Sumon Ganguly Bhattacharyya RSS feed

Sumon Ganguly Bhattacharyyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়
    অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় ...
  • জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ
    জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)
    মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)--------...
  • শেষ অস্ত্র
    ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে ...
  • জার্ণাল ২০১৯ - ২
    জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়। আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল। http://www.guruchand...
  • শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস
    "যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই ...
  • অভাজনের ভারত ভ্রমণ
    ছোটবেলায় একবার আমার প্রায় ভারত ভ্রমণ হয়েই গিয়েছিল। আমার ছোটবেলা বলতে ১৯৯৭ সালের কথা। ক্লাস সিক্সে পড়ি। স্কুল থেকে পিকনিকের আয়োজন করা হল। আমাদের শেরপুরের গজনীতে যাওয়া হবে। গজনীর পাস দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরেখা। একটু বেখেয়ালে একটু বেশি হাঁটলে নিজের অজান্তেই ...
  • শ্রীপঞ্চমী
    তখন চন্দ্র সূর্য উঠত, দু'শো ছয় সারা কলকাতা ঘুরে করুণাময়ী পৌঁছত। অনেকটা যেন, সারা দিন সারা রাত মিউজিকাল চেয়ার খেলার মতো — কে তোমাকে স্কুলে নিয়ে যেতে পারে, কে আবার ফেরাবে বিকেলে, যখন রোদ্দুরের তাত কিছুটা উতপ্ত হয় তোমার কপালে হাত রেখে। যে তোমাকে পেত, সেই ...
  • বাস্তুহারা
    ।। ০।। সেদিন সদর শহরের কাছের ক্যান্টনমেন্টে এক ছোকরা অফিসার ছুটতে ছুটতে এসে তার লাঞ্চরত সুপারভাইজারকে খবর দিল, স্যার আকাশে একটা ইউ এফ ও র মত কি দেখা যাচ্ছে। স্যর যখন ন্যাপকিনটি নামিয়ে, সেটি প্লেটের পাশে গুছিয়ে রেখে হাত মুখ ধুয়ে ধীরে সুস্থে এসে টেলিস্কোপে ...
  • হৃদয়হীন
    টনটনে একটা ব্যথায় ঘুম ভেঙে গেলো নাটার। গত পরশু রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে পেটো বাঁধতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল আর তর্জনী উড়ে গ্যাছে। বছর দশেক বয়স থেকে পেটের ধান্ধায় হাত সাফাই, পকেটমারি, পেটো বাঁধা চালাচ্ছে। এই তেরো বছর বয়েসে প্রথম বিপদ। শালা বেশি টাইট করে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

চলো এগিয়ে চলি

Sumon Ganguly Bhattacharyya

#চলো এগিয়ে চলি
#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য
মন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,
নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদের
বোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা
তাঁদের জীবন টা একটু অন্যরকম ভাবে সাজাতে হবে ,যেদিন থেকে বুঝবেন আপনি
একজন spl বাচ্চার মা।
আমাদের অনুভূতি বোধকরি প্রথম থেকেই কন্ট্রোল করা ভালো।ধরুন আপনি এবং আপনার স্বামী দুজনেই বাচ্চার অটিজম মেনে
নিয়েছেন, ভালো বোঝাপড়া।কিন্তু দিনের শেষে দুজনে বসে "আর কি এই ভাবেই চলি",,,
"আমাদের কি হবে গো ,তুমি চোখ বুঝলে",,,,
এটা একটু বন্ধ করা যায় কিনা ভেবে দেখুন।
রোশনারা কাল আমাকে বলছিলেন ,তাঁদের স্বামী স্ত্রী তে কোথায় যেনচাপা অভিমান "আমি কত কাজ করছি, বাচ্চারপিছনে ব্যর্থ শ্রম দিচ্ছি দ্যাখো",,,, এই
অবস্থানের কারণে দুজনে কেউ মানসিক ভাবে
সুস্থ থাকছে না।এখন কথা হচ্ছে ,আমরা যাই
করিনা কেন সে NT বাচ্চা হোক বা স্পেশাল
আমাদের কাজ টা করতেই হবে।হ্যাঁ এটা বলতে পারেন NT বাচ্চাদের মা, বাচ্চা সফল হলে "মায়া প্রকাশনী" র বিজ্ঞাপনের মুখ হতে পারেন।লোকে ধন্য ধন্য করবে এই টুকুই।
দু দিন পর সেই বাচ্চা সফল হয়েতাঁকে ভুলে নিজের কাজ করবে,মানুষ জন ও ভুলে যাবে।সুতরাং আমরা ওই ব্যাপার টি বাদ দিয়েভাবি।
বাচ্চার বাবা মা এর মধ্যে চাপান উতর ,কে প্রকৃত দায়ী এই ভাবনা যেমন সমস্যা ,দীর্ঘস্থায়ী দীর্ঘ নিঃশ্বাসও বর্জন করুন কোনোটাই স্বাস্থ্যকর নয়।সবার যুদ্ধ হয় তো সমান কঠিন নয়,কিন্তু যুদ্ধ সবাই করছি। বাচ্চার ,মা বাবা পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়ানো বোধকরি সঠিক পথ।সাধ্যমত দুজনে দুজনার বন্ধু হয়ে উঠুন।সমস্ত রকম সফল সম্পর্ক বন্ধুত্বের উপর দাঁড়িয়ে এ কথা অনস্বীকার্য।
ভবিষ্যৎ এর একটা পরিকল্পনা করবো এবং নিজেরা ভালো থাকবো এ ভাবে বোধকরি ভাবলে ভালো।
আমি একজন স্পেশাল মম।
শ্রীমান বিনায়করুকু আমার পুত্র। রুকু কে ছোট থেকে উৎসাহ জোগাই ঠিক , কিন্তু আমি আর তার পাপা কখনো বলিনা" তোমাকে আরো ভালো করতে হবে"।আমাদের মনে হয় রুকু যা করে সেটাই মন দিয়ে করে।আবার যেটা করবে সেটাও মন দিয়ে করবে।"আরো ভালো"বলে চাপ বাড়িয়ে দরকার নেই।
আমরা শুধু প্রতি মুহূর্তে বোঝাই আমরা আছি।
সামনেই পুজো।এই সময় পুরো দুনিয়া আনন্দে ভাসবে।আমাদের অটিজম স্পেকট্রাম এ থাকা বাচ্চারা ভুগতে পারে রুটিন ব্রেক এর একটাঅনিশ্চয়তা। তাই আমার মনে হয় যেকোন বড় উৎসব পুজো,ঈদ,ইত্যাদির পর বাচ্চারা একটু অসুবিধে করতেই পারে।এবং আগে থেকে তার জন্য তৈরি হওয়া।
আমরা রুকু কে পুজোর কয়েকদিন আগে থেকেই বলে রাখতাম পুজো তে কি কি অসুবিধে হতে পারে।আমাদের এখানে প্রথমে দুর্গা পুজো তারপর থাকে জাঁকজমক করে জগদ্ধাত্রী পুজো।দুটো পুজো মানে লম্বা সময়
মাঠে প্যান্ডেল ,রাস্তায় ভিড়,মাইকের আওয়াজ,রাস্তার ধারে অসংখ্য এগরোলের দোকানে অনবরত খুন্তি ঠুকে আওয়াজ,বেলুন ফাটার শব্দ, মানুষের কোলাহল,তীব্র হর্ন, অটোমেটিক লাইট এর ঝিকি মিকি ,বিসর্জনের চিৎকার, প্রসেশন,অসাবধান হলেই পা মাড়িয়ে চলে যেতে পারে ব্যস্ত মানুষজন ,'সরি' বলতে শেখানো কারণ রুকুও কাউকে মাড়িয়ে দিতেই পারে। ,,,,,,
ইত্যাদি সম্পর্কে আগে থেকে ছবি দেখিয়ে রাখতাম।চাটু তে খুন্তির আওয়াজ শোনাতাম,প্রথম বিরক্ত হোত কান চেপে থাকতো।আসতে আসতে অভ্যেস হয়ে যায়।
ছোটবেলা তে পুজোতে বেড়াতে যাওয়ার আগে একটা ছোট পরিচয় পত্র গলায় ঝুলিয়ে দিতাম।বিশেষ করে বড় পুজো মণ্ডপে গেলে।পা ঢাকা জুতোএইসময় অবশ্যই।আজও নুন চিনির জল
ব্যান্ডএড,একটা এন্টিসেপটিক মলম থাকেই রুকুর পিঠে ব্যাগে। ব্যাগের মধ্যে পরিচয় পত্র থাকে।আর একটা সুতির বড় রুমাল।
ভিড় সাধারণত এড়িয়ে চলি আমি।আমার নিজের খুব কষ্ট হয়।তাও মানুষের হঠাৎ ভিড় হলে নিজে শান্ত থাকার চেষ্টা করি।রুকুর একটা সুবিধে ও খুব লম্বা তাই ভিড় ম্যানেজ করতে পারে এখন।এবং ওকে বলা আছে সামনে এগিয়ে ফাঁকা জায়গায় দাঁড়াবে।আমরা খুঁজে নেবো।ভরসা রেখো।
সবাই আনন্দ করুন।
এক নীল সমুদ্র ভালোবাসা।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10214880708883005&id=15857
35784


957 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: b

Re: চলো এগিয়ে চলি

এই সিরিজটা খুব মন দিয়ে পড়ছি। লাইন/প্যারাগ্রাফ ব্রেকগুলো একটু ঠিক্ঠাক হলে ভালো লাগবে।

রুকু ও আপনাদের শুভেচ্ছা জানাই।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: চলো এগিয়ে চলি

সাদা পোলো শার্টের ছবিটি কী শ্রীমান বিনায়করুকুর আঁকা? লম্বা একটি লবির ভেতর দিয়ে একা একজন হেঁটে যাচ্ছে।... খুব বিষন্নতা ছবি জুড়ে।

ব্রেভো স্পেশাল মাম। 🌷
Avatar: de

Re: চলো এগিয়ে চলি

রুকুকে অনেক অনেক ভালোবাসা -

খুব ভালো লাগলো লেখা!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন