অভিজিতের জন্য RSS feed

অভিজিৎ কে নিয়ে যে যা লিখছেন, ছড়ানো ছিটানো অন্তর্জাল দুনিয়ার সর্বত্র, তার কিছু অংশ আর্কাইভ করা হচ্ছে এখানে।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সোনারপুরে সোনার মেলা
    শীত ভাল করে পড়তে না পড়তেই মেলার সীজন শুরু হয়ে গেছে। গুরু এবারে ওমনিপ্রেজেন্ট – গাদাগুচ্ছের মেলাতে অংশ নেবার মনস্থ করেছে। একেবারে সূচনাপর্বেই সোনারপুর মেলা – বোতীনবাবুর দৌলতে তার কথা এখন এখানে অনেকেই জানেন। তো সেই সোনারপুর বইমেলাকেই পদধূলি দিয়ে ধন্য করব ...
  • এন জি রোডের রামলাল-বাংগালি
    রামলাল রাস্তা পার হইতে যাইবেন, কিছু গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা চ্যাংড়া যুবক মোড়ে বসিয়া তাস পিটাইতেছিল— অকস্মাৎ একজন তাহার পানে তাকাইল।  রামলাল সতর্ক হইলেন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করিলেন, তুলিয়া, ক্ষীণকন্ঠে বলিলেন, 'জ্যায় শ্রীরাম।'পূর্বে ভুল হইত। অকস্মাৎ কেহ না কেহ পথের ...
  • কিউয়ি আর বাঙালী
    পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে ২০০র' কাছাকাছি দেশ, তার প্রায় প্রতিটিতেই বাঙালীর পদধূলি পড়েছে। তবে নিউজিল্যাণ্ড নামে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপমালা আছে, সে দেশের সঙ্গে ভারতীয়দের তথা বাঙালীদের আশ্চর্য ও বিশেষ সব সম্পর্ক, অনেকে জানেন নিশ্চয়ই।সে সব সম্পর্কের ...
  • মহামহিম মোদী
    মহামহিম মোদী নিঃসন্দেহে ইতিহাসে নাম তুলে ফেলেছেন। আজ থেকে পাঁচশো বছর পরে, ইশকুল-বইয়ে নিশ্চয়ই লেখা হবে, ভারতবর্ষে এমন একজন মহাসম্রাট এসেছিলেন, যিনি কাশ্মীরে টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে কাশ্মীরিদের উদ্দেশে টিভিতে ভাষণ দিতেন। যিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে ইন্টারনেট ...
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

অভিজিতের জন্য

হুমায়ুন আজাদকে হত্যা করার পর ১১ বছর কেটে গেছে। রাজীব হায়দারকে মারা হয়েছে ২ বছর আছে। অভিজিতের মৃত্যুর পরে তিন দিন কেটে গেছে।

সরকার চুপ করে আছে। তারা কিছু বলে মৌলবাদীদের বিরাগভাজন হতে চায় না। বিএনপি কিছু বলবে না। তারা মৌলবাদীদের মিত্রদল। জামায়াত মৌলবাদীদের মূল হোতা। এরশাদ কোনো দলের মধ্যে পড়ে না--স্রেফ পুঁতি দুর্গন্ধময় জীবানু মাত্র। আনু স্যার তেল গ্যাস থাকলে আছেন। তিনি খুব দ্বিধায় থাকেন--কোনটা আবার ভারতের পক্ষে চলে যায়। কোনটা আবার হিন্দুপক্ষের কথা হয়ে পড়ে। কোনটা আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তি যোগায়। এগুলো ঠিক তিনি পছন্দ করেন না। শুধু তেল গ্যাস-- আর গ্যাস তেল হলে তিনি আছেন।

সিপিবি-বাসদের এখনো বাল্যদশা ঘোচেনি। এর আগেই তারা জুবুথুবু বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন। বাড়তি একটা লেফ তোষক দরকার। ড: কামাল হোসেনের সবার আগে দরকার জামাইকে বাঁচানো। বেচারা একটু বেয়াদ্দব। কিন্তু তবু তো জামাই। খুশি রাখা দরকার। কাদের সিদ্দিকী মাসখানেক অফিসের সামনে কোলবালিশে হেলান দিয়ে আছেন। তিনি তাঁর দিগন্ত টিভির চাকরিটা ফেরত চান। তিনি এ জগতে টাকা চান। পরজগতেও টাকা চান। টাকা ছাড়া আর কোনো কথা নেই। দিগন্ত টিভি মরজগৎ ও পরজগতের টাকা প্রাপ্তির একমাত্র পরীক্ষিত উপায়। ড: ইউনুস বেচারার নোবেল ছাড়া মনে আর কিছু নেই। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ পণ্ডিত মানুষ। পণ্ডিতদের বাণী দেওয়া ছাড়া আর কোনো কাজ থাকতে পারে না।

আনিসুজ্জামান স্যারের অনেক কাজ। অনেক মিটিং সেমিনারের সভাপতিত্ব করা বাকী আছে। সবার উপরে আছে প্রথম আলোর দায়। ফলে তিনি এই বুড়ো বয়সে এতোটা সময় দিতে পারবেন না। সৈয়দ শামসুল হক সাহেব সবার উপরে কবি। শেষ বয়সে সময় নষ্ট না করে খেলা রাম খেলে যা'র আরেকটা সিক্যুয়াল লিখতে পারলে মন্দ হয় না। বাংলা একাডেমীর চাকরি চলে গেলে প্রথম আলোর চাকরিটা নিশ্চিত করতে শামসুজ্জামান খানকে একটু বেশি সময় দিতে হচ্ছে। মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ ঠিক কবি না মাইকম্যান সেটা এখনো ঠিক করতে পারেননি।

নাসিরুদ্দিন বাচ্চুকে সন্ধ্যার পরে ফরহাদ মজহারের সঙ্গে একটু আড্ডায় বসতে হয়। লোকটা পুরনো বন্ধু। এখন হেফাজতের গুরু। তাকে হাতে রাখা দরকার। আবার পোলাপানের সঙ্গেও না থাকলে চলে না। একটা জগাখিচুড়ি অবস্থা। এখন আবার বয়স বাড়ছে।

এ ধরনের আর যারা আছেন বা থাকছেন অথবা যাদের থাকা দরকার, তাদের জন্য মাঝে মাঝে 'লড়াই লড়াই লড়াই চাই' বলে গলা সাধাটা নিয়তি। ফলে অভিজিতের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না। রাজীবের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না। হুমায়ুন আজাদের রক্ত ইটের মত শক্ত। এই ইট দিয়ে একটা পোক্ত বাড়ি বানাবো। সেখানে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাবো। আর উঠে এক ফাঁকে চেঁচিয়ে বলবো--সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে। মানি না মানবো না ইত্যাদি। অভিজিৎ পর্বটা মিলিয়ে গেলে আরেকজন এক্স ওয়াই জেডের লাশ পড়বে। তখন আবার মিটিং মিছিল মানব বন্ধন করা যাবে। সেই আরেকটি লাশের জন্য অপেক্ষা। এই এক বিভৎস মজা। মজা ছাড়া এ জীবন বৃথা।

ফলে অভিজিত হত্যার বিচার হলো কি হলো না,সেটার ব্যাপারে কারো কোনো দায় নেই। ওটা অভিজিতের বুড়ো বাবার দায়। রাজীবের হত্যার বিচারের ব্যাপারে উকিল, কোর্ট কাচারির ঝামেলা রাজীবের বাবার ঝামেলা। হুমায়ুন আজাদের মামলার কি হল কি হল না সেটা অনন্য আজাদ ছেলেটার দেখার দ্বায়িত্ব। বিচার যে থমকে আছে, বিচার যে হচ্ছে না সে ব্যর্থতা রাষ্ট্র, রাজনীতিক, সংস্কৃতি কর্মী, কবি, শিল্পী বা মানবাধিকার কর্মীদের নয়--ব্যর্থতা আজাদ স্যারের ছেলেমেয়েদের অথবা ওয়াইফের। সো অভিজিৎ, আপনি মৌলবাদের বিরুদ্ধে লিখেছেন। আপনি মৌলবাদীদের হাতে খুন হয়েছেন। সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। পারিবারিক বিষয়। আপনি মরেছেন বলে আমরা মাঠ গরম করার একটা ইস্যু পেয়েছি। এটা আমাদের বিষয়। আর কি? এবার ধরা যাক দুএকটা ইঁদুর আবার।

তাহলে এই সব ধানাই পানাইয়ের কোনো মূল্য আছে? আছে। তবে সেটা খুবই সামান্য। বড়জোড় তিন থেকে এক সপ্তাহ। একটু সা রে গা মা পা ধা নি সা।

কথা হল, অভিজিৎকে হত্যা করা করা হয়েছে। এটা একটা খুনের মামলা। তিনি আস্তিক কি নাস্তিক--সেটা বিষয় নয়। তিনি লেখক কি অলেখক সেটাও বিষয় নয়। তিনি যুক্তিবাদী কি অযুক্তিবাদী সেটা বড় কথা নয়। তিনি একজন মানুষ। এটাই বড় কথা। একজন মানুষ কর্তৃক আরেকজন মানুষকে হত্যা করাটা অপরাধ। রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব সে অপরাধীদের বিচার করা। শাস্তি দেওয়া। শাস্তি নিশ্চিত করে এই ধরনের অপরাধপ্রবণতাকে নির্মূল করা। রাষ্ট্র যাতে এই দ্বায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে সেজন্য সচেতন মানুষকে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি আইনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকতে হবে। অভিজিৎ কেনো খুন হয়েছেন সেটা নিয়ে শুধু হৈচৈ করার মধ্যে দিয়ে কর্তব্য সমাধা করা মানে আরেকজন অভিজিৎ, রাজীব কিংবা হুমায়ুন আজাদের খুনের পথ করে দেওয়া। তাহলে কি করতে হবে?

করতে হবে এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার সমাধা করার ব্যবস্থা গ্রহণ। সেজন্য মিটিং মিছিল বিবৃতি কলাম লেখার পাশাপাশি একটা শক্তিশালী আইনজীবী সেল গঠন করা দরকার যারা সর্বাত্মকভাবে লেগে থাকবেন কোর্টের পিছনে। মামলার পিছনে। কার্যকর আইনী লড়াই করে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় আদায় করে ছাড়বেন। সেই রায় কার্যকর করার জন্য কাজ করে যাবেন। এর জন্য প্রয়োজনীয় আইনজীবী, লোকবল, অর্থ, সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। এই কাজটি আছে আমাদের দেশে? নেই। যারা মাঠ গরম করছেন তাদের কি কোনো পদক্ষেপ আছে এই বিষয়ে? নেই রে ভাই--নেই। ওটা পশ্চিমী সংস্কৃতি।

হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা গেলে অভিজিৎদের মৃত্যু সত্যিকারে ঠেকানো যাবে। হত্যার বিচার না হওয়ার হত্যাকাণ্ডে আমরা অভ্যস্থ হয়ে যাচ্ছি। এটা এক ধরনের অসুস্থতা।এইভাবে অসুস্থতা করে তোলাও মৌলবাদীদের একটি পরিকল্পনা। এটা মৌলবাদীরা জানে--আমরা জানি না।

285 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Biplob Rahman

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

জীবত অভিজিতের চেয়ে মৃত অভিজিত ভয়ংকর। ....
Avatar: b

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

কুলদাবাবুর সাথে একমত। আস্তিক/নাস্তিক/ইরাক/সৌদি এসব নিয়ে ঝগড়া সরিয়ে রেখে উচিৎ দেশের আইন মোতাবেক অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা। কিন্তু সে বড়ো কঠিন কাজ।

গড়ুন ফান্ড। সাথে আছি।
Avatar: d

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

"কথা হল, অভিজিৎকে হত্যা করা করা হয়েছে। এটা একটা খুনের মামলা। তিনি আস্তিক কি নাস্তিক--সেটা বিষয় নয়। তিনি লেখক কি অলেখক সেটাও বিষয় নয়। তিনি যুক্তিবাদী কি অযুক্তিবাদী সেটা বড় কথা নয়। তিনি একজন মানুষ। এটাই বড় কথা। একজন মানুষ কর্তৃক আরেকজন মানুষকে হত্যা করাটা অপরাধ। রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব সে অপরাধীদের বিচার করা। শাস্তি দেওয়া। শাস্তি নিশ্চিত করে এই ধরনের অপরাধপ্রবণতাকে নির্মূল করা। রাষ্ট্র যাতে এই দ্বায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে সেজন্য সচেতন মানুষকে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি আইনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকতে হবে। অভিজিৎ কেনো খুন হয়েছেন সেটা নিয়ে শুধু হৈচৈ করার মধ্যে দিয়ে কর্তব্য সমাধা করা মানে আরেকজন অভিজিৎ, রাজীব কিংবা হুমায়ুন আজাদের খুনের পথ করে দেওয়া।"

একদম!
Avatar: de

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

বাংলাদেশ সরকারের সবার আগে উচিত দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা - বাকি সব সেকেন্ডারী। মুক্ত রাজপথে এইভাবে যখন তখন একজন মানুষকে মেরে ফেলে পার পাওয়া যবে না - এইটা অপরাধীদের বোঝানো। নাহলে রাষ্ট্রের কাজ কি? নাগরিক নিরাপত্তা যদি এতো চরম সীমায় পৌঁছে থাকে - ক'দিন পরে তো সাধারণ মানুষের মধ্যেই গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাবে! সে বড়ো ভয়ঙ্কর দিন!
Avatar: de

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

এইরকম ফান্ড সত্যি তৈরী করা হলে সঙ্গে আছি।
Avatar: ranjan roy

Re: কী করে একটি হত্যাকাণ্ড বিভৎস মজা হয়ে ওঠে --- কুলদা রায়

কুলদা রায়,
সঙ্গে আছি।
তবে শর্ট টার্ম ও লং টার্ম--দুটো ভিশন নিয়েই লড়া দরকার মনে করি।
লিগ্যালি প্রসিকিউট করাটা আশুকর্তব্য।
কিন্তু মৌলবাদের বিরুদ্ধে ( সবরকমের) মুক্তচিন্তার পক্ষে লড়াইটা জারি রাখাই শুধু নয়, আরও ব্যাপক করা দরকার।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন