বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19]     এই পাতায় আছে527--557


           বিষয় : মোদির উত্থান- অশনি সংকেত
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :বিপ
          IP Address : 78.33.140.55 (*)          Date:17 Jul 2013 -- 05:11 PM




Name:  sei          

IP Address : 456712.100.235612.63 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 02:39 PM

চালিয়ে যাও বৃ বী।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9002312.245 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 02:43 PM

এসেছে খিস্তি এসেছে।যা, ভাই কোনায় গিয়ে নর্দমা খুঁজে নে।


Name:  sei          

IP Address : 456712.100.6723.66 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 02:51 PM

ওটা তোমার কাজ। তুমি করো।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9002312.245 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 02:56 PM

চল ,আগে বাড়।


Name:  sei          

IP Address : 456712.100.235612.63 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 02:59 PM

নোংরামি দী-ঈ-ঈ-র্ঘজীবী হোক।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9002312.245 (*)          Date:30 Nov 2018 -- 03:08 PM

যা বাবা, নর্দমায় থাকে, আবার নোংরামির কথা বলে!
গোবরে পদ্ম ফুল।ধুলোয় ঢাকা মানিক!বহুব্রীহি সমাস!


Name:  দ           

IP Address : 670112.220.343412.173 (*)          Date:01 Dec 2018 -- 09:26 AM

বেশ লেখা

https://www.anandabazar.com/editorial/communist-movement-and-ram-rath-
yatra-of-bjp-1.906724?ref=editorial-new-stry



Name:  Subir          

IP Address : 780112.77.5678.114 (*)          Date:01 Dec 2018 -- 11:54 AM

জ্যোতিবাবু রামরথ আটকাননি, আডবাণীর রামরথ পুরুলিয়া পার হয়ে নির্বিঘ্নে বিহারে চলে গিয়েছিল। তখনও ১৯৯২-এর ৬ ডিসেম্বরের ঘটনা ঘটেনি, কিন্তু দেশ জুড়ে উগ্র হিন্দুেত্বর প্রচার শুরু হয়েছে। আডবাণীর রথ আটকানো হল বিহারে। রথ আটকে নায়ক হয়ে গেলেন লালুপ্রসাদ যাদব।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির সাফল্য কম, ৪২ আসনের রাজ্য থেকে বিজেপি কখনও দু’জনের বেশি প্রতিনিধি লোকসভায় পাঠাতে পারেনি। কিন্তু এই মুহূর্তে বিজেপি এ রাজ্যে ক্রমবর্ধমান। পশ্চিমবঙ্গে এই দলের এত বাড়বাড়ন্ত হল কী করে? জ্যোতিবাবু যাদের বলতেন ‘অসভ্য বর্বরদের দল’, সেই দলে বামপন্থীরা ভিড়ছেন কী করে? শুধু ভোটার নয়, নিচুতলার কর্মীরা তলায় তলায় এবং উপর তলার কিছু প্রাক্তন বাম বিধায়ক-সাংসদও পদ্মশিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এই ‘দলবদল’কে শুধু ভোটের ভিত্তিতে ভাবলে হবে না। প্রশ্নটা আরও বড়, বামপন্থী মানুষের সমর্থন উগ্র দক্ষিণপন্থী হিন্দুত্ববাদী দল পাচ্ছে কী করে? তবে কি ‘বামপন্থা’র মধ্যেই গলদ ছিল? সেই বামপন্থা যথেষ্ট অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনস্ক ভাবনার বিকাশ ঘটাতে পারেনি?
৩৪ বছর ক্ষমতায় থেকে সিপিআই(এম) কি তবে শুধু এক নির্বাচন থেকে আর এক নির্বাচনের দিকেই যাত্রা করেছে? উন্নত থেকে উন্নততর সরকারের কথা বলে ভোট আদায় করেছে? মানুষের মধ্যে বস্তুবাদী চেতনা জাগানোর চেষ্টা করেনি?
চেষ্টার প্রমাণ অবশ্য কাগজে-কলমে রয়েছে। ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’র মতো দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প যখন ছড়িয়ে পড়ছে, ১৯৯২-র ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে, তখন সাম্প্রদায়িকতা মোকাবিলায় বিজ্ঞানপ্রচারে গুরুত্ব দিতে চেয়েছে সিপিএম। (আনন্দবাজার পত্রিকা, ২ জানুয়ারি ১৯৯৩) খবরে প্রকাশ: রাজ্য সিপিএম নেতৃত্ব মনে করেন ‘‘সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা, বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিজয়কে স্থায়ী করতে হলে প্রয়োজন জনগণের মধ্যে জীবন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি গড়ে তোলা।’’ কিন্তু রাজ্যে ক্ষমতায় আসার ১৫-১৬ বছর পরে এই বোধোদয় কেন? তা হলে কি কমরেডের নবযুগ আনা মানে ছিল সরকারের বদল? চিন্তা-চেতনার বদল নয়?
সিপিএম বিজ্ঞান সংগঠন গড়ার দিকে নজর দেয়নি বললে সত্যের অপলাপ হবে। ১৯৮৬-র ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। সংস্থার প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, ‘‘সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করা, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও যুক্তিবাদী মননশীলতাকে গড়ে তোলা, ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী প্রচার চালানো, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে জনজীবনের মৌলিক সমস্যা সমাধানের কাজে প্রয়োগ করা— পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের জন্মলগ্নে সংগঠকদের কাছে এগুলো ছিল প্রধান বিচার্য বিষয়।’’
কিন্তু সত্যিই কি তাই? সত্যসন্ধানে চোখ বোলানো যাক ইতিহাসে। ‘‘কেবলমাত্র পার্টি সভ্যদের জন্য’’ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি ১৯৮৬-র ২০ জুলাই একটি ‘পার্টি চিঠি’ প্রকাশ করে, যার শিরোনাম ছিল ‘বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের গুরুত্ব সম্পর্কে প্রাথমিক আলোচনা’। সেই আলোচনার গোড়াতেই পেশ করা হল ১১ জুলাই ১৯৮৬ তারিখের ‘রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর নোট’। যাতে খোলাখুলি বলা হল ‘‘(আমরা) পশ্চিমবাংলায় বিজ্ঞান আন্দোলন গড়ে তুলতে ইতিপূর্বে বিশেষ কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারিনি। এই আন্দোলনে বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক মনোভাবাপন্নদেরই প্রাধান্য থেকে গেছে। এ কারণেই এই আন্দোলনে আমাদের অনতিবিলম্বে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন বলে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী মনে করছে।’’ অর্থাৎ রাজ্যে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা বিজ্ঞান আন্দোলনে পার্টির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই ছিল লক্ষ্য। বলা হল, সারা রাজ্যব্যাপী বিজ্ঞান আন্দোলনকে ‘অভিন্ন স্রোতধারায়’ রূপান্তরের কথা। আর এই লক্ষ্যেই ১৭ অগস্ট সিটু হলে অনুষ্ঠিত হল রাজ্যের বিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পার্টি সদস্যদের সভা। স্পষ্ট করে এও বলা হল, পার্টির এই কাজে প্রধান সহায় সরকার। পার্টির চিঠিতে লেখা হল, ‘‘পশ্চিমবাংলার বামফ্রন্ট সরকার এই আন্দোলনের সহায়ক হিসাবে ভূমিকা পালনে সক্ষম। বামফ্রন্ট সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করতে, জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের ব্যবহারকে কিছুটা বাস্তবায়িত করতে এবং সর্বোপরি জনগণের মধ্যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সক্ষম।’’

এখন, পার্টির নেতৃত্বে (পড়ুন কর্তৃত্বে) সরকারের মুখাপেক্ষী বিজ্ঞান আন্দোলনে বৈজ্ঞানিক চেতনার বিকাশ কতটা হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। তাই বামপন্থী শাসনে কোনও ভাবেই ধর্মান্ধতা আর জাতপাত কমল না। বাড়ল নানান ধরনের ধর্মব্যবসা। কেউ যদি বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরলোকে বিশ্বাস না রেখে বাবা-মার মৃত্যুর পর শ্রাদ্ধ না করতেন, তবে তাঁর জন্য বরাদ্দ নির্যাতনের খবর কাগজে মিলল, মিলল ডাইনি সন্দেহে হত্যা বা ভিন্ন ধর্মে ও জাতে বিয়ে করার অপরাধে শাস্তি দেওয়ার খবরও। নবযুগ তো এলই না, বরং আরও প্রতিক্রিয়াশীল মানসিকতারই সাক্ষী হলেন রাজ্যের মানুষ। বামপন্থী বিজ্ঞানকর্মীদের লড়াই করার কথা ছিল, কিন্তু দেখা গেল আদতে পার্টি ক্যাডাররাই হয়েছেন বিজ্ঞানকর্মী। তাদের কেউ কেউ দেওয়ালে লিখলেন ‘মার্ক্সবাদ সর্বশক্তিমান কারণ ইহা বিজ্ঞান’ আবার কেউ কেউ কব্জিতে লাল সুতো আর আঙুলে রত্নের আংটি পরে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনের গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তৃতা দিতে লাগলেন।

তন্নিষ্ঠ বিজ্ঞানকর্মী কেউ কেউ যে ছিলেন না তা নয়, শিক্ষক-গবেষকরাও ছিলেন। তবে কালক্রমে পার্টির নিয়ন্ত্রণে তাঁরা প্রান্তিকই হয়ে গেলেন। মৌলালি যুব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত (১৯৮৬-র ২৯ নভেম্বর) যে বিজ্ঞান কনভেনশনের মধ্য দিয়ে পার্টির বিজ্ঞান সংগঠনের জন্ম তার আহ্বায়ক ‘পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান আন্দোলন প্রস্তুতি কমিটি’র পক্ষে অনেক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদের পাশাপাশি ছিল ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী এবং ‘বিজ্ঞান আন্দোলনের সংগঠক’ পরিচয়ে নিরুপম সেন, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, মানব মুখোপাধ্যায় এবং সুজন চক্রবর্তীর নাম। এঁরা সকলেই পার্টির নেতা এবং ভোটে জেতা বিধায়ক ও কালক্রমে মন্ত্রী অথবা ভোটে হারা পার্টি প্রার্থী। সংস্থা পঞ্জিকরণ নথিতে (২৯ নভেম্বর ১৯৮৭) আবার দেখা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে এক জনের পেশাই ‘বিজ্ঞান আন্দোলন’, যিনি পরবর্তী কালে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রে পার্টির প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন। রাজনৈতিক নেতা বিজ্ঞান আন্দোলন করতে পারবেন না, তা নয়। কিন্তু এখানে তাঁদের ঘোষিত পরিচয় এবং পরবর্তী কালে তাঁদের কাজ খুঁটিয়ে দেখলেই আন্দোলনের ফাঁক ও ফাঁকিটা ধরা পড়ে।
এ পর্যন্ত পড়ে কেউ বলতেই পারেন বামপন্থী সরকার বিদায় নেওয়ার পর সরকারনির্ভর পার্টির বিজ্ঞান সংগঠনের দাপট কমাটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু সরকারে থাকার ২৫ বছরে তো মঞ্চের অনেক সম্মেলন হয়েছে। সেই সব সম্মেলনেই বা কতটা মতাদর্শগত লড়াইয়ের জমি তৈরি করা হয়েছিল? ১৯৮৯-তে বিজ্ঞান মঞ্চের প্রথম ও ১৯৯১ সালে দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনের প্রস্তাব-প্রতিবেদনে চোখ বোলালে দেখা যাবে ১৯৯২-পূর্ববর্তী সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়া বা তার প্রতিরোধের কোনও কথাই সেখানে নেই। দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে উপস্থাপিত জেলা কমিটিগুলির বিগত দু’বছরের কর্ম-প্রতিবেদন পড়তে গিয়ে চোখ আটকে যায় নদিয়ার পাতায়, যেখানে লেখা ‘‘এ বছরে রাজ্য কমিটি আমাদের জেলার সদস্য সংগ্রহের কোটা নির্দিষ্ট করেছিলেন ৫০০, আমরা তা অতিক্রম করেছি, সংগৃহীত সদস্য সংখ্যা ৬০৫’’; এই ‘কোটা বাঁধা’ বিজ্ঞান আন্দোলনের পক্ষে কি সম্ভব বস্তুবাদী মতাদর্শগত লড়াই চালানো?‌
এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে আজ আমরা দাঁড়িয়ে। এক দিকে বিজ্ঞান মঞ্চের ৩২ বছর পূর্তি হচ্ছে, অন্য দিকে বিজেপির রাজ্য জুড়ে রথযাত্রার পরিকল্পনা। এরই মধ্যে আবার ৬ ডিসেম্বর আসছে, সামনে ২০১৯-এর লোকসভা ভোট। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে আটকানোর জন্য ধর্মনিরপেক্ষ জোটগঠনের প্রস্তুতি দেশ জুড়ে। কিন্তু প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতার বোধ জাগাতে পারত যে বিজ্ঞানচেতনা, তার বিকাশ রুদ্ধ। বছরভর উৎসবের সবই ধর্মকেন্দ্রিক। বাংলাদেশের একুশে ফেব্রুয়ারি বা পয়লা বৈশাখের মতো সেকুলার উৎসব আমরা চালু করতেই পারলাম না।
বলা হচ্ছে রামরথ না আটকানোর জন্য জ্যোতিবাবুর দলকে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। কিন্তু না, ঠিক আডবাণীর রথ না আটকানোর জন্যে নয়, পশ্চিমবঙ্গের সমাজের মনোরথে সাম্প্রদায়িকতা-জাত-পাত আর অযুক্তি আটকানোর উপযোগী বিজ্ঞানচেতনার বিকাশ না ঘটাতে পারার জন্যই ইতিহাস ক্ষমা করবে না ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা ‘বামপন্থী’ দলকে।
[ সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় (কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের শিক্ষক), ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ আনন্দবাজার পত্রিকা ]


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.124512.59 (*)          Date:01 Dec 2018 -- 12:51 PM

https://www.independent.co.uk/news/health/religion-live-longer-muslim-
jewish-christian-hindu-buddhist-life-expectancy-age-a8396866.html



Name:  sm          

IP Address : 2345.110.124512.59 (*)          Date:01 Dec 2018 -- 12:54 PM

এই রিপোর্ট টা নেটে দেখালাম। এর বিপক্ষে মতামত স্বাগত!
এই রকম স্টাডি কি কোন সায়েন্টিফিক জার্নালে বেরিয়েছে?


Name:   সিকি           

IP Address : 127812.61.458912.199 (*)          Date:01 Dec 2018 -- 10:02 PM

এইটা থাক।

https://www.ndtv.com/india-news/barely-100-turned-up-for-ram-temple-ra
lly-in-delhi-rss-expected-lakhs-1956395?type=news&id=1956395&category=
india-news



Name:  PT          

IP Address : 015612.129.7867.175 (*)          Date:02 Dec 2018 -- 12:15 PM

বিজ্ঞানমঞ্চ ঠিক কি করে সাম্প্রদায়ীকতার বিরুদ্ধে কাজ করবে তা যদি চাটুজ্জে মশাই জানাতেন তাহলে আলোকিত হওয়া যেত। বাম সরকার যদি ধর্মব্যবসা জোর করে বন্ধ করার চেষ্টা করত তাহলে হয়ত এই চাটুজ্জে মশাই (ও অন্যান্যরা) গুলাগের সঙ্গে পবর সাদৃশ্য খুঁজে বিস্তর কান্নাকাটি করতেন।
শিক্ষামন্ত্রীর আঙুলের আংটিগুলোকি কি তাঁর কাছে দৃশ্যমান? নাকি অম্বিকেশী দাওয়াইয়ের ভয়ে বর্তমানের ধর্মব্যাব্সা নিয়ে তিনি মেরুদন্ডহীনতার চর্চা করবেন?


Name:  pi          

IP Address : 785612.51.6734.161 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 09:25 AM

এখনো মনে হয়, মোদির উত্থান জুজু ছিল?


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.344512.112 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 09:51 AM

http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=47410&boxid=50743
কি অবস্থা!এরা লড়বে বিজেপির বিরুদ্ধে!এর মধ্যেই শুরু হয়েছে বিষোদগার!



Name:  sm          

IP Address : 2345.110.344512.112 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 09:54 AM

দুটো রিপোর্ট চলে এসেছে।কেরালায় রাহুলের দাঁড়ানো নিয়ে বামেদের রিয়াকশন এর প্রেক্ষিতে হলো, আলোচ্য লিংকটি।


Name:  lcm          

IP Address : 900900.0.0189.158 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 10:48 AM

আচ্ছা রাহুল গান্ধী-কে "পাপ্পু" বলে কেন? ইস্‌কা পিছে বাজা কেয়া হ্যায়? পাপ্পু কা মতলব কেয়া হ্যায়?


Name:  de          

IP Address : 4512.139.9001212.172 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 11:10 AM

রাহুল গান্ধী ওয়াইনাড থেকে দাঁড়ালে সিপিয়েমের এতো গাত্রদাহের কি কারণ? এমন ছেলেমানুষি করছে কেন দুদিন ধরে?


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.344512.112 (*)          Date:02 Apr 2019 -- 11:16 AM

আমিও বুইতে পারছি না।এতো বড় বড় নেতারা পর্যন্ত্য নাম কলিং শুরু করেছে!


Name:  দ          

IP Address : 453412.159.896712.72 (*)          Date:03 Apr 2019 -- 04:09 PM

আর অশনি সঙ্গেত নয় রীতিমত বিপদ। যাকে বলে জল মাথার উপর উঠে গেছে।

ভাবতে লজ্জায় মাথা নুয়ে যায়।


http://www.epaper.eisamay.com/Epaperimages/342019/03042019-md-em-10/37
021.jpg




Name:  pi          

IP Address : 785612.51.6734.167 (*)          Date:04 Apr 2019 -- 07:29 AM

না না, ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই!!

https://eisamay.indiatimes.com/nation/rss-wants-tagore-urdu-words-off-
school-texts/articleshow/59741267.cms



Name:  !          

IP Address : 457812.254.233412.115 (*)          Date:04 Apr 2019 -- 11:46 AM

সেশ লাইনে বোলচে ঋতব্রত শিপিয়েম সাংসদ। কিন্তু ঘটনা, ২০১৭ থেকেই নাকি সে নিদ্দল। উইকি তেমনই দেকাচ্চে। শিপিএম তাইড়ে দেচে। পাইএর লিং-এর অন্য ছত্র গুলির সত্যতা এটির মতই নাকি, “RSS-এর এই প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা করেছে সিপিএম। সিপিএম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠিতে জানিয়েছেন।।।” ইত্যাদি প্রভৃতি। বিশ্বাস করব?


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9002312.16 (*)          Date:04 Apr 2019 -- 11:56 AM

এটা 2017 সালের খবরের লিংক।দু বছরের পুরোন খবর।তখন রিতো বাবু সি পি এম এর সাংসদ ছিলেন বটে।


Name:  !          

IP Address : 457812.254.233412.115 (*)          Date:04 Apr 2019 -- 12:01 PM

অ! আমি ভাবলুম ভোটের বাজারে টাটকা খবর!


Name:  sei          

IP Address : 456712.100.6723.66 (*)          Date:04 Apr 2019 -- 04:37 PM

টাটকা খবর হলো অপোগন্ড ভাইপোর NRI স্ত্রীকে শুল্ক দফতরে হাজিরা দিতে হবে বলে কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে।
https://zeenews.india.com/bengali/photos/abhishek-banerjees-wife-rujir
a-to-attend-customs-inquiry-states-high-court-256006



Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 12:45 AM

অশনি সংকেত আর নেই। দেশ এবং দশের সাড়ে সর্বনাশ হয়ে গেছে।


Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 01:41 AM

ওদের দিক থেকে তো যাকে বলে পাথরে পাঁচ কিল -


Name:  Amit           

IP Address : 9003412.218.2345.33 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 07:08 AM

পাকিস্তান যাতা শুরু করেছে । এই বাজারে একটা ফ-১৬ নামানোর গল্প বেঁচে ফেকু চালাচ্ছিল , তার মধ্যে শালারা আমেরিকাকে দিয়ে প্লেন গোনাচ্ছে।
তাহলে ৫৬ ইঞ্চির অমিত বিক্রমের আল্টিমেট ভিক্টিম যা জানা গেলো , একটা কাক আর কয়েকটা গাছ । ভক্তদের বেলুনে হাওয়া কি তাতে ভরবে ?


Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 07:25 AM

এমনিতেই সিক্ত চিপিটক হয়ে আছেন ভকতেরা। গদগদ ভাব। এদিকে প্রতিদিনই অভক্তেরা শুনি এক এক করে ভক্তদলে ঢুকছেন, কারণ কিনা "ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে", শোনা যাচ্ছে কল্কি এসে পড়েছেন। তিনিই সমগ্র পৃথিবী দান করবেন ব্রাহ্মণদের। আর যায় কোথা!


Name:  PT          

IP Address : 561212.187.4545.235 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 08:27 AM

অশনি সংকেত বহুদিন ধরেই ছিল। পব থেকে বামেদের উৎখাত করার সময়েও ছিল। তখন বিপ্লবীরা সদরে কামান দাগতে ব্যস্ত থাকায় সেই সংকেত দেখতে পায়নি---চায়ওনি। এখন ঝাড়ের বাঁশ শরীরের খুব কাছাকাছি বেদনাদায়ক অবস্থায় চলে আসায় ঘুম ভেঙেছে। সম্ভবতঃ বিজেপি ক্ষমতায় ফেরত আসতে চলেছে। তা যদি হয়, তাহলে মুলোদের ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে যে শুয়োর তাড়ানো যায়না সেই বোধ জাগরুক হবে আশা করি।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.124512.187 (*)          Date:06 Apr 2019 -- 10:07 AM

তাহলে কাদের দিয়ে বিজেপি তাড়ানো যাবে?
শরীরের কাছা কাছি অংশ বলতে কবি কি বুঝাচ্ছেন?
শুয়োর কে বা কাহারা?
আগে পোষ্কার হোক।তাপ্পর আলোচনা।


Name:   pi          

IP Address : 236712.158.1290012.147 (*)          Date:21 Jul 2019 -- 06:28 PM

https://www.nytimes.com/2019/07/18/world/asia/india-killed-caste-land-
dispute.html


এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19]     এই পাতায় আছে527--557