বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8]     এই পাতায় আছে203--233


           বিষয় : পায়ের তলায় সর্ষে : ন্যাশনাল পার্কস অফ অ্যামেরিকা
          বিভাগ : অন্যান্য
          বিষয়টি শুরু করেছেন : Shuchismita
          IP Address : 71.201.25.54          Date:05 Jun 2010 -- 07:31 AM




Name:  দ          

IP Address : 237812.68.565623.145 (*)          Date:17 Jul 2019 -- 03:37 PM

চমৎকার হচ্ছে পুপেখুকী।
আমি অ-বাবুর সাথে একমত, একদিনে গাদাগুচ্ছের জায়গা ঐ টিপিক্যাল বটুদের মত না র্খাই ভাল। সব জায়গাকেই তো একটু সময় দিতে হয় রে বাপু!


Name:  Tim          

IP Address : 890112.162.671223.123 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 02:58 AM

চমৎকার হচ্ছে। চলুক।


Name:  পুপে           

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:14 AM

বারোই জুলাই ভোর বেলা সান হোসে থেকে বাস চেপে গেলাম স্টকটন, মেঘে ঢাকা ছোট ছোট পাহাড়ের পাশ দিয়ে রাস্তা ছিল, ঘুমে কাদা আমরা চোখ পিটপিট করে হয়তো মোটে দু-তিনবার জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছি। স্টকটন থেকে ট্রেন নিয়ে যাবে তারপর মারসেড। ট্রেনে যেতে যেতে দুপাশে একটানা চাষের খেত- বর্ধমান লাইনে ট্রেনে করে যেতে এমনি দেখতে পেতাম। তবে এখানে ধান চাষ হচ্ছে না; কি একটা ফলের গাছের সারি, মনে হয় পীচ, আর মাঝে মাঝে গরু ছাগলের খামার। রেলগাড়িতেই এর ওর থেকে খবর পাওয়া গেল এবারে নাকি খুব বরফ হয়েছিল শীতে, এখনো সব জলপ্রপাতগুলো ঝমঝমিয়ে বইছে, নইলে অন্য বছর ইয়োসেমিতি ফলস এসময়ে প্রায় শুকিয়ে যায়। তবে নদীর রাস্তায় তৈরী হওয়া ঝর্নাগুলো যেমন মার্সেডের গতিপথে নেভাদা কিম্বা ব্রাইডালভেল ক্রিক থেকে তৈরী ব্রাইডালভেল ফলস সারা বছর থাকে। মার্সেড নদী থেকেই মারসেড কাউন্টির নাম এসছে, ইয়োমেসিতির পশ্চিম থেকে পুবে বইছে সে। এ নদী নাকি তৈরী হয়েছিল সিয়েরা নেভাদা পর্বতমালা মাটির তলা থেকে জেগে ওঠার সময়; তারপর দিন গেছে, হিমবাহ আচ্ছা করে পালিশ করেছে পর্বতমালার গা, তৈরী হয়েছে খাড়াই ঢাল, গভীর খাত; লাফাতে লাফাতে নেমেছে মার্সেড নদী, সবজে নীল রংতুলি দিয়ে গ্র্যানাইটের ক্যানভাসে আঁকতে আঁকতে।

মার্সেড ষ্টেশনে নেমেই দেখি পার্কে যাবার ইয়ার্টস বাস দাঁড়িয়ে। এদের সাথে অ্যামট্র্যাকের কিছু বন্দোবস্ত আছে, ট্রেন না আসা অবধি বাস অপেক্ষা করবে। দুপাশের পাল্টাতে থাকা ভূপ্রকৃতি - খেত খামার, ঢেউখেলানো হলদে ঘাসজমি, শুকনো ছোট গাছে ঢাকা টিলা, রেডউড জঙ্গল ইত্যাদি পেরিয়ে বাস এসে পড়লো মারিপোসা, তারপর ধরে ফেললো মার্সেড নদী। আমরা চলেছি স্টেট রুট ১৪০ দিয়ে, সোজা পার্কে ঢুকে যাবে এই রাস্তা। মারিপোসা থেকে একটা অন্য রাস্তা গেছে মারিপোসা গ্রোভের দিকে, ইয়োসেমিতির একেবারে দক্ষিণ দিকের শেষভাগ, যেখানে জায়ান্ট সেকোয়া গাছের রাজত্ব। তবে এবারে ওদিকে যাওয়া প্ল্যানে নেই, পরে কখনো সময় নিয়ে আসতে হবে আবার। বাসের কোনদিকে ভালো ভিউ পড়বে জানা নেই, দুজনে বসেছি দু দিকে, যখন যেদিকে দেখার মত কিছু আসছে, তখন সেদিকে যাচ্ছি, তবে এই ব্যবস্থা অসুবিধেজনক হওয়ায় পরের দিকে আর চালানো গেল না। তারওপর অ-বাবু বলে বসলেন - “ ওঃ এই রাস্তা, এ তো ভারতে কতই চালিয়েছি, কি যে বাজে বকলো অফিসের লোকটা, গাড়ি নিয়ে এলেই হত, ইচ্ছেমত দাঁড়ানো যেত জায়গা খুঁজে…।” কটমট একটা বিষদৃষ্টি হেনে নিজের সীটে বসে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে মাথা ঠাণ্ডা করতে লাগলুম।

পার্কে ঢোকার পর ঝর্নারা আর পাহাড়েরা রকম রকম আকার প্রকার নিয়ে এদিক সেদিক থেকে উঁকি মারছে, মনটা ভালো না হয়ে উপায় নেই। তবে সে কি ট্রাফিক, গাড়ির লম্বা লাইন, টুক টুক করে বাস-ও চলেছে তার পিছন পিছন। তবে এ তো আমার জানা ছিল, পার্কের ওয়েবসাইটেই লেখা ছিল সপ্তাহান্তে মারাত্বক জ্যামের কথা, তারা সেখানে বলেই রেখেছে যে গাড়ি রেখে দিয়ে ভ্যালির সাটল বাসে চেপে ঘুরতে, পয়সা লাগে না। যে লোক কোন খোঁজখবর পড়াশোনা না করে পরের ভরসায় চলে এসেছে, সে অবাক হয়ে একবার বললো - “নাঃ, গাড়ি না এনেই ভালো হয়েছে দেখছি… “


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:15 AM

আরে দ-দি, কিছু বাদ পড়ে গেলে মনটা কেমন খচখচ করতে থাকে যে অমুক জিনিসটা দেখা হল না :-(


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:56 AM

হাউসকিপিং ক্যাম্পের সামনে এ বাস থামবে না, হাফ ডোম ভিলেজে নামাবে, যার আগে নাম ছিল কারী ভিলেজ। এই যে লিখছি এখন - কদিন আগে ১৫ জুলাই নাম বদলে সে আবার হয়ে গেছে কারী ভিলেজ। নাম বদলের ঘটনাটা বেশ অদ্ভুত। কারী দম্পতি এ পার্ক খোলার গোড়ার দিকে এই টেন্ট ক্যাম্পটি চালু করেন, সে ১৮৯৯ সাল। ১৯৭০- এ নাম পাল্টে ‘ক্যাম্প কারী’ হয় ‘কারী ভিলেজ’। পরের দিকে ১৯৯৩ তে ডেলাওয়ার নর্থ নামে একটি কোম্পানি পার্কের এইসব হস্পিটালিটি সংক্রান্ত ব্যবসার দায়ভার নেয়, কিন্তু ২০১৫ তে কনট্র্যাক্ট বিডে হেরে গিয়ে দায়িত্ব যায় আরামার্কের কাছে। তখন ডেলাওয়ার ব্যাটা দাবি করে যে পার্কের বিভিন্ন ঐতিহাসিক হোটেল ইত্যাদির নামগুলির স্বত্ব নাকি তাদের, ওই নাম ব্যবহার করতে গেলে তাদের ৫০ মিলিয়ন ডলার দিতে হবে। সেই মামলা চলাকালীন তেরপল দিয়ে আসল নাম ঢেকে আওয়ানি হোটেল হয় “ম্যাজেস্টিক হোটেল”, “কারী ভিলেজ” হয় “হাফ ডোম ভিলেজ” ইত্যাদি। সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে কদিন আগে ১২ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়ে। আমরা ফিরেছি রবিবার, সোমবার নাকি আসল নামের ফলক গুলোর ওপর থেকে ঢাকা সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

সে যাই হোক, আমরা হাফ ডোম ভিলেজে নেমে হাফ মাইল মত হেঁটে হাউসকিপিং ক্যাম্পে চেক ইন করলাম। একটা তাঁবুতে চারটে লোকের শোবার বিছানা, আয়না, তাক, বাইরে টেবিল, খাবার জায়গা, খাবার রাখার জন্য বিয়ার লকার আর গ্রিল করার ব্যবস্থা। সারা পার্কে অনেক গুলো টয়লেট আর জলের কল করা আছে, আর আছে চান করার জায়গা আর লন্ড্রিরুম, এগুলো সবাইকার ব্যবহারের জন্য। ব্যবস্থা মন্দ নয়, আমি খুব একটা পিটপিটেও নই, দিব্যি পছন্দ হল। আর পরিষ্কারের বাতিক ওয়ালা কারোরও পছন্দ না হয়ে যাবে না। গাছে ঘেরা ছায়া ছায়া তাঁবু, সামনেই বেঁকে চলে গেছে মার্সেড, তার পাড়ে ছোট্ট একটুকরো নুড়ি পাথরের বীচ, নদীর ওপারে একদিকে দেখতে পাচ্ছি হাফ ডোম, আরেক দিকে ইয়সেমিতি ফলস - তকতকে চকচকে পরিপাটি থাকতে হলে তো বাড়িতে থাকলেই চলে!

https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipPfBfk_LCmTL7IReyRijozoMdj
OV_jOI6Xyxaxx?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipN4-sl5SnDApRcHCGv_4c7RBHm
IVI-WhxNeFF_c?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipN7imZZ_LyYtAUkvgmohLwjuOB
X-U7eNC6waSMX?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipNJ7wJwMXwRCo0PFow7VB2s2I9
uVzNiRDH2vAbv?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipNSHY1QzuDAHHhx9jODHr-g0qa
YRQ5WgolkexZ4?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipMYJZtPVJ2f9TljdPHtDyk7dBK
Uy9ues0auFRGz?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipO9aTqKKvpV6nAagQWDSwEBHGb
jRB6tGT6IOgXI?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipMVQZdH-DwSdPETmaqMHJLnHYB
mOHTShdaFKznR?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR


https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipNqRMPfusPWFDK4D0PJpa41NN2
998bo1BJ1pgW1?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR



Name:  পুপে           

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:56 AM

https://lh3.googleusercontent.com/CRLlSPh0Mmsw5F_iJBMgyTq4gPzdJ41WsS2z
NCs2QLW5xxIfSTfS5xy63-b0QsTgU-Vdnq-WIDlE0jtYkNh0sVMn71ikmYzyqSfU5jpFAs
bs31wnMPJN5n7URKqwOe4CAJ79t83MX4y5h58cLTnrvSP90oGc0Jj51n5FUJXxAFko2BAD
F8mKhPkHviLuUnKDnFq7alcNGfBYFFK9h48vOLQHAq46ukoP_FWMQUg7Boh8tYA3E4paD5
839-96uhe8D9JiovQwiqysK3eJ5rwcslDgbRHkPC-VnBqOJeXXhjSOYPuWAM-vfJlJWDCY
w2AAD9U7gRF9K1-c-Q4ZR4ZujzWMPmwSpA8rJMUf73CJF1skhZNRR3nX703QqteYl2pz5_
YRVXhfUdLk1lr_rMxAnwVMqDaZS_1jcAn0AgOUoD2T3Czu3Et8j8laAOcDxmlTgc3FkWfX
tmbqRihlJy-hbBLhuZVuB4-PpweAz2S0z0mtcnOGA7f5rpD2A4xE0ARBJZlsZd5-iBCW7W
k_UwL4m8kAYV3eSNlm7iZP0ey86GoGwtwfqy-WhR4XGuY66lnOqTUeFmmVx1Xf4Syg8l5n
CTlblNyIIX92-8Xone_BxMOci8RTcOwI1n5lxl7BBhyrhlWtMucJ0IEptrwS3DMTL_ZP6l
4hOm_CN9n8vKtgEkSL_uy_J0OybCucUlJAJ7ksxFpzoQBMPKwkcqMx3xSLXcdv=w1972-h
1478-no



Name:  পুপে           

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:57 AM

https://photos.app.goo.gl/mVtxNzTqQPcDt6Ug6


Name:  পুপে           

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 05:59 AM

ছবিগুলো এমবেড করতে পারছি না। :-(
সে যাক, ক্লিক করলে দেখতে পাওয়া যাবে।


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.9008912.210 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 06:06 AM

https://lh3.googleusercontent.com/ogTzHoRoBZCWiLDZcr2NAMfc7Gft8fOyvpO0
2BzYP4pIZ19h_gZnhScNIiSntxlHLRnoMLXX7FnKUWA2nUWLju_nSpbkUhMMn72L3mo0wV
hSVNCKCfU2tUMnhRea6RoDKyGDnKMbOA=w2400



Name:  hu          

IP Address : 236712.158.90078.70 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 07:49 AM

কিইইই ভালো!


Name:  dc          

IP Address : 124512.101.89900.123 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 09:07 AM

আমারও একবারে বেশী জায়গা না ঘুরে কয়েকটা জায়গা ভালো করে ঘুরতে ভাল্লাগে। সেজন্য চেষ্টা করি কয়েকটা ভালো জায়গা খুঁজে বার করতে যেগুলোতে নানান কিছু দেখার বা করার আছে। আর এই টুর প্ল্যানিং করতেও আমার খুব ভাল্লাগে। ইউটুব দেখে, ম্যাপ দেখে, সেসব জায়গার লোকাল ওয়েবসাইট দেখে, নানান কিছু করে টুর প্ল্যান বানানোটা বেশ মজার।


Name:  দ          

IP Address : 236712.158.9007812.51 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 10:10 AM

আরে ট্যুরের আদ্ধেক মজাই হল ট্যুরপ্ল্যানে। পাশাপাশি চার পাঁচটা উইন্ডোয় বিবিধ জিনিষ খুলে সে এক হুল্লাট জমজমাট ব্যপার।


Name:   ন্যাড়া           

IP Address : 237812.69.2323.205 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:44 AM

পুপেরা কি অ্যামট্র্যাকে গেলে? কত খরচা পড়ল?


Name:  lcm          

IP Address : 237812.69.3423.98 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:55 AM

ন্যাড়া,
পড়ে যা মনে হচ্ছে পুপেরা ট্রেনে কিছুটা গেছে।

স্যান হোসে - স্টকটন (বাস) ৭৫ মাইল
স্টকটন - মার্সেড (অ্যামট্র্যাক ট্রেন) ৭০ মাইল
মার্সেড - ইয়োসিমিটি সেন্টার (বাস) ৮০ মাইল

অ্যামট্র্যাকের বাস-ট্রেনের কম্বাইন্ড টিকিট কেটে থাকতে পারে।

অ্যামট্র্যাক ট্রেনেতো স্যাক্রামেন্টো-রেনো সিনিক রুট ভালো, বিশেষ করে শীতকালে, বরফে ঢাকা সিয়েরা নেভাডা মাউন্টেনের ওপর দিয়ে, ডনার লেক পেরিয়ে -




Name:   ন্যাড়া           

IP Address : 237812.69.2323.223 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 12:39 PM

আমি এখনও অ্যামট্র্যাকে চড়িনি। একবার চড়ব। গেল শীতে নিউ ইয়র্ক থেকে বস্টন যাব ভাবলাম, কিন্তু টিকিটের কী দাম রে ভাই! একজনের টিকিটে তিনদিনের কার রেন্টাল হয়ে যায়।


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.69.2323.223 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 08:40 PM

বেড়ানোর প্ল্যান করা তো পুরো নেশার মত। অন্য কোন কাজ করতে ইচ্ছে করে না।

@ন্যাড়া দা, lcm দা, আমরা বাস ট্রেনের কম্বাইন্ড টিকিট কেটেছিলাম। একই আইটিনেরারিতে সব কিছু। একজনের রাউন্ডট্রিপ 70 ডলার। ট্রেনজার্নি এমন কিছু সিনিক না। আমাদের ওদিকের বর্ধমান লাইনের মত, দিগন্ত বিস্তৃত চাষের জমি। আর দূরের ক্ষীণ পাহাড়ের লাইন।

পরে এইটা চাপার ইচ্ছে আছে - https://m.amtrak.com/h5/r/www.amtrak.com/coast-starlight-train


Name:  test          

IP Address : 237812.68.343412.71 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:00 PM


https://lh3.googleusercontent.com/VJmDCkK2pswd4J1Wd1A7S_LqR2ph3vGDrpEg
mlDSZPfaQ0q01pGVI1-mLnGI4hmTAXKLEUIJ1LL9V1aJh0YRxkK1jdpoKI3y9GzCIP2uca
O7kCtejJQhxUZ2BALdPjANJP7kUIvR4qSUZX7rcfOVL7nJIShqxPVm5A1tDfzPwS4Md78D
MJ0LZoipsQmXy9cAZB1SD9RyV0pVlR7QqGhK_exwZRbiGNI4rM2pFP1WU4Gj5EzLCtfA0g
Jr5hfSeQNRa7O4fanGN_ltU2FxBgKGT9keWyCJPDQtZBws-HY0w_iiGLW9VRrr0iEXfpp3
jvhpxRlVdGTA6znaQskbEpPRKW6ryoOcH-n9XmHUV_hkDDVmZMN8-_oGvT9lBuXUeZ-p45
SxoJeVkZeow30adOwGIqiesl7_heVx_0dpGLjfjTTKh0wapzP_OssUOIl67UPAn4sgRJ25
LM5YxPclqb21QmrU-NshQ5caVQWHFdk2PezCmqH0-w4vfDLyhFe_qya0j6twDCpcSr40FF
pOEQKukZliu6YWGxqRjnr2iU31NVkkp9qPmMmURKbKWFKYReIcUTPC1wMDgdxFVv0oQwjs
rbdBM0P8Aj5WInt14X3yHJR5QU2x5DG3i6yuB7D91UYQi83NzshJ9OCVJkVcjFJaocLhyM
bj5-UP0ZIPD9cy1MIeAPwhHQ1ubuqaUTIG1n-wfc9m5_ro6jByowGK5QvMKfyH=s250-k-
rw-no.jpg



Name:  test          

IP Address : 237812.68.344512.35 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:12 PM

https://photos.google.com/share/AF1QipNVjGDeLzBfFHhdwyWnKqU-xnENV3dN-B
d8e1wFGF2rwPt8dmQpChH95p7RBBhBPA/photo/AF1QipMVQZdH-DwSdPETmaqMHJLnHYB
mOHTShdaFKznR?key=Z0JPblphMVFjU2Rka012NlZsakhLU29JNVY0SzNR><img%
20src='https://lh3.googleusercontent.com/lW9Tr7x8aYiHoABAwxCDYOBxGIQxW
jT7_3nQT0bu4Vj4gwsALhEv89iK9qR4gCetmxDQIC3ag67E9Q6QLOGqnxDb-sKQl_B3WFP
LnEJ0U8MEJuDwJpb5IcOAFEzzDpCjXSaY7yXlRP_5ywp_xnK5KW5qbUIvtfBu0OXGUo95w
8Uxx0RnX5JP38-xlXYEkVhIRgrRs2XX9nV2ud5P1RKhtxENmU0wzy1lHCgULzY5Bm-Tb3w
0yZXKPDbBKJqKy7r4qHslyyuu3aB8mw5vM1jseEW3g18YMGTjFY0LCJY-bMCfQpAA6C9mn
6GNt1F5qbPqFcP4y40hQjpS8K8Gj7vAx6J8GcPeHZ4cPiH-mhOV_3gLW5g8HKJtZclehZc
tStSu_t2NDmDeRy7j0oXVXseBtO-XPUzZ4hoJKoc41wfQvJFH-EuljtGg6svw0c2TaDUIb
KY6Ld1t5WS0fSCBVuK_JaKvSUKiPzXHwjlH65_QCJAki3qCb6pZ8lBQeCofsHNvWwgHuWY
GWCh0o9VPoSw_sAviRMPZrM7V2_XUDnpUvsB_pGnmbN5ZbPfYLdU0-pg0_2FtXukO73234
luzGUh38teY7Z77JK8DiF2uP8hANpCh89lOKQbEmbU6ALVC8DmR8W6OsIzKXJPCeY1YuZG
zpHOpLrnDoa3Nk2SRvM2BZSdFto9DmcXIAK8DZKitvFIdSE2BZUheVr3qVIWM_0fqapvf=
w1051-h788-no'



Name:  test          

IP Address : 237812.68.344512.35 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:17 PM


https://lh3.googleusercontent.com/ogTzHoRoBZCWiLDZcr2NAMfc7Gft8fOyvpO0
2BzYP4pIZ19h_gZnhScNIiSntxlHLRnoMLXX7FnKUWA2nUWLju_nSpbkUhMMn72L3mo0wV
hSVNCKCfU2tUMnhRea6RoDKyGDnKMbOA=w2400?.jpg



Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.234512.238 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:19 PM

অবশেষে! ছবির লিঙ্কের শেষে ?.jpg যোগ করতে হত। এতক্ষণ ধরে স্প্যাম করার জন্য দুঃখিত :-(


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.234512.238 (*)          Date:18 Jul 2019 -- 11:26 PM


https://lh3.googleusercontent.com/WUKNXjBhnS8_ptDCwxZMQZTcg-Z_S-SYoYyZ
s9d3YCSYL5rYS-lprp2M7oVuH0Pz2ik9Yi52-D6897yAcfuAisb3r0xgm6lB1OTQgbhPaX
kPBXUvFaUcmeF5Z0HU420IDQrDkUf8btR44ofhI-bQzOKYTAAR3nUne5rfDVSCHvyhS7R1
NvXZjqCgeaxt6l8mQ4CSbL8j9svDNZ5x_7NKMsoHdppGZL8PTADibFZnOKuMOJs-w1Et0V
UAm4BlpKS9XzNIQiVMk1AjrYZ_djtpCUqLddHjJlP1U57NyrDiqHR6ylDA7D8Z42rebHUX
oIbpot6hl2JzM4uFkXWtkPPmOpZC3b5zK3gt0oAP5XOh-OhHvbo7eDWslMuaM7LWYPF3T9
-mXn19oYv25-dK6_0tBTJJ4QT8QR7tfkhTreY11HkOiY_Y8eTjQzkkDvFGcrNA3k0lWXek
jXO2jr_bUHF0XVNpFiS98HC5lis3GXJfQcyAFDD7xdo1wNIvebXD1qLGVJXm8ULQUoPx6r
k1e1DWMWFKJgRrKsbN7dqJG0m1ogUG6_yCyXIx63soiVmRNE1YNcfPkqkzQmyX4-pP-75A
4j2bzTH-FVkbfavmHsgqkZR3zd3SgG7Yoe_ign1kqy637sY9FN4X7VaCV2G8ca9UrBs-SW
oWH5PKI1tGHdzIotcwp_cIJpv5XdXxiWVakwVByFEXiZtqJq3ceaeG37LTDS-t=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/xvSww7LEe6vKnQHZXsuQAVB0PnOYu0mEYobZ
keLC-4svKDeSaBM7u1g2MQKL7xsskfZbpJEYm9EfONKblxoQ_GRE4AO_t5ZxNeAnBvX_hZ
j7a1kHZ6dWtxoyl76NXaAlUmy0wnrP9Lyihj8JUSBjwCVT-0DEO8OxWOATCr3xydEhbcxH
cvAWxUsVE3otyH0vFfPb_cR136VBAwpo7ZX9mARbyNlNwz9CPvY5kA2cSx12JnMfstOm2Q
0zJYAYU4K-jt2pqIZ0Og4EOwT5qwbMGpT9BmW-xGLUxgNCjl5OwaIKn6Im72_hU6fwg3e7
wfR_Wus-1OT6k0iaMHQ9ojri4VN6TdxBbvSjc8n0sM2gAe0Frtgr7ZgIiPUQnNQQp5hABj
QWWrE_4zSMOMzbvybiNX_WZJ0JRGvoqHw0Dzh7oUInOq8Y8U8pxvqYIk_2oqd9UPGpZahv
omwCv_p35bwZ1D4Q98Kew7FNlRVa2Vs0Fo7v8Rpl5kd4maJ3jCxu7UNN8-6EaBH_0fTU_a
jhjJztzlTgLEXxNLOp6-CfYXBAdElMsZCabs5vgrJ0KXD2HFW9gRDVhB2JnY4bp0cGcOEF
UrkIK060dPbQuRebu4LgOx9QuCqPdMTuVVD_qPP8nRhS51KjGhj5QkHJ2r5E7KKiqWhw11
tEeLF6GXIt0NjCbbLpUg2xiVNK0xe8EmYjadSu7yXmiT8t0TiSh-hzxVM6XJLQ=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/nqyJYgUmAFhJfSDebhn-f-yrtqHcxmSJ7G8s
SQcnObSlQZ15iGXctPvql4M20GHlxLgQkU9lX5kiRVw-CzcqxNjWOzYqdPVv5LidEU8XSS
N_BK2McUB8LhLDB8vJtDgJ2CL32fK6qkNwaIadnGo_jJ68iQrTN2OSXWU6kDZ7-eZ66hmO
EqNXYwWhi7ylxiOARvvxdYbbYMen6oTgPTkSj4H9sAjxqExPaORsTTDjG5yJ9ZtBqB9S9d
uOkATOdYKmPHLitDoFGGHwTQ2TxHMiiGl-FKUC8JsS-ikGbHHJiOL6a7rN5sTfAdlVSB-l
GvzKBaFoXyOXBwwNEweW-EmXhAFOLAukzK8u8ClSG0P2PDOym_Hg19yLTcMO8UeLewSfTW
foOzKvQ_vad_s1WEN17o3NHMRvZJ1Vz8j-dJPG0-uWLYj84lfNtjh63h8uko_v07vaBluF
6f-f0arbGJJzYxa2vNupkftfJk7ePrqjw6rMAsL0aD1M6JGirozLcGiDd3o4VrN1c_32MM
H-oPrBPHc6FVr_JcIpR455fLN9YeA8kRFoWSZ1cBTR_DkEiSYCSkyDic_RsaihbyYI1VoB
GaXTddnQlLH7gOUAL6B4ZTorfeHyMvY62IJ4Rjto7e4W1ceMF2VwBjS1eerOqw-7w6pXbY
OiBaq4I4J0P7uLh2t_rYddGtgNK__vFe_PRnUcLx1HWnWdr22RFoW_mebyYJU6=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/JpGwlLx7fWP0jxNKRaRnZWw8jBWrlcGhva7n
nBYJS75fMUiqfWDgJmoSKcqYQFqffIFsj1nIEMxZg8jxhcedsI8pbaGyCj1kO1LBh4VVrs
c65p6ORPgNNSebWgztQrK9mscMjt9ewyjXfKUOTcm3Zo-XwsUqEYvlMgtuskyZct2HyD3W
Fpxh82dMCAa9X1aE2P1MRrqUuR1qcI9obAVTgpDQ7a22Hf0-h_T1j6g7IYv164GGv6qOuJ
MgfyQRWxzqAgETrDeYN2fJuHjsc8fe4S0q7W3wzBDe-VsDh6DDY0PRHdXFXJMmMSMK_U7c
_WWbjZVsSYFm-GA8biB8ujlt4WT6E0OxXX4CrpuXtsqmNgzQWXKXm-kBbbJcycKkS2hTjH
ztUgzQEl6SOYsKUFGSr8wsuQiEDeMSYcYVwq3qbe9T-etfstQtjQUdAiWKVTjrUuBIM2xK
dbzkr0Ne_dw2e5dGFnrI3R4YEba-IAGmRNi3T_1ufRXe-hZXO_gbDJ-PxeW56ht5RWHtKI
3Tv2gopy_r-7VMEdEf3X5liJnrdBTk7oS8sK6wRYVi_u66qJk8UpR9qD53zikk_z2nlA_Y
DVc2Nqb0RS1J0T_jLz3wLGSTRpqh30GRSVCYho-lPlBMVcFtmx37vR04TJTspcjnuata9S
wopy--SKu1zFwc1-9dYc8vRIG2ueqnt0JRoXovWkbHyWX24W1SfP9GB0HFsJNs=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/mESxiPhy25tjRyjWQiiEwQrxoXKL_J2JCBfI
W2RLsiUfJTFnKvGralK8V3nNd3OMgIjVQbHMCGPZbu-nV2F7zrJMjCfzVf2CknMRgQjfyW
ixtnwB95LgpudOtQim5qpc2bescF-6YPkFM6lw0p13PGhq0swsfjJDHtUMmizUcSdwG-bc
S1LhJP2K8yd6g14mFBo0eYG5r0eK6kl-VciHFpULiVtrQL3ZBuUF4TFsoVznybtMryHWm8
QWluVct6ta_jUeaNDwY57XujFcJSsuoNKsIRq6EGNOhCTS40aNVfT1eBDIv7Eq3UK3sB-R
Xb4kiKz_3Tbh2un2pWfekVXzQNM2SPW1B7nb1mCc7yitHJpi-VwZ5wDimFkIW14tbnndqe
HVkwTzif4aU_FGIu5XLbw17fK8Jo3r00oCfWlShjWpqLY5lXNG3tTxgd28rd6ooIAxLBaa
PQ5QQAQZkqGHQumAS1c8A7kYZAWsfNquv4usGYZAmkPGpEUzwrmPZo_Xh8cyiFTQ9EDiP-
_jdKFDwKKcXAly-QdoIvK6B995ffzTpB9n-8Jv5f8UjZrm1iPurFI3XKXtqyDmyV93paJz
F3sifs9fm1cN9xwHxZ2Zt1Uu5WpSqQVByxHk9GlKHz6gFlgt3ftp1q3AblfeKA3GUf2Gun
PJ0jUeTKpXkJetywIhuzarEare-jX7HNHNrOLhYuq4IhbkcOIvX9z4HJRGRrsf=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/hyHNUwcm2DfYfuDeyKvMhUlDvbnnoZMZVtqb
HExlXTz19OH7qxWz7ioBrT4ITdXwY2gvCGVOmp9gVG6pYvOrtLMvWW2--wYw9CPkCsmOBv
ZU649sb-fy7Q6qDkoHsaoElAS6TCDM85ikMlO1-oKRwQNQVtjl8NzSXuNsd-P1nQjO1YZ2
SqAORUMAMZyP5l0W0ysIw8pxJMWJ2QfqGvWx4pVpbjCRn_IVttKAulmxiaLynbrsIpg1FM
vVW9YKkdWQ0C9wwTLRDTlevH_JRKubtFTZwOx6nw3AIo-12hF8Sr5ETLx3w9Ls4GUgt_N_
g7HSprBzI1p2nmRpBRH68cWp-Dbu54O8cRK0ws1-2mrc8bCYlCpwLg1tFUVFhik3zKDLFF
kooXVoJ_uwVMinjHJ8rKltTPEX3ihjFrIrcsE6hT8pDAw4bN_XHaNCJfi4McGmnI8cGRXk
8i1ROWi0zpiO4guNyLMrbclqzG6XuKb3OZ4cuZQECpqB010hyhBi1-hSyC1fj0tw5c9Lt2
YXDbMITuzoq4XQwsSqUPCMpDdHURKvvna6QS-_Xo_KJR7Egn9DKfd9if9o0amNdjvExVKE
v7BBUI2CVKCuZFDNUyIRxfu0nM1NPT0Tz2AfNdrJp4wB8fMy8rZix6FSnR3CvfzIEGcMuN
3jVqesdFzuXVIID4UsVaCk7DXds_JKbSgqMWN_2lKzDhtRdf2ouVZrHbEfMsJx=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/dDLqR85zN67tc4oaM_JZeUZtTXBHMTTk2C7f
580P4WSTK26894Go974frF0VsOfRarp4qKJlBkjQmD4QuMneh3ZKqc5jGSUMDwS4v2J_an
FpI2wuycJYHzqHkhSv9ZCgQXWou5QAOiPfGyHpZ8IVaT-Gq8K4VkH7bmbznATTYMIV-fD-
PrktY44sAxQwlILbBrS_7haN61M0b3naa-LHH5xtD_5N0xUDkPdjzMyKeRhno87c7XcE0i
ZsZ1aM8DpiBqMNkaXJKWQdqgqcXhy8Tx875e9YOkkmy-ei4bFLtdw0IO-akrznbK5Q64u-
Ne61h21q4jihOPvNODYilUF8sE5Nmve6FIm4hqYvWWEIxp7ZNDWwkfGjjfDFZF6sSMvoWV
4URQKi-y9-P-ql5FCvLkfBgDJKKr7xUu8gVdsBruxdsiAhqQckWUzYapqmNlLXtFGJwD26
DalwBeqUFjna2UWITKrXxDt5AQC5upPwxH9IHaEddXduuCSdMkRk3VKO7n9bYo8a16yegB
S0YBhfovc278qzKf0wK8N9avoWOGDcS21qWW1geaNj0wPCcEWFIUOgPq_IlV3wWAGK94XV
bP95LHhe_CnHvn-ku6fh2pPX582pVOtaVcpwdtv1tAOLpjvF3v9HhmsqEpJjbyoplYnAPF
vi5IkBZFiGT71eicD9LJ1sSROo130gbq_QA8awbjnK45kj1fbroplitGhrWhpP=w1972-h
1478-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/tXsCXACr2xbxe_246kaajegcJWl9fi9PuWOI
Muikn0WHHh0ZIIg_Uk7odNPqIpkWIizfUltIFjbjRBHjVt2NULnZpVX7HpY9N_OuAxP8mD
_tv9l2kC7PnuLT0jPZlwJ8KDhD61soTWJ97gfCzoN4NHPlSoTUUb_FIHhB6FVM3I3XEOxu
QDzj54w1PLpKvUZmEVETjgoTokxl1qYiSXKWgnqWXspkyJclQo7NB0FPIi5yqGL1C3tBqt
OnG3qHNwu-3fp9X83PqUwwsszVIrAvGxDGCu0IPrRZ8H93chy_o4Ac9VtOGc2ruOensnsW
T_rHO6OO11CmaiiMYFBIIrHFEXeFprPUnCQnIvcActVbJV3R8wj3YRrcFCoA7hVgi46yIM
xk382KrU7AiqWy4HRgqCorBR92YvsjY7ij0d1_TArIedZT-v0ml2YOe1h4DS7uT1YbEZPP
4GYzSwxhDJ-8ko-X8CShSKha3hNb7RlOD2MSCQbu0RowblRb4NWRzZ20UJ-FGGnA6HNBjP
op4lLjQLKJ7J_ZGF3_mc2qTLzyUTuDfhz4Dd6vr8u0iu4idYbQaGKGo2SpE6aZVfzbQ7-J
UmOBXtu7snfYYpH_r8cpiDNPR8MmLIq7ygk8TcvSi2syaCAyXaQ--nFe6Z0pz83EQCPtFE
DJ_EirIZsiZq-OeHDqZgbFcwTCjzx2AfdNQV5BUcYcNWWKjMTn2gE-Fejh9qDp=w1972-h
1478-no?.jpg



Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.234512.22 (*)          Date:20 Jul 2019 -- 03:31 AM

এখানে খুব ভাল্লুকের উৎপাত, অবশ্যি উৎপাত বলাটা ভুল হল, আমরাই তাদের জায়গায় এসে উৎপাত করছি বটে। পইপই করে বারণ করা আছে সব জায়গায় যে বনের জীবজন্তুকে খাবার দেবেন না, খাবার সমস্ত ভারী লোহার এইসা বড় লকারে সবসময় ছিটিকিনি আটকে রাখবেন, যারা গাড়ি এনেছেন তারা গাড়িতে খাবার রাখবেন না ইত্যাদি। পার্কের ভিজিটর সেন্টারে টিভিতে ভিডিও চালিয়ে রেখেছে গাড়ির খোলা জানলা দিয়ে ভাল্লুক ঢুকে পাঁউরুটির প্যাকেট হাতিয়ে পালাচ্ছে। এই ভাল্লুকেরা আমেরিকার কালো ভাল্লুক, গ্রিজলি ভাল্লুক নয়। ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের পতাকায় যে বিশাল গ্রিজলি বিয়ারের ছবি আছে, তারা এখন নিশ্চিহ্ন। ইউরোপ থেকে লোকজন যখন আঠেরোর শতকে এই অঞ্চলে এসে থাকতে শুরু করে, তখন প্রায় ১০০০০ গ্রিজলি ছিল। বিশাল মাপের গ্রিজলিরা মানুষের চাষ আবাদে পশু পালনে ব্যাগড়া দেবে এই ভয়ে একে একে তাদের মেরে ফেলা শুরু হয়, এমনকি শুধুই মজা লুটতে ভাল্লুকের সাথে ষাঁড় লড়িয়ে দেয়ার চল হয়। তারপর একদিন খবর মেলে যে সিয়েরা নেভাদা থেকে সমতলে নেমে আসা এক নদীর তীরে সোনা পাওয়া গেছে। শুরু হয় গোল্ড রাশ- হইহই করে লোকে ক্যালিফোর্নিয়া পাড়ি জমায়, নদীপথে নৌকো-জাহাজ এসে ভেড়ে, আবার ওদিকে মাইলের পর মাইল দুর্গম বনজঙ্গল পেরিয়েও লোক আসতে থাকে। লোভে লোভে তারা পাহাড় ঢুঁড়ে ফেলতে পা বাড়ায়, শয়ে শয়ে গ্রিজলি মেরে ফেলে, ৪০০০ বছরের আদি বাসিন্দাদের তাড়িয়ে, নির্বিচারে খুন করে তাদের জায়গা দখল করে - ইয়োসেমিতির আওয়ানিচিদের (এদের নামেই আওয়ানি হোটেল) বাস্তুভিটে হারানোর এক বড় কারণ এই গোল্ড মাইনাররা। গোল্ডরাশের আর ৭৫ বছরের মধ্যেই সব ক্যালিফোর্নিয়ান গ্রিজলি উধাও, ১৯২০ সালে শেষের সবেধন নীলমণিটি গুলি খেয়ে মারা পড়ে।

গ্রিজলিরা চলে গেলেও কালো ভাল্লুক এখনো ইয়সেমিতিতে গোটা ৪০০-৫০০ আছে, এদের ঘ্রাণশক্তি নাকি কুকুরের চেয়েও তীক্ষ্ণ। তাই যে কোন গন্ধওয়ালা জিনিস যেমন টুথপেস্ট, লিপ-বাম ইত্যাদি এবং সবরকম খাবার আর উচ্ছিষ্ট বিয়ার লকারে ভরে রাখা নিয়ম। যাতে এরা মানুষের খাবারে অভ্যস্ত হয়ে গিয়ে নিজের স্বাভাবিক আচরণ না হারিয়ে ফেলে। রোজ রোজ আমাদের খাবার পেতে থাকলে ভাল্লুকেরা নাকি অনেকসময় হিংস্র হয়ে ওঠে, তখন আমাদেরই সুরক্ষার তাগিদে ওদের মেরে ফেলে রেঞ্জাররা! আমরা সমস্ত কড়াকড়ির জিনিস একটাই ব্যাগে রেখেছিলাম, সে ব্যাগ লকারে ভরে আর ব্যাকপ্যাকে অল্প কিছু খাবার আর জল নিয়ে আমাদের প্রথম গন্তব্য - লোয়ার ইয়োসেমিতি ফলস।

ভ্যালির উত্তর পূর্বে মাউন্ট হফম্যানের গোড়ায় কিছু লেক আছে। সেখান থেকে শীতকালের জমা বরফ গরমের সময় গলে ইয়সেমিতি ক্রিক দিয়ে বয়ে এসে ঈগল পীক আর ইয়োসেমিতি পয়েন্ট নামক বিরাট বিরাট গ্র্যানাইটের চাঁইয়ের মাঝখানে ফাঁক পেয়ে লাফিয়েছে ২৪২৫ ফুট নিচে। মাঝে কটা ধাপ, ধাপের ওপরে ১৪০০ ফুটের আপার ফলস, ধাপের নিচে ৩০০ ফুটের লোয়ার ফলস, মাঝের বাকিটা পাথরের খাঁজে ঢাকা। সব বরফ গলে গেলে ফক্কা, কোথাও কিচ্ছু নেই। আবার যেই না একদিন হাঁকডাক দিয়ে অন্ধকার মেঘ করবে, বৃষ্টি ধোয়া ভ্যালিতে তর্জন গর্জন করতে করতে "কই হে, সব গেলে কোথায়?" হেঁকে সবার চোখ টেনে নেবে নিজের দিকে। ভিউপয়েন্টের ব্রিজে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে অ-বাবুর শান্তি হল না, পাথর টপকে টপকে যাওয়া হল একেবারে ঝর্নার গোড়ায়। কুট্টি কুট্টি বাচ্চাগুলো অবধি টপাটপ পাথর বেয়ে উঠে পড়ছে, আর আমরা পারবো না!


https://lh3.googleusercontent.com/ggOqm3xjEufyIyFm9CGDQ_AX4bO4Woebkqut
K5M_pdPJD_L1VMRx7vwIgIIN9vIFnJdKiWJyd-hYwpWnnoG96bcUtIQI8mrPqvFVU_zFTq
ZhGjss7ykORRCiiyfxS1jr14y9znHrpS4HvI0FfvFX8N-6w_fDiDOQSzKZ72eSglFZpdBA
LqbMIcXFrgnXp214ufuUpWj7UB2lA-c-B6tBZkTbYw4gROOZxmf6HzEzT6KT20VOvF5Zno
z6eFm6z5QT_WTlwb-mBeNLYdqBZmQKaVs7S0SNYM218CyMbEb9MlqONALozT7BSGLAaCkd
o7ylkB4G3aBXsa9WEeWJ8f_YwfzRRCtXDNbFtjMX-BkcyydYcOmgZFnD5QCQapi_c0GyqB
EgxayM4yfkgek7RU4d9w-5HNzBE37lUy-Hs73y1xRFxV7fM8yyZM0DZS518oKmdkxyLmHL
HzLN4YuedL0006M_0wCr74k14VglbUtTNx5ouKp5ULcCW_xKbeCRObgLcwc_T1N3w9J7Ly
75gD_fwKlt-ahcekgSuh29rHzSkt1SdTsHBK_pZdvYcwrrBX4GCzvzX20kAYFLoFtigqND
jPktfkruMEcs2SKNcuIKZAZubg69_jAAVrC2gFuJhnJ_5G5bEDi7caMjI8wEP48ujoIdAF
pOf2I=w1182-h1576-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/Fiw4lszJAsZEEWepyq0C3BtfOT6G5iMtSSm-
ka-zXd62qB1aAxwdNzeWlfxPBvyiAGFiiVTSrXgeAiRxs-UnFzR8XNgRurn7sqzA5PNM61
0KyRu4kJjQ-p8T7fuqeUA27nE29Tot1V8mk9L29y107iQFX4NTZqTrd3PouEKhiXXooXr_
PooMcJvJVbVa7DVXO7dMAyv2aDukRsO3lU5U_Zd-vaV8pqMWSz__PrrjGwOlKYhKVjtQVI
Wb_VVBjZZJsXLo1xY8r3acqjVrVM71XOaJmJAMEbU5ryMIUYZzPwawh5K9fydIcy9XlBvR
W76TrcMQ3gKZNvEwO0vpNtimlbo3DLdJzgA-8-am6LzC-CcEj-gaCY3vIZpY8FNvzD38lr
o3TaLIy9qQdagTh3cFpkMpnDHq58JdABrKDjA2OJvpfgDUNnIOtGoRjgNkE2Cx-5BSmYL-
P3UuXHJb88nft9_mvbcXcMNjfbEe5JMgfQ6mBMgFxDBn3PC1lqCkcilEXYGbLfXUuUFugQ
k3G4pkteQOlVw70Re0UpNRCt4mWdITWQL35R5x-a3WlNBZB0563Ck-_4SMDFc1eCYY9h9q
_oTihuvFTpea-5_vW_bHxL4Rl3I6qVm2MBpJgOF1SQBNus2YV4oFj9XKZwoF30f4MRE6gG
F9Rto=w2102-h1576-no?.jpg



https://lh3.googleusercontent.com/DkLbHthE172U_IkYaPlxJ5vbIOGdTNP-evKU
vPpb4g6zr5Zx76AEdLq9dI3kYV7d7bv_InITsG5-Ojqzvxl_IMkoDZctESKGU5ChOTC2r8
yi_pWvjAyOL4yh-p87KhTKyS5prjU5XVV7l-jHCHxvbmm6JGKfJk4y1lk0vMT5kGTW8apm
CImTIaIlAupkjARBtY1UCS83K1lPoG5pSsp6Xv2S8hR2XNoPjdRs0FICOtz8PA20upWvdY
O_ykUIEctoM1h0MLkM5pQ2O0Zf5cd1FbKt2XFa0BcCjKS4x-xNPWPidRJ7E_S141RJx-P8
MsNuAoN_boGgR3Rrmf_JcT4BEmgVPDplngjR5N4Bmf1VQSCcMEdW8kG1tWjyxwN9caA0Gl
yWzplCv0M99IKKsUpMFRsIgxfWZDhSsbV4NGQjxQI5hgbQMV_AifJ77n0zgcnF6hEL3zHk
qrQOUEbYHVGR3YAekJZVLqK2_CE1ETrEIBPz2MQ3B23X5xjj5gmqzJ1GUmJyTig8NI9Y80
s-iUcaxtEPbeCtkhlwUveTTfQpX1OijrsYtYgALbeUM2I2zcNFb3XAgoTerjF0n3fggXji
spKjRzbt3Wu132kMtkhrbh9wKmXzcE5MjPbeYKDVfAKUhqsgvPprvqiQfHdeI3UODPwZ7Q
HY7_LM3iGKJ3V9dK1M-Y0MzWCPbgz0ZAOR--eAFwcVfjiUXaOBstsgcowxggQe=w1182-h
1576-no?.jpg


ঝাঁঝরি করে জল দেবার মত আমাদের ভিজিয়ে দিয়েছে ইয়সেমিতি ফলস, ছবি তুলে তুলে আর আশ মেটে না। ওই করতে গিয়ে বেশ দেরি হয়ে গেল। এল ক্যাপিটানের শাটল বিকেলে ৫ টা অবধি চলে, আর তখনই বাজে ৪-৩০ টে। তাই ওদিকে যাবার আশা কাটিয়ে পাড়ি দিলাম মিরর লেকের দিকে, এদিকের শাটল চলবে রাত ১০টা অবধি, কাজেই চাপ নেই। মিরর লেক ট্রেলহেড থেকে ১ মাইল গেলেই লেক। এটাও অস্থায়ী লেক, পুর্বদিকে আপার সিয়েরার বরফগলা ছোট নদী টেনায়া লেক হয়ে তেনায়া ক্রিক। তারপর উত্তরে নর্থ ডোম আর দক্ষিণে হাফ ডোমের মাঝের তেনায়া ক্যানিয়ন হয়ে চলতে চলতে একটা সোজা সাপটা সমতল জায়গা পেয়ে একটু রয়ে সয়ে বিরাম নিয়ে তৈরী করেছে মিরর লেক, তারপর আরও কিছুদূর গিয়ে মিশেছে মার্সেদ নদীতে। তিরটির করে কাঁপছে হ্রদের জল, জলে আশেপাশের শৃঙ্গ গুলোর প্রতিবিম্ব। জল কম, পলি পড়ে পড়ে সবুজ ঘাস, বুনো বুনো গন্ধের ফুল, কালো ঝুঁটি নীল লেজু পাখিরা, গুচ্ছ প্রজাপতি- প্রাণ ঠাণ্ডা করা একফালি স্বর্গ।


https://lh3.googleusercontent.com/cNYmLD0Mb-q0lNiqOa57Qk4FA5C-cwZ9H_M8
A9uW0lLQCKeBasvNO34_AZwPN-NNgekzGIo2YKknWxjtjel0b2QWGHXC8mdJ-MsPlHLcte
JdURFK-qaniYERy9CkajviQlacGKU6-2co4Q9jJPu2MPNekJErH1-bRmP88zDW9dtL-gGK
dkyRSRlZageO2uWbCXX-15Rtib0Q462n732YC6gMi7UbeQQFYgam5I215QcxVhGJRpIs5U
zCVGnI-J6INfkB006bqEGzOD9qVuKFpRaKbCFAhnPmOvGgl85Msp26Sa8-SnnyVOxyFaE9
p_zRcaEtYHIRf57ub5cy448GSVA4IH22JTD4gXO5gEqAXYt2WSxFXJ1MRzKTIR4gvE5Dfx
1ZEHDQ2q2Vt2Vev0mWtzLkkOfBatH1xPvmGflAHuVi_kbNtuaguRvGyG4oRMATDTwXrRFJ
HKqCfx8lPipiUL_6u2ybxjNtuCgHHYbg8939gNjs-xo2y5i3t6MKze8xDccS_qnE8o6iMx
jtPf3o-N7rqTrPRjmgukuWvZOv5n5ZwIfCYh5UfQj7p4mP7Z1j3irLEN6yhnMP1uMxr7lp
doaUmk5nhsv-GHG8SQjgTD-0xPHYr0QWy9hQRVcl_JOenEbnYrn9RymbOhYmWe_Eaz6_TV
TzCDDz58Utv0WLfnHVpgvyGS3PNhUphEytUHIANPxq8x3aiS5K-MEBlModhQe_=w1182-h
1576-no?.jpg


আমাদের সব ছবি মোবাইলের ক্যামেরায় তোলা, পাখির কোন ভালো ছবি ওঠেনি, ইন্টারনেট থেকে পাখির ছবিটা দিলাম। এই পাখি ইয়োসেমিতির সর্বত্র পেয়েছি। এর নাম নাকি স্টেলার জে।

https://en.wikipedia.org/wiki/Steller's_jay#/media/File:Steller's_Jay_
flagstaff_arizona.jpg



টলটলে স্বচ্ছ জল দেখে আর থাকা গেল না, হাতে জুতো ঝুলিয়ে নেমে পড়লাম ছপছপিয়ে, জলের তলার নুড়ি পাথরের দলাই মলাইতে সারাদিনের হাঁটাহাঁটিতে ঝিমিয়ে পড়া পেশীরা আবার চনমনে হয়ে উঠলো। পাহাড়ের গায়ে শেষ বিকেলের সোনালী রোদ পড়তে শুরু করেছে। একটু পরেই গলানো সোনার মত ঝিকিয়ে উঠে আস্তে আস্তে ম্লান গোলাপি হয়ে চাঁদের রুপোর ছোঁয়া পাবার সময় হয়ে যাবে। ভাবলাম এখানেই বসে থাকি সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত। এদিকে খিদেও পেয়েছে, ক্যাম্পে ফিরে একটু খেয়ে দেয়ে সাড়ে নটায় হাজিরা দিতে হবে ইয়সেমিতি লজের সামনে, মুনলাইট ট্যুর। শীতলপাটির মত ঠাণ্ডা হাওয়ায় সারাদিনের ক্লান্তিটুকু মুছে ফেলে দিয়ে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে হাঁটতে ফিরে এলাম।


https://lh3.googleusercontent.com/p4TopCD8bob9qxe44pMTBrJPWWVBREAkc2OF
5QeCUR5S2PsNjKA4TRBqlvVgvpeoCtwthoXGU-p03IOeTmZslIHO2o_Jd66IArVdIdf4Lq
ca02-Mj0vWmXJ42E0Id7Wy976QpH-ZZdcoCEqKxqMzCY-uAsNe6RTlfiSP7lgxAsjyrRXr
vkvrWlvlvPWUdbCM83QBNGWmJZNhC7MdcrO4h1jREJXZg1z7yVuYWGDRfJKcIWYZ7AHVfz
5omShYsLSe_8YiQsStLdMgeB_1_R3sWGrQNDYM60ZPXDATh1GwGtDj9yx1uVLLLkexBAab
r17CXLShG6w3PhYnEyE0A7d48o_eb0O33HIyGvOkjzJ5_OKm-ECWqeiAdI1wpNGNe4jgnu
cT3fnaupE1FO1jxEqh4tU5cSEnujU7q2EmqOqYUMPFvEFVMjKD5ox7uVt1-PfM0Z6L0DSH
crVpj4l-heOdLSKGGlEqRnHX-O0QUNeFthAjRhs-qf_II33GhlKeJ1qEJCUBAqdQ0rJOPQ
VgQCE1bIMlO8GARdCOltwBSvL5EfbFTqINbwu2ziwtWm1FwB_Xhtb0XWbbkcEFftYxngZz
hnWOg-I9qDcPWJg_XkICun_2yGrSjRGgZtU1F_MMZe-Q0CcKpwzLHcnT77USDBQvwAC9iI
k_RVuNZMfxty18HKxCY5D8FxACdYznr5_LD5yggYsCTZ0xrrp6zg_JYtMyUVIN=w1182-h
1576-no?.jpg


ফেরার পথে আর ক্যাম্পের বীচ থেকে তোলা কিছু ছবি।


https://lh3.googleusercontent.com/7YbxJihD6q5phdcKF73nTc5E7rVWbudT5Qq8
pXa-NtdRisZbVdxvjEOiqoBJloc48Xxl1tNrgDExD6N77EWsCEQdlb1UDSG6aKOP61_R4g
6U3VKcUCF_crU7tmFMcktqP2Zb7YO223PgD_74nhofWitoImi3FsoUT2qsDQNcvraLwCs8
rpbl97XK6K16LpKdvuWNnGiY8g33HXS90dIpY6fV9hLHC2aH4b7Jq0PZH9WAesasM7ZWOe
CzQQ2_S0-4EEuBeSP0MFrCjy6Ga7jav3Wi7xw0dLBCjDlUA3PLQbJzhUycnFskoPZ6KCYc
Og_SR9e97K_NGzFHwnlPSAAQONOa894jsPGu2W9XFv0WMq4DEOCHFwBo3O1r1g7B3UhPWC
GWKWCsX9mUjviva7Hvxo79Tqe6SOQBGlhKvNntK44WZQDtoO_rEWxN-2qTjWMK462PF3zQ
j_5yHPFaa8sTnKxslVNbPamK9lopmt3Wqr_QiefDbiGn8IKM88MYz-vSj2SMw8ceZdOlRl
lruslb4nLRX1tBkRzyR-h3m5DPXbMHMozJfxx_kptVEA818cXvWnKLXkQOLCC3PW66JUCX
lYsp-qgxbhYzGjeIjZlM6Umcqe6gcOhQmtxN-rn4I-y7lL9KWkdQs24tRi-oGuqycwqXsJ
QyRG98SjsAPYvWWLLSa76Ig_pVvag0kj3tx4Pwd1iSdvpEWDZxesWIYfaH3LnB=w2102-h
1576-no?.jpg




https://lh3.googleusercontent.com/8YPeMoMD5qrURTpgiG4Mszdn2otILKyROs7d
LL_mpX_HFJs4glMVwAP7Z94voWwNfn53_txVibpCN0zfIo4oRnYgabEgLVCdT6RMDZwjlS
REaDA7uZYZWdRHyySlRlFgxAzCH7tGutLqLTUnLludrdcAxvf-YcxK3EknjzZw0-Qw-Ede
ojj1Bt4N9cWOzhhd4I9AuHRNzxk-x5ubnHR8W8f1c4AgabCXk9y5Pk1gsvllVOVL1JpnyC
sKn6d8ld9c0z8yCECxkEzfcq-D3K2s9On6itny2LskgHFq4hr_x6wXTz4qO0y3kWjH2WiB
PHR7-oIFOx5yI-ePwsALBG7wn9_N-fWadrVfkIrY0WO1hXjzUp9egsMGGzFGwlVeunNion
WNKugMd2dAaxbrcTqXOewSw1LV6XM_Ltpdw6NXshOFIB_GPsCTSB9_8_30NKkyDkCnUjqt
vSK_nExmSZIVmIoeyz3PgsM_Y7BdQ2RJjOpZfCeT3Nr69ZpI2RMT1tUkQlf8vvlD7PGipU
6SNvO4BFRrVM6noD7QKnTB54JrCNlpIdKIjUrWAEOAWlpLaMLhQUj5tdyIZVDSHupuIn0g
C41iso1OQjacAbmsSyP_EoeTh2PfR-UwtG221JAb_Bjch0TIr9kZD7mkSplGhbNtzOg2XL
eFOgYZGhQjp666E6fS8BNFIfVCgPfXSWgmveg50MngzcvhHdrbfXDBUiGfDQuy=w2102-h
1576-no?.jpg



Name:  hu          

IP Address : 237812.68.90056.23 (*)          Date:20 Jul 2019 -- 07:56 AM

লেখাটা খুব ভাল হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রিজলির কথা ওঠায় বড়ই নষ্টলজি বোধ করলাম।


Name:  pi          

IP Address : 236712.158.1290012.177 (*)          Date:20 Jul 2019 -- 09:16 PM

খাসা হচ্ছে!

দ্রির সেই গ্রিজলিকাব্য কেউ দিক এখানে!


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.69.0178.130 (*)          Date:24 Jul 2019 -- 12:40 PM

পাহাড়ে সূর্য ডুবে গেলেই কেমন ঝুপ করে অন্ধকার নেমে আসে। ভ্যালী শাটলে করে যখন ইয়োসেমিতি লজে পৌঁছলাম, ততক্ষণে ছায়া ছায়া তালঢ্যাঙা গাছেদের অবয়ব রুপোলী আকাশ আড়াল করে ভূতের মত দাঁড়িয়ে পড়েছে। তারও পিছনে গুরুগম্ভীর কঠিন পাথরের দেয়াল, উত্তরের দেয়াল চাঁদের আলোয় চিকচিকে, দক্ষিণে নিকষ কালো নিরেট, দুই দেয়ালের মাঝে ভ্যালিতে আটক আমরা। মুনলাইট ট্যুরের গাড়ি এসে পড়লো - ছাদখোলা, সারি সারি প্রায় ৪০-৪৫ জনের বসার জায়গা- এক সারিতে জনাপাঁচেক, সামনের দিকে একটা উঁচু সীটে গাইডের বসার ব্যবস্থা যাত্রীদের দিকে মুখ করে। একজনের ফোবিয়া আছে- পাছে কোথাও দেরি হয়ে যায় পৌঁছতে, যদি ট্রেন-বাস ছেড়ে চলে যায়, যদি মাইনে কাটা যায়, যদি মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে- এমন হাজারো “যদি”-রা সেই লোকের মাথায় মাছির মত ভনভন করে চলে সর্বদা। আর ভাগ্যের দোষে প্রায়শই সেই লোকের কাছেপিঠে থাকায়, কানের গোড়ায় বকে বকে সেই লোক প্রায় সদা সর্বদাই বাধ্য করায় যে কোন জায়গায় নির্ধারিত সময়ের বহু-উ-উ আগে চলে যেতে। তবে সেই কারণে লাইনের গোড়ার দিকে থাকায় আমরা মাঝেসাঝে (বা, বলা ভালো প্রায়ই) গাড়িতে ধারের দিকে ভালো সীটও পাই।

ট্যুর শুরু হল, চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে ভ্যালি। পূর্ণিমা আরও তিনদিন পরে, কিন্তু তিনপোয়া চাঁদের আলোরই এমন জোর যে দিব্যি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে সবকিছু- ওই দ্যাখো ইয়োসেমিতি ফলস - রাতে সে তার অন্য রূপ। আরেকটু এগিয়ে দেখতে পাচ্ছ এল ক্যাপিটান? “দ্য ক্যাপ্টেন”, স্প্যানিশ ভাষায় এল ক্যাপিটান। মনোলিথিক, মানে একটাই বিশাল গ্র্যানাইট পাথরের এই চাঙড় তোমার অপেক্ষায় থাকে ইয়োসেমিতি ঢোকার ঠিক মুখে, নতুনকে ডেকে ১০ কোটি বছরের প্রাচীনের সাথে আলাপ করিয়ে দেবার জন্য। ইয়োসেমিতিকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয় এল ক্যাপিটান আর হাফ ডোম, যার সাথে ছবিতে আগেই পরিচয় হয়েছে। প্রকৃতির খেয়ালে বিশেষ আকৃতিতে তৈরী এই দুই চূড়া এক সময়ে ছিল রক ক্লাইম্বারদের স্বপ্ন। ১৯৫৭ তে ওয়ারেন হার্ডিং তার দলবল নিয়ে হাফ ডোম বিজয়ে গিয়ে আবিষ্কার করেন রবিনস ঠিক তার দুদিন আগে পৌঁছে গেছেন হাফ ডোমের চূড়ায়; ওয়ারেনের হাতছাড়া প্রথমের গৌরব! বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়ে, হতাশা ঝেড়ে ফেলে পরিকল্পনা শুরু করে দেন এল ক্যাপিটান চড়ার। গোড়া থেকে সোজা ৩০০০ ফুট উঁচু এল ক্যাপিটানের মাঝ বরাবর বেরিয়ে আছে একটা নাকের মত অংশ - “The nose”, ওই পথেই ক্লাইম্বিং শুরু করেন হার্ডিং। ১৯৫৭ তে শুরু হয় এই প্রোজেক্ট, খাড়াই পাথরে দড়ি লাগাতে লাগাতে ওঠা, যতদূর চড়া যায় চড়া হল, তারপর হয় দলের কারোর পা ভাঙ্গে বা দলের একজন কেউ আর যেতে চায় না বা ট্যুরিস্ট সিজন শুরু হয়, নেমে আসতে হয় সেবারের মত, আবার পরের সুযোগে আগের চেকপয়েন্ট ছাড়িয়ে আরও খানিকদূর এগিয়ে যাওয়া। এই করে দেড় বছর ধরে চার বারের চেষ্টায় ১৯৫৮ এর নভেম্বর মাসে এল ক্যাপিটান মাথা নোয়ায় হার্ডিং-এর কাছে। চার বার মিলিয়ে মোট ৪৭ দিন পাথরের গায়ে কাটিয়েছেন তাঁরা, শেষ বার একটানা ১২ দিন।

হার্ডিং-এর টীম এইড ক্লাইম্বিং করেছিলেন, মানে দড়ি দড়া নাট বলটু নিয়ে পাহাড়ের গায়ে পেরেক পুঁতে পথ বানাতে বানাতে চলা। পরের দিকে যখন পাহাড়-চড়িয়েরা দেখল যে এভাবে প্রায় যে কোন পাহাড়েই উঠে পড়া সম্ভব, তখন তারা আরও ঝুঁকি নিয়ে শুরু করল ফ্রি ক্লাইম্বিং। মানে দড়ি ইত্যাদি থাকতেও পারে, তবে কেবল পা পিছলে পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে, ওপরে ওঠার জন্য শুধুই হাত- পা লাগাও! সবথেকে সাংঘাতিক হল ফ্রি সোলো ক্লাইম্বিং - একা একা শক্তপোক্ত পেশীর সহায়তায় বুদ্ধি আর ধৈর্য সম্বল করে পাহাড়ে ওঠা, পড়ে গেলেই…। হার্ডিং-এর পর আরও অনেককে হাতছানি দিয়েছে ইয়োসেমিতির কিনারায় অপেক্ষারত ক্যাপ্টেন। এ বলে আমায় দ্যাখ তো ও বলে আমায় - কত কম সময়ে, কত কম যন্ত্রপাতির সাহায্য নিয়ে ক্যাপ্টেনের নাক বেয়ে উঠে পড়তে পারে লোকজন, তার প্রতিযোগিতা! ২০১৭ সালে অ্যালেক্স হনল্ড শুধুমাত্র হাতের ঘাম শুকনোর জন্য চকের গুঁড়োভর্তি ব্যাগ নিয়ে চার ঘন্টার-ও কম সময়ে উঠে পড়েন ক্যাপের মাথায়! এই গোটা ব্যাপারটা খুব সাবধানে রেকর্ড করা হয়, যাতে অ্যালেক্সের মনঃসংযোগে একটুও ব্যাঘাত না ঘটে, বানানো হয় ডকুমেন্টারি সিনেমা - “ফ্রি সোলো”। ধন্যি ছেলের অধ্যবসায়! তার পড়ের বছরই আবার টমি ক্যাল্ডয়েলকে পার্টনার জুটিয়ে দ্রুততম আরোহণের (২ ঘণ্টার) কম রেকর্ডও ঝুলিতে পুরেছে এই দস্যি ছেলে, বয়স যার এখনো ৩৪ পুরে ৩৫- এ পড়েনি! এল ক্যাপিটানের গল্প শোনাবো আর শীলা স্নীটারের কথা বলবো না, তাও কি হয়? ১০ বছরের এই পুঁটে মেয়েটা এ বছর জুন মাসে বাবার সাথে এল ক্যাপিটান উঠেছে!

গাইড রেঞ্জার একের পড় এক এমন লোম খাড়া করা গল্প বলে চলেছে, আলো আঁধারিতে অশরীরীর মত স্থাণু এল ক্যাপিটান, তার গায়ে আনাচে কানাচে আলোর ফুটকি, ওগুলি নাকি ক্লাইম্বার দের টর্চের আলো, দিনের বেলায় পাথর তেতে আগুন হয় বলে রাতে ঠাণ্ডায় ঠাণ্ডায় যতদূর পারে এগিয়ে নিচ্ছে তারা। চোখের পাতা ফেলতে বুঝি আমি ভুলে গেছি, পাশের জন কাঁধে টোকা দিয়ে ডেকে বললো - "ওদের নিশ্চয় দারুণ চেহারা হয় বল? এইসা হাত পায়ের গুলি? আমার মত সরু সরু হাত পা আর ভুঁড়িওয়ালা নয়। ধুর।"


Name:  Titir          

IP Address : 237812.69.01900.57 (*)          Date:26 Jul 2019 -- 12:15 AM

মুগ্ধ হয়ে গেলাম পড়তে পড়তে। অ বাবুর তাড়াতাড়ি যাওয়ার অভ্যেসটি খুব ভালো। তাতে ভালো সিট ও মেলে আর কোন কিছু হাতছাড়াও হয় না।
আমার ছোট কন্যাটি কদিন আগেই ইয়োসমিতি ঘুরে এসেছে। সেও বলল এর অপরূপ সৌন্দর্য্যের কথা।


Name:  পুপে          

IP Address : 236712.158.90056.117 (*)          Date:26 Jul 2019 -- 09:25 AM

** আগের পর্বে দুই আর তিন নম্বর প্যারায় কিছু তথ্য মিস গেছিল, সেগুলো যোগ করে দিলাম -

হার্ডিং-কে দিয়ে শুরু, এর পর আরও অনেককে হাতছানি দিয়েছে ইয়োসেমিতির কিনারায় অপেক্ষারত ক্যাপ্টেন। এ বলে আমায় দ্যাখ তো ও বলে আমায় - কত কম সময়ে, কত কম যন্ত্রপাতির সাহায্য নিয়ে ক্যাপ্টেনের নাক বেয়ে উঠে পড়তে পারে লোকজন, তার প্রতিযোগিতা!

হার্ডিং-এর টীম এইড ক্লাইম্বিং করেছিল, মানে ওপরে ওঠার জন্য নিজের মগজ আর হাত পা ছাড়াও অন্য কলাকৌশল ব্যবহার করা - তার মধ্যে পড়তে পারে পাহাড়ের গা ভেঙ্গে ধাপ বানিয়ে নেয়া, বা দড়ির আগায় ফাঁস বানিয়ে ল্যাসো ছোঁড়ার মত করে পাহাড়ের কোন খাঁজে তাকে আটকে তারপর সেই দড়ি বেয়ে ওঠা, বা পাহাড়ের গায়ে নাট বল্টু পেরেক গেঁথে দড়ির মই ঝুলিয়ে ওঠা- এমন আরও হাজার উপায়। পরের দিকে যখন পাহাড়-চড়িয়েরা দেখল যে এভাবে প্রায় যে কোন পাহাড়েই দড়ি দড়া নাট বলটু নিয়ে উঠে পড়া সম্ভব, তখন সত্তরের দশকে জনপ্রিয় হতে শুরু করল ফ্রি ক্লাইম্বিং। একজন লিডার দড়িশুদ্ধু হার্নেস পড়ে উঠতে থাকে, নিচে থাকে একজন “বিলেয়ার” যে দড়ির অপর প্রান্ত লাটাইয়ের সুতোর মত ছাড়তে থাকে। লিডার কেবল পেশীশক্তির সাহায্যে উপরে উঠবে। দড়ি ধরে টেনে নিজেকে তুললে হল না, তুমি তখন দুয়ো। তবে ওঠার সময় জায়গায় জায়গায় কোমরের দড়িটা ক্লিপ দিয়ে পাহাড়ের গায়ে হুকে লাগাতে লাগাতে যেতে পারো, যাতে পা পিছলে গেলে সটান নীচে না পড়ে তুমি শেষের হুক থেকে ঝুলতে থাকো; চিন্তা কোরো না, দড়ির নিচের প্রান্ত ততক্ষণে তোমার পার্টনার লক করে দিয়েছে! এই পদ্ধতিতে তিরানব্বই সালে প্রথমবার এল ক্যাপিটানকে পেড়ে ফেলেন লিন হিল, আমেরিকার এক দস্যি মেয়ে।

সবথেকে সাংঘাতিক হল ফ্রি সোলো ক্লাইম্বিং - একা একা কোন দড়ি, কোন যন্ত্রপাতি ছাড়া শুধু সাহস বুদ্ধি আর ধৈর্য সম্বল করে পাহাড়ে ওঠা, পড়ে গেলেই…। ২০১৭ সালে অ্যালেক্স হনল্ড শুধুমাত্র হাতের ঘাম শুকনোর জন্য চকের গুঁড়োভর্তি ব্যাগ নিয়ে চার ঘন্টার-ও কম সময়ে উঠে পড়েন ক্যাপের মাথায়! এই গোটা ব্যাপারটা খুব সাবধানে রেকর্ড করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের টিম , যাতে অ্যালেক্সের মনঃসংযোগে একটুও ব্যাঘাত না ঘটে, বানানো হয় ডকুমেন্টারি সিনেমা - “ফ্রি সোলো”। ধন্যি ছেলের অধ্যবসায়! তার পরের বছরই আবার টমি ক্যাল্ডয়েলকে পার্টনার জুটিয়ে দ্রুততম আরোহণের (২ ঘণ্টার কম) রেকর্ডও ঝুলিতে পুরেছে দুর্দান্ত অ্যালেক্স, বয়স যার এখনো ৩৪ পুরে ৩৫- এ পড়েনি! এল ক্যাপিটানের গল্প শোনাবো আর শীলা স্নীটারের কথা বলবো না, তাও কি হয়? ১০ বছরের এই পুঁটে মেয়েটা এ বছর জুন মাসে বাবার সাথে চড়েছে এল ক্যাপ।

তবে সব গল্পই বুকের ধুকপুকুনি বাড়িয়ে দেবার সাথে সাথে শেষে ঠোঁটের কোণে হাসি এনে দেয়না, কিছু গল্পের শেষে কালো ছায়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ম্লান মৃত্যু। তিরিশের-ও বেশি লোক এল ক্যাপিটান থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন, গত পাঁচ বছরে পাঁচ জন। মূহুর্তের অসতর্কতা? শুধু তা নয়, প্রকৃতির মেজাজমর্জিও বটে। সিয়েরা নেভাদাতে এখনো চলছে ভাঙ্গাগড়া, সে এখনো উচ্চতায় বেড়ে চলেছে, আবহবিকারের ফলে ভূপ্রকৃতিও নিয়ত পরিবর্তনশীল। তাপমাত্রার কমাবাড়ায় এল ক্যাপিটানের গা থেকে পেঁয়াজের খোসার মত পাথরের চোকলা খুলে এসে ভেঙ্গে পড়ে যায়, সাথে করে অকালে নিয়ে যায় পাহাড়চূড়ার স্বপ্ন দেখা তাজা ছেলেমেয়ে দের।


Name:  দ          

IP Address : 124512.101.89900.123 (*)          Date:26 Jul 2019 -- 12:46 PM

আহা চমৎকার লেখা


Name:  hu          

IP Address : 236712.158.5678.177 (*)          Date:27 Jul 2019 -- 09:18 AM

খুব ভাল হচ্ছে লেখা। পাহাড়ে চলার গল্পগুলো এবং ডকুমেন্টারির হদিস পাঠকের অতিরিক্ত পাওনা।


Name:  পুপে          

IP Address : 237812.68.343412.209 (*)          Date:03 Aug 2019 -- 04:36 AM

গাড়ি দাঁড়ালো টানেল ভিউ পয়েন্টে। দিনের বেলায় এখানে ফটোগ্রাফারদের ভিড় থাকে ইয়া ইয়া লেন্স বাগিয়ে, বাঁয়ে এল ক্যাপিটান, ডানদিকে ব্রাইডালভেল ফলস, আর মাঝে ঐ দূরে দেখা যায় হাফ ডোম - এ মানে ইয়োসেমিতির সিগনেচার ছবি। যারা মারিপোসা গ্রোভের রেডউড দেখে তারপর গুটি গুটি ওয়াওনা রোড ধরে ইয়োসেমিতির দিকে আসে, তারা একটা দেড় কিলোমিটার লম্বা অন্ধকার ঘুরঘুট্টি টানেল থেকে বেরিয়েই চোখের সামনে পায় এই দারুণ ভিউ - গোটা ইয়সেমিতি ভ্যালির একটা সুন্দর সারসংক্ষেপ; তাই এর নাম টানেল ভিউ। আমরা এসেছি রাতের বেলায়, তায় ভালো ক্যামেরা নেই, অগত্যা খানিক এদিক ওদিক পায়চারি করে আর ট্যুরের সাথে ফ্রি হট চকোলেট খেয়েই সন্তুষ্ট। পরের স্টপ স্যুইঙ্গিং ব্রিজ। ইতিমধ্যে রেঞ্জার ভালো গল্পের ঝুলি গুটিয়ে আজুগুবি ওয়্যার-উল্ফের গল্প শুরু করেছে। সেদিকে আর মন দিচ্ছি না, চোখ দিয়ে শুষে নিচ্ছি রুপোলী প্রকৃতি। চাঁদের প্রকোপে তারারা অনেকটাই ম্লান, তবু বেশ চেনা যাচ্ছে সপ্তর্ষিমন্ডল, তার মাথা বরাবর লাইন টেনে ধ্রুবতারা। ইশকুল বয়েসে পড়া পাতাগুলো থেকে আবার মিলিয়ে নিতে চেষ্টা করি। আমার চোখে ধ্রুবতারাকে দেখায় একটা কেটে যাওয়া ঘুড়ির লেজের শেষের তারাটির মত, দিব্যি ঝুলছে - ঘুড়িটা লঘু সপ্তর্ষিমন্ডল। ইশকুলের বইতে কিসের মত দেখতে লেখা ছিল সে আর মনে নেই, গাইড বলে ওটা নাকি একটা ছানা ভল্লুক, আমেরিকান ইশকুলে সপ্তর্ষিমন্ডল-ও আসলে জিজ্ঞাসাচিহ্ন নয়, মা ভাল্লুক - গ্রীস লোকগাথা। গ্রীক গল্পে দেবতাদের ডজন ডজন মানুষ প্রেমিক-প্রেমিকা আর হাপ-মানুষ বাচ্চাকাচ্চা স্বর্গ মর্ত্য পাতালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। এই গল্পটা এরকম যে- গ্রীকদের দেবাদিদেব জিউস মর্ত্যে এসে ক্যালিস্তোর সাথে প্রেম-ট্রেম করে, তাদের একটি ছেলে হয় - আর্কাস। জিউসের বৌ দেবী হেরা রেগে আগুন হয়ে ক্যালিস্তোকে ভাল্লুক বানিয়ে দেয় - কে না জানে মেয়েদেরই সব দোষ? আর হেরা করবেই বা কি, ওদের তো আর ডিভোর্সের সুযোগ ছিল না! তো সেই ছেলে চারপেয়ে মাকে চিনতে না পেরে বর্শা উঁচিয়ে যেই না তেড়ে গেছে, জিউস ওপর থেকে মাতৃহত্যার এই অনাচার সহ্য না করতে পেরে ছেলেকেও ভাল্লুকে পরিণত করে মা-ছেলে দুজনকেই আকাশে পাঠিয়ে দিল! এ কি ধরনের বিচার ব্যাটা জিউস নিজেই জানে!!

কাঠের ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে রেঞ্জারের লেজার টর্চের লাল রেখা বরাবর দৃষ্টি মেলে দি, চিনে নিই আরো অন্য অন্য তারা, শুনে নিই মানুষ আর কি গল্প বুনেছে আকাশপানে তাকিয়ে। হঠাত হইহই চেঁচামেচি- হয়েছে কি এই স্যুইঙ্গিং ব্রিজের পাশেই একটা ঘাসজমি মত জায়গা আছে। নদীর ধারে চাঁদের আলোয় কিছু ছেলেমেয়ে সেখানে গল্পগাছা করছিল বুঝি, তাদের গায়ে কারা যেন ইচ্ছে করে টর্চের আলো ফেলছে বার বার - অসভ্য অকাজের লোকেদের কমতি কোথাওই নেই! ট্যুর শেষে তাঁবুতে ফিরেই ঘুম - অন্ধকারে ঠাহর করে কোনমতে রাস্তা চিনে ফেরার সময় যে অন্য লোকের তাবুতে ঢুকে পড়িনি এই ভাগ্যি। কাল সকাল সকাল উঠে আমরা বেরিয়ে পড়বো এক বেশ বড়সড় হাইকে, সব মিলিয়ে প্রায় ১৪ মাইল - অন্তত সেরকমই প্ল্যান। দেখা যাক কদ্দুর কি হয় শেষ অবধি।


Name:  পুপে           

IP Address : 237812.68.233412.250 (*)          Date:03 Aug 2019 -- 06:07 AM

হ্যাপি আইলস স্টপে নেমে আমাদের পায়ে চলা শুরু, প্রথম থেকেই রাস্তা চড়াই- উঠতে শুরু করেছে, পাশ দিয়ে গর্জন করতে করতে বইছে মার্সেড, ক্যাম্পের গা দিয়ে বয়ে যাওয়া শান্তশিষ্ট তার রূপটি চেনাই এখানে দুষ্কর। পরিশ্রম করা অভ্যেস নেই, হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করি না, জিমে যাই না- শুরুর থেকেই এসব না-বাচক শব্দগুলো হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিচ্ছে মজাটা। গতকাল মিরর লেকের রাস্তায় পড়ে থাকা একটা গাছের ডাল তুলে এনেছিল অ-বাবু, দাঁতখিঁচুনি সহ্য করেও। সেইটে সে আজও বগলে করে এনেছে, ১৪ মাইলের কখনো না কখনো ওইটি ধার চাইতে যে হবেই তাতে কোন সন্দেহ নেই। দিব্যি ফিট বাচ্চা-বুড়ো-টিনেজার-মধ্যবয়স্ক আমাকে পেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যাচ্ছে। অ-বাবুও ভালোই ফিট, সে মুগুর টুগুর ভাঁজে, ডনবৈঠক দেয় - তাকে বলা আছে যে ইচ্ছে হলে এগিয়ে যেতে- সাথে সাথেই যেতে হবে এমন নয় - তবে সেটা মুখের বলা, সত্যি করে পেছনে ফেলে অনেক এগিয়ে গেলে আমার দাঁতগুলো আপনা থেকেই কিড়মিড় করতে থাকে।

এই পথেই হাফডোম যাবারও রাস্তা, ভিড় বেশি। অনেকে দেখি পিঠে রুকস্যাক আর দু হাতে হাইকিং স্টিক নিয়ে হনহনিয়ে এগোচ্ছে- এরা ব্যাকপ্যাকার - পিঠে তাঁবু আর রসদ নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছে- সুবিধেমত জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে রাত্রিবাস, তারপর আবার চলা। লোকজন আর চারপাশ দেখতে দেখতে দিব্যি টুকটুক করে হেঁটে পৌঁছে গেলাম ভার্নাল ফলস ব্রিজে। মার্সেড নদী সিয়েরা নেভাডার ক্লার্ক রেঞ্জের কোল থেকে তৈরী হয়েছে, প্রায় আড়াই হাজার মিটার উচ্চতায়, আর প্রচণ্ড খাড়া “দৈত্যাকার সিঁড়ি” বেয়ে ভ্যালিতে নেমে এসেছে। ২০০ মিটারের নেভাডা ফলস আর আরো নিচে মেরেকেটে ১০০ মিটারের ভার্নাল ফলস হল সেই দৈত্যাকার সিঁড়ির দুই ধাপ। ভার্নাল ফলস ব্রিজ এদিকের পাহাড় থেকে নিয়ে আমাদের তুলে দিল ওদিকের পাহাড়ের গায়ে। এখান থেকে পাহাড়ের গায়ে ধাপ কেটে বানানো সিঁড়ি একদম ঝর্নার পাশ দিয়ে আমাদের নিয়ে যাবে তার মাথায়। জলে ভিজে কালো গ্র্যানাইট চকচক করে, কোথাও কোথাও সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসে জলের ধারা, ঝিরঝিরে বৃষ্টির মত জলের রোঁয়ারা ত্বকের মধ্যে মিশে যায়, জলের ধোঁয়ায় সূর্যের আলোয় আঁকা হয় রামধনু- এ রাস্তার নাম “মিস্ট ট্রেইল”- কুয়াশা ভেজা পথ। শুনতে যতই রোমান্টিক লাগুক, দেখতে যতই বাক্যি হরে যাক, পা ফেলতে গিয়ে দেখতে পাবে পাথরের খোঁদল, শ্যাওলা, জলে পিচ্ছিল, আর অগতির গতি এক ফঙ্গবেনে মরচে পড়া রেলিং, তা-ও সব জায়গায় নেই। তার মধ্যে অবিরত শুনতে পাচ্ছি - “এবার থেকে ফিরে গিয়ে ব্যায়াম করবি রোজ, কি অবস্থা করেছে চেহারার, একটুও ফিটনেস নেই, এদিকে বেড়াতে যাবার সখ, খালি প্ল্যানই করিস তুই, প্ল্যানটা এক্সিকিউট করার জন্য প্রিপেয়ার কিছুই করিস না, এটুকুতেই হাঁপাচ্ছিস, এখনো অনেক রাস্তা বাকি”- কমা দিলে যেটুকু থামতে হয়, ঠিক সেইটুকু থেমে থেমে বলে চলেছে এসব। লম্বা চলার পথে উৎসাহ দেবারই যে কথা, মনের জোর নষ্ট করা উচিত নয় সে কথা সাতজন্মে বেড়াতে যাবার নাম নিজে থেকে যে করে না, যে কোনোদিন জেগে বা ঘুমিয়ে পাহাড়ের স্বপ্ন দেখে না- তাকে আর কি বোঝাবো? “এসব বলিস না, অসুবিধে হচ্ছে” এটুকু বলেই থেমে গেলাম। আরো মাথা গরম হল যখন রুট সম্পর্কে কিচ্ছু না জেনেই, রাস্তা দু'ভাগ হয়েছে এরম একখানে এসে বলতে লাগল - "এই তো এইদিকেরটায় যাই চল, অনেক কিছু দেখতে পাবো, ওদিকের রাস্তা বেশি তো কি হয়েছে" অমুক তমুক। আমার কথায় বিশ্বাস নেই। নেহাত পাশ দিয়ে যেতে যেতে একজন বলে গেল যে "ওদিকে যেও না, এদিকেই রাস্তা কম, আর ভিউও ভাল"- তাই উনি শান্ত হলেন। দিয়ে খানিক পর রামধনু দেখতে পাওয়ায় এ কান থেকে ওকান অবধি হাসি বেরল যখন, তখন মাথায় গাঁট্টা মারার ইচ্ছেটা অতি কষ্টে সংবরণ করলাম।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8]     এই পাতায় আছে203--233