Panchali Kar RSS feed

Panchali Karএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • শিরোনামহীন
    তত্কালে লোকে বিজ্ঞাপন বলিতে বুঝাইতো সংবাদপত্রের ভেতরের পাতায় শ্রেণীবদ্ধ সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞাপন, এক কলাম এক ইঞ্চি, সাদা-কালো খোপে ৫০ শব্দে লিখিত-- পাত্র-পাত্রী, বাড়িভাড়া, ক্রয়-বিক্রয়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চলিতেছে (ঢাকাই ছবি), আসিতেছে (ঢাকাই ছবি), থিয়েটার (মঞ্চ ...
  • Take love
    জন্মদিনে সবার আগে যেটা হয় সেটা হচ্ছে টাইমলাইন আর ইনবক্স জুড়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছাগুলোর জবাব দিতে দিতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। রিপ্লাই দিতে দিতে একপর্যায়ে নিজেকে মানসিক রোগী মনে হতে থাকে।যাইহোক,সবাই ভালোবেসে শুভেচ্ছা জানায় জবাব না দেয়াটাও বেয়াদবি ভেবে ...
  • রাতের ঢাকা শহর
    ঢাকা শহরের নানা সমস্যা। দুই একদিন আগে দেখলাম সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিয়ায় ওপরের দিকে নাম ঢাকা শহরের। যারা ঢাকা শহরে থাকে বা থেকেছে তারা জানে নাগরিক জীবনের নানা সমস্যা আষ্টেপিষ্টে জরিয়ে আছে। বাতাস শুধু দূষিত না এ শহরের, আরও কত কী যে দূষিত তার কোন হিসেব নেই। ...
  • মাইনাস তিন ডিগ্রি
    মাইনাস তিন ডিগ্রি ▶️প্রতি সন্ধ্যায় শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় থেকে মাত্র কয়েক ফার্লং দূরে যশোর রোডের ডানদিকে দেড়তলা বাড়িটা অন্ধকারেই থাকে। রাত ন'টা নাগাদ পুট করে গেটের আলোটা জ্বলে ওঠে। কোলাপসিবল গেটে চাবি তালার খুট খুট ধাতব শব্দ। সিঁড়ির আলো জ্বলে। ডাইনিং ...
  • যে হাতে জ্বলেছিল আলোর শিখা - ডঃ বিভা চৌধুরী
    বিভা চৌধুরীকে নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক দিনের। আগ্রহের সুচনা কেন্দ্র অবশ্যই তাঁর বিজ্ঞানচর্চা । বৈজ্ঞানিককে তার বিজ্ঞান ছাড়া ধরা যায় না। তবে তিনি যখন বিজ্ঞান সাধনায় নামেন , তখন সে জগত এক অবিচ্ছিন্ন জ্ঞানের জগত, আমার বিজ্ঞানের যে সীমিত জ্ঞান তাই দিয়ে তাঁকে আবছা ...
  • পৌরাণিক ঘরওয়াপ্‌সি ও হরে দরে কশ্যপ গোত্র
    পৌরাণিক ঘরওয়াপ্‌সি ও হরে দরে কশ্যপ গোত্র সৌরভ মিত্র ধরা যাক, অতি খাজা একখানা প্রবন্ধ পড়তে পড়তে মুখ থেকে অজান্তেই একটি শব্দ বেরিয়ে এল, -‘জঘন্য’। বেজায় সমস্যা এই তৎসম শব্দটিকে নিয়ে। এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কিনা ‘জঘনভব’ বা ‘জঘনতুল্য’ [জঘন + য (যৎ)]। কিন্তু, সেই ...
  • শুভায়ু শুক্রবার
    প্রতিভা সরকারদিল্লীর রাজপথে শিরদাঁড়া সোজা করে বসে আছে একদল বাচ্চা ছেলেমেয়ে। স্কুলে না গিয়ে তারা এইখানে। হাতে প্ল্যাকার্ড "স্কুলে যাইনি, বড়দের শেখাব বলে"। ব্যাঙালুরুতে কিশোররা গম্ভীর মুখ। হাতে লেখা "পিতৃতন্ত্র নয়, প্ল্যানেট বাঁচাও"। বার্লিনে বাচ্চারা ...
  • নারীদের শ্রম-জীবন
    লোপামুদ্রা সরকারভদ্রলোক ব্যস্ত মানুষ। উচ্চপদস্থ। তাঁকে প্ল্যান্টে নিয়ে যেতে কোয়ার্টারের সামনে গাড়ি আসে। তিনি সকালে উঠে, চা খেয়ে, কিঞ্চিৎ স্বাস্থ্যচর্চা করে, ব্রেকফাস্ট সেরে, পোশাক পরিচ্ছদ পরে তৈরি হয়ে প্ল্যান্টের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেন। এই সময় তাঁর হাতে ...
  • মেয়েবেলা
    ইন্দ-রানীএকটি অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে কঠোর পুরুষতান্ত্রিক পরিকাঠামোয়, হাজার নিয়ম ও বাধা নিষেধের বেড়ার ভেতর যেমন মেয়েবেলা কাটতে পারে, তেমনি ছিল মেয়েটির ছোটবেলা। মেয়েবেলার কথা ভাবতে বসলে সত্যি বলতে তেমন আনন্দের কোন উপাখ্যান অথবা সুখস্মৃতি তার মনে ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৯)
    কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৯.০৯.২০১৮) ____________________...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

Panchali Kar

আজ সকালে বন্ধু ঋত্বিজা একটি আর্টিকল দেখালো, অস্কার বিজয়ী ফিল্ম "পিরিয়ড: এন্ড অফ্ সেন্টেন্স" ছবিটিতে ভুয়ো তথ্যের ব্যবহার সম্পর্কে। এর সাথে সাথে আর্টিকেলটিতে তুলে ধরা হয়েছে এই ছবির নির্মাণের পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে কী ভাবে নারীর এবং শিশুদের অধিকার খণ্ডিত হয়েছে, ও কনসেন্ট এবং পার্সোনাল স্পেসের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে (ছবির নির্মাতাদের ইন্টারভিউ থেকেই তা স্পষ্ট)। আর্টিকলটা দেখে আমি একটুও হতবাক নই, বরং খানিক আস্বস্তই বোধ করেছি। ভারতীয় উপমহাদেশ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ কতটা পিছিয়ে পরা সেই স্ন্যাপশট্ চড়া দামে বিকোয় পশ্চিমী মার্কেটে; মানুষ দেখে চিড়িয়াখানার খাঁচায় শিম্পাঞ্জি দেখার মতো করে। তাই শুরু থেকেই এই ছবির সাফল্য নিয়ে নূন্যতম মাথাব্যথা ছিলনা আমার। আমার চোখে আ্যকাডেমি আ্যওয়ার্ড সিনেমার শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি একেবারেই নয়। ভারতবর্ষের মেয়েদের মেন্সট্রুআল হাইজিন নিয়ে তৈরি ছবি যখন পৃথিবীর সবচেয়ে সিগনিফিক্যান্টলি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র সম্মানে ভূষিত হয়, তখন ছবির গতি-প্রকৃতি নিয়ে বিশেষ দ্বিধা বা আশা কোনটা থাকাই বাঞ্চনীয় নয় বলে আমার মত। ছবিটি আমি দেখিনি, দেখবোও না, কারণ ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি যা পড়েছি তা যথেষ্ট অস্বস্তিকর এবং এই ছবির নির্মাণের মেথডোলজির সাথে আমার রাজনৈতিক চেতনার স্পষ্ট বিরোধ আছে। বিভিন্ন রিপোর্ট পরে যা বুঝতে পারি: ছবিটিতে দাবি করা হয়েছে যে ভারতে ঋতুমতী মেয়েরা স্কুল কামাই করতে বাধ্য হয় স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং হাইজিনের অভাবে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া টেক্সাস, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি প্রথম বিশ্বের দেশেও মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় স্কুল কামাই করার হার ভারতের সমানুপাতিক অথবা কিঞ্চিৎ বেশী। ভারত সহ সমস্ত দেশেই বহু ক্ষেত্রে এই কামাইয়ের কারণ ন্যাপকিনের অভাব নয়। তলপেটে প্রদাহ, ক্যাম্প, ইত্যাদি।

মানছি, পিরিয়ড নিয়ে খোলাখুলি কথা না বলা কাজের কথা নয়, কিন্তু তার জন্য মানুষকে প্রস্তুত করতে হয় সংবেদনশীল শিক্ষার ভিতর দিয়ে। হুট করে বাচ্চাদের ক্লাসরুমে হানা দিয়ে তাদের পিরিয়ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা স্পেস এবং কনসেন্টের ভায়োলেশন। আসলে ছবির নির্মাতারা সেনসিটাইজ় করতে বিন্দুমাত্র আগ্রহী ছিলেন না, তাঁদের ফুটেজ দরকার ছিল। ভয়ে, ঘৃণায়, লজ্জায় কুঁকড়ে যাওয়া একটি পিছিয়ে পরা দেশের সদ্য পিউবার্টিতে পা রাখা মেয়ের ফুটেজ, তার ভয়ার্ত এক্সপ্রেশন। একটা পিছিয়ে পরা দেশের, পিছিয়ে পরা মানুষের, পিছিয়ে পরার গল্প যত নগ্ন, ভেদ্য, জীর্ন, করুন, গা ঘিন-ঘিন করা ভাবে তুলে ধরা যায়, ততই মানুষ তা চেটে পুটে খায় তাদের স্যাডিস্টিক ক্ষুধার প্রশমন করার জন্য। ক্যাপিটালিস্ট মার্কেট এমন ভাবে প্রজেক্ট করে যেন প্রান্তিক মানুষের কথা তুলে এনে কতই না সামাজিক দায়ভার বহন করা হচ্ছে। কিন্তু সত্যিটা এই যে তথাকথিত কম্যুনিটি সার্ভিসের একটা সেইফ ক্যাপিটাল, চটজলদি লাভ, নাম, যশ, খ্যাতি ইত্যাদি অর্জন করার জন্য; প্রান্তিক মানুষ একদল গিনিপিগ; তাঁরা যেই তিমিরে ছিল, সেখানেই থেকে যায়, তাঁদের গল্প বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করার পরেও।

এতদূর পর্যন্ত পড়ে যারা ভাবছেন পাশ্চাত্যকে খিস্তানোর অভিপ্রায় নিয়েই লেখাটি এগোবে, সেই প্রাচ্যের মানুষরাও কিন্তু জারোয়াদের সেই একই জঙ্গলি, পিছিয়ে পরা, 'এ-বাবা আজকের পৃথিবীতেও এরকম হয় নাকি?' মার্কা দৃষ্টি দিয়ে দেখেন। জারোয়াদের মুলস্রোতকে প্রত্যাখ্যান করাও একটা প্রোডাক্ট, সেটা বিক্রি হয়, ট্যুরিস্ট আ্যট্রাকশন। তাই জো়য়া আকথার তাঁর ছবি গালি বয়ের গানের দৃশ্যে ধারাভীর কিছু ইমেজারী মাত্র গুঁজে দিয়ে সেই অত্যন্ত মিডিওকার বাণিজ্যিক ছবিকে ক্লাস স্ট্রাগলের গল্প বলে দাবি করতে পারেন; কারণ কমার্শিয়াল আর্টের রাজনীতি একটাই ― মানুষকে সস্তা এবং সহজপাচ্য উপাদান বিক্রি করে এঙ্গেইজ করে রাখো, যাতে সে ভাবার সময় না পায়, প্রশ্ন করার ইচ্ছা হারায়।

প্রচন্ড দ্বিধায় ছিলাম, গালি বয় দেখবো কি দেখবো না। শেষ পর্যন্ত ডিসিসিভ মোমেন্টে পৌঁছালাম যখন জো়য়া আকথারকে একটি ইন্টারভিউতে বলতে শুনলাম: তাঁর আন্ডারগ্রাউন্ড হিপ-হপ মিউজিকের ওপর ছবিতে ক্লাস স্ট্রাগল প্রাধান্য পাচ্ছে। বিশাল খটকা লাগলো, কারণ হিপ-হপ মিউজিকের আকর আইডেন্টিটি পলিটিক্সে। কালো এবং খয়েরি চামড়ার মানুষের লড়াই, ধর্ম এবং জাতি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই, গৃহ হিংসা এবং উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে লড়াই, ইত্যাদি। যদি শুধুমাত্র অর্থনৈতিক শ্রেণী বৈষম্যের কথা বলাটাই গল্পের মূল হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে হিপ-হপ মিউজিক বেস্ট চয়েস নয়। তার ওপরে অগাধ ভরসা ছিল যে যেই পলিটিক্সই হোক না কেন, বলিউড তার যথাযথ আ্যপ্রোপ্রিয়েশন করে নিজ গুনে ঘেঁটে-ঘ করবেই করবে। অতএব আমি আর সেঁজুতি সমস্ত নিরাশ হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে কোয়েস্ট মলে পৌঁছালাম।

মজার ব্যাপার গালি বয় ছবিটা থেকে সব চেয়ে দরকারী এলিমেন্ট গুলো ― হিপ-হপ মিউজিক, প্রধান চরিত্রের ধার্মিক আইডেন্টিটি, এবং ধারাভী বাদ দিয়ে দিলেও ছবিটা দাঁড়িয়ে যায়। বুঝতেই পারছেন এই অত্যন্ত জরুরী এলিমেন্ট গুলো কতটা ব্যাক করেছে ছবিটাকে। দারুন গান, সুন্দর মিউজিক ভিডিও হতে পারত, হয়ে গেল পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছায়াছবি। এমন একটা প্যাকেজ যা সাধারণ দর্শককে মোহিত করার ক্ষমতা রাখে; এতটাই মোহিত যে তাঁদের মাথায় দরকারী প্রশ্নগুলো টোকা মরেনা ― আমরা জানতে চাইনা মুরাদ ধারাভীর যেই অংশে বাস করে সেখানে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি কী অবস্থায়? প্রশ্ন করিনা ধারাভীর অস্তিত্ব কোথায় ছবিটাতে, গানের ব্যাকগ্রাউন্ডের র‍্যান্ডম ইমেজারী ছাড়া? সারা ছবি জুড়ে ক্যামেরা মিড-ক্লোজআপেই আটকে রইলো, স্পেসটা এক্সপ্লোর করল না কেন, স্পেসের সাথে মানুষের সম্পর্ক এস্টাব্লিশ করল না কেন? ভাবিনা যে এটা যেকোনো মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প হতে পারত, সেখানে নায়কের প্যাশন আলাদা হতে পারত, তাহলে ধারাভী এবং হিপ-হপের কাজ কী? সেন্টিমেন্ট ক্রিয়েট করে ক্রাউড পূল করা? মুরাদ চরিত্রটা মুসলমান, এবং সেই ধর্মীয় আইডেন্টিটির কোন ক্রাইসিস নেই ছবিতে। ক্রাইসিস ছেড়ে দিলাম, মুরাদ ও তাঁর পরিবার যেই ভাষায় কথা বলে বাড়িতে, মুরাদের কবিতায় তার কোন ছাপ নেই। আরবী প্রভাব কাটিয়ে মুরাদের কবিতা সংস্কৃত ঘেঁষা তথাকথিত শুদ্ধ হিন্দিতে। মুরাদের কেরিয়ার চয়েসের এবং প্যাশনের ক্রাইসিস পার্সোনাল, তাঁর সাফল্য পার্সোনাল। একটি ব্যক্তি বিশেষের উত্তরণের কাহিনী ক্লাসের গল্প হয়ে ওঠে না যতক্ষণ না ব্যক্তি বিশেষের লড়াইয়ের সাথে শ্রেণীর উত্থান-পতনের ইন্টার-পার্সোনাল নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। এই কথাগুলো কোনোটাই অজানা নয় পরিচালকের। অত্যন্ত সূচতুর ভাবে রাজনৈতিক গভীরতা এড়িয়ে গিয়েছেন ছবির নির্মাতা। তিনি জানেন যে ক্লাস স্ট্রাগলের মোড়কে একটা অতি পরিচিত, অতি ব্যবহৃত গল্প তিনি সামনে রাখছেন, তাই "সবকা টাইম আয়েগা" মুছে "অপনা টাইম আয়েগা" ভ্যালিডিটি পেয়ে যায়। ধারাভীর মানুষ একদল গিনিপিগ, এবং তাঁদের শ্রেণী বৈষম্য, তাঁদের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার লড়াই একটা টোকেন মাত্র, ছবি নামক প্রোডাক্টটির বিক্রি বাড়াতে।

ছবির শেষে আমি আর সেঁজুতি একটা পাবে বসে মার্গারিটায় চুমুক দিতে দিতে আক্ষেপ করছিলাম: পভার্টি পর্ণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ব্যবসার মার্কেটটা অনেক ব্যাপ্ত; পাব্লিক হেব্বি খায়!

(ঋত্বিজার পাঠানো আর্টিকলের লিংক: https://mythrispeaks.wordpress.com/2019/02/26/and-the-oscar-goes-to-pe
riod-end-of-sentence-for-use-of-false-data-misrepresentation-of-indian
-women-and-violation-of-child-rights/amp/?__twitter_impression=true&fb
clid=IwAR3I-WY65pGjm4rQa8OjRdw9uEMhAUrPcVSfHYNEBLiA_9XAIknNHQk-FRI
)

780 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Prativa Sarker

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

নার্গিসের প্রতিবাদ মনে পড়ে গেল। পথার পাঁচালী নিয়ে। তবে তোমার লেখাটা যৌক্তিক। ছবিটা আমি দেখেছি ও হতাশ হয়েছি। সাধারণ দর্শকের হতাশা। তুমি তাতে অনেক মাত্রা যোগ করে দিলে।
Avatar: Prativa Sarker

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

পথের। বোঝাই যাচ্ছে। 😁
Avatar: de

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

লেখিকার বম্বের স্লাম সম্বন্ধে আইডিয়া বোধহয় একটু কম! সমস্ত মুসলমানের ধর্মীয় আইডেন্টিটি নিয়ে ক্রাইসিস থাকতেই হবে - এই ডিম্যান্ডের বেশ উল্টোদিকেই বম্বের স্লামগুলো থাকে। ধারাভী, তিলকনগর, মানখুর্দ, ঘাটকোপার এইরকম অজস্র স্লামে প্রত্যহ জীবনধারণের স্ট্রাগল কম্যুনাল স্ট্রাগলকে ছাপিয়ে যায়। আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় আমি অনায়াসে দুই ভিন্ন ধর্মের মায়েদের শিফটে নিজেদের বাচ্চা সামলাতে দেখেছি। কিছু কম্যুনাল ক্রাইসিস অবশ্যই আছে - সেটা মুসলিম এরিয়ার স্লামে হিন্দুদেরও আছে। আদারওয়াইজ স্লামগুলো কম্যুনাল হারমোনির সবচেয়ে বড়ো উদাহরণ - বছরের পর বছর শিবসেনার আর ইদানীং বিজেপির বাঁদরামোতেও এই সহযোগিতা একটুও বদলায়নি।

গালিবয় একটি অতি জঘন্য ছবি। সেই ছবিকে ডিফেন্ড করার জন্য এই কথাগুলো লিখছি না। ধারাভীতে কিন্তু সত্যিই এরকম অসংখ্য র‌্যাপার দের গ্রুপ আছে - যেটাকে মুম্বই হিপ-হপ কালচার বলে প্রোমোট করা হয়ে থাকে।
Avatar: de

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

ডিভাইন - এমনি একটা গ্রুপ - এইটা আসল গান, যেখান থেকে গালিবয়ের গানটা তোলা হয়েছে -


https://www.youtube.com/watch?v=1bK5dzwhu-I
Avatar: de

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

বলিউড ফিল্মস্টারকে দিয়ে না করিয়ে জোয়া আখতার একটা ডকুমেন্টরি বানাতে পারতেন এইধরনের গ্রুপ গুলোকে নিয়ে -

Avatar: S

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

নেইজি আর ডিভাইনকে নিয়েই তো গালি বয় তৈরী করা হয়েছে। গালি বয়ের ট্রেইলার দেখেছি। পুরো এইট মাইলসের কপি মনে হয়েছে। আসল সিনেমাটা দেখিনি। তাই কতটা নকল, সেইটা জানিনা। অথচ নেইজি বা ডিভাইনের র‌্যাপ শুনে (খুব কমই শুনেছি) তো খুবই অরিজিনাল মনে হয়েছে। মুম্বাইয়ের ভাষায়, অ্যাক্সেন্টে, পিচে, ব্যাকগ্রাউন্ডে র‌্যাপ।

জোয়া আখতারকে আমার চিরকালই খুবই মাঝারি মানের পরিচালক মনে হয়েছে। খুবই আপার ক্লাসে তার বিচরণ। তাই জিন্দেগি না মিলেগি বা দিল ধরকনে দো অবধি ঠিক আছে। ধারাভী নিয়ে বা এমনকি র‌্যাপ মিউজিক নিয়ে অনেস্ট ফিলাম ওর কাছ থেকে এক্সপেক্টও করিনা। কম্ফোর্ট জোনের অনেক অনেক বাইরে।

তবে লেখিকার একটা কথার সঙ্গে সহমত নই। আজকের দিনে র‌্যাপ মিউজিকের ওরকম নির্দিষ্ট কোনও সাবজেক্ট ম্যাটার আর নেই। এমিনেম এসে সাফল্যের সঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে। আর ক্লাস স্ট্রাগল না হোক, ক্লাস আইডেন্টিটি ব্যাপারটা র‌্যাপ মিউজিকে আছে। তাই এইট মাইলসের র‌্যাপ ব্যাটেলে র‌্যাবিট তার প্রতিপক্ষকে এই বলে হ্যাঠা করছে যে সে প্রাইভেট স্কুলে গেছে।

ক্লাসিক। যতবার দেখি গায়ে কাঁটা দেয়।

https://www.youtube.com/watch?v=ylkOAtifuJ0
Avatar: S

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

Avatar: pi

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ

অনেকে আবার বলল, দারুণ সিনেমা! মানে বেশ বোদ্ধা লোকজনই। দেখতে হবে।
Avatar: S

Re: দুটি ছবি, একদল গিনিপিগ, ও পভার্টি পর্ণ



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন