Purandar Bhat RSS feed

Purandar Bhatএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ফুলিশ

Purandar Bhat



দিয়েছি বানচোদের হাতটা মাড়িয়ে। দু একটা আঙ্গুলের হাঁড় ভেঙ্গে গিয়ে থাকলে অবাক হবো না। শালা এমনিতেই গরমে টেঁকা যাচ্ছে না, ভাবছিলাম আজকে থানা থেকে বেরোতে হবেনা ডিউটি করতে কিন্তু এই শুয়োরের বাচ্চাগুলো হতে দিলে তো? কি নাকি মাইনে পাচ্ছে না ঠিকমতো তাই মিছিল। তার ওপর আবার পার্মানেন্ট করতে হবে। শালা বাপের জমিদারী পেয়েছে, পার্মানেন্ট করতে বললেই করে দেবে। পুলিশ পারমিশন দেয়নি তাও মিছিল করবে, পেঁদিয়ে পেছন ফাটিয়ে দেওয়া উচিত।

চারপাশে আজকাল দেখছি কিছু হলেই ড্যাং ড্যাং করে নেমে পড়ছে ছেলে মেয়েগুলো মিছিল করতে। এতো কিসের পুরকি বাঁড়া? মিছিল স্লোগান করতে হলে নিজের বাড়িতে কর, আমাদের ফালতু খাটাস কেনো? রাজ্যের ঝামেলা এমনিতে পোয়াতে হয় তার ওপর আবার এসব এক্সট্রা ডিউটি। ধরে ধরে আচ্ছা সে প্যাঁদানো উচিত। চামড়া ফেটে বেগুনি কালশিটে না পড়লে শিক্ষা হবে না। সবচেয়ে বাড় বেড়েছে মেয়েগুলোর। এমনিতে তো জামা কাপড়ের ছিরি ছাদ নেই, দেখে মনে হয় লাইনের মাল, সারা দিন ছেলেগুলোর সাথে ঢলাঢলি । সিগারেট খাচ্ছে, বয়স্ক লোকদের সামনেও। দেখলেই ইচ্ছে হয় ল্যাংটো করে দৌড় করাই। বাপের হোটেলে বসে সব বিপ্লব মাড়াচ্ছে, খেটে খেতে হলে বেরিয়ে যেতো। আমার তো আর বাপের হোটেল ছিলো না, মাধ্যমিকের আগেই মারা গেলো। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে চাকরিতে ঢুকতে হলো, এইসব ঢ্যামনামো করার সুযোগ পাইনি। এগুলোর ওই অবস্থা হলে বুঝতো, এসব বিপ্লবিয়ানা বাপের হোটেলেই করা যায়। তার ওপর আজ এই দল, কাল ওই দলের মিছিল, বন্ধ লেগেই আছে। ভোটে হেরেছিস আবার এতো মিছিল মিটিং কিসের? চুপচাপ থাকতে পারিস না? ওই জন্যেই সুযোগ পেলেই রাম ঠ্যাঙানি দি। দুবার মারলে বছর খানেক ঠান্ডা থাকবে, রোজ রোজ এই ঝামেলা ভালো লাগে? এমনিতেই তো রোজের বাওয়াল লেগেই আছে। গত শুক্রবার স্যার বললো সাট্টার ঠেকটা তুলে দিতে, গিয়ে শালা চড় খেয়ে গেলাম। থানা থেকে কোথায় আরো ফোর্স পাঠাবে তা না কাউন্সিলার এসে শাসিয়ে গেলো অমনি স্যারও ভিজে বেড়াল। আমাকেই গালিগালাজ করে দিলো। ঠিক আছে, বুঝতে পারছি কাউন্সিলারের ঠেক ভাঙ্গা যাবে না, কিন্তু ফালতু আমাদের পাঠালি কেনো তাহলে? চড়টা তো আমরা খেলাম। সেইদিন থেকে হাতটা সুরসুর করছিলো ফেরত দেওয়ার জন্যে, আজ দিয়ে দিয়েছি। একটা ছেলে ইস্কুল ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলো, একদম কানের গোড়ায় সপাটে, ব্যাগ ফ্যাগ ছিটকে মাটিতে। মিছিলে ছিলো কিনা জানি না। অত জানারই বা কি আছে? পুলিশ রাস্তা ফাঁকা করতে বলছে তার পরেও দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছিলি কেনো?

কিরম বয়স হবে, ওই বাপ্পার মতই। এগুলো সব হারামির বাচ্চা তৈরী হচ্ছে একেকটা। বাপ্পাটা তো ইস্কুল কেটে মদ খেতে যায়, সবই কানে আসে। বাইকটা কিনে দেওয়া ভুল হয়েছিলো, মদ খেয়ে বাইক চালিয়ে কোনদিন একটা এক্সিডেন্ট ঘটাবে। লেখাপড়া আর হবেনা, এখন ওর মা বলছে কি বম্বে না পুনায় হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়তে যেতে চায়, ৫ লাখ টাকা খরচ, এই রাজ্যে নাকি চাকরি বাকরি নেই। শালা কনস্টেবেল হয়ে ৫ লাখ টাকা জোগার করা কি মুখের কথা? আগের চেয়ে রোজগার কমে গেছে, আগে স্যারকে ভাগ দিতে হতো আদ্ধেক-আদ্ধেক, এখন ফরটি সিক্সটি। স্যারের দোষ নেই, বড় সাহেবকে বেশি পাঠাতে হয়, তাকেও নাকি ওপরে বেশি দিতে হচ্ছে আগের চেয়ে। যা বুঝছি ফলস কেস বাড়াতে হবে, রোজ সন্ধ্যের দিকে ঘাটের দিকটা রাউন্ড মারতে হবে। সন্ধ্যের পর এদিকে সব টেপাটেপি করে, কয়েকটাকে তুলে নিয়ে বাপ মা ডেকে টাকা আদায় করলে কিছু এক্সট্রা উঠবে। পুতুলের বিয়ের জন্যেও তো টাকা দরকার, শালা তার ওপর আবার বাড়ি থেকে পালানো মেয়ে, ৬-৭ লাখের নিচে মিটবে না। এসব আজকালকার ছেলে মেয়েগুলোকে দেখলেই ওই জন্যে মাথায় খুন চেপে যায়, দু দন্ড শান্তি নেই কোথাও। বাপ্পার মায়ের তো আবার চোখের প্রবলেমটার জন্যে বেসরকারী হাসপাতালে অপারেশন করাতে হবে, সরকারী হাসপাতালে ওসব অপারেশনের জন্যে বিরাট লাইন, তা ছাড়া চোখ ফোখের বেপার, সরকারী হাসপাতালে রিস্ক হয়ে যাবে। এতো ঝামেলা মাথায় তার ওপর এইসব মিছিল প্রতিবাদের চোদনামো। পেটে লাথি মেরে গেলে দিতে ইচ্ছে করে এসব দেখলেই।

248 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: s

Re: ফুলিশ

দারুন। এটা কি মুখবই-তে দিয়েছেন।
নবারুনের কথা মনে করিয়ে দিল।
Avatar: সে

Re: ফুলিশ

খাপে খাপ
Avatar: নির

Re: ফুলিশ

যেমন জাতি তাদের ঠিক তেমন পুলিশ।
Avatar: ranjan roy

Re: ফুলিশ

চমৎকার ক্যারেক্টারাইজেশন!!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন