বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--5


           বিষয় : কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম শতবর্ষ
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :কল্লোল
          IP Address : 237812.68.454512.198 (*)          Date:18 Aug 2019 -- 10:20 AM




Name:  কল্লোল          

IP Address : 237812.68.454512.198 (*)          Date:18 Aug 2019 -- 10:24 AM

২রা সেপ্টেম্বর ২০১৯, তপন থিয়েটার, সন্ধ্যা ৬টায়।
সকলের আমন্ত্রণ।
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10220034760356936&set=a.401151
7243945&type=3&theater



Name:  কল্লোল          

IP Address : 237812.69.563412.233 (*)          Date:04 Sep 2019 -- 08:02 PM

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10220171824343450&set=pcb.1022
0171875104719&type=3&theater



Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.786712.23 (*)          Date:05 Sep 2019 -- 12:14 AM



কল্লোল'দার নিমন্ত্রণ উপেক্ষা করি সাধ্যিই কি। সেদিন অদ্ভুত ভাবে নানা কাজ পড়েছিল। তবুও গিয়েছিলাম। মিনিট ৫০ মত ছিলাম। সুমিত চট্টোপাধ্যায়, গৌতম বসু ও বিনয় চক্রবর্তী, শুভেন্দু দাশগুপ্তের কথা শুনলাম। পুরো অনুষ্ঠানে থাকা সম্ভব হয়নি। আজ ফেসবুকে দেখলাম। গান, কবিতা পাঠ হয়েছিল।

জয়াদি'র কবিতা শোনা হল না। বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার সঙ্গে পরিচয় নেই। ওঁকে নিয়ে লেখা, আলোচনা হলে জানতে পারব।


Name:  PT          

IP Address : 236712.158.895612.118 (*)          Date:08 Sep 2019 -- 08:36 AM


http://www.epaper.eisamay.com/Epaperimages/892019/08092019-md-em-10/38
221.jpg



Name:  সিএস          

IP Address : 236712.158.782323.11 (*)          Date:09 Sep 2019 -- 12:02 PM

এটা আপতিক নয় যে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যে দুজন কবিকে নিজের কবিতার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় মনে করেছিলেন তাঁদের একজন একজন ছিলেন জীবনানন্দ আর একজন নজরুল। আলোক সরকারের লেখাতেই আছে মনে হয়, যে কবিতার জন্য জীবনানন্দের বাড়ীতে গেছিলেন, সাথে বীরেন্দ্রবাবু, তো তাঁকে দেখে জীবনানন্দ প্রভূত রেগে গেছেন (এই সাক্ষাৎটিতেই ছিল মনে হয়, যে জীবনানন্দ গামছা পরে দু'হাতে বালতিতে জল টেনে নিয়ে যাচ্ছেন ) কারণ ক'দিন আগে বীরেনবাবু একটি লেখায় জীবনানন্দের নামে কটু মন্তব্য করেছেন ! বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনেক বুঝিয়ে জীবনানন্দকে শান্ত করেন যে, না উনি জীবনানন্দকে এবং তাঁর লেখাকে পছন্দই করেন !

এই ঘটনাটিকে ইনস্ট্রাকটিভ মনে করি, কারণ পঞ্চাশের দশকে তরুণ কবিরা যখন জীবনানন্দকে খুঁজে নিচ্ছেন - তাদের আগের প্রজন্ম যারা, ধরা যাক কমলকুমারদের প্রজন্ম, তাঁরা অনেকেই জীবনানন্দকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছেন না, সুধীন দত্ত বা বিষ্ণু দে-র কবিতাই তাঁদের কাছে বেশী মূল্য পাচ্ছে - সেই সময়ে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি ঐ তরুণদের দলে পড়েন না, তিনি কিন্তু জীব্নানন্দকেই পছন্দ করছেন, যদিও বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রধাণ কবিতাগুলি, অন্তত ষাট দশক পরবর্তী কবিতাগুলি পড়ে মনে হতে পারে তিনি হয়ত জীবনানন্দের থেকে দূরের কবিই হবেন। কিন্তু আমার ধারণা দু'জনের মধ্যে সখ্যতা ছিলই যেটা ব্যাখ্যা করা যায়, কবিতায় সূর্য আর তপতী - এই দুটি বিষয়কে নিয়ে দ্বন্দের প্রেক্ষিতে। জীবনানন্দের লেখায় সূর্য আর তপতীর যে দ্বন্দ (এখন তপতীকে নিয়েই কবিতা লিখছেন, পরে কোনদিন সূর্যাশ্রায়ী হবেন ব'লে, চল্লিশের দশকের কোনো একটি লেখা বা চিঠিতে জীবনানন্দের এরকম একটি মন্তব্য ছিল), তো সেই দ্বন্দ কাটিয়ে উঠে সূর্যাশ্রয়ী হওয়ার ব্যাপারটি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখায় ঢের বেশী করে এসেছিল। অবচেতনা থেকে সুচেতনার দিকে যাওয়া (জীবনানন্দের কবিতাতেও সুচেতনা নামটি বা ধারণাটি একাধিক বার এসেছে, আর উল্টোদিকের 'অন্ধকার' কবিতাটি তো আছেই), এই যাত্রাটিকে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখার সাথে মিলিয়ে পড়ে ফেলা যায়, প্রথম দিকের প্রায় স্বপ্নপ্রতিম কবিতাগুলি থেকে পরবর্তী কালের প্রতিবাদী কবিতাগুলিতে পৌছতে উপায় হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন সমসময়ের বাস্তব পরিস্থিতি, অসাম্য, পীড়নের আতঙ্ক আর রাজনীতি। আধুনিক কালের একজন কবির দ্বন্দকে তিনি হয়ত মেলাতে চেয়েছিলেন সমসময়কেই কবিতায় ব্যবহার করে, এড়িয়ে না গিয়ে, ক্রমশঃ কবিতায় প্রতিবাদী চরণের ব্যবহার করে (নজরুল হয়ত এই জন্যই ওনার আর একজন কাছের কবি), ফলে যদিও কিছু কবিতা শ্লোগান হয়েছে কিন্তু 'অন্ন' নামের কবিতাটিতে ঐ প্রতিবাদই প্রায় স্তোত্র হয়ে ঊঠেছে ! সব মিলিয়ে মনে হয়, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর মণিভূষণ ভটাচার্য , এই দুজনেই ষাট-সত্তরের দুই প্রধান কবি যাঁরা প্রতিবাদ আর রাজনীতির সাথে কাব্যকে কিছুটা হলেও সার্থকভাবে মেলাতে পেরেছিলেন।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--5