বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--15


           বিষয় : সোশ্যাল মিডিয়ার হ্যানোত্যানো
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :pi
          IP Address : 781212.194.12.204 (*)          Date:27 Dec 2018 -- 08:16 AM




Name:  pi          

IP Address : 781212.194.12.204 (*)          Date:27 Dec 2018 -- 08:55 AM

সোশ্যাল মিডিয়া ও মেন্টাল হেল্থ নিয়ে বেশ গবেষণা হয়ে চলেছে বেশ কিছুদিন ধরে, তার মধ্যে কিছু কিছুর রিপোর্ট কার্ড এসেছে।
যেমন এটা, সময় নেই হাতে , তাই আপাতত কোট করেই রাখি। অভি, স্বস্তিদা বা আর কেউ একটু মূল পেপার, স্তাডি ডিজাইন ইত্যাদি দেখে নিয়ে লিখলে ভাল হত।

In the first experimental study of Facebook, Snapchat, and Instagram use, University of Pennsylvania psychologist Melissa G. Hunt showed a causal link between time spent on the platforms and decreased well-being

UNIVERSITY OF PENNSYLVANIA


The link between the two has been talked about for years, but a causal connection had never been proven. For the first time, University of Pennsylvania research based on experimental data connects Facebook, Snapchat, and Instagram use to decreased well-being. Psychologist Melissa G. Hunt published her findings in the December Journal of Social and Clinical Psychology.

Few prior studies have attempted to show that social-media use harms users' well-being, and those that have either put participants in unrealistic situations or were limited in scope, asking them to completely forego Facebook and relying on self-report data, for example, or conducting the work in a lab in as little time as an hour...

https://www.voanews.com/a/study-links-social-media-to-depression-lonel
iness/4652794.html



এর আগে একটা সার্ভে করে নানা সোশ্যাল মিডিয়ার র‌্যান্ক বের করা হয়েছিল, ইন্স্টাগ্রাম , স্ন্যাপচ্যাট, লস্ট হয়েছিল, ইউটিউব প্রথম, ফেসবুক ছিল মাঝামাঝি
https://www.telegraph.co.uk/news/2017/05/19/instagram-ranked-worst-soc
ial-network-young-peoples-mental-health/


এমনকি ফেসবুক, ইন্স্টাগ্রামকে এই ক্ষতির দায়িত্বও নিতে বলা হয়েছে।
Facebook and Instagram should be forced to fund treatment of mental health problems because of the damage caused by social media, the head of the NHS has suggested.

Simon Stevens said the Government should consider introducing a "mental health levy" to fund NHS treatment of problems fuelled by such websites.

It follows concern that levels of anxiety, distress and depression among children and teenagers are reaching epidemic levels, with one in five teenage girls self-harming.

Mr Stevens told a global summit that there is now a compelling body of evidence demonstrating the damaging impact of social media on children, which appears to be fuelling rising admissions to mental health services.

ফেসবুক, ইন্স্টা, স্ন্যাপচ্যাট কমালে ছাত্রছাত্রীদের একাকিত্ব, ডিপ্রেশনও কমেছে বলছে, এই স্টাডিগুলোও কেউ ভাল করলে দেখলে ভাল হত।
https://www.psypost.org/2018/11/students-who-limit-use-of-facebook-sna
pchat-and-instagram-see-significant-reductions-in-loneliness-and-depre
ssion-52564



এবার পড়ে যা মনে হল, যত বেশি ছবি নির্ভর সাইট, তত বেশি ক্ষতিকর, হয়তো সবকিছুতেই শো অফ প্রবণতা বাড়ানোর জন্য, সেটাকে নর্মালাইজ করে দেওয়ার জন্য, প্রচণ্ডভাবে ও আক্ষরিকভাবেই ইমেজনির্ভর ইমেজবিল্ডিং প্র্যাকটিস ই তদ্বজনিত প্রতিযোগিতা এসে যাওয়াকে কিছুটা দায়ী তো করা হচ্ছে। এই সেদিনই কিছু লোকজন আলোচনা করছিলেন, দামি গাড়ি বাড়ি জামা জুতো কিনে আনন্দের খার শেয়ার করা একরকম, কিন্তু সেটার ডিস্প্লে কোন পর্যায়ে শো অফ হয়ে যায় সেই মাত্রাজ্ঞান আগে হয়তো তাও ছিল, শো অফ ব্যাপারটা একরকম করে খারাপই মনে করা হত, এখন সেটাই ইন থিং, এগুলো কি ক্ষতি করছে না ? নানা আআপ দিয়ে ক্রমাগত নিজেদের সুন্দর দেখিয়ে যাওয়া ছবি পোস্ট, ইন্স্টাগ্রামে বোধহয় সেসব আরো বেশি হয়, ভাল আইডিয়া নেই, স্ন্যাপচ্যাটে কী হয় জানিনা, তো জানেন যাঁরা একটু লিখুন না।

আজ দোলনদির এই লেখাটা পড়তে পড়তে মনে হল, বাকি অনেককিছুতে একমত, কিন্তু সঞ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকাও এখানে আসে। এই শো অফ, তাকে গ্লোরিফাই করা আর তা নিয়ে আমাদের আদেখলপনায় শক্তপোক্ত ব্রিজ কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুক খুল্লেই, কোন সার্চ করতে গেলেই সমানে এইসব ছবি, এইসব ভিডিও খবর, না চাইলেও চোখ যাবেই, আটকাবেই, কিছুটা সময় দিয়ে হলেও পড়বেনই। শুধু বিয়ে বলে না, ব্রিটিশ রাজারাণী যুবরাজ যুবরাণী থেকে শুরু করে গ্ল্যামর দুনিয়ার সবার জীবনের সমস্ত হ্যানোত্যানো , যা ট্যাবলয়েড মেটিরিয়াল, সেসব তো আমাদের কাগজগুলোতে, বিশেষ করে ডিজিটাল ভারশন তো এইঅব চাটনি দিয়েই টেনে রাখে, এগুলোও প্রচণ্ড বেড়ে গেছে, আর তার মাধ্যম বা বড়সড় অনুঘটকও হয়ে উঠেছে ফেসবুক ট্যুইটার। খুল্লেই এইসব। স্ক্রোল করতে গেলেই এইসব। আর কী ভয়ন্কর, গুগল খুল্লেও এইসব খবরই ! একবার এসবে ক্লিক করলেই এই খবরই সমানে দেখাতে থাকে। কই অন্যধরণের খবরাখবরও যে পড়ি, সেসব তো কই সাজেশনে সেভাবে আসেনা ! এসবই নির্ঘাত বড়সড় টাকার খেলা।

বাকিরা কী বলেন, জানতে মুন্চায়।
ইমেজনির্ভরতা নিয়েও।

এসবের মধ্যে মনে হল গুরুচণ্ডালিও তো সোশ্যাল মিডিয়াই, গুরু কোথায় কীভাবে পড়তে পারে, এরকম স্টাডি বা র‌্যান্কিং হলে ? ঃ)





Name:  pi          

IP Address : 785612.35.230112.222 (*)          Date:27 Dec 2018 -- 04:54 PM

লেখাটা ভাল খোরাক করেছে। এখানেও এই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারিং এর কথা বলেছে। নাহলে এই প্রিপোস্ট ওয়েডিং সেলিব্রেশন, যা বহুসময়ই নিতান্ত শো অফ কিম্বা খোরাক, এরকম মহামারী আকার নিত?

<https://qrius.com/what-our-obsession-with-over-celebrating-weddings-birthdays-and-now-even-divorces-says-about-us/>


Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:13 PM

ফেসবুক ডিটেক্ট করতে পারে ইউজারের মানসিক অবস্থা।মানে ইউজার ডিপ্রেসড আছে কিনা, ডিপ্রেশন কাটানোর জন্য বেশি বেশি শপিং করবে কিনা, বা কি ধরনের জিনিস পছন্দ করবে।কিছু আর্টিকল দিলাম রেফারেন্সের জন্য।এক্স ফেসবুকারদের ইন্টারভিউ, টেড টক ইত্যাদি
https://www.theguardian.com/technology/2017/oct/05/smartphone-addictio
n-silicon-valley-dystopia?fbclid=IwAR2VsdRW1lpiStcz_49QNhLPcZIpjfWpRHI
HxuQ5QOvXYGkL3xcKLaMx0lY



Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:13 PM

ফেসবুক ডিটেক্ট করতে পারে ইউজারের মানসিক অবস্থা।মানে ইউজার ডিপ্রেসড আছে কিনা, ডিপ্রেশন কাটানোর জন্য বেশি বেশি শপিং করবে কিনা, বা কি ধরনের জিনিস পছন্দ করবে।কিছু আর্টিকল দিলাম রেফারেন্সের জন্য।এক্স ফেসবুকারদের ইন্টারভিউ, টেড টক ইত্যাদি
https://www.theguardian.com/technology/2017/oct/05/smartphone-addictio
n-silicon-valley-dystopia?fbclid=IwAR2VsdRW1lpiStcz_49QNhLPcZIpjfWpRHI
HxuQ5QOvXYGkL3xcKLaMx0lY



Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:14 PM

এটাও দেখুন সকলে

https://www.theguardian.com/technology/2017/may/02/facebook-executive-
advertising-data-comment?fbclid=IwAR2qk4Dxpb-sj93HT6X5FjYenz1FF8G6maKQ
SY4gQ3oVoiiavsvl3etHj5k



Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:15 PM

চমথ পালিহাপিথিয়া-র একটা ইন্টারভিউ দিলাম। শুনে দেখুন, ভাল লাগবে

https://www.youtube.com/watch?v=PMotykw0SIk&feature=youtu.be&fbclid=Iw
AR3SF0i1GJ150qww1QF0u4DS7hnz8jtnwOFQsfp0NTibIupRE4wwX2KALck



Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:15 PM

চমথ পালিহাপিথিয়া-র একটা ইন্টারভিউ দিলাম। শুনে দেখুন, ভাল লাগবে

https://www.youtube.com/watch?v=PMotykw0SIk&feature=youtu.be&fbclid=Iw
AR3SF0i1GJ150qww1QF0u4DS7hnz8jtnwOFQsfp0NTibIupRE4wwX2KALck



Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:15 PM

অভিনেতা জিম ক্যারি কয়েকদিন আগে একটি টুইট করেন এই মর্মে যে তাঁঁর সন্দেহ তাঁর স্মার্টফোনের ফেসবুক ও গুগল অ্যাপ তাঁকে স্টক করছে, কারণ তিনি বেশ কিছু বন্ধুবান্ধবের সাথে কোন বিষয় নিয়ে অফলাইনে আলোচনা করলেও ফেসবুকে সেই সংক্রান্ত প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দেখতে পান তিনি। মানে ধরুন আপনি স্কুলজীবনের তিন চারজন বন্ধুর আড্ডায় সপ্তাহান্তে ডুয়ার্স ঘুরে আসার প্ল্যান করলেন আর কি আশ্চর্য , বাড়ি ফিরে ফেসবুক খুলেই দেখলেন ডুয়ার্সের কোন হোটেলে ১০% , কোথায় ১৫% ছাড় সেইসব বিজ্ঞাপন। অথবা ওলা আউটস্টেশনের বিজ্ঞাপনে কলকাতা থেকে জলদাপাড়া ট্রিপে বিশেষ রিবেট, শুধুমাত্র এই সপ্তাহের জন্য। হয় না? জিম ক্যারির-ও হয়েছিল।সেই টুইটারের কমেন্টবক্সে ক্যারির মন্তব্যকে নিয়ে প্রচুর ইয়ার্কির পাশাপাশি বেশ কিছু মানুষ মেনেও নিয়েছিলেন তাঁদের সাথে এমনটা হয়েছে। সন্দেহটা দানা বাঁধে যখন এক্স ফেসবুকার ও লেখক অ্যান্টনি গার্সিয়া মার্টিনেজ গার্জিয়ান পত্রিকায় একটি নিবন্ধে দাবী করেন ফেসবুকে চাকরীর দুইবছরে তাঁর কাজ ছিল এককথায় র ডেটাকে অর্থে রূপান্তর করার।২০১২ সাল থেকে ফেসবুক এই ইউজার ডেটার উপর ভিত্তি করে মাইক্রো অ্যাডভার্টাইজিংকে প্রাধান্য দিতে শুরু করে। দ্য অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকা প্রকাশিতব্য একটি প্রবন্ধে ২০১৬ (এটা ১৭-ও হতে পারে, শিওর নই) নাগাদ ফেসবুকের দুজন এক্স এক্সিকিউটিভ ডেভিড ফার্নান্ডেজ ও অ্যান্ডি সিনের মত অনুযায়ী ফেসবুক অল্পবয়সী ইউজারদের আপডেট, ছবি ইত্যাদি থেকে তাদের মনের অবস্থা ডিটারমিন করতে পারে। গার্জিয়ানের ভাষায় the company can monitor posts and photos in real time to determine when young people feel “stressed”, “defeated”, “overwhelmed”, “anxious”, “nervous”, “stupid”, “silly”, “useless” and a “failure”.
অস্ট্রেলিয়ানে শেষমেশ রিপোর্ট্টা বেরোয়নি, কিন্তু দাবী করা হয়েছিল সিন ও ফার্নাডেজের বানানো একটি প্রেজেন্টেশনে বলা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ১.৯ মিলিয়ন স্কুল ছাত্র, ১.৩ মিলিয়ন কলেজ ছাত্র এবং ৩ মিলিয়ন ইয়ং প্রফেশনালের ডেটা ফেসবুকের হাতে রয়েছে এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে যা টাকার বিনিময়ে প্রোভাইড করা হয়। কি রকম ডেটা? অস্ট্রেলিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী –
the data available to advertisers includes a young user’s relationship status, location, number of friends on the platform and how often they access the site on mobile or desktop. The newspaper reported that Facebook also has information on users who are discussing “looking good and body confidence” and “working out & losing weight”.
Facebook can further analyze how users are “representing emotion and communicating visually”, the Australian said. The report also claimed that Facebook is able to understand how emotions are communicated at different points during a young person’s week.
“Anticipatory emotions are more likely to be expressed early in the week, while reflective emotions increase on the weekend,” the document said, according to the Australian. “Monday-Thursday is about building confidence; the weekend is for broadcasting achievements.”
ফেসবুক প্রকারন্তরে তাদের ত্রুটি মেনে নেয় এবং তাদের রিসার্রচের জন্য নতুন গাইডলাইন আনার কথা বলে।তবে এ-ও দাবী করা হয়যে রিসার্চের পদ্ধতি খবরের কাগজের রিপোর্টের থেকে একটু অন্যরকম এবং রিসার্চের ডেটা বিষয়ে -- the research was “based on data that was anonymous and aggregated

---কোটেশন গুলো কপি করলাম নেট থেকে


Name:   Ritam Ghosal           

IP Address : 340112.77.7845.172 (*)          Date:29 Dec 2018 -- 12:16 PM

সবচেয়ে আশ্চর্যের হল, এক্স ফেসবুকার ট্রিস্তান হ্যারিসের এই টেড টক। এটা অবশ্যই শুনুন সকলে ।
জোলা'স অ্যালগরিদম জানেন তো? আপনার স্যাট স্কোর,আপনার পারচেজ হ্যাবিট, ব্রাউজার সার্চ হিস্ট্রি,ট্রাভেল হ্যাবিট, ইমেল,ফোন কল, বন্ধুবান্ধবের সার্কেল ইত্যাদি থেকে অ্যালগরিদম বুঝে ফেলে আপনি ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক কিনা।এটা গল্পকথা।কিন্তু বাস্তবে হতে বেশি বাকি নেই

https://www.ted.com/talks/tristan_harris_the_manipulative_tricks_tech_
companies_use_to_capture_your_attention?fbclid=IwAR08sgZVV6qb6FHtxE-ce
6qhDiQIm3FCFKUF_Y5BIOOdCqqfsm5_YDFbnGM#t-293926





Name:  dc          

IP Address : 7823.62.6756.192 (*)          Date:30 Dec 2018 -- 09:34 AM

জিম ক্যারির টুইটের কথা জানতাম না, কিন্তু এরকম বেশ কয়েকবার আমার সাথে হয়েছে। এমনকি এখানে ভাটিয়ালিতে দুয়েকবার এনিয়ে পোস্টও করেছি। একবার পন্ডিচেরিতে যাবার কথা আলোচনা করেছিলাম, তারপরেই ফোনে দেখি অ্যাড আসছে পন্ডির রেস্টুরেন্ট না কিসব নিয়ে। আমার দুয়েকজন বন্ধু বা আত্মীয়র সাথেও এরকম হয়েছে। ইন ফ্যাক্ট এই ভয়ে অ্যালেক্সাও কিনিনি।


Name:  pi          

IP Address : 7845.29.343423.184 (*)          Date:03 Jan 2019 -- 06:29 PM

name: dc mail: country:

IP Address : 232312.164.673423.136 (*) Date:03 Jan 2019 -- 03:55 PM

একটা কথা ভাবছিলাম। কেরলে যেসব কান্ড হচ্ছে, আজকের মতো মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়া থাকলে কি সতীদাহ প্রথা বা বিধবা বিবাহ প্রথা লোপের বিরুদ্ধেও এরকমই আন্দোলন হতো? সতীদের পুড়িয়ে মারতেই হবে, বা বিধবাদের কোনমতেই আবার বিয়ে বরদাস্ত হবে না, এই মর্মে কি প্রচুর পোস্ট পড়তো আর নেতারা জ্বালাময়ী বিবৃতি দিতেন? আমার তো মনে হয় হতো (দিতেন), তখনকার দিনে সোশ্যাল মিডিয়া থাকলে বোধায় সতীদাহ বন্ধই করা যেত না।


Name:  dc          

IP Address : 127812.49.9006712.69 (*)          Date:03 Jan 2019 -- 08:33 PM

পাই ম্যাডামকে ধন্যবাদ।

sm প্রশ্ন করেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া কি তাহলে রিগ্রেসিভ? এটার একটা অবভিয়াস উত্তর হতে পারে যে সোশ্যাল মিডিয়া তো স্রেফ একটা টুল, বা কমিউনিকেশানের একটা মাধ্যম, কাজেই এটা প্রোগ্রেসিভও না রিগ্রেসিভও না। তবে নানানরকম পেপার পড়ি মাঝে মাঝে, যেখানে বলা হচ্ছে যে সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে ইমোশান অ্যাম্প্লিফাই করতে পারে সেরকমটা আগে খুব একটা হতো না। এই অ্যামপ্লিফিকেশান পজিটিভ বা নেগেটিভ ইমোশন দুয়েরই হতে পারে, আর দুরকম উদাহরনই আমরা প্রচুর দেখি। মানে ফিল গুড টাইপের ঘটনাও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর ছড়ায়, আবার পোলারাইজিং মেসেজও প্রচুর ছড়ায়। যার ফলে গুজব ইত্যাদি ছড়ানোর কাজও বোধায় আগের থেকে অনেক বেশী সোজা হয়ে গেছে।

আরেকটা কথা মনে হয়, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করে কারা অডিয়েন্সকে ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছে। এখন যেমন আমাদের দেশে বিজেপি আর কং দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করে নিজেদের পক্ষে বা অপোনেন্ট পার্টির বিপক্ষে পার্সেপশান তৈরি করার চেষ্টা করছে। আগেকার দিনে এই কাজটা রেডিও বা খবরের কাগজ দিয়ে করার চেষ্টা হতো, কিন্তু এগুলোর রিচ আজকের স্মার্টফোনের মতো ছিলনা, ফলে এখনকার মতো ডিসেন্ট ম্যানুফাকচার করা বা আন্দোলন তৈরি করাও আগে কিছুটা কঠিন ছিল। এই সব নিয়েই ভাবছিলাম আর কি।


Name:  pi          

IP Address : 2345.110.9004512.237 (*)          Date:07 Jan 2019 -- 12:12 AM

এগুলো বন্ধের কারণ?

https://www.anandabazar.com/photogallery/international/these-applicati
ons-or-services-of-google-facebook-removes-dgtl-1.927673?slide=11



Name:  pi          

IP Address : 7845.29.787812.225 (*)          Date:09 Jan 2019 -- 09:07 AM

এটা সত্য? কীরকম ফেক নিউজ ছিল?


https://www.ndtv.com/world-news/facebook-investigating-political-page-
news-for-democracy-backed-by-billionaire-reid-hoffman-for-misl-1974185



Name:  pi          

IP Address : 4512.139.122323.129 (*)          Date:15 Jan 2019 -- 01:46 PM

নিন।

https://www.nytimes.com/2018/06/13/books/review/jaron-lanier-ten-argum
ents-for-deleting-your-social-media-accounts-right-now.html


এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--15