সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কিংবদন্তীর প্রস্থান স্মরণে...
    প্রথমে ফিতার ক্যাসেট দিয়ে শুরু তারপর সম্ভবত টিভিতে দুই একটা গান শোনা তারপর আস্তে আস্তে সিডিতে, মেমরি কার্ডে সমস্ত গান নিয়ে চলা। এলআরবি বা আইয়ুব বাচ্চু দিনের পর দিন মুগ্ধ করে গেছে আমাদের।তখনকার সময় মুরুব্বিদের খুব অপছন্দ ছিল বাচ্চুকে। কী গান গায় এগুলা বলে ...
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ছড়া

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

তুষ্টু গতকাল রাতে বলছিলো - দিদিভাই,তোমার লেখা আমি পড়ি কিন্তু বুঝিনা। কোন লেখা? ঐ যে - আলাপ সালাপ -। ও, তাই বলো। ছড়া তো লিখি, তা ছড়ার কথা যে যার মতো বুঝে নেয়। কে কবে লিখেছে লোকে ভুলে যায়, ছড়াটি বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মা মেয়েকে শেখান, দাদু নাতিকে বলেন। নাকছাবিটি হারিয়ে গেছে হলুদবনে বনে, সুখ নেইকো মনে। কার নাক ছাবি, কেই বা দিয়েছিলো? এত জঙ্গল থাকতে যদি হলুদবনেই পড়ে থাকে সেটা জানা থাকতে খুঁজে পাওয়া এমনই কি অসুবিধার, সাতনরী হার নয়, কানপাশা নয়, তবু কবেকার নাকছাবিটির জন্যে মন কেমন আর ফুরোয় না। অথবা সেই এপার গঙ্গা ওপার গঙ্গা মধ্যিখানে চর, তার মধ্যে বসে আছে শিবু সদাগর - আহারে কি একলা কি একলা। মনের মধ্যে আমিও একলা তুমিও একলা - রাজা একলা, মন্ত্রী একলা - সবার বুকের ধূ ধূ চরে শিবু সদাগর একা বসে! এপার গঙ্গা অপার জল, চোখের জল? নাকি আনন্দধারা? বেরিলি কে বজার মে ঝুমকা গিরা রে - কিন্তু কান্নাটা নেই, খুঁজতেই মজা হবে, সেই ঈঙ্গিত সুরেই বিদ্যমান। ছড়ার মেজাজ খুশিতে ভরা, বিষাদে ভেজা আবার বাস্তবতায় ঝিলিকঝরানো সবরকমই হয়। সমাজের ছবি, লোকচরিত্র, প্রকৃতির ছবি ও কত সুন্দর ফোটে এপার ওপার দুই বাংলা, এদেশ ও দেশ বিদেশ কোথায় ছড়ার আদর নেই? রবীন্দ্রনাথ থেকে নজরুল, অন্নদাশঙ্কর, প্রেমেন্দ্র মিত্র, তারাপদ রায়, পূর্ণেন্দু পত্রী, সত্যজিতের তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম, জসীমউদ্দীন, লীলা মজুমদার, সুখলতা রাও - নাম লিখছি আর ভয় হচ্ছে কাকে যেন বাদ দিলাম?বাদ দেবো না আমার দিদিমণি ত্রিপুরার অপরাজিতা রায়কে - ত্রিপুরায় চড়িলাম, ক্রিয়া নয় শুধু নাম। বিমলেন্দ্র চক্রবর্তী। রমাপ্রসাদ দত্ত ছড়া লিখে বাচ্চাদের দিতেন, আমার কাছেও আছে, আরে বাবা আমিও তো একদিন খুকু ছিলাম, নাকি? কোটেশন দেয়ার লোভ সংবরণ করছি। কলেজে যখন পড়তাম অধ্যাপক ধীরাজ মোহন চৌধুরী বলতেন - শক্তি, নিজের লেখা অকারণে কোটেশন কণ্টকিত করো না। কিন্তু ভালো আর সুন্দর কথা উদ্ধৃত করার লোভ সামলাতে পারতাম না। এখন সায়ন পেছনে লেগেই থাকে - মা আবার কোটেশন? নিজেকে সামলাই, পারি কই। এই তো মনে পড়লো মা'র সঙ্গে স্নান করতে পুকুরে যাচ্ছি - মা বলছেন, কলমি লতা কলমি লতা জল শুকাইলে থাকবি কোথা? থাকুম থাকুম জলের তলে বর্ষা আইলে লাফাইয়া উঠুম। চিরজীবী প্রাণের মন্ত্র। আমাদের আমুদে পরিবারে বড়কাকু ছিলেন একটু গম্ভীর। মুখে হাসি কম। তো একবার আমাকে ন্যাড়া করে দেওয়া হয়েছে, আমি কাঁদছি, এহেন বড় কাকু হেসে বলছেন - বুইড়া বেটি চুল নাই - চাউলের লিগা কান্দে /কচু পাতার ঢিপা ডিঙা মুইড়া খোঁপা বানধে। এখনো কানে বাজে আমার চিরকুমারী স্নেহময়ী মিঠু মাসি নিসঙ্গ বার্ধক্যে কোন স্নেহভাজনকে বলছেন, যখন তোমার কেঊ ছিলোনা তখন ছিলাম আমি, এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি।

তুষ্টুর কথায় এতোটা লিখলাম তুষ্টু দিঠি কেউই বুঝবে না, আমার তো পার্ষদ মাত্র দুজন, এই ছড়া টি আগে তুলে দিই, যদি বোঝে, ভালো লাগে -

বেড়াতে গেছে তুষ্টুবুরু
মন করে তাই উড়ু উড়ু
তুষ্টু যখন বাড়ী আসে
ফুল গাছেরা বেজায় হাসে
কোথায় যে যায় মন কেমন
ভোরের আলোয় রাত যেমন

তুষ্টু এবং বোন যখন
সকাল বিকেল করছে ফোন
কথার মধু ছড়িয়ে পড়ে
একলা ঘরের সকল কোন

আগরতলার মেঘে স্বপ্ন জমে জমে
বৃষ্টি হয়ে পড়ছে ঝরে ঝমঝমঝমঝমে
দিদি যখন বৃষ্টি দেখে
দিঠি করে গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর, নদেয় এলো বান -

দিঠির আকাশ চাঁদের আলোয় রূপোর মতো জ্বলে,
তুস্টু তখন দিনের আলোয় অন্য ছড়া বলে।
সবাই যদি মিলতো এসে একই ছাদের নীচে,
নানা রঙের দুনিয়া দেখা হয়েই যেতো মিছে।

সৃষ্টি যিনি করেন তিনি দুষ্টু তো কম নন,
মানুষকে তাই ছুটিয়ে বেড়ান নগর পাহাড় বন।
নটরাজের নাচন দেখি নানান রকম তালে,
সুখ যে কেমন দোলন লাগায় দুখের গানের পালে।
নাচন রাজা জীবন ঠাকুর নাচালে দিনভর,
শেষ পারানির খুঁজছি কড়ি সন্ধ্যে হবার পর।

সেই কড়িতে থাকবে শুধু একটু রঙ্গীন ছিটে,
তুস্টু-দিঠি র হাসির মতো সরল এবং মিঠে।
পোটলাপুঁটলি ফেলে দিয়ে এখন দিদিভাই,
বলে যাবো -ভালো থাকো আমি এখন যাই ।

47 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: খাতাঞ্চী

Re: ছড়া

-
Avatar: Atoz

Re: ছড়া

কী ভালো লেখা!
আর ওই ছড়াটা আমি শুনেছিলাম একটু অন্যরকম করে, "কলমি লতা কলমি লতা, জল শুকাইলে থাকবি কোথা? / থাকুম থাকুম কাদার তলে, ফাল দিয়া উঠুম বর্ষাকালে"
ঃ-)
মা ময়মনসিংহের মেয়ে, ছোটোবেলাটা কেটেছে ওইখানে মায়ের, ওই ছড়া ওখানেই পাওয়া মনে হয়।
আহ, কতদিন পর আবার শুনলাম। ঃ-)

Avatar: pi

Re: ছড়া

বাহ
Avatar: AS

Re: ছড়া

খুব ভালো লাগল


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন