বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--13


           বিষয় : ঘচাং ফু ৪৯৭
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :অনুরণ দাস
          IP Address : 7845.11.123423.87 (*)          Date:28 Sep 2018 -- 07:09 PM




Name:  অনুরণ দাস          

IP Address : 7845.11.123423.87 (*)          Date:28 Sep 2018 -- 07:10 PM

"এ কি অলুক্ষুনে সব ব্যাপারস্যাপার ঘটছে দেশে! অসভ্যতায় ভরে গেল দেশটা! যা খুশি তাই চলছে!!"
একটু কান পাতলেই চারিদিকে এখন হামেশাই শুনতে পাবেন এই খেদোক্তি। তা হবে নাই বা কেন! কদিন আগেই সমকামীদের স্বীকৃতি, আর এখন পরকীয়া নিয়ে রায় সুপ্রিম কোর্টের। বস্তাপচা আদ্যিকেলে মানসিকতা চড়িয়ে সমাজের 'সভ্যতা'র ঠেকা নিয়ে রাখা লোকজন গিজগিজ করে যেখানে, সেখানে এমনটা শুনবেন বইকি!

যে কারণে এই লেখার অবতারণা- এই পরকীয়া সংক্রান্ত রায় বা আগের আইনটা ঠিক কি ছিল তা নিয়ে অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা না হওয়ায় অনেক মুক্তমনা লোকও ভুল বুঝছেন রায়টাকে। দেখে নেওয়া যাক, রায়টা ঠিক কী নিয়ে, আগের আইনটাই বা কী ছিল।

এই রায়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারাকে বাতিল করা হয়েছে। কী ছিল এই ধারায়?
Section 497 of IPC states that, "Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years or with fine or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor."

গোদা বাংলায় বললে, কোনো পুরুষ যদি জেনেশুনে অপর কোনো পুরুষের স্ত্রীর সাথে ওই পুরুষের অনুমতিব্যতীত সহবাস করে, তাহলে তা ধর্ষণের অপরাধ না হলেও adultery-র অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। শাস্তিস্বরূপ ওই পুরুষের পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে। এক্ষেত্রে স্ত্রীর সহঅপরাধী হিসেবে কোনো শাস্তি হবেনা।

অর্থাৎ,
১) স্বামীর অনুমতি থাকলে তার স্ত্রী ও তৃতীয় ব্যক্তি সহবাস করতে পারবে।
২) "ধর্ষণের অপরাধ হবেনা" বলে মেনেই নিচ্ছে যে দু'জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি পারস্পরিক স্বেচ্ছায় মিলিত হলে সেটা ধর্ষণের মতো অপরাধ নয়।
৩) অনুমতি নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু স্ত্রীর স্বামীর কাছে, উল্টোটাও নয়।

মোদ্দা ব্যাপার, পুলিশ স্ত্রীর সঙ্গী তৃতীয় পুরুষটিকে অ্যাডাল্টারির চার্জে হাজতে পুরতে পারতো। স্ত্রীর আগেও শাস্তি হত না, এখনো হবে না। উল্টোদিকে এতদিন স্বামী যদি একজন অবিবাহিতা বা বিধবার সাথে পরকীয়া করতেন তাহলে তাঁর কোন শাস্তি হত না, কিন্তু একজন বিবাহিতা মহিলার সাথে করলে হত। অর্থাৎ আইনটি বিবাহিতা নারীকে তাঁর স্বামীর সম্পত্তি হিসেবে জ্ঞান করত। সেই কারণেই স্বামীর অনুমতি বা সম্মতিতে তাঁর স্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্হাপন করলে সেটা আর অপরাধ বলে গণ‍্য হত না। কারণ স্বামী মালিক, স্ত্রী তার সম্পত্তি।

একটা উদাহরণ দিয়ে বলার চেষ্টা করছি। আমার একটা বাইক আছে। সেটা অন্য কেউ না বলে আমার আপত্তি সত্ত্বেও ব্যবহার করলে আমি ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারি। কিন্তু আমি যদি অন্য কারো বাইক তাকে না বলে বা আপত্তি সত্ত্বেও ব্যবহার করি, সেক্ষেত্রে আমার বাইকের কোনো অধিকার বা ক্ষমতা নেই অপর বাইকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার। কিন্তু অপর বাইকের মালিকের অধিকার আছে আমার নামে অভিযোগ করার। আবার আমি যদি কোনো মালিকবিহীন বাইক পেয়ে সেটা ব্যবহার করি, তাতে আমার বাইকের কোনো অধিকার বা ক্ষমতা নেই ওই মালিকবিহীন বাইকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার। আর মালিকবিহীন হওয়ায় অন্য কোনো লোক নেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার। ৪৯৭ ধারা বন্ধের আগে পরিস্থিতিটা ঠিক এটাই ছিল, যেখানে ব্যক্তি স্বামী আর বাইক স্ত্রী বা কোনো মহিলা।

লিঙ্গবৈষম‍্যটা এখানেই। আর এই বৈষম্য ভারতীয় সংবিধানের পরিপন্থী। সেই কারণেই আইনটিকে সংবিধান বিরোধী হিসেবে বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কোন সভ‍্য গণতান্ত্রিক দেশে নীতিপুলিশি বা খাপ-পঞ্চায়েতি আইনের কাজ নয়। তাই সুপ্রিম কোর্টের এই রায়দান অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।

যেকোনো মুক্তমনা বন্ধুই নিশ্চয়ই মানবেন যে দু'জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি পারস্পরিক স্বেচ্ছায় সম্পর্কে আবদ্ধ হলে সেটা অন্যায় নয়, সেটা তাদের স্বাভাবিক মানবিক অধিকার। আবার পরকীয়া ব্যাপারটা যে অমানবিক বা অনৈতিক, তা নিশ্চয়ই অনেকেই একবাক্যে স্বীকার করবেন। এবার দুটো উদাহরণ দিই (উদাহরণগুলিতে ক, খ ও গ যে কোনো লিঙ্গের হতে পারে)-
১) ক ও খ বিবাহিত। ক রোজ খ-কে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করে, যার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা খ-এর সাধ্যাতীত। এমতাবস্থায় গ-এর সাথে খ-এর পরিচয় ও ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
২) ক-এর বাড়ি থেকে তার অনিচ্ছায় জোর করে খ-এর সাথে বিয়ে দেওয়া হলো। কারণ ক বা ক-এর প্রণয় সঙ্গী গ চাকরি করেনা ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নয়। বিয়ের পরেও ক-এর সাথে খ-এর বৈবাহিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়না, কারণ ক এই সম্পর্কে উদাসীন এবং খ চাকরি-পয়সা কামানো-খাওয়া-ঘুমের নিয়মে জীবন কাটায় ও স্ত্রীকে কেবল বাড়ির কাজের লোক তথা সন্তান উৎপাদক হিসেবে দেখে। এমতাবস্থায় গ-এর সাথে পুনরায় ক-এর যোগাযোগ গড়ে ওঠে, এবং সম্পর্ক তৈরি হয়।
এই দুটো উদাহরণ পড়ে আপনাদের নিশ্চয়ই মনে হচ্ছেনা যে ক-এর সাথে গ-এর সম্পর্ক গড়ে ওঠাটা অস্বাভাবিক। হ্যাঁ, সাথে এটাও মনে হবে যে ক বিবাহবিচ্ছেদ করে বেরিয়ে এসেও গ-এর সাথে সম্পর্ক করতে পারতো। কিন্তু সমাজের ও আইনের বিভিন্ন স্তরের পরিস্থিতি এখনও এত সুস্থ হয়নি যে এই স্বাভাবিক কাজটা এত সহজে করা যায়। সম্পর্কের জটিলতার মধ্যে এক-একটা পরিস্থিতিতে মানবিক-অমানবিক, ন্যায়-অন্যায়ের সূচকের হেরফের থাকে, এবং সেটাকে কোনো অদ্ভুত আইনে বেঁধে ফেলা যায়না। বরং যার ইচ্ছে বিয়ে করবে, যার ইচ্ছে করবেনা। যার ইচ্ছে পরকীয়া করবে, যার ইচ্ছে করবে না। ভালো না লাগলে ডিভোর্স দেবে, না হলে দেবে না। এই সোজা ব্যাপারটা কষ্ট হলেও মানতে শিখুন, আপনার প্রাগৈতিহাসিক সংস্কার আপনাকে মানতে বাধা দিলেও মানতে শিখুন।

যারা হাহাকার করছেন, এই রায়ের ফলে পরকীয়া বেড়ে যাবে, লোকে খুল্লমখুল্লা পরের ঘরের চাবি ভাঙবে, তাদের একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবার অনুরোধ রাখছি। যারা পরকীয়া করার মতো মানসিকতা বা পরিস্থিতিতে থাকবে, তারা আগেও করতো, এখনও করবে। এখন আলাদা কোনো বিরাট কিছু পার্থক্য হয়ে যাবেনা। আর বলুন তো, আইন করে কি সম্পর্ক তৈরি করা যায়, না ধরে রাখা যায়? বরং বনিবনা না হলে বা বিবাহসঙ্গী/সঙ্গিনী পরের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পরলে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সংস্থান আইনেই রয়েছে। ডিভোর্স করুক। এবং এই ডিভোর্সের ব্যবস্থা আগেও যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে। বরং স্বামীর বাইরের পুরুষটিকে জেলে ঢুকিয়ে এসে বাড়িতে স্ত্রীকে "শাস্ত্রমতে যথাযত শাসন" করার সুযোগটা কমলো।

মানব সভ্যতার ইতিহাস চিরকাল এভাবেই এগিয়েছে। একটার পর একটা শিকল ছিঁড়তে ছিঁড়তেই সভ্যতা-সমাজ-মানুষ এগিয়েছে। এগোবেও।


Name:  sm          

IP Address : 785612.40.45.238 (*)          Date:28 Sep 2018 -- 08:31 PM

জেন্ডার বায়াসড ল তো অনেক আছে।থাকাই স্বাভাবিক। নারী দের একস্ট্রা সুরক্ষা প্রাপ্য। ধরুন গিয়ে ৪৯৮ এ ।আপনি কি ভাবেন সংবিধান পরিপন্থী ও সেইজন্য তুলে দেওয়া উচিত?
দুই, চুরি, ছিনতাই, রেপ , ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স সব দেশেই আছে। আইনত শাস্তির বিধি ও আছে। তবু ও বহু দেশে ক্রাইম বাড়ছে। কারণ যারা চুরি, ছিনতাই, ভায়োলেন্স মানসিকতা যুক্ত লোক, তারা তা করবেই। তাবলে কি আইন আদালত এই যুক্তি তে তুলে দেওয়া যায়?
তিন, বিবাহ একটি আইনি ও সামাজিক বন্ধন। এখানে কেউ কারো প্রপার্টি নয়।
কিন্তু ডিভোর্স এর সময় আর্থিক ভাগ ও বিভাজন হয়। কেন?
নিশ্চয় দুজনেরই সমান অধিকার আছে বলে। তাহলে এডাল্টারি ক্ষেত্রে এতো প্রপার্টি টার্ম এর ওপর জোর কেন?
বরঞ্চ ডিভোর্স আইন কিঞ্চিৎশিথিল করা হোক।
এডাল্টারি তো ডিভোর্স আটকানোর বিকল্প পন্থা নয়।




Name:   সিকি           

IP Address : 670112.223.672323.214 (*)          Date:28 Sep 2018 -- 10:54 PM

আহা, সেই জমিদারি চলন! আহা! সেই কী যেন বলে ;)


Name:  Amit          

IP Address : 9003412.218.7812.70 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 03:50 AM

সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে 😀


Name:  Amit           

IP Address : 9003412.218.7812.70 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 03:56 AM

যত রাজ্যের ভুলভাল কোর্ট জজ এসে এই খাপ মার্কা চারপেয়েগুলোকে মহা সমস্যাএ ফেলে দিয়েছে । েকে তো জমিদারি নেই , রাজা আর রাজত্ব সব গেছে। তার ওপর কয়েকটা বাউন্ডুলে জজ এসে খাপ এর পেছনে কাঠি করেই যাচ্ছে , করেই যাচ্ছে ।


Name:  PT          

IP Address : 015612.129.7867.216 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 07:36 AM

"বিবাহ একটি আইনি ও সামাজিক বন্ধন। এখানে কেউ কারো প্রপার্টি নয়"
সত্যি? সম্প্রদানের মন্ত্র ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে দেখলে বিস্মিত হওয়ার বিস্তর সুযোগ আছে!!


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.015612.75 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 08:51 AM

বিবাহের মন্ত্র তন্ত্রের সঙ্গে সুপ্রীম কোর্টের রায় এর কি সম্পর্ক?
সুপ্রিম কোর্ট তো খালি হিন্দু দের দিকে তাকিয়ে রায় দেয় নি। জাতি ধর্ম নির্বিশষে রায় দিয়েছে নিশ্চয়।
আর আপনি এলেন, হিন্দু ধর্মের মন্ত্র তন্ত্র নিয়ে। কোর্টের চোখে যার কোন মূল্যই নেই। কোর্টের চোখে রেজিস্ট্রেশন এর মূল্য আছে বরং। তা, তাতে কি মন্ত্র তন্ত্র লেখা থাকে নাকি?
দুই, বিয়েতে ওই যোদিতং আর তদিতং ছাড়া কোন মন্ত্রই মনে নেই। সব ই অং বং চং আমার কাছে। আপনি আবার তার বিশ্লেষণ ও করেছেন। অতোটা বোধ হয় জাজেরাও ভাবে নি। আপনাকে যতো জানি ততো আশ্চর্য্য হই।
এনিওয়ে, দু তিনটে মন্ত্র বলুন তো যেখানে স্ত্রী কে প্রপার্টি বলা হচ্ছে।
বললেও অবিশ্যি আইনের চোখে কিছু এসে যায় না।


Name:  PT          

IP Address : 015612.129.7867.216 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 09:20 AM

প্রপার্টি না হলে শুধু মেয়েকেই (ছাতা, বাসন, খাট, গদীর সঙ্গে) সম্প্রদান করা হয় কেন? ছেলের বাবাকে কোনদিন ছেলেকে সম্প্রদান করতে শুনেছেন?
এমন্তো নয় যে আমি এমন কথা প্রথম বললামঃ
Women in India are treated as the property of men. This is not merely reflected in our culture, but also enshrined in our laws
তক্কের আগে একটু পড়ে নিলে সকলের সুবিধে হয়।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.015612.75 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 09:36 AM

ধুর । খালি গোল গোল ঘুরছেন। প্রপার্টি হলে, ডিভোর্সের সময় স্ত্রী , পতির সম্পত্তি ও অর্থের ভাগ ক্লেম করে কি ভাবে?অর্থাৎ আইনের চোখে ওসব মন্ত্র তন্ত্রের কোন মূল্য নেই। মুসলিম দের ক্ষেত্রে তো উল্টো। ছেলেটিকে মূল্য কবুল করতে হয়, যতটুকু জানি।
কিন্তু বিষয়টা তো পরকিয়া নিয়ে।
কোর্ট যদি মনে করে প্রাক বিবাহ মন্ত্র তন্ত্র আপত্তি কর, তো আইন করে তুলে দিক না। কোন বিয়ে সিদ্ধ, অসিদ্ধ, হাফ সিদ্ধ, পিশাচ সিদ্ধ --এ নিয়ে কোর্টের মাথা ব্যথার তো কারণ দেখি না।
আমার পরকিয়া তেও আপত্তি নেই। সে পতি ব পত্নী যেই করুন না কেন। যতো খুশি করুন। খালি একপক্ষ যেন অপর পক্ষ কে জানিয়ে করেন।
না, জানিয়ে কিছু করা কেই আপত্তি কর বলে মনে করি।
আপনি কটা পরকিয়া জানেন, যেখানে দু পক্ষ ই অবহিত আছে?



Name:  PT          

IP Address : 015612.129.7867.216 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 09:53 AM

অন্যের পরকিয়া নিয়ে আমার কোন উৎসাহ নেই। শুধু আমার হাত ধরে টানাটানি না করলেই হল!!

তবে সম্পত্তির ভাগটাগ পাওয়ার কনসেপ্ট ইংরেজদের হাত ধরে এসেছে। আমরা হাজার বছরের ঐতিহ্য মেনে মেয়েদের জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতেই বেশী স্বচ্ছন্দ্য ছিলাম। এই হালে ১৯৫৫ সালে ম্যারেজ এক্টো-ম্যাক্টো কিসব হল। আর মুসলমান সমাজের কথাও কম বলাই ভাল। নাহলে ই-মেলে তালাক দেয়!!


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.015612.75 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 10:16 AM

কি মুশকিল!বিয়ে ভালো না মন্দ, কোন সমাজ বা ধর্ম ভালো না মন্দ, ইংরেজ ভালো না মন্দ সে নিয়ে কোন কমেন্ট ই করি নি।
কোর্টই দেখি মাঝে মাঝেই বলে থাকে, বিবাহ টিকিয়ে রাখুন, ডিভোর্স দেবেন না, এই সব।
যদি বিবাহ রীতি নীতি নিয়ে কোর্টের আপত্তি থাকে তো সেটা কোর্ট তুলে দিতে পারে।
নারীদের ওপর যুগ যুগ ধরে অত্যাচার হয়েছে, এটা সত্যি কথা। এর জন্য যত ইচ্ছে কঠিন আইন প্রণয়ন হোক। আবার সেই আইন প্রণয়ন করার দশ বছর পর যেন রব না ওঠে উটি লিঙ্গ বৈষম্য মূলক ও সংবিধান পরিপন্থী!
কিন্তু ৪৯৭ আইন টি তে তো নারী দের শাস্তির কোন প্রভিশন ছিল না।
এই এমেন্ডমেন্ট এর দরুন নারী দের সুরক্ষা কি বাড়লো?


Name:  PT          

IP Address : 015612.129.7867.216 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 10:35 AM

"এখানে কেউ কারো প্রপার্টি নয়" এই সুবচনটি শুনেই এত কথার চাষ হল।
কত শতাব্দী ধরে বাঙালী পুরুষ (অন্যেরা কি বলে?) বিয়ে করতে যাওয়ার আগে মায়ের কানে কানে, "তোমার জন্য দাসী আনতে যাচ্ছি" বলে এসেছে সেই পাপের পাহাড় কি আইন করে সাফ করা এত সহজ!!


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.015612.94 (*)          Date:29 Sep 2018 -- 11:48 AM

আমার সুবচন শুনে তো কোর্ট ডিসিশন নিচ্ছে না। এমন কি রেফারেনডাম ডেকেও নয়।
বিবাহ নামক রীতি যদি এতো ক্ষতি করে তো সেটি তুলে দিয়ে কোর্টের তত্ত্বাবধানে আইন মাফিক করলেই হয়।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--13