক ,Ernest Hemingwayর আত্মহত্যার প্ররোচক এবং Binoy Majumdar এর ভেজিটেবেল স্টেট এর জন্য দায়ী কে ?

The answer is simple & common ঃ- Their Doctors -Specifically “Psychiatrist”

Sigrid Hjerten সুইডেন এর অন্যতম প্রভাবশালী মরডানিস্ট চিত্রশিল্পী , মানসিক হাঁসপাতালে চিকিৎসাকালীন ডাক্তারদের মনে হয় তাঁর মানসিক অবস্থার উন্নতি কেবলমাত্র “লবটমি “ প্রয়োগে ঠিক করা সম্ভব ~ লবটমি যার চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক ভিত্তিটি হোল মানুষের মানসিক অসুস্থতার কারণ হোল তাঁর ব্রেন ~অপারেশান করে বা অন্য উপায়ে তাঁর ঘিলু খানিকটা কেটে বাদ দিলে বা ঘেঁটে দিলে সমস্যার সমাধান। কিভাবে করা হত এই “লবটমি “? আইস পিক বা বরফ ভাঙ্গার ধারালো সরু স্ক্রু ড্রাইভার এর মত একটি টুলস সারজিকাল হাতুড়ির সাহায্যে চোখের মনির ওপর দিয়ে ব্রেন এর সামনের ভাগে প্রবেশ করানো হত তাঁর পর সেই আইস পিক দিয়ে ঘিলু ঘেঁটে দেওয়া ~ লবটমির দু দিন পর Sigrid Hjerten মাত্র ৪৮ বছর বয়েসে মারা যান ~আমাদের জন্য রেখে যাওয়া প্রায় ৫০০ স্কেচ এবং পেন্টইংথেকে একটি আপনাদের জন্য !

১৯৩৬ -১৯৬০এর মধ্যে সারা বিশ্বে বিজ্ঞানের নাম নিয়ে প্রায় ৬০০০০ লবটমি করা হয়েছে , লবটমির আবিষ্কর্তা নোবেল প্রাইজ এ ভূষিত ~সারা পৃথিবীর মানসিক হাঁসপাতালে এবং জেলখানাতে নির্বিচারে রুগীর ইচ্ছার বিরুধ্বে বলপূর্বক লবটমি প্রয়োগ করা হয়েছে, হাজার হাজার মানুষের মস্তিষ্ক ঘেঁটে দেওয়া হয়েছে এই অমানবিক এবং অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার নামে ~ Rosemary Kennedy কে মনে আছে ? JFK (প্রেসিডেন্ট )র দিদি , বাঁকি ভাই বোন দের তুলনাতে একটু বোধ বুধ্বি কম ছিল বলে তাঁর পিতার মনে হয়,কষ্ট করে তাঁকে উপরের ক্লাসে উঠতে হত,পিতার ইচ্ছাতে (মায়ের অজান্তে ) 23 বছর বয়েসে (১৯৪১) তাঁর লবটমি করা হয় ,বাঁকি জীবন kennedy পরিবার তাকে লুকিয়ে রাখেন হাঁসপাতালের অন্ধকারে ~লবটমির পর তিনি সারা দিন শুধু শূন্য দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকতেন , না পিতা না বিখ্যাত ভ্রাতাগণ কেউই তাঁকে দেখতেও আসতেন না এবং তাঁর অস্তিত্ব প্রায় উল্লেখও করতেন না, মারা জান ৮৬ বছর বয়েসে (২০০৫ ) ।

ডিপ্রেসান রোধের অব্যর্থ চিকিৎসা “ ইলেকট্রিক শক থেরাপির “ হাজারো শিকারএর মধ্যে অন্যতম শিকার বিংশশতাব্দীর অন্যতম খ্যাতিমান নোবেল প্রাপ্ত লেখক হেমিংওয়ে ,৫৬দিনের মানসিক হসপিটালের “ ইলেকট্রিক শক থেরাপির “ অবশেষে হেমিংওয়ে যখন আবিষ্কার করেন যে তাঁর স্মৃতি বলতে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই ,এমনকি সাধারণ শব্দও তাঁর কাছে কোন অর্থবহন করেনা ,তাঁর পুত্র কন্যা প্রিয় কুকুর এবং কিউবা বাসের স্মৃতি সমস্ত যত্ন সহকারে “ ইলেকট্রিক শক থেরাপি “ মস্তিষ্ক হতে নিপুণ ভাবে মুছে দিয়েছে তখন একজন লেখকের বেঁচে থাকা কোন অর্থবহন করেনা , বিশেষত হেমিংওয়ের মত অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষের /লেখকের পক্ষে ।নিজের প্রিয় শটগান হেমিংওয়ের মস্তিষ্ক প্রায় দু টুকরো করে দেয় এক বিষণ্ণ সকালে।

চরম সাহিত্যিক উৎকর্ষতার সময়ে বিনয় মজুমদারের কার্যকলাপ ঠিক স্বাভাবিক মনে না হওয়াতে ভরতি হতে হয় মানসিক হাঁসপাতালে, তাঁর পর অগুন্তি ইলেকট্রিক শক থেরাপির নির্মমতা বিজ্ঞানী ,কবি এবং অসাধারণ মানুষ বিনয় মজুমদারের কি পরিণতি করেছিলো তা বোধহয় আমাদের অনেকেরই অজ্ঞাত নয় ! বাতিলের দলে ,অন্যের করুণা নির্ভর,, নিঃসঙ্গ ,জীর্ণ বিনয় ইলেকট্রিক শক থেরাপি পরবর্তী প্রায় কিছুই লেখেননি ,লেখা সম্ভব নয় ,ইলেকট্রিক শক থেরাপি তাঁর ব্রেনএর এমন ক্ষতি করে তিনি বাকি জীবন ঠিক ঠাক ভাবতেই পারতেন না। বাকি জীবন তিনি তাঁর জ্যামিতিকে ঢাল বানিয়ে তৈরি ছিলেন পুনরায় পাগলাগারদ প্রতিরোধে ।

(Electroshock was developed in 1938 out of a Rome slaughterhouse, where pigs were electroshocked to make it easier to slit their throats in order to kill them. A psychiatrist, Ugo Cerletti, had been experimenting with electric shock on dogs where half of the animals died from cardiac arrest. After seeing the pigs being shocked, he decided to use this on people.)

চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা ,নির্মমতা এবং প্রত্যহ "হিপক্রেটিক ওথ " হিউম্যান রাইটস এর ধজ্বি ওড়ানো এবং বলাৎকারের নাম "Psychiatry” ।

513 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: nripen

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

ভালোই, তবে সুপারসিশিয়াল l এ ধরণের বিষয় ইটসেলফ অনেক তথ্য ও বিশ্লেষণ দাবি করে l
পার্ট 2, 3, 4 করে এগোনো যায় কিনা ভেবে দেখার সাজেশন রইলো
Avatar: avi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

লোবোটমি বাতিল হয়ে গেছে প্রায় ৬০ বছর আগে। আর ECT নিয়ে একটাই কথা বলার, আমার নিজের যদি কখনো সাইকোসিস বা বাইপোলার হয়, আমি চাইবো আমাকে যেন ওষুধ না দিয়ে ECT দেওয়া হয়, এটা অনেক বেশি এফেক্টিভ আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। প্রসঙ্গত, ECT সংক্রান্ত ট্রায়াল গুলো ফার্মা জায়ান্টরা পছন্দ করে না বাজার হারানোর ভয়ে, আর এরা ECT নিয়ে ভয় ছড়িয়ে রাখতেও যথেষ্ট ইনভেস্ট করে।
Avatar: সে

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

মানসিক অসুস্থতার চিকিৎসা তবে কোনটা ভালো? আজকাল দেখি প্রচুর লোক ডিপ্রেশনে ভোগেন। একাকীত্ব হতাশা এসবও খুব বেড়ে গেছে সমাজে। বেড়ে গেছে অ্যাংজাইটি। চতুর্দিকে প্রতিযোগিতা। পড়াশুনোয় ভাল রেজাল্ট চাই, নামীদামী চাকরি চাই, এইসব চাই চাই চাই এর ইঁদুর দৌড়ে সবসময় উত্তেজনা ও আতঙ্ক। স্ট্রেস থেকে ভুগছে লোকে। নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খায় অনেকে। এগুলো ও তো বিরাট সমস্যা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখি চিকিৎসার বাইরে চলে যায়।
Avatar: nripen

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

এ য্যান নাত্জামাইয়ের বৌভাতের গয়না! সেঙ্ক ভালো পিশিচন্দ্র তাই নিয়ে পিসিথাক্রুনরে শুধচ্ছে বুচকির জ্যাঠতুতো ননদ l
Avatar: avi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

সে, দেখুন মানসিক রোগ তো একটা নির্দিষ্ট কোনো রোগ না, তাই চিকিৎসাও রোগ এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী আলাদা হয়। উদাহরণ হিসেবে ওই ডিপ্রেশনের কথাই ধরুন। মাইল্ড ক্ষেত্রে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং যথেষ্ট। তবে এতে সারতে সময় একটু বেশি লাগতে পারে। এতে আপনার কোপিং এবিলিটি, পরিবেশ, প্রত্যাশা, পারস্পরিক সম্পর্ক এসব বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি মডিউলেট করা হবে। কিন্তু মডারেট থেকে সিভিয়ার ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রে সাইকিয়াট্রিস্টের তত্বাবধানে ওষুধ প্রয়োজন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, সাথে কাউন্সেলিং লাগতেও পারে, নাও পারে। এবার ওষুধ প্রসঙ্গে আসি। এই antidepressants সম্পর্কেও অনেক মিথ পপুলার মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। মানে, খেয়ে একেবারে জড় ভরত হয়ে যায়, আজীবন খেতে হয়, ভয়ানক সব সাইড এফেক্ট ইত্যাদি। এই ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল ষাটের দশকে, সাজ, ফুকো, কুপার এনারা antipsychiatry movement শুরু করার পর, এ নিয়ে কিছু ভালো সিনেমাও আছে। এবং তখনকার আবিষ্কৃত ওষুধের নিরিখে এমন ধারণা করা খুব অসম্ভব-ও না। কিন্তু ১৯৮৭এর পর থেকে ব্যাপারটা পাল্টায়। দুটো ঘটনা ঘটে। এক, বাজারে আসে নতুন জেনারেশনের ওষুধ, SSRI (Fuoxetine, Sertraline, Escitalopram, Paroxetine, Fluvoxamine) & second generation antipsychotics। দুই, ব্রেইন ইমেজিং ও ম্যাপিং অনেক উন্নত হওয়ায় মানসিক বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে গলদটা ঠিক কোন স্থানে, এটা সম্বন্ধে আরো ভালো তথ্যপ্রমাণ আসতে থাকে। সাইকিয়াট্রি ফ্রয়েড ইত্যাদির দর্শন থেকে অনেকটা এভিডেন্স বেসড বিজ্ঞানের দিকে এগিয়ে আসে। এই প্রক্রিয়াটা এখনো চলছে, কারণ animal study করা যায় না বলে মেডিসিনের বাকি বিভাগগুলোর তুলনায় সাইকিয়াট্রি প্রপার সায়েন্স হতে একটু পিছিয়েই আছে বলা যায়।
যে কথা বলছিলাম। এখন এইসব ওষুধ ও জ্ঞান আসার পর কিন্তু ছবিটা অনেকটাই আলাদা। রোগের রেসপন্স, ওষুধের সাইড এফেক্ট, সব ক্ষেত্রেই। এগুলো আসার পর antipsychiatry movement টাও থিতিয়ে পড়ে, আর তার কিছু প্রবক্তাও নব্বইয়ের শেষদিকে ব্যাপারটা মেনে নেন।
এবার এখনকার প্রেক্ষাপটে আমি যদি ষাটের দশকের বা তার থেকে অনুপ্রাণিত কোনো লেখা পড়ে এ নিয়ে ভাবতে বসি, আমার কাছে গোটা ব্যাপারটা বিভীষিকা হিসেবেই আসবে সত্যি, এবং উদাহরণ হিসেবেও আমি সেই সময়ের লোকজনের কথাই বলব।
তবে হ্যাঁ, তা বলে কি আর কারো সাইড এফেক্ট হয় না, বা কোনো পুরনোপন্থী ডাক্তার একগাদা আগের যুগের ওষুধ দেন না, কেউ কি ফার্মা কোম্পানির স্বার্থে একগাদা ওষুধ লেখেন না, সবাই কি সবসময় ঠিক ডায়াগনোসিস করেন? বিচ্ছিন্ন উদাহরণ পাওয়া নিশ্চয় যাবে। কিন্তু ট্রেন্ড ভিন্নমুখী।
শেষ কথা, ECT, শকথেরাপি। সাইকিয়াট্রি যদি ভিলেন হয়, ই সি টি তার মুখ হিসেবে উঠে আসে বারবার গল্পে, সিনেমায়, আড্ডায়। দেখে মনে হয় অমানবিক অত্যাচার, এথিক্যাল গ্রাউন্ডে বাতিল করা হয়, কন্সপিরেসি থিওরিও বাজারে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু, সাইকিয়াট্রিতে এর ভূমিকা অনেকটা antibioticsএর প্রথম যুগে পেনিসিলিন আবিষ্কার হওয়ার মতো। তিরিশের দশকে তো ছেড়েই দিন, এখনো আমরা ঠিক জানি না, কিভাবে এটা কাজ করে। কিন্তু, কাজ করে। amazing accuracy। যখন কোনো ওষুধে কাজ করছে না, রেজিস্ট্যান্ট ডিপ্রেশন, সিজোফ্রেনিয়া বা ক্যাটাটোনিয়া, শকথেরাপি লাস্ট রিসর্ট। আর মজার কথা, সাইড এফেক্ট মিনিমাম। বরং যেসব রোগীদের কিছু ওষুধ দেওয়া যাচ্ছে না, যেমন বয়স্ক মানুষ বা গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে antipsychotic, এসব জায়গাতেও ই সি টি হাইলি রেকোমেন্ডেড।
মেডিক্যাল ড্রাগ ট্রায়াল বা তাদের এফিকেসি ট্রায়াল সম্পর্কে আপনারা জানেন। অনেকসময়েই যে মলিকিউল নিয়ে রিসার্চ করা হচ্ছে, ফার্মা কোম্পানিরা তাদের তুলনামূলক খারাপ দিকগুলো কিছুটা কমিয়ে নিজেদের ব্র‍্যান্ড বেশি প্রোমোট করতে চায়। কিন্তু ই সি টির ক্ষেত্রে সেটাও বলা যাবে না। পরিবর্তে ফার্মা কোংরা ই সি টি আটকাতেই চায়। কিন্তু ই সি টি সংক্রান্ত লিটারেচার দেখলে এর কার্যকারিতা বোঝা যায়, যেটা আবার মিনিমাম সাইড এফেক্ট সহ।
তবে ই সি টির বিরুদ্ধে লবি অনেকের। ওষুধ কম খেতে হলে বা কমদিন খেতে হলে ফার্মা কোম্পানির ক্ষতি, সাথে রকমারি সাইকোথেরাপি লাগছে না বলে সাইকোলজিস্টের ক্ষতি, ওপিডি বেসিসে ওষুধ দেওয়ার মতো এটা সম্ভব নয় বলে ডাক্তারের ক্ষতি, এবং আগেকার পদ্ধতি দেখতে অমানবিক বলে মানবাধিকারকর্মীদের আপত্তি ও পদ্ধতির কথা শুনলে প্রাথমিকভাবে ভয় লাগে বলে রোগী ও পরিজনদের আপত্তি। তাই এখন মোটামুটি বেশিরভাগ জায়গাতেই আনমডিফায়েড বা ক্রুড ই সি টি ব্যানড। আপাতত এই। :)
Avatar: Debabrata Chakrabarty

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

SSRI (Fuoxetine, Sertraline, Escitalopram, Paroxetine, Fluvoxamine) & second generation antipsychotics। খুউউউউব কার্যকর , ২০০০ সাল থেকে GSK,Paxil বিক্রি করে আসছে খুউউউব কার্যকর , ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৫ BMJ এই শতাব্দীর ওষুধের ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ কেলেঙ্কারি টি প্রকাশিত করেছে যার গোদা বঙ্গানুবাদ ' শুধু অকার্যকারি তাই নয় আত্মহত্যার প্রবণতা সৃষ্টিকারী' GSK এখন পর্যন্ত $3বিলিয়ন ডলার এর ফাইন দিয়েছে , বাকি বিশ্ব মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে - যারা উৎসুক www,study329।অর্গ দেখে নিতে পারেন -কার্যকারী বলে কার্যকারী ?
Avatar: সে

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

অভির লেখাটায় অনেক তথ্য - কিছুই জানিনা এবিষয়ে তবু আগ্রহ জাগল পড়ে।
আচ্ছা বাইপোলার ১ ও ২, এর ২ হলেও কি ইসিটি?
Avatar: সে

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

সঠিক ডায়াগনোসিস কীভাবে হবে? অনেক ক্ষেত্রে হয় না। পরে লিখছি।
Avatar: avi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

ফার্মা কোং তথ্য গোপন এবং বিকৃত করে সেটা তো আম্মো বলছি। কেলেঙ্কারির শেষ আছে না কি? কোনো ফিল্ডেই নেই। কিন্তু SSRI আগের জমানার antidepressants এর চেয়ে বেটার, এটা ঘটনা। যেকোনো হাসপাতালের জেনারেল ট্রেন্ড ফলো করলেই জানা যাবে।
আর পশ্চিমী দেশগুলোয় ওষুধের ক্ষেত্রে অনেক লবির খেলা চলে। ভারতের মতো নয় যে প্রত্যেক কোম্পানিরই সমস্ত ওষুধ বাজারে আছে। একেকটা মলিকিউল একেক কোম্পানির পেটেন্ট। এবার নিজেরটাকে ভালো দেখানোর পাশাপাশি অন্যেরটাকে ডাউন করার চেষ্টা করা, সেরকমভাবেই গবেষণার ফলাফল দেখানো খুব কমন প্র‍্যাকটিস। তাই একটা দুটো সোর্সের থেকে গ্রস লিটারেচার রিভিউ অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।
আর সাইড এফেক্ট নেই, এরকম ড্রাগ আছে বলে শুনি নি। মানুষ কস্ট বেনেফিট রেশিও দেখে চলে।
সে, বাইপোলার ২ তে ইসিটি অনেক পরে ভাবা হয়। রেজিস্ট্যান্ট হলে, মানে ওষুধে কোনো উপকার না হলে ( এখানে কিন্তু কোনো একটা ওষুধ কয়েকদিন খাওয়া না, adequate drug at the optimum dose for the adequate duration as per guidelines), আত্মহত্যার প্রবণতা বা প্রচেষ্টা থাকলে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাবা যায়। জিনিসটা খুব individualizedও বলতে পারেন।

Avatar: SS

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

এই নতুন জেনেরশনের অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (প্রোজাক, প্র্যাক্সিল, জোলোফ্ট ইত্যাদি) নিয়ে সিদ্ধার্থ মুখার্জির (এম্পেরর অফ অল ম্যালাডিস খ্যাত) একটা ভাল লেখা আছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসে বেরিয়েছিল। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন।

http://www.nytimes.com/2012/04/22/magazine/the-science-and-history-of-
treating-depression.html?_r=0

Avatar: pi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

ওঃ, এতক্ষণ বাদে এটাতে কমেন্ট করার বাক্স এল !

অভিবাবু,গ্রস লিটারেচর রিভ্যুর কথা বলছিলেন, তো যা পাবলিশড হচ্ছে, তাই যদি বায়াসড হয়, পজিটিভ রেজাল্ট যে ট্রায়ালে আসেনি, তার মেনশন না থাকে, রিভ্যু ও তো বায়াসড হবে।

এটা দেখেছেন কিনা জানিনা, The makers of antidepressants like Prozac and Paxil never published the results of about a third of the drug trials that they conducted to win government approval, misleading doctors and consumers about the drugs’ true effectiveness, a new analysis has found.

In published trials, about 60 percent of people taking the drugs report significant relief from depression, compared with roughly 40 percent of those on placebo pills. But when the less positive, unpublished trials are included, the advantage shrinks: the drugs outperform placebos, but by a modest margin, concludes the new report, which appears Thursday in The New England Journal of Medicine.

Previous research had found a similar bias toward reporting positive results for a variety of medications; and many researchers have questioned the reported effectiveness of antidepressants. But the new analysis, reviewing data from 74 trials involving 12 drugs, is the most thorough to date. And it documents a large difference: while 94 percent of the positive studies found their way into print, just 14 percent of those with disappointing or uncertain results did.

এটা হল কী প্রিন্টে গেছে আর যায়নি, তার বিশ্লেষণ। এখানে আরো বিস্তারিত আছে ঃhttp://www.nytimes.com/2008/01/17/health/17depress.html

আর এটা অ্যাঞ্জেলা মার্সেলের বুকরিভ্যু। এখানে আগেও একবার এই নিয়ে কথা হয়েছিল। রইলো।
http://www.nybooks.com/articles/archives/2011/jun/23/epidemic-mental-i
llness-why/

অয়্ঞ্জেলা NEJM এর প্রাক্তন এডিটর। এডিটর থাকাকালীন এই জাতীয় স্টাডি নিয়ে ওঁর অভিজ্ঞতার কথাও বলেছেন।

এখানে একটু দেখতে পারেন, Harvard Medical School’s Dr. Marcia Angell is the author of The Truth About the Drug Companies: How They Deceive Us and What to Do About It. But more to the point, she’s also the former Editor-in-Chief at the New England Journal of Medicine, arguably one of the most respected medical journals on earth. But after reading her article in the New York Review of Books called Drug Companies & Doctors: A Story of Corruption, one wonders if any medical journal on earth is worth anybody’s respect anymore.

...Dr. Angell cites the case of Dr. Joseph L. Biederman, professor of psychiatry at Harvard Medical School and chief of pediatric psychopharmacology at Harvard’s Massachusetts General Hospital. She explains:

“Thanks largely to him, children as young as two years old are now being diagnosed with bipolar disorder and treated with a cocktail of powerful drugs, many of which were not approved by the Food and Drug Administration (FDA) for that purpose, and none of which were approved for children below ten years of age.”

Biederman’s own studies of the drugs he advocates to treat childhood bipolar disorder were, as The New York Times summarized the opinions of its expert sources, “so small and loosely designed that they were largely inconclusive.”...


http://ethicalnag.org/2009/11/09/nejm-editor/


বছর দুই আগে হপকিন্সে একজন প্রফ লেকচারের জন্য ইনভাইটেড ছিলেন। বিষয়, এই অ্যান্টি ডিপ্রেসন্ট ড্রাগ আর তার কী কী সাইড এফেক্ট হতে পারে। যা যা বলেছিলেন, তা এক কথায় ডিপ্রেসিং।



Avatar: Debabrata

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

সাইকিয়াট্রি এমন এক ভজঘটে বস্তু ,যে পখখে মত দেওয়া অসম্ভব-অভি বাবু -যেই হাইপথেসিস কেমিকাল ইমব্যালেন্স এর ওপর ভিত্তি করে এই অসুধ গুলি দাড়িয়ে আছে ,সেই কেমিকাল ইমব্যলেন্স থিওরিটাই ত গত শতাব্দিতে তামাদি -দু পেগ হুইস্কি খাওয়ালে লাজুক ব্যক্তিরও কথা ফোটে কিন্তু সেটা কি কোন চিকিতসার ভিত্তি হতে পারে? কেমিক্যাল ইমব্যালেন্স থিওরি ই তো বাতিল -আর তার ভিত্তিতে তইরি অসুধ এখনো বাতিল নয় কেন -যখন ভুরি ভুরি প্রমান বরতমান অসুধ অকারজকর এবং আত্মহত্যার প্রবনতার জনক
Avatar: Debabrata

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

সাইকিয়াট্রি এমন এক ভজঘটে বস্তু ,যে পখখে মত দেওয়া অসম্ভব-অভি বাবু -যেই হাইপথেসিস কেমিকাল ইমব্যালেন্স এর ওপর ভিত্তি করে এই অসুধ গুলি দাড়িয়ে আছে ,সেই কেমিকাল ইমব্যলেন্স থিওরিটাই ত গত শতাব্দিতে তামাদি -দু পেগ হুইস্কি খাওয়ালে লাজুক ব্যক্তিরও কথা ফোটে কিন্তু সেটা কি কোন চিকিতসার ভিত্তি হতে পারে? কেমিক্যাল ইমব্যালেন্স থিওরি ই তো বাতিল -আর তার ভিত্তিতে তইরি অসুধ এখনো বাতিল নয় কেন -যখন ভুরি ভুরি প্রমান বরতমান অসুধ অকারজকর এবং আত্মহত্যার প্রবনতার জনক
Avatar: avi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

পাই, আগ্রহ বাড়ছে। কিছুটা জানতাম, কিছুটা জানলাম। রিভিউ তে প্রতিযোগী গ্রুপের গল্পও থাকে বলে একটা বায়াস আরেকটাকে কিছুটা কমাবে, ভালো নয়, কম খারাপ। আরেকটা কথা, এইজন্যেই কতকগুলো সরকারি ফান্ডে ট্রায়াল হয়েছিল লাস্ট দশকে, যাতে ওই বায়াস কমানো যায়। আমেরিকায় CATIE বা বৃটেনে CUtLASS. অবিশ্যি সে সর্ষের মধ্যেও ভূত ছিল কি না জানি না। আর ডিপ্রেশনের ওপর STAR-D স্টাডিটা কারা ফান্ড করেছিল মনে পড়ছে না, এত রাতে আর নেট ঘাঁটবো না, পরে দেখছি।
দেবব্রত এই ব্যাপারটা একটু বিস্তারিত বলুন। কেমিক্যাল ইমব্যালান্স থিওরি বলতে কোনটা বলছেন? মানে প্রতিটা রোগের তো একটু আলাদা আলাদা। সবই কি বাতিল হয়ে গেছে? এগুলোর সাথে কিন্তু কোর নিউরোলজিক্যাল রোগের ব্যাপারটাও জড়িয়ে আছে। সাইকোসিস, পারকিনসন্স, এপিলেপ্সি বেশ ইন্টারলিঙ্কড কিন্তু। একটু রেফারেন্স দিন প্লিজ।
Avatar: Debabrata Chakrabarty

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

ধারাবাহিক এর এক পরিকল্পনা আছে ,যদি অভয় দেন,কিন্তু যেহেতু ব্লগ -পরিসর সিমিত ,তাই বিসয় টি এযুগ ওযুগ ওভারল্যাপ করতে পারে-ইন্সুলিন শক থেকে ডেরিডা এবং ফোকাল্ট,বিটোফেন থেকে ওটিসিম ,তথ্যসংগত কিন্তু এই লিঙ্ক বা ওই কোট নিরভরতা কম ।মনে হয় আগামি শনিবার আর একটু বিস্তারিত একটি লেখা পোস্ট করা সম্ভব।
Avatar: জ

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

এটাতেও মনে হচ্ছে যে পূজোতে সবাই ভয়ঙ্কর আমোদে ব্যস্ত, বা আমোদে ভয়ঙ্কর ব্যস্ত। দেবব্রত, আপনার ধারাবাহিক কি পূজোসংখ্যাতে বেরবে, নাকি রেগুলার ইস্যুগুলোতে?

পাই, আপনার লিঙ্কে দেওয়া বুক রিভ্যুতে
"A large survey ... found that an astonishing 46 percent met criteria established by the American Psychiatric Association (APA) for having had at least one mental illness within four broad categories at some time in their lives" প্রমাণ করে আমেরিকানরা পাগল। বাই ডেফিনিশন।
তবে অ্যাঞ্জেলা মার্সেল বেশ গোলমেলে লোক। দেখুন কী বলছেন--
"The shift ... to drugs as the dominant mode of treatment coincides with the emergence over the past four decades of the theory that mental illness is caused primarily by chemical imbalances in the brain...That theory became broadly accepted ...in 1987...
Is the prevalence of mental illness really that high and still climbing? Particularly if these disorders are biologically determined and not a result of environmental influences, is it plausible to suppose that such an increase is real?"

বায়োলজিক্যাল ডেটারমিনেশন এত সহজে উচ্চারণ করলেন কীভাবে? "mental illness is caused primarily by chemical imbalances" যদি প্রমাণ করে যে these disorders are biologically determined and not a result of environmental influences তাহলে আমার অম্বলের রোগে আমি তেলেভাজা খাব দুধ দিয়ে, এবং ডায়াবেটিসে রসগোল্লা গিলব, গিলবই। কেননা এটা প্রমাণিত যে অম্বল আর ডায়বেটিস caused primarily by chemical imbalances, তাহলে এটাও অটোম্যাটিকালি প্রমাণিত যে এই রোগগুলো biologically determined and not a result of environmental influences -- অতএব দুধ-তেলেভাজা বা রসগোল্লা জাতীয় এনভায়োরনমেন্টাল ইনফ্লুয়েন্সকে আমি হ্যাক-থুয়াচ্ছি।

মানছি আসল থ্রেডের সঙ্গে অ্যাঞ্জেলা মার্সেলএর বুক রিভ্যুর তেমন সম্পর্ক নেই। কিন্তু মার্সেলের এমনধারা অশিক্ষিত উচ্চারণ বলে দেয়, সাবধান হন, এ রিভ্যুয়ার ন্যু ইয়র্ক রিভ্যু অব বুকস-এ লিখছে বলেই একে সিরিয়াসলি নিতে হবে, তেমন কথা নেই।
Avatar: avi

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

ভালো দেখিয়েছেন। পরে এ নিয়ে আরো আলোচনার ইচ্ছে রইলো।
Avatar: জ

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

পাই, avi, আমাদের একটা বড় সমস্যা হল পাবলিকেশন বায়াস।
পাবলিকেশন বায়াস শুধু পাবলিকেশন বায়াস নয়, সেটা প্রি-পাবলিকেশন বায়াসও বটে। কেননা, যদি গবেষক জানে ওষুধ কাজ করে না-- এমন ট্রায়াল করলে সেটা প্রকাশই হবে না, তাহলে সে নিজেই চুরি-জোচ্চুরি করে 'পজিটিভ আউটকাম' দেখিয়ে দেবে।
তবে এর খানিকটা প্রতিকার হয় যদি ট্রায়ালএর সমস্ত কায়দাকানুন আগেভাগেই পাবলিক ডোমেনে চলে আসে, আর তারপর যদি স্রেফ নঞর্থক ফলের জন্যই সেটা ছাপা হবে না, এমনটা না হবার গ্যারান্টি থাকে।
সেটা কিন্তু হচ্ছে।
http://www.icmje.org/recommendations/browse/publishing-and-editorial-i
ssues/clinical-trial-registration.html
বলছে
Briefly, the ICMJE requires, and recommends that all medical journal editors require, registration of clinical trials in a public trials registry at or before the time of first patient enrollment as a condition of consideration for publication.
পুরো ডকুটা পড়লে দেখা যাবে, সমস্ত ট্রায়ালকে আগেভাগেই ধরে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে, যাতে নেতিবাচক ফলের ট্রায়ালগুলোকে কেউ ইচ্ছেমাফিক চেপে না দিতে পারে।
"The purpose of clinical trial registration is to prevent selective publication and selective reporting of research outcomes, to prevent unnecessary duplication of research effort, to help patients and the public know what trials are planned or ongoing into which they might want to enroll, and to help give ethics review boards considering approval of new studies a view of similar work and data relevant to the research they are considering."
সব জার্নাল ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ মেডিক্যাল জার্নাল এডিটরস তথা ICMJE তে নেই, সেটা সত্যি। কিন্তু এই রেজিস্ট্রেশনএর জন্য চাপ বাড়ছে। বিশ্বস্বাস্থ্যসংস্থা-র চাপও আছে -- http://apps.who.int/iris/bitstream/10665/76705/1/9789241504294_eng.pdf দেখতে পারেন।

আসলে নানারকম টানাপোড়েনের জায়গা হল ড্রাগ ট্র্যায়াল। সব সমস্যার সমাধান হয় নি, হওয়া আদৌ সম্ভব কিনা সন্দেহ। তাই বলে ইতিবাচক ডেভলপমেন্টগুলো না দেখে থাকতে হবে, এমন তো নয়!
Avatar: debabrata

Re: আমি তৈরি হয়ে আছি ঃ-চিকিৎসার নামে এই বর্বরতা প্রতিরোধে

যাক 'জ' এসে পরেছেন ,কিছু নুতন তথ্য এবং ব্যাখা পাওয়া গেল।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন