বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--3


           বিষয় : গুরুচণ্ডা৯র প্রকাশিতব্য বইএর জন্য দত্তকের আহ্বান
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :গুরুচণ্ডা৯
          IP Address : 0189.254.455612.105 (*)          Date:03 Sep 2018 -- 10:10 PM




Name:  গুরুচণ্ডা৯          

IP Address : 0189.254.455612.105 (*)          Date:03 Sep 2018 -- 11:03 PM

এখানে যদিও সবাই মোটামুটি জানেন, তবু নতুন পাঠকের সুবিধার্থে গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশনার 'দত্তক মডেল' সম্পর্কে দু-একটা কথা (একটি পুরোনো লেখার অংশবিশেষ) আর একবার লিখে রাখা হল।

"গুরুর বইয়ের দত্তক,কী কেন ?
---------------------------
আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে।" - সংক্ষেপে এই হল মডেল।

এই মডেলটা শুধুমাত্র আর্থিক সাসটেনেবিলিটির জন্য নয়। গুরুর যেটা মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ একটা বড় আকারের লেখক-পাঠক-প্রকাশক সমবায় গড়ে তোলা, এই তিন ক্যাটেগরির মধ্যেকার বিভেদ প্রাচীর যতটা সম্ভব মুছে ফেলা - সেই যাত্রাপথের একটা অঙ্গ এই দত্তক মডেল - এরকম বলা যায়। যাই হোক, মডেলটা নিয়ে আলোচনা এই টইতে চলুক। কিন্তু তার আগে আমাদের খুব শিগ্গিরই প্রকাশিত হতে চলা বইগুলোর সম্বন্ধে দুচার কথা -

এখনও পর্যন্ত এ বছরের নতুন যে বইগুলি ফাইনাল করা হয়েছে তার তালিকাটি এরকমঃ

১) কুরবানি অথবা কার্নিভ্যাল -- শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

শাক্যর নব্বইয়ের কলকাতার উপাখ্যান যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা শাক্যর গদ্যের কথা জানেন। শাক্য এবার লিখছেন একটি চমৎকার থ্রিলার। বিষয়বস্তু অব্ধারিতভাবে ছুঁয়ে গেছে রাজনীতি, সাম্প্রতিকতা, এবং বহু আলোচিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে। থ্রিলারের নামে কিছু বাঁধাগতের চোর-পুলিশ-ষড়যন্ত্র খেলা নয়, আক্ষরিক অর্থে রুদ্ধশ্বাস একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আখ্যান।

২) মোদিকেয়ার -- সম্পাদনা ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ ও সত্য শিবরামন

২০১৮ র ফেব্রুয়ারিতে প্রধান্মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত সরকর বিশ্বের সর্ববৃহৎ (এমনটাই দাবী) স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেককে বিমার আওতায় নিয়ে আসা। কিন্তু এই প্রকল্পটি কি বাস্তব? নাকি মোদির বাকি সমস্ত ঘোষণার মতই শুধুই চমক, যাতে লাভ কেবলমাত্র কর্পোরেটের? স্রেফ রাজনৈতিক স্লোগান নয়, তথ্য ও বিশ্লেষণ সহ লিখছেন স্বনামধন্য চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মীরা।

৩) সেইসব মেয়েরা - ফেমিনিজম ডট কম সংকলন

মেয়েরা নাকি কর্মীবাহিনী থেকে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছেন। সরে যাচ্ছেন অগ্রহবাহিনী থেকে। এর পিছনে কোনো সরাসরি চাপ জড়িত, নাকি স্লোগান-মুখরতায় চোখের আড়ালে চলে যাওয়া কোনো বিশেষ সামাজিক চলনের কারণে এমনটা ঘটছে, এ নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই তর্কের জন্য এই বই নয়। ইচ্ছাশক্তি এবং উদ্যম দিয়ে যে 'অনধিগম্য' এলাকাগুলিতেও মেয়েরা পা ফেলতে পারেন, এ বই তারই ধারাবিবরণী। থাকছে কিছু জীবিকায় (যার অনেকগুলিই মেয়েদের জন্য 'অদ্ভুত' বলে পরিগণিত হয়), মেয়েদের সফল্য অর্জনের কিছু কাহিনী, মেয়েদের নিজেদেরই ভাষায়। এই বইয়ে। পড়লে বোঝা যাবে, সাফল্য, কর্মবাহিনীতে অংশগ্রহণ ঠিক ততটা জগদ্দল পাথরের আড়ালে চাপা পড়ে নেই এই সহস্রাব্দে।

৪) তোমার সঙ্গে খেলা -- বিপুল দাস

বিপুল দাসের মায়াগদ্যে গুরুর পাঠকরা সবাই পরিচিত। গুরুচণ্ডালি প্রকাশিত 'কামান বেবি' বহুল প্রশংসিত ও আলোচিত। এবার আমরা নিয়ে আসছি এই নতুন উপন্যাসটি।

৫) এ ছাড়াও রিপ্রিন্ট হতে চলেছে একগুচ্ছ বই। সেরকম কোনও সংগঠিত প্রচার উদ্যোগ ছাড়াই যাদের একটা, দুটো, তিনটে সংস্করণ চুপি চুপি শেষ হয়ে যায়, যাচ্ছে। আর্থিক কারণেই সবগুলো একসাথে রিপ্রিন্ট করা সম্ভব নয়। যেগুলো আগামী এক-দু মাসের মধ্যেই করা হবে বলে ঠিক হয়েছে সেগুলোর নামই কেবল এখানে দেওয়া হল।

ক) অ(ন)ন্য মহীন - সংকলন

বইটার প্রথম দুটো সংস্করণ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ক্রমাগতঃ খোঁজ করে চলেছেন বহু লোক। তাই পুনঃপ্রকাশের তালিকায় এই বই রয়েছে এক নম্বরে।

খ) হাম্বা - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

'পরিশীলন নামক গরু রচনার বিরুদ্ধে গরুদের এক নিজস্ব বিদ্রোহের বুলি' হিসেবে 'হাম্বা' কিন্তু তার অভীষ্ট অন্তর্ঘাত ঘটিয়ে চলেছে সবার নজরের আড়ালে। গত বইমেলায় শেষ হয়ে গেছে চতুর্থ সংস্করণ। এবার আসতে চলেছে পঞ্চম। 'হাম্বা সর্বশক্তিমান, কারণ ইহা হাম্বা।'

গ) লা জবাব দিল্লি - শমীক মুখোপাধ্যায়

শমীকের এই বইটার দ্বিতীয় সংস্করণ শেষ হতে বাকী আর মোটে ১টা বই। সেটা লুকিয়ে রাখা আছে। যদি দত্তক টত্তক বিশেষ না পাওয়া যায় তাহলে নিলাম করে যাতে ছাপার খরচ কিছুটা তোলা যায়। ;-) এরকমই জনপ্রিয়তা। কিন্তু সেটা ব্যাক আপ প্ল্যান। আপাততঃ তিন নম্বর সংস্করণ করার লক্ষ্যেই এগোনো হচ্ছে।

ঘ) এছাড়াও আরও তিনটে বইএর প্রথম সংস্করণ শেষ হয়ে গেছে। সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'খাণ্ডবদাহন' আর 'বৃহৎ ন্যানোপুরান', সোমনাথ রায়ের লেখা কবিতার বই 'ঘেন্নাপিত্তি'। এগুলোরও দ্বিতীয় সংস্করণ আসতে চলেছে খুব শিগগিরই।

বলাবাহুল্য তালিকা সম্পূর্ণ নয়। বই প্রকাশ চলতেই থাকবে। যখন যেমন তৈরি হব, আপডেট দেওয়া যাবে। আপাতত এই কটিই। লেখক পাঠক ও বন্ধুরা আস্তিন গুটিয়ে তৈরি হোন। আর এই সমবায়ে যারা অংশগ্রহণ করতে চান, আংশিক বা সম্পূর্ণ দত্তক নিতে চান, বা ব্যাপারটা কী জানতে চান, এখানে লিখুন, বা অন্যভাবে যোগাযোগ করুন। কীভাবে করবেন, সে তো আপনারা জানেনই। [email protected] এ মেল করতে পারেন। অথবা গুরুর সাথে যুক্ত যাঁদের ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তাঁদের মেসেজ করতে পারেন। উপরের তালিকার বইগুলির মধ্যে 'মোদীকেয়ার' এবং 'অ(ন)ন্য মহীন' প্রকাশিত হবে সামনের দু সপ্তাহের মধ্যে। কাজেই আগ্রহীরা একটু দ্রুত যোগাযোগ করলে ভালো হয়।

জ্জয় গুরু।


Name:  গুরুচণ্ডা৯          

IP Address : 2345.110.894512.106 (*)          Date:01 Feb 2019 -- 06:37 AM

গুরুচণ্ডা৯ র অনেক বইই অনেকে দত্তক নেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছেন, অনেক ধন্যবাদ তাঁদের।
বইয়ের সংগে এখানেও তাঁদের কথা জানিয়ে দেওয়া হবে।

আচ্ছা, একটা খবর। সুখবরই বলা চলে, কারণ বইমেলার মধ্যে করে ফেলা যাবে ভাবা যায়নি, কিন্তু মনে হচ্ছে কাজ শেষ করা যাবে, বিষাণ বসু, রৌহিন, দ্যুতিদি, অরূপ, শানু, ইকবাল ইত্যাদি কয়েকজনের বিশেষ উদ্যোগ আর সাহায্যে। আর অবশ্যই হিরণ মিত্র।

শিল্পী হিরণ মিত্রের দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্ব, প্রয়াত লেখক অদ্রীশ বিশ্বাসের সংগে, বইটি আমরা আবার প্রকাশ করব বলে ঠিক করেছিলাম। তো, নতুন করে করার প্রক্রিয়ায় সং্যোজন হিসেবে একটি দীর্ঘ মূল্যবান সাক্ষাতকার ও এসে গেছে, বিষাণ বসু নিয়েছেন। হিরণদা ছবি দিয়ে নতুন করে সাজিয়েছেন বইটা।

কী থাকছে বইয়ে? অনেক না বলা কথা।

বিষাণ বসুর কথায়, ছবি কী? কেমনভাবে ছবির ভিতরে ঢুকবো? দৃষ্টিনন্দন ছবি যদি বা চোখ টানে, কিন্তু অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট? ছবি, নাকি লক্ষ লক্ষ টাকা দামে বিক্রি হওয়া ছবি, দর্শকের চোখ আটকাবে ঠিক কোথায়? দর্শক আর শিল্পী দুইয়েরই ভাবনার অচেতনে বাজারের ভূমিকা কী? দেশের ছবি, বিদেশের ছবি থেকে হালফিল ডিজিটাল আর্ট। ছবির জগৎ-এর একটা সার্বিক চিত্র উঠে এলো শিল্পী হিরণ মিত্রের সাথে এই অকপট সাক্ষাৎকারে। সাক্ষাৎকার ঠিক নয়, এ এক শিল্প-আড্ডা। সাথে অনিবার্যভাবেই থাকলো হিরণ মিত্রের মঞ্চ-প্রচ্ছদ-সিনেমা-শিল্পজীবন।

বাংলা ভাষায় শিল্পী এবং শিল্পানুরাগীর কথোপকথনভিত্তিক বই রয়েছে বেশ কয়েকটি। কিন্তু, ঠিক এই ধরণের শিল্প-আড্ডার নজির, বোধ হয়, আর নেই। সেইদিক থেকে দেখলে, শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে এই ছোটো বইটি, প্রকৃত অর্থেই, ল্যান্ডমার্ক। আর, সাথে রয়েছে হিরণ মিত্রের অসামান্য কিছু ছবিও।

এই বইয়ের আংশিক দত্তকে সৈকত চ্যাটার্জি ইতিমধ্যেই এগিয়ে এসেছেন, আর কেউ আগ্রহী হলে জানাবেন।


Name:   গুরুচণ্ডা৯           

IP Address : 237812.68.674512.61 (*)          Date:02 Sep 2019 -- 12:27 AM

খুব শিগগিরি প্রকাশিত হতে চলেছে এই বইটি, ডা: অনিরুদ্ধ সেনগপ্তের লেখা, 'এক গাঁয়ের ডাক্তারের গল্প'। ডা: পুণ্যব্রত গুণের ভূমিকা সহ।

প্রতিবারের মত এবারেও এই বইটির আংশিক আর্থিক দত্তকের আহবান রইল, আগ্রহী হলে জানাতে পারেন্, এখানে বা মেইলে, [email protected]

-----
কী আছে এই গল্পে?

স্বাস্থ্যব্যবস্থার পুরোটাই যেন এক ভেঙে পড়া সভ্যতার গল্প। যে ব্যবস্থায় অসুস্থ অসহায় মানুষের সারি আছে, হাসপাতালের নির্মম প্রত্যাখান আছে। গ্রামেগঞ্জে স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে, তাতে বেড নেই। বেড আছে তো প্রশিক্ষিত কর্মী নেই। ওষুধ নেই, চিকিৎসার সরঞ্জাম নেই, চিকিৎসকের আগ্রহ নেই।

কিন্তু এইসব জানা কথা শোনানোর জন্য এই বই নয়। এই বই বস্তুত ঢাল-তরোয়ালহীন এক সৈনিকের সসম্মানে যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার আখ্যান। বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার বহুচর্চিত ভাঙা নৌকোয় অবতীর্ণ হন এক তরুণ চিকিৎসক। কোনো এক প্রত্যন্ত গ্রামে। এ বই তাঁর হালহীন নৌকো চালিয়ে তীরে ভেড়ার নিজস্ব বর্ণনা। নিজের হাতে এক অখ্যাত গ্রামীণ স্বাস্থকেন্দ্রকে সফল শল্যচিকিৎসালয়ে পরিণত করার যাত্রাপথের কাহিনি।

যুদ্ধে জেতাহারা থাকে। কিন্তু অস্ত্রহীন পদাতিকরাও হাল ছেড়ে দিয়ে বসে না থেকে যুদ্ধে নামেন এবং কখনও সখনও সসম্মানে উতরে যান, এ বই তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ। কোনো কাল্পনিক উপন্যাসে এই কাহিনীকে ধরা অসম্ভব, কারণ বাস্তবতার তুলনা একমাত্র বাস্তবতাই।
------------

খসড়া প্রচ্ছদ: সায়ন কর ভৌমিক

https://i.postimg.cc/fTc2tkfG/69757189-494816587730337-878851435055074
5088-n.jpg


এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--3