দুরবীন (২২শে ফেব্রুয়ারী)


লিখছেন --- খবরোলা অ্যান্ড কোং


আপনার মতামত         



দুরবীন আপনাদের দেখাবে সেইসব খবর, যা এমনিতে বাজারচলতি কাগজ বা চ্যানেলগুলিতে তেমন একটা দেখা যায় না। মিডিয়ার কোণাকাঞ্চিতে।পড়ে থাকা সেই সব খবর তুলে এনে শুরু হল নতুন বিভাগ "দুরবীন'

m¡mN®s
------------
Mh®ll L¡N®Sl fËbj f¡a¡ ®b®L ÏÙ¹Ïja q®u ®N®R m¡mN®s BÏch¡p£®cl B®¾c¡m®el Mhlz ÏL¿º L£ Qm®R HMe ®pM¡®e? ®n¡e¡ k¡®µR S¡e¤u¡Ïll ®noÏcL ®b®L Bh¡l öl¦ qu BÏch¡p£®cl Jfl l¡ø£u AaÉ¡Q¡l, M¤e qe f¤ÏmÏn AaÉ¡Q¡l Ïh®l¡d£ SeN®Zl LÏjÏVl ®ea¡ ÏejÑm j¡q¡®a¡z ®pCÏce-C m¡mNl nq®l Ïhl¡V Sj¡®ua L®l SeN®Zl LÏjÏVz HlflC, lqpÉSeLi¡®h M¤e qe Øb¡e£u ÏpÏfBCHj ®ea¡ e¾cm¡m f¡m J a¡l fËaÉ¡O¡a Ïq®p®h ®e®j B®p BÏch¡p£®cl Afl a¡ähm£m¡- jªaɤ qu c¤S®el, Bqa qe BlJ A®e®Lz Ïhn®c Mhl ®L±Ù¹¤i ®c, j¡eÚbÏm ÏlÏiE-®az
http://mrzine.monthlyreview.org/de040209.html


তুরস্ক
-----------
রিচার্ড ডকিন্স-এর ওয়েবসাইট-টি ব্যান হয়ে গেছে তুরস্কে। ক্রিয়েশনিস্ট আদনান ওক্তারের আনা ব্যক্তিগত মর্যাদাহানির মামলায় তুরস্কের ইসলামিক কোর্ট এই রায় দিয়েছে গত সেপ্টেম্বস মাসে (বিশদে http://www.guardian.co.uk/world/2008/sep/19/religion.turkey ) । তুরস্কের প্রসঙ্গে আসা যাক জুলিয়া রুকের Turkey's Hidden Shame তথ্যচিত্রটির কথায়। জুলিয়া সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আইনজীবী এরিন কেসকিনের, যিনি প্রায় এক দশক ধরে পুলিশি হেফাজতে থাকা মহিলাদের ওপরে যৌন নির্যাতন নিয়ে তুরস্কের বিভিন্ন আদালতে মামলা লড়ে আসছেন। এই মুহূর্তে তাঁর হাতে প্রায় শতাধিক কেস। বিরোধী কুর্দিশ পার্টির মহিলা শাখার প্রধানও এই নির্যাতনের শিকার, যদিও সরকার এখনও এই অভিযোগগুলি নিয়ে সামান্য কর্ণপাতও করছেনা। তথ্যচিত্র-টির লিংকসহ আলোচনা: http://mrzine.monthlyreview.org/rooke130209.html

ওবামা ইত্যাদি
--------------
আমেরিকা-প্রেসিডেন্টের মসনদে বারাক হুসেন ওবামার নির্বাচন সারা পৃথিবীর কাছেই নতুন সম্ভাবনার আশা জাগাচ্ছে- বিশেষত: আমেরিকান বিদেশনীতি যখন গত অর্ধশতাব্দী ধরে বিশ্বশান্তি-কে বারবার ব্যাহত করেছে, প্রেসিডেন্ট ওবামার পরিবর্তনের ডাক পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে। ইরানিয়ান ফর পিস -এর পক্ষ থেকে আকবর এতেমাদ ও ফতেমা কেশাভার্জ খোলা চিঠি পাঠালেন ওবামার উদ্দেশ্যে- মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি দেশকেই পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে সম্মত করতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে, http://mrzine.monthlyreview.org/ek310109.htm । প্রসঙ্গত, আকবর ছিলেন ইরানের অ্যাটমিক এনার্জি অর্গানাইজেশন-এর প্রথম প্রেসিডেন্ট। অনদিকে ফ্রেন্ডস অফ লেবাননের পক্ষ থেকে আরেকটি খোলা চিঠি-তে ওবামা-কে অভিযুক্ত করা হলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধপরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু ও দুর্গতির জন্যে। দায়ী করা হলো তাঁর উদারনীতি-র বুলির আড়ালে লুকিয়ে থাকা ইহুদি ও ইজরায়েল তোষণের প্রচেষ্টাকে। লেবাননের এই প্রতিনিধিরা দেখানোর চেষ্টা করলেন, ওবামার বিভিন্ন পদক্ষেপ (উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বিডেন-এর নির্বাচন বা ইরানের সঙ্গে কথা বলার বিষয়ে পূর্বশত আরোপ) , সব-ই আসলে গত ষাট বছর ধরে আমেরিকা সমর্থিত জিওনিস্ট নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে: http://www.countercurrents.org/lebanon131108.htm


১,৮২,৯৩৬
-----------------
না,না আলোর গতিবেগ টেগ নিয়ে কথা হছে না।

এটা কৃষকদের সংখ্যা। ৯৭ সাল থেকে গত দশ বছরে যতজন আত্মহত্যা করেছেন, তার সরকারি পরিসংখ্যান। ২০০১ থেকে, এই ট্রেণ্ড যখন আরো বেড়েছে, হিসেব বলছে প্রতি আধ ঘণ্টায় একজন করে কৃষক নিজের প্রাণ নিচ্ছেন। আত্ম্যহত্যার দুই তৃতীয়াংশ ই যদিও ঘটেছে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্র,মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এই পাঁচটি মাত্র রাজ্যে, অন্য রাজ্যগুলোতেও কিন্তু এই সংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়েছে। ছিদ্রান্বেষীরা বলছেন, কাদের কৃষক বলে চিহ্নিত করব, সেই তর্কে গেলে সংখ্যাটা বাড়বে বই কমবে না। এই যেমন, চাষী বৌ, চাষের কাজের সিংহভাগ করলেও তার আত্মহত্যা এই ন্যাশানাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর হিসেবে ঢুকবে না।

কিন্তু কেন এই আত্মহত্যা ? সাধারণভাবে বলা যেতে পারে, শোধ করার সম্ভাবনারও অতীত আকণ্ঠ ঋণে ডুবে যাওয়া। কেন এই ঋণ ? কেবল খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিপর্যয় কে দায়ী করলে অতিসরলীকরণ হয়ে যায়। সেতো ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েসের মতন জুড়েই রয়েছে কৃষকজীবনে। আসলে মূল চিন্তা এই আত্ম্যহত্যার ক্রমবর্ধমান অভিমুখ নিয়ে। দেশে অর্থনৈতিক উদারীকরণের এক দশকের মধ্যে ঋণাক্রান্ত চাষী পরিবারের সংখ্যা যে দ্বিগুণ হয়ে গেল, তা কি নেহাত ই কাকতালীয় ?

আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে কয়েকটি সাধারণ ব্যাপার লক্ষ্য করা গেছে। এঁদের বেশিরভাগই চাষ করতেন ক্যাশ ক্রপের , যা খাদ্যশস্য উৎপাদনের চেয়ে যে অনেকবেশি খরচসাপেক্ষ শুধু তাই নয়, বিশ্ববাজারের ওঠাপড়ার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে অনেক বেশি অনিশ্চিত। খরচ কেন বেশি তার পিছনেও খেলা আছে অনেক। বহুজাতিক সংস্থাগুলি স্থানীয়, শস্তা বীজের বদলে তাদের যে 'উন্নতফলনশীল' বীজ বেচছে, তার দাম বহুগুণ বেশি, কৃষকেরা ধার করে কিনছে সেসব,'উচ্চ ফলন' না হলে সব টাকা জলে।

মনে পড়ে যাচ্ছে নিশ্চয় মনসান্তোর বি টি কটন কান্ড। এদিকে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্যশস্য উৎপাদন না করার জন্য কৃষক পরিবারের খাদ্যের পিছনে খরচ বেড়েছে, বিষফোঁড়া হয়ে যুক্ত হয়েছে মুক্ত অর্থনীতির বেসরকারিকরণের জেরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা পরিষেবা খাতে ব্যাপক হারে খরচ বাড়া। আর মজাটা হচ্ছে, কৃষকের তাঁর উৎপাদিত শস্যের জন্য কিন্তু কোন বর্ধিত মূল্য পাচ্ছেন না। বরং ধনী দেশের ধনী কৃষকদের ভর্তুকি নামক তেলা মাথায় তেল দানের ফলস্বরূপ এইসব ক্যাশ ক্রপ এর বাজারী মূল্য পড়েছে, গরীব দেশের গরীব চাষীর আয় আরো কমেছে। ফল, মাথায় ঐ ঋণের বোঝা মাথায় তুলে নেওয়া।

যাঁরা ভাবছেন ,এসব কৃষক আত্ম্যহত্যার গপ্পো তো অনেক পুরোনো, সরকারেরও টনক নড়েছে, অনেক প্যাকেজ ট্যাকেজও ঘোষিত হয়েছে, তবে এখনো কেন সোরগোল তোলা , তাঁদের জন্য, রিলিফ প্যাকেজ ঘোষণার দেড় বছর বাদেও, ২০০৭ এ মহারাষ্ট্রে আত্ম্যহত্যার সংক্যা ৪০০০ আর গত তিন বছরে সে সংখ্যা সর্বকলীন রেকর্ড। ভাবনার কথা তো বটেই। চিন্তিত ও উৎসাহীজনেদের জ্ঞাতার্থে, আরো ভাবনাচিন্তার রসদ, তথ্য ও বিশ্লেষণ পাওয়া যাবে পি সাইনাথের কাউন্টারপাঞ্চে সদ্য প্রকাশিত লেখাটিতে: http://www.counterpunch.org/sainath02122009.html


ফেব্রুয়ারী ২২, ২০০৯