বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42599]  [42598]  [42597]  [42596]  [42595]  [42594]  [42593]  [42592]  [42591]  [42590]  [42589]  [42588]  [42587]  [42586]  [42585]  [42584]  [42583]  [42582]  [42581]  [42580]  [42579]  [42578]  [42577]  [42576]  [42575]  [42574]  [42573]  [42572]  [42571]  [42570]  [42569] 

name:  Bratin               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.43 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 06:59 AM

যে কোন বিতর্ক শুরু হলে ই এল সিএম দা ঠিক লাগসই ডেটা নিয়ে হাজির । যতো ই ক্ম্পু করুক রক্তে তো স্টাটিস্টি্স ।


name:  Bratin               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.43 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 06:56 AM

দেখুন মহায় ভাববেন না টেনে খেলাচ্ছি কিন্তু কেয়ার মতো মেয়ে হয় না আমাকে গরম , বর্ষ ,শীত বেড টি দেয়।

ভারী ভালো মেয়ে


name:  Bratin               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.43 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 06:53 AM

মরেচে আটোজের হল কী ? এত ফুল ফর্মের গুডপ্পা বিশ্ব্নাথ । তিন টে ক্ভার এ ফিল্ডার রাখলেও তার মধ্যে দিয়ে হাসতে হাসতে চার মারছে


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.251 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 04:55 AM

ওদিকে জগদীশচন্দ্রকে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী হিসেবে ঘোষণা করে ফেবুতে একটা খবর শেয়ার করছে শয়ে শয়ে লোক। জগদীশচন্দ্রের ছবি দেওয়া টাকার নোট বের করেছে ইংল্যান্ড থেকে, সেইজন্যে।


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.251 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 03:25 AM

তার পরেও কিছু টাইপো রয়ে গেল। গুণীজনে মাফ করবেন। নিজেরা ঠিক করে নেবেন। ঃ-)


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.251 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 03:24 AM

সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতাটা এইখানে দিয়ে রাখি। পরে দরকার হলে ---

আমরা

মুক্তবেণীর গঙ্গা যেখায় মুক্তি বিতরে রঙ্গে
আমরা বাঙ্গালী বাস করি সেই তীর্থে—বরদ বঙ্গে ;-
বাম হাতে যার কম্লার ফুল, ডাহিনে মধুক-মালা,
ভালে কাঞ্চন-শৃঙ্গ-মুকুট, কিরণে ভুবন আলা,
কোল-ভরা বার কনক ধান্য, বুকভরা যার স্নেহ,
চরণে পদ্ম, অতসী অপরাজিতায় ভূষিত দেহ,
সাগর যাহার বন্দনা রচে শত তরঙ্গ ভঙ্গে,-
আমরা বাঙ্গালী বাস করি সেই বাঞ্ছিত ভূমি বঙ্গে ।

বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাঁচিয়া আছি,
আমরা হেলায় নাগেরে খেলাই, নাগেরি মাথায় নাচি ।
আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে,
দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে ।
আমাদের ছেলে বিজয়সিংহ লঙ্কা করিয়া জয়
সিংহল নামে রেখে গেছে নিজ শৌর্য্যের পরিচয় ।
এক হাতে মোরা মগেরে রুখেছি, মোগলেরে আর হাতে,
চাঁদ-প্রতাপের হুকুমে হঠিতে হয়েছে দিল্লীনাথে ।

জ্ঞানের নিধান আদি বিদ্বান কপিল সাংখ্যকার
এই বাঙলার মাটিতে গাঁথিল সূত্রে হীরক-হার ।
বাঙালী অতীশ লঙ্ঘিল গিরি তুষারে ভয়ঙ্কর,
জ্বালিল জ্ঞানের দীপ তিব্বতে বাঙালী দীপঙ্কর ।
কিশোর বয়সে পক্ষধরের পক্ষশাতন করি’
বাঙালীর ছেলে ফিরে এল দেশে যশের মুকুট পরি’ ।

বাঙলার রবি জয়দেব কবি কান্ত কোমল পদে
করেছে সুরভি সংস্কৃতের কাঞ্চন-কোকনদে ।
স্থপতি মোদের স্থাপন করেছে বরভূধরের ভিত্তি,
শ্যাম-কম্বোজে ‘ওঙ্কার-ধাম',—মোদেরি প্রাচীন কীৰ্ত্তি ।
ধেয়ানের ধনে মূৰ্ত্তি দিয়েছে আমাদের ভাস্কর
বিটপাল আর ধীমান,—যাদের নাম অবিনশ্বর।
আমাদেরি কোন সুপটু পটুয়া লীলায়িত তুলিকায়
আমাদের পট অক্ষয় ক'রে রেখেছে অজন্তায় ।
কীৰ্ত্তনে আর বাউলের গানে আমরা দিয়েছি খুলি
মনের গোপনে নিভৃত ভূবনে স্বার ছিল যতগুলি ।

মন্বন্তরে মরিনি আমরা মারী নিয়ে ঘর করি,
বঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশিসে অমৃতের টীকা পরি' ।
দেবতারে মোরা আত্মীয় জানি, আকাশে প্রদীপ জালি,
আমাদেরি এই কুটিরে দেখেছি মানুষের ঠাকুরালি ;
ঘরেব ছেলের চক্ষে দেখেছি বিশ্বভূপের ছায়া,
বাঙালীর হিয়া অমিয় মথিয় নিমাই ধরেছে কায়া ।
বীর সন্ন্যাসী বিবেকের বাণী ছুটেছে জগৎময়,—
বাঙালীর ছেলে ব্যাঘ্রে বৃষভে ঘটাবে সমন্বয় ।

তপের প্রভাবে বাঙালী সাধক জড়ের পেয়েছে সাড়া,
আমাদের এই নবীন সাধনা শব-সাধনার বাড়া ।
বিষম ধাতুর মিলন ঘটায়ে বাঙালী দিয়াছে বিয়া,
মোদের নব্য রসায়ন শুধু গবমিলে মিলাইয়া ।
বাঙালীর কবি গাহিছে জগতে মহামিলনের গান,
বিফল নহে এ বাঙালী জনম বিফল নহে এ প্রাণ ।
ভবিষ্যতের পানে মোরা চাই আশা-ভরা আহলাদে,
বিধাতার কাজ সাধিবে বাঙালী ধাতার আশীৰ্ব্বাদে ।

বেতালের মুখে প্রশ্ন যে ছিল আমরা নিয়েছি কেড়ে,
জবাব দিয়েছি জগতের আগে ভাবনা ও ভয় ছেড়ে
বাঁচিয়া গিয়েছি সত্যের লাগি সৰ্ব্ব করিয়া পণ,
সত্যে প্রণমি থেমেছে মনের অকারণ স্পন্দন।
সাধনা ফলেছে, প্রাণ পাওয়া গেছে জগৎ-প্রাণের হাটে,
সাগরের হাওয়া নিয়ে নিঃশ্বাসে গম্ভীরা নিশি কাটে ;
শ্মশানের বুকে আমরা রোপণ করেছি পঞ্চবটী,
তাহারি ছায়ায় আমরা মিলাব জগতের শতকোটি ।

মণি অতুলন ছিল যে গোপন সৃজনের শতদলে,—
ভবিষ্যতের অমর সে বীজ আমাদেরি করতলে ;
অতীতে যাহার হয়েছে সূচনা সে ঘটনা হবে হবে,
বিধাতার বরে ভরিবে ভুবন বাঙালীর গৌরবে ।
প্রতিভায় তপে সে ঘটনা হবে, লাগিবে না তার বেশী,
লাগিবে না তাহে বাহুবল কিবা জাগিবে না দ্বেষাদ্বেষী ;
মিলনের মহামন্ত্রে মানবে দীক্ষিত করি’ ধীরে—
মুক্ত হইব দেব-ঋণে মোরা মুক্তবেণীর তীরে ।


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.251 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 03:20 AM

সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতাটা এইখানে দিয়ে রাখি। পরে দরকার হলে ---

আমরা

মুক্তবেণীর গঙ্গা যেখায় মুক্তি বিতরে রঙ্গে
আমরা বাঙ্গালী বাস করি সেই তীর্থে—বরদ বঙ্গে ;-
বাম হাতে যার কম্লার ফুল, ডাহিনে মধুক-মালা,
ভালে কাঞ্চন-শৃঙ্গ-মুকুট, কিরণে ভুবন আলা,
কোল-ভরা বার কনক ধান্ত, বুকভরা যার স্নেহ,
চরণে পদ্ম, অতসী অপরাজিতায় ভূষিত দেহ,
সাগর যাহার বন্দনা রচে শত তরঙ্গ ভঙ্গে,-
আমরা বাঙ্গালী বাস করি সেই বাঞ্ছিত ভূমি বঙ্গে ।

বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাচিয়া আছি,
আমরা হেলায় নাগেরে খেলাই, নাগেরি মাথায় নাচি ।
আমাদের সেনা যুদ্ধ করেছে সজ্জিত চতুরঙ্গে,
দশাননজয়ী রামচন্দ্রের প্রপিতামহের সঙ্গে ।
আমাদের ছেলে বিজয়সিংহ লঙ্কা করিয়া জয়
সিংহল নামে রেখে গেছে নিজ শৌর্য্যের পরিচয় ।
এক হাতে মোরা মগেরে রুপেছি, মোগলেরে আর হাতে,
চাঁদ-প্রতাপের হুকুমে হঠিতে হয়েছে দিল্লীনাথে ।

জ্ঞানের নিধান আদি বিদ্বান কপিল সাংখ্যকার
এই বাঙলার মাটিতে গাথিল স্থত্রে হীরক-হার ।
বাঙালী অতীশ লঙ্ঘিল গিরি তুলারে ভয়ঙ্কর,
জ্বালিল জ্ঞানের দীপ তিব্বতে বাঙালী দীপঙ্কর ।
কিশোর বয়সে পক্ষধরের পক্ষশাতন করি’
বাঙালীর ছেলে ফিরে এল দেশে যশের মুকুট পরি’ ।

বাঙলার রবি জয়দেব কবি কান্ত কোমল পদে
করেছে সুরভি সংস্কৃতের কাঞ্চন-কোকনদে ।
স্থপতি মোদের স্থাপন করেছে বরভূধরের ভিত্তি,
শ্যাম-কম্বোজে ‘ওঙ্কার-ধাম',—মোদেরি প্রাচীন কীৰ্ত্তি ।
ধেয়ানের ধনে মূৰ্ত্তি দিয়েছে আমাদের ভাস্কর
বিটপাল আর ধীমান,—যাদের নাম অবিনশ্বর।
আমাদেরি কোন সুপটু পটুয়া লীলায়িত তুলিকায়
আমাদের পট অক্ষয় ক'রে রেখেছে অজন্তায় ।
কীৰ্ত্তনে আর বাউলের গানে আমরা দিয়েছি খুলি
মনের গোপনে নিভৃত ভূবনে স্বার ছিল যতগুলি ।

মন্বন্তরে মরিনি আমরা মারী নিয়ে ঘর করি,
বঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশিসে অমৃতের টীকা পরি' ।
দেবতারে মোরা আত্মীয় জানি, আকাশে প্রদীপ জালি,
আমাদেরি এই কুটিরে দেখেছি মানুষের ঠাকুরালি ;
ঘরেব ছেলের চক্ষে দেখেছি বিশ্বভূপের ছায়া,
বাঙালীর হিয়া অমিয় মথিয় নিমাই ধরেছে কায়া ।
বীর সন্ন্যাসী বিবেকের বাণী ছুটেছে জগৎময়,—
বাঙালীর ছেলে ব্যাঘ্রে বৃষভে ঘটাবে সমন্বয় ।

তপের প্রভাবে বাঙালী সাধক জড়ের পেয়েছে সাড়া,
আমাদের এই নবীন সাধনা শব-সাধনার বাড়া ।
বিষম ধাতুর মিলন ঘটায়ে বাঙালী দিয়াছে বিয়া,
মোদের নব্য রসায়ন শুধু গবমিলে মিলাইয়া ।
বাঙালীর কবি গাহিছে জগতে মহামিলনের গান,
বিফল নহে এ বাঙালী জনম বিফল নহে এ প্রাণ ।
ভবিষ্যতের পানে মোরা চাই আশা-ভরা আহলাদে,
বিধাতার কাজ সাধিবে বাঙালী ধাতার আশীৰ্ব্বাদে ।

বেতালের মুখে প্রশ্ন যে ছিল আমরা নিয়েছি কেড়ে,
জবাব দিয়েছি জগতের আগে ভাবনা ও ভয় ছেড়ে
বাঁচিয়া গিয়েছি সত্যের লাগি সৰ্ব্ব করিয়া পণ,
সত্যে প্রণমি থেমেছে মনের অকারণ স্পন্দন।
সাধনা ফলেছে, প্রাণ পাওয়া গেছে জগৎ-প্রাণের হাটে,
সাগরের হাওয়া নিয়ে নিশ্বাসে গম্ভীরা নিশি কাটে ;
শ্মশানের বুকে আমরা রোপণ করেছি পঞ্চবটী,
তাহারি ছায়ায় আমরা মিলাব জগতের শতকোটি ।

মণি অতুলন ছিল যে গোপন সৃজনের শতদলে,—
ভবিষ্যতের অমর সে বীজ আমাদেরি করতলে ;
অতীতে যাহার হয়েছে সুচনা সে ঘটনা হবে হবে,
বিধাতার বরে ভরিবে ভুবন বাঙালীর গৌরবে ।
প্রতিভায় তপে সে ঘটনা হবে, লাগিবে না তার বেশী,
লাগিবে না তাহে বাহুবল কিবা জাগিবে না দ্বেষাদ্বেষী ;
মিলনের মহামন্ত্রে মানবে দীক্ষিত করি’ ধীরে—
মুক্ত হইব দেব-ঋণে মোরা মুক্তবেণীর তীরে ।





name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.893423.226 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 03:03 AM

ডিজনি টিজনি টাইপের কেউ থাকলে বাংলার ইতিহাসকে ফেয়ারিটেলিফাই করে ছেড়ে দিত আর দুনিয়ার লোক হামলে পড়ে সেসব দেখত। ঃ-) কিন্তু বিসমিল্লায় গলদ, সেরকম লোক কই? তত টাকা কই?


name:  lcm               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.565623.225 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 03:01 AM

ক্লাসিক ব্রিক ফায়ার প্লেস, ইঁটের খাঁচার মধ্যে জ্বলন্ত কাঠ, ধোঁয়া চিমনি বেয়ে সোজা ওপরে - সে ইয়ে, মানে, যেমন অরিন লিখেছে, কাঠের দামড়া টুকরো, তেমন ভারী, কাঠের ভেতরটা ভিজে হলে তো আরও মুশকিল, সব কাঠ আবার ঠিকমত জ্বলতে চায় না, জ্বলতে জ্বলতে জমে কাঠ, তারপর কিছুক্ষণ অন্তর অন্তর আগুন খোঁচানো, এবং পিট পরিষ্কার - - তবে হ্যাঁ, স্মোক্‌ড্‌ মাছ খেতে চাইলে, গরম ধোঁয়া কাজে লাগাতে পারেন।


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.221 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 02:48 AM

আর ওই যে "বাংলার ছেলে বিজয়সিংহ লঙ্কা করিয়া জয়", তাঁরা নাকি ৩২ জন ভাইবোন। ১৬ বারে, সবাই যমজ। ঃ-) এঁরা খুবই সুদূর অতীতের। এদের ঠাকুরদা/দাদামশাই নাকি জঙ্গলের সিংহ। সম্ভবতঃ সিংহ টোটেমধারী কোনো নৃগোষ্ঠীর লোক, সিংহচর্মের বর্ম পরা, হারকিউলিসের মতন। ঃ-)




    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷