বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--4


           বিষয় : শ্রীবোধিবচনামৃত
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :শ্রীপাঠক
          IP Address : 236712.158.565623.111 (*)          Date:27 Jun 2019 -- 08:23 AM




Name:  প          

IP Address : 124512.101.6778.135 (*)          Date:27 Jun 2019 -- 01:17 PM

name: খ mail: country:

IP Address : 230123.142.01900.203 (*) Date:22 Jun 2019 -- 07:52 AM

আরেকটা খবর আছে, সেটা অবশ্য মজার। অফ অল পিপল ই চিন্মোহন সেহানবিশের একটা ১৯৬০-৬১ র লেখা ভাষাবন্ধন রিপ্রিন্ট করেছে এই কাল হাতে পেলাম সংখ্যাটায়। তাতে ১৯৩৬ নাগাদ স্পেন গৃহযুদ্ধের সময়ে সত্যেন মজুমদারের সম্পাদনায় আবাপ কি ভাবে সেটা কভার করেছিলেন, সে সম্পর্কে শ্রদ্ধা সূচক এক লাইন আছে, ডিসক্লেমার সহ, 'তখনো পত্রিকর আজ কের রূপ হয় নি' (প্যারাফ্রেজ্ড)। ঃ-)))) মনে হয় এটা খানিকটা দু রকম প্রভাব আ্ছে, এক তো ক্রিস্টোফার কডওয়েল, অর ওয়েল সহ ব্রিটিশ বামপন্থী সোর্স তখন আমাদের সাংবাদিক দের কাছে বেশি অ্যাকসেসিবল ছিল, তদুপরি, সোভিয়েট পার্টি পক্ষ নিয়ে ছিল ফ্রাংকো বিরোধী ইনটারন্যাশনাল ব্রিগেডের, পরে অবশ্য অরওয়েল সেটা নিয়ে বিটার হয়ে যান ইত্যাদি। তো আবাপ ও এক কালে পোগিতিসীল ছিল জেনে যদি শীর্ষেন্দু পন্থী রা মনে শান্তি পান, তাই খবরটা দিয়ে রাখলাম, তবে একটা দুঃখের লেখাটা আবাপ রিপ্রিন্ট করেছে কিনা জানি না, ভাষাবন্ধন করেছে ঃ-)) অবশ্য আবাপ লাইব্রেরি ইউজ্ড টু বি দ্য বেস্ট ইন টাউন ঃ-)) দেখুন আবার প্রশংসা করলাম।



name: খ mail: country:

IP Address : 230123.142.01900.203 (*) Date:22 Jun 2019 -- 07:37 AM

সৈকত(প্রথম)/ ইন্দো, তোদের একটা খবর দেবার আছে। সেরিবানের অরুন বাবুর একটা আত্মজীবনী বেরিয়েছে, তাতে পার্টিশনের আগে র অপিনিয়ন পোল এ হিন্দু ভোট কি ভাবে মোবিলাইজড হয়েছিল, তার সম্পর্কে দু চার কথা আছে।

ভূপেশ গুপ্ত লাইব্রেরী তে অরুন বাবু ছিলেন, সেই প্রসঙ্গে হঠাৎ মনে পড়ে গেল।

name: খ mail: country:

IP Address : 230123.142.01900.203 (*) Date:22 Jun 2019 -- 07:33 AM

মান্টোর পাঞ্জাবি কাশ্মীরি লেখার কিছু নোতুন সোর্স এসে থাকলে, নজরুল এর ১৯৩৫ পরবর্তী লেখার কিছু নতুন সোর্স , বা নতুন ইনটারপ্রিটেশন নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকলে আলাদা কথা।

পিটির পার্টি সাম্প্রদায়িক পোলারাইজেশন প্রশ্নে নজরুল এর গণবাণী/লাংঅল র লেখার প্রিন্ট করছে প্রায় ই, সপ্তাহান্তে। ভূপেশ গুপ্ত লাইব্রেরী বা মুজফফর আহমেদ ভবন লাইব্রের এখনো বিজেপি পন্থী বামেরা ভাগ বসায় নি বোধ হয়। বসিয়ে কি করবে, নাগপুর সেন্ট্রাল লাইব্রেরি আছে ঃ-))))



name: খ mail: country:

IP Address : 230123.142.01900.203 (*) Date:22 Jun 2019 -- 07:29 AM

নজরুল আর মান্টোর তুলনা করার কোন অর্থ হয় না। সম্পূর্ণ আলাদা সেন্সিবিলিটি। একটা গ্রহণযোগ্য বাঙালি ন্যাশনালিস্ট পজিশন সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র ধারণা আছে তারা এই তুলনা টা করবে না। ঊনবিংশ শতকের বাংলা ভাষা চর্চা, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এক্সপেরিয়েন্স, গণবানী/লাঙল পত্রিকা চালানোর সময়ে মুজফ্ফর আহমেদের সঙ্গে বন্ধুত্ত্ব, রোমান্টিক দর্শন নজরুলকে তৈরী করেছে, মান্টো র সেন্সিবিলিটি মূলত আসছে ভগত সিং, বম্বের প্রোগ্রেসিভ রাইটিং গ্রহণ এবং বর্জন থেকে, এবং পার্টিশন থেকে। নজরুল এর পরিচিত কাজের সময়টা একটু আগে। মান্টো শ্যামা সঙ্গীত লিখতে পারতেন না, নজরুল এর পক্ষে কল্লোল যুগ পরবর্তী ভারতীয় সাহিত্যের ভাষা অ্যাডপ্ট করা কঠিন ছিল। বোধ হয় মাঝে মাঝে আলটপকা কমেন্ট ছেড়ে কে কি বলে দেখতে মজা লাগে অনেকের ঃ-)))) অবশ্য হতে পারে, এটা সেই কে কদ্দূর পড়েছে তার একটা কিশোর সুলভ কম্পিটিশনের স্পিরিট, যে জন্য গুরুচন্ডালি তে বুক রিভিউ লিখতেই ইচ্ছে করে না, যাই লিখি, বিশেষত স্বল্প পঠিত দেশি , বিদেশী যাই হোক না, কেন, গতের টেক্সটবুক কলেজ স্ট্রীট পপুলার আর আনন্দ লাইনের লেখা পড়া না হলেই অনেকে বিচিত্র ভাবে রিয়াক্ট করেন, বুক রিভিউ যে মানুষের মধ্যে অকারণ প্রতিযোগিতার স্পৃহা জাগাতে পারে, সেটা সত্যি ই জানা ছিল না ঃ-))) আগে বেশ কয়েকবার অভিজ্ঞতা হয়েছে।
প্রায় জয়েন্টে কে কত পেলর মত রিয়াকশন। যাই হোক, জেনেরালি ভারতীয় সাহিত্যে আধুনিকতা র বিভিন্ন পর্যায় গুলো সম্পর্কে বিন্দু মাত্র আগ্রহ থাকলে এই তুলনা করাটাই বাতুলতা। তবে মামুর ফ্রী কল এবং ফ্রী স্পিচ , অসুবিধে নেই, গোটাটাই চীনের থেকে ভালো ঃ-))))

বাই দ্য ওয়ে, দ্রি এর কথা ফেসবুক লিব্রার খবর দেখার পর থেকে একটু বেশি ই মনে পড়ছে।

name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.782323.55 (*) Date:23 Jun 2019 -- 09:02 AM

এটা আমি দেখেছি। তবে শুধু সে জন্য শুদ্ধি করণ এর সম্ভাবনার কথা বলিনি, সম্পূর্ণ কোরাপ্ট একজন মহিলা তার কোরাপশান টাই বিজনেস মডেল , তিনি এই কুনাট‍্য শুরু করবেন এবং অনেকেই তার মধ্যে সততা , স্বতস্ফূর্ততা দেখবেন সেটা তে অবাক হবার কিসু নেই, কিন্তু আমি আরও কদিন নচিকেতা কে বেনিফিট অফ ডাউট দিতে চাই, কারণ একটি গানের লাইন , 'তোমার জন্য শহরটা এখনো গুজরাট হয়ে যায়নি' বা এরকম কিছু। এমনিতে আমার নচিকেতার লিরিক ধুর লাগে, ডেলিবারেটলি অ্যন্টি ইনটেলেটচুয়াল, এবং অতি কনজারভেটিভ ন‍্যারেটিভ , কিন্তু ঐ লাইন টা ইন্টারেস্টিং, উনি অসূস্থ বা আউট অফ ওয়ার্ক জানা নেই।সুত‍রাং সেটা ফ্লোর ক্রসিং এর কমপেলিং এভিডেন্স কিনা জানি না।


name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.782323.55 (*) Date:23 Jun 2019 -- 10:12 AM

ডিসি, হ্যাঁ এটা ভাবতে অবাক হলেও সত্যি, এবং প্রায় হোয়াট দেয় ডোন্ট টিচ ইউ ইন বিজনেস স্কুল গোত্রের ঃ-)))
এটা পিটি ঠিক ই বলেছে, কিন্তু পিটির ই দীর্ঘ দিনের অ্যান্টি ইনটেলেকচুয়াল পজিশন দিয়ে এটা কে ডিফেন্ড করা একটু মুশকিল ঃ-)))) একটা নামের বিরুদ্ধে আরেকটা নাম লড়িয়ে লাভ বিশেষ নেই।

ঘটনা যেটা বিংশ শতকের টোয়েন্টিজে হাতে গোণা, থার্টিজ এ বেশ কিছু, ফর্টিজ এ বিপুল সংখ্যক বাঙালি ইনটেলেকচুয়াল রা বামপন্থী হন, একেকটা সময়ে একেকটা মোটিভেশন ছিল, এখন এটা আমাদের ইনটেলেকচুয়াল হিস্টরি তে এতটাই পরিচিত বিষয় যে তোমার কতদূর সত্যি অজানা কতদূর ডেলিবারেট অ্যামনেসিয়া কতটা স্রেফ আর্গুমেন্ট বোঝা মুশকিল। যাই হোক একেক্টা ইপোকে একেক রকম মোটিভেশন নিয়ে লোক জন এসেছ্হেন।

স্বাধীনতার পরে, নেহরুভিয়ান হায়ার কালচারাল বা লার্নিং সেন্টার গুলো কে কেন্দ্র করে (সাহিত্য অকাদেমি, ললিত কলা ইত্যাদি, বিভিন্ন ভাষা পরিষদ) এক ধরণের এস্টাবলিশমেন্ট তৈরী হয়, বাঙালি ইনটেলেকচুয়াল রাও একটা হাতে গোণা অংশ মস্কো যান, তবে সেটা শুধুই প্লেজার ট্রিপ নয়, প্রচুর অনুবাদ হয় সে সময়ের সোভিয়েত পলিসি অনুযায়ী, অনেকেই বামপন্থী আদৌ নন, শুধুই সরকারী , ডিপ্লোমাটিক বা কালচারাল নানা কাজে সারা পৃথিবীতেই যাতায়াত শুরু করেন। অর এটাও মনে করার কার ণ নেই, জেন্টীল লিটেরারি সীন এর সবটাই বামপন্থী ছিল, বিটার রাইভাল রাও ছিলেন, বিশেষত জার্নালিজম এ। ষঠের দশক সত্তরের শুরুতে চীন যুদ্ধ খাদ্য আন্দোলন, নকশাল পন্থা ইত্যাদি কে কেন্দ্র করে আবার একটা বড় সেকটারিয়ান ডিভাইড হয়, আর ইন্দিরা গান্ধী ডিসটিন্কটলি অনেক ইন্টেলেকচুয়াল এর সিম্প্যাথি পেতে আরম্ভ করে বিকজ অফ হার রোল ইন বাংলাদেশ ওয়ার। তার পরেও ৭৭ এ রাজ্য সরকার প্রতিষ্ঠা হবার পরেও প্রথম দিয়ে ভদ্রলোক পজিশন এর আংশিক সিম্প্যাথি থাকলেও ,বাম সরকারের পক্ষে এস্টাবলিশমেন্ট হয়ে উঠতে সময় লেগেছে। পরে দুটো স্কিজম মত হয়, একটা ভদ্র জনোচিত, ফিলম ওয়ালা রা মনে করতে শুরু করেন, বাম সরকার নাটক কে অ্যাজ অ্যান আর্ট ফর্ম যা গুরুত্ত্ব দেন তা সিনেমা কে দেন না, এই নিয়ে লেখক শিল্পী সংঘের ভেতরে ও বাইরে প্রচুইর ডিবেট হয়, তার উপরে ইনডাস্ট্রি লেবার স্ট্যাটাস সংক্রান্ত নানা সমস্যা হয়, আরেকটা দিক ছিল, ইন্টেলেকচুয়াল রা ঠিক নন, শিক্ষক অধ্যাপক দের মধ্যে বামেদের যেটা অনুমোদন ছিল, তারা চাকুরি সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধে , পোস্টিং, কার কোথায় হবে, ইত্যাদি দালালী গ্রুপ নানা গড়ে ওঠে, এতে ওভারল উচ্চশিক্ষার বিশেষত ক্ষতি হয়, কিন্তু আবার স্কুলের সংখ্যা বাড়ে, কলেজের সংখ্যা বাড়ে আর রিক্রুইটমেন্টে রেগুলার হওয়া আরম্ভ হয়, এবং মাইনে বাড়ে। এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালন ব্যবস্থায়, ইলেকশন, অধ্যাপক ইউনিয়ন ইত্যাদি অ্যাকটিভ হবার পরে, পুরোনো কংগ্রেসী আকাডেমিক ডন দের ইনফ্লুয়েন্স কমে ঠিক ই কিন্তু নতুন পাওয়ার ব্রোকার দের উদ্ভব হয়, সেটার পরে নাম হয় অনিলায়ন। ইত্যাদি। কিন্তু টু বি ফেয়ার বামপন্থী রা কিপ্টে মত হওয়ায় পজিশন তবু যা কিছু বিলি করে বন্ধু গোষ্ঠী গড়েছিলেন, কিন্তু পারফর্মিং আর্টিস্ট দের গোটাটাই এনগেজমেন্ট এর দায়িত্ত্ব নিয়ে তাঁদের অ্যালেজিয়েন্স পাওয়া সম্ভব ছিল না, যদিও গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘ র বিভিন্ন ফ্যাকশন তৈরী হয়, একদলের মূল ইন্টারেস্ট ছিল পরের পার্ফরমান্সে ডাক পাওয়া।

পারফার্মিং আর্টে যত প্রফেসনালিজম বেড়েছে, সরকারের পক্ষে সেটা কে পুরো পেট্রোনাইজ করা তত অসম্ভব হয়েছে, অন্য দিকে কনজারভেটিভ পপুলার কালচার কে পেট্রোনাইজ করা সম্ভব ছিল না, বামেদের পক্ষে, সুতরাং তুমি ২০০৮-২০১৬ ইতিহাস যদি দেখো, দেখবে বুদ্ধিজীবি শব্দটার বদলে বিশিষ্ট শব্দ টা বেশি ব্যবহর হচ্ছে, এতে তিন চারটে কাজ এক সঙ্গে হচ্ছেঃ

মমতার নিজের আর্স্টহোয়াইল প্রায় পিটির মতই অ্যান্টি (ক্রিটিকাল) ইন্টেলেকচুয়াল ন্যারেটিভে এই পরিবর্তন ফিট করছে, পরফর্মিং আর্টের শিল্পি রা লোকাল বিজনেস এর উপরে নিরভরশীল হচ্ছেন, কাজের জন্য, ক্রিটিকাল পাবলিক ইনটেলেকচুয়াল রা মূলত আকাদেমিয়ায় জায়গা পাচ্ছেন, এবং পাবলিক ইনটেলেকচুয়াল আর থাকছেন না, ফাইনালি, সেলিব্রিটি কালচার কে অয়্কোমোডেট করাঅর একটা দরকার ও হচ্ছে। তো এই সব পরিস্থিতিতে খুব স্বাভাবিক ছিল বামেদের ইনটেলেকচুয়াল ফ্রন্ট ছত্রখান হয়ে যাওয়া, এবং নতুন ইপোকে নতুন বিশিষ্ট দের গড়ে ওঠা। এগুলো শুধু সময়ের ভবিতব্য না, খানিকটা দেশের পলিসির ফল, খানিকটা নতুন ফর্মের কালচারাল প্রোডাকশন উঠে আসা, ম্যাস কালচার প্রোডাকশনের খোল নলচেই বদলে যাওয়া সব ই আছে।

মোদ্দ হল, বাম সরকার যে পদ্ধতি তে ইনটেলেকচুয়াল যা পাইয়ে দেবার চেষ্টা করছে, তা ইন স্কেল, এখনকার তুলনায় খুব ই কম, মানে একটা মুজফ্ফর আহমেদ স্মৃতি পুরষ্কারের পাঁচ সাত হাজার টাকার জন্য বিশ্বায়নের পরে, আলিমুদ্দিনে কেউ লাইন দেয় নি, বা যাঁরা দিয়েছেন, তাঁরা নতুন দিনের নতুন নলেজ ওয়ার্কার, বুদ্ধিজীবি কথা টা র অর্থ খানিকটা বদলেই গেছে।

এই হল সংক্ষিপ্ত পোলিটিকাল ইকোনোমি আমাদের সমসাময়িক সংস্কৃতির, যাক গে তুমি রক ম্যুজিক সম্পর্কে আমর নাতিদের্ঘ জোক যদি পড়তে চাও পড়ে এসো গে ঃ-)))))




name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.782323.55 (*) Date:23 Jun 2019 -- 11:08 AM

ঃ-))) ন্যাড়ার অ্যানালিসিসের সমস্যা হল তার মূল সাবজেক্ট এরিয়া , বিজনেস, সমাজ বা পলিটিক্স না চমকপ্রদ না হলেও অর্থনীতিও নাঃ-)))) অথচ মজাটা হল, ভূমি সংস্কার থেকে ইউনিয়ন, বা সরকারী কর্মী দের ডি এ, কর্পোরেশন মিউনিসিপালিটি পঞ্চায়েত কর্মী দের পার্মানেন্ট করা, গোটা বিষয় টা সম্পর্কেই বামেদের বিরুদ্ধে ওঠা মূল অভিযোগ হল, বামেরা পাইয়ে দেওয়া র রাজনীতি করেছে। করতে গিয়ে ডেট ফাইনান্সিং করেছে। আর পজিশন নিয়ে ক্ষমতার ট্রেডিং তো করেইছে, আপনি যথেষ্ট আমাদের ইয়ে নন, তাই আপনি মিদনাপুর পোস্টিং আর উনি আবার আমাদের ইয়ের ইয়ে মতো, তাই, উনি নিউ আলিপুর বা এন্টালি। কলেজ স্কুল লো লেভেল সরকারী কর্মচারী দীর্ঘদিন এ জিনিস চলেছে, পরে পঞ্চায়েত এমপাওয়ারমেন্টে বেশি টাকা অ্যালোকেট হবার পরে, বোধ হয় ৯৬ সাল থেকে, জেলায় একই ধরণের পাওয়ার সেন্টার গড়ে উঠেছে, তারা সদর বনাম গ্রাম করেছে।

কিন্তু যেটা 'ইন্ডিপেন্ডেন্ট' অপিনিয়নে বলা সম্ভব না, সেটা হল ভদ্রলোকের ভূমিকা, তাঁরা প্রেসিডেন্সী ছাড়া আর কোথাও পোস্টিং নেবেন না বলে ইউনিভার্সিটির দাবী তুললেন, গ্রামাঞ্চলে কেউ ই যাবেন না, ডাকতার রা, সরকারী কর্মচারী রা, অধ্যাপক রা। এর ফলে লোকাল ট্র্যাডিশনাল অ্যালিজিয়েন্স এর ভিত্তিতে কোথাও অধিকারী সাম্রায্য কোথাও বর্ধমান সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে। সাধারণত যেটা বলা হয় নতুন শহর নতুন ইনফ্রা গড়ে ওঠে নি তাই মানুষ যায় নি। তো সেখানে আবার ডেট ফাইনন্সিং এর সমস্যা তথা সাঁটের ব্যাপারটা আছে,ঃ-)))) আর্বান রিনিউয়াল মিশনের টাকা বড় শহর থেকে সাইফন করে প্র্যাকটিকালি প্রচুর মিউনিসিপালিটি আর আর কর্পোরেশন তৈরী হয়েছে , নগরায়ন ই অভীষ্ট হবার পরে। যাই হোক এগুলো বড় কথা না, বাম রা এখন ইলেকটোরালি ইরেলিভান্ট, এখন মমতা র বিজনেস মডেলে কি কনসালটেন্সি কাজে দেয় সেইটে দেখার, এর সঙ্গে সমাজ, পলিটিক্স, ইতিহাস, অর্থনীতির সম্পর্ক নেই, শুধুই মেসেজিং আর কর্পো কমিউনিকেশন, একটা অ্যাপ লেখার অপেক্ষা ঃ-)))) আর ভদ্রলোকের নতুন করে উন্নয়ন আর শিল্প পুনরুজ্জীবনের তাগিদে কমিউনাল মোবিলাইজেশনে বিশ্বাস রাখার গল্প। তার জন্য তো আমাদের গুজ্রাটের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট রা আছেন। এর জন্য অবশ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট অপিনিয়ন শুধু দায়ী না, অন্য নানা সমস্যা আছে, মেসেজিং পেলেই বলা হবেঃ-)))))))))))




name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.782323.55 (*) Date:23 Jun 2019 -- 11:21 AM

এটা মোটামুটি একমত, যে ব্যক্তিগত সততা খুব বেশি কিছু হয় না, লার্জ স্কেলে পলিসি ছাড়া দীর্ঘ মেয়াদী পরিবর্তন সম্ভব না, অভিমুখ যদি সোশাল ইনক্লুশন এর দিকে হয়।

তবে তৃণমূলের উত্থান, ২০১৪ বিজেপির উত্থান, এখন কাট মানি ফেরত, এর আগে ব্ল্যাক মানি ফেরত ইত্যাদি এগুলো তে সবটাই লিডার দের পার্সোনাল হনেস্টির মডেলের উপরে প্রতিষ্ঠিত, অতএব বাল এবং তদুপরি ক্ষমতাসীন বাল। খুব স্বাভাবিক ভাবে বোফোর্স রাফায়েল এর কথা আসবে, সেই রেটোরিক ইতিহাসে বাল প্রমাণিত হয়েছে। ন্যাড়া সাধে সরকারে কনসালটান্ট হতে পারে না, অতি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ঃ)))) অনুমোদন সূচক বীরভোগ্য স্মাইলি।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.137 (*) Date:24 Jun 2019 -- 01:39 PM

*ডিসোসিয়েশনগুলো অনেকটাই আজকাল এক্সপেকটেড, সে কারণেই বিজনেস আলোচনায় অর্থনীতির অনুপস্থিতি চমকপ্রদ না ঠেকলেও, যথেষ্ট বিস্ময়কর। ক্যাজুয়াল আলোচনা, রম্য লিখন, তার মেন অবস্থানটাই যেখানে সে আকাডেমিক ক্যাটিগোরি গুলো ভাংগবে সেখানে এই ডিসোসিয়েশন টা বিস্ময়ের অবতারণা করে না এটাই বিস্ময়ের।

এই বিষয়্টা আমার আর ন্যাড়ার খুনসুটির থেকে বড়। ন্যাড়া আমায় বলে না, সব বামপন্থীদের ই ইনছাল্ট না কইরা থাকতে পারে না, বামপন্থী দের দ্বিচারিতা বা জেনেরাল মধ্যমান/অযোগ্যতা/তাত্ত্বিক ভনিতা টাই মূল রিফ্রেন, সঙ্গে এখন জুড়েছে, ঠিক প্রকৃত দক্ষিনপন্থীর একটা খোঁজ, আহা তারা এই পৃথিবীর শেষ কোণ টিতে কত আক্রান্ত, সকলের মতো আমিও তাকে কখ্নো রেগে কখ্নো মজা করে কথা শুনিয়ে থাকি, কিন্তু সেটা বন্ধুদের মধ্যে এক্সচেঞ্জ, তাতে বিষয়ের ক্যাটিগোরাইজেশনের সমস্যা কমে না।

লোকে আজ প্রশ্ন করে, এত রাজনৈতিক আলোচনায় পরিবেশের বিপদের আলোচনা এত কম আসে কেন, এর চেয়ে বড় বিপদ তো নেই। পরিবেশের সমস্যার টার্মসে কথা যখন শুরু হবে , তখন বলা হবে , সব কিছুতেই পলিটিক্স ঢোকায় এরা। তো এসব চলবে। গরু বলে কথা।



name: খঃ-))) mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.39 (*) Date:24 Jun 2019 -- 12:04 PM

খঃ-)))

উফফ বাবা এই বৃদ্ধ শিশু দের তো এতদিন ধরে এত সাসটেনড গুরুত্ত্ব দেবা মুশকিল। গ্রিভান্স যা বাড়ছে, সার্ভিস ডেস্ক বসানোর কথা ভাবতে হবে ঃ-))))) যারা ঐ না বোঝা বাক্য গুলো ই কোনো ফোং এর একটি বিশেষ নাম্বার ডায়াল করার পরে আরো বিশেষ নাম্বার টিপে দিলেই আবার বাজিয়ে দেবেঃ-)))) পোচোন্ডো সর্বাধুনিক একটা ব্যবস্থা হবে, তার পরে কল অ্যানালিসিস এর বাজার ও খুলে যাবেঃ-)

টেকনোলোজির আলোচনা, যা বিজনেস বিষয়ের থেকে সরে আসে প্রায় ই, বিজনেস বিষয়ের আলোচনা, অর্থনীতির আলোচনার থেকে যে ডিসোসিয়েটেড হয়েছে, অর্থনীতির আলোচনা যে সামাজিক বিষয় থেকে সরে আসে, এটা যে ক্রমশ বেড়েছে, তাতে আলোচনার ক্ষতি ই হয়েছে বলে মনে করছি, ডেসপাইট দ্য টন্টিং। কারণা এটা খুব ডিফেন্সিবল কিছু না, যতই 'স্বাভাবিক' বলে চালানো হোক। একই ভাবে সংস্কৃতির আলোচনা, একটা সাসপেন্ডেড বিলিফ সিস্টেমের মধ্যে হয়, আমরা রাহুল দেব বর্মন বা সলিল চৌধুরীএ আলোচনার সময়ে যে সময়টায় তাঁদের মিউজিক তৈরী হচ্ছে, তাঁদের কাজের আলোচনার সময় তাকে অ্যাড্রেস করি না।

আমি বলছিলাম, এই জিনিসটা পদ্ধতিগত ভাবে এত 'স্বাভাবিক' হয়ে গেছে, চিন্তাহীনতার চর্চায় এত সার পেয়েছে, যে এখন ন্যুনতম অ্যানালিসিস অ্যাটেম্পট করলে টন্ট শুনতে হয়। ন্যাড়ার সঙ্গে এর বিশেষ সম্পর্ক নেই, শুনলে ন্যাড়া আশ্বস্ত হবেন, বিশ্ব জোড়া বাম্পন্থা, মধ্যমান , বা ইমিগ্রেশনের সমস্যার জন্য আমরা ন্যাড়াকে দায়ী করছি না। আমি আগের দিন যেটা বলছিলাম, সেটাকে ন্যাড়ার গুরুচন্ডালি তে প্রকাশিত লেখাপত্র বিষয়ে এক্সটেন্ড করলে বলতে হয়, যে ন্যাড়া যে রাজনৈতিক বিষয়ে বিন্দু মাত্র অ্যানালিসিস না করে পার্সোনাল অ্যাফ্রন্টারি তে চলে যায়, আর সুরের মনোজ্ঞ আলোচনাতে সময় কে অনুপস্থিত রাখে , আর অভিবাসনের অভিজ্ঞতা আলোচনায় দেশটি ই অনুপস্থিত থাকে, সেটা ন্যাড়ার দোষ না, কারোর ই না, তবে এগুলো সম্পর্কহীন না। কারণ শুধু জ্ঞানের স্পেশালাইজেশন ই না, এক ধরণের চালু বিষয়ের ক্যাটিগোরাইজেশন আমাদের প্রভাবিত করে, আমরা নিজেদের পত্রিকা তে শুধু না নিজেদের ভাব্না চিন্তা তেও বেড়া দি, এক ভাবে শিক্ষার ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল গণতন্ত্রীকরণ কে নেগেট করে ফেলি।

এবং এটা শুধুই পারসোনাল চয়েস না। ঠিক যেরকম আমার ব্যাবহৃত 'আমরা' শব্দটি প্রায় শোলের আসরানীর কুচকাওআজের মত, পেছনটি জনমানবশূন্যঃ-)))))

দেখুন অনেক দিন ঘর করলেন, আমি বড় বড় কথা বলে নিজেদের কর্ম সংস্কৃতির দুরবস্থার দিনে ফাঁকি দিয়ে টাইপ করাকে জাস্টিফাই করি মাত্র, সাধারণ আড্ড কে একটা সময়ের প্রতিফলন হিসেবে দেখার অভ্যেশ ছাড়তে পারি না, সনির্বন্ধ অনুরোধ যে নিয়মিত আসে না তা তো না ঃ-)))))



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.59 (*) Date:24 Jun 2019 -- 04:04 PM

আরেকটা উদা দিছি। ফারুখ ঢোন্ডি বলে একজন অসাধারণ ছোটো গল্পকারের উদয় হয় ৭০ দশকের শুরু তে, বিলেতে, ভারতীয় ইমিগ্রান্ট। তাঁর গল্পতে যেসব মাইনরিটি সাউথ এশিয়ান এক্সপেরিয়েন্স আছে, তার থেকে আশির দশকে লেখা, হানিফ কুরেইশির এক্সপেরিয়েন্সের পার্থক্য কিছু আছে, আবার এখনকার লোক দের লেখার বিরাট পার্থক্য আছে, তারা ভারতীয় পাকিস্তানি বাংলাদেশি হলেও। এটা ফিকশন থেকে নন ফিকশনে ট্রান্সফার্ড হয়েছে। ধরেন ১৯৭০ সালে চক্রবর্তি পদবীর কোন লোকের গার্ডিয়ানের সাংবাদিক হওয়া সম্ভব ছিল না, এখন হয়েছে, যদিও এথিনিসিটি রেশিও মেডিয়া আর ফাইনান্স এ সব চেয়ে খারাপ, ল তে একটু বেটার। যদিও ১৯৭৫ এই অশোক মিত্র অ্যাজ অ ভিজিটিং ইকোনোমিস্ট , ইকোনোমিস্ট পত্রিকায় ইন্দিরা গান্ধেরে তুলোধনা করে বিখ্যাত প্রবন্ধ গুলো ঐ লন্ডনের পত্রিকাতে ই লিখছেন। ইনার সিটি রেসিজম এর এক্সপেরিয়েন্স আমি অ্যাজ অ্যান ইমিগ্রান্ট অল্প স্বল্প যে রেসিস্ট মার টার খেয়েছিলাম তাতেও পুরোটা বুঝিনি, কারণ বাংলাদেশি ছেলে ছোকরা দের সঙ্গে বাওয়াল হয়েছে। আমি তো ২০০৩ বুঝি ই নি, জোর্জ গ্যালওয়ে র রেসপেক্ট পার্টির দরকার কেন হয়েছিল, লেবার লেফ্ট থাকা সত্ত্বেও। ইত্যাদি। অ্যাজ অ্যান প্রফেসনাল ইকোনোমিক মাইগ্রান্ট , এটা আমার বোঝা সম্ভব ছিল না। হ্যা ঘেটোআইজেশন এর নানা আপদ আছে, কিন্তু যে টা বোঝা দরকার, মাম্তার বিজ্ঞাপনী ব্লিট্জক্রিগ এই ভাষটাকেই রপ্ত করতে চেয়েছিল, বিজেপির যেটা জয় সে এই বিজ্ঞাপনী ভাষাটাকে ডিসক্রেডিট করতে সক্ষম হয়েছে, আনফরচুনেটলি আমাদের মিডলকাস সিম্প্যাথি কে সঙ্গে পেয়েছে, যার মধ্যে একটা মিসপ্লেসড মেরিটোক্রাসি রয়েছে। এবার ঐ আর কি ইশান যেমন বলছিল, আমরা জানি না এই মুহুর্তে অ্যাট হোয়াট কস্ট? মূল্য কত পড়িল। জানি না। খ

name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.9001212.26 (*) Date:24 Jun 2019 -- 03:19 PM

পিটি কে একটা উত্তর দেবা হয় নি। আমি বলেছিলাম মমতার মুসলমান অ্যাপিজমেন্ট বলে যেটাকে মনে হচ্ছে, সেটা আসলে মাল্টিকালচারালিজম এর টার্ম্স এ আইডেন্টিটি পলিটিক্স এ বলার একটা বিজ্ঞাপনী প্রচেষ্টা প্রায়। তো 'প্রায়' শব্দটাকে পিটি প্যাঁক দিয়ে বলেছিল, এতে প্রায় শব্দটার প্রায় না পুরো ই মৃত্যু হল (প্যারাফ্রেজ্ড), দ্যাট ওয়াজ ফানি দোঃ-))))

কিন্তু উত্তর টা অতি সঙ্ক্ষেপে এই যে , এটাকে আমরা রেকগনাইজ করছি না, বা করাটা অ্যাভয়েড করছি, কারণ আমরা বেশির ভাগ হিন্দু উচ্চবর্ণ ইংরেজি শিক্ষিত রা, যে মেজরেটেরিয়ান দৃষ্টিভংগীর বেনিফিসিয়ারি, তারা এই ন্যারেটিভ এর বিদেশী ধাঁচাটার ও বেনেফিট পেয়ে থাকি, বিদেশ ভ্রমণ কালে। মানে ধরুন কোন পশ্চিমি প্রশাসক যখন ব্ল্যাক চার্চ বা জিউইশ কঙ্গ্রিগেশন বা মুসলিম কাউন্সিল বা লিবেরেল অ্যাঙ্গলিকান চার্চ বা মধ্যপন্থী কনজারভেটিভ দের নিয়ে রিলিজিয়াস হার্মোনি বা অলিম্পিক গেম্স এর উদ্বোধনে ভাষণ দেন, তখন আমাদের তার সঙ্গে ধরেন, ট্রাম্পের ন্যারেটিভ কে, বা নাইজেল ফারাজ এর ন্যারেটিভ কে, বা আরেকটু বুড়ো হলে, কার্ল রোভ দের কনজারভেটিভ ন্যারেটিভ কে ডিসটিনগুইশ করতে আমাদের অসুবিধে হয় না।

আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলতে পারি, একেবারে বিশ্বায়নের পরে, ৯০ এর শেষের দিকে, ২০০০ এর শুরু র দিকে বিদেশে বিবাহসূত্রে বসবাস করে আমার প্রথম যে ঝটকাটা লাগে, সেটা হল, এই প্রথম আমি কোন ধরণের মাইনরিটি হিসেবে বাঁচছি, ক্লিয়ারলি অ্যান্টি ইমিগ্রেশন রেটোরিকের চোটে ই এই রিয়ালাইজেশন্টা হয়েছিল, রেডিও টিভি তে কান পাতা, কাগজে চোখ রাখা দায় হত। ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার ইয়াসমিল আলি ভাই ব্রাউন কে আমি এই নিয়ে একটা চিঠি লিখে ফেলি, মহিলা উত্তর ও দিয়েছিলেন।

যাই হোক, পিটি কে যেটা মোদ্দা বলার, আমরা যদি মুশলমান, আদিবাসী, বা মনিপুরী বা গোর্খা হিসেবে ভারতবর্ষে বড় হতাম, তাহলে এই মেসেজিং টা রেকগনাইজ করতে আমাদের অসুবিধে হত না। এবার একটা ব্যাপার আছে এর ডিসক্রেডিটিং করা যেতেই পারে, সিপিএম সমর্থক রা সেটা করবেন সেটা স্বাভাবিক, এটা শুধু ইগনোরান্স না, এটাই মার্কসিস্ট দের কনসিডার্ড পজিশন, তাকে ডিসক্রেডিট করা টা আইডেন্টিটি পলিটিক্স এর অন্যতম উদ্দেশ্য, আরো মজার ব্যাপার হল, আইডেন্টিটি পলিটিক্স এর নিজের অন্যান্য ডকুমেন্টেড সমস্যার মধ্যে, মূল যেটা ইংরেজি কাগজে জায়্গা পায়, সেটা হল, মার্জিনাল সমাজের ইনটেলেকচুয়াল রা যখন এই অ্যাকোমোদেশন কে বিড়ম্বনা মনে করেন, যেমন টা মুসলিম সমাজের একাংশ করেছেন, বা ধরেন আদিভাসি উইল নট ডান্স এর লেখক মনে করেছেন। বা ধরেন যে কোনো প্রফেসনাল এন আর আই মনে করবে, যদি তাকে বলা হয়, কাকা তোমার প্রতিভা বিকশিত হবার আগে একটু এই সায়েব দের বিদেশ গুলোতে যাকে বলে স্ট্রাকচারাল অ্যাডজাস্টমেন্ট আসতে হয়েছিল এবং এখন ট্রাম্প, ব্রেকসিট বা ব্রাইটবার্ট পন্থী রা তার বিরোধিতা যে করছে, সেই স্ট্রাকচারাল অ্যাডজাসটমেন্ট যেটার নাম ছিল , মাল্টিকালচারালিজম, তার বিরোধিতা করছে, তারা পার্সোনালি আপনার শ্রমের সুবিধে পাওয়াটা মোটেই বন্ধ না করতে চাইতেই পারে, ইন ফ্যাক্ট পারসোনালি রেসিস্ট নাই হতে পারে। তো এগুলো তো বুঝতে হবে কাকা। শুধু সিপিএম করলে তো হবে না।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.7 (*) Date:24 Jun 2019 -- 09:25 PM

তবে 'আক্রান্ত' (রক্ত জল ইত্যাদি) পেশাদারের অ্যাপোলোজিয়ার কোয়ালিটির অবস্থা যদি হয়, তাইলে এটুকু বলতেই হয়, এ মানে স্বপক্ষে বা বিপক্ষে থিয়োরাইজেশনের বাইরে কিসু না। এবং ওতি পুরোনো ঘ্যান ঘ্যানে টাইপের আর কি, যদিও পাওয়ারফুল।
এই পজিশনের স্বপক্ষে থিয়োরাইজেশন ভারতের স্বাধীনতার পরে নতুন করে শুরু হয়েছে ইন্সিডেন্টালি, ইংরেজি তে 'কমন ম্যান' এন্টিটির আবিষ্কার দিয়ে ৭০ এর দশকে সম্ভবত, এবং এটাকে সিপিআই দের 'ওয়ার্কিং ক্লাস' , এবং ইন্টারেস্টিংঅলি মারাঠা ন্যাশনালিস্ট দের 'মারাঠা মানুস' এন্টিটির বিপক্ষে। বাংলায় অবশ্য সঞ্চারপথ টা একটু আলাদা ছিল, পার্টিশনের সময়ে জমিদার পক্ষ নেওয়া বাংআলি মেডিয়াকে , মধ্যবিত্ত পাঠক চাকুরিজীবির পক্ষে রি ইনভেন্ট করতে হয়েছিল। তবে বাম ডান শার্প ফল্ট লাইন ঐ ষাট সত্তরেই, ন্যাড়ার রেটোরিক ও সেখানে পড়ে আছে, আহা নস্টালজিয়া। অমর্ত্য সেন বলছেন , আজকের 'আম আদমী' বল, 'মিডল ক্লাসের' হিন্দী অনুবাদ, পেশাদার দের একটা কন্টিনিউয়াস ভিকটিমহুডের প্রচেষ্টা, এবং পাবলিক সেকটার ইনভেস্টমেন্ট ই বলুন, প্রাইভেট সেকটর এ পলিসি ট্রানজিশন ই বলুন, আমরা সব সময়েই অস্বীকার করি পলিসির বেনিফিট আমরা পেয়েছি, তাই রক্ত রেগুলার জল হয়ে চলেছে। প্রায় ইংরেজি শিক্ষার আরম্ভের সময় থেকে নিয়মিত, নাট্যকার রবীন্দ্রনাথের সেই শিশু তাতার মুখে বসানো প্রশ্ন , এত রক্ত কেন, তার একটা উত্তর বোধ্হয়, নইলে অতো দিন ধরে জল আসবে কোত্থেকে ঃ-)))))

বিপক্ষের থিয়োরাইজেশন এর অভাব নেই, তাকে টার্গেট করেই এই পুরোনো ডায়াট্রাইব।

তবে একটা প্রশ্ন এখন সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং, সেটা হল, বিজেপি র বিরুদ্ধে , বা ট্রাম্প বাবু দের পলিসি আর রেটোরিকের বিরুদ্ধে তাইলে আন্তর্জাতিক ফ্রন্টে কিন্তু ন্যাড়া রাই লড়ছে, মেটাফোরিকালি, এটা অস্বীকার করা যাবে না। এটার দুটো কারণ , উচ্চশিক্ষিত দের পক্ষে রেসিস্ট রেটোরিক মানা সম্ভব না, আর আমেরিকার ক্ষেত্রে গ্লোবালাইজেশনের বেনেফিট যে নতুউন নাগরিক লিবেরেল রা পেয়েছেন, নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরী হয়েছে, তাতে এক নতুন ধরণের সোশাল মোবিলিটি তৈরী হয়েছে, ইমিগ্রান্ট প্রফেসনাল দের পক্ষে তো বটেই, ওখান কার লোকের ক্ষেত্রেও। চাগরি গেছে তো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাপিটালিজম এর লোকেদের। পুরোনো হার্ড হ্যাট হার্ড বুট্স দের। কিন্তু আমাদের দেশের অভিজ্ঞতা উল্টো, পুরোনো ইকোনোমি , নতুন ইকোনোমি সর্বত্রই সেই কনজারভেটিভ রাই আজ ক্ষমতায়, যাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে সাধারণ মানুষের বিরোধী পলিসি কেই সমর্থন জানিয়েছেন, তাঁদের সাংস্কৃতিক হেজেমনি বজায় রাখতে এটাই তাঁদের কাম্য পন্থা, তাই মেরিটোক্রাসির নামে, যেকোনো পজিটিভ ডিসক্রিমিনেশন কেই তাঁরা আক্রমণ করেন, ভূমি সংস্কার তো বটেই, যে কোনো ওয়েলফেয়ার স্কিম কেই তাঁরা পাইয়ে দেওয়া বলেন, পরিশ্রম বিমুখতা কে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে বলেন, এবং অ্যাসপিরেশনের এর সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দেখানোর চেষ্টা করেন, এবং সেই জন্যেই এখন আর কংগ্রেসি ওয়েল ফেয়ার চলছে না, একটু কড়া মোদিজি লাগছে, তাই আক্রমণ টা ওয়েলফেয়ার স্টেটের বিরুদ্ধেও হচ্ছে, অন্য দিকে অল্প স্বল্প 'পাইয়ে দেওয়া' না হলে গণতন্ত্রের রক্ষা কবচ টি খসে পড়ে, তাই বিরোধীহীন রাজনীতি বা কংগ্রেস মুক্ত রাজনীতি র মধ্যেই, একটু আধটু ডিরেকট ক্যাশ ট্রান্সফার করে, ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার বা এনটাইটলমেন্ট না বাড়িয়ে গণতন্ত্র কে রাখতে হচ্ছে। বিতর্কহীন সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিরোধী নীতিকেই, এফিশিয়েন্ট ইম্প্লিমেন্টেশন বলে বেচা হচ্ছে।

প্রতিনিধিত্ত্বের অংকে, আমি আপাতত ন্যাড়ার চেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়াশীল , শুধু দেশে আছি বলেইঃ-))) ইমিগ্রান্ট নলেজ ওয়ার্কার হিসেবে, এক ট্যাক্স এর প্রশ্ন ছাড়া তাদের পক্ষে রেসিস্ট রেটোরিক মেনে নেওয়া কঠিন, অবশ্যা বাড়ি মেক্সিকান বর্ডার বা ডিপ সাউথে না হলে ঃ-)))))))
আমেরিকার সফল প্রফেসনাল দের মধ্যে মাইক্রো ডেমোগ্রাফি করতে ইচ্ছে করছে না, তারা তো এওসি কে জিতেয়েছে, আমরা তো কান্হাইয়া কে হারালাম ঃ-))))

তবে এটা কপাল ফের, এতে রাজনৈতিক চয়েস মহাশূন্য, এবং আমেরিকার ইকোনোমি তে এখনো যে কমতে কমতে হলেও সোশাল মোবিলিটি যে কিছুটা টিকে আছে, তার প্রমাণ। অনেক যুদ্ধ দিয়ে বাইরে টা ম্যানেজ হলেও দেশের ভেতরে রুল অফ ল ইত্যাদি আছে, লেখা পড়া করার সুযোগ পেলে, সোশাল ওয়ার্কার এর ছেলের কর্মক্ষেত্রে গিয়ে নতুন করে ডিগনিটি অফ লেবার প্রতিষ্ঠা করতে হবে না, আমাদের মারা যাওয়া ডঃ মেয়েটির মতো ঃ-((((



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.147 (*) Date:26 Jun 2019 -- 11:54 AM

মহুয়া মিত্রের বক্তৃতা সম্পর্কে আলোচনা এনি গিভেন ড্যাম ডে, অসংখ্য ঠাকুমা ও কবি দের নিম পাতা সংক্রান্ত কার্যকলাপের আলোচনার থেকে ইন্টারেস্টিং ঃ-)))))

আমি বক্তৃতা টা বার বার শুনছি খুব ভালো লাগছে, সুগত বোসের বক্তৃতাও শুনতাম, ভালো লাগতো। দল টল দেখে লাভ নেই, একটা ভালো বক্তৃতাও তো হয় না শ্লা পার্লামেন্টে। মোদিজি র বক্তৃতা কেবলি গ্রাজ, কিসুই নেই।

মমতার গণতন্ত্র সম্পর্কে কোন ক্রেডিবিলিটি নেই, কিন্তু ক্রেডিট গোজ টু মহুয়া, ফ্যান্টাস্টিক, ওয়েল ডান। এরকম বাতেলাবাজ , বড় ন্যারেটিভ নিয়ে বলতে পারেন, এম পি চাই।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.219 (*) Date:26 Jun 2019 -- 11:47 AM

তৃণমূল দল নিয়ে আর নতুন আলোচনা কি করবো। কিন্তু আমি রিজনেবলি খুশি মহুয়া মিত্রের বক্তৃতা নিয়ে, অপোজিশনের লোক অপোজিশনের লোকের মতো বক্তৃতা দিয়েছেন। গত পার্লামেন্টে একটাও বক্তৃতা দেন নি কেন, এটা আমার একটা কনফিউসন আছে। সেটা ই এখানে লিখতে এসে দেখলাম, 'আলোচনা' শুরু হয়েছে , ভাবলাম, তাহলে আর কি গালাগাল ও এসে পড়বে আশা করি, এইটেই ঐতিহ্য ঃ-)))))


name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.147 (*) Date:26 Jun 2019 -- 01:56 PM

এতে অবশ্য ওনাদের ক্রিমিনালিটির দায় কমে না, ওঁদের কেই নিতে হবে, কিন্তু ইতিহাস শুধু ঐতিহাসিকের পসন্দ মত হয় না, কি আর করা যাবে।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.99 (*) Date:26 Jun 2019 -- 01:52 PM

মমতা মায়াবতী কে শুধু খারাপ দেখতে মহিলা হবার জন্য, সুললিত না হবার জন্য প্রচুর যেমন গালাগাল খেতে হয়েছে, ভ্যালু জাজমেন্টে পড়তে হয়েছে, তেমন ই আবার তাঁরা সমাজের যে স্তরে প্রভাব বাড়িয়ে তাড়া তাড়ি আমাদের ভাগ্যের দায়িত্ত্ব নিতে চেয়েছেন, সেখানে পুরুষালী টফনেস ইত্যাদির একটা বাজার রয়েছে, আর কোথাও গিয়ে সেটা শক্তিমান রাষ্ট্রে র ধারণার সঙ্গে মিলেছে, ওনারা সুন্দর দেখতে হলে, ওঁদের প্রধান মন্ত্রী হতে কম অসুবিধে হত। এগুলো ব্যক্তিগত ইসু, না, সমাজের নানা ডিসকানেক্ট এর প্রতিফলন মাত্র। কাল একটু ডজি জায়্গায় মাল খেতে গেছিলাম, মানে সেখানে নানা লোক আসে, একজন শুনলাম পাশের টেবিলে বলছেন, শ্লা ডাকতার রা বহুত মাথায় উঠে গেল, হেবি রং বেড়ে গেছে, কোন হাসপাতালে ঢোকাই সমস্যা হয়ে গেছে, কিছু ঝামেলার কেস হলেই ডাক্তার সহ সবাই হাত তুলে নিচ্ছে, তো আমাকে ধরে নিতে হবে, বক্তা লুম্পেন সমর্থক, এগুলো সমাজের ডিসকানেক্ট এর ফল আর কি।





name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.99 (*) Date:26 Jun 2019 -- 01:44 PM

আমি এনি ডে, বুদ্ধ বাবু র বেসিক আদর্শবোধ, উচ্চ শিক্ষা, ব্যক্তিগত ইন্টিগ্রিটি ইত্যাদির প্রশংসা করবো, কিন্তু এটা অস্বীকার করা মুশকিল, একটা 'প্র্যাগমাটিক' মেশিনারি সুবিধে তিনি নিয়েছেন, যেমতি বাজপেয়িজির জন্য আদবানীজি ছিলেন, এখন মোদিজির জন্য অমিত জি, সামবডি হ্যাজ টু ডু ডার্টি ওয়ার্ক। অমিতজির জন্য আছেন কোদনানি বা ভানজারা রা।

সেই জন্যেই বলছিলাম, প্রতিটি মহৎঅ কার্যের পেছনে একটা বিনীত লুম্পেন ভূমিকা থেকেই থাকে, বড় বড় দেশের ছোটো ছোটো ঘটনার মত। মমতার ক্ষেত্রে বলতে পারেন কেস টা একটু উলটো হয়েছে, ওনাকে স্ট্রীট ফাইটে সিপিএম কে হারিয়ে প্রথমে গুন্ডা র উৎসাহদাতা পরে শিল্পী, কবি, লেখিকা এসব হতে হয়েছে মিডলক্লাস গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্যঃ-)))))



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.9001212.10 (*) Date:26 Jun 2019 -- 01:38 PM

অমিত , ঠিক ই বলেছেন। মানে তৃণমূল প্রদত্ত গুন্ডারাজের গ্রাউন্ড রিয়েলিটি কিসুই চেঞ্জ হল না। ঠিক। সেটাকে মহুয়া মিত্রর পক্ষে অ্যাড্রেস করা সম্ভব ই না, সুগত বসু ও আরাবুল এর মস্তানি দিয়েই জিতেছেন।
নন্দীগ্রামের ঘটনা, তাতে লক্ষন শেঠ বহিষ্কৃত হলেন, বুদ্ধ বাবু ইভেনচুয়ালি সন্যাস নিলেন, এটা শুধুই ব্যক্তিগত সততার ব্যাপার না। এটার একটা প্যাটার্ন আছে। ইতিহাস আমাদের প্রতি একটু বেশি সদয়। তৃণমূল যেমতি ঘটনার সময়কার প্রশাসনের লোকজন কে ক্ষমতায় এসেই নানা ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে, বিষয়টা সিনিকাল।

আমার খুশি হবার একটাই কারণ একটু বড় করে এন আর সি, আর অযোধ্যা প্রসঙ্গ এক ই বক্তৃতায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে।
গুন্ডাদের সাহায্য ছাড়া কোন ভদ্রলোক ই ভোটে জেতেন না, সেটা কে সমর্থক রা প্র্যাগমাটিজম বলেঃ-) আর বিরোধী রা গুন্ডারাজ বলে। তাই আমাদের বিচিত্র উন্নয়নের মডেলে, জেন্ট্রিফিকেশনের অন্যতম প্রাথমিক শর্ত লুম্পেনাইজেশন। ঃ-) এটা সংক্ষেপে শিকাগো , নিউ ইয়র্ক, এল এ র , আর্বান ডেভেলপমেন্টের ইতিহাস, একটু খোঁজ নিয়ে দেখবেনঃ-))))



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.235 (*) Date:26 Jun 2019 -- 05:39 PM

এটাকেই জেন্ট্রিফিকেশনের পেছনের লুম্পেনাইজেশনের প্রবণতা বলা যেতে পারে। নগরায়নে এটা কমন ট্রেন্ড। এটা কে অস্বীকার করে , আমাদের পক্ষাবলম্বনের অসারতা ছাড়া কিছু ই হয় না।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.63 (*) Date:26 Jun 2019 -- 05:18 PM

*ধরো থেকে পিটির জন্য লেখা, আভ্যন্তরীন মতাদর্শগত আলোচনা ;-)



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.55 (*) Date:26 Jun 2019 -- 05:00 PM

গুন্ডারাজে আপত্তি কেন থাকবে না? কিন্তু এই রিয়েলিটি টা স্বীকার করতে অসুবিধে কোথায় যে গুন্ডা দের হেল্প আমরা যাদের ভদ্রলোক পলিটিশিয়ান বলি তাঁরা নিয়েই থাকেন, বা সাধারণ ভাবে একটা শহরের জেন্ট্রিফিকেশন এর পেছনে নানা ধরনের গুপি টাইপের কাজ থাকে।
ধরো আজ রাজার হাটে আমরা চাকরি করি, যাকে বলে ভ্দ্রস্থ বুর্জোয়া(ওরিজিনাল অর্থে) লাইফ কাটাই, মন দিয়ে ভোর থেকে রাত আপিশ করছি, নিয়ম মেনে বাসে উঠচি, অটো লাইনে দাঁড়াচ্ছি, অটো ওয়ালা দের খারাপ ব্যবহারে চমকে পাথর হয়ে যাচ্চি, গাড়ি চালাচ্ছি, পরিষ্কার রাস্তা দেখলে, রাস্তায় সিগারেট বাট ফেলছি না, ডাস্টবিনেই ফেলছি, প্রতিটি জায়গার র‌্যান্ডম চেকে আইডি দেখাতে আপত্তি করছি না, গাড়ির বুট খুলতে আপত্তি করছি না, মাইক্রো ব্রিারি তে মাল খাচ্ছি, কফি খাছি কাফেতে, একটা বইয়ের দোকান থাগলে ভালো উপন্যাস ও পড়া যেত। কিন্তু এখানে বেসিকালি রিজনেবলি শস্তায় জমি কিনে কৃষক ভাগিয়ে নগরোন্ন্যন হয়েছে, এবং শুধু তাই না, পাশের সমস্ত এরিয়া তে মাটি গফুর , আরাবুল দের দাপট চলেছে, কারণ অ্যাকশন এরিয়া কবে কোথায় বাড়বে, রাস্তা কবে কোথায় বাড়বে দেখে ল্যান্ড স্পেকুলেশন হচ্ছে। তুমি আমায় বলো এই ঘটনায় কি করে পার্টি লাইনে আলোচনা সম্ভব। এতে গোল গোল ভাবে উন্নয়নের মডেল কে তো দুষতে হবে? রাইট? এতে তো বিভিন্ন দিক দিয়ে বিভিন্ন ভাবে সব পর্ত্য ই দোষী, এবং বেনেফিসিয়ারি, শুধু একটা নতুন মিডল ক্লাস? তুমি এটা দেখতে পাচ্ছো না তা না, শুধু পার্টিজান আলোচনার স্কোপে এটা পড়ছে না এটা স্বীকার করছো না।

পিটি আমাকে তুমি বলো, একটা লোক বিজেপি কে গাল দিলে তার থেকে আনন্দের আর কি আছে?







Name:   প          

IP Address : 124512.101.6778.135 (*)          Date:27 Jun 2019 -- 01:31 PM

name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.135 (*) Date:18 Jun 2019 -- 03:12 PM

আর এস ও তো মাইরি আমাকে গাল দিলেও মোটামুটি অবজেকটিভলি দেখার চেষ্টা করেছে, ছেলে মেয়েরা মার খেয়েছে বলে খচে গেছে, এস এম দার এতো রাগের কি। এতো ডিসিপ্লিন আর অর্ডার প্রবণতা মারি ভালো না, গণতন্ত্রে একটু কলকাকলী এবং হেঁড়ে গলার ভুল বকা থাকবে, নিশ্ছিদ্র ডিসিপ্লিন আর কুচ কাওয়াজ মাইরি আপনাকে (এস এম দাকে) আরেকটু হলেই ফ্যাসিজম সমর্থক করে দেবে বলে দিলাম। নেহাত এন এইচ এস এর সোশালাইজিং হেল্থ কেয়ার এক্সপেরিয়েমেন্টে ছিলেন, তাই এখনো হন নি , এদিকে আজ আমি টোটাল 'ব্যক্তিগত আক্রমণ' করে পোচোন্ডো আনন্দ পেলাম ঃ-)))) গরু ও ভোট হারালে, বিশেষত গোরু তে ভোট খেলে এমন ই হয় ঃ-))



name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:18 Jun 2019 -- 04:38 PM

একটা গল্প বলছি, খুব ছোটো স্কেলে, কিন্তু বিচিত্র মিল। আমরা পৌষমেলায় দোকান করব। তো আমাদের মুর্শিদাবাদের হরপ্রসাদ দোকান বানাতে ওস্তাদ, বাঁশ বাঁধা, কাপড় বাঁধা, খড়ের ছউনি, ত্রিপল এর পার্ট সব ই একা হাতে করে ফেলছে, আমরা কয়েকজন একটু সাহায্য করছি, আর আমি ব্যক্তিগত ভাবে ধান্দা করছি কখন বইয়ের স্টল এ যাবো, এমন সময় দেখা গেল, কয়েকটি লোক এসে আমাদের দোকানের বাঁশ গুলো খুব পরীক্ষা মত করছে, হরো বল্লো মেরেচে। বলে আস্তে করে নেবে ভাগলবা। তারপরে কয়েকজন শ্রমিক শ্রেণী এসে আমাদের উদুম ক্যাল দিল, মূল অপরাধ বাঁশ চুরি। হর বাবু বাঁশ ঝেড়ে বিপ্লবী কফি র দোকান বানাচ্ছিলেন, আমরা কতিপয়, লোক এখান থেকে ওখানে বাঁশ ধরে, বা শাবল খুঁড়ে গর্ত করে নিজেদের শ্রমিক শ্রেণী মনে করছিলাম, এমন সময় স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক (আমাদের কয়েকটি বাংলাদেশী অসম্ভব পড়াশুনোয় ভালো আর ক্যাবলা মতো, রোগা রোগা কমরেড ছিল) সংহতির বারোটা বাজিয়ে, মালিক পক্ষের (সব মিলিয়ে ক্যাপিটাল দশ হাজার ছাড়াবে কিনা সন্দেহ) হয়ে চোর ধরতে এসে, বিস্ব ভারতির বদ মায়েশ চোর স্টুডেন দের হাতে নাতে ধরে আমাদের ক্যাল দিল, যে মুষ্টিবদ্ধ হাতে , কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাবার কথা, বা অন্তত মে দিবসের পোস্টারে থাকার কথা তারা পিঠে মুখে গায়ে পড়লো। রক্তপাত হলো। আমি হতভম্ব, ছত্র পরিষদ আমাদের মাঝে মাঝেই মারতো, তার পরে স্নেহ ভরে হাসপাতালে দেখা করে তিতীয় বিশ্বের বিচিত্র এবং পরিচিত ল্যামেন্টেশন করতো, এই তো আমাদের ছোটোবেলা, কিন্তু গরীব মানুষ কখনো মারেন নি। সাগরিকা দি বলে একটা দিদি ছিল, সিনিয়র দের মধ্যে সেই ছিল, সে প্র্যাকটিকালি মব এর মধ্যে ঝাপিয়ে পড়ে একটি ছেলেকে বাঁচালো। আমি ক্যাল খেয়ে চেপে গেলাম, আর মনে মনে একটা প্রবন্ধ লিখলাম, যে মাউষ কে সংহতির গুরুত্ত্ব কি করে বোঝাতে হবে, কারণ মুখ গুলো মে দিবসের মিছিলে চেনা ঃ-))))

এবার মিটিং হচ্ছে সন্ধে বেলা, উদ্দেশয় বড় রা এসে বলবেন, অ্যাই তোরা ক্ষমা চা, আর আমরা কুঁই কুঁই করে বলবো, আমাদের কথা কেউ শুনলো না, আর বাঁশ ঝেড়ে দিলে পুলিশ মারে মারুক, শ্রমিক শ্রেণী কেন মারবে। তো মিটিং এ যে মেন মেরেছিল, সে প্রথমেই কান ধরে বল্লো, এ বাবা মিলান বাবুর ছেলে , বাবুলি বাবুর ভাই, এরা এদের মারলাম, এ বাবা সরি সরি আর কখনো করবো না গো, এই নাকে খত দিছি, বলে সিরিয়াসলি নাকে খৎঅ দিতে আরম্ভ করলো, সাগরিকা দি , আমি , আর যে ছেলেটি সব চেয়ে বেশি মার খেয়েছিল , রক্তাক্ত হয়েছিল সে তারা অপমানিত বোধ করলাম, কোথায় বাম শ্রমিক ছাত্র সংহতি, এতো পরিবার পরিচয় করছে, আমরা মিটিং থেকে প্রতিবাদ করে বেরিয়ে গেলাম, বেরোনোর সময় দেখলাম, হরপ্রসাদ সবাই এর জন্য হন্ত দন্তো হয়ে চা আনছে। টোটাল ডিসকানেকশ্নের অনূভুতি হলে এই গল্প টা আমার মনে হয় ঃ-))))))))))))))))

তো প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, কিন্তু ডিসকানেকশন কোন মিউচুয়াল মিটংএ মেটার না, ইভেন উইথ গুড ইন্টেনশন্স।




name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 02:12 PM

মেডিয়ার ভূমিকা এবং প্রোপাগান্ডা মেশিনারি গুলোর ভূমিকা কাছাকাছি।

অপারেশন সানশাইন, হাঁটতে অসুবিধে হচ্ছে অভিযোগে এটা আনন্দবাজারের ক্যাম্পেন ছিল, হকার দের তুলে দেওয়া, আর কিছুই করে নি, শুধু ডিসএন্ফ্রানচাইজ্ড মানুষ দের কা্ছ থেকে লেফ্ট কে সর‌্যিয়েছে। শহরে, তাতে টি এম সির উত্থান সহজ হয়েছিল, পরে আবার তারাই ল্যামেন্টেশন করেছে, হায় সিপিএম আর মানুষের কাছে নেই ঃ-)) ঠিক সেরকম ই এখন এই সাতটা মুসলমান ছেলে র নামে, দেখো মুসলমান রা তো এরকম ই হয় গোছের ক্যাম্পেন চলবে, তাতে কমিউনাল মোবিলাইজেশন দুর্দান্ত বাড়বে, ঠিক ই, কিন্তু পরে ডিসয়্ফেকটেড মাউষ যখন বিজেপি র নানা নেতার সঙ্গে জুড়ে যাবে, তাতে মুসলমানরাও থাকবেন, যাতে নীচুতলার সমাজে চলমানতাটা থাকে, তখন তাকেই প্রকৃত সেকুলারিজম বলে বেচা হবে, কিন্তু ডিসয়াফেকশনের কারণটা হারিয়ে যাবে। এবং তখন আবার বিজেপির মধ্যেই নব্য বিশুদ্ধিকরণ হবে। মুসলমান দের পক্ষে বেঁচে থাকাটুই এখন রেজিস্টান্স হয়ে গেছে, বিশেষত শহরে। কারণ আর কোন অর্গানাইজিং প্রিন্সিপল তাঁরা যাই ট্রাই করুন, সব ই ডিসক্রেডিটেড হবে, আর দরিদ্র বিরোধী পোলিটিকাল অপোনিয়ন তো আছেই। আশা করা যায় ফাইনাল সলিউশনে সে সমস্যা থাকবে না।

তো মেডিয়ার তৈরী করে দেওয়া রেফারেন্স এ কথা বলতে আমার আপত্তি আছে জেনেরালি, তো সেটা চোর অপবাদের ভয়ে যাবে না। বন্ধু বান্ধব দেবা অপবাদে চাপ নেই।



name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 01:54 PM

অবশ্য এই অবস্থান গুলো কিছুটা কম পপুলার হলেও, খুব অস্বাভাবিক কিছু না, খুব অলভ্য ও কিসু না , তাই আমি ইউনিক বা ইউনিকর্ণ কোনোটাই নই। সবাই হয়তো আর্টিকুলেট করেন না।



name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 01:52 PM


বাই দ্য ওয়ে, এস সেদিন জিগ্যেশ করছিল, আমাকে তৃণমূল অর্থে চোর বল্লে আমি মাইন্ড করব কিনা। করব না। কত লোকে কত কি বলে।

আমি এখনো মনেই করি না, সিপিএম বিরোধী রা সবাই ২০০৮-২০১১ তে টি এম সি ছিল, এখনো মনে করি না। তাতে আমি কিসুই মহান প্রমাণিত হই না, কিন্তু এটা একটা রাজনৈতিক অবস্থান। আমি আরো অনেক কিছুই ও প্রসঙ্গে মনে করি না। যেমন এসেনশিয়ালি আর্বান আন্ডারক্লাসের পার্টি টি এম সি, হঠাৎ করে সাবসিস্টেন্স ফার্মার এর পার্টি হওয়া টা অয়আবসার্ড ছিল, এবং সেটা বড় শহরের বাইরে এটা এখন একটা ল্যান্ড শার্ক এর পার্টি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটা কথা আমি কদিন আগেই বলেছি, কারণ আমি গুরু কে শুধুই ফিনিশড প্রবন্ধ আর চুটকির জায়গা বলে মনে করি না, ইট ইজ আ কনভারসেশন অ্যানড ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস, সেটা লিংক করে দেখা যেতে পারে, না দেখলে বয়ে গেল অবশ্য ঃ-)))

আনলাইক সিপিএম সাপোর্টার্স, টি এম সি কে আমি একটা পলিসি ইনডিউসড জবলেস গ্রোথ এর ফল হিসেবে দেখি, কারণ আমাদের প্রজাতন্ত্রে কাছাকাছি সময়ে অনেক কিছু ঘটেছে। ইট ইজ নট অনলি অ্যাবাউট পার্সোনালিটি অর একটা বা দুটো ঘটনা, অবশ্যই এটা দেখা শুধু না, এর এভিডেন্স রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রে এনটাইটলমেন্ট জিনিসটা যত কমবে, এবং দয়ার সারভিস প্রোভাইডার হিসেবে রাষ্ট্র কে যত দেখা হবে, তত পলিসি পার্টিসিপেশনের প্রয়োজন কমবে, এবং মেগালোম্যানিয়াক ইম্প্লিমেন্টেশন পন্থীর প্রয়োজন তত বাড়বে, এবং সেটা পার্টিসিপেটরি, ডিবেটেড গণতন্ত্র র মডেল এর থেকে আলাদা। এবং ওয়েলফেয়ার তার ইমানিসিপেটরি পারপস তত হারাবে, কন্যাশ্রী এবং রুপশ্রী দুটো কেই জাস্ট দুটো স্কিম হিসেবে দেখা হবে। এটা প্রিন্সিপল্ড অবস্থান, এতে কে কি মনে করলো সেটা ইমেটেরিয়াল, এটা ডিফেন্ড করার মত গ তে দ রয়েছে, পৃথিবীর যে কোন ফোরামে।

আজকে টি এম সি বিরোধী রা সবাই বিজেপি সেটা মনে করার ও কোনো কারণ নেই। সেটা আমি কমিউনিকেট করেছি, না বুঝলে কি আর করা, ইউ আর ইন গুড কোম্পানি ঃ-))) বিশেষতঃ বিজেপি যখন একটা ভিশাস পার্টি। কিন্তু আমি 'সেকুলার' বলা টা যথেষ্ট বলে মনে করি না, কারণ আর কিছু না, কারণ আমার লিবেরালাইজেশন পরবর্তী মেডিয়ার মূল অ্যা্চিভমেন্ট হল, গরীব মানুষ কে , তাদের বক্তব্য কে আপদ হিসেবে দেখানো, এবং ফেসলেস মব কে ভিতীর কারণ হিসেবে দেখানো। সরকারের গেম টা মজার, সকলের কাছে লেজিটিমেসি না পেলে চলে না, অথচ, এনটাইটলমেন্ট এর লজিক থেকে মানুষ কে সরানো, সোশাল সিকিউরিটি নেটওয়ার্কের বারোটা বাজানো, এবং সব চেয়ে বড় কথা পলিসি এবং যে কোন সারভিসের ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রাকচারে একটা বড় অংশের মানুষকে, মেরিটিক্রাসির কারণে দূরে সরিয়ে রাখা। বিজেপি এসে তাতে ন্যাশনাল অ্যান্টি ন্যাশনাল লেয়ার যোগ করেছে।সাধারণ মানুষের, বিশেষত ফেসলেস সাধারণ মানুষ এখন শুধুই অ্যাঙ্গরি মব, তাদের ঠ্যাংআনির ব্যবস্থা পর্যাপ্ত, শিক্ষায় দীর্ঘ ডিসইনভেস্টমেন্টের ফলে, তাদের ইনটারভিউ নিলেই খুব সংহত কিসু বেরোনো র সম্ভাবনা নেই। তো তাদের সুধুই লুম্পেন ভাবা তে আমার আপত্তি আছে। এবং পৃথিবীর সমস্ত সমস্যা কে সিকিউরিটি সমস্যা হিসেবে দেখাতে আমার আপত্তি আছে। এবং আলোচনার কাঠামোর সমস্যা টাকে হাইলাইট করার জন্য মেটাফোরে, ইমেজারি তে, শব্দ চয়নে সাবধানতা আশা করে থাকি। কারণ আর কিছুই না, বিজেপির খেলার অনেকটা সেমিওটিক্স। জয় শ্রী রাম
এর একটা পোলিটিকাল কনোটেশন আছে, যেটা জয় রামজি কি, বা জয় শিয়া রাম এর মৈথিলী গ্রিটিং এ নেই।

সিপিএম সমর্থক রা যখন দাবী করে, তারা তৃণমূল গুন্ডা দের হাত থেকে বাঁচার জন্য বিজেপির পতাকার তলায় তাঁদের কে আমার পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন, ইয়েস ফ্রম দ্য আর্ম চেয়ার , কিন্তু তাও কঠিন। অর্জুন সিং আর নর্থ বেঙ্গলের একজন কি যেন নেতার আগে, বড় মাপের মস্তান গোছের কেই বিজেপি তে ছিল না, আদর্শ বাদী দক্ষিনপন্থী, মিডলক্লাস নব্য বিজেপি, আর এস এস এর সংগঠক সব ই ছিল কিন্তু পাড়ার মস্তান ছিল না। সুতোরাং জে হাত জে লাঠি দিয়ে আজ বিজেপির পতাকার তলায় টি এম সির সঙ্গে স্ট্রীট ফাইট করা যাচ্ছে, সেটা লাল ঝান্ডার তলাতেও করা যেত, কারণ পোলিটিকাল ইকোনোমি অফ মারামারি ইজ অটোনোমাসঃ-))) বিরোধী পক্ষের দিকে ঃ-))))) কিন্তু তাঁরা তা না করে বিজেপির ভিশাস মুসলমান বিরোধী, রিগ্রেসিভ প্রোপাগান্ড তে বিশ্বাস করেছেন, করতেই পারেন সেট তাঁদের চয়েস, তাতে কোন অসহায়তা নেই, বা থাগলেও প্রচন্ড কম আছ, বড় এভিডেন্স কিছু নেই। এমনকি পাহাড় জঙ্গলেও নেই, সুতোরাং যারা অসহায়তা কে কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন, তারা ক্রোধান্ধ মাত্র, এবং এই এলাকা বিভাজনের টার্ম্স কে জাস্টিফাই করা টা এক ধরণের দুর্বৃত্তায়ন।

এর পরে, মমতার মুসলমান অ্যাপিজমেন্ট, এটা বিজেপির ক্যাম্পেন থেকে এখন মেনস্ট্রীমড মিডলক্লাস অবস্থান হয়ে গেছে। এটা এমন ভাবে বলা হয় যেন মমতা এবং তৃণমূল কে ডিতেস্ট করার আর কোন কারণ নেই, তাঁর স্বইরতন্ত্র যেন যথেষ্ট না। এটা সম্ভব হয়েছে , অনেক বড় করে বিজেপি আলোচনার কাঠামো টাকে সংখ্যালঘু বিরোধী এবং অস্মিতার নামে পরমত অসহিষ্ণু করতে বাধ্য হয়েছে। মমতা সংখ্যা গুরু এবং সংখ্যা লঘু সমাজের কনজারভেটিভ সমাজের কাছে পৌচেছিলেন, সিপিএম এর বিরুদ্ধে প্রোগ্রেসিভ এবং কনজারভেটিভ অপিনিয়ন কে এক জায়গায় আনতে পেরেছিলেন, বলেই ম্যাসিভ ম্যানডেট পেয়েছিলেন। একজন ঘরোয়া কমন সেন্স ড্রিভেন ব্যক্তিত্ত্ব হিসেবে কনজারভেটিভ দের বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন সেটার কনফ্লিকট বিজেপির হাত দিয়ে এক্সপোজ্ড হয়েছে, এটা কে পোলিটিকাল সোসাইটির রি অ্যালাইনমেন্ট বলা যেতে পারে, কিন্তু তাতে মমতা মূল অপরাধ মুসলিম অ্যাপিজমেন্ট হতে পারে না, তাঁর মূল অপরাধ তিনি স্বৈরতন্ত্রী। এটা আমরা লেফ্টি রা তো এসটাবলিশ করতে পারিও নি, বিজেপির ন্যারেটিভ এ বিশ্বাস ও করেছি অনেক ক্ষেত্রে, অতবে আপনি আংশিক ছাগল হলে আমি আংশিক পাঁঠা বাই অ্যাসোসিয়েশন, উই আর ইন গুড কম্পানি।

এতো গেল কনটেক্স্ট, হাসপাতালে ডাক্তার দের কোন ব্যবহারে কোন দায় ছিল না, সেটা আদ্যন্ত ঢপ। আলোচনা হয়েছে , স্বাভাবিক কাজ শুরু হয়েছে, এতে ট্যাক্সপেয়ার কনজিউমার হিসেবে খুশি। কিন্তু পেশেন্ট পার্টির বক্তব্য শোনার কথা কারো মনে হয় নি, সেটা সিস্টেমেবের অ্যানোমালি কে অ্যাকসেনচুয়েট করবে ও করছে।

ফাইনালি, সারদা যখন টি এম সি কে ব্যাংক রোল করে, তখন তাতে অপর্ণা সেনের নাম জড়িয়ে ছিল। এবং বড় ভিগরাস ডিনাইয়াল তাঁর কাছ থেকে আসে নি, টি এম সির কোরাপশনে আপত্তি থাগলে জুঃ ডঃ রা তাঁকে ফোরাম কেন দিয়েছেন তাঁরাই বলতে পারবেন, যদিও অ্যাজ অ্যান ইন্ডিভিজুয়াল একজন অভিজুক্ত তাঁর অন্য বিষয়ে মতামত দিতেই পারেন।

যাই হোক, আগের দিন এই মজার গল্পটা বলা হয় নি বলে আজ বলে গেলাম।

আর যারা বলছে এস বা ইন্দ্রানীদিদি বা অন্যরা এন আর আই বলে তাদের বক্তব্যে কোন গুরুত্ত্ব নেই, সেটা বোগাস একটা কথা। সেটাতে পাত্তা দেবার কোন দরকার নেই।

name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 07:01 PM

ঃ-)) পিটিঃ-))



মিডিয়ার কাছে যেটা গ্রহণযোগ্য, সে ভাবে অর্গানাইজ করছে মানুষ সেটা কেই বাংলায় হেজেমনি বলা হয়। হ্যাঁঅ মেডিয়ার ডাবল স্ট্যান্ডার্ড তো আছেই। একশো বার। মতাদর্শ নির্দেশের কাজ টাই মেডিয়া করছে। এটা মমতার বেলায় বারে বারে হয়েছে। মমতা র উত্থান টাই, মেডিয়া ন্যারেটিভ এর ফল। সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় এর বর্তমান এর প্রতিবেদন মনে থাকার কথা। মমতার যেহেতু এম্ফাসিস ছিল শুধুই রাজ্য সরকার বদল, অনেক সময়ে মতাদর্শের ওভার আর্কিং ন্যারেটিভ তাকে মেডিয়াই দিয়েছে, বাম দিয়ে মরাল লেজিটিমেসি, আর দক্ষিন দিয়ে প্রশাসক তৈরী হয়েছে।

আলোচনার কাঠামো মেডিয়া বদলে নিয়েছে, আমরা পারি নি। মেডিয়া যাকে শক্তিমান দেখাচ্ছে তাকেই শক্তিমান মনে করছে মানুষ, মজাটা হল, কোনো স্ট্রীট ফাইট অমিত শহ লড়ে না দেবা সত্ত্বেও সেটা করছে। নিজেরাই যখন অর্গানাইজ করছে তখন সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে না গেলেই পারত। সচেতনতা কম, অথবা মুসলমান দের অবিশ্বাসের যে বাতাবরণ তৈরী হয়েছে, তাতে হঠাৎ এমপাওয়ার্ড বোধ করেছে। ঘৃণার শক্তি মিথ্যার থেকেও বেশি সম্ভবত। এবং রেশনালিটি অশক্ত। এবং সহাবস্থানের অভিজ্ঞতা না থাকা জায়গা গুলোয় এই ট্রানজিশন আরো সহজ হয়েছে। পুরুলিয়া তে ভয় দেখানো হয়েছে, রোহিঙ্গা রা সেটল করবে এখানে।

আরো মজা হল, এর পরে বিজেপি ঘেটো উইন করার জন্য মুসলমান মস্তান দের সঙ্গে নেবে, তাতে বিজেপির মধ্যেই আরো বিশুদ্ধ হিন্দুত্ত্ব মুভমেন্ট উঠে আসবে। আরো রাইটওয়ার্ড শিফ্ট হবে।

সুতোরাং আমার বক্তব্য হিন্দুত্ত্ব অ্যাপিজ করেছে মেডিয়া নিজেই, মমতা র প্রধান দোষ রাজনৈতিক অসততা এবং মিথ্যাচারের মাধ্যমে ম্যানেজ দেওয়ার পদ্ধতি, আজ পাহাড় হাসছে তো কাল জঙ্গলে অট্টহাস্য ইত্যাদিদ, কিন্তু তাঁর কানের পেছনে ঘোমটা পড়ার জোর, একটা নমাজ পড়ার ইমেজারি কে, ব্যক্তিগত কনজারভেটিজম কে, মুসলিম অ্যাপিজমেন্ট বলে দেওয়া শুধু না, বলে ভোট ঘুরিয়ে দেওয়া টা বিজেপি - মেদিয়ার সাফল্য। এর এভিডেন্স দুর্বল। মুশকিল হল, আমি সিপিএম সমর্থক বন্ধু দের ভেতরে যেখানে এটা বলেছি, ।তীব্র সমালোচিত হয়েছি। অফিসিয়াল অ্যাকসেস নেই, ক্যাজুয়াল কনভারসেশন।

name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 06:41 PM

শৈলেন বাবু বোলপুরের লেজেন্ড বললে কম বলা হয়। মিড টু লেট সেভেনটিজ থেকে সিপিএম বিরোধী বামপন্থী। কোন নকশাল সংগঠন টায় ছিলেন ভুলে গেছি। একটা একটু ইমোশনাল বেশি হলেও রিজনেবলি ভালো আত্মজীবনী আছে। আমার কাছে আছে, নামটা ভুল গেছি। আশাদীপ প্রকাশনী বোধায়। শৈলেন বাবু এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন জানতাম না, ওঁকে মার ধর করার সাহস আশাকরি কারো হবে না।


name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 07:05 PM

এবং এটা বোঝা দরকার, এই বেলিকোজ রেটোরিকের যে গ্রহণযোগ্যতা, সেটা তাঁর একার বেলায় হয় নি মোদীর বেলাতেও হয়েছে। এটা আমি যেখানে বলেছি হেরে গেছি, কিন্তু চেষ্টা ছাড়ি নি, ছাড়বো ও না। এই পোলারাইজেশন দেখা যায় না।


name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.132 (*) Date:19 Jun 2019 -- 07:03 PM

তিনি প্রধানত স্বৈর তন্ত্রী, সঞ্জয় গান্ধী ঘরানা। খ

name: খ mail: country:

IP Address : 340123.99.121223.134 (*) Date:20 Jun 2019 -- 11:33 AM

অমিতঃ-))))))))))))))))))))))))))))))))))))

হ্যা এই কাটমানি ফেরত দিন টা সত্যি খোরাক। এই যে পাড়ার ক্লাবের পুজোর বড়দি গোছের, এই যে হাতে মাইক নিয়ে স্টেজে হাঁটতে হাঁটতে, এই যে প্যাটন গান করো, এই ছোটোন কাটমানি ফেরত দাও, এটা কে ই শশব্যস্ত স্বতঃস্ফুর্ততা, প্রকৃত আন্তরিকতা , বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এতদিন, জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে এগুলো ই হয়। ইট ওয়াজ অলওয়েজ আ ফার্স, বাম দের ইমপারসোনাল 'এই কাজ গুলি করা দরকার' টোন এর থেকে ডিসটিন্ক্ট করার জন্য। মমতা হ্যাজ অলয়েজ বিন আ লট অ্যাবাউট সিম্পবিলিজম।

এবার এটা তো গেল, এবার একটা কথা বলেন না, পাড়ার পুজো , বাড়ির অনুষ্ঠান, আপিশের খুব উঁচু লোক থাগলে না, মোটামুটি রোজকার মিটিনে তো এই হয়, রাইট? এটাকেই অ্যান্টি বুরোক্রাসি মেথড বলা হয়, যে মেডিয়া এত লিখছে, তারা তাদের কোং মিটিং এর মিনিট্স দেখাতে পারবে? বাল পারবে। মমতা র মেথড সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো, তাতে চমকানি ধমকানি একটা বড় পার্ট, কিন্তু আমরা পাড়ার প্যান্ডেলে এটাই করে থাকি, এটাকেই সন্ধে বেলা এনগেজমেন্ট বলি। এবং এটার সঙ্গেই অনেক লোক আইডেন্টিফাই করেন।

পাবলিক আর প্রাইভেট স্ফিয়ার এ যে আলাদা ভাষা , চিহ্ন ব্যবহৃত হওয়া দরকার, তার যে কতগুলি পরিভাষা আছে , এটা কেই তো আমরা বুরোক্রাসি বলে অ্যাটাক করেছি কাকা, সেটা তো একটু দেখতে হবে। কিছুই না, নতুন করে 'প্রসেসে' জোর পড়ছে, বাংলা কাগজের ন্যারেটিভে, কারণ আর কিছুই না, বিজেপির গোটা উত্থান টাই, অন্য রাজ্যে ডায়নাস্টির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের উত্থান বলে বেচা হলেও, এখানে আহত কোনঠাসা ভদ্রলোক সজ্জনের প্রতিক্রিয় হিসেবে বেচা হবে। এখানে একটা স্মাইলি বনতা হায় ঃ-))) আগে আমার নিরবচ্ছিন্ন বাতুল টাইপিং এ নিশ্চয়ী আগে বলেছি, বম্বে তে ষাঠ সত্তরের দশকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্কিং ক্লাস লোকের রাস্তার দাপটে ভদ্রলোক পজিশন একটু কোনঠাসা হয়, তখন 'কমন ম্যান' এর সৃষ্টি করেছিলেন, আমাদের কার্টুনিস্ট রা, ইংরেজি কাগজে অবশ্যই, সেটা ভাবার জন্য কোন পুরশ্কার নেই। ঃ-)))

আলোচনার কাঠামোতে তে এই টে আজকের প্রথম স্যালভো, একটু পাদু ঠুস মত শোনালেও, বিপ্লবী ইনটেনশন টা খ্যাল করবেন।






Name:  প          

IP Address : 124512.101.7878.139 (*)          Date:02 Jul 2019 -- 03:12 PM

name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.34900.158 (*) Date:02 Jul 2019 -- 01:02 PM



এর মধ্যে, আপনাদের অভিশাপে, একটা যাতা কেস হয়েছে। এনরিক ভিয়া মাতাস বলে এক স্প্যানিশ সাহিত্যিক এর সন্ধান পেয়েছি, জীবনে সফল না হলে অনেকের খোঁজ পাওয়া যায়, সাফল্য এলেই আর রামের সুমতি আর শীর্ষেন্দু র বেশি এগোনোর টাইম পাওয়া যায় না, এটা একটা সমস্যা। তো যাই হোক এঁর মূল বিষয় সিভিল ওয়ার না। তো যাই হোক, তাঁর লেখা সম্পর্কে আমি একটা পোবোন্দো লিখেছি, তাতে একটা বিপ্লবী শুরু রেখেছি।
আশানুরূপ ভাবে অকারণে জটিল ও একাধারে প্লেফুল, মানে যাদের বোঝার কথা না, তারা বুঝবে না ইত্যাদি সেই ব্যাপারটা, আমরা তো সাধারণ মানুষ ইত্যাদি ব্যাপারটাও রয়েছেঃ-))))

"কলকাতার শীতকালে অথবা বইমেলার আবহাওয়ায় , সুপর্ণাদের
অনুমতি নিরপেক্ষে, ছোটো-নুনু পাঠকদের একটা রাজা-উজির মারার
ছাড় থাকে, মূলতঃ সেই ছাড়ের সুযোগ নিতেই সমসাময়িক কালের
ইউরোপে সবচেয়ে হৈচৈ ফেলে দেওয়া, তিরিশটি ভাষায় অনূদিত,
ফোরমেন্টর
পুরষ্কারে ভূষিত স্পেন দেশের সাহিত্যিক, এনরিক ভিয়া মাতাস এর
প্রসঙ্গ উত্থাপন।"

তো এবার এই লেখাটা যাঁরা ছেপেছেন, সেই পত্রিকা যিনি ছাপেন তিনি ও পুরো পড়েন এমন কোন খবর নেই, সবসময়েই লিমিটেড এক্সক্লুসিভ এডিশন। এবার তিনি আমায় ফোন করেছেন। আমি ঘটনা চক্রে একটি মিটিং রূমে দুটি (ভাগ্যক্রমে পুরুষ) টিম মেম্বার কে নিয়ে পরের রিলিজ এ কি দেব এসব নিয়ে যুগান্তকারী আলোচনা করছি। স্পিকার এ দিয়েছি। এবার খুব খুশি খুশি গলায় বলতে শুরু করলেন, "এই জানো শোনো তোমার লেখা বেরিয়ে গেছে, অনেকে ভালো বলছে জানো, তোমার বৌদি বলছিলেন সত্যি ছেলেটা কত কি পড়েছে দেকোচো, বা`হ এই তো দেখো আমার সামনে এই মাত্র এসেছে, একেবারে ফ্রেশ ফ্রম দ্য প্রেস, নতুন বইয়ের একটা গন্ধ না, বুঝলে এই নেশাতেই বুঁদ হয়ে থাকলাম সারা জীবন, এই যে পৃষ্ঠা সতেরো, , 'শিল্পীর প্রত্যাখ্যান এবং নিভৃতির আকাংখ্যা' বাহ, এই তো, সে কি নুনুটা কাটেনি!!!!, এবাবা এত করে বললাম, শুনছো, বোধির নুনুটা কাটে নি, তুমি ওদের বলো নি, আমি কিন্তু পরের মসেই প্রফেশনাল সাব এডিটর আনবো, এ মানে অসম্ভব!!!! ইত্যদি, যাই হোক লিসেন ইউ গট টু বি কেয়ারফুল" , ক্লিয়ারলি উই হ্যাড টু ইমিডিয়েটলি ব্যাং দ্য ফোন, হ্যাড টু স্টার্ট আ নিউ ডিসকাসন অন প্রবলেম্স অফ গিটহাব, বিফোর আনকন্ট্রোলেবল স্প্লিটিং লাফটার।, কমপ্লিটলি অ্যালোন দো, কারণ টিম মেমবার জানে আমি অল্প ঢিলে, তাই আর অবাক হয় না, অম্পূর্ণ ডেড প্যান দৃষ্টিতে অপেক্ষা করে আছে, ডেভ অপ্সে তার পরের অবসারভেশন টি বলে নেবে বলে ঃ-))))))



Name:  প          

IP Address : 236712.158.8978.147 (*)          Date:09 Jul 2019 -- 06:25 PM

name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.43 (*) Date:09 Jul 2019 -- 06:11 PM

কেন আমার পুশকিন সম্পর্কে সাংঘাতিক আগ্রহ ছিল এবং আবার বুড়ো বয়সে বেড়েছে সেটা খোলসা করে বলতে গেলে বলতে হয়, ঘটনাচক্রে সেই বীরভুম। গ্রাম আর শহর , ছোটো শহর আর বড় শহরের কনফ্লিক্ট ম্যানেজ করতে পারেন নি , কিন্তু সেই ব্যর্থতা কে ফুটিয়ে তুলেই তিনি পুশকিন ঃ-)))))) এবং আমি একটি বৃহৎ চোদুঃ-))



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.117 (*) Date:09 Jul 2019 -- 05:55 PM

সৈকত/সোমনাথ, পুশকিন সম্পর্কে বাংলায় কি লেখা হয়েছে একটু বোলো/বলিশ।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.113 (*) Date:09 Jul 2019 -- 05:52 PM

*কাজ করা



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.13 (*) Date:09 Jul 2019 -- 05:49 PM

নাড়ু দা, পুলক দত্ত, আর্টিস্ট এবং আসলে অ্যান্থ্রোপোলোজিস্ট এর দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে কাজ্করা মিউজিক আর্কাইভিস্ট। দুর্ধর্ষ রেকর্ডিং সংগ্রহ, সারা পৃথিবীর বিচিত্র মিউজিক সংগ্রহ রয়েছে, মিউজিক প্রসঙ্গে সাউন্ড শব্দের ব্যবহার ওনার কাছেই শোনা, টিন এজ ছিল বলে একটু অবাক হয়েছিলাম এই শব্দটার নতুন ব্যবহারে তাই মনে আছে। ওনাকে সবাই চেনে , উনি আমাকে চেনেন না, এবং কোন দিন বিশদে বাক্যালাপ এর সুযোগ হয়েছে বলে মনে হয় না, যদিও কিন্তু এই শুভায়ন এর কারণে তাঁর সংগ্রহের অনেক বই ই আমি পড়েছি, ওদের মনে হয় বন্ধুত্ত্ব ছিল।
এই শুভায়ন , যে কিনা আমাকে অনেক কিছুই পড়িয়েছে, আবু সৈয়দ আয়ুব, বুদ্ধদেব বসু, ভবতোষ দত্ত ইত্যাদি, নিজে এখন শুধুই ফিজিক্স পড়ায় একটা এঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। ভাইয়াদা (শুভাশিস মিত্র) , শুভায়ন আর আমি একবার একটা ব্যান্ড করেছিলাম, গান টান লিখেছিল, গাইতাম ও, এবার অনেক মহৎঅ উদ্যোগের মতই এটাও আর এগোয় নি, ব্যান্ড চালানোর মত ট্যালেন্ট আমার ছিল না, কিন্তু আমার ধারণা বাকি দুজনের ছিল। কিন্তু ওরা অসম্ভব অলস ছিল।



name: খ mail: country:

IP Address : 236712.158.891212.213 (*) Date:09 Jul 2019 -- 05:40 PM

পুশকিন সম্পর্কে আমার আগ্রহ খুব ই বেড়ে গেছে। তোমাদের যার যা পড়া আছে, হালকা ফান্ডা দিলে ভালো হয়। বাড়ার কারণ জেমস মিক এর একটি প্রবন্ধ। আমি সত্যি ই জানতাম না, অ্যামেদিয়াস এর স্ক্রীন প্লে টা, যেটা পিটার শ্যাফার এর করা বলে জানতাম, এবং জানতাম তাঁর ই নিজের নাটক থেকে করা, সেটা আসলে পুশকিন এর 'মোজার্ট অ্যান্ড সালিয়েরি' থেকে 'অনুপ্রাণিত'।

https://lesleychamberlain.wordpress.com/2017/02/16/mozart-and-salieri-
from-alexander-pushkin-to-peter-shaffer/

https://www.lrb.co.uk/v41/n11/james-meek/the-village-life

শ্যাফার নাটক টা লিখছেন ১৯৭৯ তে, লন্ডন মিউজিকাল থিয়েটার পাড়ায় হচ্ছে ঐ সময়তেই, আমি নাটক টা পড়েছি, ১৯৮৮-১৯৯০ এর মধ্যে তে, সম্ভবত শুভায়ন বিশ্বাস বলে আমার এক বন্ধু, নাড়ু দার কাছ থেকে আমাকে ফোটোকপি করে এনে দেয়, ঐ সময়ে আমি পর পর নাটক পড়ছিলাম। তখন সিনেমাটা হয়ে গেছে কিনা মনে পড়ছে না। অথচ এই অনুপ্রেরণা টা আমার ধরতে পারা উচিত ছিল, নিশ্চয়ী এ বিষয়ে বাংলা ছোটো পত্রিকায় লেখা লিখিও হয়েছে, ৭০/৮০/৯০ এর দশকে। ধরতে পারা উচিত ছিল কারণ আমার ধারণা আমাদের পুশকিন এর ছোটো নাটকের একটা বাংলা সংকলন ছিল এবং তাতে মোজার্ট ও স্যালিয়েরি নাটকটা থাকার কথা , নাকি ছিল না। এর উত্তর একমাত্র সোম্নাথ দের সাইট থেকেই পাওয়া সম্ভব। কিন্তু আমার কিরকম স্মৃতি ভাসা ভাসা হয়ে গেছে। একবার মনে হচ্ছে আমি যতটুকু যা পড়েছি পুশকিন (ইউজিন ওনেজিন?) ইংরেজি তে পড়েছি, অথচ, বাংলা নাটকের বৈটার দুটো বেঁটে মোটা খন্ড কেমন মনে হচ্ছে চোখে ভাসছে। একটু খুজে দেখতে হবে। আমি ফেবু তে নেই, সোমনাথ একটু তোদের সাইটে পুশকিন বাংলায় কি আহ্চে আর তাতে মোজার্ট এর উপরে নাটক টা আছে কিনা বলবি?

বাই দ্য ওয়ে, আমি এটাও জানতাম না, সেই আফ্রিকান (ক্যামেরুনিয়ান) দাস যিনি হঠাৎঅ সেন্ট পিটারস্বুর্গে রাইজ করে বিশাল নাম করা এঞ্জিনিয়ার হয়ে গেছিলেন, তিনি পুশকিন এর প্রমাতামহ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--4