বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4]     এই পাতায় আছে61--90


           বিষয় : ধর্ম, ঈশ্বর নির্ভরতা ও মানুষের উন্নতি
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :যুক্তিবাদী
          IP Address : 236712.158.8956.74 (*)          Date:11 Jul 2019 -- 03:28 PM




Name:  sm          

IP Address : 236712.158.895612.80 (*)          Date:13 Jul 2019 -- 10:37 PM

আমি আমার জীবনে প্রচুর নাস্তিক এর সংস্পর্শে এসেছি।কিন্তু ভূতে ভয় পায়না বা পায়নি,এমন একজনের সন্ধান ও পাই নি।


Name:  aranya          

IP Address : 236712.158.2367.78 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 10:55 AM

ভুতে ভয় তো আমিও পাই না। বরং খুব ইচ্ছে করে যদি কোন একটা অলৌকিক অভিজ্ঞ্তা হত..
মৃত্যুতেই সব সেশ, এ কথা ভাবলেই ঘোর দুঃখ হয়


Name:  Mridha          

IP Address : 890112.162.674523.154 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 11:23 AM

ধৰ্ম আর ভগবানকে নিয়ে এত বিশৃখলার মধ্যে আমার একটা জিনিস খুব মনে হয়, আমরা সবাই যেন অন্ধের হস্তিদর্শন করছি আর সেই দর্শন নিয়েই মারামারি করে চলেছি । খুব ভালকরে স্মরণ করে যে , নিজের এই বিষয়টায় পড়াশুনা, জ্ঞান দুটো ই সামান্য , এখান ওখান থেকে যতটুকু ভাল লেগেছে এক জায়্গায় করার চেষ্টা করলাম ।

ভগবান খোঁজার প্রথম ধাপ হচ্ছে আমি কে তাকে খোঁজা ? আর তা শেষ হয় ভগবান কে নিজের মধ্যে উপলব্ধি করা দিয়ে। ঈশ্বরকে বোঝার ( understand করা ) অনেক রকম হতে পারে কিন্তু উপলব্ধি স্থান কাল পাত্রে অভিন্ন, শুধু তাই নয় সমস্ত ধর্মেও একই । আর সমস্ত ধৰ্ম নিয়ে মারামারির মূল কারণ যখন উপলব্ধির চেয়ে আমার বোঝা বা আমি যাকে নিজের ধর্ম মানি তার বোঝানোটাই প্রাধান্য পেয়ে যায়। ব্যাপারটা আরও মারাত্ম্যক হয়ে ওঠে যখন সেটা নিয়ে দলতন্ত্র ( politics ইচ্ছে করেই রাজনীতি লিখলাম না ) শুরু হয়ে যায়। কিন্তু ধৰ্ম চর্চার অবহেলিত সত্য এই যে , ঈশ্বরকে উপলব্ধির মধ্যেই যে কোনো ধর্মের সার্থকতা , অন্যথা সব ধৰ্মই অপ্রাসঙ্গিক।

অন্যভাবে বলা যায় আমাদের সবার মধ্যেই ভগবান আছে। অথবা এই জীব জগতের সবার আমিই হচ্ছে ভগবান।তাই যদি হবে তাহলে দুটো প্রাণীর মধ্যে বক্তিত্যর ভিন্নতা কেন ? জন্তু জনোয়ার তো দূরে দুটো মানুষ এক রকম নয় কেন ?
তার করণ, আমাদের উপরে প্রকৃতির প্রভাব আছে, সেই আমির উপরে প্রকৃতির আবরণ পড়ে গেছে । এই আবরণ প্রত্যেক প্রাণীর unique , আমাদের সবার মধ্যের ভগবান সেই প্রকৃতির আবরনের ভেতর দিয়ে নিজেকে প্রকাশ করছে। তাই বাইরে থেকে সবাই আমার প্রকৃতি কেই আমি বলে জানে, আরও আশ্চর্যের ব্যাপার আমি নিজেও সেই প্রকৃতিকেই আমি বলে মনে করি। তো সেই প্রকৃতি কি জিনিস এলই বা কোথা থেকে ? খুব সরল ভাবে বল্লে , পূর্বে ক্রিত কর্ম থেকে। এখন আমদের মধ্যে যে প্রবনতা ( এই মুহূর্তে কিছু করার ইচ্ছা ) তৈরী হয় বা আমার এই মুহুর্তে কি করার ইচ্ছে জাগবে তার অনেকটাই প্রভাবিত হয় আমার প্রকৃতির দিয়ে।

কিন্তু আমার ইচ্ছে জাগলেই যে আমি নিজেকে তাই করতে দেব তাই কিন্তু নয়। তাহলে আমার প্রকৃতিই যে আমি তা তো নয়। আরেকটু এগোলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে , এক জীব থেকে আরেক জীবের বা মানুষের মধ্যেও গুনগত পার্থক্য, বা চেতনার বিকাশের পার্থক্য হচ্ছে কে প্রকৃতির তাড়নাতেই চলে আর কে কতটা নিজের প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

আবার সময় এর সঙ্গে সমস্ত প্রানীর ( মানুষ, জন্তুজনোয়ার সবার ) প্রকৃতি বদ্লায়। তবে প্রশ্ন হল আজ আমার যে প্রকৃতি এটা এলো কোথা থেকে। একটু ভাবলেই দেখা যাবে এর বড় অংশ এসেছে আমাদের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে। আমাদের পরিবারের , আমাদের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সংশ্রব থেকে। কিন্তু কিছুটা যেন এর বাইরের, যেটাকে ধারণা করা হয় আমাদের পূর্ব জন্ম থেকে প্রাপ্ত ।

আমাদের জাগতিক কর্ম জীবনের লক্ষ, যা একসময় ( Graduation Party) উপনয়ন এর সময় কানে কানে স্মরন করিয়ে দেওয়া হত তা ছিল सो हम् (সোহম ), in other word express your inner god for others and realize your inner god for yourself। আর আমদের আধ্যত্মিক জীবনের লক্ষ হচ্ছে আমাদের প্রকৃতিকে বিলিন করে দেওয়া সেই ঈশ্বর এর প্রকাশ নিজেদের ভিতর থেকে করা ।

জীব আর ঈশ্বর এর ব্যাখ্যার এই শ্লোকটা আমার খুব পছন্দের , এটা দিয়েই লেখাটা শেষ করি

ॐ पूर्णमदः पूर्णमिदम् पूर्णात् पूर्णमुदच्यते |
पूर्णस्य पूर्णमादाय पूर्णमेवावशिष्यते ||
ॐ शान्तिः शान्तिः शान्तिः ||

- Om, whatever we are seeing ( here seeing may not be very correct word, it is not what we are seeing outside, it is something what we see as me) is complete, whatever is beyond of our comprehension ( what people describe as God) is also complete,

যাঁকে আমরা সম্পূর্ণ ধারণা করে উঠতে পারিনি এখনো অর্থাৎ ঈশ্বর তিনি স্বয়ং সম্পূর্ণ , কিন্তু আমরা যাকে আমি বলে জানি , সেও স্বয়ং সম্পূর্ণ...আমার মনে হয় আধ্যাত্ম জগতের the most powerful statement is this.......ওই অনন্তের অংশ আমরা, আমাদের মধ্যে অনন্তের সমস্ত গুন ঠিক ততটা পরিমান বিরাজমান যতটা সেই ঈশ্বর, যাঁকে সমস্ত আস্তিক বিশ্বাস আরাধনা করে এমনকি সমস্ত নাস্তিক বিশ্বাস ব্যক্তিগত ভাবে যেই গুনের অধিকারীকে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে , তা আমাদের নিজের মধ্যেই আছে ......... পার্থক্য শুধু অনুভূতি আর প্রকাশে ...... অন্য ভাবে বললে আমাদের মধ্যে আছে তবে সুপ্ত ....তাঁকে জানা আর প্রকাশ করাতেই জীবনের সার্থকতা।

From that completeness only this completeness appeared.This completeness is like infinity in mathematical concept, no matter whatever way we distribute it, only completeness remains. And then finally it reminds..
Om, Peace peace peace

https://sites.google.com/site/psmridha/articles/what-is-over-there


Name:  dc          

IP Address : 236712.158.895612.132 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 12:00 PM

This completeness is like infinity in mathematical concept

এখানটা ঠিক বুঝতে পারলাম না, আরেকটু লিখলে ভালো হয়। ম্যাথামেটিকালি তো ইনফিনিটি নানা প্রকারের হয়, যেমন ধরুন ক্যান্টর দেখিয়েছিলেন অ্যালেফ নাল বা অ্যালেফ ওয়ান, মানে কাউন্টেবলি বা আনকাউন্টেবলি ইনফিনিট ইত্যাদি। এখানে কোন প্রকারের ম্যাথামেটিকাল ইনফিনিটির কথা বলেছেন?


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.147 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 09:37 PM

স্কটল্যান্ডের ভূতের জন্য রামনাম না করে যদি স্কচনাম করা হত, তাহলে কি কাজ হত? ঃ-)


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.565612.19 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 10:03 PM

😊.ডিউটি তে থাকতুম যে!


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.137 (*)          Date:14 Jul 2019 -- 10:16 PM

একটা খানাপিনার অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করে নিলে পারতেন। কাজের শেষে ভূতের সঙ্গে বসে স্কচ খাওয়া কিন্তু বেশ থ্রিলিং হত। ভূত বলে কি মানুষ নয়? কম্প্যানি হয়তো তারও দরকার। ঃ-)


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 236712.158.895612.192 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 04:25 PM

মৃধা,
আপনাকে তিনটে প্রশ্নঃ
১ যদি আপনি ও আমি একই অনন্তের অংশ, তাহলে ধর্ম আপনার জন্যে উপনয়নের ব্যবস্থা রেখেছে, আমার জন্যে রাখে নি কেন?
২ সমস্ত নারী ও পুরুষ একই অনন্তের অংশ; তবে নারীদের উপনয়ন হবে না কেন?
৩ ঈশ্বর ও মানবজীবনের সম্পর্ক ইত্যাদি নিয়ে মাঞ্জার জট ছাড়াতে হলে আগে দরকার আপনি ঈশ্বর বলতে কি ভাবছেন সেটা ডিফাইন করা। কোন সর্বসম্মত সংজ্ঞা নেই যে।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 124512.101.89900.123 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 04:40 PM

এস এম,
ফাউল! ফাউল!
আপনার দেওয়া লিং আবার দেখুন । তার হেডিং বলছে ইন্ডিয়ান ফিলজফি, হিন্দু ফিলজফি নয় ।
এবং তার নীচে 'হিন্দু ফিলজফি' বোলে অ্যার একটা লিং দেওয়া আছে , সেটাতে স্পষ্ট করা যে হিন্দু ফিলজফি বলতে শুধু বেদে আস্থাবান ষড়দর্শনকেই বোঝায়।
তবে 'ভারতীয় ফিলজফি' বললে কোন কথা নেই ।
আপনিও কি শেষে ভারত মানে শুধু 'হিন্দু ভারত' এই কন্সেপ্টের পক্ষে?


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 06:38 PM

আবার লিংক দিচ্ছি।সর্বদাই হিন্দু ফিলোসফি উল্লেখ করছে।ষড় দর্শন ছাড়াও নাস্তিক দর্শন এর কথাও উল্লেখিত আছে।এক প্যারাগ্রাফ এর মধ্যেই সব কিছু দেওয়া আছে।
সুতরাং কোন ফাউল ই হয়নি😊
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Hindu_philosophy


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 236712.158.455612.36 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 06:58 PM

এস এম,
আপনার লিং থেকেঃ
While Buddhism and Jainism are considered distinct philosophies and religions, some heterodox traditions such as Cārvāka are often considered as distinct schools within Hindu philosophy।
দেখুন, চার্বাককে নাস্তিক বলেও হিন্দু দর্শনের অন্তর্গত আলাদা মতবাদ ধরা হয়েছে। কিন্তু বৌদ্ধ এবং জৈনকে স্পষ্ট করে আলাদা দর্শন এবং আলাদা ধর্ম বয়লা হয়েছে।


Name:  sm          

IP Address : 124512.101.780112.71 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 07:32 PM

রঞ্জনবাবু এখানেও বোধ হয় একটু বুঝতে ভুল হচ্ছে।চার্বাক নাস্তিক দর্শন।কিন্তু আলাদা ধর্ম নয়।বৌদ্ধ ও জৈন আলাদা ধর্ম।এঁদের দর্শন ও হিন্দু দর্শনের আস্তিকতা কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সৃষ্টি হয়েছে।তাই বোধ হয় আলাদা দর্শন বলা হয়েছে।কিন্তু হিন্দু দর্শনের সঙ্গে প্রচুর সিমিলারিটি রয়ে গেছে।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 07:47 PM

এস এম।
অবিনশ্বর আত্মা, জন্মান্তরবাদ, সর্বশক্তিমান সর্বজ্ঞ ঈশ্বর ।
এই তিনটে হল হিন্দু ধর্ম এবং দর্শনের স্তম্ভ। জৈন এবং বৌদ্ধ দর্শন এই তিনটে ক্ষেত্রেই অন্য অবস্থান নিয়েছে। তাহলে অ্যার বাকি রইল কি ?


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.455612.36 (*)          Date:15 Jul 2019 -- 07:57 PM

কর্মফল ভোগ।এটা আপন করে নিয়েছে।আবার পুনর্জন্ম বা জন্মান্তর ইস্যুটাও গুঁজে দিয়েছে।
নাকী ভুল বললাম?
নিজ গুনে মার্জনা করবেন।


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.143 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 01:56 AM

আরে বৌদ্ধধর্মে তো পরের দিকে বহুরকম দেবদেবী পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। তারা, নীলতারা, অমুক তমুক ইত্যাদি নানা দেবদেবী।
হীনযান মহাযান থেরবাদী অমুক তমুক কত শাখাপ্রশাখা হয়ে সে এক তুমুল বহুলিথিক কেস হয়ে গেছে। আর জাতকের কাহিনি দেখলে তো একেবারে রেকারিং ডেসিম্যাল। জম্মের পর জন্ম ধরে বোধিসত্ত্ব একবার হাতি হয়ে জন্মাচ্ছেন, একবার হরিণ, একবার রাজপুত্র, একবার কৃষকপুত্র, একবার মাছ, একবার সিংহ .... জন্মান্তরের একেবারে যাকে বলে পৌনঃপুনিক কেস। ঃ-)


Name:  S          

IP Address : 237812.69.3434.214 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 02:46 AM

ভগবান আছে কি নেই সেই নিয়ে মুল বৌদ্ধ ধর্মের কি বক্তব্য? আদৌ কোনও বক্তব্য আছে কি?


Name:  S          

IP Address : 237812.69.3434.214 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 02:59 AM

আমি যা বুঝেছি তা হলো জীবনের/কাজের আউটপুট তোমার ইনপুট + আদার আনকন্ট্রোলেবল ফ্যাক্টরস দ্বারা নির্ণয় হবে। ধরে নাও আদার আনকন্ট্রোলেবল ফ্যাক্টরস অ্যাজ আ হোল ভগবানের কম্ম, অতেব ওটি তুমি পাল্টাতে পারবেনা (তাই আনকন্ট্রোলেবল), তাই সেই নিয়ে ভেবোনা। বরং নিজের কাজটি (ইনপুট) ভালো করে করো। নইলে এনভায়রণমেন্ট তোমার ফেভারে থাকলেও ভালো ফল পাবেনা।


Name:  S          

IP Address : 237812.69.3434.214 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 03:03 AM

লাইফ অব পাইতে লাস্টে একটা দারুন এক্সপ্লানেশন ছিলো।


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.151 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 03:08 AM

বৌদ্ধধর্ম নিয়ে একজন গুর্চতে চমৎকার একটা পোস্ট দিয়েছিলেন, টেনশানের সময় ওটা খুব কাজে লেগেছিল রোল্যাক্স করতে। বক্তব্যটা ছিল অনেকটা এইরকম, "আরে দূর দূর, জরা ব্যাধি মৃত্যু কোনোটার কোনো কিনারা তো করতে পারলেনই না, মাঝখান থেকে অহিংসা ফহিংসা চৌষট্টি ফৈজৎ।"
ঃ-)


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.143 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 04:27 AM

বৌদ্ধধর্ম নিয়ে একজন গুর্চতে চমৎকার একটা পোস্ট দিয়েছিলেন, টেনশানের সময় ওটা খুব কাজে লেগেছিল রিল্যাক্স করতে।
বক্তব্যটা ছিল অনেকটা এইরকম, "আরে দূর দূর, জরা ব্যাধি মৃত্যু কোনোটার কোনো কিনারা তো করতে পারলেনই না, মাঝখান থেকে অহিংসা ফহিংসা চৌষট্টি ফৈজৎ।"
ঃ-)


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.895612.80 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 09:34 AM

গৌতম বুদ্ধ কিন্তু মুক্তির কথা বা সল্যুশন বলে গেছেন।
ওনার তত্ত্ব অনুযায়ী জ্বরা, ব্যাধি ও মৃত্যু হলো জীবনের তিনটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
মানুষ তার কর্ম (ইন্টেনশন) অনুযায়ী কর্মফল ভোগ করে।জীবনের তিনটি অবিচ্ছেদ্য পরিণতির সম্মুখীন হয়।পুনরায় নতুন জীবনে (জন্মান্তর)সেম চক্র চলে।
এই যে সত্য কথা বলা,অহিংসা,সদ আচরণ প্রভৃতি প্রিন্সিপল এর কথা বলেছেন,সেগুলি পালন করলে এই চক্র থেকে মুক্তি মেলে।
অর্থাৎ সৎ কর্ম ,সংসার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ।
খারাপ আইডিয়া নয়।বেশ ভালোই।
রঞ্জনবাবু, আরো কিছু জানান।



Name:  rivu          

IP Address : 237812.69.2367.141 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 10:40 AM

অবিনশ্বর আত্মা, জন্মান্তরবাদ, সর্বশক্তিমান সর্বজ্ঞ ঈশ্বর ।

এই তিনটে সম্পর্কে বৌদ্ধ বা জৈন ধর্মের মতামত স্পেসিফিকালি কি? কেউ একটু লিখবেন?


Name:  dc          

IP Address : 124512.101.89900.159 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 10:47 AM

এই তিনটে নিয়ে বৌদ্ধ আর জৈন ধর্মের স্পেসিফিক মত এরকমঃ

এক সর্বশক্তিমান সর্বজ্ঞ ঈশ্বর ছিল/আছে/থাকবে। সে/সেটা/ওটা অবিনশ্বর আত্মা বানিয়েছে। আর জন্মান্তরবাদ নামের একটা সিস্টেমও বানিয়েছে, যাতে অবিনশ্বর আত্মাগুলো জন্মাতেই থাকে, জন্মাতেই থাকে।

এই তো হলো ব্যপার।


Name:  S          

IP Address : 236712.158.676712.124 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 10:49 AM

বৌদ্ধ ধর্মে আদৌ ভগবান আছেন সেরকম কিছু কি লেখা আছে?


Name:  dc          

IP Address : 124512.101.89900.159 (*)          Date:16 Jul 2019 -- 10:53 AM

বৌদ্ধ ধর্মে বোধায় অনেক ভগবান ভুত পেত্নী দৈত্য দানোর কথা আছে, কিন্তু বুদ্ধ হলো রিয়েল ডিল।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 236712.158.565612.19 (*)          Date:17 Jul 2019 -- 12:23 AM

@এস,
আমাদের শিবাংশু দে বুদ্ধ, তাঁর জীবন এবং দর্শন নিয়ে দশবছর অনুসন্ধানের পর এক পেল্লায় বই লিখেছেন "বুদ্ধ" নামে, ঋতবাক প্রকাশন থেকে এবারের বইমেলায় বেরিয়েছে। তাতে কাল্পনিক গল্প, মিথ এসব বাদ দিয়ে ডকুমেন্টেড হিস্ট্রি এবং তার উৎস ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
তাতে চারটে মহাসংগীতি এবং ক্রমশঃ হীনযান/মহাযানের উদ্ভব, তায় বজ্রযান ডাকিনীযান সব নিয়ে তথ্য এবং বিশ্লেষণ আছে ।
আমি গত মাসে একটা টই খুলে এ নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কিছু বকবক করেছি।

গোদা বাংলায় বললে আদি বৌদ্ধধর্ম ঈশ্বর --অর্থাৎ বিশ্বব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি-পালন-বিনাশকর্তা বা নৈতিক বিধানের কর্তা -- মানে না । কোন শাশ্বত সত্য মানে না । দেহের অতিরিক্ত আত্মা মানে না । নিজেদের বোলে অনাত্মবাদিন। এবং ক্ষণিকবাদী। এঁদের মতে সমস্ত কিছুই পরিবর্তনশীল এবং ক্ষণিক। বুদ্ধ স্ব্য়ং ঈশ্বর আত্মা এসব নিয়ে আলোচনা সময়ের অপব্যয় এবং নিরর্থক মনে করতেন।
এঁর মতে জীবন দুঃখময়। দুঃখের নির্দিষ্ট কারণ আছে , যেমন আকাঙ্খা ।
সেই কারণ দূর করা যায় , সেই সৎমার্গ মেনে জীবন যাপন করলে ( অতি বাদ দিয়ে মধ্যপন্থা) ক্রমশঃ আকাঙ্খাহীন হয়ে নির্বাণ প্রাপ্তি সম্ভব। আসলে এটা প্রচলিত ধর্মের চেয়ে আলাদা--বেসিক্যালি নৈতিক জীবন যাপন ও চিন্তার উপর জোর দেয় । অবশ্য পরে এঁরাও বিভিন্ন যানের অনুগামী হয়ে তন্ত্রমন্ত্র ,ভূত-প্রেত, দেবদেবী, বিশাল মঠ সবই ব্যাক ডোর দিয়ে নঈয়ে আসেন। তার মাঝে কয়েক শতাব্দী গড়িয়ে যায় ।
ঠিক যেন মার্ক্সের সময়ের কমিউনিস্ট পার্টি ও আজকের কমিউনিস্ট আন্দোলন।
আচার্য ধর্মকীর্তি বলছেনঃ
আত্মায় বিশ্বাস, জাতিভেদে বিশ্বাস, যাগযজ্ঞ বলিতে বিশ্বাস, দানে পুণ্যলাভে এবং বিশেষ নদীতে স্নানে পুণ্যলাভে বিশ্বাস -- এসব হল মূর্খতার লক্ষণ।


Name:  S          

IP Address : 236712.158.566712.225 (*)          Date:17 Jul 2019 -- 03:51 AM

রঞ্জনদা, ধন্যবাদ। এইটা আমিও শুনেছি যে ঈশ্বর আছে কি নেই সেই ব্যাপারে বৌদ্ধধর্ম চুপ। সেইজন্যই প্রশ্নটা বারবার করছিলাম।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 124512.101.89900.159 (*)          Date:17 Jul 2019 -- 06:13 PM

জৈন ধর্মের আধার হল এক খটো মটো নাস্তিক্য দর্শন।
শুধু বেদবিরোধী বোলে নয় , জৈন মেটফিজিক্সে ঈশ্বরের কোন রোল নেই ।
এরা মানে দুটো তত্ত্বকে --জীব( আত্মা) এবং অজীব (অনাত্মা)। অজীব আবার পাঁচ রকম-- কাল, আকাশ, পুদ্গল ( জড়পদার্থ), ধর্ম এবং অধর্ম।
এই দর্শন যে শুধুমাত্র ঈশ্বর মানে না তাই নয় , এরা ন্যায় এবং অন্য দর্শনের ঈশ্বরবাদী যুক্তিকে খন্ডনে পাতার পর পাতা আরগুমেন্ট করেছে।
এদের হিসেবে ভুল কাজ (পাপ) ইত্যাদি করার ফলে জীব অজীবের ফাঁসে আটকে যায় । একমাত্র সঠিক জ্ঞান, সঠিক অনুভব, এবং সম্যক কার্য বা ব্যবহারের সমন্বয় হলে এই চক্র ঠেকে বেরিয়ে জীবের মুক্তি হয় ।
খেয়াল করুন, জৈন দর্শনের জীব (আত্মা) কিন্তু বহু (প্লুর‍্যাল); বেদান্তের মত একমেবাদ্বিতীয়ম না । কিন্তু এদের ধর্ম গুরুমুখী।
এরা জিনেন্দ্র বা মহাবীর পার্শ্বনাথ আদি নিজেকে জয় করা সর্বজ্ঞ তীরথংকরদের প্রায় ভগবানের আসনে বসিয়েছে। বলে তাঁর কৃপা হলে তবেই ওই সম্যক জ্ঞান , সম্যক অনুভব এবং সম্যক ব্যবহারের সমন্বয় সম্ভব। তাহলেই মুক্তি, তিনটের একটা কম হলে হবে না ।
শ্বেতাম্বরদের মতে নারীর মুক্তি বাই নেচার সম্ভব নয় । কি ডেঞ্জারাস!
এদিকে এদের 'স্যাদবাদ' লজিক ভারি ভজখট।
এটাকে বোলে সপ্তভংগী ন্যায়। সেভেন স্টেপ লজিক।
একটি বস্তু একই সঙ্গে স্যাদ অস্তি, স্যাদ নাস্তি, স্যাদ অস্তি-নাস্তি ( হয়তো হ্যাঁ, হয়তো না , হয়তো একইসংগে হ্যাঁ এবং না ) হতে পারে ।
আমার মোট মূর্খের চোখে এসব সফিস্ট্রি বা কথার মারপ্যাঁচ। সাধারণ
জৈনদের (বেশির ভাগ ট্রেডার্স কমিউনিটি) সঙ্গে কথা বোলে দেখেছি কেউ স্যাদবাদ নিয়ে মাথা ঘামায় না । ওরা বিশ্বাস করে (মহাযানী বৌদ্ধদের মত ) মন্ত্রতন্ত্র লিখে টাঙিয়ে দিলে এবং জপ করলে মুনিদের প্রবচন শুনলে কাজ চলে যাবে। লোকসান আধিব্যাধি ছোঁবে না ।
অ্যার কি চাই ! জয় জিনেন্দ্র !


Name:  a          

IP Address : 236712.158.670112.155 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 06:49 PM

ভগবান ভগবান করেই গেল দেশটা। রাস্তা চওড়া করতে গাছ কাটতে যাও, দেখবে সেখানে ঠাকুরের থান করে রেখে দিয়েছে। মাইনিং করতে যাও, শুনবে পাহাড়টা নাকি ভগবান। নদীতে ড্যাম করবে, গঙ্গা মাঈয়ের ওপর অত্যাচার বলে রে রে করে আসবে। তার উপর উপোস কর, নিরামিষ খাও, মদ ছুঁয়ো না, ঠাকুর সবেতে পাপ দিতে বসে আছে। এ জন্মে কিছুই নেই, ভোগের পেছনে ছুটো না, ইকনমির বারটা বাজাও। ভগবানের ভূত ঘাড় থেকে না নামা অব্দি দেশের হাঁড়ির হাল ঘোচার না।


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.895612.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 09:41 PM

ওপরে যেগুলো উদাহরণ তোলা হলো,সবেতেই ভগবান নয় পরিবেশবিদ নামক সর্বজ্ঞ দের হাত আছে।
যশোর রোড বাড়ানো যাচ্ছে না কারণ ওই গাছ গুলো প্রতাপাদিত্যের দাদু নিজের হাতে পুঁতেছিলেন আর বালক প্রতাপ গাছে গাছে জল ছিটিয়ে খেলা করতেন।গঙ্গার ওপর এমনিতেই প্রচুর ড্যাম আছে,যথা ফারাক্কা।কিন্তু মেধা তখন ছোট ছিলেন।
আর নিয়মগিরি পাহাড় কাটলে একটা জনগোষ্ঠী লোপ পেয়ে যেতে পারে।
বাকি রইলো, উপোস করো,মদ নাখাওয়া,নিরামিষ খাওয়া ইত্যাদি।এগুলো খারাপ কিছু না।শরীল ভালো থাকে।
ঠাকুর বলেছেন, পলান্নকে পরমান্ন ভাববি আর মদ কে গঙ্গাজল।মায়ের কৃপায় সব শুদ্ধ।
আর খপর্দার নিরামিষ খাবিনা।ওতে আত্মা বিচলিত হয়,বায়ু ঊর্ধ্বগামী হয়।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4]     এই পাতায় আছে61--90