Farha Kazi RSS feed

নিজের পাতা

Farha Kaziএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমার ব্যথার পূজা
    ব্যর্থতাকে গ্রহন করতে শেখা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন শিক্ষা। অনুভব হয় সেই শিক্ষা আমার অসম্পুর্ন রয়ে গেছে। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম না করতে পারার মানসিক যন্ত্রনা ছাপিয়ে গেছে শারীরিক যন্ত্রনাকেও.. এই কি সেই " মাঝবয়েসী সংকট"? নাকি, ছোট্টবেলা থেকে ...
  • বইমেলা নোটবই
    উপক্রমনিকাঃ গুরু এবং শুরুষাট সত্তরের দশকের হিন্দি ছবিতে কুম্ভ মেলা অর্থাৎ “কুম কে মেলে”-এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকত। ওই ভাইয়ো অর বহেনোরা (মিত্রো নয় কিন্তু) কুম-কে মেলে’তে হারিয়ে যেত আর সিনেমার শেষে ফের দেখা হয়ে যেত, হ্যাপ্পি এন্ডিং আর কি। আর এই আলাদা আর ...
  • ভাসাইলি রে
    মুম্বাই থেকে ট্রেনে কলকাতা ফিরছি,সাল আমার মনে নেই। এক পুণে প্রবাসী বাঙালী পরিবারের সাথে আলাপ। তারা আত্মীয়র বিয়ে উপলক্ষে কলকাতা আসছেন। এনারা নিজেদের বাবার আমল থেকেই প্রবাসী। বহুদিন, বোধহয় প্রায় দশ-পনেরো বছর বাদে কলকাতায় আসছেন। খুবই আগ্রহী, যদি সময় করে ...
  • সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী নয়, সাঁওতালী ভাষার কাঠামোতেই বাংলা ভাষার বিকাশ
    বাংলা ভাষা একটি মিশ্র ভাষা। তার মধ্যে বৈদিক বা সংস্কৃত ভাষার অবদান যেমন আছে, তেমনি আছে খেরওয়াল বা সাঁওতালী সহ বেশ কিছু মুণ্ডা ভাষার অতি গুরূত্বপূর্ণ অবদান। বাংলা ভাষার জননী হিসেবে কেবল সংস্কৃত আর্য ভাষার দাবি সম্বলিত যে মিথটি গড়ে উঠেছিল – সেই দাবিকে ...
  • রক্তকরবী, অল্প কথায়
    মানুষের স্বতস্ফুর্ততা যখন মরে যায় তখন যন্ত্রে আর মানুষে তফাত থাকে কই! একটা ঘোর মেক্যানিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে আবর্তিত হয় তার দৈনিক যাপন, বাকি সমাজের সাথে সম্পর্ক হয় অ্যালগোরিদিমিক্যাল। কাজের সূত্রে সে কথা বলে আবার ঢুকে যায় নিজের মৃত চামড়ার খোলসে।ঠিক যেন এই ...
  • একাত্তরের দিন গুলি
    কোন এক পড়ন্ত বিকেলে আমরা ঢাকার রাস্তায় কণিকা নামের একটা বাড়ি খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে। আসলে আমরা খুঁজছিলাম একটা ফেলে আসা সময়কে। একটা পরিবারকে। যে বাড়িটা আসলে ব্লাইন্ড লেনের এক্কেবারে শেষ সীমায়। যে বাড়ির গলি আঁধার রাতে ভারী হয়েছিল পাকিস্তানী ...
  • #পুরোন_দিনের_লেখক-ফিরে_দেখা
    #পুরোন_দিনের_লেখক-ফি...
  • হিমুর মনস্তত্ত্ব
    সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে ...
  • এক অজানা অচেনা কলকাতা
    ১৬৮৫ সালের মাদ্রাজ বন্দর,অধুনা চেন্নাই,সেখান থেকে এক ব্রিটিশ রণতরী ৪০০ জন মাদ্রাজ ডিভিশনের ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে রওনা দিলো চট্টগ্রাম অভিমুখে।ভারতবর্ষের মসনদে তখন আসীন দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঔরঙ্গজেব।কিন্তু চট্টগ্রাম তখন আরাকানদের অধীনে যাদের সাথে আবার মোগলদের ...
  • ভারতবর্ষ
    গতকাল বাড়িতে শিবরাত্রির ভোগ দিয়ে গেছে।একটা বড় মালসায় খিচুড়ি লাবড়া আর তার সাথে চাটনি আর পায়েস।রাতে আমাদের সবার ডিনার ছিল ওই খিচুড়িভোগ।পার্ক সার্কাস বাজারের ভেতর বাজার কমিটির তৈরি করা বেশ পুরনো একটা শিবমন্দির আছে।ভোগটা ওই শিবমন্দিরেরই।ছোটবেলা...

বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Farha Kazi প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

RSS feed

জার্মানী ডায়েরী - ৩

জুতোপর্ব:

নতুন দেশ, ঝাঁ চকচকে রাস্তা... ছবির মতো শহর, সাজানো গুছানো এক্কেবারে সিনেমার মতো।
আহা ইউরোপ শুনলেই DDLJ এর শাহরুখকে মনে পরে।
“তুঝে দেখা তো এ জানা সনম”... আল্পস পর্বত, রাইন নদী, বরফ, টয়ট্রেন, নীল আকাশ, রাস্তাভর্তি টিউলিপ, ড্যাফোডিল! কি সুন্দর ভাবতে লাগে না?

ক্লাস টেনে আমাদের ইংরাজী পাঠ্যবইয়ে কবি ওয়ার্ডস ওয়ার্থের একখান কবিতা ছিলো... ড্যাফোডিল!

“When all at once I saw a crowd,
A host, of golden daffodils;
Beside the lake, beneath the trees,

জার্মানী ডায়েরী - ২

রান্নাঘর পর্ব:

ডিসেম্বরের চার তারিখ কলকাতা ছেড়েছিলাম , সেদিন উষ্ণতা ছিলো ২৭ ডিগ্রী, রৌদ্র করোজ্জ্বল একটা দিন। ফ্র্যাঙ্কফুর্টে নামলাম -২ ডিগ্রীতে। আগের দিনই প্রবল তুষারপাত হয়েছে।
এক ধাক্কায় মাইনাসে... ২৭ থেকে -২ এর পার্থক্য -২৯ ডিগ্রী, যাকে বলে থার্মাল শক। ফ্রাঙ্কফুর্ট এয়ারপোর্ট মাটির উপরে...নীচে রেল স্টেশন। শীত তাপ নিয়ন্ত্রিত থাকার কারণে বুঝতেও পারিনি বাইরের অবস্থা!
Mainz hauptbahnhof এ নামা মাত্রই জমে গেলাম! প্রধান ট্রেন স্টেশনকে এরা hauptbahnhof বলে। জার্মানরা বড্ডো জটিল

জার্মানী ডাইরী-১

পরবাস পর্ব:

অদ্ভুত একটা দেশে এসে পড়েছি! এদেশের আকাশ সবসময় মেঘাচ্ছন্ন.. সূর্য ওঠেই না বললে চলে! হয় বৃষ্টি নয়তো বরফ!!
বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয়.. আমি তো বর্ষার মেয়ে, তাই বৃষ্টির সাথে আমার খুব আপন সম্পর্ক। কিন্তু এদেশের বৃষ্টিটাও বাজে! এরা অতি সন্তর্পণে ঝরবে! কেন রে বাবা! ঝমঝমিয়ে নাম না একবার!! তা নয়, টিপ টিপ করে পড়ছে। যেন একটু বেশি জোরে বৃষ্টি হলেই মাস্টারমশাই খুব বকে দেবে!
কলকাতায় অফিস যাওয়ার সময় খুব চাইতাম একটু মেঘ করুক, সেইসময় আমি অফিস পৌঁছে যাই টুক করে! আর এখানে চাইছি সূর্য উঠ

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

12 Feb 2018 -- 04:47 AM:মন্তব্য করেছেন
সমালোচনা করতে চাইলে করা যায় বইকি। যে মানুষ মতামত আর জোরের পার্থক্য বোঝেনা তার সাথে আলোচনা মানে ...