এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51]     এই পাতায় আছে1488--1518


           বিষয় : পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব
          বিভাগ : অন্যান্য
          বিষয়টি শুরু করেছেন : pi
          IP Address : 128.231.22.133          Date:17 Dec 2011 -- 07:10 AM




Name:   ফরিদা           

IP Address : 132.176.148.84 (*)          Date:15 Apr 2017 -- 10:07 AM

১৫ই এপ্রিল, পয়লা


না হয় ভ্রমণে বেরোই আজ, মাপসই ঘুরে আসি, দেখি
প্রতিটি জুতোতে, দেখি কারটি তে পেরেক উঁচিয়েছে
কোনটি বা ফোসকা এনেছে?
হয়ত যেতেও পারি দেখে নিতে পৃথিবীকে প্রতি চশমায়
কার ডাঁটি আলগা হয়ে ঝুলে পড়ে নাকে
আচমকা লেখার সময়ে? কোনটি তে কোন রঙ আছে
সুচতুর গোপনে তার ভিতরের কাচে?


সে সবই দেখব আমি, মানব-ভ্রমণ কাহিনি বিশদে লিখব, কপালে থাকলে প্রকাশিত হবে তা পত্র-পত্রিকায়।
তারও আগে একবার ঘুরে যাব প্রিয় বন্ধুর বাড়ি

খালি পায়ে, বিনা চশমায়।


Name:   শিবাংশু           

IP Address : 113.217.234.107 (*)          Date:15 Apr 2017 -- 09:38 PM

চৈত্র'তমাম
--------------------
হে গতবছর, তুমি কি উৎসন্নে গেছো? তবে আমার নৌকোয় এসো। ঋণ নিয়ে অভাগীর স্বর্গ লিখেছো কখনো? বাসনায় ভস্ম লোশন দিয়ে আগুন মুছেচো গ্র্যানাইটে?

যাবে, তাই অন্য চশমা পরেছিলে। যার কাচ কিছু ধূসর। আগুনে পোড়েনা। হঠাৎ মাচার থেকে একরাশ তমিস্রা, মানে অন্ধকার ঝরে আঁধার করেছে। কী ভেবেছো, জুড়িগাড়ি সওয়ার নিয়ে রেডি। ব্যথাবেদনার দিন শেষ। পূর্বমেঘ ভেবে দেখো। বিনিদ্র উৎসবরাতি কাটিবে বিরহ শয়নে। উৎসন্নে গিয়ে দেখো, তৃতীয় উল্লাসে শান্তিজল।

যে অহং নিয়ে গুহাবন্দি হতে হলো প্রিয়তমে ডোম্বিনী আমার, তার কথা ভুলে যাবে? মনে রেখো বিকল্প খুব মাপা। সকালের কান্নারব বিকেলে স্তব্ধ মেঘমালা। এসব খেয়াল রেখো। আমার নৌকোয় আজ বহাল হয়েছে ঈশ্বর পাটনী। কমল ও কামিনী নিয়ে আমার সংসার। যদি যেতে চাও, তৈরি থেকো। শাকপাতা, ধানচাল, কাঁঠাল ও সিন্দুক।

যাহা আছে নিয়ে যাবে উৎসন্নপুর। হয়তো সোনার ধানে ভরে যাবে সব খালি স্পেস। কূলে একা বসে রবে... শুধু নাহি নাহি।


Name:  b          

IP Address : 135.20.82.164 (*)          Date:19 Apr 2017 -- 03:14 PM

দোলপূর্ণিমা
-------------------------
কাঁধের নিচে ঠান্ডা আঁচিল ছোটবেলায় খুঁটলে বিরক্ত হত খুব নদী ভাঁটার টানে সরে গেছে অনেকটা দূরে জল আনতে কাদা মাড়িয়ে যেতে হবে ফ্রেঞ্চকাট দাড়িতে মুখটা জব্বর মানাতো কালই বোধ হয় শেভ করেছিলো অধৈর্য্য একজন টাগরায় শব্দ করে ইস আরেকটু আগে এলে শুক্লাচতুর্দশীর অন্ধকারে কয়েকটা অবোধ্য সংস্কৃত কথা হারিয়ে যায় ঐ তো ওপাশে একটা কল আছে পায়ে কাদা লেগে গেলে ধুয়ে নেওয়া যাবেখন ঠান্ডা হাওয়ায় গায়ের চাদর সরে সরে যাচ্ছে আহাঃ পাটকাঠিগুলো কিছুতেই জ্বলতে চায় না দেওয়ালের পাশে গিয়ে ধরাও একলা মুখটা এতো শান্ত কেন দরজা বন্ধ হবার দমাস শব্দ হবে রবিবাবুর গানগুলো ফোঁপরা বাচালতা যেরূপ সুগতকথিত আর্য্যসত্য অশোকসর্ষপ।


Name:  শ্ব          

IP Address : 53.224.129.50 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 06:40 PM


যখ # ৫
~~~~~

পাথর কুরে কুরে হাওয়া ,
হাওয়ার মধ্যে সাপ,আমরা
দুধকলা ঘিরে বসলুম উঠোনে,আর

সাতটা বেগনি টিয়া উড়ে গেল কিড
স্ট্রিট জঙ্গলের দিকে ,

রেলপাতালের সিঁড়ি,
প্রত্যেকটা লোক নাবার
সময় আমাকে লাথি মেরে যাচ্ছে,তুই কানে

ঢেলে দিচ্ছিস : এতদিন একসঙ্গে থাকার পরেও
শহরটাকে কীরকম ভয় করে , জানো !


শেষ মেট্রোর পেট , আমি ফোন
নাম্বারের দুটো ডিজিট

ভেবে বল্লুম ,

আর ইয়াহু আইডিটা
তুই চেক করিস না বহুকাল ;


শুধু হাওয়ার মধ্যে সাপ .. শুধু হাওয়ার মধ্যে সাপ ।।



Name:  শ্ব          

IP Address : 137.0.0.1 (*)          Date:25 Apr 2017 -- 11:16 AM


প্যাকার্স এন্ড
~~~~~~~~

বাড়ি থেকে কিছু দূরে
ছেড়ে আসা বাড়ি পড়ে থাকে ,

উঠোনে তপ্ত ঘাস, বালকের
হাতে কেও
আতাবীজ ছড়িয়ে গিয়েছে ,গত

মনসুনে, না কী আরও আগে ,
হলুদ বিকেলে কোনো ফ্রেজাইল
টেম্পোলা হাঁক পাড়ে, আর কতো
মাল , দাদা
ভাড়া তো ডবোল হবে , তাকে বলি

ধীরে,

এ লেখা আমার নয় , পরস্ব প্রণয়
বোঝো ?
নিতান্ত শব্দ তন্তু জাল, বহে যেতে

হবে বলে, যেমন বিকেল গলে তরলিত
অন্ধকারে মেশে,যেমন
অন্ধ এসে কা ত র তা স্পর্শ্ব চায়,

সেইরূপ

নয়াবাড়ি গড়ে ওঠে
আমাদের যকৃতের ধারে, ওপাড়ার
অগ্রদানী, এপাড়ার যজ্ঞভাগ নেন, তাকে
বলি এইসব ; এই ঝিম কথা

যদিও

ষণ্ণবাক প্রৌঢ়দের ইয়ারানা যুগধর্ম
নয় , যদিও পেট্রলপ্রতি
তিন পয়সা কুঞ্জ পায় , দেড়টি
কুসুম পেয়ে থাকে, অতঃপর

মধ্যরাতে,

সকলে হোটেলে ফেরে ,
টেম্পোরাল দু বাড়ির মাঝে -

বাড়ি থেকে কিছু দূরে,

উঠোনে তপ্ত ঘাস জুড়ে , বালকের মৃদু
হাতে কেও যেন আতাবীজ ছড়িয়ে রেখেছে ।।


Name:  ফরিদা          

IP Address : 181.78.206.215 (*)          Date:05 May 2017 -- 07:23 AM

ফুটপাথে কুটনো কোটা ফেলে ছুটে যান মা।
ছোটোটি একা আছে আজ,  ঝুপড়িতে।
ঘেমো বাসে গজগজ করে ওঠেন নীল ফতুয়া মাঝবয়সী ব্যবসায়ী,  
মুটে পাওয়া যাবে না। আজও শালা গস্তের দিনে এন্তার গ্যাঞ্জাম।
ট্রাফিক পুলিশ আচমকা ছাউনির দিকে হেঁটে চলে যান।
অচিরেই জ্যাম লেগে যাবেন বলে বাস ড্রাইভার
গতি বাড়িয়ে পার করতে চান রাস্তার সংকীর্ণ গিরিখাত।
এসি বন্ধ করে কাচ নামালেন অফিসবাবুটি-
যদি বেলফুল পাওয়া যায়, সুগন্ধ মনে পড়ে-
বৃষ্টি পড়লে ভেজা ভেজা এজমালি জলছাত।


কালবৈশাখীর ঠিক আগে রঙ বদলান দ্রুত জোড়াসাঁকো -
বৈশাখ এলে মনে পড়ে তুমিও এখানে থাকো।


Name:  ফরিদা          

IP Address : 11.38.4.11 (*)          Date:05 May 2017 -- 08:27 AM

লেখ তুমি, মানুষের কাছাকাছি যখন সুসংবাদ আসে
অযাচিত সারেঙ্গিবাদক। তুমি দেখ তার গৃহকাতরতা
ছিঁড়ে খায় চিঠির বাক্সগুলি। সাধারণ নীল রঙা জামা
পরা ক’টা লোক দেখেছিলে আজ রাস্তায় সারাদিনে?
ক’টা ঘরে আলো জ্বলছিল? খাঁ খাঁ ঘরে পাখা একা একা
লেখ তুমি, যতক্ষণ আলো, যতটুকু শোনা যায়, দেখা।


আসলে শব্দ বড় একা নিজস্ব গুহায় বসে বহুদিন
দেখেছে সে হিমযুগ পার হয়ে শ্যাওলা জন্মাতে গায়ে
ক্রমে বন্য জন্তুরা এল, আদিম মানুষ আগুন জ্বালালেও
তখনও সে উচ্চারণ রহিত, বস্তুত অর্থহীন। ভাষা এসে
তাকে বাইরে ডেকেছে, যেখানে উৎসব তখন, দূরদূরান্ত
থেকে শব্দ এসেছে। সারাদিন ঘুরে ঘুরে সে কি কোনো
নিজস্ব সঙ্গী পায়? নাকি দলে ভিড়ে আমাদের মতো
অফিসে বাজারে যায় ভিন্ন পোশাকে? তুমি লেখ তাকে।



Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:08 May 2017 -- 01:03 AM

তুল্লাম।


Name:  nabagata          

IP Address : 24.139.222.72 (*)          Date:08 May 2017 -- 02:14 PM

সমান্তরাল রেখার সংজ্ঞা দু ভাবে দেয়া যায়
এক, যারা কখনো মেলে না, আর দুই,
যারা শুধু অসীমেই পরস্পরকে পায়।
আসলে এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রকল্প
দ্বিতীয়টি বেশি প্রচলিত। পথ চলতে চলতে
দূরে দৃষ্টি স্থির, ঐখানে অদেখা অন্তিম
দুপাশে ভ্রুক্ষেপ না করে হেঁটে গেলে
অভিসারী পথ চরিতার্থতা ছোঁবে
অথচ, যত দূরেই যাওয়া হোক অসীম
অলীক উপহাসের মতো সমান অধরা
পক্ষান্তরে, অন্য সংজ্ঞাটি মেনে নিলে
স্বতঃ চোখ চলে যায় দু ধারের প্রান্তরে
গন্তব্য নয়, পথকেই আপন করে নিলে
মাটির মৃদুতম কম্পনও টের পাওয়া যায়
পথ ছেড়ে অনায়াসে হারিয়ে যাওয়া যায়
ঘাসের নিরালায়, মেঘের নির্লিপ্ত চলনে
বিষন্ন সবুজ পুকুর ঘাটে গোড়ালি ডুবিয়ে
বসে থাকা যায় সারাবেলা। মেঠো রাস্তা
ধরে আল ধরে সোঁদা হাওয়ায় উন্মনা
বেভুল হেঁটে যাওয়া যায় একটানা।
যাওয়ার ঠিকানা নেই জেনে চলার
প্রতিটি মুহূর্তকে স্পর্শ করে থাকা যায়
আঙুলে জড়িয়ে নিয়ে প্রতিটি ঘাসের শিশির।

যাবতীয় গাণিতিক ও ভৌত নিয়মের মতো
সমান্তরাল রেখা বিষয়ক ধারণা এভাবেই
আমাদের জীবনের দিক নির্ণয় করে থাকে।




Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.9 (*)          Date:17 May 2017 -- 06:48 PM


প্রচুর প্রবন্ধ দেখি চারপাশে স্বাভাবিক চলাফেরা করে
অফিস কাছারি যায়, কাজ সারে,
মৃদু রাজনীতি প্যাঁচ খেলে টেলে বাড়ি গিয়ে
গেরুয়া আলখাল্লা গায়ে সাধু হয়ে যায়।


গল্পেরা স্কুলে কলেজে যাতায়াত কালে যথেষ্ট রঙিন।
ভাষা বদলায় তারা প্রায় রাত্রি পোহালে, ভালো লাগে
আবেগ ও কিছুটা বিস্ময় মিশ্রিত ঘৃণা ভালোবাসা ভয়।
কিছুটা প্রগলভতা থাকে বটে, যদিও তা খুব বেশি
পাঠক্রম বহির্ভূত নয়।


আরও লেখালেখি থাকে, খবরের কাগজে -
সেই এক থোড় বড়ি খাড়া হয়ে দোকান দিয়েছে দেখি
মিটিঙে মিছিলে মেলা পার্বণে এরা ভিড় করে খুব
এদের জ্বালায় ওঠা দায় অফিস টাইমে বাসে ট্রেনে।


এছাড়াও শহরে কিছু গাছ থাকে, ধুলোমাখা পার্ক
ভাঙা পাঁচিল দিয়ে ঘিরে রাখে কিছুটা জঙ্গুলে জমি
নিয়ে ইঁটখসা ঢিপি - এক প্রাজ্ঞ মরচে ধরা লৌহদুয়ার।
একটা অপ্রয়োজনীয় আখাম্বা আকাশ-
গল্প প্রবন্ধের পরও চাই অবকাশ
পৃথিবীর শেষপাতে যে রোজ একটি কবিতা দরকার।



Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.14 (*)          Date:19 May 2017 -- 03:49 PM

কার অন্নজল কেড়ে খাই আমি
দু’হাতে ছড়াই কার কষ্টার্জিত উপার্জন
কার ভিটে মাটি চাটি করে ধুলো মাখি গায়ে সারাদিন,
ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে উঠি, তবু
কে আমার চুলে বিলি কাটে –
কে সেই প্রত্যক্ষসূদন?

যতদিন আমি হেঁটে গেছি এই পৃথিবীতে
নিকোনো উঠোনে দাগ পড়ে
এলোমেলো কোদালে পায়ের ছাপ
ঘেঁটে ঘেঁটে ঘোলা করে ফেলেছি যত
স্বচ্ছ পুষ্করিণীর জল ভালো লাগে বলে –
যাবতীয় জলজের বিরক্তি জাগিয়ে মারি ঝাঁপ
কীসের অভ্যাসে ?
তবু কেউ টুঁ শব্দটি করে নি – শুধু ভালোবেসে?

তবু দেখি প্রতি ভোরে পাখি ডাকে, যেন তার সুস্বপ্নের সুখ
ঘোলা জল থিতোলেই হরিণেরা আসে দল বেঁধে
অপেক্ষায় থেকে সন্ধ্যায় দেখবে তার মুখ।

জানি, আমি লোক ভালো নই, কেড়ে খাই –
অযথা দুষিত করি পরিবেশ ও তৎসংলগ্ন সমাজ
শাস্তি পাই না – বরং সর্বংসহা তুমি মুখ টিপে হেসে যাও -
না হয় বকলে একটু, না হয় ডাকলে কাছে আজ।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.50.158.183 (*)          Date:19 May 2017 -- 10:07 PM

তবুও চমৎকার এই চেয়ে থাকা
নির্জন প্রান্তরে যাযাবর কুঁড়ের সামনে
টাট্টু ঘোড়ারা চরে,
আজকে আকাশে মেঘ, তাই ঘাস ছায়া মাখা
বিস্তীর্ণ নদী অববাহিকায় কী ভাবে স্নিদ্ধতা ধরা পড়ে?

আমাদের প্রিয় অবকাশ, বিষাদের গোপন কারণগুলি
বুঝি ওই কুঁড়েঘরে থাকে?
নিজেরাই ভেঙে দেয়, ফের নিজে নিজে গড়ে।
যেভাবে পৃথিবীতে নানা ভাঙা গড়া চলেছিল
এমনই কিছু নদী বাঁকে বাঁকে।

তবে আমাদের ঘরে অজান্তে বাস করে
অন্যের বিষাদসমূহ? পরস্মৈপদী সুখস্মৃতি চিঠি?
আমাদের ঘোড়াগুলি আনন্দে ঘাস খায় ভেবে
সারাদিন খেটে যাই- যাযাবর মানব প্রতিটি।



Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:20 May 2017 -- 04:24 AM

আহ, অপূর্ব ।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 37.56.129.21 (*)          Date:22 May 2017 -- 10:52 PM

যেহেতু বেতনভূক সর্বোপরি নিকটজন নিতান্ত উন্মুখ
অতএব বাঁচিয়ে চলতে হয় নির্ধারিত একমাত্র সলতে কে
ঘাড় নেমে গেলে দেখা যায় বুকের সামান্য খাঁচা, পেট
অদূরে দারোয়ান বসান গেট, ধুলিসাৎ বিপ্লব অভিপ্রায়।
মাঝখানে স্বল্প বাগানে মরশুমি ফুল নিয়মিত সার জলে
মাথা তোলে, দুলে পড়া শেখে স্কুলের জামা পড়া ছেলে।


যেহেতু বেতনভূক, ল্যাজ নড়ে ডাইনে ও বাঁয়ে, প্রতিটি কথায়
কুনকুনে অম্বুলে ভয় চাপা দিতে মৃদু টোকো হাসি সাজান
নিজস্ব মলাট। সাধারণ ললাট দইফোঁটা মঙ্গলে ফললাভ হেতু
কুণ্ঠায় মৃতবৎ থাকে। মাঝে মাঝে ঠারেঠোরে চোখে দেখে
রাস্তার ধারে গাছগুলি গত শীতে নিস্পত্র হলেও বেঁচে যায়।
কিছু যাযাবর তাঁবু টাঙিনে দিন কয়েক তামাশা দেখিয়ে গেল
সে বেতনভূক, জানে আজ মার খেয়েছিল যারা মিছিলে গেছিল
ভাবছিল, তবে কি আদর্শ এখনও জীবিত বলেই সংঘাত হয়েছিল?



Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.14 (*)          Date:23 May 2017 -- 07:54 AM

যেভাবে আপ্লুত হয় মাটির শরীরগুলি নবধারাজলে
শোণিতে বিদ্যুৎপ্রবাহ এলে, আলো জ্বলে-
যেভাবে ভাঙছে ঢেউ বারবার সৈকতে সৈকতে
সকালের দিকে বুঝি বা উদ্বেল হয় সেই আলো পেলে।

গভীরে নক্ষত্র থাকে, অদৃশ্য পর্দানশীন
মানুষের চাওয়া পাওয়া গুলি আজও-
যেন শুধুমাত্র তাঁরই ইচ্ছার অধীন।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.14 (*)          Date:23 May 2017 -- 08:29 AM

দেওয়ালেতে পিঠ ঠেকে গেলে
সে দেওয়াল সামনে ঠেলবে
এই কালরাত্রি পোহালে-
কথা দিন, দিন বদলাবে।


শাসকের শিং খুর দাঁত
যতই তীক্ষ্ণতর হবে
শোষিতের প্রতিটি আঘাত
কথা দিক দিন বদলাবে।


কথা দিন, দিন বদলাবে
কাস্তে ও হাতুরির শ্রম
লাঠিগুলি খসেই পড়বে
ইতিহাসে লেখা কালক্রম।



Name:   ফরিদা           

IP Address : 132.161.113.93 (*)          Date:23 May 2017 -- 08:11 PM

ঠিকানা জানি না


কী এক আশ্চর্য কৌশলে সন্ধ্যা নামলে
রঙিন পতাকা- পোশাকগুলি খসে গিয়ে মানুষেরা
নিজ নিজ সাদা কালো বাদামী হয়ে যায়।
তখন যে যার বাড়ির দিকে পা
ফাটা মাথা, কালশিটে শরীর কারো বা রক্তাক্ত গা
ঘরে ফেরে নির্জনে মানুষেরই বাবা, মামা মাসি পিসি মা।।


কী এক আশ্চর্য কৌশলে তাপপ্রাবাহ দীর্ঘায়িত হলে
কোথা থেকে কালো কালো মেঘ জড়ো হয়?
ঝড় তোলে ক্রমে, রাজপথে সবলে আছড়ায়
খুঁড়ে যায় মাথা - স্লোগানের ঝঙ্কারে নেচে ওঠে পা।
বৃষ্টির ফোঁটাগুলি, কালো কালো মেঘের জঙ্গল
নি:শেষিত হয়ে বুঝি সন্ধ্যায় নির্জনে ঘরে ফেরে?


আমি তার ঠিকানা জানি না।



Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.11 (*)          Date:24 May 2017 -- 11:29 PM

এত জল এই পৃথিবীতে, এত সাদা পাতা
এতখানি ঘাসের স্থিরতা মানোমুদ্ধকর লাগে -
কিশোর হরিণের কাছে, বিশ্বাস করতে পারে কি সে
এত স্নিগ্ধতা সত্বেও আশেপাশে কেউ ওঁত পেতে আছে?

তাই ভয় থাকে অভিজ্ঞ দলনায়কের-
সে শুধু সন্ত্রস্ত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে ঠায়
নিকটবর্তী ঘন হলদেটে ঘাসের জঙ্গলে
ঠাহর করতে চায় বিচ্যুতি সামান্য পাতাটি নড়লে।

তবু লেখা হয়, লেখাগুলি ভাঙে আর গড়ে
গোধূলির সোনারং ঘাসে এসে পড়ে-
দেখে পাখিরা ফিরছে, জঙ্গল সঙ্গীতমুখরিত
কিশোর হরিণ একা একা দূরে চলে যায় বলে
কবিতাটি আশঙ্কা-জনকভাবে জীবন বহির্ভূত।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.11 (*)          Date:24 May 2017 -- 11:32 PM

এত জল এই পৃথিবীতে, এত সাদা পাতা
এতখানি ঘাসের স্থিরতা মানোমুদ্ধকর লাগে -
কিশোর হরিণের কাছে, বিশ্বাস করতে পারে কি সে
এত স্নিগ্ধতা সত্বেও আশেপাশে কেউ ওঁত পেতে আছে?

তাই ভয় থাকে অভিজ্ঞ দলনায়কের-
সে শুধু সন্ত্রস্ত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে ঠায়
নিকটবর্তী ঘন হলদেটে ঘাসের জঙ্গলে
ঠাহর করতে চায় বিচ্যুতি সামান্য পাতাটি নড়লে।

তবু লেখা হয়, লেখাগুলি ভাঙে আর গড়ে
গোধূলির সোনারং ঘাসে এসে পড়ে-
দেখে পাখিরা ফিরছে, জঙ্গল সঙ্গীতমুখরিত
কিশোর হরিণ একা একা দূরে চলে যায় বলে
কবিতাটি আশঙ্কা-জনকভাবে জীবন বহির্ভূত।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.10 (*)          Date:31 May 2017 -- 06:54 PM

কেন ক্ষোভ, বুভুক্ষা নিয়ে মাংশপিণ্ডগুলি
হাঁটে চলে কথা কয়, আবহাওয়ার খবরও বলে?
যেন ইতিহাস প্রবণ ঈর্ষারা বেড়াতে এসেছে
ঝাঁটা চেপে উড়তে উড়তে এইখানে শূন্য দেখেছে।

বহু নদী মরে গেছে, কত ভাষা, কারখানা বন্ধ হলে
দরজা বন্ধ করে সপরিবার ফলিডল গেলে-
কার সেই আশ্চর্য বাড়িগুলি, নিকোনো শহর থেকে
শবদেহ খুঁজে পাওয়া গেল অগণন
কার কাছে ধার ছিল যথেষ্ট সৌহার্দ্য আমার
অনাবিল আশীষ চুম্বন?

কত দিন বাঁচে মানুষেরা দূষিত সন্ত্রস্ত হয়ে অনৃতভাষণে
অন্তত সহনশীল এক চারাগাছ রোপণ করব ইহজীবনে


Name:  সিকি          

IP Address : 158.168.96.23 (*)          Date:01 Jun 2017 -- 04:20 PM

তুললাম।


Name:  b          

IP Address : 135.20.82.164 (*)          Date:02 Jun 2017 -- 11:07 AM

একদিন সমস্ত শব্দগুলি ফিরে আসবে, পুরনো বন্ধুর মত হাত বাড়িয়ে দিগন্তজোড়া মাঠে নীলসাইকেল এনে বলবে চল বৃষ্টির সুরঙ্গ বেয়ে চলে যাই , ইলশেগুঁড়ি রোদে ভিজে আলস্যির লম্বা টানা বারান্দা পোষমানা বেড়ালের মত ঈশ্বরীর পুরনো গির্জা থেকে ভুলে যাওয়া বিলিতি তরুণ কবির একাকী ঘন্টাধ্বনি ছোটোবেলার সাতটা চল্লিশ এমন আপন কেহ নাই।


Name:  nabagata          

IP Address : 24.139.222.72 (*)          Date:05 Jun 2017 -- 01:26 PM

বৃষ্টিরা সব জানে। কেমন করে ঝড়ের রাতে
শরীরের দ্বার খুলেছিলো, অযাচিত বাদল
দিনের প্রথম কদম হস্টেলের ছাদে
তোমার গলায় `` কোথায় যে উধাও হলো "

তারপর, গনগনে কঠোর রোদের বেলা
স্মৃতিকণা বাস্প হয়ে মিশে ছিল মেঘে
অন্য কোনো তীরে ঝরেছিল, হয়তো জেগে
ছিল স্বপ্নের শিয়রে, সুপ্তির গভীরে
.... .... ....


আর এক বাদল রাতে, প্রবাসী আকাশে
শ্রাবনের ধারাপাত যেখানে অচেনা
এসেছিলো মেঘে মেঘে সঘন গহন
বৃষ্টির মতোই তোর গলা দুরভাষে

বেজেছিল, ``এখানেও নেমেছে বরষা"
সাগর পেরিয়ে আসা সেই ঝড়জল
জেনেছিলো আমাদের মনের অতল
সেঁচা, তখন অস্ফুট, ভালোবাসা।

.... .... ....

বহুদিন পার হয়ে, জানালায় আবার
ঝড় দেখা সদ্য-কিশোরী চোখ আত্মজার
ঈষৎ পাল্লা খোলে, অমনি বৃষ্টিরা
চোখে চুলে মাখামাখি, মেঘের ইশারা

জাগায় বিদ্যুৎ, `` বাবা, আমি বুঝে গেছি
ঝড়কে করবো মিতা এ গানের মানে "!
বাইরে দামাল হাওয়া, আমাকেও গানে
পায় , ``চিত্ত আমার হারালো" , মনে আছে ?

তোমাকে প্রথম শোনা আমার এ গানে ?
বৃষ্টিরা মৃদু হাসে। ওরা সব জানে।


Name:  b          

IP Address : 135.20.82.164 (*)          Date:05 Jun 2017 -- 01:27 PM

এভাবে শব্দরা নামে। পুরোনো বাগান, বইয়ের শেল্ফ, দরজা জানালা, খোলা রাখা যাবে না আজ। ত্রস্ত পিঁপড়ের সারি ক্লান্ত চোখের কোণায় আশ্রয় খোঁজে। আজ পাখিদের ফিরে আসার দিন ছিলো, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে যায়, কখন কিভাবে যেন আমাদের ঘরে, খাটে বিছানায় , মোজাইকের মেঝেতে রাত সাড়ে তিনটেয় সাইরেন বাজিয়ে শেষতম অ্যাম্বুলেন্সের মত ঢুকে পড়ে ভাদ্রমাসের কোটাল, চোখে, মুখে, বুকে ভরে যায় জল। ভাঙনের তীরে ঘর, কিবা ফল


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.79.12.172 (*)          Date:05 Jun 2017 -- 10:33 PM

প্রেম, শুধু কাহিনী নির্ভর

হরিদ্রাভ সভাঘর থেকে ঘণ্টাধ্বনি ভেসে আসে বলে
আমরা কিছু উৎসুক ঘটনাপিপাসু নড়েচড়ে বসি
তখন পাইন বনের দিক থেকে বাতাস উঠবে জানি
ঠিক মাঝপথে বৃষ্টি নামবে বলে কথা বলা ছিল যেন
তাতে কিছু মুখ চাওয়াচাওয়ি, দোষারোপ ছিল পরস্পর
সব কথা পুঙ্খানুপুঙ্খ মনে নেই, প্রেম শুধু কাহিনী নির্ভর।

আমরা ফিরেছি তাও বহুদিন হল, ইত্যবসরে পিচঢালা
রাস্তারা চওড়া হয়ে ছুটিয়েছে গাড়ি। পাইনের সারি
পিছু হেঁটে পাহাড়ের দিকে চলে গেছে, সেই সব সভাঘর
পরিত্যক্ত হতে গিয়ে অগম্য এতদিনে। তবু ঘন্টাধ্বনি
বেজে ওঠে আজ পথপার্শ্বের দোকানে দোকানে, ফোনে।
কলকাকলিতে মুখরিত অধুনা উন্নত পাহাড়ি শহরতলী
শিরা উপশিরা অলিগলি বেয়ে অন্ধকারে খুঁজে পায় ঘর
পাইনের বনে ঝড়। প্রেম যেন আজকেও কাহিনী নির্ভর।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.50.131.104 (*)          Date:06 Jun 2017 -- 10:56 PM

কাকতালীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক


প্ল্যাটফর্মে বসে থাকা প্রতিটি ইঁদুর জানত
কিছু দেরি হবে তবু একসময়ে তিমিমাছ আসবে
তাদের সবাইকে গুণেগঁথে শান্তিতে নিয়ে যাবে গ্রামে
আগত উৎসব দিনের সামান্য আগে।

হা পিত্যশ করে বসে থাকা কাকগুলি জানত
তিমিমাছ ইঁদুর খেয়ে যা বর্জ্য উৎপাদন করবে
তাতে তার মামা খুড়ো পিসেশ্বশুর সমেত
অধস্তন অষ্টআশি প্রজন্ম দেঁড়েমুশে কুচকুচে হবে।

এদিকে প্রতিটি পোকামকড়েরা চিরবিশ্বস্ত ছিল
মেদবহুল কাকগুলি টুপটাপ খসে পড়বে
অনন্ত জ্যোৎস্নায় পাকা ফলের মতো
তলতলে উষ্ণ স্বাদু চলচ্ছক্তিরহিত।

সেই কথামতো তিমিমাছ আসে, বারংবার।
কিছু দেরি হয় বটে, তা ঠিক
যেহেতু কথাগুলি কাকতালীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক।


Name:   শিবাংশু           

IP Address : 55.249.72.216 (*)          Date:09 Jun 2017 -- 11:17 AM

তুমি মেঘ
------------------
তুমি কি অমিয় মেঘ? ধারাপাত বইয়ে তোমার একটা কবিতা লেখা ছিলো। পিছন মলাটে, পেন্সিলে । তুমি আরশির সামনে নিবিড়। ভাসান বৃষ্টি ভেবে রাস্তায় নেমেছো কতোবার।
তখন কোথায় ছিলে? অথচ তোমার ছবি । চশমায় আলো নেভে। সনাতন রাত্রি যেন পরবাসে মরুজ্যোৎস্নার মতো শাদা। তুমি কি মেঘ কিম্বা একাকী উৎসব।কখনও লিখেই দ্যাখো। লাইকের অভাব হবেনা।
নিরন্তর প্রিজমবন্দি আলো বেঁকে গেছে গুলাবি তোমার আঁখেঁ। এভাবে কবিতা হয়? বাংলায় ধক কম। ক্যানভাস ছেঁড়া হাওয়াকল যেন। ধ্বসে যায় বসন্তসমীরে।


Name:  শ্ব          

IP Address : 53.224.129.60 (*)          Date:10 Jun 2017 -- 02:01 AM


বৈড়াল # ১৪
~~~~~~~~

অথবা বিড়াল যদি জলতলে দেখে ফেলে
হাঁড়িমুখ , দুচোখের নীল ?

ঝাঁঝালো পুলের মাঝে
প্লাস্টিক পদ্ম জেগে ওঠে ?
এগারো তলার লাশে
বুদবুদ কেটে যায় কানাঘুষো সূর্যমুখী ভাষা !

এসব হয়না কিছু , দীর্ঘতম আলো আর আলেয়ার
পিছু হেঁটে হেঁটে , অন্তত বিড়াল জানে -
কিছু নয় , জলখেলা , বাকি সব এই রোদ এই জল..মায়া ।।





বৈড়াল # ১৬
~~~~~~~~

নবান্নের দিন গেলে
পাকা ধানে উঠে আসে মই

উষ্ণতার কথাগুলি
ঝুল পড়া বারান্দায়
ক্যাকটাস হয়ে বেঁচে থাকে ,

যদিও ভিতরে
কোনো মাছ নেই , তবু কাঁটা দৃশ্যমান রেখে ,
শ্রান্ত মার্জার ওঠে , গলিতহস্ত যোগ আজ ।।





বৈড়াল # ১৭
~~~~~~~~

আলো চলে গেলে আমি অন্ধকার
হাতড়িয়ে থাকি । তোমার মতই ;

টর্চ জ্বালতে ভয় হয় , বিড়ালের
অনির্বাণ চোখে -
যতটুকু আলো , এসিড কি জানে তার কথা ?

তুমিও জাননা , তবু আলো কে
জ্বালাতে হয় , পথ আসে

পথ যায় , দিনান্তে যার যার ক্রুশ ।।






বৈড়াল # ১৮
~~~~~~~~~

বড় সাধ শফরীবিলাসে
বড় ঘুম মাঠময় আলো

গোল টেবিলের চাঁদ, ঘিরে রেখে
নিয়নের অর্থ চেনালো,

স্বপ্নে মুদ্রা দোষ ,
বিনিময় তামাদি কড়ির ;
দ্বিখন্ড ঘড়ি

আর কাঁটা বেছে গ্রহণের তাড়া -
আজকে মত্স্যমুখী , নিমন্ত্রিত বিড়ালের পাড়া ।।


Name:   সিকি           

IP Address : 116.205.53.112 (*)          Date:12 Jun 2017 -- 05:37 PM

ফরিদার কবিতা, ১৭ই মে-র দেশ পত্রিকায়।


https://s17.postimg.org/hsk99zd27/20170612_173338.jpg


Name:             

IP Address : 52.106.14.120 (*)          Date:12 Jun 2017 -- 05:54 PM

বাহ বাহ।

সিকিকে কটা নকুলদানা দাও


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.50.138.151 (*)          Date:15 Jun 2017 -- 06:44 AM


সীমা দেখলেই কেমন একটা পেরোই পেরোই ভাব হয়, না থাকলে হয়ত অনেক আগেই থেমে যেতাম আচমকা জলার ধারে ফড়িংটি উড়ন্ত দেখে। ধুলো বালি নেচে ওঠে বলে দেখেছি সূর্যালোক দৃশ্যমান হয়।


ট্রাম শব্দটার একদিকে জীবনানন্দের কবিশরীর পাকাপাকি রঙের মতো লেগে থাকে। ট্রমা মনে পড়ে। মনে পড়ে উড়ন্ত ফুটবলগুলি সকালে গড়ের মাঠের ঘাসে নেমে আসে মহাশূন্য থেকে।

৩,৪, ৫…...
যে কাপটায় গত বছর খানেক চা খেয়েছি সেটা ভেঙে গেল গতকাল। শুরুর কয়েক দিনের পর তাকে আলাদা করে দেখিই নি। আজ থেকে অন্য একটা কাপ বরাদ্দ হল। বদলের রেশ দিন তিনেকের বেশি থাকে না। শূন্যতা গিলে খাওয়া মুশকিল।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51]     এই পাতায় আছে1488--1518