Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মাতৃভাষা দিবস
    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু মাত্র বাংলার জন্য না। যেহেতু এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে তাই বিশ্বের সকল নাগরিকের যার যার নিজের মাতৃভাষা দিবস আজকে। আমরা রক্তের বিনিময়ে এই দিন পেয়েছে কারন আমাদের কপাল খারাপ ছিল। অদ্ভুত মাথা মোটা এ জাতির সাথে ইতিহাসের ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)
    থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮) --------------------...
  • রাষ্ট্রের ম্যাজিকথলি
    রাষ্ট্র একটি কল্পিত ব্যবস্থা। রাষ্ট্র বলে আসলে কিছু হয় না। আমরা ভেবে নিয়েছি এবং বিশ্বাস করছি তাই রাষ্ট্র আছে। আমার সামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা রয়েছে রাষ্ট্রের থেকে তা অনেক বেশি সত্যি। এই স্ক্রীনটাকে আমি ছুঁয়ে দেখতে পারি, রাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখতে পারি ...
  • অ্যান্টনির বেহালা
    তখন আমি এফডি ব্লকে মুস্তাফির নেটে খেলতে যাই। আমার নিজের কোন ব্যাট ছিল না। ইংলিশ উইলো আর কোত্থেকে পাব! বাবা কাশ্মীরে কাজে গেছিল। একটা কাশ্মীর উইলোর ব্যাট এনে দিয়েছিল। সে ব্যাটে খেলা হয়নি। আসলে ব্যাটটা একেবারে কাঁচা, কারখানা থেকে কেনা। দেশের সব ভাল ব্যাট ...
  • সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়
    অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় ...
  • জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ
    জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)
    মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)--------...
  • শেষ অস্ত্র
    ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে ...
  • জার্ণাল ২০১৯ - ২
    জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়। আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল। http://www.guruchand...
  • শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস
    "যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

Muhammad Sadequzzaman Sharif

এক জীবনে একজন মানুষের কি চাওয়া থাকতে পারে? যদি সে হয় একটু অভিযান প্রিয়, যদি সে হয় পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখার ইচ্ছাসহ কোন মানুষ? কি চাইতে পারে সে? বিমল মুখার্জি নামক এক বাঙালি নিজের মনের ভিতরের দুনিয়া ঘুরে দেখার ইচ্ছাটা বাস্তবে রূপান্তর করতে পেরেছিলেন। সাথে পেয়েছিলেন একজন মানুষ এক জীবনে যা চাইতে পারে তার সব। তিনি ডেনমার্কের এক ধনাঢ্য পরিবারের সর্বোচ্চ স্নেহ ভালবাসা পেয়েছিলেন। তারা তাকে তাদের সম্পত্তির অংশীদার করে রেখে দিতে চেয়েছিলেন। জন্মদিনে বাড়ি, গাড়ি এমন কি বিমান পর্যন্ত উপহার দিয়েছিলেন।বিমান চালিয়ে ঘুরেছেন ওই শহরের উপর দিয়ে। একজন বাঙালি ডেনমার্কে কি করতে গিয়েছিলেন? সেটাই হচ্ছে ইতিহাস।

বিমল মুখার্জি ১৯২৬ সনে কলকাতা থেকে সাথে আরও তিন বন্ধু কে নিয়ে পৃথিবী ভ্রমণে বের হয়েছিলেন। বাহন হচ্ছে তাদের সাইকেল। ভারতের বিভিন্ন শহরে ঘুরে ঘুরে করাচী থেকে জাহাজের কাজ নিয়ে সাগর পার হলেন। শুরু হল তাদের অবিশ্বাস্য অভিযান। চললেন তারা মরুভূমির উপর দিয়ে, বরফের ভিতর দিয়ে। যাদের বিন্দুমাত্র অভিজ্ঞতা ছিল না বরফের তারা যুদ্ধ চালিয়ে গেলেন বরফের অনুপাতের শীতের পোশাক না পরেই। মরুভূমিতে টিকে গেলেন বেদুইনদের সাথে রাত কাটিয়ে। মরুঝড়, পানিশূন্যতা, ধুলোবালিতে গায়ে পোকা হয়ে গিয়েছিল তাদের। সেই পোকা নিয়েই চলেছেন তারা। আরব, ইরাক, ইরান, সিরিয়া, তুরস্ক হয়ে বুলগেরিয়া, সেখান থেকে রুমানিয়া অস্ট্রিয়া হয়ে জার্মানি। এই পুরো পথ তারা এসেছেন সাইকেল চালিয়ে, যেখানে চালানো সম্ভব না সেখানে সাইকেল ঠেলে। কখন মরুভূমির উত্তাপে সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরা যাচ্ছিল না আবার কখন বরফের মাঝে তীব্র ঠাণ্ডায় জমে যেতে হচ্ছিল তাদের। সাহায্য পেয়েছেন বেদুইনদের কাছ থেকে, ফরাসি সৈন্যদের কাছে থেকে, বিভিন্ন দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। যারা এই অদ্ভুত পাগলাটে মানুষদের দেখে শুধু অবাকই হচ্ছিল।

জার্মানির মিউনিখে পৌছাতেই চারজনের মধ্যে বিমল মুখার্জির হয়ে গেল এক ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা। যদিও তখন তিনি জানতেন না উনার আসলে কোন মাপের অভিজ্ঞতা আসলে হল। মিউনিখের মানুষজন তার বেশভূষা আর তাদের কথা শুনে ঠেলেঠুলে এক বিয়ার হাউজের সামনে বিয়ার গার্ডেনের মধ্যে নিয়ে গেল। তিনি গিয়ে দেখলেন এক অস্ত্রিয়াবাসি বক্তব্য দিচ্ছেন। বক্তব্য বেশ কড়া লাগে তার কাছে। যিনি বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি বলছেন, ভেরসাই সন্ধিপত্র ছিঁড়ে ফেলে দিতে হবে, মিত্রপক্ষ তাদের কে শেষ করে ফেলেছে, জার্মানদের এখনই এসবের প্রতিবাদ করতে হবে….
বিমল মুখার্জি শুনলেন যিনি বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি একজন ইন্টেরিয়র ডেকারেটর, রঙের মিস্ত্রি, তার নাম হিটলার। বিমল মুখার্জি বলছেন তাকে সবাই মিলে হিটলারের সামনে নিয়ে গেল। হিটলার আমি ভারতবাসী জেনে প্রথম প্রশ্ন করল আমাদের দেশে কত ইংরেজ আছে? আমি বললাম, কত শত জানি না তবু এক লক্ষ নাগাদ হবে। তখনই দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, এই মুষ্টিমেয় ইংরেজকে কেন আমরা অর্থাৎ ৩৫০ মিলিয়ন (১৯২৭) ভারতবাসী ফুঁ দিয়ে বে অব বেঙ্গল এ ঠেলে পাঠাই না? তৃতীয় প্রশ্ন হলো আমাদের নেতা কে? গান্ধীজীর নাম শুনে বলল সে একজন ভিতু লোক তাই নন ভায়োলেন্স পন্থায় স্বাধীনতা আনতে চায়। আমি বোঝাতে চেষ্টা করলাম করলাম যে প্যাসিভ রেজিস্ট্যান্স অভ্যাস করতে হলে বরং অতিমাত্রায় সাহসের প্রয়োজন। হিটলার তখন খেদের সুরে বলল যে ভারতবর্ষ যদি জার্মানির হাতে থাকত তাহলে জার্মানরা হিমালয়ে আলু চাষ করত।
প্রচণ্ড ঘৃণা মনের মধ্যে নিয়ে যে এই লোকটা বসে আছে তা তার আচরণেই বুঝা যাচ্ছিল। ক্ষুদ্র একটা দেশ ইংল্যান্ড পুরো পৃথিবী শাসন করছে তা হিটলার কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না।

নিজের পকেটের অবস্থা খুব খারাপ থাকায় বেশ কিছুদিন জার্মানিতে কাটিয়ে দিতে বাধ্য হলেন। সাথী বাকি তিনজনের আর ইচ্ছা নাই পৃথিবী ভ্রমণের। যে কমিটি করে তারা দুনিয়া ঘুরতে বেড়িয়েছেন সেই কমিটি থেকে তারা রউনা দেওয়ার পর আর কোন সাহায্য পাননি। তাই অন্যদের ইচ্ছা আর এভাবে ঘুরা সম্ভব না। একজন জার্মানিতেই থেকে গেলেন।বাকি দুইজনের ইচ্ছা হল ইংল্যান্ডে গিয়েও যদি কোন ব্যবস্থা না হয় তাহলে তারা আর ভ্রমণ চালিয়ে যাবেন না। হল্যান্ড হয়ে ইংল্যান্ডে পৌঁছে গেলেন তারা। আর এরপর থেকেই শুরু হল বিমল মুখার্জির একক ভ্রমণ। যিনি মোটামুটি আগে থেকেই জানতেন যে ভারতের ওই কমিটি থেকে সাহায্য আসার সম্ভাবনা কম। আর তাই তিনি যখন যা পেরেছেন সেই কাজই করে নিজেরর লক্ষ্য স্থির রেখেছেন। একজন মানুষের মনোবল কত শক্ত হলে একা একা একটা সাইকেল নিয়ে বের হয়া যায় বিশ্ব ঘুরতে?

ইংল্যান্ড ছাড়ার আগে বিমল মুখার্জির আরেক অনন্য অভিজ্ঞতা হল। উনি যে সাইকেল চালিয়ে এত দূর এসেছেন তা ছিল বিএসএ( বারমিংহাম স্মল আর্মস ) কোম্পানির সাইকেল। সেই সাইকেল কোম্পানি থেকে আমন্ত্রণ পেলেন। কারখানায় শ্রমিকদের সাথে খাবার খেলেন মালিক পক্ষকে সাথে নিয়ে। এরমধ্যে তারা সাইকেলের সিরিয়াল নাম্বার দেখে খুঁজে পেয়ে গেলেন কোন শ্রমিক সাইকেলটা কবে অ্যাসম্বল করেছে। তাকে সামনে আনা হল। শ্রমিকরা চিয়ার্স করল বিমল মুখার্জির নামে, পিটার নামার ওই শ্রমিকের নামে, বিএসএ সাইকেল কোম্পানির নামে।

বিমল মুখার্জির অভিজ্ঞতা লিখে শেষ কড়া সম্ভব না বোধহয়।এরপর তিনি ঘুরেছেন আইসল্যান্ড,নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, রাশিয়া, গ্রীস,ইজিপ্ট, সুদান,ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স,ডেনমার্ক, জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু,হাওয়াই দ্বীপ, জাপান, চীন, হংকং, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া সহ আরও নানা দেশ।দেখা করেছেন নানা রথী মহারথীর সাথে।১৯২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর যে যাত্রা শুরু করে ছিলেন তা শেষ করেন ২৩ মার্চ ১৯৩৭ সালে ভারতের মাটিতে পা দিয়ে তা শেষ করেন। তাকে জানানো হয় তিনিই প্রথম ভারতীয় ভূপর্যটক।

যে কাজ পেয়েছেন সেই কাজই করেছেন। কখন গরুর খামারে কাজ করেছেন, কখন স্কুলের শিক্ষকতা করেছে, বিমান চালিয়েছেন, রাস্তার বরফ পরিষ্কারে কাজ, জাহাজের খালাসির কাজ করেছে। সিংহের পালের সামনে পরে পিছু হটেছেন, আন্দিজ পার হয়েছেন একা একা, গহিন বনে রাত কাটিয়েছেন, যখন যা পেয়েছেন তাই খেয়েছে,উত্তাল আটলান্টিকে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করেছেন, হিমশীতল গ্রীনল্যান্ডে গিয়ে থেকেছেন এস্কিমোদের বাড়িতে, পেরুতে হয়েছেন অদ্ভুত অভিজ্ঞতার শিকার, ( পেরুতে প্রবেশের আগে দিতে হয় পাগলের সার্টিফিকেট, বংশে কোন পাগল থাকলে পেরুতে তখনকার সময়ে প্রবেশ নিষেধ ছিল, হয়ত ভেবেছে পাগল ছাড়া সাইকেল নিয়ে এই পথে আর কে আসবে!! ), দুই দুইবার পাবে ইংরেজ মেরে হাতের সুখ মিটিয়েছেন, শুধুমাত্র কালা আদমি এখানে এত বেশি পাত্তা পাচ্ছে কেন ধরনের কুৎসিত আচারণের জন্য, করেছেন আল্পস পর্বতমালা অতিক্রম।ঠেকায় পরে শিখেছেন আরবি, জার্মান, রুশ, ফ্রেঞ্চ, ড্যানিশ ভাষা। এমন বিচিত্র অভিজ্ঞতা অন্য কোন বাঙ্গালির ভাগ্যে জুটেছে কিনা আমার জানা নাই।

উনার নিজের লেখা অদ্ভুত সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী দুচাকায় পৃথিবীর পাতায় পাতায় উত্তেজনায় ঠাঁসা, রোমাঞ্চ যেন প্রতি পদে পদে। এই বইয়ের খুঁত বলতে যা আমার কাছে মনে হয়েছে তা হচ্ছে তৃষ্ণা না মেটার হাহাকার। আমার বারবার মনে হয়েছে এত অল্প কেন বইয়ের পাতা। এত দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য ৩১৯ পৃষ্ঠা কোনমতেই মনের চাহিদা মেটাবার মত না। তৃষ্ণা তো মিটবেই না, ঘরকুনো বাঙ্গালির তকমা গায়ে নিয়ে উনার প্রতি হিংসা করা ছাড়া আর কিই বা করতে পারি আমরা?

725 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 10 -- 29
Avatar: রিভু

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

জানতাম না। পড়বো। ধন্যবাদ।


Avatar: Muhammad Sadequzzaman Sharif

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

আমার মাথায় আসে না এই লোককে মানুষ ভুলে গেল কিভাবে? হলিউড থেকেই তো অন্তত কয়েকটা সিনেমা তৈরি হওয়া উচিত ছিল। এমন চরিত্র কি হাটে ঘাটে মিলে নাকি?
Avatar: খ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

যা বোঝা গেল আমি যার কথা বলেছি তিনি সম্ভবত ইনি নন, কিন্তু ইনি ও বিমল। বিমল দে। এবং ইনিও সাইকেল চালিয়ে বিশ্ব ঘুরে ছিলেন।তাই কই ১৯৩৬ টা আমার পক্ষে স্লাইট বেশি, ওটা ডিডি দার ছেলে বেলা। দুই টা সিদ্ধান্ত স্থির অইল

ক-বিমলেরা অনলি না আর যাই হোক।
খ-বন‍্যেরা বনে সুন্দর, বিমলেরা বিশ্ব সাইকেলে।
Avatar: সিকি

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

অরণ্যদা, সাইকেলে চলার দম আমার নেই। তবে এইবারে এক সাইক্লিস্টের গল্প লিখেছি আমার সিকিম ভুটানের টইতে। এমন লোক প্রচুর রয়েছে এ দেশে।

দু চাকায় দুনিয়া হাতে পেয়েছিলাম লাদাখ ঘুরে আসার পরে। তার পর থেকে আমার প্রতিটা জার্নি এই বই দ্বারা অনুপ্রাণিত। স্বপ্ন যেটা দেখি, সেটাও এই বই থেকেই ...
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

আরে দারুণ!
Avatar: স্বাতী রায়

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

১৫ই সেপ্টেম্বরের খবর : লিপি বিশ্বাস দারুন একটা অভিযান শেষ করে আজ কলকাতা ফিরল। লিপিদি ইউরোপের ছ‘ছটা দেশ সাইকেলে কভার করল। জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ড। সময় লাগল প্রায় দুমাস। সব মিলিয়ে ২,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি।

লিপিদি ভারতের প্রথম মহিলা সাইক্লিস্ট হিসেবে ইউরোপের উপর দিয়ে সোলো সাইক্লিং করল। অন্ততপক্ষে ইন্ডিয়ান এম্বাসিগুলি থেকে সেটাই টুইট করে জানানো হয়েছে।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=659099061141943&id=100
011255644254


Avatar: দ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

এইটা তো দুর্দান্ত খবর। কোন খবরের্কগজে একটু বিস্তারিত বেরিয়েছে কিন দেখতে হবে তো।
Avatar: স্বপ্রতীম রাায়

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

অসাধারন এক বই - দুচাকায় দুনিয়া। আমার অন্যতম সেরা কালেকশানের একটা। সম্ভবত বিমল মুখার্জীই প্রথম বাঙালি লেখক, যার লেখায় ইংল্যান্ড, আফ্রিকা আর তথাকথিত বিলেতের বাইরের দেশগুলির নিঁখুত বর্ননা আছে। পরবর্তীকালে বিমল দে-ও একই পথ অনুসরন করে। যদিও সেটা আশির দশকে। আপাতত সুইস নাগরিক বিমল দের ভ্রমনকাহিনীও অনবদ্য।
Avatar: Muhammad Sadequzzaman Sharif

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

বিমল দের লেখা কোন বইয়ের নাম কেউ দিতে পারবেন? পড়ে দেখব তার অভিযানের গল্পও!
Avatar: Prativa Sarker

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

বইটা পড়তে হবে দেখছি।
Avatar: খ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

সুদূরের পিয়াসী, বই টার নাম সম্ভবত।
Avatar: খ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

বিমল দের বই য়ের নাম সুদূরের পিয়াসী, কয়েক খন্ড আছে বোধ হয়।
Avatar: অর্জুন অভিষেক

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি


@ Prativa দি, চলো একটা সাইকেল ট্রিপে বিশ্বভ্রমণ করি। ঃ-))

আমরা যে পথ দিয়ে যাবো, শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেব। এই বলে স্পনসরও পেয়ে যাবঃ-) :-P
Avatar: দ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

এখানেই লিখে রাখি। আজ আমাদের অফিসে লাক্সারি সাইকেলের পড শুরু করা হল। সাইমুর নামে একটা গ্রুপ অ্যাপ বেসড পড ট্যু পড সাইকেল রেন্টিং সার্ভিস চালু করেছে হিঞ্জেওয়াড়ি এলাকায়। বড় বড় হাউসিং ক্যাম্পাসগুলোতে পড বসিয়েছে/বসাচ্ছে। ফলে লোকে ফ্ল্যাট থেকে নেমে অ্যাপ থেকে কোড নিয়ে সাইকল আনলক করে কোম্পানিগুলোতে এসে সাইকল জমা করে কাজকম্ম সেরে আবার আরেকটা সাইকল নিয়ে বাড়ি যেতে পারবে।

পুণে সিটির ভেতরেও কয়েক জায়গায় আছে। পিরিবেশ আর স্বাস্থ্য দুইয়েরই সহায়ক।
Avatar: অর্জুন অভিষেক

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি


দ, পুনেতে 'র‍্যাডিকেলস' নামে একটা গ্রুপ ছিল যারা সাইকেল সংস্কৃতিকে জনপ্রিয় করতে চেয়েছিল। আমি ২০০১- '০২ সালের কথা বলছি। বেশ কয়েকটা র‍্যালিতে গেছি।

কলেজ- ইউনিভার্সিটি মিলিয়ে পাঁচ বছর আমার বাহন ছিল শুধু সাইকেল।

পুনে আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর।
Avatar: দ

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

হ্যাঁ পুণে নিয়ে আপনার সাথে বইমেলায় কথা হয়েছিল মনে আছে।
২০০১-০২ এর সাথে এখনকার অনেক তফাৎ। মাঝে রিয়াল এস্টেট বুম আর আইটি হাব হবার ঠ্যালায় ঐ রাস্তার দুদিকের বড় গাছগুলো যে আর্চ করে ছায়া দিত রাস্তায়-- বেশিরভাগ উবে গেছে। আজকাল গরম পড়ে, এমনকি এপ্রিল মে মাসে অল্পস্বল্প ঘামও হয়। হিউমিডিটি বেড়েছে।

তো, দূষণ সামাল দিতে এখন মিউনিসিপালিটি থেকে সাইকেল লেন বানাচ্ছে, কর্পোরেটগুলোকে বলেছে সাইকেলারোহীদের সুযোগ সুবিধে দিতে ইত্যাদি।
Avatar: অর্জুন অভিষেক

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি


ইয়েসস, রাইট। আমারও মনে পড়েছে। আমি জানি, আমি যে প্রিমিটিভ পুনে দেখেছি, সে এখন শুধুই স্মৃতি।

ফ্লাই ওভারের পরে ফ্লাই ওভার, এখন তো মেট্রোও হয়েছে। এই পরিবর্তন লক্ষ করলাম ২০১০-'১১ য় যখন স্বল্পকাল পঞ্চগণী ছিলাম।

পুনেতে এখন অসহ্য গরম পড়ে। আমার হস্টেলে তিন বছর ফ্যান ছিলনা। বর্ষাকালে মাঝরাতের পরে গায়ে চাদর জড়াতে হত।

শেষ গেছি ২০১৪ য়।
Avatar: Atoz

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

এতদিন আমি শুধু রামনাথ বিশ্বাসের কথাই জানতাম।
Avatar: aranya

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

' তবে এইবারে এক সাইক্লিস্টের গল্প লিখেছি আমার সিকিম ভুটানের টইতে'
- পড়েছি, সিকি। তোমার ব্লগ সাইটে কি গুরুতে দাও নি, এমন কিছু লেখা আছে? থাকলে একটু লিঙ্ক দিও

আমার সবই এখন মানস ভ্রমণ। শরীর আর সাথ দেয় না
Avatar: মহাশ্বেতা সমাজদার

Re: দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জি

স্বর্ণাক্ষর প্রকাশিত বিমল মুখার্জির লেখা দুচাকায় দুনিয়া বইটির আলৌচনা প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ। এই লেখাটি কি স্বর্ণাক্ষর-এর পেজেও শেয়ার করা যাবে ?

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 10 -- 29


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন