বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42597]  [42596]  [42595]  [42594]  [42593]  [42592]  [42591]  [42590]  [42589]  [42588]  [42587]  [42586]  [42585]  [42584]  [42583]  [42582]  [42581]  [42580]  [42579]  [42578]  [42577]  [42576]  [42575]  [42574]  [42573]  [42572]  [42571]  [42570]  [42569]  [42568]  [42567] 

name:  vusukupada               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.23900.201 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:17 AM

বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে পাওয়া গেছিল চর্যাপদ।


name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.43 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:16 AM


*বেশ কিছু সংখ্যক বাঙালী শরণার্থীদের


name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.43 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:14 AM


@S আজ সকালে একদম ঠিক কথাই বলেছিলেন দেশভাগের শিকার মানুষদের সম্পর্কে। অনেক সময় দেখা গেছে রিফিউজি পরিচয় দিলে চাকরি বা সাহায্য পাওয়া যেত না। অনেকের ডিগ্রি সার্টিফিকেট মাইগ্রেশনের সময় হারিয়ে গেছিল।

ওয়ার্কশপে একটা তথ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ৫০ র মাঝামাঝি সময়ে রকারফেলার ফাউন্ডেশন থেকে বাংলা ও পঞ্জাবের মানুষের উদ্দেশ্যে ত্রাণ ও অর্থ সাহায্য এসেছিল। কিন্তু দিল্লী থেকে খুব সামান্য টাকা বাংলায় পাঠানো নয়। বেশীর ভাগটাই গেছিল পঞ্জাবী শরণার্থীদের জন্যে। একটা স্ট্যাটিস্টিকস দেওয়া হয়েছিল, পঞ্জাবী রিফিউজিদের জন্যে যদি মাথাপিছু ১০ টাকা ধার্য হয় তাহলে বাঙালী রিফিউজিদের জন্যে ২ টাকা কি দেড় টাকা। চণ্ডীগড় শহরটার পরিকল্পনাই হয়েছিল রিফিউজি রেহ্যাবের উদ্দেশ্যে। কেন্দ্র থেকে বাংলায় সেরকম কোনো পরিকল্পনা ছিল না।

পঞ্জাবীরা পঞ্জাব ও দিল্লীর মধ্যে অর্থাৎ নিজেদের পছন্দের জায়গার মধ্যেই ছিলেন। কিন্তু বেশ বাঙালী শরণার্থীদের পাঠানো হয় বাংলা থেকে অনেক দূরে, দণ্ডকারণ্য, আন্দামান, নৈনিতাল ও দিল্লীতে।


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.783423.57 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:11 AM

চর্যাপদ তো ওভাবেই পাওয়া গেছিল! কোথায় কাদের ঘরের কারে (ঘরের চালের নিচে একটা দ্বিতীয় কাঠের চালা থাকতো, যার উপরে জিনিসপত্র রাখা হত, তাকে বলা হত কার ) পাওয়া গেছিল বান্ডিল বান্ডিল লেখা।


name:  Arin Basu               mail:                 country:                

IP Address : 8990012.41.893423.117 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:10 AM

@arjun: "ফায়ার প্লেসে আগুন আর সঙ্গে 'প্লেন্টি অব ওয়াইন টু ড্রিঙ্ক অ্যান ( অ্যান্ড) ড্রিঙ্ক।'"

কি রোমাণ্টিক শুনতে লাগে না?
:-)
হাড় হিম করা ঠাণ্ডায় ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বালানো যে কি জিনিস, যে করেছে সে জানে। প্রথমত, বেশ কিছু পাইন কোন আর কুচো কাঠ স্তুপ করে কিন্ডলিং ধরিয়ে হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে ধ্যান করুন, তাঁদের যখন আপনার ওপর করুণা হবে তখন তাঁরা জ্বলবেন, তারপর বড় বড় কাঠগুলো দিয়ে আগুনটাকে তৈরী করুন। এবং এর পর প্রতি পনের কি কুড়ি মিনিট অন্তর বড় ভারি কাঠ এনে ভরতে থাকুন। আমাদের এদিকটাতে বরফ পড়তে থাকলে যখন তখন আলো চলে যায়, তখন চা আর খাবার রান্নার ওই ফায়ারপ্লেস ভরসা। লোহার টিপটে জল ভরে ফোটাতে থাকুন।
ওয়াইন? ফায়ারপ্লেস চলাকালীন ওসব না করাই ভাল, বরং কড়া কফি কি চকলেট চলতে পারে, আর লম্বা হাতায় কাঠবাদাম, আখরোট, হেজেলনাট, চেস্টনাট, মার্শম্যালো পুড়িয়ে মন ভরে খান।
গনণন করে কাঠের আগুন জ্বলুক, আগুনের পরশমণি ছোঁয়ান প্রাণে। কারণ এর পর আপনার ছাই ফেলতে একটা কুলো লাগবে, সে জিনিস মেটালিক হলেই ভাল, তাছাড়া ফায়ারপ্লেসের আগুণের গরম ছাই যেখানে সেখানে ফেলতেও পারবেন না।
এত সব করার পর, খেয়াল রাখবেন যে কাঠ লাগবে। আমাদের এখানে ট্রেলারে করে মাঝারি মাপের কাটা কাঠের গুঁড়ি বাড়ির লনে ফেলে দিয়ে যায়, তারপর সে সব কাঠের ঘরে স্ট্যাক করা। একেকটা কাঠ অনায়াসে চার পাঁচ কিলো ওজনের, সারাদিন ধরে স্ট্যাক করার পর রোববার (কি শনিবার) কখন চলে যাবে টের পাবেন না। তার থেকেও পরিশ্রমসাধ্য কাঠের গুঁড়িগুলোকে একটা সাত-আট কিলোর কুঠার দিয়ে দু-টুকরো করা, সে যে কি কঠিন কাজ (প্রথম প্রথম), কি বলব। কলকাতায় মাংসর দোকানে যে রকম কাঠের গুঁড়ির ওপর মাংস কাটে, ওইরকম একটা বড় কাঠের গুঁড়ির ওপর কাঠগুলোকে রেখে মাথার ওপর দিয়ে একটা মনে করুন আট কিলো ওজনের কুঠার নামিয়ে ঠিক জায়গায় মারতে হবে, না হলে কেলেংকারী। কাঠ তো কাটবেও না, উলটে এদিক ওদিক ছিটকে একশা। প্রথম দিকে সে কাজ করতে জান বেরিয়ে গেছিল। বহু কসরতের পর শিখলাম, ব্যাপারটা হ্যাকে মারার নয়। অনেকটা বড় আয়রন দিয়ে প্রথম হোলের দিকে গল্প বল মারার মতন। গায়ের জোরের ব্যাপার নয়, একটা "রিদম" এর ব্যাপার। যতদিন না হচ্ছে, চালিয়ে যান, আর করার পর দুদিন গায়ের ব্যাথায় কাতর হয়ে থাকুন। ঠাণ্ডা তো আর কমছে না।



name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.786712.9 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:04 AM


সত্যিই আতজ, দেশভাগের সময়ের নথি, চিঠি পত্র, দলিল, দস্তাবেজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা আর আপনি বল্লাল সেনের সময়ের দিনলিপি!


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.893423.226 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 01:01 AM

বলা যায় না, মাঝে মাঝে হয়তো কাশী যেতেন, সেখানে দেখা হত। ঃ-)


name:  এলেবেলে               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.895612.254 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 12:56 AM

বল্লাল সেন কর্ণাট ব্রাহ্মণ, দক্ষিণ ভারত। বাঙালি হওনের চান্সই নাই!


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.678912.29 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 12:56 AM

ঐ যে নতুন দেশে এসে বসতি করা তরুণ তরুণীরা, তাঁদের মনের কথা কিছু জানা যায়? পূর্বপুরুষের দিনলিপি কি কিছু পাওয়া যায়? এই পাতায় যাঁরা কুলীন ব্রাহ্মণ, চট্টো বন্দ্যো গঙ্গো ভট্টাচার্য ইত্যাদিরা তাঁরা কেউ কনৌজের সময়ের ও হঠাৎ বাংলায় এসে পড়ে কী অবস্থা --সেইসব সময়ের কোনো স্মৃতিচারণ পান পারিবারিক ইতিহাসে? ভাষা নিয়ে সেই "হাউ মেয়েপ্পু?" ধরণের অসুবিধা, তারপরে জ্বর, তারপরে বাঘ, ঝড়বাদল-- এইসব? কেউ কেউ হয়তো পুরানো বাড়িঘর সঙ্গীসাথী পাড়া সব মিস করছে! আর কোনোদিন যাওয়া হবে না, পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে না, সেইসব?


name:  এলেবেলে               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.895612.254 (*)          Date:03 Dec 2019 -- 12:55 AM

এই যে ব্রতীনবাবুর ঘটি নিয়ে এত গব্বো, তো ওই ঘটি শব্দটি এসেছে বন্দ্যঘটি থেকে। রাঢ়ি তার মানে!




    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷