বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5]     এই পাতায় আছে1--30


           বিষয় : ঝিঁঝিঁ বর্ষাকাপ ২০১৯
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :S
          IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 12:33 PM




Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 12:33 PM

এইবারের বিশ্বকাপ নিয়ে একটা আপডেট দেওয়া দরকার। বিশেষ করে বাংলাদেশ যেখানে অনেক হিসব তছ্নছ করে দেওয়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে এবং ডাক্তাররা যখন আবার কাজে যোগ দিয়েছেন।

এবারের বিশ্বকাপের ফরম্যাট নিয়ে অনেক আপত্তি ছিল। প্রধান আপত্তি হলো যে মাত্র ১০টা দেশ খেলছে, আগেরগুলোতে যেখানে অনেক বেশি দল খেলতো। হাসান মিনাজ প্যাট্রিঅট অ্যাক্টে অভিযোগ করেছেন যে এটা করাই হয়েছে যাতে ক্রিকেটের সবথেকে বড় কনজিউমার ভারত অনেক বেশি ম্যাচ খেলতে পারে সেইজন্য, ফলে বেশি রেভিনিউ উঠবে। কিন্তু এর ফলে ক্রিকেটের প্রসার একধাপ পিছিয়ে গেলো। এবারের বিশ্বকাপে ১০টি দল প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একবার করে খেলবে, ফলে মোট ৪৫টি ম্যাচ হবে লীগে। এর পরে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল।

বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে থেকেই সকলে ভারত এবং ইংল্যন্ডের ফাইনাল হবে প্রেডিক্ট করছিলেন, আইসিসি র‌্যান্কিঙ্গেও এইদুটো দল অন্যদের থেকে এগিয়ে। এবং বাকি সেমিফানালিস্ট হিসাবে তিনটে দলের নাম হচ্ছিলোঃ নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, এবং দঃ আফ্রিকা (আবারও এরাই আইসিসি র‌্যান্কিয়ে এগিয়ে রয়েছে)। অনেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ডার্ক হর্স বলছিলেন। বলতে পারেন পুরো আলোচনাটাই এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

সব যদি স্ক্রিপ্ট মেনে হতো তাহলে আমার হিসাব অনুযায়ী ১৪ পয়েন্ট পেলেই কোনও টীমের সেমিফাইনালে ওঠা নিস্চিত হওয়ার কথা এবং ১২ পয়েন্ট পেলে প্রবল সম্ভাবনা থাকে। বাদ সাধলো দুটো ব্যাপার। প্রধানতঃ বৃষ্টি। এই বছর ইংল্যন্ডে রেকর্ড বৃষ্টি হবে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ম্যাচ বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেছে। আগামী দিনেও সেরকমই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির আরেকধরনের প্রভাব পড়তে পারে খেলার ফলে যদি খেলাটি কম ওভারে হয় বা ডার্কোয়ার্থ-লুইস নিয়ম খেলার সম্ভাব্য ফলকে বদলে দেয়।

আইসিসির সমালোচনার বাইরেও এর ফলে যেটা হচ্ছে সেটা হলো আমার আগে বলা পয়েন্টের হিসাবটাও বদলে যাচ্ছে। এখনকার হিসাব অনুযায়ী ১২ পয়েন্ট পেলেই কোনও টীমের সেমিফাইনালে ওঠা নিস্চিত হয়ে যাচ্ছে এবং ১০ পয়েন্ট পেলে সম্ভাবনা থাকছে। অবশ্যই এই হিসাবটা ধরে নিচ্ছে যে আগামী দিনেও কিছু ম্যাচ ভেস্তে যাবে এবং দুয়েকটা খেলায় অঘটন ঘটবে। এমন একটি অঘটন ইতিমধ্যেই ঘটিয়েছে পাকিস্তান, যারা আইসিসি র‌্যান্কিঙ্গের ১ নম্বর দল ইংল্যন্ডকে হারিয়ে দিয়েছে। অথচ এখন বলা যেতেই পারে যে পাকিস্তান বিশ্বকাপের বাইরে।

কিন্তু সবথকে বড় চমক দিয়েছে বাংলাদেশ যাঁরা ইতিমধ্যে সাউথ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ৫টি খেলায় সংগহ করেছে ৫ পয়েন্ট। শ্রীলন্কার সাথে খেলাটি ভেস্তে গেছে বৃষ্টিতে। হেরেছে ইংল্যন্ড এবং নিউজিল্যন্ডের কাছে। সামনে ৪টি খেলা রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, আফঘানিস্তান, ইন্ডিয়া, এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তাদের এই সাফল্যের ফলে সাউথ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সেমিফাইনালে ওঠা প্রকৃত্পক্ষে অসম্ভব হয়ে গেছে (দুইদলেরই সংগ্রহ ৫ খেলায় ৫ পয়েন্ট)। ফলে বিগ ৪ অর্থাত ভারত, ইংল্যন্ড, নিউ জিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে যদি কোনও টিম সেমিফাইনালে ওঠা থেকে আটকাতে পারে তাহলে সেটা বাংলাদেশ।

একবার দেখে নেওয়া যাক এই দলগুলোর কে কোথায় আছে। ইংল্যন্ড ও অস্ট্রেলিয়া ৫ ম্যাচ খেলে পেয়েছে ৮ পয়েন্ট। ভারত আর নিউজিল্যান্ড ৪ ম্যাচ খেলে পেয়েছে ৭ পয়েন্ট। তাহলে বাংলদেশ কি করে হিসাবে আসছে? যদিও আমরা জানি যে ক্রিকেটে যাখুশি হতেই পারে এবং বৃষ্টিও যখন খুশি আসতেই পারে তবুও একটা আন্দাজ লাগানো যাক এই আলোচনাকে ইন্তারেস্টিং করার জন্য। ইংল্যন্ডের পরবর্তি খেলাগুলো রয়েছে শ্রীলন্কা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, এবং নিউজিল্যান্ড। ইংল্যন্ড চাইবে প্রথমটিতে জিতে ১০পয়েন্ট করে নিতে এবং তার পরের তিনটে কঠিন ম্যাচের মধ্যে জতগুলি সম্ভব জিততে। আমরা ধরতেই পারি যে সেটি সম্ভব হবে। ফলে অন্তত ১২ পয়েন্ট পেয়ে ইংল্যন্ড যে সেমিফাইনালে উঠবেই সেটা প্রায় নিস্চিত।

ভারতের বাকি খেলাগুলি রয়েছে আফঘানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যন্ড, বাংলাদেশ, এবং শ্রীলন্কার বিরুদ্ধে। একমাত্র ইংল্যন্ড ছাড়া কেউই অপ্রিতরোধ্য নয়। ফলে ভারত যে কমপক্ষে ১২ পয়েন্ট পেয়ে যাবে (আরো একটা খেলা বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলেও, সেটা যদি ইংল্যন্ডের সাথে ম্যাচ হয় তাহলে তো পোয়া বারো) এবং সেমিফাইনালে উঠবে সেটা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

বাকি থেকে যায় ওশিয়ানিয়ার দুই দল। নিউজিল্যান্ডের আগামী খেলাগুলো রয়েছে দঃআফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, এবং ইংল্যন্ডের বিরুদ্ধে। অস্ট্রেলিয়ার খেলা রয়েছে বাংলাদেশ, ইংল্যন্ড, নিউজিল্যান্ড, এবং দঃআফ্রিকার বিরুদ্ধে। এদিকে বাংলাদেশ খেলবে অস্ট্রেলিয়া, আফঘানিস্তান, ভারত, এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবথেকে ভালো সিনারিও হলো পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দুই অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল পাকিস্তান এবং আফঘানিস্তনকে হারিয়ে অন্তত ১১ পয়েন্ট পাওয়া। কেন অস্ট্রেলিয়ার কথা বলছি, কিন্তু ভারতকে হারানোর কথা বলছিনা? কারণ বাংলাদেশ যদি অস্ট্রেলিয়াকে হারায় তবে অস্ট্রেলিয়াকে ১২ পয়েন্ট পেতে গেলে ইংল্যন্ড, নিউজিল্যান্ড, এবং দঃ আফ্রিকার মধ্যে অন্তত দুটো ম্যাচ জিততেই হবে। সেটা খুবেকটা সহজ হবেনা। তাছাড়া বৃষ্টিও একটা বড় রোল প্লে করতে পারে। নিউজিল্যান্ড অনায়াসেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং পাকিস্তানকে হারাবে বলেই মনে হচ্ছে, সেক্ষেত্রে তারা ১১ পয়েন্ট পেয়ে যাবে। আজকের দক্ষিন আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেমন খেলে সেটাও দেখার। এমনকি বাকি তিনটে খেলার একটিও বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে ১২ পয়েন্ট হয়ে যাবে এবং আমার হিসাব অনুযায়ী সেমিফাইনালে উঠে যাবে।

ফলে স্পষ্টতই কালকের বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ সিউডো কোয়ার্টার ফাইনাল হতে চলেছে।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 12:54 PM

এবারে আসা যাক ভারতের পারফরমেন্সে। ৩টি বড় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দারুন খেলে ভারত জিতেছে। দঃআফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এবং পাকিস্তান। ইংল্যন্ড ছাড়া অপেক্ষাকৃত সহজ ম্যাচগুলো রয়েছে সামনে। এক বৃষ্টি হয়ে একাধিক ম্যাচ ভেস্তে না গেলে চিন্তার কোনও কারণই হওয়া উচিত না।

যে ম্যাচটি (নিউজিল্যান্ড) বৃষ্টিতে ভেস্তে গেছে সেটিতে বোধয় দুদলই খুবেকটা নাখুশ নয়। কারণ এই দুটি দলই এখনো পর্যন্ত কোনও ম্যাচ হারেনি। এবং ১ পয়েন্ট নিয়ে তারা বোধয় খুশিই হয়েছে। উপরন্তু একটা খেলা (যেটি যথেস্ট প্রতিযোগীতামুলক হতে পারতো) না খেলে প্লেয়াররা রেস্ট পেয়েছে।

একমাত্র চিন্তা রয়েছে শিখর ধাওয়ানের আঙুলে হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে সেন্চুরি করেছে সে এবং বলাই বাহুল্য ভারতের প্রখ্যাত টপ অর্ডারের অন্যতম প্রধান অস্ত্র শিখর। প্রথমে জানা যায় যে তিন সপ্তাহ খেলতে পারবেনা শিখর, অর্থাৎ পুরো জুন মাস। ইতিমধ্যে নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তান ম্যাচ পার করে দিয়েছে ভারত। আফঘানিস্তান ম্যাচে তাকে দরকার নেই বলেই মনে হয়, রাহুলকে আরো ভালো করে যাচাই করেও নেওয়া যাবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ রয়েছে ২৭ তারিখ। এই ম্যাচটিতে সবথেকে দরকার ছিলো শিখরকে। শর্ট বলগুলো ভালো খেলতে পারে, তাছাড়া রোহিতের সঙ্গে বাম-ডান কম্বিনেশন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের ছন্দ নষ্ট করতে পারতো। কিন্তু সেই খেলায় কিছুতেই খেলানো যাবেনা শিখরকে। যেহেতু তিন সপ্তাহ বলেছে এবং দেশে পাঠিয়ে দেয়নি, ধরা যেতেই পারে যে প্রচুর মেডিকাল অ্যাটেনশন দেওয়া হচ্ছে তাকে দ্রুত দলে ফিরিয়ে আনার জন্য। এর পরে রয়েছে ইংল্যন্ডের সাথে ম্যাচ। আগামী দুটো খেলা ভারত জিতে গেলে, ইংল্যন্ডের ম্যাচে শিখরকে না খেলানই উচিত। এই ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা এমনিতেও ৫০-৫০, সেক্ষেত্রে একজন ইন্জিওর্ড প্লেয়ারকে দিয়ে ওপেন না করানই ভালো। ২রা জুলাই এবং ৬ই জুলাই ভারত খেলবে বাংলাদেশ এবং শ্রীলন্কার বিরুদ্ধে। দুটো খেলাই অনায়াসে জেতা উচিত ভারতের। ফলে শিখর যদি সেমিফাইনালেও ফিরে আসে টিমে (যেটা হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে), তাহলে সেটা সুখবর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে রাহুল আর রোহিতের রানিং বিটুইন দ্য উইকেট দেখে যথেষ্ট চিন্তা হওয়ার কথা। একদিকে যেমন স্টেডিয়ামে প্রচুর আওয়াজ এই বিভ্রান্তিগুলোর সৃষ্টি করেছিলো, তার সাথে ছিলো একটা গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার যে এরা দুজন কখনই একসাথে ওপেন করেনি। সেখানেই শিখরের প্রয়োজনীয়তা।


Name:  dc          

IP Address : 232312.174.892323.46 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 12:56 PM

শচীন আর সৌরভ রিটায়ার করবার পর থেকে আর ক্রিকেট দেখি না। অবশ্য বিরাট কোহলি এখন ভালো খেলছে।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 01:18 PM

* (দুইদলেরই সংগ্রহ ৫ খেলায় ৩ পয়েন্ট)

@ডিসিদা, আমিও এইটাই করেছিলাম। এমনকি একসময় বুমরা আর ভুবনেশ্বর কুমার যে আলাদা বোলার, তাই জানতাম না। কিন্তু গতবছর দঃআফ্রিকাতে ভারতের খেলা দেখে সত্যিই ইমপ্রেস্ড হই এবং তার পর থেকে মোটামুটি ফলো করছি। এই টিমটা শচিন-সৌরভের ইন্ডিয়া টিমের থেকে বহুগুন ভালো খেলে। আমি শচিন-সৌরভের ফ্যান হয়েও স্বীকার করছি। প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্ট শক্তিশালী তো বটেই, আর রয়েছে বিশাল বেন্চ স্ট্রেঙ্গথ। জীবনের প্রথম টেস্ট সিরিজ খেলতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেন্চুরি করার মতন ব্যাপার হামেশাই ঘটছে। ইন্ডিভিজুয়ালি খেলার ফল পাল্টাতে পারে এরকম বহু খেলোয়ার থাকা সত্তেও এই টিমটা একটা ইউনিট হিসাবে খেলে। সেটাই সবথেকে ভালো ব্যাপার। যেদিন ভালো খেলে সেদিন ফাঁক পাওয়া যায়্না, এতটাই প্রিসিশান এদের খেলায়।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 238912.69.560112.249 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 06:57 PM

"ইন্ডিভিজুয়ালি খেলার ফল পাল্টাতে পারে এরকম বহু খেলোয়ার থাকা সত্তেও এই টিমটা একটা ইউনিট হিসাবে খেলে। সেটাই সবথেকে ভালো ব্যাপার। যেদিন ভালো খেলে সেদিন ফাঁক পাওয়া যায়্না, এতটাই প্রিসিশান এদের খেলায়।"
--একদম।
গত একবছর ধরে ফলো করা শুরু করেছি, বিশেষতঃ বোলিঙয়ের জন্যে । আমার কৈশোরে ভাবা যেত না যে কোন ইন্ডিয়ান পেসার ১৪০-১৫০ স্পীডে বল করবে। পেসার শুধু পাকিস্তানে জন্মায় এমন একটা ধারণা ছিল। ১২০-১২৫ মানে ভারতীয় টিমে চান্স পাবেই।
আর কব্জির মোচড়ে লেগ স্পিন? এক জোড়া ? সুভাষ গুপ্তের পর হয় নি । হরদম আট-নয় করে উইকেট পেতেন। অনিল কুম্বলে চন্দ্রশেখরের ফ্লাইট কোথায় ? অনেক জোরে বল করেন।
চাহল এবং কুলদীপ--দুজনের ফ্লাইট দেখার মত। অ্যার ভারতে চায়নাম্যান? মুখিয়ে থাকি দেখব বলে।
এস এর বিশ্লেষণ ভালো লাগল। যথাযথ।


Name:  dc          

IP Address : 232312.174.892323.46 (*)          Date:19 Jun 2019 -- 07:08 PM

বোলিং বিভাগে এই টিমটা অবশ্যই এগিয়ে আছে। আর ফিল্ডিং এ তো অতি অবশ্যই। তবে ব্যাটিংএ অগিয়ে আছে কি? সেহওয়াগ-শচীন-সৌরভ-দ্রাবিড়-লক্ষন এর তুলনায় এখনকার লাইনআপ বেশী শক্তিশালী বলে মনে হয়না, যদিও কোহলিও খুবই ভালো ব্যাটসম্যান।


Name:  a          

IP Address : 012323.245.236712.140 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 02:42 AM

দুটি কথাঃ

১। শিখর ধয়নের থেকে রাহুল শর্ট বল ভালো খেলে। সেদিক থেকে ভালৈ হয়েছে। কিন্তু ধারাবাহিক নয়

২। ভারতের মিডল অর্ডার অপরীক্ষিত আর খুব স্ট্রন্ম নয়। সব আইপিএল থেকে ধরে আনা প্লেয়ার। যেদিন ৩০-৩ বা এমনকি ১০০-৩ ও হয়ে যাবে সেদিন বড় স্কোর গড়ার লোক নেই।


Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 03:59 AM

কিন্তু এই মিডল অর্ডারই তো অনেকগুলো ম্যাচ জিতিয়েছে।

হ্যাঁ ব্যাটিং লাইনাপ তখনো ভালো ছিল। কিন্তু শর্ট বল এরা ভালো খেলে মনে হয়। অন্তত সাদা বলে।


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 7845.11.128912.65 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 09:31 AM

শিখর পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ হয়ে গেল।
এই খেলা দেখা ছেড়ে দেব, এইটা ২০১২-১৩ নাগাদ মনে হয়েছিল। তখনকার খেলাও হচ্ছিল প্রায় ছেড়ে দেওয়ার মতোই। বিরাট কোহলি শুধু উঠে আসছিল। কিন্তু তার পরে ছাড়া গেল না বেশ কটা কারণে। টেস্ট প্রচণ্ড আকর্ষণীয় হয়ে উঠলো। আর ভারতের দলে অসাধারণ হয়ে উঠলো মহম্মদ শামি। বুমরা হালের, ভুবনেশ্বর কুমারের গতির পুরো মেকওভার হয়েছে গত দুবছরে, তার আগেই ভারতীয় পেসার হিসেবে সবাই ১৪০+ বল করে কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছে শামি-ঈশান্ত-উমেশ জুটি। টেস্ট জিতছে পেসারদের জুটির ওপর ভর করে, এ জিনিস দেখব ভাবি নি। শামির নিখুঁত প্রিসিশন, গতি, নতুন ও রিভার্স সুইং, ঈশান্তের সুইং ও বাউন্স, উমেশের র পেস বুঝিয়ে দিল উন্নত পেস বোলিং খেলার ব্যর্থতা শুধু ভারতীয় খেলোয়াড়দের একার বৈশিষ্ট্য নয়, সেরকম বল করলে সেনা দেশের ছেলেরাও কুঁকড়ে যায়। এবং এদের সান্নিধ্যে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরাও শর্ট বল আর বাউন্স মোকাবিলায় অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছে। কোহলি, কেএল, পুজারা, রোহিত সবাই কিন্তু শর্ট বল বেশ ভালো খেলে, স্কোয়ার অব দ্য উইকেটে ভালো নিয়ন্ত্রণ আছে।
সাদা বলে এক ও দুই নম্বর দলের তকমা যারা পেয়ে আছে, একদম প্রপার হিসেব। ধারে ভারে অনেক আগে। আর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে পুরো আলাদা খেলে। ভারতের সমস্যা হয়ে গেল ধাওয়ান বসে যাওয়ায়। প্লাস চার নম্বরে প্রপার কেউ নেই। ইংল্যান্ডের মর্গান যে খেলাটা খেলে, ওটাই দুটো দলের তফাৎ হয়ে আছে। ভুবনেশ্বর চোট পেলেও সমস্যা নেই, শামি আরো বেশি কাজের হয়ে যেতেই পারে।


Name:  Tim          

IP Address : 8967.62.565623.155 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 09:49 AM

আমি নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে খেলা দেখতে শুরু করলাম। অনেকদিনের গ্যাপ। ভারতীয় ক্রিকেটের খোলনলচে বদলে গেছে এই ক বছরে। তিনটে বিভাগেই এত ব্যালেন্স এর আগের কোন ভারতীয় দলের ছিলোনা।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 10:20 AM

হ্যাঁ শিখর বাদ গেল। এটা একটা বড় চিন্তার কারণ। তার বদলে রিশভ পন্থ এলো। রিশভ অস্ট্রেলিয়াতে টেস্টে একটা সেন্চুরি করেছিলো। আগে এইধরনের পারফর্মেন্স করলে ইন্ডিয়া টীমে ৫ বছরের লাইসেন্স পাওয়া যেত। এখন থ্যান্ক ইউ ফর ইওর সার্ভিস বলে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত-এইবছর যখন ইন্ডিয়া ডাউন আন্ডার ট্যুরে গেলো তখন বুমরা, ইশান্ত, আর শামির স্পেল দেখে বোধয় রিকি পন্টিংই বলেছিলো যে এই ১৪৫+ স্পীডে একনাগাড়ে লাইন লেঙ্গথে বল এলে কোনও ব্যাটসম্যানের পক্ষেই বেশিক্ষন ক্রিজে থাকা সম্ভব হয়্না। যেটা শুনে সবথেকে ভালো লাগে যখন ওয়াসিম আক্রম বুমরাকে উদ্দেশ্য করে বলে বলেন যে এই বিশ্বের একনম্বর পেসার বল করতে চলেছে। ইন্ডিয়ার পেস অ্যাটাক এখন বিশ্বের একনম্বর। শামির রিভার্স সুইঙ্গগুলো দেখার মতন। অস্ট্রেলিয়াতে সকাল বেলায় ঈশান্তের কিছু বল সুইঙ্গ হয়ে ফার্স্ট স্লিপের হাতে চলে যায়। ভুবনেশ্বর কুমারের নাকল বলগুলো দেখার মতন। এটা বেসবলে করা হয়, হাতের স্পীড একই থাকে, কিন্তু বলের স্পীড কমে যায়। ভুবি বলেছে যে ওকে জাহির খান শিখিয়েছে, তারপরে ৬ মাস প্র্যাক্টিস করেছে ইন্ট্যারন্যাশনাল ম্যাচে প্রয়োগের আগে।

আর ব্যাটিং নিয়ে এই আলোচনাটা শুনতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ান প্রাক্তন ক্রিকেটাররা আলোচনা করছেন কেন ইন্ডিয়াকে হারানো সম্ভব নয়।

https://www.youtube.com/watch?v=tkjIZrFs6lQ


Name:  দ          

IP Address : 453412.159.896712.72 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 10:33 AM

বড়এসের বিশ্লেষণ দিব্বি লাগল। আমিও ফলো করা ছেড়েছি বহুদিন। রোবু অবশ্য বলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের সময় থেকে ফলো করতে। তা সে আর করা হয়ে ওঠে নি।

বাংলাদেশ খেলছে দুর্দান্ত। আর বাংলাদেশের সমর্থকদের জিঙ্গোইজম চলছে লাফিয়ে লাফিয়ে।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 10:49 AM

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে রোহিত ১৪০ করার পর যখ্ন একটা বাজে শট খেলে (কোহলি আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল) আউট হলো তখন সবাই বলাবলি করছে যে ২০০ রানটা মিস হয়ে গেলো। শেষ ১০ ওভারে ইন্ডিয়া ৮৮ তুলেছিলো। সকলে বললো যে ভালো ব্যাট করতে পারেনি। কারণ তার আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐ শেষ ১০ ওভারে ১১৬ তুলেছিলো।


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 785612.43.673423.24 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 10:56 AM

বুমরার হাইপারএক্সটেন্ডেড জয়েন্ট একটা সহজাত আশীর্বাদ হিসেবে কাজে লেগেছে। ছোট রানআপ বা আস্তে দৌড়েও যে কারণে অত বেশি গতি তৈরি করে। শোয়েব আখতারেরও এই ব্যাপারটা ছিল। আর ভারতের বোলিং নিয়ে একটা তথ্যই যথেষ্ট যে ঈশান্ত, উমেশ, শামি, অশ্বিন, জাদেজা বেঞ্চে বসে। 😊
'থ্যাংক য়ু ফর দ্য সার্ভিস' ভীষণভাবে খেটেছে অনেকের জন্যই। পন্থ, পৃথ্বী, জয়ন্ত যাদব বা আরো বেশি করে করুণ নায়ার। ট্রিপল সেঞ্চুরি করে বাদ পড়বে কেউ, অভাবনীয়। এককালে দুটো ডাবল মেরে বছরের পর বছর সবরকম দলে স্থায়ী হয়ে গিয়েছিল সঞ্জয় মঞ্জরেকার।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 11:05 AM

জাদেজার কথা ভেবে খারাপ লাগে। শুধুমাত্র ফিল্ডিংএর জোড়েই অনেক দেশের টীমে চান্স পেয়ে যেত।


Name:  Amit          

IP Address : 340123.0.34.2 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 11:12 AM

ইন্ডিয়া vs ইংল্যান্ড গ্রুপ লীগের ম্যাচ টা বেশ ক্রিটিকাল। দুটো টিমই এখনো অবধি বেশ ভালো খেলছে। ওটা যারা জিতবে , তারা মেন্টাল এজ পেয়ে যাবে।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 11:19 AM

ঐদিন বৃষ্টি হবে ঃ))


Name:  Amit          

IP Address : 340123.0.34.2 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 11:25 AM

শালা এতো বৃষ্টি হচ্ছে যে এটা ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ না করে ওয়াটার পোলো ওয়ার্ল্ড কাপ করলে পারতো। :( :(


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 785612.43.673423.24 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 11:40 AM

ইংল্যান্ডের মাঠ এবং পিচ দেখে মনে হচ্ছে সুবিধা ইংল্যান্ডই পাবে। ব্যাটিং লাইন আপে মর্গান আর ওকসের জবাব ভারতের দলে নেই। ওই দুটো পজিশন আমাদের একটু নড়বড়ে। আর আগের খেলায় মর্গান আর রুট যেভাবে রশিদ খানকে সামলেছে, তার ভগ্নাংশ প্রয়োগ করলেই কুলচা ফ্যাক্টর নালিফাইড হয়ে যেতে পারে। এক যদি না রোহিত বা কোহলি অমানবিক কিছু খেলে দেয়, যদিও তারও জবাব বাটলার দিয়ে দিতে পারে। 😢



Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 785612.43.673423.24 (*)          Date:20 Jun 2019 -- 04:03 PM

এদিকে বাংলাদেশ ওয়ার্নারের ক্যাচ ফসকে আপাতত আজ সলিড কেস খাওয়ার পথে।


Name:  S          

IP Address : 236712.158.780112.102 (*)          Date:21 Jun 2019 -- 04:58 AM

বাংলাদেশ টিমের ব্যাটিং নিঃসন্দেহে ভালো। এই বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে ৩০০+ রান করলো (৫টা ম্যাচের মধ্যে)। সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এবং অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। আজকে টস জিতলে হয়তো ফল অন্যরকম হতেও পারতো। কিন্তু বোলিং, ফিল্ডিংএ অনেক উন্নতি করতে হবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে গেলে। তাছাড়া মাঠে কোনও স্ট্র্যাটেজিই নেই। বোলিং আর ফিল্ডিং সাজানোর মধ্যে প্রচুর মিসম্যাচ। বাংলাদেশের পক্ষে এখন সেমিফাইনালে ওঠা প্রায় অসম্ভব হয়ে গেলো। প্রচুর অঘটন এবং একদম স্পেসিফিক দিন/সময়ে বৃষ্টি না হলে বিগ ৪এর সেমিফাইনালে ওঠা একরকম নিস্চিত।

এবারের বিশ্বকাপের ফরমাটটা আমার বেশ লেগেছে। প্রত্যেকটা দল সবার সঙ্গে খেলো। (ইনফ্যাক্ট দুবার করে খেলা হলে ভালো হতো, কিন্তু অতো সময়/মাঠ হাতে নেই)। এর ফলে সহজ/কঠিন গ্রুপের সমস্যা নেই। আর গ্রুপ লীগে অনেক খেলা থাকার জন্য (নকাউট স্টেজের থেকে চাপ কম) ভালো খেলোয়াররা ভালো খেলছে। কালকে ডেভিড ওয়ার্নার প্রচুর রান পেয়েছে। তার আগের দিন কেন উইলিয়াম্সও রান করেছে (যদিও নিউজিল্যান্ড ভালো খেলেনি)। ইংল্যন্ড তো রানের বন্যার মধ্যেই আছে। ফলে ভারতের পক্ষেও সেমিফাইনাল সহজ হবেনা। অবশ্য এখনও সামনে আরো ৫টা ম্যাচ আছে।


Name:  S          

IP Address : 890112.162.564523.207 (*)          Date:21 Jun 2019 -- 10:46 PM

শেষ হইয়াও হইলো না শেষ। আজ শ্রীলন্কা, যেদলকে নিয়ে এই বিশ্বকাপে বোধয় একটা বাক্যও ব্যয় করা হয়নি, হারিয়ে দিয়েছে একনম্বর দলকে। মাত্র ২৩২ রানের টার্গেট দিয়েছিলো শ্রীলন্কা। ২১২ রানে অল আউট আইসিসি এয়ান্কিঙ্গের ১ নম্বর দল। এর ফলে ইংল্যন্ড ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে এখনো তৃতীয় স্থানে। সামনে তিনটে বড় ম্যাচ (অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া, নিউজিল্যান্ড)। শ্রীলন্কার সংগ্রহ ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। পরের খেলা দঃআফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এবং শ্রীলন্কার বিরুদ্ধে।

এই অঘটনের ফলে আদৌ কিছু পরিবর্তন হবে কিনা সেটা এখনি বলা মুশকিল। কিন্তু ফিলিম যে এখনো বাকি আছে সেটা অন্তত মনে হচ্ছে।


Name:  S          

IP Address : 890112.162.564523.207 (*)          Date:21 Jun 2019 -- 10:47 PM

* শ্রীলন্কার সংগ্রহ ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। পরের খেলা দঃআফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এবং ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে।


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 347812.245.8945.92 (*)          Date:21 Jun 2019 -- 11:51 PM

পুরো আশী নব্বই সাল থেকে কাট পেস্ট করে একটা খেলা হয়ে গেল আজ লিডসে। বাপস। মালিঙ্গা, ম্যাথুজ, স্টোকস, রুট - সবাই ভিন্টেজ রঙে খেলে গেল। প্রথম ছটা দলের পয়েন্ট এখন ১০, ৯, ৮, ৭, ৬, ৫। বৃষ্টি না জ্বালালে জমজমাট বিশ্বকাপ।


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 236712.158.566712.235 (*)          Date:22 Jun 2019 -- 08:01 PM

আরেক অঘটনের দিকে আমরা তীব্র গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। আফগানদের সামনে গোলমেলে জায়গায় ভারতীয় দল।


Name:  S          

IP Address : 236712.158.780112.102 (*)          Date:22 Jun 2019 -- 11:16 PM

আজ ভাগ্যের জোড়ে আর শামির বোলিংয়ের জন্য ভারত ২ পয়েন্ট পেলো।


Name:  Amit           

IP Address : 236712.158.891212.143 (*)          Date:23 Jun 2019 -- 02:03 AM

ইন্ডিয়া র মতো রিসার্ভ বেঞ্চ স্ট্রেংথ কোনো দলের নেই। এই শামি এতদিন বাইরে বসে ছিল।


Name:  বেঙ্গলী          

IP Address : 237812.68.454512.192 (*)          Date:23 Jun 2019 -- 04:59 AM

খেলাগুলো দারুণ হচ্ছে। কার্লোস ব্রেথওয়েট, দ্য নেম রিমেম্বার্ড।


Name:  a          

IP Address : 236712.158.891212.197 (*)          Date:23 Jun 2019 -- 05:16 AM

কেদার জাদব কে বসিয়ে জদেজা কে খেলালে ভালো করবে। আরেকটা ভালো বল্লেবাজ চাই


Name:  S          

IP Address : 890112.162.564523.207 (*)          Date:23 Jun 2019 -- 12:34 PM

কেদার জাদব তো রান করলো।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5]     এই পাতায় আছে1--30