বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2]     এই পাতায় আছে8--38


           বিষয় : রিয়েল বনাম ভার্চুয়াল আমরা
          বিভাগ : নাটক
          শুরু করেছেন :pi
          IP Address : 167.40.205.189 (*)          Date:13 May 2018 -- 07:33 PM




Name:  dc          

IP Address : 116.203.72.87 (*)          Date:14 May 2018 -- 12:24 PM

হ্যাঁ ভার্চুয়ালিও এমন কিছু করবোনা যাতে দেশের সরকারের নজরে পড়ি।


Name:  dc          

IP Address : 116.203.110.165 (*)          Date:14 May 2018 -- 12:29 PM

আর হ্যাঁ ভার্চুয়াল দুনিয়ায় কিছুটা নিজেকে অ্যানোনিমাইজ করা যায়, কিছুটা স্পুফিং করা যায়। কিন্তু সেসবের লিমিট আছে, এমনকি কানাঘুষো শোনা যায় যে টরও নাকি আনব্রেকেবল না। তো অনলাইনে যেকোন কিছু পোস্ট করার আগে সেটা খেয়াল রেখে পোস্ট করি।


Name:  B          

IP Address : 127.194.234.14 (*)          Date:14 May 2018 -- 12:49 PM

"............
প্রশ্নটা হল লোকজন ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ফেক করেন কিনা ?

আমার যদিও মনে হয়, এই সবরকম সম্ভাবনাই থাকতে পারে। ...... তবে লিখতে লিখতে মনে হল, সেতো বাস্তব দুনিয়াতেও লোকে মনে এক , মুখে আরেক বলতে পারে। বা ইমেক তৈরির জন্য একেক ক্রাউডের কাছে একেকরকম। সেক্ষেত্রে ভার্চুয়াল বনাম রিয়েল কি বড্ড গোদা সাদা কালো অবাস্তব ছায়াযুদ্ধ ? রিয়েলিটিতেও অনেক আমি থাকতে পারে। তার একটা সত্য, বাকিগুলো ফেক নাও হতে পারে, প্রেক্ষিত পরিস্থিতিতে একাধিক সত্যও সম্ভব তো, কিছু ক্ষেত্রে।

এটা অনেকেই বলেন, যে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় অনেক ফেকিং হয়। কারণ করাটা সোজা। এই যেমন কদিন আগেই কোন এক গ্রুপে কেউ নিজের আঁকা বলে একটি ছবি পোস্ট করেন, রবীন্দ্রনাথের পোট্রেইট। পরে ধরা পড়ে, কোন বিখ্যার শিল্পীর আঁকা ছবি। তো, এই ফেকিং গুলো ভার্চুয়াল দুনিয়ায় করা সহজতর , এ কি বাস্তবে এর এরকম করত না ? এরকম প্রচুর কেসই সোশ্যাল মিডিয়ায় আকছার দেখি। এর ওর তার লেখাও নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। ভার্চুয়াল দুনিয়া এগুলো করার সুযোগও বেশি দিচ্ছে বটে। আবার আরেকদিক দিয়ে দেখলে, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এগুলো ধরা পড়ার সুযোগও আবার বেশি। একটু সচেতন লোকজনের সার্কেল হলে। যারা এগুলো করে, তারা সেটা জেনেই করে নাকি একটা সার্কেলে এক্সপোজড হলেও অন্য অনেকের কাছেই নাও হতে পারে, এটা ভেবে চান্স নেয়?

তাহলে ভার্চুয়াল দুনিয়াতেও পাব্লিক পোস্ট আর অডিয়েন্স সিলেক্ট করা পোস্ট, ক্লোজড বা সিক্রেট কম্যুনিটিতে করা পোস্ট, এসবেরও ফারাক হবে বিস্তর, আবার সেটা দেখতে গেলে রিয়েল লাইফেও হতে পারে। বেশি কম কিছু আছে কি ? ...."
--------------------------------------------------
দেখা যাচ্ছে এত পড়া, এত প্রতিটি লেখা পড়ে মতামত দেওয়া ব্যক্তির মনে ধন্দ আছে, সন্দও আছে, সংশয়ও আছে প্রবল..... ক্রমাগত প্রশ্ন ও সাথে সাথে অনেকটা ভাসা ভাসা উত্তর দিতে দিতে, যাকে যাচাই করতে বা ঝালাই করতে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন সবার কাছে।
-------------------------------------------------
..... কিন্তু মনে হল শেষে তিনিই উপসংহার টেনে বলেছেন,
"তো, আমার তো মনে হয় সম্ভাবনা অসীম ও প্রান্তর সত্যই ধূসর।"
-------------------------------------------------
নতুন কিছু বলার আর কিই বা থাকলো?

শুধু মনে হল, তিনি যথেষ্ট সংযত হয়ে লিখেছেন "ধূসর", আরও প্রযোজ্য শব্দ না লিখে।


Name:             

IP Address : 52.107.86.96 (*)          Date:14 May 2018 -- 09:51 PM

সাইবার ল তৈরী হবার আগে অনেক লোক ভাবত ফেক আইডি আর ফেক ইমেজ বিল্ডিঙের আড়ালে লুকিয়ে যা খুশী বলা যায়। এই সময় সেক্সিজম, মিসোজিনি আর বাইগট্রি একেবারে তুঙ্গে ছিল। আইন তৈরী হবার পর একটু কমল আবার টর ইত্যাদি অ্যানোনিমাইজার এসে যাওয়ায় আবার বেড়ে উঠেছিল। এখন ল এনফোর্সমেন্ট হচ্ছে কিছু কিছু ফলে আবার কমের দিকে যাবে, যাচ্ছেও কিছু কিছু।

আজ মনমেজাজ বহুত খারাপ। পরে এসে কেস স্টাডি দিয়ে যাব।


Name:  B          

IP Address : 127.194.228.244 (*)          Date:15 May 2018 -- 12:15 AM

জলের ওপর পানি না
পানির ওপর জল........
জলের ওপর পানি না
পানির ওপর জল.......
বল খোদা বল খোদা বল
বল খোদা বল খোদা বল.....


আলির ওপর কালী না
কালীর ওপর আলি........
আলির ওপর কালী না
কালীর ওপর আলি........
বল খোদা বল খোদা বল
বল খোদা বল খোদা বল....


Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:15 May 2018 -- 03:55 AM

কাকমার্গ
করাতমার্গ
মিরচাইমার্গ
....
জিলিপিমার্গ

ভিন্ন ভিন্ন সাধনমার্গ সব। ঃ-)


Name:  B          

IP Address : 69.92.144.166 (*)          Date:17 May 2018 -- 04:58 PM

সাধন মার্গ না প্রসাধন সাবুন মার্গো, কি জানি, কিন্তু মার্গ শুনলেই বামুনদের খাওয়া নিয়ে ছোটকালে শোনা অনেকগুলো গল্পের মধ্যে একটা গল্প মনে পড়ে যায়- দেব কি দেব না করে দিয়েই দিলাম এই রসিক-রসিকা সমাগমের মধ্যে-

সেই যে 'এখনও তো চাবিখাড়া হয় নি', খাটিয়ায় শুয়ে বাড়ি ফিরে আসা, ইত্যাদি নানা গল্পের মধ্যে সেই ব্রাহ্মণ ব্যক্তির এক অনুষ্ঠানগৃহে খেতে খেতে ঘনঘন নিজের আঙুল শোঁকা দেখে আয়োজকদের একজন শেষমেশ জিজ্ঞেস করার গল্প। সেই যে প্রশ্ন, 'পণ্ডিতং, পণ্ডিতং! অঙ্গুলি কেন নস্যিতং।'-এর উত্তরে পণ্ডিতের কাতরমুখে বা চোখমুখ কুঁচকে অস্ফুট উত্তর, "মার্গং গলিতং..."

তার আর পর নেই ....


Name:  B          

IP Address : 69.92.144.166 (*)          Date:17 May 2018 -- 05:14 PM

এখানে তো আবার ভাষা সন্ত্রাস, রুচি অধোগমন ইত্যাদি, প্রভৃতি নিয়ে বেশ ছুৎমার্গ আছে দেখা যায়, যদিও তা অনেকের কাছেই ভীষণভাবে selective মনে হয়, তাই একটু আমড়াগাছি করে নিয়ে এই কথাটাও লিখেই দিলেম; এক নৈহাটি ভট্টপল্লীর এক বেদজ্ঞ, শাস্ত্রজ্ঞ ব্যাক্তির কাছে শোনা।

আমরা যে এই মাগী শব্দটি শুনলে আঁতকে উঠি, কানে আঙুল দিই, সেই শব্দের ব্যুৎপত্তি বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, "মার্গ দর্শন করান বলেই তাঁকে মাগী বলা হয়। এই শব্দটি বহুদিন ধরেই আমাদের সাহিত্যে, কবিতায় ও গানে, ব্যবহৃত হত। তখন অবিশ্যি এযুগের সিউডো ভদ্দরনোক শ্রেণী তৈরী হয় নি।"


Name:             

IP Address : 116.193.148.42 (*)          Date:28 May 2018 -- 10:59 PM

এহ স্প্যামে ভত্তি।

যাই হোক কেসস্টাডি দেবো বলেছিলাম। লিখি।

১)
সে অনেককাল আগের কথা, বাংলা ভাষাভাষি ইউজারদের কাচে নেট বিশেষতঃ নেটে বাংলা ভাষার ব্যবহার বেশ নতুন। সাহিত্য পত্রিকা বলতে 'পরবাস' শুধুমাত্র এক এবং অদ্বিতীয়। সামহোয়ারইন, গুরুচন্ডা৯, সচলায়তন ইত্যাদি তখনও ভবিষ্যতের গর্ভে। জুকু তখনও মাঠে নেমেছে কিনা ঠিক জানি না, বোধহয় না। আজ থেকে ১৪-১৫ বছর আগের কথা। তো আড্ডা কাইন্ড অফ ফেসিলিটি দিতে শুরু করল বাংলালাইভ।

তো বা-লাতেও এমনি লগিন করেই কেবলমাত্র লেখা ফেখা যাবে এমন রেস্ট্রিকশান সে কালে ছিল না। তার অপব্যবহার হত প্রচুর। মডারেশান সত্ত্বেও হত। মানে কারো যদি বাংলাভাষাটার উপরে যথেষ্ট কন্ট্রোল থাকে সে সুন্দর করে গালিগালাজসহ পোস্ট মডারেশানের ছাঁকনি দিয়ে পাস করিয়ে দিতেই পারে, এরকম কেস।

তা ঐ যেমন হয় আর কি অল্প কিছুদিন লেখালেখির পরই বিভিন্ন ইউজারের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্য আদানপ্রদান হতে শুরু করে। আমি তখন আম্রিকায়। তো আমার সাথেও কিছু লোকজনের আলাপ সালাপ হয়। অজ্জিত সিকিদের সঙ্গে তখনই আলাপ। তা এইসময় একজন নিজেকে খুবই স্নেহময় দাঁতের মাজন হিসেবে প্রোজেক্ট করে টরে বেশ অনেকের সাথে ফোনে আলাপ সালাপ করত। করত মূলতঃ নিজের টাইমপাস করতে ও চুকলিবাজি করতে। সেটা পরে বোঝা গেছিল। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত ঐ স্নেহময় দাঁতের মাজন ইমেজ আর কি।

তো এই ব্যক্তি আমাকে ফোন করে একদিন সাইটের অপর দুই মহিলা ইউজার সম্পর্কে বলছে " -- আর ## কে দেখলেই মনে হয় প্যাড পাল্টাতে পাল্টাতে আসছে"। আমি না পুরো হতভম্ব হয়ে গেছি, তখনও পিরিয়ড প্রায় ট্যাবুই। সেইটা নিয়ে ওরকম ইমেজ বানানো একটা লোক এরকম ভাবতে এবং বলতে পারে --- জাস্ট বিয়ন্ড এনি ওয়াইল্ড ইম্যাজিনেশান। প্রথমেই মাথায় এলো তার মানে কি এই মক্কেলের বাড়ির মহিলারা ওপেনলি প্যাড পাল্টায়? বাড়িতে বাথরুম নাই? কিন্তু বলে উঠতে পারলাম না। প্রচন্ড আপত্তি করে কিছু বলায় উল্টোদিক থেকে কান পুড়িয়ে দেওয়া কুৎসিৎ হাসি।

মিঠুকে বলেছিলাম এই ঘটনাটা, সোসেন শ্রাবণীদেরও পরে বলে থাকতে পারি। মিঠু শুনেই বেজায় হেসেছিল ঐ ইমেজের সাথে এই বাক্যি শুনে। মিঠুও চেনে এ মক্কেলকে।

আমি পরে অবশ্য এর বাড়িয়ে গিয়ে মহিলাদের দেখেও এসেছিলাম স্রেফ এইটা দেখতে যে ... যাক সেকথা।

এইটে আমার #MeToo তে দেবার ঘটনা। সেই সময় ফোনে রেকর্ডিঙের সুব্যবস্থাটুকু থাকলে কি সুবিধেই না হত রে ইপ্পি।




Name:   π           

IP Address : 24.139.221.129 (*)          Date:29 May 2018 -- 12:15 AM

কী অদ্ভুত! কিন্তু এখন ফোন রেকর্ড হয় কি হচ্ছে জেনেও যারা বলে যায়, তারা কী লেভেলের সেটা ভেবে সত্যি ভয় লাগে। তবে আমার কেমন জানি মনে হয় যারা এসব করার, করবেই


Name:             

IP Address : 52.108.244.192 (*)          Date:29 May 2018 -- 12:23 AM

আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি রেকর্ড করছি বললেই পটাং করে কেটে দেয়। সে ফ্রড কলারই হোক কি সেক্স অফেন্ডার কি ভার্বাল অ্যাবিউজার সবাই কেটে পালায়।

আমার ধারণা এরা ভাবে যে মেয়েদের যা খুশী বলে পার পাবে। রেকর্ড করে পুলিশের কাছে সত্যিই যাবে এটা ভাবে না। পুলিশও অনেকসময় যথেষ্ট হ্যারাস করে কাজেই ঘাগু অফেন্ডারগুলো সেই সুযোগই নেবার চেষ্টা করে।




Name:  B          

IP Address : 127.248.137.166 (*)          Date:29 May 2018 -- 12:40 PM

"এটা অনেকেই বলেন, যে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় অনেক ফেকিং হয়। কারণ করাটা সোজা। ..............তো, এই ফেকিং গুলো ভার্চুয়াল দুনিয়ায় করা সহজতর , এ কি বাস্তবে এর এরকম করত না ? ..................... যারা এগুলো করে, তারা সেটা জেনেই করে নাকি একটা সার্কেলে এক্সপোজড হলেও অন্য অনেকের কাছেই নাও হতে পারে, এটা ভেবে চান্স নেয়?"
--------------------------------------------------
কোই শক্‌?? মানে, এ নিয়ে কোন সন্দেহ আছে কি?

সন্দেহ আর নেই !
---------------------------------------------------
"তাহলে ভার্চুয়াল দুনিয়াতেও পাব্লিক পোস্ট আর অডিয়েন্স সিলেক্ট করা পোস্ট, ক্লোজড বা সিক্রেট কম্যুনিটিতে করা পোস্ট, এসবেরও ফারাক হবে বিস্তর, আবার সেটা দেখতে গেলে রিয়েল লাইফেও হতে পারে। বেশি কম কিছু আছে কি ?

তো, আমার তো মনে হয় সম্ভাবনা অসীম ও প্রান্তর সত্যই ধূসর।"
........
---------------------------------------------------
প্রান্তর ধূসর নয়, বরঞ্চ একদম কালোই।

বারবার প্রমাণ হয়, সময় সবই প্রমাণ করে দেয়।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কেবল একটু দেরী হয়, সেটা কেন, কে বলবে? আর কেনই বা বলবে?।


Name:  ছাগলছানা           

IP Address : 113.219.46.128 (*)          Date:31 May 2018 -- 12:33 AM

আমি আবার দেখেছি বাস্তবে রেগে গেলে আমি অনেকটাই বেশি violent এবং aggresive হয়ে পরি. ভার্চুয়াল জগতে অতটা হইনা


Name:  aka          

IP Address : 202.69.82.249 (*)          Date:31 May 2018 -- 01:24 AM

আচ্ছা এইটা না অনেক ভেবেও বুইতে পারি নি, প্যাড পাল্টাতে পাল্টাতে আসা মানে কি? খামোকা কেন কেউ প্যাড পাল্টাতে পাল্টাতে আসবে? এই মেটাফরটি ঠিক ধরতে পারি নি।


Name:  S          

IP Address : 202.156.215.1 (*)          Date:31 May 2018 -- 03:03 AM

জুলাই আগস্টে কোলকাতায় কিছু হচ্ছে?


Name:   সিকি           

IP Address : 233.190.45.129 (*)          Date:31 May 2018 -- 06:16 AM

হুঁ, বৃষ্টি।


Name:             

IP Address : 52.108.229.176 (*)          Date:31 May 2018 -- 07:02 AM

ওই কিছু লুইচ্চা মেয়েদের বিভিন্ন অঙ্গের কথা জোরে জোরে বলে ডিসকমফোর্ট তৈরী করে আনন্দ পায় না - সেই কেস।

দ্যাখ আকা এই ২০১৮তে আমরা মেনস্ট্রুয়েশান নিয়ে কথা বলতে সংকোচ লজ্জা বোধ করি না। অজ্জিতের সাথে পরশুই কথা হচ্ছিল এটা নিয়ে যে গত কিছু বছরে আমাদের চিন্তাভাবনা প্রচুর পরিবর্তন হয়েছে
কিন্তু সেই সময় এটা উল্লেখ করাই কাউকে কুঁকড়ে দেবার চেষ্টা এবং বহুলাংশে সফল।


ইন ফ্যাক্ট ২৮শে মে মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন ডে ছিল, আমি ফেবুতে এই ঘটনা শেয়ার করে লিখেছিলাম মেনস্ট্রুয়েশান হাগুমুতুর মতই একটি নিতান্ত প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা। তার জন্য লজ্জিত হওয়া অস্বস্তি বোধ করার কোন কারণ নেই। আর প্যাড বদলানো নির্দিষ্ট সময় অন্তর খুবই দরকার ও স্বাস্থ্যসম্মত। তা তাতে আমার লিস্টেরই কিছু মেয়ে খুব অবাক ও ক্রুদ্ধ হয়েছে। বেশ কয়েকজন প্রকাশ্যে এই লোচ্চাটার কথাটা সম্পর্কে কমেন্ট করতেও সঙ্কোচ বোধ করেছে।
এই সঙ্কোচ এখনও অনেকের মধ্যেই আছে রে।


কিন্তু এরকম একটা দৃশ্যকল্প দুজন সম্পুর্ণ অপরিচিত মহিলার সম্বন্ধে ভানতে গেলে কি লেভেলের পার্ভারশান দরকার ভাব শুধু।


Name:             

IP Address : 52.108.229.176 (*)          Date:31 May 2018 -- 07:03 AM

*ভাবতে


Name:   Sumit Roy           

IP Address : 113.244.13.59 (*)          Date:31 May 2018 -- 11:53 AM

রিয়াল বনাম ভারচুয়ালের আলোচনায় রিয়াল বনাম ভারচুয়াল জগতে মানুষের আচরণের পার্থক্যের কারণ হিসেবে যাকে ধরা হয় তার নাম "অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্ট"। এটার জন্যই মানুষকে দুই জগতে দুইরকম আচরণ করতে দেখা যায়। অনলাইন ডিজইনহিবিশন বলতে বোঝায় অনলাইনে মানুষের নিজের অনুভূতিগুলোকে কম দমন করা। সামনাসামনি কথা বলার সময় মানুষ নিজের অনুভূতিগুলোকে যেভাবে দমন করত, অনলাইনে দেখা যায় তারা এর চেয়ে কম দমন করে, এটাই অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্ট। সাইকোলজিস্ট জন সুলার ২০০৪ সালে প্রথম সাইবারসাইকোলজি এন্ড বিহ্যাভিয়র জার্নালে এই টার্মটাকে নিয়ে আসেন। এরপর এটা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা হয়েছে।

এই অনলাইন ডিজইনহিবিশনেরও আবার বিভিন্ন কারণ আছে। নামহীনতা (কেউ আমাকে চেনেনা, এরকম অনুভূতি) (anonymity), অদৃশ্যতা (invisibility), অসঙ্কালিক যোগাযোগ (asynchronous communication), সহমর্মিতার অভাব (empathy deficit), এবং সেই সাথে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কারণ যেমন ব্যক্তিত্ব ও ব্যক্তির সাংস্কৃতিক অবস্থার বিভিন্ন বিষয় এই অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্টের ফ্যাক্টর হয়। সাইকোলজিস্ট ক্রিস্টোফার টেরি ও কেইন জেফ মিলে ২০১৬ সালে একটা জার্নালে এর কারণগুলোকে সামনে নিয়ে আসেন।

নামহীনতা অনলাইনে ব্যক্তিকে নিরাপত্তার অনুভূতি দান করে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের পছন্দ মত যেকোন ব্যক্তিত্ব ধারণ করতে পারেন, যা নিজে তিনি নন। অর্থাৎ এখানে তিনি একজন ভিন্ন মানুষ হয়ে যেতে পারেন। এর জন্য তিনি মনে করতে পারেন যে, এখানে যেকোন কিছু বলা বা করা সম্ভব, কারণ বাস্তব জীবনে এর জন্য তাকে তিরস্কার করা হবে না, কেউ সামনে এসে তাকে কিছু বলতে যাবে না। সঙ্কালিক যোগাযোগ এমন একরকম যোগাযোগ যা একাধিক ব্যক্তির মধ্যে লাইভ বা সরাসরি হয় না। এখানে অরিজিনাল বার্তাটি পাঠাবার পর তাৎক্ষণিক জবাব পাওয়া যায় না, প্রত্যুত্তর পেতে সময় লাগে। এই অসঙ্কালিক যোগাযোগ অনলাইন ডিজইনহিবিশনকে প্রভাবিত করে কারণ এখানে একজন ব্যক্তি ইন্টারনেটে কিছু লিখবার পর পরক্ষণেই তার প্রত্যুত্তর পান না, এবং সেখান থেকে চলে যান। আর একারণে সে কী বলছে এটা নিয়ে তাকে তেমন চিন্তা করতে হয় না। অন্যদিকে এটা একই সাথে একজন ব্যক্তিকে সময় নিয়ে চিন্তাশীল উত্তর দেবার সুযোগ তৈরি করে দেয় - এটাও সত্য।

সহমর্মিতার অভাব বলতে বোঝায় অন্যের আবেগকে বুঝতে পারার ক্ষমতা কমে যাওয়া (এই বিশেষ ঘটনার জন্য সহমর্মিতার অভাবের অবদান সম্ভবত ছিল না, কিন্তু মানুষ অপরাধীর প্রতিও এমপ্যাথি দেখায়, এটা অস্বীকার করা যায় না)। অবাচনিক প্রতিক্রিয়ার (non-verbal feedback) (বডি ল্যাংগুয়েজ, ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন ইত্যাদি) অভাবের কারণে অনলাইন যোগাযোগে এই সহমর্মিতার অভাব দেখা যায়। মাধ্যমায়িত যোগাযগ ব্যবস্থায় অপরপক্ষ কোন ভয়েস টোনে এবং কিরকম ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন নিয়ে বার্তাগুলো পাঠাচ্ছেন তা বোঝা মুশকিল। তাই এক্ষেত্রে অন্যের সাথে সহমর্মায়ন করা (আমার বানানো শব্দ, empathizing) কঠিন হয়ে যায়। নামহীনতা এবং সহমর্মিতার অভাব - এই দুইয়ে মিলে অনলাইনে অন্যদের অনুভূতিকে বোঝা অনেক কঠিন হয়ে যায়, যার মূলে থাকে অন্যদেরকে সামনা সামনি পেয়ে তাদের ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন না দেখতে পাওয়া। এই অভাবকে পুরণের উদ্দেশ্যে এখন অনেক সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ইমোজির প্রচলন হয়েছে। (আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বেশিরভাগ কথা বলার সময়ই আমি ইমোজির ব্যবহার করব যাতে অপর প্রান্তের লোকেরা আমার ফেশিয়াল এক্সপ্রেশন কিছুটা হলেও কল্পনা করতে পারে :পি )

এই অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্ট এর সামাজিক ইমপ্যাক্ট এর মধ্যে ভাল মন্দ সবই আছে। ভালর মধ্যে আছে যে, অনলাইনে বিভিন্ন মুভমেন্ট এর কারণে সম্ভব হচ্ছে। এখানে যেমন বলা হল, পাবলিক প্লেসে হস্তমৈথুন নিয়ে সামনাসামনি কেউই কিছু বলেনি, কিন্তু অনলাইনে প্রচণ্ড সমালোচনা শুরু হয়। অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্টের কারণেই এটা অনেকটা সম্ভব হয়। খারাপ দিকের মধ্যে আছে এটা সাইবারবুলিং অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে, সাথে সাথে বাড়ছে অনলাইন সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট। উইকিপিডিয়াতে এটা নিয়ে নিবন্ধ লিখছি, আস্তে আস্তে ডেভলপ করব। এখানে আরও বিস্তারিত পাওয়া যাবে:
https://bn.wikipedia.org/s/ba01

তবে অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্ট ছাড়াও আরেকটা ব্যাপার আছে যা বাস্তবের সাথে ভারচুয়াল জগৎকে আলাদা করে দিতে পারে। আর তা হল মানুষের ভেতরের কনফারমেশন বায়াজ। এর কারণে দেখা যায়, মানুষ নিজে কি ভাল মন্দ বোঝে সেদিকে না গিয়ে, আশেপাশের সব মানুষ যা করছে সেদিকেই যেতে চায়। সলোমন এশের একটা বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্ট আছে এটা নিয়ে, যেখানে সাবজেক্ট অন্যদের ভুল উত্তর শুনে নিজের ঠিক উত্তরকে চেঞ্জ করে ফেলেছিল। বাস্তব জগতে এটা দেখা যায়, কিন্তু অনলাইনে যেমনটা দেখা যায় তেমনটা না। বাস্তবে কোন অন্যায় দেখলেও মানুষ চেপে যেতে পারে, কিন্তু অন্য কাউকে যদি এর প্রতিবাদ করতে দেখ তখন আরও অনেক মানুষ সেখানে জড়ো হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সেই প্রথম মানুষকেই এগিয়ে আসতে কম দেখা যায়। অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্টের কারণে কিন্তু অনলাইনে এই বায়াজ মানুষকে বেশি আক্রান্ত করে। কারণ একসাথে অনেক মানুষ এরকম প্রতিবাদে জড়িয়ে পড়ে, যা দেখে আরও অনেকে এফেক্টেড হয়, সেও তখন প্রতিবাদ করে। এভাবে অনলাইন এখন অন্যতম প্রতিবাদের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।

যাই হোক, প্রকাশ্যে চুমু দেয়াতে বিরোধিতা করলেও হস্তমৈথুনে মানুষ বিরোধিতা করছে না এটার ব্যাখ্যা করতে চাইলে আমার মতে একটু অন্য দিকে যেতে হবে। আমাদের সমাজ নারীর একটিভ সেক্সুয়াল বিহ্যাভিয়র সহ্য করতে পারে না। আর কেন সমাজ, অর্থাৎ পুরুষশাসিত সমাজ এটা সহজে নিতে পারেনা- তার বিশ্লেষণে যেতে হলে আমাদেরকে যেতে হবে বেটম্যান প্রিন্সিপল, ইন্টার-জেন্ডার কম্পিটিশন এর মত ইভোল্যুশনারি সাইকোলজির কিছু কনসেপ্টে। এজন্য পাবলিক প্লেসে হস্তমৈথুনের প্রতিবাদ হয় না, কিন্তু প্রকাশ্য চুম্বনে প্রতিবাদ হয়। যাই হোক, এই রিয়াল বনাম ভারচুয়াল জগতের আলোচনায় বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক হবে বলে সেদিকে আর যাচ্ছি না।



Name:  dc          

IP Address : 132.164.30.35 (*)          Date:31 May 2018 -- 12:02 PM

ইন্টারেস্টিং পোস্ট, অনেক কিছু জানলাম। সুমিতবাবুকে ধন্যবাদ। অনলাইনে অ্যাননিমিটির জন্য আর জিওগ্রফিকাল সেপারেশানের জন্য অনেকে অনেক কিছুই লিখে ফেলে যা সে অফলাইনে বলবে বা করবে না, এটা আগেও কোথাও পড়েছি।


Name:  দ          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:31 May 2018 -- 03:51 PM

হুঁ ইন্টারেস্টিং।

চুমুতে বিরোধীতা করা সম্পর্কে সুমিত বলছেন আমাদের সমাজে নারীকে যে অবস্থানে দেখতে চাওয়া হয় সেটার কথা। সেটা অস্বীকার করছি না, সেটাও একটা কারণ বটে, যথেষ্ট প্রবল কারণও বটে।

কিন্তু ... কিন্তু ... দুটি সমপ্রেমী ছেলে মেট্রোয় চুমু খেলে কি ঐ দাদুরা ছেড়ে দিত বলে মনে করেন?
আমি মনে করি না।





Name:   π           

IP Address : 57.29.241.183 (*)          Date:01 Jun 2018 -- 07:18 PM

সুমিতবাবু, ইন্টারেস্টিং। কিন্তু অনেক প্রশ্ন আছে। এক এক করে।


আপনি লিখেছেন,
'
এই অনলাইন ডিজইনহিবিশনেরও আবার বিভিন্ন কারণ আছে। নামহীনতা (কেউ আমাকে চেনেনা, এরকম অনুভূতি) (anonymity), অদৃশ্যতা (invisibility), অসঙ্কালিক যোগাযোগ (asynchronous communication), সহমর্মিতার অভাব (empathy deficit), এবং সেই সাথে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কারণ যেমন ব্যক্তিত্ব ও ব্যক্তির সাংস্কৃতিক অবস্থার বিভিন্ন বিষয় এই অনলাইন ডিজইনহিবিশন এফেক্টের ফ্যাক্টর হয়।'


তো ফেসবুকে তো সাধারণভাবে নামহীনতা, অদৃশ্যতা তুলনায় অনেক কম। মানে সারকল শুরুটা বহু ক্ষেত্রেই নিজের রিয়েল লাইফে কোন না কোন সময়ে চেনা লোক দিয়েই, তাহলে কি ডিজইন্হিবিশন ফ্যাক্টর কম? অন্ততঃ গুরুর মত এরকম সাইটের তুলনায়, যেখানে এই ফ্যাক্টর অন্তত অনেক বেশি? তাহলে গুরুর মত সাইটের ভার্চুয়াল আমি আর রিয়েল আমির তফাত ফেবুতে ঐ ঐ এর মধ্যে পার্থক্যের চেয়ে অনেক বেশি হবে?

২। ইর্রেস্পেক্টিভ অব আগের প্রশ্ন, এম্প্যাথির অভাবের কথা বলেছেন, তো এটা কি মনে হয় যে এম্প্যাথির জন্য রিয়েল প্রেজেন্স খুব জরুরি, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ইত্যাদির জন্য? এটা নিয়ে কোন স্টাডি আছে?

৩। ভার্চুয়াল ইন্টারাকশন কিন্তু আবার অনেক ইন্টারাকশন অনেক গভীরে ও বেশি সময় নিয়ে করারও সুযোগ দেয়, রিয়েল লাইফের যোগাযোগ এর ক্ষেত্রে একই কোঅর্ডিনেটে একসাথে অবস্থানের ক্ষেত্রে স্থান, সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকে। সেসব না থাকলেও কোথাও, আশেপাশে সর্বক্ষণ থাকা লোকের ( যা বাই ডিফল্ট, জন্ম বা কর্মসূত্রে, তেমন কোন বাছাবাছির চয়েজ নাই) সাথে ইন্টারেস্ট দৃষ্টিভঙ্গি জনিত বড়সড় মিস্ম্যাচ ইন্হিভিবিশন তৈরি করতে পারে, কেউ সেখানে খাপ খুলতে পছন্দই করল না,নিজেকে গুটিয়ে রাখল, সেটাও তো হয়।


বাকি প্রশ্ন উত্তরের পরে ঃ)





Name:   Sumit Roy           

IP Address : 113.244.13.59 (*)          Date:02 Jun 2018 -- 12:57 AM

"দ" এর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে

আমার যুক্তিতে ভুল ছিল। আমি নারীর সক্রিয় যৌনাচরণকে প্রতিক্রিয়ার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে অন্যান্য কারণগুলোকে অবমূল্যায়িত করেছি যার কারণে প্রতিক্রিয়ার দুটো ক্যাটাগরি তৈরি হয়েছে, এক. যেখানে নারীর সক্রিয় যৌনাচরণ উপস্থিত, দুই. যেখানে এটি অনুপস্থিত। কিন্তু আসলে বিভিন্ন রকম যৌনাচরণেই মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। অবশ্য এটাও ঠিক যে কিছু মাত্রায় ক্যাটাগরাইজেশন থাকবেই, কেননা আমরা দেখেছি পাবলিক প্লেসে পুং হস্তমৈথুনে কেউ প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া দেখায় নি।

চুম্বনরত সমপ্রেমীর ক্ষেত্রে মানুষের প্রত্যক্ষ্য প্রতিক্রিয়া থাকবে কিনা, এই বিষয়টি আমাকে ভাবিয়েছে। হোমোফোবিয়ার কারণে মানুষ এরকম আচরণের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। হোমোফোবিয়া অর্থ সমকামী, সমপ্রেমীদের উপর কেবল বিতৃষ্ণা নয়, একরকম ঘৃণা। তিন রকমের হোমোফোবিয়া আছে: ইনস্টিটিউশনাল হোমোফোবিয়া, ইনটারনালাইজড হোমোফোবিয়া আর সোশ্যাল হোমোফোবিয়া। ইনস্টিটিউশনাল হোমোফোবিয়ার জন্য ভেতর থেকে সরাসরি ঘৃণা তৈরি হতে হয় না, ধর্মে সমপ্রেম, সমকাম নিষিদ্ধ তাই এটার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ কাজ করে। কোথাও চুম্বনরত সমকামী জুটি দেখলে এর ফলে সরাসরি ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে, তাই সহ্য হয় না। পাব্লিক প্লেসে হস্তমৈথুনও ধর্ম দ্বারা স্বীকৃত না হতে পারে, কিন্তু পুরুষের এই বিশেষ ধরণের ইচ্ছার সাথে অনেকেই পরিচিত, এমনকি এরকম একসিবিশনিজম, ইনডিসেন্ট এক্সপোজার বর্তমানে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর একটা কমন ফর্ম হয়ে গেছে, কিন্তু চুম্বনরত সমপ্রেমী মানুষকে এমন কিছুর এক্সিস্টেন্স সম্পর্কে জানান দেয় যা তারা অস্বীকার করে, যা তার অস্তিত্ব তারা চায় না, যাকে তারা দমন করতে চায়, এক্ষেত্রে ধাক্কা বেশি।

ইন্টারনালাইজড হোমোফোবিয়া ভেতর থেকে আসে, এর সাথে আমাদের ছোট থেকে বড় হবার সময় সোশ্যালাইজেশন এর ভূমিকা আছে, সমকামীদের নিয়ে প্রচলিত নেগেটিভ স্টেরিওটাইপ জড়িত, সেই সাথে আছে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের অভাব, যেটা ব্যক্তি নিজে করে না, পছন্দ করে না, অন্য কেউ করলেও তা সহ্য করতে না পারা, ছোট বেলা থেকে এফেমিনেট, এলজিবিটিদেরকে হেয়ো করতে শেখা ইত্যাদি থেকে। পাবলিক প্লেসে হস্তমৈথুন নিয়ে বা এরকম অন্য কোন অপরাধ নিয়ে কখনও সমাজে নেগেটিভ স্টেরিওটাইপ এভাবে তৈরি হয় নি।

আরেকটা যেটা বাকি থাকল তা হল সোশ্যাল হোমোফোবিয়া। এই বিশেষ রকম হোমোফোবিয়া আসে পুরুষের ম্যাসকুলিন ইনসিকিউরিটি থেকে। অনেক পুরুষই একরকম ইনসিকিউরিটিতে ভোগে, পাছে যদি অন্যেরা তাকে গে মনে করে, রিয়েল ম্যান না মনে করে, কম ম্যানলি মনে করে, এজন্য দেখা যায় তারা আসলে সমকামীদেরকে ঘৃণা না করলেও সবার সামনে নিজেকে পুরুষ প্রমাণ করতে এটা দেখায়। সমাজে এটার চর্চা অনেক বেশি, স্টেডিয়াম সহ অনেক জায়গায়, যেখানে অনেক পুরুষ জমায়েত হয়, সেখানে এটা দেখা যায়। এমনকি অনেক হোমোসেক্সুয়ালকেও সোশ্যাল হোমোফোবিক হতে দেখা যায়। পরিবেশের চাপে তারা এমন করে, এরকম সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সকে বলে নরমেটিভ সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্স। কনফারমেশন বায়াজের সাথে এর সম্পর্ক আছে। এটা এখানে যেন একটু বেশি ইম্পরটেন্ট, কারণ নারীর এক্টিভ সেক্সুয়াল বিহ্যাভিয়রের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রতিবাদের কারণ হিসেবে যে পুরুষের ইন্টার জেন্ডার কম্পিটিশনের কথা বলেছিলাম, তারও একটা অন্যতম কারণ হল পুরুষের এই ম্যাসকুলিন ইনসিকিউরিটি। কাজেই হোমোফোবিয়ার সাথে নারীর এক্টিভ সেক্সুয়াল বিহ্যাভিয়রকে সহ্য করতে না পারার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম সম্পর্ক আছেই। যাই হোক, এই সবগুলো কারণ মিলে চুম্বনরত সমপ্রেমী জুটিকেও প্রত্যক্ষ প্রতিবাদের বিষয় করে তোলে।


Name:   Sumit Roy           

IP Address : 113.244.13.59 (*)          Date:02 Jun 2018 -- 01:39 AM

"π" এর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে:

১। এনোনিমিটি কাজ করে যদি "কেউ আমাকে চেনেনা" এমন অনুভূতি কাজ করে। এর কারণ হল রিয়েল লাইফে ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা কম থাকে, কারণ কারও কথা আমার মনে বেশি দাগ কাটতে পারে যদি তার সাথে আমার একরকম বন্ডিং থাকে। এখন ফেইসবুকে কারও সাথে বন্ডিং যদি এত বেশি হয় যে সে কিছু বললে আমার যথেষ্ট আঘাত লাগছে, যা বাস্তব জীবনে কেউ কিছু বললে আঘাতের মত, তাহলে এখানে এনোনিমিটি থাকে না। নরমালি নিউজফিডে যাদের লেখা আসে, যাদের সাথে রেগুলার সাক্ষাতকার হয় তাদের বেলায় এনোনিমিটির প্রভাব কম আসার কথা। কিন্তু ফেইসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে, পেইজে কথোপকথনের সময় এরকম বন্ডিং এর কিছু থাকে না, আমি যাই বলি তাতে অপর প্রান্তের ব্যক্তি কি মনে করল না মনে করল তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এখন তার আইডি যাই হোক, প্রোফাইল পিকচার যাই হোক, তাতে কিছু আসে যাচ্ছে না, কারণ সেরকম বন্ডিংটা নেই। ফেইসবুকে আমাদের অনেককেই এরকম অসংখ্য বন্ডিং ছাড়া ব্যক্তির সাথে ইন্টারেক্ট করতে হয়, এসব ক্ষেত্রে এনোনিমিটির প্রভাব খাটবে। গুরুতে অনেক ব্লগারের সমাবেশ ঘটার কারণে যদি নিজের রেপুটেশনের ব্যাপারটাও যুক্ত হয়, আর এটা আপনার জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে কিন্তু আপনাকে অনেকেই চিনছে, এরকম অবস্থায় আপনি এনোনিমাস হতে পারবেন না, এনোনিমিটি খাটবে না। এসব কারণে দেখা যায় ফেসবুক সেলিব্রিটিরাও যা খুশি তাই বলতে পারেন না, ডিজইনহিবিশনের ক্ষেত্রে এনোনিমিটির ব্যাপারটা তাদের মধ্যে কম থাকবে, কিন্তু আবার ধরুন এই ফেইসবুক সেলিব্রিটি, বা ব্লগার ফেইক আইডি চালান, এরকম ক্ষেত্রে তার সম্পূর্ণ নতুন একরকম সেলফ তৈরি হয়, কুলির লুকিং গ্লাস সেলফ থিওরি মতে, আমি তাই যা অন্যেরা আমাকে ভাবে বলে আমি মনে করি। তাই এরকম সেলফ তৈরির ক্ষেত্রে অন্যেরা আমাকে নতুন এক পরিচয়ে ভাবছে বলে আমার একরকম সেলফ তৈরি হয়। এরকম অবস্থাতেও যে ব্যক্তির এনোনিমিটি কাজ করবে, তা আমার মতে না, কিন্তু একটা ডিফরেন্ট সেলফ ঠিকই তৈরি হবে যা বাস্তব থেকে আলাদা। ফেইক আইডি তাই আসলে খুব একটা ফেইক নয়।

২। এমপ্যাথির সাথে প্রেজেন্স, ফেস টু ফেস ইন্টারেকশনের সরাসরি সম্পর্ক আছে। মানুষের একরকম নিউরোন থাকে যাকে মিরর নিউরোন বলা হয়। এই মিরর নিউরোনগুলো উদ্দীপিত হয় কেবল ফেইস টু ফেইস কনভারশনেই। বলা হয় এই মিরর নিউরোনই মানুষের মাঝের এমপ্যাথির বেসিস তৈরি করে দেয়। যাই হোক, এসম্পর্কিত হেল্পফুল কিছু স্টাডির লিংক দিচ্ছি:

"π" এর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে:

১। এনোনিমিটি কাজ করে যদি "কেউ আমাকে চেনেনা" এমন অনুভূতি কাজ করে। এর কারণ হল রিয়েল লাইফে ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা কম থাকে, কারণ কারও কথা আমার মনে বেশি দাগ কাটতে পারে যদি তার সাথে আমার একরকম বন্ডিং থাকে। এখন ফেইসবুকে কারও সাথে বন্ডিং যদি এত বেশি হয় যে সে কিছু বললে আমার যথেষ্ট আঘাত লাগছে, যা বাস্তব জীবনে কেউ কিছু বললে আঘাতের মত, তাহলে এখানে এনোনিমিটি থাকে না। নরমালি নিউজফিডে যাদের লেখা আসে, যাদের সাথে রেগুলার সাক্ষাতকার হয় তাদের বেলায় এনোনিমিটির প্রভাব কম আসার কথা। কিন্তু ফেইসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে, পেইজে কথোপকথনের সময় এরকম বন্ডিং এর কিছু থাকে না, আমি যাই বলি তাতে অপর প্রান্তের ব্যক্তি কি মনে করল না মনে করল তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এখন তার আইডি যাই হোক, প্রোফাইল পিকচার যাই হোক, তাতে কিছু আসে যাচ্ছে না, কারণ সেরকম বন্ডিংটা নেই। ফেইসবুকে আমাদের অনেককেই এরকম অসংখ্য বন্ডিং ছাড়া ব্যক্তির সাথে ইন্টারেক্ট করতে হয়, এসব ক্ষেত্রে এনোনিমিটির প্রভাব খাটবে। গুরুতে অনেক ব্লগারের সমাবেশ ঘটার কারণে যদি নিজের রেপুটেশনের ব্যাপারটাও যুক্ত হয়, আর এটা আপনার জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে কিন্তু আপনাকে অনেকেই চিনছে, এরকম অবস্থায় আপনি এনোনিমাস হতে পারবেন না, এনোনিমিটি খাটবে না। এসব কারণে দেখা যায় ফেসবুক সেলিব্রিটিরাও যা খুশি তাই বলতে পারেন না, ডিজইনহিবিশনের ক্ষেত্রে এনোনিমিটির ব্যাপারটা তাদের মধ্যে কম থাকবে, কিন্তু আবার ধরুন এই ফেইসবুক সেলিব্রিটি, বা ব্লগার ফেইক আইডি চালান, এরকম ক্ষেত্রে তার সম্পূর্ণ নতুন একরকম সেলফ তৈরি হয়, কুলির লুকিং গ্লাস সেলফ থিওরি মতে, আমি তাই যা অন্যেরা আমাকে ভাবে বলে আমি মনে করি। তাই এরকম সেলফ তৈরির ক্ষেত্রে অন্যেরা আমাকে নতুন এক পরিচয়ে ভাবছে বলে আমার একরকম সেলফ তৈরি হয়। এরকম অবস্থাতেও যে ব্যক্তির এনোনিমিটি কাজ করবে, তা আমার মতে না, কিন্তু একটা ডিফরেন্ট সেলফ ঠিকই তৈরি হবে যা বাস্তব থেকে আলাদা। ফেইক আইডি তাই আসলে খুব একটা ফেইক নয়।

২। এমপ্যাথির সাথে প্রেজেন্স, ফেস টু ফেস ইন্টারেকশনের সরাসরি সম্পর্ক আছে। মানুষের একরকম নিউরোন থাকে যাকে মিরর নিউরোন বলা হয়। এই মিরর নিউরোনগুলো উদ্দীপিত হয় কেবল ফেইস টু ফেইস কনভারশনেই। বলা হয় এই মিরর নিউরোনই মানুষের মাঝের এমপ্যাথির বেসিস তৈরি করে দেয়। যাই হোক, এসম্পর্কিত হেল্পফুল কিছু স্টাডির লিংক দিচ্ছি: (১,২... কে ওয়ান, টু বানিয়ে নেবেন)

https://www.mitpressjournals.org/doi/abs/10.1162/jocn.2007.19.8.১৩৫৪
https://www.nytimes.com/2006/01/10/science/cells-that-read-minds.হত্ম্

https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/স্১০৫৩৮গা৯০৩০০৫৮৫৮
https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC4891856/
https://www.liebertpub.com/doi/abs/10.1089/১০৯৪৯৩১০৪১২৯১২৯৫
https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/সগ৩৫৭৫৫ক্স১৬০০০০৬৩
https://link.springer.com/article/10.1007/s11299-014-0160-ক্স
https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/স্০০১০০২৭৭১৫৩০০৬৩৯

৩। হুম। রিয়াল লাইফে ইনহিবিশন, আর ভারচুয়াল লাইফে ডিজইনহিবিশন হচ্ছে। আশেপাশে সর্বক্ষণের লোকদের সাথে কথা বলতে না পারার যে স্ট্রেসটা তৈরি হয় সেটাও ধরুন ডিজইনহিবিশনে এফেক্ট ফেলে, একটা জায়গার দরকার হয় যেখানে সব কথা প্রকাশ করা যায়। এখানে অনেক লোক চিন্তা ভাবনা করে কথা বলে, এটা ভাল ব্যাপার। চিন্তা ভাবনা করে, আবেগ দিয়ে মনের সব কথা বলতে পারে বলেই তো ডিজইনহিবিশন। কিন্তু নেগেটিভ ব্যাপারগুলো আসে যখন মানুষকে একটা আইডিতে রিডিউস করে আচরণ করা হয়, এমপ্যাথির অভাব তৈরি হয়। এমপ্যাথি, সাবজেক্টিভিটি কমে যাচ্ছে বলে আমরা অনেকে খারাপ আচরণ করছি, এটা কিন্তু এটাই প্রমাণ করে যে আমরা সাবজেক্টিভিটির উপর অনেকটাই নির্ভরশীল, অবজেক্টিভলি কম চিন্তা করি। আপনি যদি চিন্তা ভাবনা করে সুচিন্তিত মতামত দেন তাহলে আপনার কিছুটা হলেও অবজেক্টিভিটি দরকার হবে। তবে এখানে আরেকটা ব্যাপার আলোচনা করা যেতে পারে, যা ফেইসবুকে আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে পেয়েছি। অনেকে এভাবে সুচিন্তিত মতামত দেয়, অনেক কিছু কেয়ার করে মন্তব্য করে, এখান থেকে মানুষের মধ্যে একরকম এক্সপেক্টেশনও তৈরি হয় যে সবাই এমন আচরণ করবে। এখন বাস্তবে কথা বলার সময় আপনি যা খুশি তাই বলতে পারেন, যা খুশি তাই রেফারেন্স দিতে পারেন, ভুল হল নাকি ঠিক হল এগুলো আপনি কেয়ার করছেন না। এগুলো সম্ভব হল ওই কম সময়ের জন্য, আড্ডা দেয়ার সময় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার জন্য। কিন্তু ভারচুয়াল জগতে কিন্তু স্ক্রিনশট, রেকর্ডিং সহ অনেক ব্যাপার থাকে। এখানে যদি আপনি আপনার লেখা নিয়ে কেয়ার করেন, অন্যেরা এগুলো পড়ে কি ভাববে তা চিন্তা করেন, যদি রেপুটেশনের কিছু ব্যাপার জড়িত থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি এনোনিমাস হতে পারবেন না, এক্ষেত্রে আপনাকে কথা বলতে হবে মেপে মেপে, আর আপনি ভুলভাল কিছু বললেই দেখবেন তার স্ক্রিনশট বেড়িয়ে গেছে, অনেকে আপনাকে নিয়ে ট্রোলও করছে। সুতরাং এসব সোশ্যাল নেটওয়ারকিং সাইটে যখন আপনি একটা ইন্টারনেট ট্রাইবের ভেতরে চলে যাবেন যেখানে আপনার একটা আলদা রেপুটেশন, আলাদা সেলফ তৈরি হয়েছে, সেখানে আপনি রিয়াল লাইফের মত কেয়ারলেস আড্ডা দিতে পারছেন না, আপনাকে এখানে চিন্তা ভাবনা করে, সময় নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। কিন্তু এখানেও এমপ্যাথি ডেফিসিট, এসিনক্রোনাস কানেকশনের ব্যাপার থাকবে, এখানে কিছু ভুল হলে তার মাশুলও অনেক বেশি হবে। অনেক বিরোধী তৈরি হবে, দলাদলি তৈরি হবে, সবাই সবাইকে বিভিন্ন জিনিস নিয়ে আক্রমণ করবে, কিছু ফলোয়ার তৈরি হবে, আরও অনেক বেশি হেটার তৈরি হবে, সবার মধ্যে ইনসিকিউরিটিও অনেক বেশি কাজ করবে, এই বুঝি আমাকে কোন ট্যাগ লাগিয়ে দেয়... সব মিলে ডিজইনহিবিশনের ভালই এফেক্ট দেখা যাবে। যারা সময় নিয়ে সুচিন্তিত মতামত দেন তারাও আসলে তাই এই এফেক্টের বাইরে থাকতে পারেনা।


Name:             

IP Address : 116.210.192.235 (*)          Date:02 Jun 2018 -- 10:47 AM

আপাতত এই লেখাটা এখানেই তুলে রাখি।

http://ebongalap.org/2200-2/


Name:  dc          

IP Address : 132.164.213.0 (*)          Date:02 Jun 2018 -- 11:41 AM

ভার্চুয়াল লাইফে ডিজইনহিবিশন কি একধরনের স্ট্রেসবাস্টারেরও কাজ করেনা? ধরুন আমি কোন একটা বিষয়ে গভীরভাবে ভাবিত, কিন্তু আমি যেভাবে ভাবি বা হওয়া উচিত মনে করি রিয়েল লাইফে সেরকম হয়না। তখন ফেবুতে বা ব্লগে আমার চিন্তাভাবনা নিয়ে অনেক কিছু লিখলাম, আমার মনও কিছুটা হাল্কা হলো, আর আমার দৃষ্টিভঙ্গী অন্যদের কাছে পৌঁছতে পেরে কিছুটা ডিস্ট্রেসডও হলাম।


Name:   Sumit Roy           

IP Address : 113.244.13.59 (*)          Date:02 Jun 2018 -- 12:40 PM

করে। অনেকেই এটাকে লিবারেটিং ভাবছে, বিশেষ করে যারা লোয়ার সেলফ এস্টিম এর মত সমস্যায় ভোগে তাদের ক্ষেত্রে এটা বেশি হয়। আর এটাই পরে আবার ইন্টারনেট এডিকশন তৈরি করে।


Name:  pi          

IP Address : 4512.139.122323.129 (*)          Date:08 Jun 2018 -- 06:13 PM

ফেবুর মত সোশ্যাল মিডিয়ায় পাব্লিক প্রোফাইল, ক্লোজড গ্রুপ, সিক্রেট গ্রুপ আর ধরা যাক গুরুর মত গ্রুপ যেখানে অনেক বেশ অজ্ঞাত পরিচয় রাখা যায়, একই ব্যক্তি পুরো আলাদা আচরণ করতে পারেন, এটা ইন্টারেস্টিং কেস স্টাডি করা যেতে পারে।
কিন্তু পাব্লিক প্রোফাইল আর রিয়েল লাইফে কি খুব তফাত হবে ?


Name:  প্র          

IP Address : 561212.96.673412.203 (*)          Date:09 Jun 2018 -- 05:31 PM

আমি যে কোন গোয়েন্দার ছা নিজেও জানিনা। কিন্তু রিয়েল আর ভার্চুয়ালের তফাৎ খপাৎ করে ধরে ফেলতে পারি অনেক ক্ষেত্রেই। হয়ত খুব বড় বড় বাতেলা মারছে, পুলিশ নিয়ে গিয়ে একা নাবালিকা উদ্ধার করেছি, হ্যাপ্পি হ্যাপ্পি, আমি কি হ্যাপ্পি, কিন্তু লেখা পড়ে আমি ওই ছত্রের ভেতরে ছত্র খুঁজে বার করতে পারি। নিজেই ছত্রপতি উপাধি দিই প্রবল আত্মসন্তোষে। এরম কেস আর আছে নাকি এখেনে কেউ। গুড়গুড় গুড়গুড় গুড়িয়ে হামা, ফাঁদ পেতেছেন গোষ্ঠমামা টাইপের ?


Name:   π           

IP Address : 4512.139.122323.129 (*)          Date:09 Jun 2018 -- 05:41 PM

এরকম ডিফারেন্সের কিছু উদাহরণ পাওয়া যাবে?


Name:   π           

IP Address : 4512.139.122323.129 (*)          Date:09 Jun 2018 -- 05:50 PM

এই যে। কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেরা গোয়েন্দাগিরি করে ম, নিজেরাই পুলিশ হয়ে, নিজেরাই বিচার করে নিদান দিয়ে ভাইরাল নেম শেম নিয়ে এত ভয় লাগে। রিয়েল লাইফে মব লিঞ্চিং নিয়ে তো বটেই। এখন সেটা সোশ্যাল মিডয়া দোসর পেয়েছে। রিয়েল কে ভার্চুয়াল রিইনফোর্স করছে। দুই জায়গায় এরকম করা লোক কি খুব আলাদা? প্রথম পোস্টের রেশ টেনেই, এটা নিয়ে কী বলবেন, বলুন।

https://www.pratidintime.com/two-guwahati-artists-mistaken-for-child-t
raffickers-lynched-to-death-in-karbi-anglong/


এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2]     এই পাতায় আছে8--38