Bishan Basu RSS feed

Bishan Basuএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সাধু কালাচাঁদ, ট‍্যাঁপা-মদনা, পটলা ও রুনু
    'ভালো লাগছে না রে তোপসে' বা 'ডিলাগ্রান্ডি' বললে বাঙালি মননে এক ধরনের রিফ্লেক্স অ্যাকশন কাজ করে যেন। ফেলুদা/তোপসে, টেনিদা, ঘনাদা ইত্যাকার নামগুলি বাঙালির আড্ডার স্বাভাবিক উপাদান। এই অনুষঙ্গগুলি দিয়ে বাঙালি তার হিউমারের অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়, কিছুটা আক্রান্ত হয় ...
  • যম-দুয়ারে পড়ল কাঁটা
    অন্য লোকের স্বপ্নে আসে ভগবান, সিনেমা স্টার, ছেলেবেলার বন্ধু নিদেন ইশকুল-কলেজের কড়া মাস্টারমশাই। কবি হলে প্রেমিকা-টেমিকা, একেবারে কবিতাশুদ্ধু। " বাসস্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ ..." ইত্যাদি। আর আমার স্বপ্নে আসেন যমরাজ। যমরাজ মানে ...
  • আমার বাড়ির বিজয় দিবস...
    মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি প্রভাব আমার পরিবারের ওপরে পড়েনি। বলা যেতে পারে আশপাশ দিয়ে চলে গেছে বিপদ আপদ। কিন্তু আশপাশ দিয়ে যেতে যেতেও একদিন যমদূতের মত বাড়িতে হাজির হয়েছিল পাকিস্তানী সৈন্যরা। আমার বাবা ছিল তৎকালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বিমান সেনা। যুদ্ধের সময় ...
  • রান্নাঘর ও রাজ্যপাট
    কিছুদিন যাবৎ চেষ্টা করছিলাম লিঙ্গভিত্তিক শ্রমবন্টনের চিত্রটা বুঝতে।যত পুরোনো হচ্ছি কাজের বাজারে তত দেখছি ওপরের দিকে মহিলাদের সংখ্যা কমতে থাকছে। কর্পোরেট সেক্টরে প্রায়শই সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয় অনেক মেয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও মাঝপথে ছেড়ে যাচ্ছেন বা কোনো রকমে ...
  • শকওয়েভ
    “এই কি তবে মানুষ? দ্যাখো, পরমাণু বোমা কেমন বদলে দিয়েছে ওকে সব পুরুষ ও মহিলা একই আকারে এখন গায়ের মাংস ফেঁপে উঠেছে ভয়াল ক্ষত-বিক্ষত, পুড়ে যাওয়া কালো মুখের ফুলে ওঠা ঠোঁট দিয়ে ঝরে পরা স্বর ফিসফাস করে ওঠে যেন -আমাকে দয়া করে সাহায্য কর! এই, এই তো এক মানুষ এই ...
  • ফেকু পাঁড়ের দুঃখনামা
    নমন মিত্রোঁ – অনেকদিন পর আবার আপনাদের কাছে ফিরে এলাম। আসলে আপনারা তো জানেন যে আমাকে দেশের কাজে বেশীরভাগ সময়েই দেশের বাইরে থাকতে হয় – তাছাড়া আসামের বাঙালি এই ইয়ে মানে থুড়ি – বিদেশী অবৈধ ডি-ভোটার খেদানো, সাত মাসের কাশ্মিরী বাচ্চাগুলোর চোখে পেলেট ঠোসা – কত ...
  • একটি পুরুষের পুরুষ হয়ে ওঠার গল্প
    পুরুষ আর পুরুষতন্ত্র আমরা হামেশাই গুলিয়ে ফেলি । নারীবাদী আন্দোলন পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে, ব্যক্তি পুরুষের বিরুদ্ধে নয় । অনেক পুরুষ আছে যারা নারীবাদ বলতে বোঝেন পুরুষের বিরুদ্ধাচরণ । অনেক নারী আছেন যারা নারীবাদের দোহাই পেড়ে ব্যক্তিপুরুষকে আক্রমন করে বসেন । ...
  • বসন্তকাল
    (ছোটদের জন্য, বড়রাও পড়তে পারেন) 'Nay!' answered the child; 'but these are the wounds of Love' একটা দানো, হিংসুটে খুব, স্বার্থপরও:তার বাগানের তিন সীমানায় ক'রলো জড়ো,ইঁট, বালি, আর, গাঁথলো পাঁচিল,ঢাকলো আকাশ,সেই থেকে তার বাগান থেকে উধাও সবুজ, সবটুকু নীল।রঙ ...
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৫)
    (সতর্কীকরণঃ এই পর্বে দুর্ভিক্ষের বীভৎসতার গ্রাফিক বিবরণ রয়েছে।)----------১৯৪...
  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
    ১৩ ডিসেম্বর শহিদুল্লাহ কায়সার সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করে বাড়ি থেকে সরে পড়া উচিত। সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান নবিকভ শহিদুল্লাহ কায়সারের খুব ভাল বন্ধু ছিলেন।তিনি সোভিয়েত দূতাবাসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। আল বদর রাজাকাররা যে গুপ্তহত্যা শুরু করে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

Bishan Basu

কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগাল হলো শেষে!!

বিষাণ বসু


রায় বেরোনোর পর থেকেই, বেজায় খিল্লি।

বস, আর চাপ নেই। সুপ্রীম কোর্ট ব্যভিচারকে আইনী করে দিয়েছে।

আরেক মহল, জ্যেঠামশাইয়েরা, বলছেন, দেশের কী হাল। একশো তিরিশ কোটি মানুষের সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিলো কয়েকটা দায়িত্বজ্ঞানহীন বিচারপতি।

বলি, এর পরেও সমাজ সংসার বলে কিছু আর বাকি থাকবে, নাকি?

সত্যিই, দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলাম। ভাবলাম, হাতে গরম একটা পোস্ট করেই বসি।

তারপর, মনে হলো, পুরোনো বদভ্যেসটা বাদ দিয়ে, বিষয়টা একটু তলিয়ে দেখি। কানে হাত দিয়ে চিলের পেছনে দৌড়ানোটা, সোশ্যাল মিডিয়ার ভার্চুয়াল জগতে দুকদম এগিয়ে রাখতে পারে, কিন্তু, মাঝেমধ্যে বিচারবুদ্ধিকে প্রশ্রয় দিলে একটু স্বাদবদল হয় বই কি!!

বেশী নয়, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে, সুপ্রীম কোর্টের পাঁচজন বিচারপতি মিলে একখানা রায় দিলেন। দন্ডবিধির ৪৯৭ নম্বর ধারাটিকে একেবারে বাতিল করে বসলেন।

আমি জানি, এবং মানি-ও, যে, আমি দিগগজ মহাপন্ডিত। কিন্তু, সুপ্রীম কোর্টের মাথায় যে আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় কিছু নির্বোধ, কান্ডজ্ঞানহীন মানুষকে পোষা হচ্ছে না, এই ব্যাপারটি বিষয়েও তো নিশ্চিত হওয়া দরকার, তাই না?

সোশ্যাল মিডিয়ার গণতন্ত্রের মূল কথাটি ভারী চিত্তাকর্ষক। প্রথমেই ধরে নিতে হবে, আপনার বিরুদ্ধ পক্ষের লোকগুলো এবসোলুটলি নির্বোধ।

এই অবস্থায়, বিচারব্যবস্থার পক্ষে সুর ভাঁজলে, সিস্টেমের দালাল হিসেবে গণ্য হওয়ারও রিস্ক থেকে যায়।

তবু……

তা, দন্ডবিধির ৪৯৭ ধারাটি দেখে, একেবারে মন ভয়ে গ্যালো।

আঃ, কেয়াবাত!!!

এই না হলে আইন!!!!!

“Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished……”

দেখুন, মানে, পুরুষ হওয়ার গুরুদায়িত্বটি দেখুন।

একজন মেয়েমানুষকে মনে ধরলে, চেক করুন তিনি অন্যের বউ কিনা।

তারপর, সেই ভদ্রলোকের সাথে যোগাযোগ করুন। পারমিশন নিন, ইয়ে, মানে, আপনার বউয়ের সাথে শোয়া যাবে এক রাত্তির?

লাস্টে, মহিলার পারমিশনও নিন।

দেখেছেন, পুরো ব্যাপারটাই কী সুন্দর দায়বদ্ধতার সাথে, আমাদের, মানে ছেলেদের কন্ট্রোলে থাকছে!!!

মানে, প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা, যদি নিজের ইচ্ছেতেও অন্যের সাথে মিলিত হন, স্বামীর পারমিশন মাস্ট।

অবশ্য, সেইটাই লজিক্যাল। কেননা, এ তো সবাই জানে, বিয়ে করা বৌ তো বরের প্রপার্টি।

আর, হ্যাঁ, এর ঠিক কমপ্লিমেন্টারি ধারা কিন্তু মহিলাদের জন্যে নেই। অর্থাৎ, এই ধারা অনুসারে, কোনো মহিলার স্বামী যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হন, তাহলেও, সেই মহিলা, তিনি কিন্তু স্বামীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারছেন না।

তা, এই পুরুষতান্ত্রিক ধারণায়, একখানা বড়সড় ঝাঁকুনি দিয়ে বসলেন মহামান্য সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, প্রথমেই, বলে বসলেন, “Any provision treating woman with inequality is not Constitutional”

মরি, এ কী কথা রাজাধিরাজ!! যুগ যুগ ধরে চলে আসা সনাতন সংস্কৃতিতে এমন আঘাত!!!

বিচারপতি চন্দ্রচূড় তো আরো এক কাঠি এগিয়ে গেলেন। দ্বিধাহীন ভাষায় বললেন, দন্ডবিধির ৪৯৭ ধারার মধ্যে অন্তর্নিহিত, মেয়েদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ভাবার প্রবণতা। এই ধারার মূলসুর, মেয়েদের সেক্সুয়্যালিটি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা, এবং এই ধারা নারী স্বাধীনতা ও সম্মানের পরিপন্থী।

বিচারপতি মালহোত্রা বললেন, ব্যভিচারের জন্যে সিভিল ল’স্যুট তো রয়েছেই। ক্রিমিনাল ল’স্যুটের সুযোগ রাখার অর্থ কী!!

অতএব, আজ থেকে, আর ব্যভিচারের বিচার ফৌজদারি আদালতে, দন্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে, হবে না। যে ধারা অনুসারে, বিবাহিত মহিলা স্বামী ছাড়া অন্য পুরুষের সাথে মিলিত হতেই পারেন, স্বামীর সম্মতি পেলে। আর, ব্যভিচারের শাস্তি পাবেন, পুরুষটিই। আর, যে ধারায়, মহিলা কখনোই স্বামীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মোকদ্দমা করতে পারবেন না।

এমন চমৎকার পুরুষপন্থী ধারাটি বাতিল হয়ে গিয়েছে। আসুন, খিল্লি হাহুতাশের সাথে সাথে, একটু নীরবতাও পালন করি।

পুনঃ - ব্যভিচার কিন্তু আইনী হয়ে যায় নি। সিভিল কোর্টে মামলা হতেই পারবে, যেমনটি হতো আগেও।

ভেঙে পড়বেন না, কেননা সমাজ, শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে, এ যাত্রা রসাতলে যেতে পারছে না।

অকারণ উল্লসিতও হবেন না। ফৌজদারি মামলা না হলেও, ব্যভিচারে জেলহাজত হতে পারে। ছেলেদের। মেয়েদের-ও।



2747 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 30 -- 49
Avatar: Du

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

রেপ ভিক্টিমকে নিয়েও চিন্তার কিছু নেই। আগে বরং পতি অনুমতি ছিল বয়ান দিয়ে কেস গুবলেট করতে পারতো স্ত্রীর অনুমতির প্রশ্নই উঠতো না। এখন ভিকটিম নিজের অনুমতি নিয়ে ফাঈট দিতে পারবে।
Avatar: sm

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

এরকম কিছু শুনি নি, কোনদিন। যেখানে ভিকটিম কে কিছু বলতে দেওয়া হয় নি কোর্টে।
--
যাই হোক ইন্ডিয়া কানুন এ এরকম সহস্র কেস এর উদাহরণ আছে।
অভি, চাইলে দেখতে পারেন।
Avatar: অভি

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

ওক্কে।
Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

মানে , একজন রেপিস্ট তার রেপ কেস কে সিভিল কোর্টে টানার চেষ্টা করবে এদাল্টারী দেখিয়ে ? এই নিয়ে মাথাব্যথা ?? তো এখন ও তো রেপ কেস এ , যেখানে নিয়ার রিলেশন বা কলীগ তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে প্রমান করতে যে এটা রেপ নয় ,তাদের রিলেশন ছিল ইত্যাদি । তাতে কী ? যেভাবে এই হার্ডল গুলো পেরনো হয় সেভাবেই পরকীয়া ছিলনা সেটাও প্রুভ হবে । বা ইভেন পরকীয়া থাকলেও রেপ তো হতেই পারে ।
Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

ইন্ডিয়ান জুডিশিয়াল প্র্যাকটিস এ "রিলেশন থাকা " মানে অলিখিত রেপ এর সার্টিফিকেট এরকম একটা ধারণা চালু । আদতে যদি আইন লাইন বাই লাইন ফলো করা হয় তাহলে , আমি আমার স্পাউস কে আড়াল করে দশ দিন নলবনে তোমার হাত ধরে ঘুরলেও , কনসেন্ট ছাড়া সেক্স করলে সেটা রেপ । এটা বাই প্র্যাকটিস প্রতিষ্ঠিত নয় , তাই বলে সেই ছাগুলে চিন্তাভাবনা চিরকাল বয়ে বেড়াতে হবে কেন ? এই ৪৯৭ স্টেপ ফুল প্রুফ নয় , সেটা এর দুর্বলতা নয় , বরং ওটাই শক্তি । একটা জায়গায় টান পড়লে এবার নতুন নতুন কম্প্লেক্সিটি আসবে , সমাধান আসবে ।
Avatar: 8)

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

একক অন্যের পোস্ট মনোযোগ দিয়ে না পড়লে আর ইহার দুর্বলতাই ইহার শক্তি গোছের কবিতা লেখার বাইরে না বেরোলে এনগেজ করা মুশকিল। রেপ
ভিকটিমের কনসেন্ট ছিল এটা বাই ম্যালিসিয়াস মিনস এসট্যাবলিশ করে ফেলার পরের সিচুয়েশন নিয়ে কথা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে একমাত্র যুক্তি হল, অবিবাহিতা বা বিধবাদের ক্ষেত্রে যদি এই বাড়তি আইনি সুবিধেটুকু না থাকে, বিবাহিতাদের কেন থাকবে, নাও খুলে। সুযুক্তিই বটে। আইন সবার ক্ষেত্রে সমান। পরকীয়ারত মহিলার শাস্তি না হলে পুরুষের কেন হবে। এটাই বেসিক প্রেমাইস। সম্পত্তি ভাবা ইত্যাদি সুগার কোটিং। বাসে ছেলেদের আলাদা সীট, ট্রেনে আলাদা কামরা না থাকলে মেয়েদের কেন থাকবে। এর থেকে আলাদা কিছু চিন্তা নয়। বাসে পুরুষদেরও কোনো কনসেন্ট দেওয়ার এজেন্সি নেই যে পাশে মহিলা বসবে কী বসবে না। এর উত্তরে মহিলাদের যে যে একস্ট্রা সমস্যার কথা উঠে আসবে সেই ধরণের কনসিডারেশন ৪৯৭ তুলে দেওয়ার সময় করা হয়নি। মূল কারণ, ক্রিমিনাল কোর্টের অসংখ্য রেপ কেস যেখানে স্বামীর সাথে স্ত্রীর বনিবনা ছিলনা বলে স্ত্রী স্বেচ্ছায় অন্য পুরুষের সাথে শুয়েছিল প্রমাণের জন্য শ্বশুর শাশুড়ি মা ভাই বোন আর গাদা পারিবারিক কাসুন্দি ক্যাচালে ক্রিমিনাল কোর্টকে ব্যতিবস্ত রাখা হয়, যা মূলত সিভিল কোর্টের হ্যান্ডেল করার কথা। এরপরের দুতিন বছরের পরিসংখ্যানে দেখবেন কি ঝটিতি দেশের ঝুলে থাকা রেপ কেসের সংখ্যা কমে যায়। ফাস্ট ট্রাক কোর্টের পারফর্মেন্সে কত দ্রুত তা নিয়ার জিরো ফিগারের দিকে যায়। দেশের সরকার একে আইন ব্যবস্থার উন্নতি এবং তিন তালাক রদের সাথে ৪৯৭ মডিফিকেশনকেও কেমন উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট এর স্টেপ হিসেবে পোট্রে করে।
Avatar: Amit

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

সব ভালো ভালো ভবিষ্যৎবাণী জানা গেলো কি হইলে কি হতে পারে ইত্যাদি । তাহলে কি ২-৩ বছর পরে ডাটা কালেক্ট করে আবার বসা হচ্ছে ?
Avatar: Ekak

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

কমপ্লিটলি ডাম্ব লজিক পুওর এসাম্পসন এর ওপর বেস করে । কয়েক বছর পর ডেটা আসবে এবং সেটার ওপর বেস করে আবার ফাইন টিউনিং হবে ।লিগ্যাল মডেল পাল্টাতে গেলে কোনোদিন কোন ফুলপ্রুফ চেঞ্জ করা সম্ভব না , একটা পাল্টালে দশটা মিসিউস এর রাস্তা খুলবে , তখন সেগুলো ও পাল্টাতে হবে । এটা বুঝতে কবিতা লেখার এডভান্স ক্ষমতা লাগে না । খুবই বেসিক সেন্স এর ব্যাপার । নিজের মাথা থেকে একটা লেডিজ সীট মার্কা থিওরি আমদানি হয়েছে বলে অন্যকে সেটা কিনতেই হবে এরকম ছেলেমানুষি এক্সপেক্টেশন রেখে সত্যি এনগেজ করা সম্ভব না :)) কাটিয়ে দিলুম ।
Avatar: sm

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

এই তো বাহ , ৪৯৭ উঠে গিয়ে কেমন পালে পালে খুন হচ্ছে :)) এর আগে এই কেস গুলোতে ৪৯৭ এপ্লাই করে ধরা যেত । সেই করেই তো পরকীয়া সংক্রান্ত কেসে খুনের প্রচুর নজির রেগুলার থাকা সত্বেও ৪৯৭ এ কেসের নজির অতি অতি কম । তারপরেও , ঘোড়া জখন ডেকেছে নিশ্চই শের শাহের দোষ !!
Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

যাঁরা ৪৯৭ উঠে যাওয়ার পর সম্ভাব্য সমস্যার কারনে সেটাকে লাগু করে রেখে দেওয়ার পক্ষপাতি , তাঁরা একটু এবডাকসন অফ উইমেন ল্য নিয়ে কী মনে করেন জানাবেন । এটা আরেকটা কালা নিয়ম । গোবলয়ের খুব প্রিয় আইন । আলদা জাতে বা বাড়ির অমতে বিয়ে করলেই লোকজন গিয়ে কেস ঠুকে দেয় তারপর বিশাল নাকানি চোবানি । এটাও একই দৃষ্টিভঙ্গি , পুরুষের এবডাকশন হয়না , মহিলাদের হয় কারন সেত পরিবারের সম্পত্তি । এর মধ্যে পার্ট এ , অর্থাত মাইনর গার্ল কে প্রটেক্ট করার পার্ট টা যুক্তিযুক্ত । কিন্তু কার্যক্ষেত্রে , এটা হয়ে দাড়িয়েছে গোবলয়ের কাস্ট পলিটিক্স এর হাতিয়ার । জেন্ডার অপ্রেশনের হাতিয়ার ।

তো এই আইন কি তুলে দেওয়া উচিত নয় শুধু মাইনর পার্ট টা বাদদিয়ে ?
Avatar: sm

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

হ্যাঁ, এটা তুলে দেওয়া উচিত। নন মাইনর দের ক্ষেত্রে সম্ভ্রম হানি হয়েছে বলে বা দামী জিনিষ চুরি করা করেছে বলে,এফ আই আর করা হয়ে থাকে।
কেস ঠোকা যায় না, বাড়ির অমতে বিয়ে করেছে বলে; এইগ্রাউন্ডে।
কোন কোর্ট ই এটা এন্টারটেইন করবে না।
দুজন অবিবাহিত,প্রাপ্ত বয়স্কো মানুষ স্ব ইছেয় পালাতেও পারে বিয়েও করতে পারে।

আর আগের লিংটার, ঘটনা কয়েক দিন আগে ঘটেছে।তখন ও সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরোয় নি।))
Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

আরে জনতা এখন পরকীয়া দেখলেই ৪৯৭ এ বিল কেটে দিচ্চে :)) তাই বল্লুম । সেরকম কানেকশন ড্র না করলে নো প্রবলেম ।
Avatar: দ

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

রিকভারি অব অ্যাবডাকশান উইমেন ১৯৫৭ না ৫৯ এ উঠিয়ে দিয়েছে না? এইটা তো পার্টিশানের পর পর তৈরী করেছিল ১৯৪৭ এর মার্চ থেকে ডিসেম্বর এর মধ্যে অন্য ধর্মে বা জাতে যাদেরই এমনকি স্বেচ্ছায়ও বিয়ে হয়েছিল তাদেরই খুঁজে বের করে বাপের কাছে বা জীবিত আত্মীয়ের কাছে ফেরানোর নিয়ম ছিল।

এটার কোন অন্য ভার্সান তার মানে চালু আছে এখনও?
Avatar: দ

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

*রিকভারি অব অ্যাবডাকটেড উইম্যান
Avatar: একক

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

উঠে গ্যাছে বলে তো জানিনা । সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে মিয়ার এবডাকসন ৩৬৬ এর আন্ডারে আসবে না । কিন্তু তাতে হ্যারাসমেন্ট কিস্যু কমেনি ।
Avatar: অভি

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

তামিলনাড়ুতে এক ভদ্রমহিলা আত্মহত্যা করেছেন দেখছি। যা খবর সেটা যদি ঠিকঠাক হয় তাহলে যেসব নিউজপোর্টাল বা জনতা পরকীয়া বৈধ হলো বা আর অপরাধ রইলো না এইসব বলে চিলচিৎকার জুড়লেন এ কদিন, তাঁদেরও দায় রইলো।
Avatar: sm

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

কি হয়েছে বিশদে লিখুন তো। জনতা বা মিডিয়া কিভাবে দায়ী হলো, সেটা ও জানতে ইচ্ছুক।
Avatar: Test

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

টেস্ট।
Avatar: debu

Re: কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে

৪৯৭ আইন টা মনে হোয় কোরান থেকে নেআ হয়েছে।
এই সব বালের আইন , বাবর এর আমলে র।
বিশান ভাই ডাক্তার দেখান তাড়াতাড়ি

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 30 -- 49


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন