Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • দুই বাংলায় এক সাথে নববর্ষ পালন করা প্রসঙ্গে তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়া :
    গত ১৪ এপ্রিল তসলিমা নাসরিন তার ফেসবুক পেজে নববর্ষ পালন নিয়ে একটা পোস্ট লিখেছেন। উনার দেশের বাইরে থাকা নিয়ে আহাজারি আছে, থাকাটা খুব স্বাভাবিক। দেশে আসতে না পারার তীব্র বেদনা অনুভব করা যায় উনার প্রায় লেখাই। উনার এই কষ্ট নিয়ে কিছু বলার নাই। আশাবাদ করতে পারি ...
  • জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৫
    বিংশ শতকের শুরুতে সম্ভ্রান্ত বাঙালির অন্দরমহলে আরো অনেক কিছুর সঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীতকে কেন্দ্র করে একটা অন্য ধরনের সামাজিক মন্থনও শুরু হয়েছিলো । অমলা দাশ ছিলেন বিখ্যাত দুর্গামোহন দাশের ভাই ভুবনমোহন দাশের কন্যা ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের ভগ্নী। এছাড়া তিনি ...
  • নোতরদাম ক্যাথিড্রালে অগ্নিকাণ্ড, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি, এর স্থাপত্য ও সংস্কারের কিছু ইতিহাস এবং একটি দার্শনিক প্রশ্ন
    https://cdn.iflscien...
  • ফেক আইডি
    ‍ছয়মাস ফেসবুকে প্রেম করার পর আজ প্রথম দেখা করতে এসেছি। রেস্টুরেন্টে বসে বসে পানি খাচ্ছি আর পাশের মেয়েটার দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছি। আমার মতো সেও কারোর জন্য অপেক্ষা করছে। আমার নীল ড্রেস পরে আসার কথা ছিল। আমি একটা নীল রঙের কামিজ পরে এসেছি। ছেলেটার সাদা শার্ট ...
  • মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু
    মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্ত্তী সারা জীবনভর একদণ্ড সুস্থির ছিল না - কেবলই খুরপি কিনিতেছে! তাহার বদ্ধমূল বিশ্বাস ছিল তাহার পিতামহ, প্রপিতামহ, তস্য পিতা, তস্য পিতা, তস্য পিতা কেহ না কেহ তাহার ভিটামাটির কোন এক স্থানে বহু-বহু বৎসর পূর্বে অনেকটা গুপ্তধন পুঁতিয়া রাখিয়া ...
  • ছাতুমাখা, সাদা টেপজামা আর একলা বৈশাখ
    চৈত্র সংক্রান্তি মানেই যেমন ছাতুমাখা ছিল, তেমনি পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল সাদা নতুন টেপজামা, সুতো দিয়ে পাখি, ফুল, দুই একটা পাতা বা ঘাস সেলাই করা। চড়কতলায় মেলা বসত চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকে, কিন্তু একে তো সে বাড়ী থেকে অনেক দূর, চৈত্র বৈশাখের গরমে অতদূরে কে ...
  • নববর্ষের এলোমেলো লেখা আর আগরতলার গল্প
    খুব গরম। দুপুরের ঘুম ডাকাতে নিয়ে গেছে। মনে পড়লো গতকাল অর্থাত্ হারবিষুর দিনে তেতো খাওয়া। আগের দিন বিকেলে আমার বিশালাক্ষী, চোপায় খোপায় সমান ঠাকুরমা আমাকে ভীষ্ম আর হারুকে নিয়ে সরজমিন তদন্তে নেমেছেন,--- গাঙ্গের তলে (চৈত্রের গরমে জল নেমে যাওয়া নদীর ...
  • পয়লা বৈশাখ : একটি অনার্য অডিসি
    প্রশ্নটা উঠতে দেখেছিলুম যখন বাংলা ১৪০০ সন এসে দুয়ারে কড়া নাড়ছিল। সিকি শতাব্দী আগে। তখন আমরা মত্ত ছিলুম কুসুমচয়নে। নব নব অনুষ্ঠান চারিদিকে। সঙ্গীত-সাহিত্য-ইতিহা...
  • শঙ্খ নদী: একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা...
    এক.পাহাড়, অরণ্য, ঝর্ণা ধারায় নয়নাভিরাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন ৫,০৯৩ বর্গমাইল। বাংলাদেশের এক কোনে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান– এই তিন জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্যঞ্চালে পাহাড়ি-বাঙালি মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় ১৫ লাখ লোক বাস ...
  • করবেটের ইন্ডিয়া
    ছেলেবেলার কোন ইচ্ছে বড়বেলায় পূর্ণ হলে অনেক সময়েই তার স্বাদ খুব মুখরোচক হয়না। ছেলেবেলা থেকে ক্যাভিয়ারের নাম শুনে বড়বেলায় বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ে যখন খেতে পেলাম, তখন মনে হল, "এ বাবা, এই ক্যাভিয়ার!" সবারই বোধহয় এরকম কোন-না-কোন অভিজ্ঞতা আছে। আকাঙ্খা আর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অভাজনের ভারত ভ্রমণ

Muhammad Sadequzzaman Sharif

ছোটবেলায় একবার আমার প্রায় ভারত ভ্রমণ হয়েই গিয়েছিল। আমার ছোটবেলা বলতে ১৯৯৭ সালের কথা। ক্লাস সিক্সে পড়ি। স্কুল থেকে পিকনিকের আয়োজন করা হল। আমাদের শেরপুরের গজনীতে যাওয়া হবে। গজনীর পাস দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরেখা। একটু বেখেয়ালে একটু বেশি হাঁটলে নিজের অজান্তেই ভারত ভ্রমণ হয়ে যায় অনেকের। আমাদের বেখেয়াল হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমাদের প্রত্যেকের মনের ভিতরে সুপ্ত ইচ্ছা এবার ভারতের মাটি থেকে ঘুরে আসবই। আমাদের বন্ধুদের মনে মনে জানা যে ঘুরে ফিরে একটা সুযোগ নিব আমরা। মুখে উচ্চারণ না করলেও আমরা সবাই তা নিশ্চিত জানতাম। কিন্তু হায়! কিশোর মন ভারত ভ্রমণই বুঝে ছিল শুধু সীমান্ত বোঝেনি, বন্দুক বোঝেনি, দুই দেশের জোয়ানদের কে চিনেনি।

শেরপুর শহর থেকে গজনী ত্রিশ কিলোমিটারের মত। আমরা স্কুল থেকে বাসে করে সকাল সকাল হাজির হলাম গজনী। যথারীতি আলাদা হয়ে গেলাম আমরা কয়েকজন। নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি যে প্রকৃতিগত অদম্য টান তা থেকেই যেন গজনী নেমে আমাদের আর কোন কাজ খুঁজে পেলাম না আমরা। গজনীতে পাহাড় আছে অনেক, দুই তিনটা পাহাড় পারি দিলেই আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য। হুশ জ্ঞান হারিয়ে বড় বড় পাহাড় ( তখন বড় মনে হয়েছিল এখন বুঝি ওই পাহাড় গুলা আসলে অত বড় না, বড় সাইজের টিলা বলা চলে সর্বোচ্চ!) পার হলাম। কিছুদূর যাওয়ার পর বুঝতে পারলাম শুধু আমরা না আমাদের স্কুল থেকে আসা অনেকে তো বটেই গজনীতে ঘুরতে আসা আরও অনেকেই ছুটছে ওই অভিন্ন লক্ষ্যে। এরপরেই আমাদের সীমান্ত জ্ঞান হল, রাইফেল জ্ঞান হল, আত্মা রাম কিভাবে খাঁচা ছাড়া হয় সেই জ্ঞানও হল অবধারিত ভাবে।

আমরা ধৃত হলাম আমাদের নিজেদের লোকদের কাছেই। দেশের মানুষ বলে একটুও খাতির করল না। বিজিবি বা তৎকালীন বিডিআর সদস্যরা কোথা থেকে যেন হাজির হল বুঝতেও পারলাম না। আমরা বন্ধুরা ছয় সাতজন সহ প্রায় পনেরো বিশজন কে ধরে এক সারিতে দাঁড়া করাল। সীমান্তের জোয়ানদের চেহারা বোধহয় দুই দেশেরই একই রকম হয়। তাই কাদের হাতে পড়ছি তাও ঠিক মত বুঝতে পারিনি প্রথমে। যখন বাংলা শুনলাম উনাদের মুখে তখন পানি আসল কলিজায়। (কিন্তু হায়, ভাষা এক হলেও যে ভিন্ন দেশি হওয়া যায় তাও তখন পুরোপুরি জানতাম না।) দোয়া পড়া শুরু হয়ে গেছিল আমাদের আগে থেকেই। একজন অফিসার ( অফিসার না হয়ে সিপাহী হলেও সমস্যা নাই, হতেই পারে!) একটা লাঠি হাতে এসে ঘোষণা দিল, যার যার যা যা দোয়া দরুদ জানা আছে তা যেন পড়া শুরু করে দাও! আজকে কাওকে জীবন নিয়ে ফিরতে দেওয়া হবে না! আমরা লাইনের যে মাথায় অন্য মাথা দিয়ে বাবা গো মা গো বলে চিৎকার শুরু হতেই আমরা কর্তব্য স্থির করে ফেললাম, - গুলি খেয়ে মরবো তবু লাঠির বাড়ি খাব না!! ঝেড়ে দৌড় শুরু করলাম আমরা। কিভাবে যে পাহাড় গুলো টপকাতে জীবন চলে যাচ্ছিল যাওয়ার সময় তা পার হলাম তা আর আজকে মনে নাই। শুধু মনে আছে ফিরে আসার পর হেডস্যার যারা যারা লাঠির বাড়ি খেয়ে এসেছিল তাদের কে আবার বেত নিয়ে মারতে গেছিল। শার্ট খুলে পীঠের দাগ দেখে বলেছিল, - চলব, আর লাগত না… আমরা সুবোধ ছেলের মত বসে ছিলাম, যেন সীমান্ত ভ্রমণ কি জিনিস জানিই না আমরা।

এরপর আবার যখন সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করি তা কলেজে উঠে। তখন ফাঁক ফোঁকর জানা হয়ে গেছে আমাদের। সতর্ক অবস্থায় বনের ভিতর দিয়ে অনায়াসে ঢুকে পড়া যায় নো ম্যান্স ল্যান্ডে। তখন পর্যন্ত নো ম্যান্স ল্যান্ডই আমাদের কাছে ভারত ছিল। ফিরে এসে বুক ফুলিয়ে বলতাম ভারত থেকে ঘুরে আসলাম আজকে!! শুধু আমরা বন্ধুরাই না, শেরপুরের যারাই একটু চড়ে খেতে জানে তারা সকলেই ওই পর্যন্ত গিয়ে ফিরে এসে ভারত ভ্রমণের গল্প করে গেছে।
এরপর আবার, আবার, বারবার, কতবার যে এমন করে পার হয়েছি তার কোন হদিস নেই। ঘুরতে ঘুরতে না বুঝে ভারতের কাঁটাতারের কাছ থেকে পালিয়ে এসেছি। খুঁজে পেয়েছি সহজ ভাবে, ঝুঁকি ছাড়া সীমান্ত পারি দেওয়ার রাস্তা ( সীমান্ত পার মানে ওই যে যা বললাম আগে তাই আর কি!।) ওই পর্যন্তই দৌড় আমাদের, এর বেশি এগুতে পারিনি আর। সীমান্ত পিলারে দাঁড়িয়ে দেখেছি ওই পারের গাড়ি চলাচল, মানুষজন। দেখতে আমাদের মতই, মুখের ভাষাও অবিকল আমাদের মতই কিন্তু ওরা ওরা, ওরা আমরা না, কী আশ্চর্য, তাই না?



https://i.postimg.cc/02nNd7n4/IMG-20161229-154538.jpg


https://i.postimg.cc/NfBMHd6T/IMG-20161229-154532.jpg




454 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Biplob Rahman

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

বিনা পাসপোর্টে ইন্ডিয়া যাইতে মঞ্চায়। 😁
Avatar: r2h

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

খুব ভালো লাগলো! এইপারের অভাজনদেরও অনুরূপ বাসনা থাকে; ছোটবেলায় আখাউড়া, বামুটিয়া, কমলাসাগর ঐসব অঞ্চলে বুঝিনা বুঝিনা করে বেড়ার ওপারের মাটি ছুঁয়ে আসার অ্যাডভেঞ্চার ছিল কতবার। ক'জনই বা এই বেড়া মানতে পেরেছে, এই না মানতে পারার সঙ্গে প্রত্যক্ষ অ্যাটাচমেন্ট না থেকেও, অন্যতর প্রজন্ম থেকে চারিয়ে গেছিলো হয়তো।

যাঁদের প্রত্যক্ষ সংযোগ কিছু না কিছু ছিল তাদের আবেগ তো বুঝিইনা। আমার বাবা খুবই নো ননসেন্স আবেগ বর্জিত হাব্ভাব রাখতো। হঠাত একবার দেখলাম খুব ট্র্যাভেল এজেন্টের সঙ্গে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশটা এইবার যেতেই হবে। কিন্তু সময় শেষ হয়ে গেল।
স্মৃতি হয়তো শৈশবের দু'চার বছরেরই ছিল।

তবে ভারত থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। আমার নিকটাত্মীয়রা ঘুরে এলেন বিনা প্রস্তুতিতে, একদিনের মধ্যে ভিসা হলো আগরতলা থেকে। ষাট বছর পর ফেলে আসা মাঠ ঘাট বাল্যবন্ধুর সঙ্গে দেখা। সেসব গল্প শুনে কষ্ট হয়।

বিপ্লবদার লেখা থেকে একটু ডাইগ্রেস করলাম - ফেলে আসা ইত্যাদি প্রসঙ্গ না আসাই ভালো আজকাল যা চলছে। সেইসব নিরপেক্ষভাবেই, এই বেড়া যদি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেত কোনদিন।
Avatar: r2h

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

সরি সরি ছড়িয়ে লাট করছি, বিপ্লবদা নয়, সাদেকুজ্জামান।
Avatar: S

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

বাংলাদেশ যেতে হলে কি কি করতে হবে একটু জানাবেন? দুইজন মানুষের কত খরচ হবে? কোলকাতায় ভিসা কোত্থেকে করবো?
Avatar: Biplob Rahman

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

r2h
সত্যিই একদিন সীমান্ত বলে কিছু থাকবে না, দুই বাংলা এক হবে, এটি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি।

S
এপারের মতোই ওপারে অনলাইন ভিসা এপ্লিকেশন করা যায় শুনেছি, ভিসা সেন্টার কোথায় কোথায় আছে, তা অনলাইনেই পাওয়ার কথা। হয়তো আরো কেউ ভালো বলতে পারবেন।

বাংলাদেশ ভ্রমণের খরচ নির্ভর করছে ট্যুর প্লানের ওপর। সরাসরি বাস বা ট্রেনে এলে খরচ কম। শুধু ঢাকা বা এর আশেপাশে বেড়ানোর জন্য জন্য জনপ্রতি ৪০০ ডলারের বেশি লাগার কথা নয়। জামদানি শাড়ি ইত্যাদি কেনাকাটা যোগ করলে খরচ আরো বাড়বে।

সবচে ভাল হয়, বিভিন্ন ট্যুর অপারেটিং কোম্পানির সাথে ট্যাগ হলে। ভ্রমণের সব দায় তারাই বহন করবে, খরচ বাজেটের মধ্যে থাকবে। ভিসা পেতেও তারা সাহায্য করে। দেশে আসার নিমন্ত্রণ। 🌹
Avatar: শঙ্খ

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

মাসনখানেক আগে ঘোজাডাঙ্গা বর্ডারে ঘুরতে গিয়েছিলাম। আমাদের এক রিলেটিভ ওখানে ইমিগ্রেশন টিমে কাজ করেন। তাঁর বড় বাবুর সুবাদে বিনা ভিসা পাসপোর্টে আমরা বর্ডার পেরিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে একটু ঘুরে এলুম। মিনিট দশেক মত। দুপাশেই কার্বাইন সজ্জিত প্রহরীরা আছেন, ঘোরাঘুরি করছেন। আমাদের খুবই খাতির করলেন। কেউ কাউকে চেনে না, তবুও আমাদের কয়েক প্যাকেট বাংলাদেশি চিপসের প্যাকেট দিলেন। এখনো ভাবলে মনটা খুব ভরে ওঠে।
Avatar: সিকি

Re: অভাজনের ভারত ভ্রমণ

মেঘালয়ের দক্ষিণে ডাউকি নদীর কাছে তামাবিল বর্ডারে একটুখানি বাংলাদেশে পা রেখে আসা যায়। বাংলাদেশীরাও একটুখানি ভারতে এসে পা রাখতে পারে। ডাউকি নদীর চরে বাংলাদেশের বিক্রেতারা এসে দিনের বেলায় ছোলাভাজা বাদাম্ভাজা ইত্যাদি বেচে বলে ছবি দেখেছি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন