বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--13


           বিষয় : কে?
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :জিয়াগঞ্জ আপডেট... হত্যাকারী কে?
          IP Address : 236712.158.786712.145 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:37 AM




Name:  কে?          

IP Address : 236712.158.786712.145 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:37 AM

এফবি তে সুমন্ত্র
একটা ধর্মের জন্ম মরুভূমিতে । সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ সেখানে , অজস্র জনজাতির মধ্যে খেয়োখেয়ি সেই প্রাকৃতিক সম্পদকে জয় করার জন্য , আর সেই খেয়োখেয়ির মধ্যে টিকে থাকার একটাই মুলমন্ত্র , প্রতিপক্ষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া ।

আর এই ভয় ঢুকিয়ে দেওয়ার বাইন্ডিং ফোর্স হল একজন সর্বশক্তিমানের মাহাত্ম্য প্রচার করা । আর তার বিরুদ্ধাচারণের শাস্তি ভয়ঙ্কর !! সর্বসমক্ষে পাথর ছুঁড়ে মারা , শিরশ্ছেদ ... এই সব মধ্যযুগীয় প্রথার একটাই উদ্দেশ্য । যারা এই সব বর্বরতা নিজের চোখে দেখবেন , তাদের মেরুদন্ডের মধ্যে দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে যাবে । সর্বশক্তিমানকে চ্যালেঞ্জের কথা যেন কেউ ভুলেও না ভাবে ... সর্বসমক্ষে শাস্তিপ্রদানের বিধান ঠিক এই কারণে ।

চুম্বকে এটিই একটি বহুল প্রচারিত ধর্মের মূল দর্শন । ধর্ম , নাকি ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক সাম্রাজ্যবাদের প্রসার , সে তর্ক না হয় থাক ।

তবে জিয়াগঞ্জ নামে এক জায়গায় এক পরিবারের তিন সদস্যের মৃতদেহের ভিডিওটি ( হ্যাঁ , দেখেছি !! দাঁতে দাঁত চিপে দেখেছি ) দেখার পর বলতে বাধ্য হচ্ছি যে ওই হত্যার মোডাস অপারেন্ডির প্রত্যেকটা স্তরে সেই বিশেষ “দর্শনের” ছাপ দিনের আলোর মত স্পষ্ট ।

উদ্দেশ্য একটাই ... মনে ভয় ঢোকানো । নোয়াখালী থেকে জিয়াগঞ্জ - মোডাস অপারেন্ডি হুবহু এক ।


Name:  কে?          

IP Address : 236712.158.786712.145 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:38 AM

ভাইজনদের বাঁচাতে তিনি উঠে পড়েছেন।
পুলিশ বলছে, 1) শিক্ষক টাকা ঝেড়ে পালিয়ে এসেছিলেন।
2) ডায়রি পড়ে জানা গেছে, অবৈধ সম্পর্কজনিত কারণে মনোমালিন্য চলছিল।
3) জমি-সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ।

এর মধ্যে যে কোনো একটা প্রতিষ্ঠা করে দেবে।

রাজকুমার রায়ের ক্ষেত্রে যেমন, পারিবারিক অশান্তি ও রেলে মাথা দেওয়া প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছে সরকারিভাবে।


Name:  কে?          

IP Address : 236712.158.786712.145 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:41 AM

এফবিতে দীপ্তাস্য
পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সেই দিনই স্থাপন হয়েছে বুঝব যেদিন কোন ইমাম নোয়াখালির জন্য ক্ষমা চাইবেন।

তার আগে অব্দি ইয়ে সম্প্রীতি ঝুটা হ্যায়।

বাঙালি অনেক সহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছে, একতরফা সম্প্রীতির দায় নিয়েছে। বদলে কখনও উপহার হিসাবে পেয়েছে নোয়াখালি, কখনও বা ১৬ই অগাস্টের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং।

বাঙালি শান্তির জন্য ছেড়ে দিয়েছে নিজের দুই তৃতীয়াংশ ভূখন্ড। তারপরেও তারা সম্প্রীতির দায় চোকাতে গিয়ে পেয়েছে কালিয়াচক, ধূলাগড়, বসিরহাট, ক্যানিং, দেগঙ্গা।

বাঙালি মনে রাখুক চোখের বদলে সম্প্রীতি হলে খালি বাঙালিই অন্ধ হবে। কিন্তু চোখের বদলে চোখ বাঙালির আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করবে। সম্প্রীতি কখনও এক তরফা হতে পারেনা। সম্প্রীতি আসে সম্মান থেকে। সম্মান যদি দুই তরফ থেকেই প্রদর্শিত হয় তবেই সম্প্রীতির আবহ তৈরি হয়। নাহলে তা বিনাশ ডেকে আনে। আপনি পুজো মন্ডপে আজান বাজিয়ে সম্প্রীতির ঢেঁকুর তুলে তৃপ্তি লাভ করতে পারেন। কিন্তু তাতে করে সম্প্রীতির চিড়ে ভেজেনা।

তাই যতোক্ষন না কোন ইমাম বা কোন মুসলিম সংগঠন দেশভাগের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী হত্যালীলার জন্য যতোক্ষন না ক্ষমা চাইছেন ততক্ষন সম্প্রীতির চোঁয়া ঢেকুর তোলার চেষ্টা করে কোন লাভ নেই।

মনে রাখবেন "other" ব্যাপারীরা যেখানেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানে অন্য কারুর জায়গা নেই। সম্প্রীতি শব্দটি সেখানকার ডিকশনারিতে নেই। তাই সম্প্রীতি যদি বজায় রাখতে চান "ওদের" দমিয়ে রাখুন। ততক্ষন দমিয়ে রাখুন যতক্ষননা ওরা "নোয়াখালির" জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়।

আর সব কিছুর আগে মনে রাখুন বাঙালি সেই যে কোজাগরী পূর্ণিমায় মা লক্ষ্মীর আরাধনা করে, শক্তি রূপেন মা দুর্গাকে নিজের মেয়ের মর্যাদা দেয়, মা কালীর পায়ে নিজেকে নিবেদন করে।


Name:  কে?          

IP Address : 236712.158.676712.216 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 09:51 PM

Sourav Mukhopadhyay এর পোস্ট:

মহানগরের রাজপথে আসন্ন বিজয়া কার্নিভাল। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে নেতা মন্ত্রী পুলিশ সান্ত্রীদের বিরাট বিনোদন-সমাবেশ। বিসর্জন-হওয়া বাসি প্রতিমাদের নিয়ে সরকারি সার্কাস।
একটু খেয়াল রাখবেন তো, বন্ধুপ্রকাশবাবু ও তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী, আর তাঁদের ফুটফুটে ছেলেটিকে ওখানে দেখা যায় কিনা! ওঁদেরও বিসর্জন হয়ে গেছে দশমীতেই। সার্কাসও চলছে তিনদিন ধরে, একটানা। তিনটি নিরীহ নাগরিকের গলায় চাপাতি চালিয়ে 'দৌড়ে পালিয়ে গেছে' যে খুনি, এখনও তার কোনো পাত্তা নেই। বাহাত্তর ঘণ্টা অতিক্রান্ত।
ইতোমধ্যে, নিহত শিক্ষক কার টাকা মেরে পালিয়ে এসেছিলেন, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কোন্ পরকীয়ার কথা লিখে গেছেন (তিনি খুন হওয়ার পর পুলিশ সামনেই খুঁজে পাবে, এই আশা ছিল বোধহয়), কিংবা তাঁর জমিসংক্রান্ত বিবাদে পরিবারের লোকজন তাঁকে কুপিয়ে থাকতে পারেন--- এমন সব অজস্র বহুমুখী সম্ভাবনার কথা গড়গড়িয়ে বলে দিচ্ছে পুলিশ। কিন্তু যেই বিশেষ একটা পক্ষ দাবি তুলছে, এই খুনে রাজনৈতিক কোনো পটভূমি থাকতেও পারে--- সঙ্গে সঙ্গে তাকে দাবড়ে দিচ্ছে, 'সাম্পোদায়িক' বলে গালাগাল দিচ্ছে সুশীলরা। যেন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় পটভূমিতে কখনও কোনো হত্যা হয়নি এই সোনার উপত্যকায়। সব সম্ভাবনাই এখনও অঙ্কুরে, তবু সেগুলি ঘোষণা করে দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিক ডেকে--- এমনকী প্রায় বিনা প্রমাণে মৃতদের চোর চরিত্রহীন বলে দেগে দেওয়াও চলছে--- কিন্তু মৃত শিক্ষক একটি ধর্মীয়/রাজনৈতিক সংগঠনে যুক্ত ছিলেন এমন একটি খুবই স্বাভাবিক সম্ভাবনার কথা বললেই নাকি দাঙ্গা লেগে যাবে! মাত মাত করে উঠছেন বিশেষ গোষ্ঠী।
কী, না মৃতের ভাই-বেরাদররা বলেছেন, উঁহু, উনি কোনো রাজনীতিতে ছিলেন না। সেইটিই ব্রহ্মবাক্য হয়ে গেল। কিন্তু তেনারা কি এমনও বলছেন যে, ওঁদের দাদার আর্থিক কেলেঙ্কারি ছিল? বা, ওঁদের বৈবাহিক জীবনে তৃতীয় ব্যক্তি ছিল? সেখানে তো তেনারা পষ্ট বলছেন, কোথাও কোনো সমস্যা ছিল না সুভদ্র সুনাগরিক শিক্ষক দম্পতির? সেই স্টেটমেন্ট উড়িয়ে দিয়ে কেন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই সরকারের তরফে কেবল হাইপোথিসিসের মাধ্যমে কলুষিত করা হচ্ছে মৃতের চরিত্র? উল্টোদিকে যদি কেউ বলেন, না, ওসব বাজে কথা--- তিনি রাজনৈতিক হিংসারই শিকার--- সেও তো একটি হাইপোথিসিস মাত্র, তাতে এত ফাটছে কেন মশাই?
সরকারের পুলিশ, তার তদন্ত বিশেষ বিশেষ বিশেষ কেসে কেমন হয় তা আমরা ঢের জানি। প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়ের হত্যাকে এই পুলিশ 'পারিবারিক অশান্তির কারণে আত্মহত্যা' বলে ক্লোজ করেছিল। বন্ধুপ্রকাশের হত্যা মামলাতেও, তদন্ত শেষের আগেই পুলিশের এমন আগ বাড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে নানা ধরনের বক্তব্য রাখা--- আমাদের চোখে সন্দেহজনক ঠেকছে। আশঙ্কা হচ্ছে, খোলা মনে নিরপেক্ষ তদন্তের সম্ভাবনা কমে আসছে, বিশেষ বিশেষ দিক চেপে দিয়ে পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।

কার্নিভালে বিলাসরত কর্তাকর্ত্রীদের--- যাঁরা অশিক্ষিত ঔদ্ধত্যে বলছেন 'বিচ্ছিন্ন ঘটনা, এমন তো বিহার টিহারে কতই ঘটে'--- তাঁদের বাধ্য করা হোক, নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের। স্লোগান উঠুক, 'বিচার পান বন্ধু পাল, বন্ধ থাকুক কার্নিভাল'!


Name:  অপর্ণা সেন          

IP Address : 236712.158.676712.216 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 09:55 PM

<blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Pregnant wife & child of RSS man slaughtered in our own WB! Whatever the reason for such a gruesome act, shame on us! Madam CM! Pls ensure the perpetrators are brought to justice! Irrespective of political inclinations, all citizens of WB are ur responsibility. U are CM to all!</p>— Aparna Sen (@senaparna) <a href="https://twitter.com/senaparna/status/1182514663960932352?ref_src=twsrc%5Etfw">October 11, 2019</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>


Name:  Shame Shame          

IP Address : 236712.158.676712.22 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 02:39 AM

"Whatever the reason for such a gruesome act,"






Name:  হ্যা          

IP Address : 236712.158.566712.199 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 09:49 AM


https://i.imgur.com/mnF7do3.jpg


Name:  শ্রী গোপাল পাঁঠা          

IP Address : 236712.158.12900.150 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 11:11 AM

@কে,

ওরে তোরা ক্ষ্যামতায় এলে আমার নামে একটা ডহর খুলিস। আমি ছিলেম বলেই না তোরা আছিস।

আর দিদি স্টাইলে ফি বচ্ছর একটা 'পাঁঠাশ্রী'পদকও চালু করিস কেমন?


Name:  dc          

IP Address : 237812.68.454512.252 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 12:39 PM

পুজো মন্ডপে আজান বাজানোর আইডিয়াটা কিন্তু বেশ ভালো লাগলো। এরকম করলে খুব ভালো হয়।


Name:  হ্যা          

IP Address : 236712.158.8989.13 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 01:10 PM

মসজিদে গায়ত্রী বাজালে খুব ভালো হয়।


Name:   fb theke          

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 03:55 PM

"জিয়াগঞ্জের কিছু স্থানীয় মানুষ ফেসবুকে লিখছেন যে সাম্প্রতিক খুনের ঘটনা ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং সম্পত্তিঘটিত আকচাআকচির ফল। যে কোন স্বাভাবিক বুদ্ধির মানুষ বোঝে যে ধর্মীয় রাজনীতির কারণে খুন হলে সেই খুন এভাবে একটা পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তাছাড়া সেই শিক্ষক এমন কিছু কেউকেটাও ছিলেন না যে ধরে ধরে "জিহাদী"রা তাঁকেই টার্গেট করবে। কিন্তু এই যে হিন্দুত্ববাদী মিছিল, হোয়াটস অ্যাপ বার্তা, গুজব, এ তো আগুন হয়ে উঠবে। পশ্চিমবঙ্গে একে ঠেকানোর ব্যবস্থা চাই তো। চাই না? সরকারই বা কেন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না? রুমালের নীচে কিছু মানুষের জীবন কোল্যাটারাল ড্যামেজ হিসেবে হাতবদল হয়ে গেছে না কি?"


Name:  fb theke          

IP Address : 236712.158.1234.151 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 03:56 PM

"মিথ্যে দাবী। শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষক ও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের মোমবাতি মিছিল। সেই ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতের প্রোডাক্টে মেড ইন চায়না লিখে ছেড়ে দেওয়ার মতো।
তার প্রতিবাদেও জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকের নিকট শিক্ষক দল হত্যার অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে তথা স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিষিয়ে তোলা তৎপরতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। জেলা কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।"


Name:  fb theke          

IP Address : 236712.158.1234.151 (*)          Date:12 Oct 2019 -- 03:58 PM

বিজেপি ও আরএসএস-এর ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক রাজনীতি। রাজ্যপালও তাতে যুক্ত হলেন!

মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক প্রকাশ পাল এবং তার স্ত্রী ও পুত্রকে নৃশংসভাবে খুন করেছে পেশাদার খুনিরা। ভাষায় বর্ণনার অতীত সেই দৃশ্য। এই দুঃখজনক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সমস্ত অপরাধীর কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছে রাজ্যের গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ।

এদিকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে নিয়ে কুৎসিত সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে নেমেছে বিজেপি ও আরএসএস। ঘটনার অব্যবহিত পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক (শমীক ভট্টাচার্য) জানালেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি"র জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। কিছুক্ষণ পরেই, বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানালেন, মৃত ব্যক্তি আরএসএস নেতা। এরপরই আসরে নামলেন রাজ্যপাল ধনখড়। আরএসএস সূত্রে "খবর সংগ্রহ" করে তিনি বিবৃতি দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন। হতেই পারে, সমস্ত সীমা অতিক্রম করে তিনি ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিলেন। এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই।

মৃত শিক্ষকের ভাই প্রকাশ্যে হাত জোড় করে সকলের কাছে আবেদন করছে, "দাদা কোনদিন কোন রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন না, এই দুঃখজনক মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না।"

এনআরসি প্রশ্নে ধাক্কার পর এই মৃত্যু নিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে নেমে পড়েছে বিজেপি ও আরএসএস । সতর্ক হোন, সোচ্চার হোন।জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডে যুক্ত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক রাজনীতি দূর হটো।

পার্থ ঘোষ


এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--13