Arijit Guha RSS feed

Arijit Guhaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মুনির অপটিমা থেকে অভ্র: জয় বাংলা!
    শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে উদ্ভাবন করেন ‘মুনীর অপটিমা’ টাইপরাইটার। ছাপাখানার বাইরে সেই প্রথম প্রযুক্তির সূত্রে বাংলা পেল নতুন গতি। স্বাধীনতার পর ইলেকট্রনিক টাইপরাইটারেও যুক্ত হয় বাংলা। পরে আটের দশকে ‘বিজয়’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে সম্ভব ...
  • সুইডেনে সুজি
    আঁতুরঘরের শিউলি সংখ্যায় প্রকাশিত এই গল্পটি রইল আজ ঃদি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল সুইডেনে সুজি#############পিও...
  • প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা
    টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটির এক অধ্যাপক, সর্বজয়া ভট্টাচার্য্য একটি পোস্ট করেছিলেন। তাঁর কলেজে শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে অবাধে গণ-টোকাটুকি, শিক্ষকদের কোনও ভয়েস না থাকা, এবং সবথেকে বড় যেটা সমস্যা, শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনও ইউনিয়ন না থাকার সমস্যা নিয়ে। এই পর্যন্ত নতুন ...
  • চিরতরে নির্বাসিত হবার তো কথাই ছিল, প্রিয় মণিময়, শ্রী রবিশঙ্কর বল
    "মহাপৃথিবীর ইতিহাস নাকি আসলে কতগুলি মেটাফরের ইতিহাস"। এসব আজকাল অচল হয়ে হয়ে গেছে, তবু মনে পড়ে, সে কতযুগ আগে বাক্যটি পড়ি প্রথমবার। কলেজে থাকতে। পত্রিকার নাম, বোধহয় রক্তকরবী। লেখার নাম ছিল মণিময় ও মেটাফর। মনে আছে, আমি পড়ে সিনহাকে পড়াই। আমরা দুজনেই তারপর ...
  • বাংলা ব্লগের অপশব্দসমূহ ~
    *সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: বাংলা ব্লগে অনেক সময়ই আমরা যে সব সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করি, তা কখনো কখনো কিম্ভুদ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন ব্লগার বা সাধারণের কাছে এসব অপশব্দ পরিচিত নয়। এই চিন্তা থেকে এই নোটে বাংলা ব্লগের কিছু অপশব্দ তর্জমাসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে। বলা ভালো, ...
  • অ্যাপ্রেজাল
    বছরের সেই সময়টা এসে গেল – যখন বসের সাথে বসে ফর্মালি ভাঁটাতে হবে সারা বছর কি ছড়িয়েছি এবং কি মণিমুক্ত কুড়িয়েছি। এ আলোচনা আমার চিরপরিচিত, আমি মোটামুটি চিরকাল বঞ্চিতদেরই দলে। তবে মার্ক্সীস ভাবধারার অধীনে দীর্ঘকাল সম্পৃক্ত থাকার জন্য বঞ্চনার ইতিহাসের সাথে আমি ...
  • মিসেস গুপ্তা ও আকবর বাদশা
    এক পার্সি মেয়ে বিয়ে করলো হিন্দু ছেলেকে। গুলরুখ গুপ্তা তার নাম।লভ জিহাদ? হবেও বা। লভ তো চিরকালই জিহাদ।সে যাই হোক,নারীর ওপর অবদমনে কোন ধর্মই তো কম যায় না, তাই পার্সিদেরও এক অদ্ভুত নিয়ম আছে। ঘরের মেয়ে পরকে বিয়ে করলে সে স্বসম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ ...
  • সমবেত কুরুক্ষেত্রে
    "হে কৃষ্ণ, সখা,আমি কীভাবে আমারই স্বজনদের ওপরে অস্ত্র প্রয়োগ করবো? আমি কিছুতেই পারবো না।" গাণ্ডীব ফেলে দু'হাতে মুখ ঢেকে রথেই বসে পড়েছেন অর্জুন আর তখনই সেই অমোঘ উক্তিসমূহ...রণক্ষেত্...
  • আলফা গো জিরোঃ মানুষ কি সত্যিই অবশেষে দ্বিতীয়?
    আরও একবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের এই চিরন্তন প্রশ্নটার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে -- আমরা কিভাবে শিখি, কিভাবে চিন্তা করি। আলফা গো জিরো সেই দিক থেকে টেকনোক্র্যাট দের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ।দাবার শুধু নিয়মগুলো বলে দেওয়ার পর মাত্র ৪ ঘণ্টায় শুধু নিজেই নিজের সাথে ...
  • ছড়া
    তুষ্টু গতকাল রাতে বলছিলো - দিদিভাই,তোমার লেখা আমি পড়ি কিন্তু বুঝিনা। কোন লেখা? ঐ যে - আলাপ সালাপ -। ও, তাই বলো। ছড়া তো লিখি, তা ছড়ার কথা যে যার মতো বুঝে নেয়। কে কবে লিখেছে লোকে ভুলে যায়, ছড়াটি বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মা মেয়েকে শেখান, ...

গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

টুকরোটাকরা ৪

Arijit Guha

দাদামণি অশোক কুমারের প্রপিতামহ মানে মায়ের ঠাকুরদা ছিলেন ভাগলপুরের রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি।আগেই লিখেছি সে কথা।ছোটবেলায় অশোক কুমার একটা বড় সময় ভাগলপুরে কাটিয়েছিলেন।সেই সময় মাঝে মাঝেই রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি বাচ্চা অশোক কুমারকে ডেকে বলতেন 'অ্যাই ছোড়া, একটা গল্প শোনা'।আসলে অশোক কুমার ছোটবেলায় খুব ভালো বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলতে পারতেন।এবার পরদাদা,মানে প্রপিতামহর নির্দেশে গল্প বলতে শুরু করতেন, 'কাল আমি একটা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলাম তখন কত কত পাখিরা কিচিরমিচির করছিল ময়ূর নাচছিল আমার খুব ভালো লাগছিল।এই সময়ে কি হল জানো,একটা বাঘের গর্জন শুনতে পেলাম।ঘুরে তাকাতেই দেখি একটা বাঘ আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে।আমি তো ভয়ে ছুটে পালাতে লাগলাম।বাঘটা এই ধরে ফেলে ধরে ফেলে,সেই সময়ে আমার দু পাশ থেকে দুটো পাখা বেরিয়ে এলো আর বাঘটা ধরার আগেই আমি গাছপালা ভেদ করে উড়ে উড়ে বাড়িতে চলে এলাম।'
শিবচন্দ্র ব্যানার্জি জিজ্ঞাসা করল, 'বটে, তা তখন আমি কি করছিলাম!এত কিছু হয়ে গেল আমি জানতেই পারলাম না।'
অশোক কুমার বললেন, 'তুমি তো দুপুরবেলা তখন নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছিলে।'
এরকম মাঝে মাঝেই এক বৃদ্ধ আর এক শিশুর গল্প জমে ওঠে।একদিন এরকম গল্পের মাঝেই একজন যুবক ঢুকল।গায়ের রঙ কালো কিন্তু দেখতে খুব সুন্দর।আর সবথেকে উজ্জ্বল তার চোখদুটো।
উনি ঘরে আসতেই শিবচন্দ্র বলে উঠলেন, 'আরে এসো এসো,বসো।তারপর তোমার মামার সাথে সেদিন দেখা হল।খুব দুঃখ করে বলছিলেন জানেন রাজা সাহেব,আমার ভাগ্নেটা কিছু করে না।খুব দুশ্চিন্তায় আছি ওকে নিয়ে।মানুষ হল না।' বলে অশোক কুমারকে দেখিয়ে বললেন এই দেখো এ হচ্ছে আমার নাতনির ছেলে অশোক।
যুবকটি বলল অশোক নামে তো একজন পৃথিবীবিখ্যাত সম্রাটও ছিলেন।
রাজা সাহেব তখন বললেন আমার পুতিও কিন্তু তোমার চেয়ে কম যায় না।ও-ও খুব ভালো গল্প বলে জানো।
যুবকটি শুনে বলল,তাই নাকি?তা বেশ বেশ।আমাকে একটা গল্প শোনাও তো।
অশোক কুমার তখন যুবকটিকে বলল তুমি রুপোর ভাত আর রুপোর পটলভাজা খেয়েছ?
যুবকটি হেসে তখন বললেন,ওসব রুপোর জিনিস দেখলেই খেয়ে ফেলব সাথে সাথে।
দুজনের জমে গেল খুব।

এর অনেক পরে যখন অশোক কুমার সিনেমার হিরো আর তার ছবি পরপর হিট হয় তখন কলকাতার নিউ থিয়েটার্স এর এমডি বীরেন্দ্র সরকার অশোক কুমারকে নিউ থিয়েটার্সে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং অশোক কুমারকে ওনাদের অফিসে আসতে বলেন।
নিউ থিয়েটার্সের অফিসে এসে অশোক কুমার দেখেন বোর্ডের সদস্যরা ছাড়াও আরো একজন কালো মত সুদর্শন লোক বসে আছেন।মাথার চুলগুলো ধবধবে সাদা আর চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে।
ভদ্রলোক অশোক কুমারকে বলে উঠলেন,আমাকে চিনতে পারছ?ছোটবেলায় আমাকে রুপোর ভাত আর রুপোর পটলভাজার গল্প শুনিয়েছিলে মনে আছে?
পাশ থেকে বীরেন্দ্র সরকার অশোক কুমারের সাথে ওনার পরিচয় করিয়ে দিলেন, 'ইনি আমাদের গর্ব শ্রীযুক্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।'
অশোক কুমার নিচু হয়ে প্রণাম করলে পর শরৎচন্দ্র বলে ওঠেন 'ওই রুপোর ভাত আর রুপোর পটলভাজা কিন্তু এখনো জোটে নি।'

এরপর অশোক কুমার সবাইকে বললেন 'শরৎ বাবুর মামা নভেলিস্ট উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় আমার পরদাদাকে খালি বলতেন আমার ভাগ্নেটাকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।কিছুতেই মানুষ হল না।

শেয়ার করুন


Avatar: Arindam

Re: টুকরোটাকরা ৪

প্রমাতামহ?

Avatar: Du

Re: টুকরোটাকরা ৪

ভালো লাগলো পড়ে। আঅরো হোক এরকম।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন