সিকি RSS feed

নিজের পাতা

অচল সিকির খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • গো-সংবাদ
    ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার ...
  • ফুরসতনামা... (পর্ব ১)
    প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, ...
  • কাঁঠালবীচি বিচিত্রা
    ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, ...
  • মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি
    মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। ...
  • রূপকথা মগলা
    মগলাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যাতে সানথাল, দেখতে শুনতেও মানুষ। কিন্তু মানুষ না। ওর পূর্বপুরুষরা ছিল ম্যাস্টোডন। হাতিদের সঙ্গেই ওঠাবসা। হাতিদের মতই দিনে চার ঘন্টা ঘুমোয়, কুড়ি ঘন্টা দাঁত নাড়ে। অবশ্য, শুধু হাতি নে, জঙ্গল আর জঙ্গলের সমস্ত প্রাণীর জন্যই ...
  • কয়েকটি রঙিন স্যান্ডেল
    সেদিন সন্ধ্যায় সৈয়দ শামসুর রহমানের মনে হল তিনি জীবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যর্থতার পরিমাণ দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত হলেন। তার গলা শুকিয়ে গেল অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছন্নছাড়া কিছু চিন্তা করে। সৈয়দ শামসুর রহমান বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তিনি উঠে বসলেন। বিছানার ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ, পর্ব ৪
    পুরনো পথ সাদা মেঘ — বুদ্ধদেবের পথে পথ চলা, পর্ব ৪[অন্যত্র: https://medium.com/জ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ - পর্ব ৩
    [এটি আপনি https://medium.com/জ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ - দ্বিতীয় পর্ব
    মোষ চরাণোর কথকতাসুশীতল দিন। গভীর মনসংযোগ সহকারে দ্বিপ্রাহরিক আহার শেষ করে ভিক্ষুরা যে যার পাত্র ধুয়ে মেজে মাটিতে আসন বিছিয়ে বুদ্ধদেবের দিকে মুখ করে বসলেন। বাঁশবন মঠটিতে অজস্র কাঠবেড়ালি, তারা নির্ভয়ে ঘুরে বেড়ায়, সাধুদের মাঝখান দিয়েই খেলে বেড়াতে ...
  • ক্রিকেট
    ১।সেলিব্রিটি পাবলিকদের মাঝে মাঝে সাংবাদিকরা ইন্টারভিউ নেবার সময় গুগলি প্রশ্ন দেবার চেষ্টা করে। তেমনি এক অখাদ্য গুগলি টাইপের প্রশ্ন হল, আপনি জীবনে সবচেয়ে বড় কমপ্লিমেন্ট কি পেয়েছেন এবং কার কাছ থেকে। বলাই বাহুল্য আমি বিখ্যাত কেউ নেই, তাই আমাকে এই প্রশ্ন কেউ ...

সিকি প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি

মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। এবড়োখেবড়ো জমির মধ্যে একেবারে কিছু-নেই অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলতে আমি দেখেছি। নিয়মিত যেতাম উইকেন্ডে। ধূলো-রাবিশ আর মেশিনপত্তরের মধ্যে থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়ালো একের পর এক কুড়ি তলা, চব্বিশ তলা টাওয়ার। অসমান জমিতে চকচকে টাইল আনল সমান ভাব। মহাগ

আমিঃ গুরমেহর কৌর

দিল্লি ইউনিভার্সিটির শান্তিকামী ছাত্রী গুরমেহর কৌরের ওপর কুৎসিত অনলাইন আক্রমণ চালিয়েছিল বিজেপি এবং এবিভিপির পয়সা দিয়ে পোষা ট্রোলের দল। উপর্যুপরি আঘাতের অভিঘাত সইতে না পেরে গুরমেহর চলে গিয়েছিল সবার চোখের আড়ালে, কিছুদিনের জন্য। আস্তে আস্তে সে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফিরছে। সম্প্রতি সে একটি ব্লগ শুরু করেছে – বলেছে প্রতি সপ্তাহে সে সেখানে লিখবে তার নিজের কথা, তার শান্তির সন্ধানে অভিযানের কথা।

গুরমেহরের অনুমতিক্রমে তার প্রতিটি ব্লগ-পোস্টের বাংলা অনুবাদ থাকবে এবার থেকে, আমার ব্লগে। ভাবনাগুলো

বসন্ত এসে গেছে ...

গল্পটা ঠিক গুরমেহরকে নিয়ে শুরু হয় নি। শুরু হয়েছে তার দুদিন আগে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রামজাস কলেজে দুদিনব্যাপী ডিবেটের অনুষ্ঠান ছিল, বিষয় ছিল প্রতিবাদের সংস্কৃতি। তো, সেই ডিবেটের দ্বিতীয় দিনে আমন্ত্রিত বক্তা ছিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ স্কলার, উমর খালিদ।

এই অবধি পড়েই নিশ্চয়ই আন্দাজ করে নিয়েছেন কেন অচল সিকি আবার এক বছর বাদে বসে গেছে মন কি বাত লিখতে? বিচ্ছিন্নতাবাদী, রাষ্ট্রবিরোধী, আফজল গুরুর সমর্থক, “ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে” বলে স্লোগান দেওয়া “ভামপন্থী” উমর খালিদকে সেদিন

মরালমেসো, মরালমাসিমা এবং প্রাতঃকৃত্য

অস্বীকার করবার প্রায় কোনও জায়গাই নেই যে ছোটবেলায় আমাদের অনেকেই প্রায় নিয়ার-পারফেক্ট শুদ্ধাচারী ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতিতে বড় হয়েছিলাম। হিন্দি গান শোনা ছিল মহাপাপ, গাওয়া তো উচ্ছন্নে যাওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ ছিল। ছোটখাটো বিচ্যুতি, এই যেমন অনুপ জালোটা, মান্না দে এটুকু বাদ দিলে বাংলাময় ছিল আমাদের জীবন। পাড়া কালচারে বড় হয়েছি আমরা। গ্রাম নয়, আবার পুরোদস্তুর শহরও নয়, মফস্বল সংস্কৃতিতে কাজ করত পাড়া-কালচার। শুভানুধ্যায়ী কাকু-জেঠিমা-মোড়ের সিগারেটের দোকানের স্বপনদা, এঁদের স্নেহদৃষ্টির ছায়াতেই আমরা বড় হয়েছি। প্রায়শই

শ্রীশ্রী আর্ট অফ লিভিং

অনুষ্ঠানের পরের দিনই লেখা শুরু করেছিলাম, তার পরে আর শেষ করি নি। আজ শ্রীশ্রী রবিশংকর পদ্ম সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, তাঁর সম্মানে আজ লেখাটা শেষ করেই ফেললাম। জয় গুরুদেব :)

অরূপ, বয়সে একটু বড় হলেও, স্কুলে আমার সহপাঠী ছিল। ব্যান্ডেল সেন্ট জনস। ভালো গান করত, হারমোনিয়াম বাজাত, ফলে স্কুলের প্রেয়ারে ও সামনের রো-তে দাঁড়াত। আমিও দাঁড়াতাম, কারণ আমি তবলাটা বাজাতাম। আমাদের মিশনারি স্কুলে প্রতিদিন হারমোনিয়াম তবলা সহযোগে দুটি করে গান হত। জনগণমন আর হে প্রভু, হে দয়াময়। দ্বিতীয় গানটা বুকের কাছে হাত জোড় করে গা

অন্ধকারে বসে কথা বলার কারণ

মূল লেখাটি এনডিটিভি ইন্ডিয়ার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এডিটর শ্রী রবিশ কুমারের, এনডিটিভি সাইটে একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত। রবিশজির অনুমতিক্রমে তার বঙ্গানুবাদটা এখানে দিলাম সকলের পড়ার জন্য।

https://youtu.be/lSOjI38r-nE

কটা বাজছিল, আমার মনে নেই। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মিছিল থেকে আমি ফিরে এসেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

কত টাইমজোন, কত দেশ-দেশান্তরের ঘুম আমার চোখে এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। নিচে একটা চেঁচামেচির শব্দ শুনে আমার ঘুম ভাঙল।

ঘুমচোখে শব্দগুলো শুনে মনে হচ্ছিল, সেগুলোও যেন অন্য কোনও

মন কি বাতঃ এক দেশদ্রোহীর জবানবন্দী

(এই লেখার মূল অডিয়েন্স গুরুর জনতা নয়, মূলত গুরুর বাইরের জনতাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা। ব্লগের লেখা, এখানেও তুলে দিলাম। বিশেষ ধন্যবাদ রৌহিনকে, আর শাক্যজিৎকে)


(১)

লেখা শুরু করার আগে ডিসক্লেইমার দিয়ে রাখা ভালো, যা দিনকাল চলছে। কে কখন কোথা থেকে সিডিশন চার্জ ফার্জ লাগিয়ে দেবে, জানা তো নেই, দিল্লি ঘেঁষে বাস করি, বহুকালের চেনাশনা বন্ধুরাও আজকে কেমন কিছু ইস্যুতে পোলস অ্যাপার্ট হয়ে যাচ্ছে, ঘরের দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছি – আর পিছু হঠবারও জায়গা নেই। পাকিস্তানে যাবার হুমকি বেশ কয়েকবার পে

স্লোগান দিতে গিয়ে - দিল্লির গল্প

হ্যাঁ, মিছিল হাঁটার গপ্পো। আমি তো চিরদিনই রাজনীতি থেকে দূরে থাকা পাবলিক, মিছিলে কখনও হাঁটি নি, স্লোগানও দিই নি, তাই কে ভাই কে দুশমন - জানাটাও হয়ে ওঠে নি সময়মতো। যদিও সমসাময়িক রাজনীতির খবরাখবর ঠিকই রাখি-টাখি, এবং নিজের মত করে তার একটা ইন্টারপ্রিটেশনও করে থাকি।

তো, সেই ইন্টারপ্রিটেশন আমাকে জোর করে ঠেলে দিল কালকের মিছিলে, জেএনইউ সলিডারিটি মার্চ।

কবিতা কৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন দুপুর দুটোয় জমায়েত, আর আড়াইটেয় মিছিল শুরু হবে। আমি সেইমত সাড়ে বারোটার সময় বেরিয়ে পড়লাম বাড়ি থেকে। যে হেতু মিছি

একটি অতিসাধারণ ভ্রমণকাহিনি

লাদাখ নিয়ে লেখার শেষে নিজের কাছেই নিজে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আবার রাস্তায় নামবই।

রাস্তা আমাকে টানছিল। এ টান অনেকটা নিশির ডাকের মত, সাড়া দেবার আগে বহুৎ ভাবতে হয়, অথচ ভাবনার শেষে সাড়া না দিয়েও থাকা যায় না। সবাই এ ডাক শুনতে পায় না, কিন্তু যে পায়, তার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। আমারও যাচ্ছিল। … কোথায় যেন একটা কোটেশন পড়লাম, স্বপ্ন সেইটা নয়, যেটা তুমি রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দ্যাখো, স্বপ্ন হল সেইটা, যেটা রাতে তোমাকে ঘুমোতে দেয় না। সেই স্বপ্ন আমার রাতের ঘুম নষ্ট করতে থাকল।

লাদাখ থেকে ফিরে আসার

স্মৃতির সরণী বেয়ে

দিল্লি থেকে ব্যান্ডেল যাত্রাটা, সময়বিশেষে, ঠিক রাজধানী এক্সপ্রেসে করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাবার মতন সাধারণ থাকে না। দুটো জায়গা এতটাই দু'রকম, মনে হয়, টাইম ট্র্যাভেল করছি। একটা যুগ থেকে আরেকটা যুগে। একটা শতাব্দী থেকে আরেকটা শতাব্দীতে চলেছি। সেই যেখানে সময় এগোয় না, থেমে থাকে, কখনও ক্কচিৎ দুটো একটা পরিবর্তন চোখে পড়ে কি পড়ে না। জীবন গিয়াছে চলে কুড়ি কুড়ি বছরের পার। সেই পঁচানব্বই সালে ছেড়ে যাওয়া, আর ফিরে আসা হয় নি, হবেও না নিকট ভবিষ্যতে, তবু যেভাবে ছেড়ে গেছিলাম, জায়গাটা সেভাবেই রয়ে গেছে। রয়ে যায়।
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

20 Jul 2017 -- 09:15 PM:টইয়ে লিখেছেন
হ্যাঁ ভাই, আমার ওজন নেই, সবই টি-এর আছে, ডিডিদার আছে। এইভাবে বডি শেমিং করল আমাকে।
20 Jul 2017 -- 05:15 PM:টইয়ে লিখেছেন
ইয়ে, উনি বোধ হয় মহম্মদের কনিষ্ঠতম বৌ ছিলেন, মেয়ে নয়।
20 Jul 2017 -- 05:15 PM:টইয়ে লিখেছেন
মন্দির চার্চ তো পরের কথা, মহম্মদ কন্যা আয়েষার স্মৃতিবিজড়িত মসজিদ ভেঙে পার্কিং লট আর মল বানিয়েছে সৌদি ...
20 Jul 2017 -- 12:27 PM:টইয়ে লিখেছেন
টুইডল ডি, টুইডল ডাম ...
19 Jul 2017 -- 08:29 AM:টইয়ে লিখেছেন
আবার সেই নায়কের ডায়ালগে ফিরে যাই - "তুই যে কোনও রোল দে, যে কোনও রোল, উনি সেই একইভাবে ডায়ালগ বলে যাবে ...
18 Jul 2017 -- 12:13 AM:মন্তব্য করেছেন
ঘটনার মধ্যেও ঘটনা আছে। গ্রাউন্ডের পেছনে আছে ব্যাকগ্রাউন্ড। এই মহাগুণ মডার্ণ যখন তৈরি করা হচ্ছিল, কোন ...
18 Jul 2017 -- 12:08 AM:মন্তব্য করেছেন
১। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জোহরাকে গাড়ির বুটের মধ্যে সারারাত আটকে রাখা হয়েছিল, যেটা পরে জানা গেছে সত্য ...
16 Jul 2017 -- 07:30 PM:ভাটে বলেছেন
অত্তগুলো উটপাখি মণিপুরে? আমি ভাবছিলাম অস্ট্রেলিয়া।
11 Jul 2017 -- 10:07 PM:টইয়ে লিখেছেন
ধূলাগড়ে, বসিরহাটে কী হয়েচে? কোন ভিকটিমের খবর চেপে দেওয়া হয়েছে?
11 Jul 2017 -- 09:36 PM:টইয়ে লিখেছেন
http://images.clipartpanda.com/like-clipart-like-clipart-1.jpg
08 Jul 2017 -- 11:54 PM:টইয়ে লিখেছেন
http://www.ndtv.com/india-news/junaid-khan-case-main-accused-arrested-police-says-he-has-confessed-1 ...
08 Jul 2017 -- 11:44 PM:টইয়ে লিখেছেন
লাস্ট লাইনটা বোধ হয় ছড়িয়েছি। তখনকার জনসংখ্যা আর এখনকার জনসংখ্যার হিসেবে হয় তো "কমেছে" বলা যায় না, তব ...
08 Jul 2017 -- 11:37 PM:টইয়ে লিখেছেন
গোলপোস্টটা কেন ঘুরে ঘুরে বাংলাদেশের দিকেই চলে যাচ্ছে, এবং প্রতিদিন, প্রতিবারেই যায় - সেইটাই এখনও বুঝ ...
07 Jul 2017 -- 05:04 PM:টইয়ে লিখেছেন
শিক্ষিত মুসলমানরা শোর খায় না এই ধারণা কি করে হলো কে জানে ! আমি নিজেই তো কয়েকজন মুসলমানকে জানি যারা ম ...
07 Jul 2017 -- 04:03 PM:টইয়ে লিখেছেন
লাইক বাটনটা কোতায় গেল রে বাবা!
03 Jul 2017 -- 09:27 PM:টইয়ে লিখেছেন
মাফ করবেন রণদীপ, আমি আর কথা বাড়ানোয় আগ্রহী নই।
02 Jul 2017 -- 08:50 PM:ভাটে বলেছেন
আহা! সেই শত্রু! আমি সিনিমা দেখেচি, যাত্রা দেখেচি, এমনকি পুতুলনাচও দেখেচি শত্রুর। সেই পেছনপাকা মাস্টা ...
02 Jul 2017 -- 01:40 PM:ভাটে বলেছেন
পাতি ভাঁড়ামো। ওত্থেকে কোয়েলকে দেখতে বেটার।
02 Jul 2017 -- 10:47 AM:মন্তব্য করেছেন
.
01 Jul 2017 -- 09:18 PM:টইয়ে লিখেছেন
কাশ্মীরি পণ্ডিতদের এক্সোডাস নিয়ে হাহাকার গত তিন চার বছর ধরেই বেএশ ইন থিং। কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল - উল্ ...