সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • #পুরোন_দিনের_লেখক-ফিরে_দেখা
    #পুরোন_দিনের_লেখক-ফি...
  • হিমুর মনস্তত্ত্ব
    সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে ...
  • এক অজানা অচেনা কলকাতা
    ১৬৮৫ সালের মাদ্রাজ বন্দর,অধুনা চেন্নাই,সেখান থেকে এক ব্রিটিশ রণতরী ৪০০ জন মাদ্রাজ ডিভিশনের ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে রওনা দিলো চট্টগ্রাম অভিমুখে।ভারতবর্ষের মসনদে তখন আসীন দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঔরঙ্গজেব।কিন্তু চট্টগ্রাম তখন আরাকানদের অধীনে যাদের সাথে আবার মোগলদের ...
  • ভারতবর্ষ
    গতকাল বাড়িতে শিবরাত্রির ভোগ দিয়ে গেছে।একটা বড় মালসায় খিচুড়ি লাবড়া আর তার সাথে চাটনি আর পায়েস।রাতে আমাদের সবার ডিনার ছিল ওই খিচুড়িভোগ।পার্ক সার্কাস বাজারের ভেতর বাজার কমিটির তৈরি করা বেশ পুরনো একটা শিবমন্দির আছে।ভোগটা ওই শিবমন্দিরেরই।ছোটবেলা...
  • A room for Two
    Courtesy: American Beauty It was a room for two. No one else.They walked around the house with half-closed eyes of indolence and jolted upon each other. He recoiled in insecurity and then the skin of the woman, soft as a red rose, let out a perfume that ...
  • মিতাকে কেউ মারেনি
    ২০১৮ শুরু হয়ে গেল। আর এই সময় তো ভ্যালেন্টাইনের সময়, ভালোবাসার সময়। আমাদের মিতাও ভালোবেসেই বিয়ে করেছিল। গত ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে নবমীর রাত্রে আমাদের বন্ধু-সহপাঠী মিতাকে খুন করা হয়। তার প্রতিবাদে আমরা, মিতার বন্ধুরা, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সোচ্চার হই। (পুরনো ...
  • আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি- ২
    আমি দেখতে পাচ্ছি আমাকে বেঁধে রেখেছ তুমিমায়া নামক মোহিনী বিষে...অনেক দিন পরে আবার দেখা। সেই পরিচিত মুখের ফ্রেস্কো। তখন কলেজ স্ট্রিট মোড়ে সন্ধ্যে নামছে। আমি ছিলাম রাস্তার এপারে। সে ওপারে মোহিনিমোহনের সামনে। জিন্স টিশার্টের ওপর আবার নীল হাফ জ্যাকেট। দেখেই ...
  • লেখক, বই ও বইয়ের বিপণন
    কিছুদিন আগে বইয়ের বিপণন পন্থা ও নতুন লেখকদের নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম। তারপর ফেসবুকে জনৈক ভদ্রলোকের একই বিষয় নিয়ে প্রায় ভাইরাল হওয়া একটা লেখা শেয়ার করেছিলাম। এই নিয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে বেশ কিছু মতামত পেয়েছি এবং কয়েকজন মেম্বার বেক্তিগত আক্রমণ করে আমায় মিন ...
  • পাহাড়ে শিক্ষার বাতিঘর
    পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ঘাগড়ার দেবতাছড়ি আদিবাসী গ্রামের কিশোরী সুমি তঞ্চঙ্গ্যা। দরিদ্র জুমচাষি মা-বাবার পঞ্চম সন্তান। অভাবের তাড়নায় অন্য ভাইবোনদের লেখাপড়া হয়নি। কিন্তু ব্যতিক্রম সুমি। লেখাপড়ায় তার প্রবল আগ্রহ। অগত্যা মা-বাবা তাকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। কোনো ...
  • আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি
    The long narrow ramblings completely bewitch me....The silently chaotic past casts the spell... অতীত থমকে আছে;দেওয়ালে জমে আছে পলেস্তারার মত;অথবা জানলার শার্শিতে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছে।এক পা দু পা এগিয়ে যাওয়া আসলে অতীত পর্যটন, সমস্ত জায়গার বর্তমান মলাট এক ...

বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। অভিজিৎ রায়ের প্রোফাইল এখনও জ্বলজ্বল করছে ফেসবুকে। পাঁচ ঘন্টা আগে শেষ আপডেট। বিডি নিউজের একটা লেখার লিংক। অভিজিতেরই লেখা। সাত্র নাথিংনেস বিজ্ঞান এসব নিয়ে লেখা একটা ছোট্টো প্রবন্ধ।তার প্রথম লাইন "কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?" আর সেই আপডেটের ঘন্টা পাঁচেক পরে পড়ছি বিডি নিউজেরই আরেকটা লিংক। এটা খবর। "একুশের বইমেলার থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অভিজিৎ রায় ও ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাকে। তাদের দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিজিতের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে, আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তার স্ত্রী রাফিদার।" শুনছি, আহত নয়, মারাই গেছেন অভিজিত। শেষ লেখার লাইনটা শুধু উল্টে গেছে। কিছু থাকার বদলে কোনো কিছুই আর নেই। প্রশ্নটাও থেকেই গেছে। কেন কোনো কিছু থাকার বদলে নেই হয়ে গেছে? কেন?

সোজাসুজি জানার কোনো উপায় নেই। কিন্তু তাও আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। কেন? অভিজৎকে কি আমি চিনতাম? বলা কঠিন। খুব অনুসরণ করেছি তো নয়, মুক্তমনার লেখক হিসেবে একরকম করে চিনতাম। গুরুতে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল, তার কিঞ্চিৎ সম্পাদনা করেছি। দু-চারটি বাক্য বাদ দিয়েছি, নাড়াচাড়া করেছি। মেল চালাচালি হয়েছিল কি? নিশ্চয়ই হয়েছিল, কিন্তু মনে পড়েনা। খুঁজে বার করা যেতে পারে, কিন্তু এখন, ঠিক এই মুহূর্তে খুঁজে বার করতে চাইছিনা। পারবও না, ইচ্ছেও নেই। কখনও সাক্ষাৎ, ফোনে কথাবার্তা? হয়নি। তাহলে কেন লিখছি? কারণ, আমি নড়েচড়ে গেছি। কেন? একটা লোক, যে এতদিন পাশেই ছিল, নেট দুনিয়ায় গা ঘেঁষে ছিল, ইচ্ছে হলেই টুক করে ফেসবুকে একটা মেসেজ কিংবা মেল করে দিলেই ধরে ফেলা যেত, সে তো আমার পড়শীই ছিল এতদিন। আমার পড়শী, আমার পাশের বাড়ির লোক, স্রেফ বাংলা লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় নিজের চিন্তা প্রকাশ করার জন্য লাশ হয়ে যাবে, এটা অচিন্তনীয় না? সন্ত্রাস-টন্ত্রাস তো পৃথিবীর অন্যপ্রান্তের বিষয় ছিল। যা নিয়ে তত্ত্ব করতে হয়, মূল্যবান মতামত দিতে হয়। কিন্তু ঠিক পাশের বাড়ির লোকের মুন্ডু কেটে নিয়ে গেলে কেঁপে যাবনা?

আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, আমি এসবকে এতদিন দূরের জিনিস ভেবেছি। দূরবীন দিয়ে দেখা বৃহস্পতির উপগ্রহের মতো। এই তো কদিন আগে নেটে চেনা এক মহিলার উপরে ফতোয়ার কথা পড়লাম নেটে। মহিলা নিজের অসম্ভব উদ্বেগের কথা লিখছিলেন। চিৎকার করে জানাচ্ছিলেন মৌলবাদীদের কথা। লোকে নানা মতামত দিচ্ছিল। পক্ষে বিপক্ষে। কোন মতামতটা হিন্দু মৌলবাদীদের পক্ষে যাবে, কোনটা বিপক্ষে, এইসব। আমি দূর থেকে বসে দেখেছি, নিস্পৃহতায়। কেন? দূরের জিনিস ভেবেছি বলেই তো। তত্ত্বকথা ভেবেছি বলেই তো। আজ দুম করে সব কাছে চলে এসেছে, আজ আমি মহিলার নাম আর লিখছিনা। ভয়ে লিখছি না। কারণ এসব আর শখের তত্ত্বচর্চা নয়, লেখার জন্য এখন আমার পাশের বাড়ির লোককে কুপিয়ে মারা হয়। মহিলার নাম নিলে, কি জানি, তাঁরও মুন্ডু উড়ে যেতে পারে। বৃহস্পতির উপগ্রহ দূবরীনে দেখার পর গ্যালিলিওর ও এরকমই হয়েছিল নিশ্চয়ই। এটা তো ঠিক মহাজাগতিক ব্যাপার নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহই হোক আর বিশ্বজগৎ, সে তো দূরের কিছু নয়, স্রেফ ওইটুকু দেখার জন্যই মানুষকে যেতে হতে পারে ইনকুইজিশনে।

আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, লেখার জন্য জীবন দেওয়া আর দূরের জিনিস নয়। এ যেন ব্রেখটের নাট্যতত্ত্ব, নিদারুণ বিচ্ছিন্নতায় অন্য একটা নাটকের দৃশ্যাবলী দেখার পর, দুম করে অনুভব করা, আরে এ তো আমারই কথা বলছে। আমার বা আমার পাশের বাড়ির। কিন্তু শুধু সেটুকুই নয়। এখানে রয়ে গেছে আরেক পরত ম্যাজিক রিয়েলিজম। কাঁটাতারের বেড়া। একই ভাষায় কথা বলি, আমি আর অভিজিৎ। বলি নয়, বলতাম। একই বিষয় নিয়ে তক্কো করতাম। করিনি, কিন্তু করতেই পারতাম। ভালোবাসতে পারতাম, ঝগড়া করতে পারতাম। নেট জগতে, গুরুর গ্রুপে, গুরুর পাতায়, যেখানে খুশি। সেজন্যই তো পাশের বাড়ির লোক মনে হয়, হচ্ছে, বা হবে। কিন্তু তারপরেও অভিজিৎ মারা গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। আমি নন্দীগ্রামের মিছিল দেখেছি, কলরবের মিছিল দেখেছি, থাকি বা না থাকি, উত্তাপ নিয়েছি, মতামত দিয়েছি। কাউকে কোথাও একটা জবাব দিয়েছি বলে মনে হয়েছে। আমার জবাব দেবার একটা জায়গা আছে বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এখানে? আমার পড়শী খুন হয়ে গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। কারণ ওটা অন্য দেশের ব্যাপার। ওটা বাংলাদেশ। ওরা ওদের ব্যাপার নিজেরা বুঝে নেবে। কারণ মধ্যে আছে কাঁটাতার। আমার পড়শী খুন হবে, খুন হয়ে যাবে, মাথায় বাড়ি খেয়ে ছটফট করবে, আমারই মাতৃভাষায় চিৎকার করবে, আর আমি কাঁটাতারের এপাশ থেকে জুলজুল করে দেখব। এতেও যদি নড়ে না যাই তো কিসে যাব?

ছোটোবেলায় গণসংগীত শুনতাম। সাথীদের খুনে রাঙা পথে দেখো, হায়নার আনাগোনা। কাঁটাতারের এপার থেকে এখন আমি হায়নার আনাগোনা দেখছি। আমি বহু হাজার মাইল দূর থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে শুধু লিখছি। নিরাপদে বসে। কারণ আমি এটুকুই পারি। মিছিলে আমার অধিকার নেই। ওদের ঝুঁকি ওদের, আমার নয়। ওদের ভূখন্ড ওদের, আমার নয়। আমার হাত-পা বাঁধা। আমার তেমন দুখ নেই, নড়ে-চড়ে যাওয়া আছে। আর আছে একটু ক্রোধ। আর মাঝে-মাঝে ঝিলিক মারছে একটা সুখস্বপ্ন। কোনো ভাবে এই কাঁটাতারটা ওপড়ানো যায়না? মৌলবাদকে রোখা যায়না একসঙ্গে?

এ হয়তো ঠিক লেখা হলনা। কতো কিছু জরুরি কথা বাদ গেল। এবং এ সবই ইনস্ট্যান্ট কফির মতো চটজলদি আবেগের কথা। অফিসের ডেস্কে বসে ১০ মিনিটে লেখা। তবে নড়ে গেছি কথাটা মিথ্যে নয়। আর ক্রোধটাও আশা করি জাস্ট এই কি-বোর্ড পিষেই উবে যাবেনা। বাংলাদেশের বন্ধুরা হাত বাড়ান। সঙ্গেই আছি।



শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10]   এই পাতায় আছে 162 -- 181
Avatar: a x

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

"যাতে অনেক অ্যাডমিন লাইক দিয়েছেন" এই কথাটা বলার কী মানে? বেসিকালি সবার কেন এক বক্তব্য হবেনা এটাই তো? এই দমবন্ধ করা পরিবেশ তৈরি করতে নিজেদের কন্ট্রিবিউশনগুলো মাঝে মাঝে মনে রাখবেন।
Avatar: সিকি

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

কে লাইক দিয়েছে জানি না, জানার দরকার নেই, এই লেখাটার প্রতি আমার স্পষ্ট অপছন্দ এখানেও জানিয়ে গেলাম।
Avatar: amichinigochinitomare

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

কথাটা বাংলায় লেখা। লেখার মানে যখন জানতে চেয়েছেন, কাইন্ডলি নিজের মতো মানে করে নেবেন না। কিংবা নিজের মতো মানে করে নিলে আবার মানেটা জানতে চাইবেন না। এইরকম কলকাতাসুলভ আচরণ কত বিরক্তিকর সেটা আর নাই বললাম। লেখাটার মানে হল অ্যাডমিনরা লেখাটাকে কোনও না কোনও ভাবে এনডর্স করছেন। এর পরও তাঁরা যদি বলেন গ্রুপের নামে বাংলাদেশী লিবারালরা মিথ্যা অপবাদ দেয়, সেটা স্পষ্টতই ভন্ডামি হবে। এই ধরণের লেখা যেখানে তীব্রভাবে কনডেম করা হচ্ছে না সেখানে কোনও বাংলাদেশী লিবারেল লিখতে স্বচ্ছন্দ বোধ করবেন না। বাংলাদেশের লিবারেলদের একটা বইপড়ুয়া গ্রুপে অভিজিৎ রায়ের মৃত্যুর পর গ্রুপের ব্যানার আপডেট করে বিবৃতি দিতে তিনদিন সময় লেগেছে বলে গ্রুপের প্রায় অর্ধেক সদস্য প্রিয় গ্রুপটা লিভ করেছেন বিনা দ্বিধায়। সেখানে এইধরণের লেখা নিয়ে একটা প্রগতিশীল, কিংবা ওনার ঠেস দেওয়া ভাষায় "আলোকপ্রাপ্ত" গ্রুপে সুশীলতা দেখালে সেটা দেখে যাঁরা পথে নেমে প্রতিবাদ করছেন তাঁদের পক্ষে কতটা গা ঘিনঘিনে মনে হয় সেটা বুঝতে চেষ্টা করবেন এই অনুরোধ।
Avatar: pi

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

' এই ধরণের লেখা যেখানে তীব্রভাবে কনডেম করা হচ্ছে না '

তাই ? লেখার নিচে মন্তব্যগুলো পড়ে বলছেন তো ?
Avatar: সিকি

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

একজন অ্যাডমিন ওখানেই নিজের লাইক দেবার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। লাইক করেছিলেন যাতে পরের আপডেটগুলো পেতে থাকেন, পরে সময়মত সেগুলো পড়ে উত্তর দিতে পারেন। বক্তব্যের সঙ্গে তিনি কোনও অবস্থাতেই একমত নন বলে জানিয়েছেন।
Avatar: সিকি

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

যাকগে, ও থ্রেড আমি আনফলো করেছি। নিতে পারছিলাম না।
Avatar: pi

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

আজ সন্ধ্যায় ২৪ ঘণ্টায় অভিজিত রায়কে নিয়ে অনুষ্ঠান আছে।
Avatar: সিকি

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

কটার সময়ে, ডিসি?
Avatar: সিকি

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

সরি, পাই।
Avatar: byaang

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

অভিজিত রায়ের অনুষ্ঠানটা এখন হচ্ছে। সুবোধ সরকার যথারীতি বজ্জাতি শুরু করেছে কালকের অ্যাকাডেমির ঘটনা নিয়ে।
Avatar: pi

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

হ্যাঁ ।
এবং সেই এক কথা, এটা ধর্মের উপর আক্রমণ নয়। মুক্তমনা ধর্মকে আক্রমণ করেনি !
Avatar: mila

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

আপডেট পাওয়ার জন্যে টার্ন অন নোটিফিকেশন কিম্বা একটা কমেন্ট করলেও হয়। লাইক করতেই পারেন কেউ কিন্তু এরকম অদ্ভূত যুক্তি দেওয়া কেন
Avatar: a x

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

আমিচিনি, বুঝতে চেষ্টা করছি। হয়ত বুঝতে পারছিনা - কেননা সত্যিই আমাদের রিয়ালিটি গুলো ভয়ানক ভাবে আলাদা। আমার নিজের গা ঘিন ঘিন করা অনেক পোস্টই এখানে ও ফেবু গ্রুপে পড়ে। কিন্তু সেটা দিয়েই একটি পত্রিকার স্ট্যান্ড দয়া করে বিচার করবেন না। বা সেই পত্রিকা/সাইটের সাথে যুক্ত সবারই এক মনোভাব এরকমটাও ভাববেন না। এই ছাপ মেরে দেবার আগে কথা বলুন, আলোচনা করুন। যাঁর এই নৃশংস মৃত্যুতে সবাই বিচলিত, তিনি হলেও তাই করতেন, তাই না?

Avatar: sswarnendu

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

@Z
কনভার্ট করার কথা আমি কোথায় বলেছি একটু দেখিয়ে দেবেন দয়া করে...
স্ট্র ম্যান খাড়া করে তর্ক করাটা পুরনো টেকনিক... নিছক তর্ক করার জন্যে তর্ক করার বাসনা না থাকলে আমার কমেন্টের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু লিখলে আমার কমেন্টটা পড়ে লিখলেই খুশি হব।

@a x
আপনাকে উত্তর দেওয়ার বাসনা আমার আদৌ নেই... তবে কিনা প্রোফাইলিং এর কথা বললেন তাই স্পষ্টাক্ষরে জানিয়ে যাই... আপনি আমার কাছে ঐ a x দুটো ইংরাজি অক্ষর মাত্র, যা এই ফোরামে লেখেন এমন কারোর নিক ...... আপনি কে আমি তা আদৌ জানি না... তাই আরও কিসব হাবিজাবি বললেন কে কদিন নেট দুনিয়ায় আছে না কিসব সেসব অবান্তর......
"স্বর্ণেন্দু কী দিয়ে আমার হিন্দু ও ধর্মবিশ্বাসী আইডেন্টিটির কথা জানতে পারলেন তা আর জিগালাম না।" -- আমি আদৌ জানতে পারি নি তো... আপনার পোস্টটা স্পোক ফর সাচ অ্যান আইডেন্টিটি... মানে ধর্মবিশ্বাসী বা ধর্ম-অ্যাপোলোজেটিক আইডেন্টিটি। আপনি হিন্দু না মুসলমান না কি আমি আদৌ জানি না।

@ন্যাড়া কে
আদৌ কিছুই লিখব না, গায়ে পড়ে করা অসভ্যতার উত্তর দেওয়া বাহুল্য মনে করি...


Avatar: দ

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

'বইপড়ুয়া' গ্রুপের ব্যানার আপডেট না হওয়ায় এবং আপডেট দেরীতে আসায় অর্ধেক নয় দুজন সদস্য ছেড়েছেন দেখছি। এই মুহূর্তে মেম্বারের সংখ্যা ২৭০৬।
'অর্ধেক মেম্বার' ??
Avatar: ranjan roy

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

এই মুহুর্তে দরকার যত বেশি সংখ্যক মোবিলাইজেশন। ব্যাপক ইউনিটি, যত বেশি সম্ভব একস্বরে কন্ডেম করা, প্রতিবাদ করা, কাউন্টার এবং প্রিভেন্টিভ স্টেপের জন্যে ব্রেনস্টর্মিং ও স্ট্র্যাটেজি খোঁজা।
পারস্পরিক দোষারোপণ ও 'হোলিয়ার দ্যান দাউ' অ্যাটিচুড আমাদের ক্ষতিই করবে।
আমি অক্ষের সাথে একমত যে আজ উনি থাকলে একই প্ল্যাটফর্মে বিবাদী কন্ঠস্বরকে জায়গা দিতেন,--অবশ্যই বিশ্লেষণ করার জন্যে।
Avatar: aranya

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

অভিজিৎ রায় স্মরণ সংখ্যা
http://jolbhumi.blogspot.in/2015/03/blog-post.html
Avatar: pi

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

যেহেতু এই নিয়ে এখানেও তর্ক হয়ে গেছে, এই পোস্টটা এখানেও করে দিলাম।।

এখানে এবং অন্যত্র অনেকবার তর্ক হয়ে গেছে, কেউ বলেছেন ইসলামে শান্তির কথা আছে, যাঁরা ইসলামের নাম করে সন্ত্রাস করছেম, তাঁরা সহি মুসলমান নন তো কেউ কেউ বলেছেন, কোরান যে শান্তির ম্যানুয়াল এ সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ইসলাম মানা বন্ধ না করলে সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্তি নাই। তো, এনিয়ে আগেও কয়েকবার প্রশ্ন করেছিলাম, যাঁরা কোরান পড়েছেন, তাঁরা এনিয়ে কী বলেন। সেভাবে উত্তর পাইনি।
আজ পুরানো একটা টই পড়তে গিয়ে এই পোস্টগুলো পেলাম।


Name: dd Mail: Country:

IP Address : 202.122.18.241 Date:10 Jul 2006 -- 01:39 PM

পরধর্ম সহিষ্ণুতা নিয়ে কোরানে আয়াত আছে প্রচুর। আমরা, মেকলের মান্সপুত্রেরা সেগুলো কোনো দিন পড়ি নি।

কয়েকটা, মাত্র কয়েকটা উল্লেখ করছি।

" ধর্মের জন্য কোনো জবরদস্তি নাই "

" সমস্ত মানবমন্ডলী একজাতি "

" আমি (মুহম্মদ স:) কেনল একজ্‌ন মানুষ, একজন রসুল "

" আল্লাহ্‌ স্পষ্ট ভাবে বলেছেন রসুলের কাজ হলো প্রচার করা ; প্রচার করা ছাড়া রসুলের অন্য কোনো কর্তব্য নেই "

" জোর জবরদস্তি করে নিজ ধর্মমতে অন্যকে দীক্ষা দিতে অল্লাহ্‌র কোথাও নির্দেশ দেন নি "



Name: dd Mail: Country:

IP Address : 202.122.18.241 Date:10 Jul 2006 -- 01:48 PM

পৌত্তলিক দের গালি দিতো যে অধৈর্য্য মুসলমানেরা তাদের প্রতি নির্দেশ :

" এবং যারা আল্লহ্‌কে ছেড়ে যাদের ডাকে তাদের তোমরা গালি দেবে না,কেননা তারা (সীমালংঘন করে) অজ্ঞানতাবশত: আল্লহ্‌কেও গালি দেবে। "

" যে অন্যের উপাসককে গালি গালাজ করে বুঝতে হবে সে তার আল্লহ্‌র প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল নয় "


Name: dd Mail: Country:

IP Address : 202.122.18.241 Date:10 Jul 2006 -- 01:53 PM

এই ছোটো সুরাটো পুরোটাই লিখছি।

" বল, ' হে অবিশ্বাসীগন।

আমি তার উপাসনা করি না যার উপাসনা তোমরা করো।

এবং তোমরাও তাঁর উপাসনাকারী নও - যাঁর উপাসনা আমি করি।
---


eবং আমি উপাসনাকারী হবো না তার, যার উপাসনা তোমরা করে আসছো।

এবং তোমরাও উপাসনাকারী হবে না তাঁর, যাঁর উপাসনা আমি করি।

তোমাদের ধর্ম তোমাদের, আমার ধর্ম আমার কাছে (প্রিয়)। "

http://www.guruchandali.com/amaderkatha/guruchandali.Controller?portle
tId=8&porletPage=2&contentType=content&uri=content1418760311963&conten
tPageNum=1#.VP_TunyUczc

----

তো, এগুলো বিশ্বাস করে যাঁরা নিজেদের মুসলিম মনে করেন, তাঁদের নিয়ে সমস্যা কোথায় ?
Avatar: pi

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

বাংলাদেশ সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কি পরোক্ষ মদত অবশ্যই চিন্তার বিষয়, কিন্ত্তু আবারো একই প্রশ্ন করব। সাধারণ মানুষ এমন নিষ্ক্রিয় , নিরুত্তাপ কেন ? কোনভাবে 'নাস্তিক' তকমা লেগে গেলে কি এতটাই দূরত্ব চলে আসে, তাঁরাও কি মৌলবাদীদের কোনভাবে সহায় , নাকি সাধারণ মানুষও মৌলবাদীদের রোষে পড়ার ভয়ে ?


এর আগে চার্বাক লিখেছিলেন , 'পাশে বন্যা আপা রক্তাক্ত দেহ নিয়েই ডাকছিলেন সামনে গোল হয়ে নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলিকে, কিন্তু সেই মানুষগুলি মস্তিষ্কের খুব ব্যবহারই করে, আর এমন মানুষদের চারণভূমি করাই তো লক্ষ্য ছিল হামলাকারীদের!'

আরিফ জেবতিকঃ

'অভিজিৎকে ধরাধরি করে তুলে দিয়ে আসা গুটিকয় লোকের একজন। আমি তখন কাকে যেন রক্তের জন্য ফোন করছি। একপাশে টেনে নেয় আমাকে। তারপর ফিসফিস করে বলে, "এত রক্ত লাগবে না ভাই। মাথায় কোপ মেরেছে, মগজ বেরিয়ে গেছে।' আমি তার দিকে অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে থাকি। সে ক্লান্ত গলায় বলে, "জানেন আরিফ ভাই। একটা লোকও এগিয়ে আসেনি। সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ছবি তুলছিল।"

আমি ধপ করে ফুটপাতে বসে পড়ি। ল্যাম্পপোস্টে গা এলিয়ে দেই। আমার সামনে সব ঝাপসা হয়ে আসে। ঐ দূরে তখনও মাসুম ভাই, জয়ন্ত দা, আকরাম ভাই মিছিলের জন্য লোক জড় করছে।
আমরা কাছে এর সবকিছুই অকারন মনে হয়।

আমরা এমন এক জনপদে বাস করছি যেখানে দুয়েকজন ঘাতক নয়, সবাই ঘাতক হয়ে উঠেছি।
এখানে প্রতিবাদ প্রতিরোধের কোনো মূল্য নেই। ঘাতকের কথা ভাবি না, তারা আর কয়জন?
কিন্তু আমার জনপদে ঘিরে ধরা একদঙ্গল পশু। মোবাইলে খিচখিচ করে ছবি তুলছে।
এই জঙ্গলে আমি তাদের ভাষা আর তারা আমার ভাষা বুঝবে না কোনোদিন।

আমার বসে থাকা আর অভিজিৎ এর আহত হওয়ার মাঝখানে কয়েক গজ দূরত্ব মাত্র। সেই দূরত্বটুকুতেও গিজগিজ করছে বোধহীন, চিন্তাশক্তিহীন স্থবির পশুর পাল। এই গহন গহীন আঁধারে এসব ঝাঁকঝাঁক মোবাইল ফোনের আলো এড়িয়ে অন্য কোনো আলো জ্বেলে আমি কোনদিনই কোনো গন্তব্যে পৌঁছাব না।
এই চিন্তাশক্তিহীন পশুদের জঙ্গলে এই অন্ধকারে আমাকে এভাবেই বসে থাকতে হবে।

--

কাল হাসিবের ব্লগ থেকেঃ

''এটা করেছে মৃত‍্যু নিশ্চিত করতে। এরপর নাকি পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে ঢুকে তাদের উদ্ধার করেছে। অর্থাৎ বেশ একটা সময় এই তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে হয়েছে। কথা হল পুলিশ আসার আগে প্রতিবেশিরা কী করছিল?'

'গুলির শব্দে পাব্লিক জড়ো না হয় কেম্নে!'
'
Avatar: মাগধী প্রাকৃত/কেনারাম

Re: অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

‘ফারাবীকে কি আমি চিনতাম?’ আসলে ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে’ নামের আড়ালে শাক্যজিৎ (নাকি সাক্যজিৎ বানান?) ভট্টাচার্যের লেখা না হয়ে যায় না। আহা কি মধুর এমন সেক্যুলার অনুশীলন যখন আসলে একটি মুসলিম নামও সঠিক উচ্চারণ করতে পারি না- ‘কোরবান’কেও কোরপান ডেকে ফেলি- বাবা-জেঠু-কাকারা আমার সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন আর পাড়ার পূজা কমিটিরও প্রধান…আমি সেক্যুলার/আমি অনিবার/আমি যাহা মেলে আশপাশে/দুমড়ে-মুচড়ে করি একাকার/আমি সেক্যুলার!

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10]   এই পাতায় আছে 162 -- 181


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন