বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ঠাঁই নাই ঠাই নাই

আমাদের একঘাটে জল খান গুরু ও চণ্ডাল। অর্থাৎ কিনা গুরুদেব ও আইপিটিএ। কবিগুরু নরম মলাটের চটি বই ছাপাতেন নিজেদের প্রেস, পরে বিশ্বভারতী থেকে। আইপিটিএ নিজেরাই গান লিখে নিজেরাই গাইতো। নিজেদের চটি পুঁচকে রেকর্ড বার করত। সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ করতেন চারমিনারের দামে মিনি বই। সবই সত্য। কিন্তু তার পরেও গুরুকে কারো পক্ষেই টেক্কা দেওয়া কঠিন। কারণ, গুরু শুধু নিজের বই নিজে ছাপেনা, শুধুই নিজেদের গান নিজে গায়না, শুধু নিজের বই নিজে বেচেনা, নিজেরাই সমালোচনা করে, আহ্লাদে আটখানা হয়, গাল দিয়ে ধুইয়ে দেয়। নিজেরাই ফসল ফলায় নিজেরাই খায়, নিজেদের বর্জ্য নিজেরাই সার হিসেবে ব্যবহার করে আবার। এক কথায় সম্পূর্ণ স্বনির্ভর, ইমপোর্ট এক্সপোর্টের বালাই নেই। জুতো সেলাই থেকে ফেসবুক পাঠ পর্যন্ত এভাবে একঘাটে টেনে আনার মতো ক্ষমতাবান, এত উদ্ভট বাস্তুতন্ত্র বাংলায় আর কখনও হয়নি। এ ব্যাপারে গুরুর কোনো বিকল্প নেই।
গুরু, এক অতুলনীয় উল্টোপাল্টা বিকল্প বাস্তুতন্ত্র। কবিগুরু থেকে সলিল চৌধুরি, সবাই থাকুন স্বস্থানে, কিন্তু গুরু একাই ২০০।

আর আরও কিছু বিশদে জানতে চান? অবশ্যই এই পাতাটি দেখে নিন।



114 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা  কূটকচালি 
শেয়ার করুন


Avatar: pi

Re: ঠাঁই নাই ঠাই নাই

এই ভদ্রলোকের নাম কী? ব্যাপক এক্সপ্রেশন দেন দেখি!
Avatar: aranya

Re: ঠাঁই নাই ঠাই নাই

গানে কি ঈশানের গলা?


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন