বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--5


           বিষয় : শেয়ার করার মত পোস্টটোস্ট
          বিভাগ : নাটক
          শুরু করেছেন :pi
          IP Address : 233.176.33.27 (*)          Date:22 Apr 2017 -- 11:21 AM




Name:  pi          

IP Address : 233.176.33.27 (*)          Date:22 Apr 2017 -- 11:43 AM

প্রায়শঃই ফেবু বা অন্যত্র বেশ কিছু পোস্ট দেখি, ওখানে আমি বা অনেকে শেয়ারও করি। অনেককে পড়ানোর মত মনে হয়।
তাঁদের কেউ কেউ এখানেও লেখেন। আবার অনেকেই সাইটে সড়গড় না। তো, কখনো সখনো সেরকম পোস্ট এখানে রেখে দেবার জন্য টইটা খুললাম।
অনেকের নজরেই তো এরকম পোস্ট আছে, সময় করে একটু এখানেও রেখে দিন না।


Name:  pi          

IP Address : 57.29.243.26 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 08:44 AM

আমর মিত্রের পোস্ট।

আজ আনন্দবাজার পত্রিকায় একটি চিঠিতে পড়লাম মেধাবী ইংরেজি জানা যুবক ইংরেজিতে কথা বলায় সপ্রতিভ না হওয়ায় তাঁর পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস এ এ গ্রুপ হয়নি। ঘটনা ২০০১-এর। চিঠি লিখেছেন নদীয়া জেলার বহিরগাছির পিন্টু ভট্টাচার্য। তিনি বাংলায় উত্তর দিতে চাওয়ায় রূঢ় ভাষায় ইন্টারভিউ বোর্ডের একজন তাঁকে বলেছিলেন, বিসিএস এর চাকরি করবে, ইংলিশে কথা বলতে পার না ? পরে তিনি ধীরে ধীরে ইংরেজিতেই জবাব দেন এবং নিচের গ্রুপ এ চাকরি পেয়েছেন। বোর্ডের অন্য সদস্য অবশ্য তাঁর প্রতি সহনাভূতিশীল হয়ে তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন চেষ্টা করে বলতে। এই চাকরিতে গ্রামে বিডিওর চাকরিইই প্রথম পোস্টিং। বাংলা জানা অতি আবশ্যিক সরকারি চাকরির আরম্ভ থেকে শেষ অবধি। কিন্তু এও জানা, সেই সময়েই বাংলা না জানা প্রার্থীও চাকরি পান অন্য এক ভাষাকে প্রথম ভাষা নিয়ে, এবং পরীক্ষায় সেই ভাষায় প্রচুর নম্বর পেয়ে। বাঙালির কী হবে ? অন্য ভাষার দাসত্বই আমাদের ভবিষ্যত। এখন হিন্দিতে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস দেওয়া যায়। বাংলাতেও দেওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনতার সত্তর বছরেও বাংলা পঠন আবশ্যিক করা যায়নি। কেউ করেনি। সাক্ষাৎকারে দুই পক্ষই যখন বাঙালি, রাজ্য যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ সে বাংলায় উত্তর দিতে চেয়ে কোন অন্যায় করছিল?
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা আবশ্যিক হোক। সরকারি চাকরির ভাষা বাংলা হোক।




Name:  sm          

IP Address : 52.110.183.145 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 09:48 AM

ইংলিশে বলতে ও লিখতে পারা ওই জবের জন্য আবশ্যিক।ঠিক যেমন বাংলা ভাষা।সরকারের উচিত অন্যভাষী লোক কে চাকরি দেবার শর্ত হিসাবে বাংলা ভাষা পড়ার ও লেখার যোগ্যতার প্রমান চাওয়া ।
আমাদের দেশে সরকারি আমলার ইংরেজি ভাষায় সড়ো গড় হওয়া খুব জরুরি।



Name:  pi          

IP Address : 57.29.243.26 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 10:13 AM

এই তর্কের জন্য অন্য একটা টই তুলে দিলাম।

পুরন্দর ভাটের পোস্টঃ

মন্দির নিয়ে একটি নিরামিষ গল্প
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে পুরীর মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া নিয়ে ক্যাচাল বেধেছিল। সম্ভবত মিটেও গেছে। ইন্দিরা গান্ধীকে অতীতে এর আগে এই নিয়মের (বা বেনিয়ম) সম্মুখীন হতে হয়েছিল কারন তার বৈবাহিক সম্পর্ক পান্ডাদের পছন্দ হয়নি। স্বাভাবিক। খাপ পঞ্চায়েত আর কাজীর ক্যাঙারু কোর্টের দেশে তেনাদের ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে। এবসলিউট ক্ষমতার অধিকারিণী ভারতেশ্বরী পর্যন্ত পাত্তা পাননি তো, ছোটখাটো নেতা নেত্রী কোনসা ইয়ে, মানে কোউন ক্ষেত কি মুলি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বা শ্রীমতী ইন্দিরার রাজনীতির চুড়ান্ত বিরোধী হলেও যেকোনো গণতান্ত্রিক মানুষ এই ধর্মীয় পাকামি ও জগদ্দল নিয়মের নিন্দা করবেন। (অবশ্য এক্ষেত্রে সত্যিই ঢুকতে দেওয়া হয়নি এমনটা নয়, একটু গোলযোগ বেধেছিল, সেটা বিরোধীরা গট আপ বলে সন্দেহও করছেন ;) )
যুগ যুগান্ত ধরে এই নিয়ম চলে আসছে। ঈশ্বর রুষ্ট হবেন কিনা জানা নাই কারণ ঈশ্বর তো ঠুঁটো জগন্নাথ, আক্ষরিক অর্থেই ঠুঁটো। যেমত আল্লাতালাও। তার নিজস্ব ক্ষমতা বলে কিস্যু করবার নাই। পান্ডা মৌলবীদের জন্যে স্বর্গে বসেই তিনি টেন্ডার ডাকেন। এবং বানী দেন এই এই করিতে হইবে। এক পা পিছিয়ে দুই পা আগাইবে, ইত্যাদি। এই মসজিদে কাফের যেতে পারবেনা, সেই চার্চে ঋতুমতী মেয়েরা ঢুকতে পারবেনা, ওই মন্দিরে অন্তজ শুদ্রের প্রবেশ নাই.... ইথার তরঙ্গ বাহিত হয়ে ধর্মগুরুদের কানে বাণী আসে। প্রভু আলো দেখিয়েছেন। প্রয়োজন হলেই তিনি দেন। শুধু টাওয়ার টা আসা চাই। ধর্মগুরুরা দরকার হলেই তাকে টেনে নামান। ডেকে পাঠান। মহম্মদ তো প্রায়ই ডাকতেন। ;)
ঈশ্বর যে ঠুঁঠোই নয় স্রেফ ধ্বজভঙ্গও তা প্রমান করে দিয়েছিলেন কালাপাহাড় স্বয়ং। একধার থেকে পাণ্ডা, পুরোহিতদের কেলিয়েছেন, মন্দির পেলেই হাতুড়ি চালিয়েছেন। হিন্দু মন্দির ভাঙার পেছনে অবশ্য মহান আদর্শ বা লুঠের উদ্দেশ্য ছিলনা (তার সাকরেদরা যথেচ্ছ লুটমার করেছেন)। তিনি এসেছিলেন তীব্র প্রতিশোধস্পৃহায়। কালাপাহাড় যে উচ্চ ব্রাহ্মন ঘরের শিক্ষিত সন্তান ছিলেন ঐতিহাসিক সত্য। সুতরাং ওই বাবর, ঔরংজেবের মতো এক গোত্রে ফেলাও যাচ্ছেনা। :) সেদিন পুরীর পান্ডাদের কি হাল হয়েছিল ইতিহাস সাক্ষী। জগন্নাথের ঠিকাদারেরা মাথায় টুপি পরে, চোগা চাপকান বোরখা পরে, কেউ কেউ হয়ত নুনু কাটিয়ে জান বাঁচিয়েছিল। ধম্মো ফম্মো মাথায় থাক।
বলি, উপাচার, ধুপ, দীপারতি রসাতলে বিসর্জন দিলেও দেবতার ঘুম ভাঙেনি। ভগবান প্রাতঃকৃত্যর টাইমটুকু পাননি। ঝেড়ে দৌড় দিয়েছিলেন।
সকলেই জানেন নিয়ম কানুন কারা বানায়। অলঙ্ঘ নিয়মকেও কলা দেখিয়ে দেন কালাপাহাড়রা। শুধু বুকের পাটা থাকা চাই। ধর্মদ্রোহ মানে গোমাংস বা শুকরমাংস ভক্ষন নয়। আমার কতিপয় বন্ধু অভিযোগ করেন আমি অতীতচারী। কিছু বলতে গেলেই উদাহরণ হিসেবে অতীতে, কবেকার কোন আমলে কি ঘটেছিল টেনে আনি। সেই অভিযোগ ঘাড়ে নিয়ে একটা গল্প বলা যাক। বন্ধুরা একটু ধৈর্য ধরে পড়বেন। মন্দিরে প্রবেশের গল্প। গল্প নয়, বাস্তব ঘটনা।
১৯৪৩ এর শেষার্ধ, আজাদ হিন্দ ফৌজের সদর দপ্তরে বসে নেতাজী কাজ করছেন। দিবারাত্রি পরিশ্রমের ফাঁকে বাইরের কারো সাথে দেখা করার সুযোগ থাকেনা।
এমনি এক দিনে ব্রিজলাল জয়সওয়াল এলেন দেখা করতে তাঁর সাথে। ব্রিজলাল সিঙাপুরের ধনিক ও বনিকশ্রেষ্ঠ। তিনপুরুষ ধরে বর্মা মুলুকে ব্যবসা। আদতে তারা গুজরাটি চেট্টিয়ার ব্রাহ্মণ।
বৃদ্ধ ব্যবসায়ী এসেছেন ফৌজি অর্ডার সাপ্লাইয়ের কথা বলতে। নেতাজী তার কাছে সবিনয়ে একটি আর্জি রাখেন তা হলো অনুদানের। আজাদ হিন্দ ফৌজের ফান্ডে একজন প্রবাসী ভারতীয় হিসেবে এটুকু কি তিনি করবেননা? ব্রিজলাল জানালেন নিশ্চই দান করবেন তিনি। ঠিক তিনি নন, খ্যাতনামা চেট্টিয়ার মন্দির পরিষদই তা দেবে। দেশের স্বাধীনতার জন্যে বুকের রক্ত দিয়ে যারা লড়ছে তাদের এটুকু প্রাপ্য। কিন্তু তিনি চান নেতাজীর জনপ্রিয়তা কে মূলধন করতে। সিংগাপুর প্রবাসী হাজার হাজার ভারতীয়দের চোখে বীর সুভাষচন্দ্র বসু যদি তার মন্দিরে বা ব্যবসাক্ষেত্রে পদধুলি দেন তাহলে.....
নেতাজী বেঁকে বসলেন 'আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক হিসেবে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মন্দিরে যাওয়া তার শোভা পায়না' সুভাষ বোস আর নেতাজি এক ব্যক্তি নন।
ধনকুবের ব্রিজলাল চান তিনি ফৌজি পোষাকেই আসুন, নেতাজীর বেশে, তিনি টাকাটা সর্বসমক্ষে মন্দির চত্বরে দিয়ে দেবেন। আরো চমৎকার হবে নাকি বিষয়টা?
নেতাজী শর্ত রাখলেন তিনি যাবেন তবে সংগে থাকবে শিখ, মুসলিম, খৃষ্টান সহযোদ্ধারা। সবাই ব্রিটিশের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত সৈনিক। এই একটা জায়গায় সকলেই এক।
ব্রিজলাল চুড়ান্ত অসম্মতি দিয়ে জানান দুশো বছরের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যময় চেট্টিয়ার মন্দিরে বিধর্মী কেউ পা রাখেনি! এ সম্ভব নয়। হিন্দু ছাড়া ফটকের ভেতরে কেউ যেতে পারেনা, ব্রাহ্মন ছাড়া ভেতরে গিয়ে দেবদর্শন বারণ, আর পুরোহিত ছাড়া কেউ গর্ভগৃহে প্রবেশ করেনি এযাবৎ!
নেতাজী পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, তাহলে মন্দির কমিটির সাথে ভাল করে আলোচনা করে আসুন ব্রিজলালজি। (১৯৪৩ সালে ব্রিজলাল দান করতে এসেছিলেন সাত লক্ষ টাকা! এখনকার হিসেবে কত হতে পারে?)
পরের দিন ফিরে এলেন ব্রিজলাল। সংগে আরো কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা রাজী হয়েছেন! নিমন্ত্রণ করতে এসেছেন নেতাজীকে। সাথে বাকি সহযোদ্ধা দেরও।
দুশো বছরের সংস্কারকে ছিন্ন করে সিংগাপুর চেট্টিয়ার মন্দির সেদিন খুলে গেল বিধর্মীদের জন্যে!
সিঁড়ির পাশে সুভাষ চন্দ্র বোস খুলে রাখলেন তার মিলিটারি বুট, পাশাপাশি নিষ্ঠাবান খৃষ্টান আইয়ার, ধার্মিক মুসলিম জামান কিয়ানী আর হাবিবুর রহমান।
সুভাষচন্দ্র বোস একজন কালাপাহাড়। জগদ্দল পাষাণ কে আঙুলের টোকায় ঝেড়ে ফেলে দেওয়ার হিম্মৎ দেখিয়েছিলেন পরাধীন, ধর্মনিগড়ে বাঁধা সংস্কারাছন্ন সমাজে।
(কৃষ্ণমাচারী ভাস্করণ, নেতাজীর স্টেনোগ্রাফারের বয়ানে)
চৈতন্যদেবের লাশ হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে পুরীর মন্দিরের আসেপাশেই।
অসংখ্য দেবদাসীদের কান্না, ঘাম, রক্ত মিশে আছে পাথুরে দেওয়ালে গাঁথনিতে।
এমন মন্দিরে ঢুকে পূণ্য?


Name:  pi          

IP Address : 57.29.243.26 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 10:17 AM

মৃণাল কোটালের পোস্ট।

চুনী কোটাল স্মৃতি পাঠাগার*
---------------
দীর্ঘদিন ধরে একটা পরিকল্পনা মাথার মধ্যে ঘুরঘুর করছিল।তাই এই সিদ্ধান্তগ্রহণ করলাম।কতদূর করতে পারব তাও জানিনা,আমি জানি ঠিক হয়ে যাবে।
আমি খুব আশাবাদী।

পশ্চিম মেদিনীপুর এ এক প্রত্যন্ত গ্রাম
গোহালডিহি, এই গ্রামেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সমাজের এক দর্পণ নাম চুনী কোটাল।

এই গ্রামে পড়াশুনো মান একদন নিম্ন
,সাবাই টাকা পয়সার অভাবে পড়াশুনো করতে পারেনা।
তাই ঝোলা কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে পেটের যোগাড় করতে।
তাই আমার এই বৃহত্তম প্রয়াস একটি পাঠাগার নির্মানের।
এবং এই সব ছেলে স্কুল ছুট না হয়, তার জন্য সমস্ত রকম সাহায্য করব।
প্রতি বছর তাদের পড়ারর জন্য সমস্ত বই দেওয়া হবে।
এই পাঠাগার থেকে।
শিক্ষা কে প্রসার ও সামাজিক উন্নয়ন।
এবং সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ কে সাহিত্য অনুগামী করা, বেশি করে বই পড়ানো অভ্যাস করা,
ইত্যাদি।

আমি দৃঢ় আশা রাখছি আপনারা আমার এই বৃহত্তর প্রয়াসে পাশে থাকবেন।
আপনি আপনার সমস্ত লিটিল ম্যাগাজিন পাঠাতে পারেন আমাদের পাঠাগারে,
আপনি আরো উদ্দ্যোগী হলে আপনার
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, গল্পসমগ্র, উপন্যাস,পাঠাতে পারেন।
যদি আপনি চান কেন না আমারা কোন আর্থিক মূল্য দিয়ে কিনতে পারবো না।
পাঠাগার এর সমৃদ্ধকরণ যদি চান
তবেই আমারা সমৃদ্ধ হব।

এছাড়া ও অর্থ মূল্য দিয়ে সাহায্যদান করতে পারেন।
সেক্ষেত্রে আপনি আপনার মূল্যবান অর্থ উন্নয়নকার্য দান নয়,
শিক্ষাপ্রসারে আপনার চেষ্টার প্রয়াস।
সেক্ষেত্রে আগ্রহীরা ইনবক্স যোগাযোগ করতে পারেন।
একদিন রাস্তার ভালো খাবার না খ্যেয়ে
অন্যদের চোখে আলো দিচ্ছেন
এটা কম প্রাপ্তিস্থান নয়।
আপনি সুন্দর নির্মাণকাল প্রবেশ করছেন।
আপনার দ্বারা সমাজ উন্নতকরণ হচ্ছে।
আপনি ও সামিল,এই মহান কর্মকাণ্ডে।
আপনার এই প্রচেষ্টা কে সাধুবাদ জানাবে
তাবদ সমাজ।
আপনার নাম
লেখা হবে পাঠাগার খোদায় অক্ষরে।

আগামী দিনে হাজার হাজার গরীবের চোখে আলো প্রদান করবে আপনার নামের খোদায় অক্ষর।
আসুন আমি একা নয়, আপনি ও
সামিল এই জনউন্নয়ন মূলক কাজে
সেলাম জানাবে আপনাকে তাবদ বিশ্ব।

প্রচেষ্টার মূল উদ্দীপক
-----_---------------------
মৃনাল কোটাল

লিটিল ম্যাগাজিন /বই
পাঠানোর ঠিকানা ------
মৃনাল কোটাল
গ্রাম+পোঃ- গোহাল ডিহি
থানা- শালবনী
পিন- ৭২১১২৯
ফোন নং- ৯৮০০০৬৩৭৬৯

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--5