বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আসিফ মহিউদ্দীন

( তৃতীয় কিস্তির পর )

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে একটি বৃহৎ উপাসনালয়, পাপ মোচন জেলখানায় নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার; কারণ পাপ মোচন না হলে পরবর্তী পাপের প্রেরণা কোথা থেকে আসবে? ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারটির উপাসনালয়ে যাওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ নিদেনপক্ষে একজন সাধারণ কারা প্রহরীর অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজন হয়না। অথচ কারাগারের লাইব্রেরীতে প্রবেশের জন্য জেল সুপারসহ তিন স্তরের কারা প্রহরীর অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজন হয়। তবে বেশিরভাগ সময়ই কেউ এত ঝামেলা পোহাতে চায় না, বা এই অনুমতিই মেলে না।
উপাসনালয়ে কেউ গেলে তাতে আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই, যার খুশি যাক উপাসনালয়ে যার খুশি যাবে নাপিতালয়ে। কিন্তু লাইব্রেরীতে যাবার ব্যাপারে পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা, বাধা সৃষ্টি করা কয়েদীদের অপরাধ প্রবণতা কতটা কমাবে নাকি বাড়াবে, সেই সম্পর্কে চিন্তার অবকাশ রয়েছে। কারাগারের নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং কঠোর শৃঙ্খলা মানুষের মনকে কতটা মুক্ত করে, স্বাধীন করে আর কতটা পরাধীন করে তাকে অপরাধ চক্রের মধ্যে আবদ্ধ করে, তার পরিসংখ্যান খুব সহজেই মেলে। মিশেল ফুকো এনলাইটমেন্টের মানবতাবাদী শাস্তি প্রয়োগের তত্বকে ফালাফালা করে দেখিয়ে দিয়েছেন, ওগুলো সবই আরো শক্তিশালী ও সূক্ষ্ণভাবে মানুষকে শৃঙ্খলিত করে। উল্লেখ্য, আমাদের কারাগারে ছোট অপরাধী প্রবেশ করে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অপরাধী হয়েই বের হয়, আর পাপ মোচনের সুব্যবস্থা থাকলে তো কথাই নেই।

কারাগারের লাইব্রেরীটি মধ্যযুগীয় গালগল্পমূলক বইপত্রে পরিপূর্ণ স্বাভাবিকভাবেই। জেলখানায় গিয়ে লাইব্রেরীর খবর নেয়ার চেষ্টা করা হলে খুব সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকানো হয়। কারা প্রহরীদের দৃষ্টি দেখে নিজেকে একজন ভিনগ্রহের প্রাণী বলেও মনে হতে পারে। শুধু তাই নয় কারাগারে কোন বিদ্যালয়ও নেই, অশিক্ষিত নিরক্ষর মানুষগুলোকে অক্ষরজ্ঞানটুকু পর্যন্ত দেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। সাধারণত ধারণা করা হয় কারাগার ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর সব অপরাধীতে পরিপূর্ণ। তবে সত্য হচ্ছে, কারাগারের অধিকাংশ মানুষ অত্যন্ত নিম্নবিত্ত পরিবারের, যারা আইনের মারপ্যাঁচ বোঝে না বা ভাল উকিল ধরতে পারেনি, বা তাদের কোন উকিলই নেই। যাদের টাকা আছে তারা আইনের ফাঁক ফোকর গলে ঠিকই বের হয়ে গেছে, আর যারা বের হতে পারে নি তারাই হতভাগার মত পরে আছে। প্রচুর সংখ্যক মানুষকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে, একজন ২ বছর তিন মাস ধরে জেলে বসে আছে, তার কোন শাস্তিও হয় নি! এমনকি সে এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদীও না, এটাকে নিজের নিয়তি মনে করে জেলে বসে আছে। আল্লাহ যেদিন চাইবে সেদিন তার জামিন হবে, এমনটা ভেবে আশায় দিন গুনছে শিক্ষা-বঞ্চিত এই হতভাগা মানুষটি।

কারাগারের কয়েদীদের সাথে কথা বলে জানা গেল, কারা হাসপাতালের ঔষধ খেয়ে কোন কাজ হয়না, বরঞ্চ পেট খারাপ বা বুকে ধড়ফড় জাতীয় সমস্যা হয়। কথাগুলো শুনে ব্যাপারটা আমার তদন্ত করতে ইচ্ছা হলো, কিন্তু সুযোগ ছিল না। তাদের এই কথাগুলো পরবর্তীতে পরিষ্কার হল।
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে জীবনরক্ষাকারী ঔষধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার তারিখ কঠোরভাবে মনিটর করা হয়। জীবনরক্ষাকারী ঔষধের মেয়াদ চলে গেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় এমনকি তা বিষ বলেও গণ্য হতে পারে। মেয়াদ-উত্তীর্ণ ঔষধের জন্য অনেক বড় বড় কেলেঙ্কারি ঘটে গেছে পুরো পৃথিবীতে। বেশ কিছুদিন কারা হাসপাতালের ঔষধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পরে খেয়াল করে দেখলাম, মেয়াদ লেখা অংশটি তারা ঔষধের পাতা থেকে কেটে ফেলে তারপরে দেয়। এভাবে বেশ কিছুদিন যাবার পরে একপাতা ঔষধ পেলাম যেখানে মেয়াদ অংশটি ছিল। দেখলাম ঐ ঔষধটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাই তারা ঐ অংশটি কেটে কয়েদীদের দিচ্ছে। এই পাতাটির মেয়াদ অংশটুকু কোনভাবে তারা কাটতে ভুলে গেছে।
প্রিজন সেল, পিজি হাসপাতালের ডিরেক্টর বরাবর এই বিষয়ে জানানোর পরে পিজির ডিরেক্টর থেকে একটা চিঠি যায় জেল কর্তৃপক্ষের কাছে, এবং জেলের ফার্মাসিস্ট আস্বাদ এসে দেখা করে। সে এসে এমন একটা ভাব করে যে, এত সামান্য বিষয় আমি কেন পিজির ডিরেক্টরকে জানালাম! এই ঔষধ খেয়ে তো আর আমি মারা যাই নি! মারা গেলে তারপর একটা কথা ছিল! অর্থাৎ মারা যাবার পরে কেন আমি অভিযোগ করলাম না, সেটা একটা মস্তবড় অপরাধ হয়ে গেছে! যদিও আমি বুঝতে পারলাম না যে, মারা যাবার পরে আমি কীভাবে অভিযোগ দায়ের করতাম, আর সেই অভিযোগ দায়ের করে ফায়দাটাই বা কী হতো!
সে আরো জানালো, এরকম তো হতেই পারে। এই নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কি আছে! আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ফার্মাসিস্ট হয়েছেন কি যোগ্যতায়? আপনি জানেন, এটা একটা মস্তবড় অপরাধ? এই অভিযোগে আপনার জেল হতে পারে?
সে আমাকে জানালো এইসব কথাকে সে পাত্তা দেয় না একটুও। সে পয়সা পাতি খরচ করেই এই পজিশনে এসেছে, একটু পয়সা না কামালে চলবে কীভাবে?
আমি জানতে চাইলাম, পয়সা কামাবার ধান্ধায় হাজার হাজার মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন, আবার বড় গলায় কথা বলছেন? এরপর আমি ব্যাপারটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অথবা পত্রিকাতে ছাপাবার কথাও বললাম। সে অবলীলায় জানালো, পত্রিকার সাংবাদিকরাও জেলের নানা দুর্নীতির ভাগ প্রতিমাসেই পেয়ে যান, তাই এই বিষয়ে প্রথম সাড়ির কোন দৈনিক পত্রিকা কোনদিন উচ্চবাচ্য করবে না। সে আমাকে রীতিমত হুমকি দিল যে, এই নিয়ে আমি যেন আর উচ্চবাচ্য না করি। উচ্চবাচ্য করলে আমার সমস্যা হবে।
একই সাথে, সে আমাকে জানালো আপনি তো একজন নাস্তিক। রোগ শোক এগুলা সৃষ্টিকর্তা দেয়, এবং তিনিই তা সারিয়ে তোলেন। ঔষধ তো অছিলা মাত্র। স্রষ্টা চাইলে এই ঔষধেই কাজ হবে, আর স্রষ্টা না চাইলে ভাল ঔষধেও কিছু হবে না! তার কথা শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম!

কোন সাংবাদিকের যদি আমার এই লেখাটি নজরে আসে, তার কাছে অনুরোধ জানাবো, ব্যাপারটি নিয়ে পত্রিকাতে লিখুন, প্রয়োজনে তদন্ত করে দেখুন। প্রচুর কয়েদী, কারা প্রহরী ও তাদের পরিবারের জীবন এই সব লোকদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে। আমরা ভেজাল খেয়ে খেয়ে এখন মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধও হজম করে ফেলি, কিন্তু সবাই তা পারে না। যারা পারে না, তাদের মৃত্যুকে হত্যা হিসেবেই গণ্য করতে হবে, এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

কারাগারের নিরক্ষর মানুষগুলো, এমনকি অনেক পড়ালেখা করা মানুষও ঔষধের মেয়াদ খেয়াল করেন না। কারাগারে নিয়তির উপরে নির্ভর করানোর শিক্ষা দেয়া হয়, কোন বিদ্যালয় বা পাঠাগার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কোন চিন্তা নেই। কোন কারা কর্তৃপক্ষের যদি এই স্ট্যাটাসটি নজরে আসে, অনুগ্রহ করে কারাগারে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করুন, এবং কয়েদীদের লাইব্রেরীতে প্রবেশের অধিকার দিন। তারা যেন একটি করে বই রাতের বেলা তাদের সেলে নিয়ে আসতে পারে, পড়তে পারে। প্রয়োজনে আমি সেই বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে শিক্ষকতা করতেও রাজি আছি।

কারাগারের মানুষগুলো বিজ্ঞান শিখুক, যুক্তিবাদ পড়ুক, মহাবিশ্ব এবং পৃথিবী সম্পর্কে জানুক-বুঝুক। যারা বইয়ের খোঁজ পায়, মহাবিশ্বের বিশালতা যাদের কাছে ধরা দেয়, জানার আগ্রহ যাদের তাড়িত করে, তারা তুচ্ছ ইয়াবার ব্যবসার জন্য অন্যের পেটে ছুরি চালাতে পারে, এমনটা আমি বিশ্বাস করি না।
 



122 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ অপর বাংলা  ধারাবাহিক 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 3 -- 22
Avatar: san

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

ভাল্লাগলো।
Avatar: she jai hok

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

এই একটা লেখা ভালো লাগলো অনেক দিন পর।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

" রোগ শোক এগুলা সৃষ্টিকর্তা দেয়, এবং তিনিই তা সারিয়ে তোলেন। ঔষধ তো অছিলা মাত্র। স্রষ্টা চাইলে এই ঔষধেই কাজ হবে, আর স্রষ্টা না চাইলে ভাল ঔষধেও কিছু হবে না! "

এলাহী ভরসা। :ডি
Avatar: aranya

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

কি আর বলব, কুর্ণিশ, অসংখ্য কুর্ণিশ। অনেক দিন বাঁচুন, আসিফ ভাই। আপনার মত মানুষ যেন বাংলাদেশে ঘরে ঘরে জন্মায়।
ওপার বাংলার লেখক-রা যে গুরু-তে নিয়মিত লিখছেন, এটা খুবই ভাল, দরকারী একটা ব্যাপার। সম্পাদকদের ধন্যবাদ।
দুই বাংলার সেতুবন্ধন হোক।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

"৭-১৪ বছরের কারাদন্ড দেয়া হতে পারে ফেসবুকের একটা স্ট্যাটাস অথবা ব্লগের একটা লেখা যদি অপরাধ হিশাবে বিবেচিত হয়। ৭ থেকে ১৪, একি মেয়াদের কারাদন্ড দেয়ার বিধান রেখে এই বছর আরেকটা আইন হয়েছে। এর নাম নিরাপদ খাদ্য আইন। খাদ্যে ভেজাল মিশানোর অপরাধে আপনাকে ৭ থেকে ১৪ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হইতে পারে। তবে যদি অপরাধ করতে চান, তো খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে মানুষ মেরে ফেলাটা ফেসবুকে বা ব্লগে কিছু লিখে মানুষের মনে আঘাত দেয়ার চেয়ে অনেক নিরাপদ অপরাধ। ভেজাল খাইয়ে মানুষের জীবনবিপন্ন করলে আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে ১০ থেকে ২০ লক্ষ্য টাকা। কন্তু অনলাইনে কিছু লিখে কারো 'অনুভুতি' বিপন্ন করলে আপনার জরিমানা হতে পারে ১ কোটি টাকা। অবশ্য এই দেশে অনুভুতি বাঁচানোর নামে মানুষ মেরে ফেলা, অথবা শহীদ হতে রাস্তায় নামিয়ে দেয়ার বিভিন্ন ঘটনায় আমরা আরো আগেই বুঝেছিযে মানুষের দাম মানুষের অনুভুতির চেয়ে বেশি কোনভাবেই না। অবশ্য আপনি রাজাকার হইলে ভিন্ন কথা। আপনার জীবনের জন্যে ধর্মীয় অনুভুতি এবং মানুষের জীবন সবই সস্তায় আপনার পায়ের কাছে লুটিয়ে দেয়া হবে।
ব্লগার হওয়ার চেয়ে ভেজাল খাদ্য ব্যাবসায়ী হওয়া ভালো। সবচেয়ে ভালো রাজাকার হওয়া।"

-- পারভেজ আলম [কারাভোগকারী ব্লগার]

*সংযুক্ত: fb.me/2aDGt0KJb
Avatar: debu

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

এ তো "সোনার বাংলা"
Avatar: Asif Iqbal

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

শালার পুত নাস্তিক।দাড়া তোকে আবার জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।
Avatar: debu

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আসিফ জেনে খুসি হলাম যে আপনার "শালা"brother in law" এক জন নাস্তিক , আপনার স্ত্রী ও কি নাস্তিক? সবাইকে জেলে পাঠাবেন? হ্যা ,সোনার বাংলায় সবই সম্ভব।
check the position of Bangladesh "Global Corruption Barometer 2013" http://www.transparency.org/
Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

বাংলাদেশের এখন হাজারে হাজারে, লাখে লাখে আসিফ দরকার।
Avatar: debu

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আছে আছে ! সংখাটা কোটি তে !
হাজার - লাখ তো সংখা লঘু হয়ে যাবে
Avatar: asif iqbal

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আসিফ সে ভাল লেখক হল কি করে? সে একটা ইসলাম বিদ্বেষী । ইসলাম ধর্ম ও আমাদের প্রান প্রিয় নবীজি (স)কে নিয়ে প্রতিদিন বাজে লিখা লিখতো। তার কাছে পৃথিবীর সব ধর্ম ঠিক আছে কিন্তু ইসলাম ধর্ম খারাপ।আরে শালা হিন্দু ধর্ম নিয়ে লিখ এই ভারতে।দেখ শিব সেনা আর মহান (!) হিন্দু ধর্মের ধারক বাহক বিজেপির সেনারা কিভাবে তোর বিচি গেলে দেয়। মুক্তচিন্তার নামে পৃথিবীর আর কোন দেশের নাস্তিকরা কিন্তু এইভাবে কোন ধর্মকে হেয় করে না। বাংলাদেশের আদালতে আসিফের বিচার চলছে।বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আসিফ ও তার অনুসারির কবর রচিত হবে বাংলার মাটিতে।
Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

খাপ খুলব নাকি? অ সদা!
Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

এমন সবুজ চাড্ডি দেখলেও প্রাণে পুলক জাগে। রোজ গেরুয়া চাড্ডি দেখে দেখে চোখে চড়া পড়ে যায়।
Avatar: 4z

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আসিফ (ইকবাল) - নাস্তিক মানে কি?
Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আরে এই ধরণের স্পিসিসগুলোর ঘটে বিশেষ বুদ্ধি থাকে না। দিনরাত আল্লা নবী আল্লা নবী করে চেঁচাতে থাকলে এই রকমেরই গবেট হয়। ঐ জয় শ্রীরাম বা জয় মাতাদি ক্যাটেগরির যেমন গবেট হয়, সবই এক, শুধু চাড্ডির রংটা আলাদা।

বিরক্তিকর!
Avatar: 4z

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

এরা কথায় কথায় নাস্তিক বলে চেঁচায়, এর মানে জানে? তারপর কৃষ্ণভক্ত মানে তোমাকে নিরামিষ খেতে হবে। গরু খাওয়া মানে হিন্দু নয়। এগুলোর সারাদিন আর কোন কাজ নেই লোককে অসহ্যরকমের জ্বালানো ছাড়া।
Avatar: pi

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

আসিফ ইকবাল, আপনাদের বিএনপি শিবসেনা বিজেপির থেকে আলাদাটা কীসে ?
Avatar: Blank

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

ধুর যতদিন না ট্যাগিং চালু হচ্ছে গুরুতে ততদিন চাড্ডি বাজানোতে মজা নেই
Avatar: সিকি

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

এখানেই দিই। তারপরে নির্মল আনন্দতে দেব।

http://www.somewhereinblog.net/blog/naz_sadat/29855640
Avatar: su

Re: আমার কারাবাস এবং - চতুর্থ কিস্তি

সিকি র এই লিঙ্ক টাতে গিয়ে যে কমেন্ট গুলো দেখে মন ভরে গেল তো ।।


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 3 -- 22


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন