Sakyajit Bhattacharya RSS feed

Sakyajit Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভালোবাসা পেলে
    যেতে পাই না আসতে পাই নাকাঁপন লাগে তাইচুল্লীর কাছে গত গ্রীষ্মেরগল্প বলতে যাই...... নেহাৎ কিছুই নেই এখন, না তাতে আক্ষেপ করছি না। বরং জানি এই না-থাকাটা অনেক জরুরী। একটা কাদার তাল, একটা সাদা পাতা, বেশ একটা মিনিট চল্লিশের নির্ঝঞ্ঝাট অবকাশের তুলনা কমই আছে। কিছু ...
  • সুমনা এবং...
    চার বছরের শিশুর সহপাঠীর উপর ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। খবরটা শুনে বারবার মনে হচ্ছিলো ক্লাস ফোর হলেও ব্যাপারটা কি বিশ্বাস করতে পারা যায়!ছোটবেলা থেকে প্রচুর অল্পবয়সে পেছোনপাকা ছেলে দেখেছি। কামড়ে দেওয়া, জামাকাপড় টেনে খুলে দেওয়া, অনুসন্ধিৎসু হয়ে ...
  • বেশ্যাদ্বার
    বেশ্যাদ্বার (দ্বিতীয় পর্ব)প্রসেনজিৎ বসু"কেন !? কেন এখন সমুদ্রলঙ্ঘন আর সম্ভব নয় ঋক্ষরাজ ?" রাম ও হনুমানের যৌথ প্রশ্নে জাম্বুবান বলতে শুরু করেন -- "প্রভু রঘুবীর ! অবধান করুন। দেবীপূজার লগ্ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আপনার বিজয়কামনায় দেবগণও নিজ-নিজ লোকে ...
  • লড়িয়ে দেবেন না, প্লিজ
    পদ্মাবতী ডিবেটের সূত্রে একটা কথা চার পাশে শোনা যাচ্ছে, যে এ সব পদ্মাবতী ইত্যাদি দেশের আসল ইস্যু নয়। এই মুহূর্তে দিল্লির কৃষক বিক্ষোভটাই দেশের সমস্যা, সেখান থেকে নজর ঘোরাতেই রাষ্ট্র ও মিডিয়া পদ্মাবতীর মত উল্টোপাল্টা ফিল্মি ইস্যু বানানোর কারসাজি করছে। আমি ...
  • আজকের নাটক -পদ্মাবতী
    পরের পর নাটক আসতেই থাকে আজকাল। গল্প সাধারণ, একটা জনগোষ্ঠীর গরিষ্ঠ অংশের অহংকে সুড়সুড়ি দেওয়া প্লট। তাদের বোঝান যে বাকিরা ও তাদের পূর্বপুরুষেরা লুঠতরাজ করে তোমাদের লাট করে দিয়েছিল, আজই সময় হয়েছে বদলা নিয়ে নাও, নয়ত কাল আবার ওরা তোমাদের শেষ করে দেবে। এই নাটক ...
  • বেশ্যাদ্বার
    বেশ্যাদ্বার (প্রথম পর্ব)প্রসেনজিৎ বসুরামচন্দ্র দুর্গাপুজো করছেন। রাবণবধের জন্য। বানরসেনা নানা জায়গা থেকে পুজোর বিপুল সামগ্রী জোগাড় করে এনেছে। রঘুবীর পুজো শুরু করেছেন। ষষ্ঠীর বোধন হয়ে গেছে। চলছে সপ্তমীর মহাস্নান। দেবীস্বরূপা সুসজ্জিতা নবপত্রিকাকে একেকটি ...
  • অন্য পদ্মাবতী
    রাজা দেবপালের সহিত দ্বন্দ্বযুদ্ধে রানা রতন সিংয়ের পরাজয় ও মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ রাজপুরীতে পঁহুছানোমাত্র সমগ্র চিতোরনগরীতে যেন অন্ধকার নামিয়া আসিল। হায়, এক্ষণে কে চিতোরের গরিমা রক্ষা করিবে? কেই বা চিতোরমহিষী পদ্মাবতীকে শত্রুর কলুষ স্পর্শ হইতে বাঁচাইবে? ...
  • আমার প্রতিবাদের শাড়ি
    আমার প্রতিবাদের শাড়িসামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা ,পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয় ,গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয় । খড়ের ,টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের ...
  • টয়লেট - এক আস্ফালনগাথা
    আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল ...
  • মার্জারবৃত্তান্ত
    বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে ...

নারদনিকের নেচার পাঠ

Sakyajit Bhattacharya

ম্যাজিক রিয়ালিজম নিয়ে প্রশ্ন করাতে গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ একবার বিরক্ত হয়ে উত্তর দিয়েছিলেন “ম্যাজিক আবার কি? ইউরোপীয়ানদের কাছে যেটা ম্যাজিক রিয়ালিজম আমাদের কাছে সেটাই বাস্তবতা। আমাদের বাস্তবতায় ঝড়ে একটা গোটা সার্কাস উড়ে গিয়ে আমাজন নদীতে পড়া অথবা তিনমাথা ওয়ালা শিশুর জন্ম নেওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। আপনারা বুঝবেন না”।

কলকাতায় নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা, জলাজমি বুজিয়ে ফেলা, জংগুলে জমি ভরাট করে রিয়েল এস্টেটের অশ্লীল মাথা তোলার প্রতিবাদে যদি আমার মনে হয় প্রকৃতি আস্তে আস্তে দখল নিয়ে নিচ্ছে আমার বাড়ি, আমার পাড়া, আমার এলাকা—সেটা কি সত্যিই ম্যাজিক রিয়ালিজম? সম্ভবত না। শহর কলকাতার উন্নয়নী কালচার বুঝবেই না শহরতলীর প্রকৃতির বাস্তবতা।

শহরতলী আসলে কি? শহরতলী হল শাইনিং কলকাতা বনাম কিছুতেই উন্নয়নের গড্ডলিকায় মাথা না গলাতে চাওয়া নন-কনফর্মিস্ট গ্রামের মধ্যে নো-ম্যানস ল্যান্ডে পড়ে যাওয়া ভ্যাবাচ্যাকা এক অনস্তিত্ব, যার শরীরের নিচে চেপে বসা প্রেশার মাইন একবার আলগা করে দিলেই দিগন্তপ্রসারী ব্লাস্ট ছিটকে এসে তার চরিত্র ছিঁড়ে খুঁড়ে দেবে । নগরায়ণ এসে সব গিলে ফেলবে অথবা শহরতলী মরে গিয়ে গোস্ট টাউন হয়ে যাবে।

আমার পাড়া এখনো শরীরের চাপের ভারসাম্যে বজায় রেখেছে ফাটতে পারার আগের মুহূর্তগুলো। প্রকৃতি এখানে শেষ হাসি হাসে। এখনো এখানে দীঘি। উথালপাথাল মাছ শিকার। জমা জলে মেঘের ছায়া, পাখির ডানার রঙ। জলের ভেতর গা ডুবিয়ে বসে থাকা খাটালের মহিষের শিং-এ জড়িয়ে আছে সবুজ কচুরীপানা, ময়ুর পেখম রং-এর ফুল, কখনো ব্যস্ত ফিংগে পাখি।

বাড়ির চারপাশে প্রহরীর মত ঘিরে থাকে নারকেল, বাদাম, কাপাস গাছ। ব্যালকনি থেকে হাত বাড়িয়ে আম ছিঁড়ে নেওয়া যায়। ডাব পড়ে বহুবার ছাদের সিমেন্টের চলটা উঠে গেছে। বাড়ির সামনে শতাব্দীপ্রাচীন বট। সেখানে ইদানীং বাসা করে থাকে এক প্যাঁচা দম্পতি। প্রতিদিন রাত্রিবেলা ছাদের ওপর দিয়ে উড়ে উড়ে তারা প্রেম করে। কখনো বা জিরিয়ে নেবার জন্য ছাদের কার্নিশ।

বাড়ির পেছনে ইউ টার্ন ওয়ালা বিশাল ঝিল। তার মধ্যিখানে দ্বীপের মত চলে গেছে সার সার বাড়ি। সন্ধেবেলায় ঝিলের চারিপাশে সোডিয়াম আলো জ্বলে ওঠে। বাঁধানো বেদীতে বিশ্রাম নেয় পথচলতি জনতা, সন্ধ্যের হাটুরে, ম্লান চোর এবং বিষাদগণিকারা। বর্ষাকালে নৌকো নামে সেই ঝিলে। শীতকালে আসে পরিযায়ী পাখি।

এবং দশ বছর আগেও জায়গাটা এমন ছিল না। পরের পর মাঠ জুড়ে ফ্ল্যাট উঠছে। জলা বুজিয়ে বাড়ি। গাছেরা ঝরে যাচ্ছিল নিঃশব্দে। কাক ছাড়া কোনো পাখি দেখতাম না। গলফ-গ্রীনের টিভি টাওয়ার ঢেকে তখন প্রতিস্পর্ধায় মাথা তুলছে আরেক সাউথ সিটি-সম গেটেড কমিউনিটি। তারপর কি যে হল, দুম করে এই গোটা অঞ্চল জুড়ে জলা বুজিয়ে ফ্ল্যাট তৈরীর রিয়েল এস্টেট মালিক একদিন আত্মহত্যা করে বসল। আর ধীরে ধীরে শুকিয়ে গেল তার সাজানো বাগান। আধা খ্যাঁচড়া অন্ধকার ফ্ল্যাটবাড়ি আজকাল ভুতুড়ে মাথা হাঁ করে প্রাণপণ নিঃশ্বাস নিয়ে যায়। গোটা কমপ্লেক্স জুড়ে কয়েকঘর মাত্র পরিবার। তারাও পালাতে পারলে বাঁচে। ঝোপ জংগলে আকীর্ণ হয়ে আছে চত্বর। বৃষ্টির জমা জলে সেখানে এখন ঘাসকেউটের বাসা। তারা ঘাসের বীজ ও পোকামাকড় খেয়ে বাঁচে। নিঃঝুম দুপুরে মাথায় যখন জামরংগা মেঘ ভারাক্রান্ত আকাশ থম মেরে আছে, ঠিক সেই মুহূর্তে স্টেটাস কুয়োকে ত্বরিৎ ঝটকায় ঝাঁকুনী দিয়ে আকন্দ ঝোপ থেকে কুনোব্যাং লাফিয়ে পড়ে সুইমিং পুলের অন্ধকার গহ্বরে, যা বর্তমানে অবহেলায় এবং অব্যবহারে এক মজা ডোবার রূপ নিয়েছে। অনাদরে এলিয়ে থাকে বাচ্চাদের খেলার স্লিপ, দোলনা। বহুদিন ধরে সুইমিং পুলের একপাশে কাৎ হয়ে আছে টেডি বীয়ার। তার গায়ে শ্যাওলা জমেছে। পিঠের নিচে জংলা ঘাস। কোনো একদিন ঈশ্বর তাকে কুড়ায়ে নেবে, সেই প্রতীক্ষায় স্তব্ধ।


গোটা অঞ্চলটা জুড়ে প্রকৃতি ধীরে ধীরে তার সাম্রাজ্য বিস্তার করে চলেছে। গেটেড কমিউনিটির গল্পকে রিপ্লেস করে দিয়েছে পুঁটিয়ারির গংগা, আদি অশ্বথ্, পোড়া শিবমন্দির, বিবর্ণ গলি, মনখারাপ নোনাধরা বাড়ি, নিস্প্রভ আলো আর সন্ধ্যে হলেই সেখান থেকে ভেসে আসা নাচের ক্লাসের ধুপধুপ রেডিওর আকাশবাণী, ঘ্যাসঘেসে রোজা জানেমন। নিঃঝুম ভুতুড়ে বাড়ি, বন্ধ কারখানার গেট, মরে যাওয়া চুল্লীর আগুন, অতৃপ্ত মৃতদেহ, ভাংগা বাস। মজলিশ আরা রোডের মসজিদের কবর থেকে জেগে উঠে আসে ভূত। শ্মশান, পদ্মপুকুর, ডাক্তারের বিশাল বাগান জুড়ে তারা ঘুরে বেড়ায়।


কেন সেই মালিক আত্মহত্যা করেছিল কেউ জানে না। নানা প্রকার গুজব রটে। কিন্তু তার পরেই এক শাইনিং সিটি সেন্টারের অ্যাসপিরেশনওয়ালা পাড়া আস্তে আস্তে আবার শহরতলীর রূপে ফিরে গেল। এখন সেখানে আদি গংগার কুয়াশা। অন্ধকার নির্জন রাতে পাড়ার মোড়ে ক্যারম। বোর্ডের ওপরের নিশ্চুপ হলদেটে বাল্বের গা ঘিরে পোকাদের ভিড়।

ঘুমোতে যাবার আগে দেখি, থ্যাপ করে বাদুলে পোকা এসে পড়ে পুরনো ক্যালেন্ডারের ওপর। জানালার পাশে আরেকটু এগিয়ে আসে নির্জন বাদাম গাছ। স্পষ্ট শুনতে পাই ফেকলু পাখির দেয়ালা। কালকেই পেছনের ঝিলের জলে কোঁচ আর জাল হাতে জেলের দল নামবে। দামাল গাছের মাথা ছাঁটতে লোক আসবে। জামরুল আর কাঁচা আমের দর নিয়ে ব্যাপারী আসবে পাশের বড় বাজার থেকে। উদ্ধত উন্নয়ন, হাইরাইজ, শপিং মল এবং ফ্লাইওভারের চকচকে চোখের গল্পের পাশে নিঃশব্দে বয়ে যাবে এক শহরতলীর বিকল্প ডেভেলপমেন্টের গল্প। এখন চাইলেই সময় পেছনে হাঁটবে। এখন অন্ধকার। অনুন্নয়ন। ভাল।



মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 26 -- 45
Avatar: Ekak

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ


এই সমস্ত ফেসিলিটি রেখেও একটা প্ল্যানদ সিটি হতে পারে । যেখানে ট্রান্সপোর্ট থাকবে কিন্তু কালো ধোয়া মুখের ওপর পেদে দিয়ে চলে যাবেনা । চওরা সাইডওয়াক দিয়ে মানুষের হাঁটার নিশ্চিন্তি থাকবে । বাইসাইকেল ট্র্যাক থাকবে গাছের তলা দিয়ে। রেস্তরান্ট এ বসে রাস্তার ধুলোর টপিং এসে পরবেনা খাবারে । নগরায়ন এক জিনিস আর ইঁট পাথরের ঘিঞ্জি বস্তি বানানো আরেক। এগুলো উন্নয়নের নামে পিটুলি গোলা যা নিয়ে আমরা তৃতীয় বিশ্বের লোকেরা শান্ত থাকি । ট্রান্সপোর্ট আর রোড এর অবস্থা যদি সত্যি ভালো হত তাহলে লোকে একশো মাইল ড্রাইভ করে অফিসে আসতো নেইবারহুড থেকে । গ্রামেও বহুতল হোক । হোক না । সমস্যা তো সেখানে নয় । নগরায়ন এর নামে ছোট ছোট পকেটে লক্ষ লক্ষ মানুষ কে ঘর গুঁজে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। একটা করে ইকনমিক জোন হয় আর তার চারপাশে সবাই ফ্ল্যাট খোঁজে । কারণ রাস্তা -ট্রান্সপোর্ট এত বাজে যে রোজ দূর থেকে ড্রাইভ করার কথা ভাবাই যায়না । আমরা যখন বাড়ি কিনি তখন তো শুধু স্পেস টুকুর পয়সা দি না । বাতাস এর পয়সা দি । কিরকম ভিউ পাওয়া যাবে জানলা দিয়ে তার ও পয়সা দি । সামনের গাছে কোকিল ডাকলে তারও পয়সা দি ।তারপর বাতাসে ধোয়া মিশতে থাকে । আন প্ল্যানড বিল্ডিং উঠে ভিউ কেড়ে নেয়।কোকিল পালিয়ে যায় । এগুলো তো লস । আমরা লস গুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবো ক্যানো। সরকারী কর্মচারী রা টাকা খেয়ে প্ল্যান সান্গ্ষণ করবে আর আমরা ক্রমশ একটা দেশলাই বাক্সের মধ্যে চোখ কান বন্ধ করে থেকে যাবো এটা কনসিউমার হিসেবেই আন্কন্শাশ্নেস এর পরিচয় । পিটুলি গোলায় অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া কোনো কাজের কথা না ।
Avatar: dc

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

একদম একমত। নগরায়ন, সবুজায়ন, প্ল্যানড সিটি, এগুলো একসাথে হওয়া উচিত। রাস্তার দুপাশে সারি দিয়ে গাছ লাগানো উচিত, কাছেপিঠে কয়েকটা পার্ক থাকা উচিত। আমি এখন যেখানে থাকি সেখানে গাছপালা, পার্ক সবই আছে। সকালে হাঁটতেও ভাল্লাগে। যদিও সন্তোষপুরের ঘিঞ্জি পরিবেশে বড়ো হয়েছি বলে ওটাও ভাল্লাগে, মানে ছোটবেলার অভ্যেস। তবে এমনিতে রাস্তাঘাটে গাছপালা অবশ্যই থাকা উচিত, তাতে এলাকাটা দেখতেও সুন্দর হয়। কলকাতায় গোলপার্ক থেকে সাদার্ন অ্যাভিনিউর রাস্তাটা যেমন বেশ সুন্দর। তবে সব রকম পরিষেবা হাতের কাছে পাওয়াটাও অবশ্যই একটা ক্রাইটেরিয়ন।
Avatar: যা করিতে হইবে

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

জনসংখ্যার চাপ থাকে শহর বড় হতে থাকবে। এখন কীভাবে বড় হবে, পরিকল্পিতভাবে না উইপোকার ঢিবির মতো সেটা হচ্ছে ব্যাপার।

১. যাদের জমি অধিগ্রহন করা হচ্ছে তাদের ক্ষতিপুরণের টাকা+প্রকল্পে একাধিক ফ্ল্যাট দেয়া হোক। নামকা ওয়াস্তে যতকম দেয়া যায়, আর্বিট্রারি একটা নগন্য অংক ধরিয়ে হাত ধুয়ে ফেলার ট্র্যাডিশন বন্ধ হোক।

২. ধরা যাক একটা বড় এলাকা ১ বর্গ কিলোমিটার জায়গা ডেভেলপ করা হবে। এখন ১ বর্গ কিমি=১০০ হেক্টার=২৪৭একর=৭৫০ বিঘে জমি। এর অন্তত ৩০ থেকে চল্লিশ শতাংশ সবুজ রাখাটা বাধ্যতা মূলক করা হোক। একটা বড় ১০-১৫-২০-৩০ একর কম্পাউন্ডের মধ্যে একাধিক মাল্টিস্টোরিড উঠবে। কিন্তু তাদের মাঝখানে পর্যাপ্ত মাঠ, পুকুর থাকবে। একধারসে সব মাঠ, গাছ, পুকুর বুজিয়ে ডেভেলপমেন্ট নয়।

৩. পুরো জায়গাটার বাইরের দিকে একটা রিং এর কমার্শিয়াল জোন হোক। একদম প্রান্তের দিকের বিলডিং এর নীচে দোকান, উপরে অফিস উঠবে, প্লাস তার সাথে কিছু জায়গায় লাইট ইন্ডাস্ট্রি, ওয়্যারহাউজ, ওয়ার্কশপ, রিপেয়ার শপ, কমার্শিয়াল কিচেন, ট্যাক্সি গ্যারেজ এর জায়গা মার্ক করে রাখা হোক। তাহলে হোয়াইট কলারের পাশাপাশি প্রতিটি হাউজিং এর কিছু ব্লু কলার কর্মীও কাজ পাবেন।
Avatar: Ekak

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

রোডস । রোডস দরকার সবার আগে । এই একটা ডিপার্টমেন্ট থেকে দুর্নীতি কমাতে পারলে ছবি বদলে যেত । রাস্তা হলেই বাকি সব কিছু সুস্থ্য ভাবে হবে । আপনি যদি ঘন্টায় হান্দ্রেদ ফিফটি বেগে ড্রাইভ করার সুযোগ পান একটা ভালো রাস্তা দিয়ে তাহলে আর কলকাতার দেশলাই বাক্স কিনে থাকার দরকার পরবেনা । মানুষজন ছড়িয়ে পরলে ফেসিলিটিও ছড়িয়ে পর্বে । এখন দিন দিন একটা জঘন্য অবস্তা হচ্ছে নগরায়ন এর নামে । রাস্তা নেই , প্ল্যানিং নেই , তার মধ্যে হাজারটা ফেসিলিটি দেওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা , তারই মধ্যে মোবাইল এপস রা অপটিমাম পাথ খুঁজতে গিয়ে আরও জট পাকাচ্ছে সব মিলে সভ্যতার পায়জামায় গিট্টু । প্যান্টে হয়ে গন্ধ ছড়াবে না তো কি হবে ।
Avatar: dc

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

হ্যাঁ একটু চওড়া রাস্তা থাকা একান্ত প্রয়োজন, আর সেই রাস্তায় সাইডওয়াক দরকার যাতে গাছ লাগানো যায়। যদিও একেকর মতো অতো বেশী ছড়িয়ে পড়াটা আমার পছন্দের না :p মোটামুটি চওড়া রাস্তা, গাছপালা, দোকানে ভর্তি, রাত এগারোটায় ইচ্ছে হলো তো জোম্যাটো তে ফোন করে আইসক্রিম আনিয়ে নিলাম, হঠাত দরকার পড়লো তো অ্যামজনের নেক্সট ডে ডেলিভারিতে জিনিষ আনিয়ে নিলাম, ফ্ল্যাটের দোতলা থেকে নামতে নামতে ওলার অ্যাপ খুলে অটো বুক করে রাস্তায় এসে দেখ্লাম অটো দাঁড়িয়ে আছে, এরকম জায়গা আমার ভাল্লাগে। শান্ত নির্জন সুনসান জায়গা তে ঘুরতে যেতে ভাল্লাগে, থাকতে না।
Avatar: pi

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

আর যাঁরা শহরে থাকেন না, তাঁরা মানুষ নন ? ঃ)
Avatar: dc

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

আমাকে বল্লেন? আমি তো শহরে যাঁরা থাকেন না তাঁদের নিয়ে কিছু বলিনি!
Avatar: Ekak

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

শহরের রাস্তায় দোকান করার কোনো প্রয়োজন দেখিনা । শুধু ওয়ারহাউস থাকাই যথেষ্ট । যার দরকার মোবাইলে অর্ডার দেবে । যার মনে হবে মোবাইলের ছোট স্ক্রীন যথেষ্ট নয় , বেশ শপিং মলে ঘোরার অভিজ্ঞতা দরকার , সে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেড সেট ইউস করুক । এই যত্রতত্র হেগে রেখে দেওয়ার মত দোকান পাট দেখলে গা জ্বলে যায় । শহরের লোকের একটা টিপিকাল ব্যাপার আছে । থাকবে শহরে অথচ টেকনোলজি ইউস করতে কান্নাকাটি । এগুলো ঘাড়ে ধরে গেলানো দরকার । দোকান তুলে দিয়ে স্ক্রিন কাস্ট কিয়স্ক বসুক । যাঁদের মোবাইল -স্মার্ট ফোন নেই তারা এটিএম এ ঢোকার মত সেখানে ঢুকে বাজার করবে । দু পা বাদ বাদ এত স্ন্যাকস এর দোকান ক্যানো ? এগুলো তো ভেন্ডিং মেশিন দিয়ে ম্যানেজ করা যায় । একই ভেন্ডিং মেশিন থেকে মাল্টিপল স্ন্যাকস বেরোতে পারে । জাপান ভেন্ডিং মেশিনে ডিম থেকে সুশি সব বিক্রি করছে । রেস্তরান্ট এ বসে খাওয়ার জন্যে তিনগুন বেশি সার্ভিস ট্যাক্স নেওয়া হোক । তাহলে লোকে বাড়িতে আনিয়ে খাবে । যত্রতত্র রেস্তরান্ট খোলা বন্ধ করে মাল্টি স্টরিদ কার পার্কিং চালু হোক । দামড়া দামড়া গাড়ির পার্কিং এর চোটে রাস্তায় চলা যায়না । ইলেক্ট্রনিক কার এর জন্যে চার্জিং স্টেশন দরকার বরং ।
Avatar: Ekak

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

মানে , বটমলাইন এই যে , উন্নয়ন মানে পিন্ডি চটকানো নয় বা বালি মুখ গুঁজে পরে থাকাও নয় । একজন গ্রাম্য মানুষের পুকুরধারে পায়খানা করা ও পচা ডোবা নিয়ে উলুত্পুলুত এর সঙ্গে একজন শহুরের ঘিঞ্জি গলি ও ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে নস্টালজিয়া , এ দুটো একই রোগের দু পিঠ । উন্নয়নের কাজ এই দুটো রোগ কেই দূর করা ।
Avatar: dc

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

নানা আমি দোকান তুলে দেবার একেবারে বিরোধী। আমার ভাল্লাগে সারি সারি দোকান, নানারকম দোকান, খাবারের দোকান, জেরক্সের দোকান, মুদির দোকান, সব্জির দোকান, সেলুন, এটিএম, সবরকম দোকান। আবার তার সাথে সুপারস্টোর, সব্জির রিটেল দোকান, ফ্রুট এন্ড নাটসের দোকান।

টেকনোলজি নিয়ে আমার কোনই আপত্তি নেই, তবে ভিআর টেক চালু হতে এখনো দেরি। অকুলাস রিফ্ট কেমন ঝামেলা ফেস করছে দেখুন। তবে যখন ভি আর কমার্শিয়ালি ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে, যেমন এখন অ্যাপস, তখন আসেত আসেত সিটি ফরম্যাটও পাল্টে যাবে, তাতে আপত্তি নেই। তবে আপাতত দোকান থাকুক। সাথে মোবাইল অ্যাপসও থাকুক, হাজার রকম অ্যাগ্রিগেটিং সার্ভিসও থাক। সব্জির রিটেল সুপারটোরও থাক, আবার বিগ বাস্কেটও থাক।
Avatar: Ekak

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

অ বুঝেছি :) তারমানে আপনি উল্টোদিকের শাক্যজিত । আপনার "ভালো লাগে " বলে স্পেস অকুপাই করে হাজারটা রিডানডান্ট দোকান খোলা থাকবে । তাহলে তো ওদের দাবি ও ঠিকঠাক । পচা ডোবা , কাদা ভরা রাস্তা , জঙ্গলে ভরা ভুতুরে গ্রাম্য কবরখানা এসব ওদের "ভালো লাগে " । বেশ , দুইদল এ কাজিয়া করেন কে কার ঘাড়ে উঠবে :))
Avatar: dc

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

না একটু ভুল বুঝেছেন ঃ)

পচা ডোবা , কাদা ভরা রাস্তা , জঙ্গলে ভরা ভুতুরে গ্রাম্য কবরখানা - এগুলো যাদের ভালো লাগে তাদের ভালো লাগতেই পারে, সেরকম জায়গায় থাকার দাবিও করতে পারে। সে নিয়ে আমার কোন অসুবিধে নেই। আবার আমার মতো অনেকে আছে যাদে হৈ চৈ ভিড় দোকান এসব ভাল্লাগে। রাস্তার ধারে কয়েকটা গাছ, কিছু পার্ক, অসবও ভাল্লাগে। এরকমও অনেক জায়গা আছে, আমাদের মতো লোকেদের এরকম জায়গায় থাকতে ভাল্লাগে। নানারকম লোকের নানারকম পছন্দ, কারুরটাই ভালোও না, খারাপও না। পসন্দ আপনা আপনা। কাজিয়ার প্রশ্নই নেই।
Avatar: Sakyajit Bhattacharya

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

দে, ওই ঝিল সংস্কার হয়ে জেল্লা খুলে গেছে। এখন দেখলে চিনতেই পারবেন না :) বিজি স্যার-ও ভাল আছেন। ওনার ছেলে দুষ্টূদার সাথে একটু আগেই আড্ডা মেরে ফিরলাম
Avatar: T

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

তুমুল হয়েছে লেখাটা, তুমুল।
Avatar: de

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

কবে হোলো সংস্কার - খুব ভালো তো, এই তো মার্চে মিটিংয়ে গিয়েছিলাম কলকাতায় - তখনই তো দেখলাম পানা আর জঞ্জালে ভরা।

স্যারের সাথে দেখা হলে বোলো আমার কথা - আমার আর দেখা করতে যাবার সময় হয়না। দুষ্টুও তোমার দাদা হয়? এতো বড় হয়ে গেছে? তুমি তো শিশু হে!
Avatar: Sakyajit Bhattacharya

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

আপনি কোন ঝিলের কথা বলছেন? আমি বলছি মুচিপাড়ার পুকুরের কথা, যেটা ইউ টার্ন হয়ে চলে গেছে, পেছনটা ধারাপাড়ার দিকে। আমার বাড়ির গা ঘেঁসে সেই পুকুর শুরু হয়েছে। সেটা তো খুব ভাল সাজিয়েছে গত কয়েক বছর। চারপাশে আলো দিয়েছে, পাড় বাঁধিয়েছে, বসার বেঞ্চি করেছে। শীতে প্রচুর মরশুমী পাখী আসে ওই ঝিলে।

দুষ্টুদা আমার থেকে প্রায় আট কি দশ বছরের বড়
Avatar: sm

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

পব কে আমার অনেক টা ইংল্যান্ডের মতন লাগে। আকৃতি, প্রকৃতি, সামাজিক কাঠামো; সব মিলিয়ে।
মিল- যেমন একটাই বড় শহর লন্ডন, আর ইদিকে কলকাতা। বাকি গুলো পুঁচকি।
দু দিকেই বিভিন্ন জাতির লোক থাকে।মোটামুটি ভাবে হারমনি বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। লোকজন অতি উগ্র নয়।
মুশকিল টা কোনদিকে ? মুশকিল টা হলো পয়সা আর রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব।
যেমন ধরুন দোকান। শহর জুড়ে মুদির দোকান, হারডওয়ার, ফার্নিচার, জামাকাপড়ের দোকানে,ট্রাভেল এজেন্সি ,সবজি ও মাছের বাজার আমার কোনটাতেই আপত্তি নেই।
কারণ এরা চেনা পরিচিত; ধারে মাল দেয়, বাড়ির কাছে ; সর্বপরি একটা ফ্যামিলির জীবিকা নির্বাহ হয়।ঘরের কাছে, ঢিল ছোঁড়া দূরত্ত্বে, বাজারে ফ্রেশ সবজি, মাছ, দর করে কেনার আনন্দই আলাদা।
যদি আমার বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে সুপারমার্কেটে এ গিয়ে বাজার করতে হতো; তাহলে ভীষণ অখুশি হতাম।বুড়ো বুড়িরাতো জেরবার হয়ে যেত।
কিন্তু গোল টা কোথায়? না, লোক্যাল কাউন্সিলররা টাকা খেয়ে ফুটপাত জুড়ে দোকান বসিয়ে দিয়েছে। সেখানে চুড়ি-বালা, ফল,মুরগি সব কিছু বিক্রি বাটা হচ্ছে। পুলিশ তোলা তুলছে; কিচ্ছুটি বলছেনা।এরাই সমস্ত অবর্র্জনা জড়ো করে রাস্তায় রাখছে; লোকে ফুটপাথ ছেড়ে রাস্তা ধরে হাঁটছে । একেবারে নারকীয় পরিবেশ! এটা কিন্তু পব স্পেশাল।
হকার দের জন্য আলাদা কর্নার করতেই হবে। ফুটপাথ খালি পথচারীদের জন্য থাকবে।
আর একটা জিনিস হলো, মফস্বল শহর গুলো কে স্বয়ং সম্পূর্ণ করা।সরকারী অফিস,আবাসন কলেজ, স্কুল,এগুলোকে ছড়িয়ে দেওয়া ; যাতে বড় সংখ্যক লোক ওখানে থাকতে বাধ্য হয়।রাস্তাঘাটের মান উন্নয়ন ও প্রয়োজন।
যেমন ধরুন, আসানসোলে আইটি হাব হতে পারে; এটা কোনো ব্যবসায়ী ই বিশ্বাস করেনা।এই বিশ্বাস আনার মূল উপায় হলো; সরকারী উদ্যোগে প্রকল্প চালু করা; যাতে বেসরকারী লোকজনের মধ্যে বিশ্বাস জন্মায়। কোনো রকম অপ্রয়োজনীয় খয়রাতি নয়।
যেমন ধরুন; বর্ধমান শহর। রাস্তাঘাট এত সংকীর্ণ যে গাড়ি চলতে পারেনা। বাস তো দূর অস্ত! খালি রিক্সা, সাইকেল আর টোটো র; রাজত্ব। পবর অনেক শহর ই এইরকম। দরকার পড়লে, মূল শহরের উপকন্ঠে প্ল্যান্ড শহর বানাতে হবে। ইনভেস্ট করতে হবে।লং টার্ম রিটার্ন গ্যারেন্তিদ।
গ্রাম ধীরে ধীরে নিজে থেকেই মফস্বল কে অনুসরণ করবে।
Avatar: de

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

ওইটাই বলছি বোধহয়, ওটার বাঁধানো পাড় ধরে বিজিবাবুর বাড়ি পড়তে যেতাম - ইদিক্কার সব ঠাকুর বিসর্জ্জন যায় ওখানে - জলের কোয়ালিটি জঘন্য, পানা আর জঞ্জালে ভর্তি। আমি ইদানীংকালে ওখানে কোনদিন পাখী দেখিনি, পাতিহাঁস ছাড়া। পুজোর সময়ে ঠাকুর বিসর্জ্জন হয়ে ওটার অবস্থা আরো খারাপ করে দেয়।

শুধু কয়েকটা ত্রিফলা লেগেছে আর দুটো বেঞ্চি বসিয়েছে - সব দিকের পাড় বাঁধানো হয়নি বোধহয়। সোমা চক্কোত্তি এতো ভালো কাজ করেচে বলছো যখন পরের বার বাড়ি গেলেই সার্ভে করে দেখবো।

ইন ফ্যাক্ট, এই রিয়েল এস্টেট মালিকের গল্প টাও শুনতে হবে পাড়ার লোকের থেকে! ইন্টারেস্টিং !
Avatar: Sakyajit Bhattacharya

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

সোমা নয় তো। রত্না শূর।

আমি আর আপনি সম্ভবত একই পুকুরের কথা বলছি না
Avatar: de

Re: নারদনিকের নেচার পাঠ

সে অবিশ্যি হতেও পারে - তবে ওই অঞ্চলে ঝিল ওই একটাই ছিলো। ওই ঝিলের পারের যেদিকটা ধারাপারার দিকে সেই রাস্তা ধরে টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশনের যাবার অটো চলে -

হ্যাঁ, রত্না শূরই হবে, এটা ভুল করেচি - ওটা ১২২ নং নয়।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 26 -- 45


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন