ওলিতিল ঈন্তের্ফেরেে ্রপ্পিঙ্গ লে্তিওন্স

সলিল বিশ্বাস

লোকে একটা কথা আকছারই বলে, - "ছাত্র ইউনিয়ন বন্ধ করে দাও, ছাত্র ইউনিয়ন দরকার নেই।' এই কথাটার আমি ঘোরতর বিরোধী। অবশ্যই ছাত্র ইউনিয়ন থাকা উচিত। ছাত্ররা রাজনীতি করবে না, এই কথাটা আমি মানি না। কিন্তু সেটা কি রাজনীতি? দলীয় রাজনীতি আর দলের রাজনীতি মনে হয় আলাদা জিনিস। দলীয় রাজনীতি করবে আমি তার বিরোধী, কিন্তু রাজনীতি করবে না কেন? অবশ্যই করবে। আর, যাঁরা বলবেন ছাত্ররা তার উপযুক্ত নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার তারা কিছু জানে না, তাঁদের বলব, কোন জগতে বাস করেন? পৃথিবীর দিকে তাকান। ইতিহাস ভাবুন।

আরও পড়ুন...

হল্লোবীন

অভীক কুমার মৈত্র

ক্রমে২ সন্ধ্যা হয়ে গ্যালো। শিশুদের ভিড় চাঁদাপার্টির মতো দোর থেকে দোরে ছুটে ব্যাড়াচ্চে বাবুরা ফটাফট্‌ বীয়রের বোতল খুলে আয়েশ করে বসেচেন ও একে অপরের সহিত শেয়ারের দাম, গদ্দাফির মৃত্যু ও বিনেপয়সার পানুসাইটের দুÖপ্রাপ্যতা লয়ে আলোচনা কর্‌চেন বিবিরা পড়্‌শীদের ডিভোর্স্‌ ও পরকীয়ার কিস্যার সঙ্গে২ সুচিত্রা ভট্‌চাজের নতুন উপন্যাসের প্লট্‌ লয়ে তর্কাতর্কিতে মশগুল চারিদিকে হো২ হাসি ও সিগ্রেটের ধোঁয়ার মেঘ - ওরি মদ্যে বেচেলর তরুণরা একটু আবডালে বসে বৌদিদের বুক ও কোমরের খাঁজ দেকে কিঞ্চিৎ সুখ নিচ্চে, এবং বেঙ্গলি মেট্রিমনিতে রাখা প্রোফাইলের ছবিটি পাল্টানো উচিৎ কিনা, সেই লয়ে মনে২ জল্পনা কর্‌চে। খ্রীষ্টমাসের আগে আর পরব নাই, তাই সকলেরই মন একটু ভার।

আরও পড়ুন...

মাওবাদী সম্পর্কে মমতা ব্যানার্জীর সাক্ষাৎকারঃ একটি প্রতিক্রিয়া

অনিন্দ্য পাত্র

মাইরি বলছি, পিত্ত কিঞ্চিৎ প্রজ্জ্বলিত হয়ে আছে। মানে এতটাই প্রজ্জ্বলিত যে ফোন করে সক্রিয় তৃণমূল কর্মী এক অত্যন্ত ভালোমানুষ বন্ধুকে ঝেড়ে গালাগাল না দেওয়া অব্দি ঠিক শান্তি হল না। ওটা একটা প্রতিক্রিয়া? তাও দিচ্ছে কে? না একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আজ্ঞে হ্যঁ¡, গতকালের (১৪/১১/২০১১) কথা বলছি। তারানন্দের ঐ পশ্চাৎপক্ক সাংবাদিক ভাইটু, যিনি কিনা মাঝেমাঝেই নিজেকে সবজান্তা দে-র সমগোত্রীয় বলে ভাবেন (বলে মনে হয়), অত্যন্ত বাজে বকেন, নিউজ-এর চেয়ে নিজের ভিউজ দিতেই বেশী পছন্দ করেন এবং সবজান্তা দে-র মতই বোঝেনও না যে একটু ভাবনাচিন্তা করা মানুষজন বিমান বসুর পরে শ্রেষ্ঠ খোরাক হিসেবে এঁদেরকে স্থান দিয়েছে - সেই ভদ্রলোকের নেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার এবং তাতে প্রশ্নকর্তা এবং উত্তরদাতা উভয়ের ভূমিকা মিলিয়ে যে টোটাল প্যাকেজটা - সেটা, সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত না হয়ে বলছি, ইয়েতে যাকে বলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন...

শ্রমজীবি হাসপাতালঃ এক স্বাস্থ্য আন্দোলনের নাম

সীতাংশুকুমার ভাদুড়ী

নতুন কলেবরে শ্রমজীবী হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনাকে রূপায়িত করতে যাঁরা সাহায্য করতে চান তাঁরা প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় - ৫, জি টি রোড, বেলুড়, হাওড়া। ফোন - ২৬৫৪-১১৮১/২৮৭৭-০১১২। শ্রীরামপুরে অস্থায়ী কার্যালয় - অগ্রিমা অ্যাপার্টমেন্ট, ১৯ মুখার্জি পাড়া লেন (ইউ বি আইয়ের রিজিওনাল অফিসের পাশের রাস্তা)।

আরও পড়ুন...

অমীমাংসিত মীমাংসার খোঁজে

মুহিত হাসান

ইদানীং প্রায়শ এমন অভিযোগ শোনা যায় যে, বাঙালি তরুণ লেখকদের মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে অর্থাৎ তারা মৌলিকভাবে চিন্তা করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং যুক্তিতর্কনির্ভর জ্ঞানচর্চায় দক্ষতা দেখাতে পারছে না। লেখক তাঁর এ বইয়ের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন তরুণ লেখকদের সবার বেলায়ই উক্ত অভিযোগ খাটে না। বর্তমানে আমাদের প্রবন্ধসাহিত্যে চিন্তার দারিদ্র্য, দৈণ্যদশা ও আকালের মধ্যেও আহমাদ মোস্তফা কামাল শিল্পের শক্তি,শিল্পীর দায়-বইতে এক ব্যতিক্রমী ও গভীর মননশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। এ জন্যে তাঁকে অভিবাদন।

আরও পড়ুন...

মহাভারত অষ্টম পর্ব

শুদ্ধসত্ব ঘোষ

পিতার দিকে তাকালেন বিদুর। কৃষ্ণ বর্ণের এই বিরাট পুরুষের শরীর এখনো অটুট। মুখের উপরে যে ছায়া দুলছে তা আসছে কেশভারের থেকে। জটাজুট ধারী ঋষির যে ছবি মনে আসে পিতা তেমনটি নন। বাল্যকাল থেকে বিদুর মনে করতেও পারেন না পিতা অসংবৃত থেকেছেন কবে? কেশ দীর্ঘ্য কিন্তু বিন্যস্ত এবং নিয়মিত পরিচর্য্যা হয় তার। পিতামহীর ছায়া পড়েনি ততটা যতটা লোকে বলে পিতামহের আদল দেখা যায় পিতার মধ্যে। কিন্তু সবল সুস্থ পেশীধারী এই দীর্ঘ্য পুরুষকে একদর্শনে সূরূপও বলা যাবেনা পিতামহের মত। বরং মুখমন্ডল ছোট দেহের তুলনায়। তাই এক অসমঞ্জস্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সময় নিয়ে না দেখলে ভীষণ ভাবই প্রবল। বিশেষ করে চক্ষু। তীব্র, উজ্জ্বল এবং গাঢ় বাদামী অক্ষিতারা। এর গভীরে কি আছে তা বোঝা খুব কঠিন কাজ! খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেই চোখ সরিয়ে নিতে ইচ্ছে হয়। যেন খুব ভেতর থেকে কেউ সব দেখে নিচ্ছে। সব ক্লেদ, সব পাপ, সব লোভ দেখে নিচ্ছে। খুব স্বচ্ছ মনের মানুষ না হলে এই চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে কেউ পারেনা। কেউ বুঝতে পারেনা এই মানুষটার মন আসলে কী বলছে!

আরও পড়ুন...

লং মার্চের ডায়েরি - নবম কিস্তি

নাসরিন সিরাজ অ্যানি

স্বাধীনতা স্কয়ারে ততক্ষনে নেতৃবৃন্দ এসে হাজির। আহবায়কের মাইক্রোবাসে আজকের দিনের পত্রিকাগুলো রাখা। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কেউ সেই পত্রিকা পড়ছেন, কেউ চা খাচ্ছেন। এর মধ্যে স্থানীয় একজন লোক আমাদের কাছাকাছি এসে কি বলে যেন হৈ চৈ করতে থাকলো। আমরা যেদিকটায় দাঁড়ানো সেদিকটায় গায়ে গায়ে লাগানো মিষ্টির দোকান, নাপিতের দোকান আর ধোপার দোকান। দোকানগুলো খোলা ছিল। সিরাজগঞ্জবাসী যারা দোকানগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা হৈ চৈ করা লোকটিকে মাতাল বলে তাড়িয়ে দিলেন। এদিকে, আনু স্যার আমাকে দেখে নূর মোহাম্মদ ভাইকে আমার লেখা প্রকাশের কথাটা বললেন। সত্যি বলতে কি খসড়া তৈরী থেকে শুরু করে প্রকাশিত হবার আগ পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই আনু স্যার আমাকে লেখাটার অগ্রগতি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতেন। নূর মোহাম্মদ ভাই সাথে সাথে পড়ে ফেললেন লেখাটা। তারপর আমার সাথে গল্প জুড়ে দিলেন যে আমি ফুলবাড়ীর খনি বিরোধী আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের কার্যকারণ বুঝতে ঐধরণের প্রত্যয় ব্যবহার করেছি কি না। কথার ফাঁকে ফাঁকে আমরা দুজনেই অন্যান্য পত্রিকাগুলোর উপর চোখ বুলাচ্ছিলাম। সিরাজগঞ্জের স্থানীয় একটি প্রত্রিকায় গতরাতের সমাবেশের খবর ছেপেছে কিন্তু ঢাকাবাসী এলিটরা যে পত্রিকাগুলো পড়েন অর্থাৎ প্রথম আলো ও ডেইলী স্টার সেগুলোতে লংমার্চের খবর আসেনি। নিউ এইজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক আমাদের সাথে ভ্রমন করছেন তাই নিশ্চিত হয়েই বলা যায় যে তারা লংমার্চের দৈনিক খবরাখবর ছাপাচ্ছে। কিন্তু সেই কাগজ দেখার আগেই স্বাধীনতা স্কয়ারে মিছিল শুরু হয়।

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

অস্মিতা দে

অস্মিতার আঁকা ছবি

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

অদ্রিজা

অদ্রিজার আঁকা ছবি

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

পট্ট

পট্টর আঁকা ছবি

আরও পড়ুন...

নেতাজি ও তিনটি আলুর দম - একটি ইতিহাসের বাইরের ঘটনা

নীনা গাঙ্গুলি

নেতাজী খাচ্ছেন লুচি আলুর দম, জলখাবার। কিশোরী ভয়ে ভয়ে দাঁড়িয়ে ঘেমে যাচ্ছে, লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছে -- না জানি কী অখাদ্য হল আজ এই দেবতার ভোগ!

আরও পড়ুন...

খোকা যাবে বেড়াতে

গৌরী ধর্মপাল

কচি কচি কুমড়োর ঝোল কে খেয়েছে রে?
খোকা খেয়েছে সোনা খেয়েছে মণি খেয়েছে রে।
লতায় হলুদবরণ ফুল
খোকার চুলগুলি দুল্‌দুল্‌।
খোকার মুখখানি ঢল্‌ঢল্‌
যেন পদ্ম টলমল্‌।

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

তিতির, বয়েস দশ

তিতিরের ছবি

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

মলহার, বয়েস আট বছর

মল্‌হারের ছবি

আরও পড়ুন...

ছবির খাতা

রু - বয়েস চার

রু-এর ছবি

আরও পড়ুন...

কবিতা

প্রীতম বসু

দুপুর গেল, বিকেল এল, বন্ধ তবু কক্ষ রে!
""ঘুমিয়ে মেসো পড়ল নাকি?'' বললো বিশে পক্ক রে!
সন্ধ্যে হল, খতম লড়া,
ছ লাইনের ছোট্ট ছড়া!
বললে মেসো, ""কাটিয়ে দিয়ে জীবন লোহা-লক্কড়ে,
"সাতটা কাকে' পড়তে গিয়ে, গেলুম পড়ে চক্করে।'

আরও পড়ুন...

ফুটবলারের নাম থমাস

মৈত্রেয়, বয়স আট বছর

তিনু ছেলেটাকে নিয়ে ওদের সমস্তপুর গ্রামে এল। তারপর নিজের বাড়িতে গিয়ে বলল "ও আমার বন্ধু, ওর কোনো থাকার জায়গা নেই। ও কি আমাদের বাড়িতে থাকতে পারে?'' তিনুর মা তো আগে ছেলেটাকে দেখে নি, তাই ""না'' বলল না। তিনুর মা বলল ""হ্যাঁ পারে, কিন্তু আমাদের বাড়িতে থাকতে গেলে ওকে আমাকে কাজে সাহায্য করতে হবে''। ছেলেটা বলল ""হ্যাঁ, আমি তোমাকে সব কাজে সাহয্য করব। আমাকে প্লিজ থাকতে দাও। আমার নাম থিমু।'' তিনুর মা বলল "ঠিক আছে।'' পরের দিন তিনুর মা ঘুম থেকে ওঠার আগেই থিমু সব রান্না শেষ করে রেখেছিল। তিনুর মা ঘুম থেকে উঠে বলল, "এত তাড়াতাড়ি রান্না হয়ে গেল! তাহলে তুমি এবার বাসন ধুয়ে দাও।'' থিমু সেটাও খুব তাড়াতাড়ি করে ফেলল।

আরও পড়ুন...

ছোট্টো পরী ও ছোট্টো মেয়ে

দিয়া দত্ত, বয়স ৬

একটি মেয়ে খুব সুন্দর স্কুটার চালাত। সে আকাশের পাখিদের দেখত আর ভাবত সেও যদি উড়তে পারে। সে মাঝে মাঝে-ই দেখত একটি ছোট্টো পরী উড়ে এসে গাছের ডালে বসে তার স্কুটার চালানো দেখত। আর উড়ে উড়ে সঙ্গে যেতো। এই পরীটা ম্যাজিক জানত। সে তার ম্যাজিক ওয়্যান্ড সব সময় সঙ্গে রাখত।

আরও পড়ুন...

ছাতিম পাতা

কুলদা রায়

খোকার গরীব দাদুর আর কিছুই ছিল না। এই একটি মাত্র সম্বল- ছাতিম পাতা। পঞ্চাশ বছর আগে এনেছিলেন ভুবনডাঙ্গা থেকে। কুড়িয়েই এনেছিলেন। বাঁকা অক্ষরে নাম লিখে দিয়েছিলেন কবি ঠাকুর- রবি ঠাকুর।

আরও পড়ুন...

মামাবাড়ি ভারি মজা

শঙ্খ কর ভৌমিক

আমার বাবা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিরকালই খুব সাবধানী। তার ফলে, সাইকেল চড়া থেকে সাঁতার- সবই আমি শিখেছি নির্ধারিত বয়েসের চেয়ে অনেক দেরিতে। পৃথিবীর ইতিহাসে আমিই সম্ভবত: একমাত্র মানুষ, যে ভারত মহাসাগরের জল মগে করে মাথায় ঢেলে স্নান করেছে। এহেন আমি মামাবাড়ি যাওয়াটাকে স্বাভাবিকভাবেই বহুবিধ অ্যাডভেঞ্চারের ছাড়পত্র পাওয়া বলে ধরে নিতাম। দাদুভাইয়ের প্রশ্রয়ে এবং উৎসাহে যেসব জিনিস জীবনে প্রথমবার করেছি তার মধ্যে ছিল সত্যিকারের খেলনা স্টিম ইঞ্জিন তৈরী করা, অন্ধকার ঘরে লন্ঠন জ্বেলে শ্যাডোগ্রাফি, মাটি দিয়ে ব্লক বানিয়ে খেলনা ছাপাখানা, নিজের হাতে তুবড়ি জ্বালানো। এমনকি একবার বাঁশ আর কাঠ দিয়ে নিজের হাতে বানিয়েছিলাম আস্ত একটা ঘর যার মধ্যে আমি নিজে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারতাম। বাবাকে নিজের হাতে চিঠি লেখাও ওই মামাবাড়ি থেকেই প্রথম।

আরও পড়ুন...

দেশ বিদেশের উপকথা

মিঠুন ভৌমিক

এরপর একদিন পেঁচা কাকের জন্য একটা সাদা জামা বানাতে শুরু করল। কিন্তু জামাটা কাককে পরাতে গেলেই সে বড্ড লাফাত। এমনই একদিন কাককে জামাটা পরিয়ে দেখা হচ্চিল ফিট করেছে কিনা। যথারীতি কাক লাফাচ্ছিল। কাকের এই তিড়িং বিড়িং পেঁচার মোটেই পছন্দ ছিলনা। তাই সে চোখ পাকিয়ে বলল, "খবরদার! আমি কিন্তু লম্ফ হাতে উড়ছি। লাফাস না!'

আরও পড়ুন...

কোনাল ইয়েলোক্ল-এর আজগুবি কাণ্ডকারখানা (আইরিশ উপকথার আংশিক অনুবাদ)

বিক্রম পাকড়াশি

বড়োলোকের বড়োই অহংকার, কারণ সে নাকি আসলে রাজা। বেশ, তাকে আমরা রাজামশাই বলেই না হয় ডাকবো। তো সেই রাজামশাই পুত্রশোকে অস্থির হয়ে কোনালকে এত্তেলা পাঠালেন - রে কোনাল! আমার ছেলে তোর কি ক্ষতি করেছিলো যে তোর ছেলেরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে মেরে ফেললো? আমি চাইলে এখনি এর বদলা নিতে পারি, কিন্তু সে বদলা নিলে তোর আর আমার তফাত রইবে না। আমি মনস্থ করেছি, তোকে এক কঠিন কাজ দেবো। সে কাজ করতে পারলে আমি তোর ছেলেদের প্রাণভিক্ষা দেবো। লগলানের রাজার আস্তাবলে যে বাদামী ঘোড়াটা আছে সেটা নিয়ে আয়, তোর ছেলেরা প্রাণে বেঁচে যাবে।

আরও পড়ুন...

ওদের কথা

কৃষ্ণকলি রায়

রূপকথার পুরো জগতটা জুড়েই রাজপুত্তুর কোটালপুত্তুরদের সাথে সমান জাঁকিয়ে আছে এই সব না-মানুষরা। সে আমাদের দেশের গল্পেই বলুন আর অন্য দেশের কাহিনীতেই বলুন। রূপকথার জাদু দুনিয়ায় জন্তু জানোয়ার, পাখিপক্ষীরা যে মানুষের মতই কথা বলতে পারবে তাতে আশ্চর্য্য হবার কিছু নেই। ভালুক এসে চাষীর সাথে ফসলের ভাগ নিয়ে ঝগড়া করবে, শেয়াল আর সারস এ ওর বাড়ি নেমন্তন্ন যাবে, খরগোশ আর কচ্ছপ দৌড়ের বাজি ধরবে এসব ওখানে হামেশাই হয়ে থাকে। কিন্তু আজ আমি সেই সব না-মানুষদের কথা বলব নানান দেশের রূপকথায় যারা এক্কেবারে মানুষের মত হয়েই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রথমে আসুন দেখি আমাদের নিজেদের দেশের আঙিনায়। বাংলার রূপকথায় সেই যে ছিলো এক হীরেমন পাখি। এই হীরেমন দুনিয়ার সব প্রশ্নের উত্তর জানতো, তে¢ত্রশকোটি দেবদেবীর নাম বলতে পারতো।

আরও পড়ুন...

ভূতের গল্প

তুষ্টু

একদিন একটা ভূত ছিল। ভূতটার অন্নপ্রাশন ছিল, মাংস আর খিচুড়ি রান্না করেছিল। ভূতের মা বলল, "তুঁই কিঁ চঁকলেঁট খেঁয়েঁছিঁস?' ভূত বলল, "হ্যাঁ, খেঁয়েঁছি।'

আরও পড়ুন...

পুজো ইস্পেশাল - দ্বিতীয় ভাগ

দ্বিতীয় পর্বের সূচী:

পুজোর ঠোঙা
পুজোর হুজুগ -- পুজোর থিম, থিমপুজো --সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
ফুটোস্কোপ-এ-বাইস্কোপ --প্রসেনজিৎ বর্মন
আদমের আপেল --অনির্বাণ বসু
ব্যাঙ্গালুরুর ফ্যাৎরা পুজো --কল্লোল দাশগুপ্ত
পুজোর চিঠি --শঙ্খশুভ্র ঘোষ

এটা সেটা
অসমের বাঙালির রাজনীতি: বহমান বয়ান স্রোতে খানিক অবগাহন --সুশান্ত কর

গল্প
যোদ্ধা --শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
আন্ধা কুসুম অথবা ছৈলাবৃক্ষনামা --কুলদা রায়
উজ্জ্বলকুমার দে'র অন্যায় ও শাস্তি --বিক্রম পাকড়াশি
গহ্বরতীর্থের কুশীলব --মলয় রায়চৌধুরী
একটি নারীর মৃত্যু --মিঠুন ভৌমিক
ডকইয়ার্ড থেকে কিছুক্ষণের বিরতি --সায়ন্তন গোস্বামী
পরী শুনছিস? আমার লন্ডভন্ড পাগলামি! --অতনু ব্যানার্জী

নাটক
প্রবাসের খসড়া --প্রিয়াঙ্কা রায় ব্যানার্জী

কবিতা
কিছু কবিতা --যশোধরা রায়চৌধুরী
কিছু কবিতা --লুবণা চর্যা
ভেজা নামতার পাতা --মধুমিতা ভট্টাচার্য
দুটি কবিতা --তিস্তা দাস
দুটি কবিতা --শ্রীদর্শিনী চক্রবর্ত্তী
অবতার --সর্বজয়া মুখোপাধ্যায়
কিছু কবিতা --শর্মিষ্ঠা ঘোষ
দুটি কবিতা --শাকিলা তুবা
দুটি কবিতা --সিক্তা দাস
১৩ ই নভেম্বর --পারমিতা সিংহ রায়
কিছু কবিতা --জাহানারা পারভীন

পুজো সিরিজ
লিমেরিক --সুমন মান্না