Manash Nath RSS feed

নিজের পাতা

Manash Nathএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তারার আলোর আগুন
    তারার আলো নাকি স্নিগ্ধ হয়, কাল তাহলে কেন জ্বলে মরল বারো, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে আরো সত্তর জন! তবু মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। আজও রাস্তায় পড়ে এক স্বাস্থ্যবান শ্যামলা যুবক, শেষবারের মতো ডানহাতটা একটু নড়ল। কিছু বলতে চাইল কি ? চারপাশ ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা সশস্ত্র ...
  • 'হারানো সজারু'
    ১এক বৃষ্টির দিনে উল্কাপটাশ বাড়ির পাশের নালা দিয়ে একটি সজারুছানাকে ধেইধেই করে সাঁতার কেটে যেতে দেখেছিল। দেখামাত্রই তার মনে স্বজাতিপ্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ববোধ দারুণভাবে জেগে উঠল এবং সে ছানাটিকে খপ করে তুলে টপ করে নিজের ইস্কুল ব্যাগের মধ্যে পুরে ফেলল। এটিকে সে ...
  • সেটা কোনো কথা নয় - দ্বিতীয় পর্ব - ত্রয়োদশ তথা অন্তিম ভাগ
    অবশেষে আমরা দ্বিতীয় পর্বের অন্তিমভাগে এসে উপস্থিত হয়েছি। অন্তিমভাগ, কারণ এরপর আমাদের তৃতীয় পর্বে চলে যেতে হবে। লেখা কখনও শেষ হয় না। লেখা জোর করেই শেষ করতে হয়; সেসব আমরা আগেই আলোচনা করেছি।তবে গল্পগুলো শেষ করে যাওয়া প্রয়োজন কারণ এই পর্বের কিছু গল্প পরবর্তী ...
  • প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে..
    'তারা' আসেন, বিলক্ষণ!ক্লাস নাইনযষ্ঠীর সন্ধ্যে। দুদিন আগে থেকে বাড়াবাড়ি জ্বর, ওষুধে একটু নেমেই আবার উর্ধপারা।সাথে তীব্র গলাব্যাথা, স্ট্রেপথ্রোট। আমি জ্বরে ঝিমিয়ে, মা পাশেই রান্নাঘরে গুড় জ্বাল দিচ্ছেন, দশমীর আপ্যায়ন-প্রস্তুতি, চিন্তিত বাবা বাইরের ...
  • জীবনপাত্র উচ্ছলিয়া মাধুরী, করেছো দান
    Coelho র সেই বিখ্যাত উপন্যাস আমাদের উজ্জীবিত করবার জন্যে এক চিরসত্য আশ্বাসবাণী ছেড়ে গেছে একটিমাত্র বাক্যে, “…when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.”এক এন জি ও'র বিশিষ্ট কর্তাব্যক্তির কাছে কাতর ও উদভ্রান্ত আবেদন ...
  • 'দাগ আচ্ছে হ্যায়!'
    'দাগ আচ্ছে হ্যায়!'ঝুমা সমাদ্দার।ভারতবর্ষের দেওয়ালে দেওয়ালে গান্ধীজির চশমা গোল গোল চোখে আমাদের মুখের দিকে চেয়ে থাকে 'স্বচ্ছ ভারত'- এর 'স্ব-ভার' নিয়ে। 'চ্ছ' এবং 'ত' গুটখা জনিত লালের স্প্রে মেখে আবছা। পড়া যায় না।চশমা মনে মনে গালি দিতে থাকে, "এই চশমায় লেখার ...
  • পাছে কবিতা না হয়...
    এক বিশ্ববন্দিত কবি , কবিতার চরিত্রব্যাখ্যায় বলেছিলেন, '... Spontaneous overflow of powerful feeling,it takes its origin from emotion recollected in tranquility'আমি কবি নই, আমি সুললিত গদ্য লিখিয়েও নই, শব্দ আর মনের ভাব প্রকাশ সর্বদা কলহরত দম্পতি রুপেই ...
  • মনীন্দ্র গুপ্তর মালবেরি ও বোকা পাঠক
    আমি বোকা পাঠক। অনেক পরে অক্ষয় মালবেরি পড়লাম। আমার একটি উপন্যাস চির প্রবাস পড়ে দেবারতি মিত্রর খুব ভাল লাগে। উনিই বললেন, তুমি ওনার অক্ষয় মালবেরি পড় নি? আজি নিয়ে যাও, তোমার পড়া বিশেষ প্রয়োজন। আমি সম্মানিত বধ করলাম। তাছাড়া মনীন্দ্র গুপ্ত আমার প্রিয় কবি প্রিয় ...
  • আপনি কি আদর্শ তৃণমূলী বুদ্ধিজীবি হতে চান?
    মনে রাখবেন, বুদ্ধিজীবি মানে কিন্তু সিরিয়াস বুদ্ধিজীবি। কথাটার ওজন রয়েছে। এই বাংলাতে দেব অথবা দেবশ্রী রায়কে যতজন চেনেন, তার দুশো ভাগের এক ভাগও দীপেশ চক্রবর্তীর নাম শোনেননি। কিন্তু দীপেশ বুদ্ধিজীবি। কবির সুমন বুদ্ধিজীবি। তো, বুদ্ধিজীবি হতে গেলে নিচের ...
  • উন্নয়নের তলায় শহিদদের সমঝোতা
    আশা হয়, অনিতা দেবনাথরা বিরল বা ব্যতিক্রমী নন। কোচবিহার গ্রামপঞ্চায়েতের এই তৃণমূল প্রার্থী তাঁর দলের বেআব্রু ভোট-লুঠ আর অগণতন্ত্র দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এই তামাশায় তাঁর তরফে কোনও উপস্থিতি থাকবে না। ভোট লড়লে অনিতা বখেরা পেতেন, সেলামি পেতেন, না-লড়ার জন্য ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Manash Nath প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

RSS feed

ইফতার আর সহরির মাঝে

কলকাতার বুকের মধ্যে যে কত অগুন্তি কলকাতা লুকিয়ে আছে! রমজান মাসে সূর্য ডুবে গিয়ে রাত ঘনিয়ে এলে মধ্য কলকাতার বুকে জেগে ওঠে এক আশ্চর্য বাজার। যে বাজার শুরু হয় রাত দশটার থেকে আর তুঙ্গে ওঠে রাত বারোটা একটা নাগাদ। ফিয়ার্স লেন, কলুটোলা, জাকারিয়া স্ট্রিট, সাবেক চিৎপুর রোড অব্ধি নাখোদা মসজিদের গা ঘেঁসে রাত বাড়ার সাথে সাথে বদলে যায় এক আরব্য রজনীতে। রেশমি চুড়ি, জামাকাপড়, জুতোর সাথে সাথে রোজার মাসে ইফতার আর সহরীর মাঝে রাত জুড়ে চলতে থাকে নানা রকম সুখাদ্যর মেলা। হরেক কাবার, মিস্টি, ফিরনি, শাহি টুকরা,বাখরখানি

গুজবের পিছনে

সবাই বলছে গুজবে কান দেবেন না, কিন্তু মানুষের ধর্মই হল গুজবে কান দেওয়া।আপনি একটা ভাল খবর দিন.. সেটা বন্ধুদের মধ্যেই থাকবে কিন্তু খারাপ খবর মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। আপনি ফেসবুকে দেখতে পেলেন আপনার এক বন্ধু লিখেছে দেগঙ্গাতে কি কিছু হচ্ছে? আপনি সেখানে গিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আরো অনেকে করলো। একজন বলল হ্যাঁ হ্যাঁ, আমিও শুনেছি!! কি ব্যাপার কে জানে! আরো একজন প্রোফাইল এসে বলল আমার বাড়ি থেকে দশ কিলোমিটার, দাঙ্গার খবর আসছে!! আপনি মোটামুটি নিশ্চিন্ত হলেন যে খবরটার ভিত্তি আছে। উত্তেজনায় আর নি

হিন্দু মানসে নিরাপত্তাহীনতা ও তার রাজনীতি

নিরাপত্তাহীনতা এক সর্বজনীন অনুভূতি। এক প্যাঁচালো স্টেট অফ মাইন্ড। আপনারও আছে, আমেরিকারও আছে। কোন অবস্থায় দাঁড়িয়ে বা কী কী কারণে আপনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন সেটাও একটা মাইন্ডসেট। দীর্ঘদিন ধরে অরগানাইজড ভাবে ক্রমাগত প্রচারে এই মাইন্ডসেট তৈরি করা যায়। পিউবার্টি এজে বা টিন এজে আরও তাড়াতাড়ি করা যায়। সব রাজনৈতিক দলই তাই 'ক্যাচ দেম ইয়ং' পলিসিতে আস্থা রাখে। স্কুল-কলেজেই মাথায় কোনও বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিতে পারলে, তা অধিকাংশ সময়েই খুলিতে গেঁথে যায় পেরেকের মতো। তারপর, কারও কারও ক্ষেত্রে তা থাকে চিরকাল।

সোশাল সাইটে প্রোপাগান্ডা

স্বাধীন ভাবে নিজ বিদ্যাবুদ্ধিতে ভাবনাচিন্তা লেখালেখি করতে চাইলে এই ফেসবুক হোয়াটস এ্যাপ এর দুনিয়ায় আপনার খবর আছে মশাই! সোশাল মিডিয়ার আদিলগ্নে ছিল বিভিন্ন চ্যাটগ্রুপ। ভারতে তখন ইন্টারনেটের হামাগুড়ি দশা। সেই আমলেও কোন বামফ্রন্ট বা বিজেপি বা কংগ্রেস বা তৃণমূল সমর্থকরা নিজেদের মধ্যে তর্ক আড্ডা মারতেন। মানে যেমন আমরা চায়ের দোকানে মেরে থাকি আর কি। তারপর অর্কুট এলো। সেখানেও বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি হলো। কোন গ্রুপে কোন দলের সমর্থকরা দলে ভারি সে পরিষ্কার বোঝাই যেতো। আর ফেসবুকে তো এখন রাজনৈতিক ক্যাম্পেন খোলাখুলি

মার

প্রথম ধাক্কাতেই বয়েসটা টের পেলো সে! যদিও হুব্বা সেও কম ছিল না এককালে। মাঠের হাতাহতি গুলো ছাড়া কলেজের অলিন্দে আর তার জের টেনে রাস্তায় দিনে রাতে কম ঘুঁসোঘুসি করেনি সে। মেরেছে মারও খেয়েছে। মার না খেলে মার দেওয়া যায় না। সুযোগ সবারই আসে আর দম ধরে রাখতে পারলে জিতে আসাও যায়। বাইকওয়ালা ছেলেদুটোর সাথে রাস্তার ঝামেলাটা অন্যদিকে টার্ন নিতে পারে এটা তার সিক্সথ সেন্স বলছিল! ছেলেদুটো মদ খেয়ে ছিল আর এক্ষেত্রে চল্লিশ প্লাস একজনের চেপে যাওয়াই ভাল কিন্তু ওই যে হুব্বা!!
বাইক থেকে নেমে আসা ছেলেটার প্রথম ধাক্কাত

রাখ তোর শাইনিং ইন্ডিয়ার পিজ্জা ফিজ্জা

একটা বড় তাওয়াতে প্রথমে উবুচুবু তেল ঢালা হল। তেল গরম হচ্ছে...... তেল গরম হচ্ছে.... ইতিমধ্যে একটি বড় জবজবে ময়েম দেওয়া ময়দার তাল নিয়ে বেলতে হবে। বেশ রুটির আকারে হলে সেটাকে হাতে তুলে নিতে হবে। এবারে সেটাকে দুহাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে অনেকটা রুমালি রুটি করার কায়দায় হাওয়ায় খেলাতে খেলাতে দুট আড়াই ফুট ব্যাসের করে ফেলতে হবে। সেই পাতলা ফিনফিনে জিনিষটা কায়দা করে একটা বড় পাথরের উপর ফেলে টানটান করে মেলে দিতে হবে। হলো তো, এখন একটা গেলাশে দুটো ডিম ভেঙে নিয়ে আগেই সেদ্ধ করে রাখা চিকেনের টুকরো অনেকটা ঝুরোঝুরো করে ভেজে র

পেয়ারাগাছ

দোতালার রান্নাঘরের জানালা দিয়ে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় পিয়ারা গাছের ডালটাকে। তার লালচে কচিপাতা সাদা সাদা ফুল আর তীব্র সবুজ গুটিগুটি ফলগুলি আমাদের সামনেই বেড়ে ওঠে।
                   শহরে বড় গাছের জন্য জায়গা আর কোথায়? শহর উপকন্ঠে দু-তিন কাঠা জমিতে যে মধ্যবিত্ত বাড়ি বানায়, কর্পোরেশন এর সিলিং মেনে আর না মেনে হোক.... সে আর গাছ লাগানোর জন্য কেন মাথা ঘামাবে! যদিও বেঁচে থাকতে অক্সিজেন লাগে আর অক্সিজেন এর জন্য গাছ লাগে এ তাদের বাড়ির ছেলে মেয়েরা দুলেদুলে মুখস্ত করে কিন্তু নিজের বাড়ি বানানোর সময় সে একটু

তুঙ্গনাথ

আমাদের পৃথিবীতে ক্যালেন্ডারের হিসাবে দিন চলে মাস চলে ইয়ার এন্ডিং আসে চলে যায়। স্কুলে স্কুলে গরমের ছুটি পড়ে। সরকারি বাবুরা উইকএন্ডে কবিগুরুর শান্তিনিকেতন যায়। আরেকটা পৃথিবী চলে চাঁদের হিসাবে। মাথার উপর ঝুলে থাকা বুড়ি চাঁদটার দিকে আমরা তাকিয়ে ওঠার অবসর না পেলেও সেই পৃথিবী চলে তার কমাবাড়ায়। চিৎ হয়ে পড়ে থাকা এই ভারতবর্ষের মাথার উপর সটান দাঁড়িয়ে থাকা হিমালয় ;কুমায়ুন আর গাড়োয়াল এই দুই পাহাড়ি এলাকা নিয়ে উত্তরাখণ্ড,যাকে সবাই বলে দেবভূমি।
তা অক্ষয় তৃতীয়াতে চাঁদ যখন বাঁকা কাস্তের মত ধারালো হয়ে

অবান্তর স্মৃতির ভিতর

"অবান্তর স্মৃতির ভিতর,আছে
তোমার মুখ অশ্রু ঝলোমলো
লিখিও, উহা ফিরত চাহো কিনা। "
                    সকাল সকাল উঠে পড়তে পারে সে এইটুকুই যা ভালো। রাতের জমাট ভারি ধোঁয়াশা তখনো ঝুলে থাকে গলিগুলোর উপরে। হলুদ ভেপার আলোগুলোর ভিতরে মরা পোকাদের গাদা থেকে চুঁইয়ে আসা আলোর সাথে আকাশটা পরিষ্কার হতে থাকে। গলির পর গলি টপকে দ্রুতপায়ে বাসরাস্তায় উঠে আসতে চায় সে। খোলা ড্রেনের পাশে শুয়ে থাকা ঘুমন্ত কুকুরগুলোকে সাবধানে পেরিয়ে গলির মুখ থেকেই লক্ষ্য করে ধর্মতলা থেকে ছাড়া দিনের প্রথম বাসটি ফিরে
চলে গেলো

যা কিছু বাড়তি

যা কিছু বাড়তি

যা কিছু বাড়তি তাই কি আসলে সুখ! আর না পাওয়াগুলো.... সেগুলো তবে কি দুঃখ! ঠিক সন্ধ্যের আগে আগে একটা পেটকাটি ভাসতে ভাসতে এসে ছাদের কিনারায় পড়ল! এবারে অংক করাতে বসে বিকাশদা সবার সামনে কানটা টেনে এনে দু আঙুলের ফাঁকে পেন্সিল ঢুকিয়ে জোরে চেপে দিল.... আর তার পর সবাইকে লুকিয়ে সায়নি যে ব্যাথায় হাত বুলিয়ে দিল সেটা.....? বাড়িশুদ্ধু লোকের জামাকাপড় বয়ে আনতে ইস্ত্রিখানায় গেলে আর ভাইদা একটা কোঁচকান একশ টাকার নোট হাতে দিয়ে বলল এই নে, প্যান্টের পকেটে ছিল!! শালা মূহুর্তে ভাইদার মুখটা কেমন

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ