Sakyajit Bhattacharya RSS feed

Sakyajit Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মন ভালো নেই
    ভালোবাসায় আদর আসে,সোহাগ আসে,মন ভেঙে যাওয়া আসে, যন্ত্রণা আসে, বিরহ জেগে থাকে মধুরাতে, অপেক্ষা আসে, যা কখনো আসেনা, তার নাম 'জেহাদ'। ভালোবাসায় কোনো 'জেহাদ' নেই। ধর্ম নেই অধর্ম নেই। প্রতিশোধ নেই। এই মধ্যবয়সে এসে আজ রাতে আমার সেই হারিয়ে যাওয়া বাংলা কে মনে ...
  • ৯০তম অস্কার মনোনয়ন
    অনেকেই খুব বেশি চমকে গেলেও আমার কাছে খুব একটা চমকে যাওয়ার মত মনে হয়নি এবারের অস্কার মনোনয়ন। খুব প্রত্যাশিত কিছু ছবিই মনোনয়ন পেয়েছে। তবে কিছু ছবি ছিল যারা মনোনয়ন পেতে পারত কোন সন্দেহে ছাড়াই। কিন্তু যারা পাইছে তারা যে যোগ্য হিসেবেই পেয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা ...
  • খেজুরবটের আত্মীয়তা
    খুব শান্তি পাই, যখন দেখি কালচারগুলো মিলে যাচ্ছে।বিধর্মী ছেলের হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছো শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। দুটি হাত ছোঁয়া সংবেদী বিন্দুতে ঘটে যাচ্ছে বনমহোৎসব। দুটি ভিন্ন ধর্মের গাছ ভালোবাসার অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে। যেন খেজুর বটের অপার ...
  • ম্যাসাজ - ২
    কবি অনেকদিন হতেই “জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা” বলে আশ্বাস দিয়ে এলেও ছোটবেলায় হালকা ডাউট ছিল কবি কোন ধনের কথা বলেছেন এবং ফেলা অর্থে কোথায় ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন? ধন যে ফ্যালনা জিনিস নয়, সেটা আবার নিমোর ছেলেদের থেকে ভালো কে বুঝত! কিন্তু সেই নিয়ে কাব্যি ...
  • মম দুঃখ বেদন....
    সেদিন, অঝোর ধারে কাঁদতে কাঁদতে বাবার চেয়ারের হাতল ধরে মেঝেতে বসে পড়েছি। দৃশ্যত শান্ত বাবা, খানিকক্ষণ কাঁদার সুযোগ দিলেন। এ দুটি বাক্যে ভেবে নেবার কোনো কারণই নেই, বাবা আর আমার সম্পর্ক অতি সুমধুর ও বোঝাপড়ার। বরং তার অব্যবহিত কয়েক মাস আগে পর্যন্তও উত্তপ্ত ...
  • হিন্দু স্কুলের জন্মদিনে
    হিন্দু স্কুলের জন্মদিনেআমাদের স্কুলের খেলার মাঠ ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটা উঠোন, একটা লাল বেদী আর একটা দেবদারু গাছ। ওই লাল বেদীটায় দাঁড়িয়ে হেডস্যার রেজাল্ট বলতেন। ওই উঠোনটায় আমরা হুটোপাটি আর প্রেয়ার করতাম। আমাদের ইস্কুলের প্রেয়ার ছিল জনগনমন। তখনো ...
  • জার্মানী ডাইরী-১
    পরবাস পর্ব:অদ্ভুত একটা দেশে এসে পড়েছি! এদেশের আকাশ সবসময় মেঘাচ্ছন্ন.. সূর্য ওঠেই না বললে চলে! হয় বৃষ্টি নয়তো বরফ!!বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয়.. আমি তো বর্ষার মেয়ে, তাই বৃষ্টির সাথে আমার খুব আপন সম্পর্ক। কিন্তু এদেশের বৃষ্টিটাও বাজে! এরা অতি সন্তর্পণে ঝরবে! ...
  • মাতৃরূপেণ
    আমার বাবাকে জীবনকালে , আমার জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে, থানায় যেতে হয়েছিলো একবারই। কোনো অপরাধ করায় পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো তা নয়, নিছক স্নেহের আকুল টান বাবাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো 'মামা'দের মাঝে। 2007 সাল। তখন এপ্রিল মাস। 14ই মার্চ ঘর ছেড়ে মাসতুতো বোনের বাড়ী চলে ...
  • খাগায় নমঃ
    মাঘ এলেই মনে পড়ে শ্রীপঞ্চমীর বিকেলে অপু বাবার সাথে নীলকন্ঠ পাখি দেখতে বেরিয়েছিল।নিজে ও রোজকার রুটিন বদলে ফেলতাম পুজোর দিনপনেরো আগে। স্কুল থেকে রোজ বিকেলে বাড়ি ফিরে খুঁটিয়ে দেখতাম উঠোনের আমগাছটায় মুকুল এলো কিনা, আর গাঁদার চারায় কতগুলো কুঁড়ি এলো, তারপর ...
  • হেলেন
    এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।তখন ...

গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

Sakyajit Bhattacharya

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটির এক অধ্যাপক, সর্বজয়া ভট্টাচার্য্য একটি পোস্ট করেছিলেন। তাঁর কলেজে শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে অবাধে গণ-টোকাটুকি, শিক্ষকদের কোনও ভয়েস না থাকা, এবং সবথেকে বড় যেটা সমস্যা, শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনও ইউনিয়ন না থাকার সমস্যা নিয়ে। এই পর্যন্ত নতুন কিছুই নেই। প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই সমস্যাগুলো এতদিনে সকলের জানা।

এবার, সম্ভবত টেকনো ইন্ডিয়ার এক ছাত্র, সৌভিক, তার বিপরীতে একটি লেখা লিখেছে। লেখাটা খুব কাঁচা, আবেগপূর্ন, অভিযোগের উত্তর না দিয়ে পালটা অভিযোগ এসবে ভর্তি। কিন্তু যেটা বিপজ্জনক, এই লেখার যে আন্ডারলায়িং টোন, সেটা। চোখ বুজে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মন্দির মেনে নেওয়া এবং শিক্ষকদের দেবতা, ঠিক এই প্রবণতা যে কী মারাত্মক এবং এখান থেকেই বিনা প্রতিবাদে সব কিছু মেনে নেবার জন্ম হয়, সেটা বোঝার সময় এসেছে। সৌভিককে নয়, তার লেখাটিকে আমি একটা প্রবণতা হিসেবে দেখছি, যে প্রবণতা ভারতবর্ষের টেকনোক্র্যাট, আইটি জেন্রারেশনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান, এবং এরাই নরেন্দ্র মোদীকে দুই হাত দিয়ে ভোটে ভরিয়ে দিয়েছিল। এই প্রবণতার নাম সম্ভবত শাইনিং ইন্ডিয়া সিন্ড্রোম। আমি এক এক করে সৌভিকের লেখা থেকে কয়েকটা বক্তব্য তুলে দেখাচ্ছি।

১। সৌভিক ব্যঙ্গ করে বলছে যে সল্টলেকে মোমবাতির দোকান বেশি নেই বলে প্রতিবাদ করা হয় না বেশি। এবং সে এটা নিয়ে বেশ গর্বিত। এবং এর থেকেও যেটা মেরুদণ্ড দিয়ে গা শিরশিরানি স্রোত বইয়ে দেয়, সৌভিক বলছে যে সে অভিজিত চক্রবর্তীকে ভিসি হিসেবে খুব মিস করে।

২। প্রাইভেট কলেজে কেন ইউনিয়ন নেই? কারণ তারা বড় বড় বিশ্ববিদিয়ালয়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত। তাই ফালতু রাজনীতি এবং ইউনিয়নের গ্যাঞ্জাম চায় না। (যদিও এখানে সৌভিক একটা ছোট্ট ভুল করেছে। তথাকথিত বড় বড় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ছাত্র এবং শিক্ষকদের ইউনিয়ন থাকাটা বাধ্যতামূলক। আমি বিদেশের কথা বলছি। সৌভিক সর্বজয়াকে আক্রমণ করেছিল যে পড়াশোনায় এত ভাল হলে কেন আইআইটি বা আইএসআই বা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়নি। কূপমণ্ডূকতার সঙ্গে তর্ক চলে না। তবে এই অধম আইএসআই-এর প্রাক্তনী , এবং পড়া ও পড়ানোর সূত্রে বিদেশের চারখানা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নানা সময়ে যুক্ত ছিল। প্রতিটা জায়গাতে ছাত্র ইউনিয়ন আছে, টিচার্স ইউনিয়ন-ও। এবং তাদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ফ্যাকশনও আছে। কিন্তু রেজিস্টার করবার সময়ে কোনও রাজনৈতিক দলের সংগঠন হিসেবে রেজিস্টার করা যায় না)

৩। "If not anything else, a woman like you could have met how actual women are, in our college!" এই অ্যাকচুয়াল উওম্যান, আদর্শ নারীর ধারণার চাষ হচ্ছে আজকাল আমাদের মগজে, এবং দেখা যাচ্ছে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানকেই সবচেয়ে আগে এই ধারণাগুলো অধিকার করে নিচ্ছে।

৪। বয়স্ক মানুষ, যাঁরা টেকনো ইন্ডিয়ার শিক্ষক, তাঁদের দিকে আঙুল তোলবার জন্য আক্রমণ করা হয়েছে। কারণ তাঁরা শিক্ষক ! তাঁরা সকল দোষের উপরে !

৫। ম্যানেজমেন্টকে ডিফেন্ড করা হয়েছে মেন্টর, অভিভাবক ইত্যাদি বলে। ঠিক যেমন জরুরী অবস্থার সময়ে ইন্দিরা গান্ধীকে ভারতমাতা বলতেন কংগ্রেসের ল্যাকিরা।

৬। রাজ্যপাল ভবনে গিয়ে গোল্ড মেডেল গ্রহণ করে টেকনো ইন্ডিয়ার ছেলেরা । মেডেল ফেরত দেয় না। মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

৭। গোটা লেখা জুড়ে হিউম্যানিটিজ সাবজেক্ট-কে আক্রমণ। এটা এক নতুন প্রবণতা, এই মোদিত ভারতবর্ষে। ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজ্ঞানের ছাত্ররাই আসল ছাত্র, বাকি সব দুধভাত কারণ সেগুলো কাজে লাগে না (সোজা কোথায়, বেনিয়াদের কাজে লাগে না, আইটি কুলি হওয়া যায় না, টাকা রোজগার হয় না)

সৌভিকের লেখা প্রচুর শেয়ার হচ্ছে। ব্যক্তি সৌভিক বা তার লেখাকে আক্রমণ করা উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু এই প্রবণতাগুলো সাংঘাতিক। এবং দুঃখের ব্যাপার, এগুলো সবথেকে বেশি আসছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছাত্রদের মধ্যেই, যাদের হয়ত সবথেকে বেশি যুক্তিবাদী হবার কথা ছিল। ক্ষমতার কাছে এরকম নিঃশর্ত আত্মসম্ররপণ করবার কথা ছিল না। আমি নিজে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছি বলে লজ্জাটা বেশি লাগছে। কারণ দক্ষিণপন্থী ভাবধারার এরকম হোমারিক আক্রমণ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের ছাত্রদের মধ্যে থেকে আসবে এটা কল্পনা করা কঠিন। কিন্তু আবারো, এই লেখা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ভারতের বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং কমিউনিটিতে বহুদিন ধরেই যুক্তিবাদের চাষটি আস্তে আস্তে কমে আসছে। উজ্জ্বলভাবে এর বিপরীতে দাঁড়িয়েছে হিউম্যানিটিজের ছাত্রছাত্রীরাই। ছাত্র আন্দোলন এবং প্রতিরোধ তারাই করছে, মুক্তচিন্তার চর্চা করছে। আমরা, খুব ভদ্র ভাষায়, প্রতিষ্ঠানের কাছে মাথা বিকিয়ে দিয়েছি । তাই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে ইউনিয়ন থাকে না, এবং সেটা নিয়ে ছাত্ররা গর্বিত হয়। নিজেদের অধিকার বিষয়েও সচেতনতা জন্মায় না তাদের।

ভবিষ্যতে এমন ভারত দেখতে চাই না যেখানে ব্যারিকেডের দুইপাশে প্রযুক্তি এবং কলাবিদ্যা প্রতিদ্বন্দ্বীর ভূমিকায় দাঁড়িয়ে থাকবে (যদিও তখন কে কোন স্বার্থকে সার্ভ করবে সেটার উত্তর গেস করাতে কোনও প্রাইজ নেই :) )

সর্বজয়া ও সৌভিকের লেখার লিংক নিচে দিলাম

https://www.facebook.com/sarbajaya.bhattacharya/posts/1021456435316082
5


https://www.facebook.com/permalink.php…

শেয়ার করুন


Avatar: Sakyajit Bhattacharya

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

এটা ফেসবুকে নিজের ওয়ালে দিয়েছিলাম। ইপ্সিতাদি গুরুর ব্লগে দিতে বলল
Avatar: Rabimba Karanjai

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

সৌভিক এর লেখার আর লিংক নেই
Avatar: pi

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

কাল লিখেছিলাম, এই টোকাটুকি ইস্যুটা কিছু বিচিত্র ডালপালা বিস্তার করেছে ! জেউ বনাম প্রাইভেট, এন্জিনিয়ারিং বনাম জেনেরাল, এন্জো , সায়েন্স বনাম আর্টস, বাংলা মাধ্যম বনাম ইংরাজি মাধ্যম, শিক্ষক বনাম ছাত্র , উচ্চশিক্ষা বনাম চাকরি, এমনকি ছেলে বনাম মেয়েও এসে গেছে ( কারণ কিছুজনের দাবি ঐ মহিলার স্টেটমেন্টে যা লেখা, তাতে জেন্ডার ঘটিত অপরাধও ঘটেছে, একজন মহিলাকে ওসব বলায়, করায়)।

খালি লাভের গুড় খেয়ে যাওয়া ম্যানেজমেন্ট আর শিক্ষাকে এরকম পণ্য বানানো সিস্টেম নিয়ে সেরকম কিছুই চলছেনা। এবং এরকম পণ্য বানালে অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে যা যা আসতে পারে তাই বোধহয় আসছে।

এই লেখা পড়ার পরে মনে হচ্ছিল, এই ইস্যুটাও কি সেই প্রাইভেটাইজেশন, পণ্যায়নের সাথেই জড়িত ? নাকি সরকারি, প্রাইভেট ( প্রাইভেট বলতে অবশ্যই এরকম প্রচুর গ্যাঁটের কড়ি খরচা করে পড়ার কথা বলছি , যেখানে এই আটিচুড আসছেই ঐ এত খরচা করে পড়ছি, তাই সব কিছু করার অধিকার আছে, ইন্ক্লুড নিয়ে কেউ বলার কে ? )

হানুদা ভাটে লিখেছিল, সরকারি এলিট ইন্জিনিয়ারিং কলেজের লোকজনও কি গর্ব সে বলছেন, # টোকাটুকি মিটু ? আমার কিন্তু সেরকম নজরে পড়েনি। হ্যাঁ, অনেকে টুকেছে জানিয়েছেন, বাধ্য হয়ে টুলেছে, প্রচুর ফালতু চাপ, প্রচুর গাঁতানো প্রশ্ন , ফর্মুলা মনে রাখার চাপ না নেবার জন্য টোকা ফোকা জানিয়েছেন, কিন্তু এরকম ওপেন এবং সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট থেকে একরম বৈধতা দেওয়া টোকাটুকি এবং সেটা করা নিয়ে এরকম রোয়াব নেওয়াতে তারাও দেখলাম শকডই।
সেজন্যই জানতে চাইছিলাম , এই আটিচুডের পার্থক্যাটা কি এত পয়সা ঢালার জন্যেই হচ্ছে ? অথচ এরকম যুক্তি শুনেছিলাম, ফ্রি তে পাওয়া জিনিসেরই কোন দাম নেই, প্রচুর পয়সা দিয়ে কিনতে হলে সেই পরিষেবার মূল্যও পাই টু পাই বুঝে নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে, প্রাইভেট কলেজে পড়াশুনার মান, শিক্ষক, পরিকাঠানো , পরিষেবা, বহু ক্ষেত্রে প্লেসমেন্টেরও এমন বেহাল হবার পরে সেই নিয়ে কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেওয়া দেখতে পাইনা কেন ? ইউনিয়ন করে এসব নিয়ে প্রতিবাদ, দাবিদাওয়া আদায়ের চেষ্টা কি সেক্ষেত্রে আরো বেশি হওয়ার কথা ছিলনা ? উল্টো হচ্ছে, মানে যাদেরকে এত পয়সা দিয়ে সার্ভিস কেনা হচ্ছে, তাদের কাছেই মাথা বিকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই পয়েন্টটা শাক্য না তুললে হয়তো খেয়াল করতাম না, ইন্টারেস্টিং।


Avatar: ?!

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

টোকাতো ভাল ওভাবেই ঘুণ ধরাতে হবে। রাবিশ উত্তরে হাত ভরে নম্বর দিন।
Avatar: dc

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের বাড়ির কাছেই আমার পিসিরা থাকতো। হাঁটাপথে কুড়ি মিনিট মতন। তো একদিন সন্ধেবেলা মা পিসিদের বাড়ি গেছে, ঢোকার মুখে শুনছে পাশের বাড়ির থেকে পড়া ভেসে আসছে - হাতে জাহাঙ্গীর, পায়ে আকবর, পেটে বাবর...। শুনে মা তো বেশ চমকে গেছে। পিসিকে গিয়ে বলেছে, তোমাদের পাড়ার ছেলেরা কেমন পড়া করে গো! সব শুনে পিসি খুব হাসছে। তারপর মাকে বুঝিয়ে বলেছেঃ ঐ পাজি ভুতোটার কথা আর বলো না (ছেলেটার নাম ছিল ভুতো)। ও ছোট ছোট কাগজের টুকরো বানায়, আর কোন টুকরোটা কোথায় লুকিয়েছে সেটা মুখস্থ করে। এই গল্পটা আমাদের বাড়িতে অনেকবার শুনেছিলাম। আরো বড়ো হয়ে জানলাম উহাকেই কয় চোতা।
Avatar: pinaki

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

ছাত্রদের দিক থেকে মোটিভেশন না থাকার একটা বড় কারণ হল প্রায় সকলেই এরকম ভাবে যে যেটুকু যা চাকরি তার জন্য কোডিং ছাড়া অন্য জিনিস জেনে লাভ নেই। আল্টিমেটলি কোডিং করে খেতে হবে। কাজেই অন্যান্য সাবজেক্ট, বিশেষতঃ সেগুলো যদি একটু খটোমটো হয়, বা টিচার ভালো পড়াতে না পারেন, তাহলে ছাত্রদের পক্ষে মোটিভেশন ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ। এটা একটা পার্ট। আর একটা পার্ট হল এই প্রাইভেট কলেজগুলোও চায় না তাদের রেজাল্ট খারাপ হোক। গাদা গাদা ফেল করুক। প্রশ্নপত্র সেন্ট্রালি সেট করা হয়। খাতাও সেন্ট্রালি দেখা হয়। এই দুজায়গাতেই কোনো কিছু করার থাকে না কলেজগুলোর। কাজেই পরীক্ষার সময় তারা ছেলেমেয়েদের একটু 'কন্ট্রোল্ড' প্রশ্রয় দিয়ে থাকে, নিজেদের কলেজের ফেস সেভিং এর জায়গা থেকেই। তৃতীয়তঃ, এটা একটা কালচারও। সবাই করছে। কাজেই একটা কলেজ তার ছাত্রদের না করতে দিলে তাদের রেজাল্ট খারাপ হবে। ছাত্ররাও ভাবে অন্য সব জায়গায় সবাই করতে পারছে, খালি আমাদের বেলায় কড়াকড়ি কেন? তারা এটাকে খানিকটা 'রাইট' হিসেবে দেখতে শুরু করে। এবং নিজেদের পড়াশুনো না করার পুরো দায়টাই কলেজের অব্যবস্থা, সিস্টেম এবং শিক্ষকদের অযোগ্যতার উপর চাপিয়ে দেয়।

আমার মতে এখানে কোনো এক পক্ষকে দায়ী করে লাভ নেই। শুধু বেসরকারি মুনাফাবাজি যদি কারণ হত তাহলে আমাদের সময় যাদবপুর শিবপুরে টোকাটুকি হত কেন? সবকিছুই মিলেমিশে আছে। সবরকমের কোর সাবজেক্টে চাকরি না পাওয়ার বাস্তবতা আছে। প্রাইভেট কলেজগুলোর অব্যবস্থা আছে। শিক্ষকদের সরকারি স্কেলে মাইনে না দেওয়ায় ভালো শিক্ষকরা দীর্ঘদিন থাকে না। বেটার সুযোগ পেলে কেটে পড়ে। ফলে অযোগ্য শিক্ষকও সমস্যার আর একটা দিক। এছাড়া ছেলেপুলেদের মধ্যে টোকাটুকি নিয়ে একধরণের হিরোইজমও আছে। গাঁজা খাওয়ার মত। শোধরাতে হলে পুরোটাকে নিয়ে ভাবতে হবে।

কিন্তু ছাত্ররা তাদের কলেজ ম্যানেজমেন্টের পক্ষ নিয়ে কথা বলছে - এই ফীচারটা আমার কাছে নতুন। এটা আগে ছিল না।

শাক্যর লেখায় একটা জায়গাতেই দ্বিমত আছে। হিউম্যানিটিস এর ছাত্ররাও যুক্তিবাদের পক্ষে বিশাল কিছু করে দেখায় নি। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, হিউম্যানিটিস, সব মিলিয়েই আমরা বহুদিন ধরেই বিশাল অশ্বডিম্ব প্রসব করে চলেছি। :-)
Avatar: dc

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

শুনেছি যাদবপুরে স্টেশান রোডে যে জেরক্সএর দোকানগুলো ছিল সেগুলোতে নাকি সব সাবজেক্টের রেডিমেড চোতা পাওয়া যেতো, আর পরীক্ষার আগে সেগুলো জেরক্স করে লম্বা করে কেটে ছাত্ররত্নরা নতুন চোতা বানিয়ে নিত। অবশ্য এসব শোনা কথা, সত্যিমিথ্যে জানিনা।
Avatar: b

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

সত্তরের দশকের শুরুর দিকে একজন ডান দিকের বুকপকেট, বাঁ দিকের বুকপকেট , ট্রাউজারের ডান পকেট, ট্রাউজারের বাঁ পকেট থাবড়াতে থাবড়াতে চলেছে, ফিজিক্স পরীক্ষা দিতেঃ হিট/লাইট ইলেক্ট্রিসিটি/ছোরা; হিট/লাইট/ইলেক্ট্রিসিটি/ছোরা; হিট/লাইট ইলেক্ট্রিসিটি/ছোরা ...
Avatar: h

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

ছাত্র রা ম্যানেজমেন্ট এর পক্ষ নিয়ে কথা বলে এটা খুব ই কমন। চয়েস টা খুব ই পপুলিস্ট। ১৯৬৮-৬৯ এ লন্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্স এর রাল্ফ মিলিবান্ড এর ছাত্র রা যখন তারিক আলির বক্তৃতা অর্গানাইজ করছে, তখন কন্টি কিছু নেকু পুষু, উই ওয়ান্ট টু স্টাডি অন্দ উই ওয়ান্ট জব্স গোছের পজিশন নিয়ে বিবিসিকে নিয়মিত ইন্টারভিউ দিয়ে যাওয়া গোছের পাবলিক সর্বত্র সর্বকালে আছে। আমার পরিবারের ই এক দলের কলেজ জীবনের গল্প শুনলে মনে হয় কল্যানীর থেকে কলকাতা আসলে ফিনল্যান্ড থেকে পেত্রোগ্রাদ, আর আরেকদলের কথা শুনলে মনে হয় এন্টায়ার ১৯৫০ ৬০ এর দশকে, কসবায় কালীপুজোঅয় উড়ন তুবড়ি বানানো ছাড়া তেমন বড় কিছু হয় নি ঃ-)))))

দুটো গপ্প বলা যাক। শান্তিনিকেতন পাঠভবনে, আমাদের এক ক্লাস উঁচু বড় মেয়েরা একবার হই চই ফেলে দিল, একটা স্কুলের বিভ্ন্ন পলিসি আর প্র্যাকটিস এর সমালোচনা নিয়ে পত্রিকা বের করে। পরের দিন পত্রিকা যারা ছিঁড়ে ফেললো, তারা পরিচালক বর্গের কেউ নন, কনজারভেটিভ মাষ্টারমশা দিদি মনি রাও নন, তাদের ই ক্লাসের, তাদের ই ভুল বানানে প্রেম পত্র পাঠানো, বা তাদের চুমু খেতে চাওয়া ক্লাসের ছেলে বন্ধু রা, তারা বচ্চন মতে মনে করেছিল, এস্সব কল্লে স্কুলের লাম খারাব হবে হা ঃ-)))) পৌরুষ সম্পর্কে আমার শ্রদ্ধা পার্মানেন্টলি একটু কমে যায় ঃ-))))

আরেকটা হল, যে কোনো ঝামেলায়, ধরুন প্রফেসর নিয়ে তৈরী একটা কমিটি কে একটা দাবী পেশ করা হবে, ধরুন বলা হবে, হোস্টেল এর সংখ্যা বাড়াতে হবে আর ওয়াটার কুলার এর ব্যবস্থা করতে হবে, তখন আমাদের মেন সমালোচনা করা হত, এটাতো স্যারদের ভালো ভাবে বললেই হয়ে যাবে, আন্দোলন এর কি দরকার। এবং একেবারে হালের আগে হস্টেলের সমস্যা তীব্র ছিল। তর্কাতর্কি হলেই, কমিটির ডিফেন্সে ছাত্র ইউনিয়ন বা তাদের ব্যক্তি নেতারা। এ মানে আজব অভিজ্ঞতা। স্ট্রাইক ব্রেকিং এর ঐতিহ্য ছাত্র আন্দোলনে বেশ স্ট্রং বাজে আহা উহু করে লাভ নেই।
Avatar: S

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

১) আমাদের দেশে কেউ সায়েন্স বা ইন্জিনিয়ারিঙ্গ পড়তে এই কারণে যায়্না কারণ তার সেই বিষয়টা ভালো লাগে বা তিনি জ্ঞানপিপাষু। যায় কারণ বাড়ির চাপ, স্টেটাস, সহজে চাকরি, বিদেশ ভ্রমণ ইত্যাদি। আম্রিগার মতন অন্য চাকরিতেও সুযোগ আর মাইনে ভালো হলে বা বিদেশে সেটল করার হাতছানি না থাকলে কতজন পড়তে যায়, সেটাই দেখার। মুম্বাইতে খুব কম লোকজন ইন্জিনিয়ারিঙ্গ পড়ে। সায়েন্স আরো কম পড়ে, তার থেকে কমার্স পড়ার দিকে ঝোঁক অনেক বেশি। কারণটা ঐ চাকরিই।

২) অতেব কেউ সায়েন্স পড়ছেন মানেই তিনি খুব বিজ্ঞানমনষ্ক হবেন, এমন না ভাবাই ভালো। নিজে ইন্জিনিয়ারিং পড়েছি। সেখানে ছেলেপিলেদেরকে খুবেকটা যুক্তিবাদি বা মুক্তমনা দেখেছি বলে তো মনে পরেনা। পরে চাকরি করতে গিয়ে বুঝলাম যে তাও যদুপুরে যেটুকু ছিলো, অন্য জায়গায় আরো কম। বরং কি করে সহজে একটা সফ্টওয়ারের চাকরি জুটিয়ে ফেলবো, কিকরে প্রোমোশান পাবো, আর কবে আম্রিগা যাবো, সেটাই সবার মুল লক্ষ্য।

৩) আর ঠিক এইজিনিসটাই প্রাইভেট কলেজগুলো বিক্রি করছে। বেশি নাম্বার, আর সহজে রেকো লেটার। পয়সা ফেলুন, আর এগুলো নিয়ে যান। যাতে চাক্রি পেতে আর বিদেশ যেতে সুবিধা হয়।

৪) পড়াশুনা মানে আজকাল বেশিরভাগই পরীক্ষায় নাম্বার পাওয়া বোঝে। নতুন কিছু জানা, বা নিজের মত ভাবনাচিন্তা করার ক্ষমতা অর্জন করা বোঝেনা।

৫) ছোটোবেলা থেকেই অনেক বাড়িতে শেখানো হয় যে পলিটিক্স, ইউনিয়ন এগুলো খারাপ ব্যাপার। অতেব এরাও তাই শিখেছে। এরা পলিটিক্স আর গ্রুপবাজী ঠিক তখনই করে যখন নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থের ব্যাপার থাকে, কোনও আদর্শ থেকে নয়।

৬) বিদেশ নিয়ে লোকেদের খুব ভুল ধারণা আছে। কারণ যারা দেশ থেকে আসে, তাদের অনেকেই এখানে অ্যাসিমিলেট করতে পারেনা, আসল সমাজটাই দেখতে পারেনা। ৯-৬টা কাজ করে (যেখানে বেশিরভাগ ইন্টার‌্যাকশনই হচ্ছে দেশি লোকেদের সাথে), বাড়ি ফিরে গিয়ে গেম অব থ্রোন্স আর কপিল শর্মা দেখে, উইকেন্ডে অন্য ভারতীয়দের সাথে পার্টি করে, মাস শেষে ভারতে টাকা পাঠিয়ে, ছুটিতে নায়াগ্রা ঘুরে তো আর বিদেশ সম্বন্ধে জানা যায়্না। অতেব দেশের লোকেরা এদের থেকে যা জানতে পারে, তা খুবই সামান্য আর বেশিরভাগ সময়ই ভুল। আর বাকিরা দেশে খুব কম যায় বা বিভিন্ন কারণে মুখ খোলেনা, বাকিরাও জানতে চায়না।

৭) অন্য চাকরি, অন্য লাইনের পড়াশুনা এগুলোর উপরে অনেকরই খুবেকটা ভরসা বা শ্রদ্ধা থাকেনা। কারণ তাঁরা নিজেদের পড়াশুনাটাও শ্রদ্ধা বা বিষয়টাকে ভালোবেসে করেনি। আমি তোর থেকে বেশি মাইনের চাকরি করি/করবো, তার মানেই আমি ঠিক আর তুই ভুল - এরকম চিন্তাভাবনা আমাদের সকলের মধ্যেই অল্পবিস্তর আছে।
Avatar: b

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

উঁহু, না না, সাবজেক্টগুলোর একটা সেন্স অফ হায়ারর্কি আছেই। কনটেন্টে যত গাণিতিক সিম্বল, পেকিং অর্ডার তত উঁচু। এই জন্যে 'এ রাম, আর্ট্স'! আবার আর্টসের মধ্যেও আমি বাওয়া ইকোনমিক্স হুঁ হুঁ।
Avatar: S

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

সেক্ষেত্রে ডাক্তারি পড়তে যাওয়া লোকেদের তো অনেক নীচে স্থান হওয়া উচিৎ। সেরকম তো মনে হয়্না। আর লইয়াররা কি ইকনমিস্টদের উপরে না নীচে? উপরেই তো মনে হয়। তাইলে?
Avatar: pi

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

মুম্বইতে খুব কম লোক ইন্জিনীতারিঙ্গ পড়ে?

দেদির অভিজ্ঞ্তা শুনব কবে?
Avatar: lcm

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

পড়াশোনা করলে চাকরি হবে। চাকরি না হলে ভালোভাবে বেঁচে থাকা মুশকিল হবে। যত ভালো রেজাল্ট তত বেশি টাকার মাইনের চাকরি। তাই পড়াশোনা, তাই টাকা খরচ, তাই ইনভেস্টমেন্ট। কিন্তু প্রতিভা? শুধু প্রতিভা থাকলে হয় না, টাকা খরচা করতে হবে। যেমন টাকা খরচা করবে তেমন রেজাল্ট হবে। যত গুড়, তত মিষ্টি।

ক্যামেরার মতন - যত বেশি মেগাপিক্সেল তত ভালো ছবি। বা, টিভির মতন, যত ভালো স্ক্রিন আবাপতে সুমনের আলোচনাচক্র তত বেশি বুদ্ধিদীপ্ত। বা, মিউজিক সিস্টেম, যত ক্রিস্প আওয়াজ সঙ্গীত তত বেশি শ্রুতিমধুর।
Avatar: dc

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

বা অ্যাটাচির মতোন, যতো বেশী লেখা ততো বেশী নম্বর।
Avatar: ?!

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

অশ্বডিম্ব ছাড়া আর ঠিক কি প্রসব করার ছিল? এই উন্নয়নের ধাক্কাই হজম হচ্ছেনা, আরো আরো উন্নয়ন হলে আর কেঁদে কুল পেতে হতনা। ভালয় ভালয় এই প্রচন্ড পড়াশোনা, হেনতেন আবিষ্কারের ঝোঁক বন্ধ হলে হয়। চাকা উল্টো দিকে ঘোরানো শুরু করতে হবে।
Avatar: আনির্বাণ

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

বিলেত যেতে হবে না, এস এফ আই বরাবরই ম্যানেজমেন্টের পক্ষে কথা বলে এসেছে। যদ্দিন সরকারে ছিল, যাদবপুরে অন্তত তাই দেখেছি। ম্যানেজমেন্টের পক্ষে গিয়ে মেরে আন্দোলন তুলে দেওয়া, যেকোন বিরুদ্ধ মতকে ডিমনাইজ করা (একাংশের আন্দোলন, বহিরাগত গুন্ডাদের আক্রমন ইত্যাদি) এইসব দীর্ঘদিন করেছে। "ওরা আমাদের প্রিয় শিক্ষক-দের মেরেছে" বলে লিফলেট-পোস্টার থেকে শুরু করে বাইরে থেকে লোকজন "শিক্ষার সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে" কেলিয়ে পাট করে দেওয়া - এটাই পলিসি ছিল।
Avatar: sm

Re: প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

এস এফ আই চিরকাল ই মালিকপক্ষের।এ আর নতুন কি কথা! তবে এখনও ওদের নিয়ে আলোচনা হয়!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন